11/04/2026
জয়তু আবৃত্তি!
শিল্পের স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে আবৃত্তিশিল্প স্বীকৃতি পেলো।
ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট সকলকে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদ
11/04/2026
জয়তু আবৃত্তি!
শিল্পের স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে আবৃত্তিশিল্প স্বীকৃতি পেলো।
ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট সকলকে।
ফুল কহে ফুকারিয়া ফল ওরে ফল;
কত দূর রয়েছিস, বল মোরে বল।
ফল কহে, 'মহাশয় কেন ডাকাডাকি?
তোমারি অন্তরে আমি নিরন্তর থাকি'!
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(ফ-উচ্চারণের বাচিক চর্চা)
06/10/2025
অভিনন্দন
অভিনন্দন
শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্ট্যালিন
06/10/2025
যাদের জিহ্বা অনেক ভারী, কথা বলতে গিয়ে ভজঘট লেগে যায় কিংবা উচ্চারণে সমস্যা আছে, তারা একবার সবগুলা লাইন পড়ে দেখতে পারেন।
📢📢
🔻পাখি পাকা পেঁপে খায়।
★ নলিনী লালনের নোলক নাকে তাল তাকে থাক কাক তাকে খাক।
★ লালুর লড়াই রাবড়ি লড়েন।
★ হরলালের রেলগাড়ি।
★ তেলে চুল তাজা জলে চুন তাজা।
★ সূঁচে সুতো ছাতে ছুঁচো।
★ লারা রোড রোলারে লর্ডসে যায়।
★ লালা রি লোলা রি লিলারি লালারি লু।
★ কাঁচা পেঁপে পাকা পেঁপে।
★ বাবলা গাছে বাঘ ঝোলে।
★ পাতে পটল পড়লেও পড়তে পারে।
★ বারো হাঁড়ি রাবড়ি বড়ো বাড়াবাড়ি।
★ কাঁচা গাব পাকা গাব।
★ লীনা নিলো নীলা লীলা নিলো না।
★ দুর্যোধন জর্দা খেয়ে দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়।
★ বাঘার বাড়ি বাবার গাড়ি।
★ লরির ওপর রোলার।
★ লীলা নিলি নালা নালী।
★ লেনিন নিলেন লিনেন, লিনেন লেনিন নিলেন, নিলেন লেনিন লিনেন।
★ লালু লালা নিলী লিলি লীলা লীনা।
★ করলার কলে বাড়ে কলেরার কলরব।
★ শ্যমবাজারের শশী বাবু সকাল বেলায় সাইকেল। চড়ে শশা খেতে খেতে সশরীরে স্বর্গে গেলেন।
★ পাখি কাঁপে ফাঁদে, পাপী কাঁদে ফাঁকে।
★ এক আনায় আনা যায় কত আনারস।
★ মালির মাথায় মালার ডালা, মালার হাতে মালির মালা।
★ রণে রানী লড়ে, লনে নারী নড়ে।
★ মাসি মারে মশা, মেসো মারে মাছি।
★ অস্ট্র উষ্ট্রের সাথে অষ্ট অশ্ব।
★ চাচা চাঁছা চটা চাঁছো না আচাঁছা চটা চাঁছো।
★ চাচা চা চায়, চাচী চ্যাঁচায়।
★ লাল ল্যানোলিন, নীল ল্যানোলিন।
★ নেরু রেনুর কান টানে, রেনু নেরুর নাক টানে।
★ টাকে কাক, তাকে কাপ।
★ মিতা আটা হাতে আতা কাটে।
★ গাছ কাটা কাটা খাঁজ, খাঁজ কাটা কাটা গাছ।
★ মনাকে মনার মা মানা করেছে, মনা মায়ের মানা না শুনে চলে গেছে।
★ চল চপলার চকিত চরণে করিছে চরণ বিচরণ।
★ কত না জনতা জানালো যতনে যতনে।
★ কালুদের কুচকুচে কালো কুকুর কাল কচুরিতে কামড় দিয়েছিল।
★ টিপুর টুপি টুপুর টাকে, টুপুর টাকা টিপুর ট্যাঁকে।
★ উৎকটকটমহাশঙ্করকিটকিটাম্বররায়চৌধুরী
★ চারুচন্দ্র চক্রবর্তী চটি জুতো চরণে জড়ায়ে চট্টগ্রাম চলে গেছে।
★ পাঁক পুকুরের পশ্চিম পাড়ের পাঁচু পাইন পাঁচটি পুলিশ কে পটিয়ে পাঁচটি পাইপ পুঁতিল।
★ হেলিকপ্টারের প্রোপ্রাইটারের প্রপিতামহ প্রপেলারের চোটে পটলপ্রাপ্ত।
★ গড়ের মাঠে গরুর গাড়ি গড় গড়িয়ে যায়।
★ কাকেরা কা কা করিয়া কাকে কাকা কইছে?
