24/09/2025
Technology makes us lazy. What do you think?
On this topic, a debate competition was held between Malibagh & Mohammadpur.
Remonstrating their logic, facts & information Malibagh became the champion!
05/08/2025
FRII FRUIT FESTIVAL-2025 organized by Art Club of md.pur branch❤
17/07/2025
“The July Revolution Through My Eyes,”
Faizur Rahman Ideal Institute has organized a series of creative events including:
🖌️ Art Competition
🎤 Poetry Recitation
✍️ Self-composed Poetry
🗣️ Presentations
📰 Wall Magazine Display
Let the students express their thoughts, dreams, and patriotism through colours, words, and creativity! 🇧🇩✨
15/09/2024
বনশ্রী ফয়জুর রহমান আইডিয়া স্কুলের শিক্ষার্থীদের জামাতে নামাজের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য!
এ প্রজন্মের পথ হারাবেনা ইনশাআল্লাহ!
21/04/2024
ছাত্রের ফেলের খবর দেয়া শিক্ষকের সাথে ছাত্রের বাবার দারুণ কথোপকথন:
-আপনি কি খালেদ আলম ?
- জ্বি, বলছি।
-ফাহাদ আলম কি আপনার ছেলে?
-জ্বি, আপনি কে বলছেন?
-আমি আপনার ছেলের ইউনিভার্সিটি থেকে বলছি। মাহবুবুল হক। হেড অফ ডিপার্টমেন্ট।
-ও, আচ্ছা। কেমন আছেন, স্যার?
- জ্বি, ভালো। আপনার ছেলে সম্পর্কে কিছু কথা বলার ছিল। ও তো কিছুদিন আগে থার্ড সেমিস্টার শেষ করেছে। সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট প্রকাশ হয়েছে দুই দিন আগে। আপনার ছেলে দুই কোর্সে ফেল করেছে। আপনাকে কি বলেছে?
- জ্বি, বলেছে।
-আমাদের ইউনিভার্সিটিতে কিছু নিয়ম-কানুন আছে। ফেল করলে আমরা ছাত্রদের আবারও পরীক্ষায় বসে পাস করার সুযোগ দেই। এরপরও ফেল করলে ইউনিভার্সিটিতে রাখার নিয়ম নেই।
-তা এসব আমাকে কেন বলছেন?
থতমত খেয়ে গেলেন ও প্রান্তের ব্যক্তি।
-না, মানে, আমি বলছিলাম আপনার ছেলে ফেল করেছে। আপনার কি উচিত না তার পড়াশোনার প্রতি খেয়াল রাখা?
-আমাকেই যদি তার পড়াশোনার দায়ভার নিতে হয়, তাহলে আপনি কী জন্যে আছেন?
-না, মানে আমি বলছিলাম আপনি কাউন্সেলিং করতে পারেন, বোঝাতে পারেন।
-অবশ্যই আমি তার সাথে কথা বলতে পারি। কিন্তু শিক্ষক হিসেবে আপনি কি তার সাথে কথা বলেছেন?
-মানে? বুঝলাম না!
-আমি বলতে চাইছি, আমার ছেলে যে ফেল করল, গলদটা কোথায় বোঝার চেষ্টা করেছেন কি? দোষ পুরোটা কি ওর একার? আপনার কোনও দায়ভার নেই?
-কী বলতে চাইছেন আপনি?
-দেখুন, স্যার, খুব স্পষ্ট আর সহজ ভাষায় বলছি। এভাবে ছাত্রের ব্যর্থতায় সরাসরি মা-বাবাকে তলব করার আগে আপনাদের পাঁচবার ভাবা উচিত। পড়াশোনার জন্য ছেলেকে পাঠিয়েছি আপনাদের কাছে। তাকে পড়াতে না পারার, পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে না পারার, সফলতার পথ দেখাতে না পারার ব্যর্থতাটুকু পুরোপুরি আপনাদের। বাবা-মা কোনও শিক্ষক নন যে এসব পালন করবেন। এ দায়িত্বটুকু পালনের ভার আপনাদের উপরে দেয়া হয়েছে। কই, বেতন তো ঠিকই নেন। ছাত্রের সফলতারও ভাগ চান। তাহলে ব্যর্থতার ভার কেন শুধু ছাত্র আর মা-বাবার ওপরে চাপবে?