★ রুলারে লড়াই।
★ রোমা রল্যা লেড় খায়।
★ কীর্তন মঞ্চে পঞ্চম নর্তকী নর্তনে নর্তন করছে।
★ টগর টগবগিয়ে তগবগে তেলে টগবগ করল।
★ চন্দন চাটুজ্যে চাঁদনী চত্বরে চন্দ্রবিন্দু চেপে চেঁচাল।
★ ঝনঝন ঝরনায় ঝুমঝুমি ঝরে ঝুমে ঝুমে।
★রঙিন রাঙা রঙ তুলেছে রাঙার রঙের রঙিনিতে।
★ তপ্ত তেলে তেলেভাজা তেলচিটে তেলতেলে টিকিয়া।
★ গরম ঘরে ঘুমঘোরে ঘুরছে ঘুমন্ত ঘোড়া।
★ সাত সাপ সাঁতার কাটছে সোনার সাঁকো সরে।
★ বকুল বাগানে বক বকে বকুল ফুলে বকাবকি করে।
★ নরম নুনে নোনা নোনতা নুনচেরা নোনার নোনতা নুন।
★ পাকা পেঁপে পুঁটিমাছ পেয়ে পাড়ার পুতুল পচা পেঁপে পেট পুরল।
★ মিঠুন মিঠাই মিষ্টি মিষ্টান্ন মেলায় মিষ্টান্ন মিশিয়েছে।
★ ফুলফল ফোটে ফুলবাগানে ফুলবালিকা ফুল তুলে ফেলে ফালতু ফুলফোঁটার ফাঁকে।
★ চঞ্চল চঞ্চলা চাঁদের আলোয় চঞ্চলচিত্ত চঞ্চু চঞ্চলতা চেপে চুপচাপ।
★ রঙ্গিলা রঙ্গনের রঙে রাঙা রঙ্গরসের রঙ্গমঞ্চে রমণী রঞ্জিত।
★ ঢাকঢোল বাজিয়ে ঢুলে ঢুলে ঢাকির ঢোল ঢাকল ঢলঢলিয়ে।
★ ঝিনুকঝরা ঝিনুকঝিনুকের ঝিনুকঝলক ঝলমল করে ঝাউবনে।
★ মেঘমল্লার মেঘলা মুখে মিষ্টি মৃদু মৃদঙ্গের মৃদু মৃদু মূর্ছনা।
★ ছেলেটি চিঠি চেপে চুপি চুপি চট্টগ্রাম চলে গেল।
★ পঞ্চপাণ্ডব পাকা পানের পুঁটুলি পকেটে পুতে পাহাড় পাড়ি দিল।
★ টগর টগবগিয়ে তগবগে তেলে টগবগ করল তগবগে টগবগিতে।
★ চন্দন চাটুজ্যে চাঁদনী চত্বরে চন্দ্রবিন্দু চেপে চেঁচাল চঞ্চল চঞ্চলায়।
★ তপ্ত তেলে তেলেভাজা তেলচিটে তেলতেলে টিকিয়া টলে টলে তেলে তলল।
★ গড়ের মাঠে গরুর গাড়ি গড়গড়িয়ে যায়।
★ মানালা মিনিলি মেনেলে।
★ নিলে নে না নিলে না নে।
28/09/2025
কোথায় ‘র’ কোথায় ‘ড়’
—- নন্দদুলাল দে
‘আষাঢ়’, ‘রাঢ়’, ‘গাঢ়’, ‘গূঢ়’,
‘প্রৌঢ়’, ‘দৃঢ়’, ‘রূঢ়’, ‘মূঢ়’,
‘আরূঢ়’, ‘বিমূঢ়’, ‘নবোঢ়া’ ছাড়া ‘লীঢ়’ আর ‘ঊঢ়’ থাক,
এই কয়টা শব্দে ‘ঢ়’
বাকী সবেই ‘র’ বা ‘ড়’,
কোথায় ‘র’ কোথায় ‘ড়’ সেটাই দেখা যাক।
পোষাক ‘পরে’, কাগজ ‘পড়ে’,
গুণিন ওঝা মন্ত্র ‘পড়ে’,
‘চর’ যদি বা ‘ধরা’ ‘পড়ে’ খায় সে ‘চাপড়’ ‘চড়’,
সময় বোঝায় আগে ‘পরে’,
গাছের থেকে পাতা ‘পড়ে’,
আপন ‘করে’ পাই না ‘যারে’ সেই হয়ে যায় ‘পর’।
বেতের ‘ঝুড়ি’, বটের ‘ঝুরি’,
রাস্তায় ‘ঘুরি’, ‘ওড়াই’ ‘ঘুড়ি’,
‘সড়’ করে চায় কেউ যদি বা লুকিয়ে খেতে ‘সর’,
‘চোর’ হয়ে ঢোকে করতে ‘চুরি’,
চোখে ‘পড়ে’ যায় রঙীন ‘চুড়ি’,
‘ধর’ বললে ভয়ের চোটে পালিয়ে বাঁচায় ‘ধড়’।
‘আতুর’ যদি ‘আঁতুড়’ ‘ঘরে’
‘অন্ধকারে’ কাঁদে ‘তোড়ে’,
‘তাড়া’ দিও না, বুঝিও ‘তারে’, আস্তে ‘ধীরে ধীরে’,
হাল বোঝাবে ‘নারীর’ ‘নাড়ি’
নইলে হাটে ভাঙবে ‘হাঁড়ি’,
‘তড়িৎ’ আলো জ্বললে ‘ত্বরিত’ ‘নীড়’ ভাসবে ‘নীরে’।
গরু ‘চরাতে’ নদীর ‘চড়া’,
‘মরা’ মানুষ সে তো ‘মড়া:,
‘গড়গড়িয়ে’ ‘গড়ের’ মাঠে খায় কে ‘গড়াগড়ি’?
কাজ করলে হাতে ‘কড়া’,
চুরি করলেও ‘হাতকড়া’,
‘করাকরির’ কী আর থাকে আইনে ‘কড়াকড়ি।
‘আমরা’ যখন খাই ‘আমড়া’,
বিষম ‘তাড়া’ দেয় ‘দামড়া’,
ভয় পেয়ে তো ‘শিরদাঁড়াটা’ করেই ‘চড়চড়’,
‘শিরিশির’ যেন করে ‘কোমর’
‘শরীর’ ‘জুড়ে’ ব্যথার ‘কামড়’,
‘হড়বড়িয়ে’ পায়ে ‘মোচড়’, বুকেতে ‘ধড়ফড়’।
‘বাড়ি’ থেকে ‘বেরোতে’ চাও,
তবে কোথাও ‘বেড়াতে’ যাও,
‘পাড়া’ ঘুরে ‘ডহর’ ছেড়ে ‘দূর’ ‘শহরে’ ‘পাড়ি’,
কারও ‘দ্বারে’ ‘দাঁড়িও’ না,
‘খারাপ’ কিছু ‘মাড়িও’ না,
‘মারামারি’ ‘এড়িয়ে’ যেও, করো না ‘বাড়াবাড়ি’।
‘ঝড়ে’ ভাঙুক ‘তরু’ ‘মড়মড়’,
‘ঝরে’ ‘ঝরুক’ পাতা ‘মর্মর’,
‘হাড়গোড়’ সব ভেঙে গেলেও মানবে নাকো ‘হার’,
‘শরীর’ যদি করে ‘জ্বরজ্বর’,
মনখানা তো হয় নাকো ‘জড়’,
‘সওয়ার’ পিঠে ‘ঘোরাতে’ কি ‘ঘোড়ার’ লাগে ‘ভার’?
বিয়ের ‘বর’ সুন্দর ‘বড়’,
‘দর’ হাঁকাতে ভীষণ ‘দড়:,
‘ভারা’ বেঁধে ‘ভাড়ার’ টাকায় বিরাট ‘বাড়ি’ ‘গাড়ি’,
ওস্তাদ সে ‘ছোরা’ ‘ছোঁড়ায়’
দিনে ‘মোড়া’ ফুলের ‘তোড়ায়’
রাতের বেলায় ‘ভর’ হয় তার খায় সে যখন ‘তাড়ি’।
‘ধড়া’ ‘চূড়োয়’ দেখতে খাসা,
‘গরু’ ‘চরানো’ মুখের ভাষা,
‘আড়’ ‘মাগুর’ আর ‘মৌরলা’ নামের মাছে ‘রুচি’ তার,
‘খাড়া’ হলেও হাতদুটো ‘জোড়’,
মুখের কথায় দারুণ ‘জোর’,
নদীর ‘পাড়ে’ বসে ভাবে কোথায় নদীর ‘পার’।
সংগ্রহ
25/08/2025
যাদের জন্য প্রযোজ্য
#ডাকসু