-আমি আসলে ওভাবে বুঝাতে চাইনি।
-কোনওভাবেই বোঝানোর দরকার পড়ত না, যদি যথাযথ শিক্ষকের দায়িত্ব আপনারা পালন করতে পারতেন।
-আমি রাখছি।
- দাড়ান । আপনার বাবার ফোন নম্বরটা পাঠিয়ে দেন।
-মানে? কেন?
-ব্যর্থ ছাত্রের পিতাকে ফোন করে যে দায়িত্ব আপনি পালন করেছেন, ব্যর্থ শিক্ষকের বাবাকে ফোন করে আমিও একই দায়িত্ব পালন করতে চাই!
04/03/2024
It's a honour for us to declare that Faizur Rahman Ideal Institute Scout group has successfully participated in the Day Camp - 2024 organized by Bangladesh Scouts, Dhaka Metropolitan. Two units have participated in the camp and successfully achieved third place in Dhaka South city corporation which reflects their wonderful performance in the camp.
We hope that they will continue their wonderful performance in future and make us proud.
01/03/2024
কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা গল্পের শুধু প্রথম অংশটাই পড়েছি।
আপনি কি জানতেন যে, এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে! যা হয়তো আমরা কেউ কেউ পড়েছি বা শুনেছি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই পড়িনি।
গল্পের বাকি অংশটুকু এবার জেনে নিন🥰🥰
🔰১ম অংশ:
এই অংশটা আমরা ছোটবেলায় বইয়ে পড়ছি। এখানে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তারমানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!
🔰২য় অংশ:
হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল।
এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়।
আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থির ভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতা মূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!
🔰৩য় অংশ:
কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমারা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল।
যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি।
কারণ দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল।
খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।
গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়‼️
🔰চতুর্থ অংশ:
এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরংএবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!
শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো।এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল।তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু জনই একসাথে জয়ী হল।
📚এখান থেকে আমরা আসলে কি শিখলাম?
আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।
(Collected)
29/02/2024
এই পোস্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ লাভ রিয়্যাক্ট, কমেন্ট ভর্তি "আলহামদুলিল্লাহ ভালো উদ্যোগ", "এমন শিক্ষিকা সারা দেশে চাই" ও "মাশাআল্লাহ" দিয়ে ভর্তি। এখন কারোর ব্যক্তি স্বাধীনতা বা অধিকার, কিচ্ছু খর্ব হয় নাই৷ কারণ হিজাব টেনে খুললেই শুধু স্বাধীনতায় আঘাত লাগে, হিজাব না পরলে চুল কাটতে কোনো ব্যক্তি স্বাধীনতায় বাধা নাই, যেহেতু 'ব্যক্তি স্বাধীনতা'কে ওনারা নিজেদের বাপের সম্পত্তি মনে করেন৷(4)
হিজাব ও ওড়না না পরে ক্লাসে আসায় শিক্ষার্থীদের...
28/02/2024
কার কার এরকম অভিযোগ আছে?
যদি থেকে থাকে আমাদের কমেন্টে এ প্রমাণ সহ জানান
28/02/2024
সমস্যাটি অনেকের হলেও, সবার কথা বলা উচিত।
বাচ্চাদের ক্লাস ৮ টায় ছিল, এখন ৭.৩০ করা হয়েছে। যারা এ পদক্ষেপটি নিয়েছেন তাদের উচিত ছিল এর ব্যাখ্যা দেওয়া।
একটি বাচ্চা রাতে কখন ঘুমায়, সকালে কয়টায় তাকে উঠতে হয়, কখন খাবে, কখন বাথরুম করবে, কখন সে প্রস্তুত হবে স্কুলের জন্য। এগুলো মাথায় না রেখে নিজেদের শিক্ষা-বাণিজ্য নিয়ে যাদের মাথাব্যাথা তাদেরকে কীভাবে বোঝানো যাবে যে এটা একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আচরণ হতে পারে না!
বহু অভিভাবক স্কুল গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে অসহায়ের মতো দু:খের গল্প করে। বোধ করি, শিক্ষকরাও এরূপ সিদ্ধান্তে অসহায়, চাকরি বলে কথা।
গণহারে স্টুডেন্ট নিয়ে সেকশন না বাড়িয়ে, বাচ্চাদের মুক্তি দেয়া হোক।
বাচ্চাদের সমস্যাগুলো নজরে নেবার আকুল আবেদন জানাচ্ছি।