মৌসুমি মেলা - Moushumi Mela

মৌসুমি মেলা  - Moushumi Mela

Share

মৌসুমের প্রাকৃতিক পণ্য
আপনার ঘরে পৌছ?

19/07/2018

বর্তমানে পাঠ্যবই এ এমন কবিতা দেখা যায় না।

12/07/2018

বিল গেটস— একদিন রেষ্টুরেন্টে খাবার খেয়ে ওঠার সময় বেয়ারা কে ডেকে ৫ ডলার বকশিস দিলেন। বকশিস হাতে নিয়ে বেয়ারা টি অবাক্ চোখে তাকিয়ে রইলো— যা দেখে বিল গেটস জানতে চাইলেন কিছু বলবে ?
বেয়ারা— বেয়াদবি মাফ করবেন স্যার, গতকাল আপনার মেয়ে এসে যখন এখানে খেয়ে গেলো, তখন সে উঠার সময় বকশিস হিসেবে ৫০০ ডলার দিয়ে গেলো। আর আপনি, পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষ হয়ে ৫ ডলার বকশিস দিলেন ?
উত্তরে বিল গেটস বললেন— কাল এখানে যে মেয়েটি এসেছিল, সে ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষের মেয়ে। আর আমি হলাম একজন অতি সামান্য কাঠমিস্ত্রির ছেলে।
নোট— পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, নিজের অতীতকে কখনোই ভুলে যেতে নেই ।

11/07/2018

"তেতুল খেলে রক্ত পানি হয়ে যায় কিংবা তেতুল মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর" আধুনিক ডাক্তারদের মতে এ ধারনা সম্পূর্ণ ভুল।।

জেনে নেই তেতুলের উপকারিতা:

১: হৃদরোগের জন্য উপকারী।

২: উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্তনে রাখে।

৩: রক্তে কোলেস্টেরল কমায়।

৪: শরীরের মেদ কমায়।

৫: হজমে সহায়তা করে।

৬: পেটের বায়ু, হাত পা জ্বলায় তেতুলের শরবত অনেক উপকারী।

৭: তেতুল গাছের বাকল লাগালে ক্ষত সারে।

৮: বুক ধড়ফর করা, মাথা ঘোরানো রোগে তেতুল উপকারী।

৯: আমাশয়,কোষ্ঠবদ্ধতা ও পেট গরমে উপকার করে।⚘

১০ পাকা তেতুল কাশি সারায়।

১১:তেতুল পাতার রস কৃমিনাশক ও চোখ উঠা সারায়।

১২মুখে ঘা হলে তেতুলের পানিতে কুলি করলে উপকার পাওয়া যায়।

১৩:মস্তিষ্কের জন্য উপকারী।

১৪: ক্যান্সারের জন্য উপকারী।

১৫ তেতুলের সাথে রসুন খেলে রক্তের চর্বি কমে।

১৬: তেতুল খিদে বাড়ায় বমি বমি ভাব দূর করে।

১৭: তেতুলের পাতা ম্যালেরিয়া জ্বর সারায়।

১৮:শিশুদের পেটের কৃমি দূর করে।⚘

১৯: বাত ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে।

Photos 24/02/2016

ফুলকপির কাটলেট

খুরশিদা রনী

উপকরণঃ ফুলকপি – ২ কাপ
হলুদ গুঁড়া – ১ চিমটি
পেঁয়াজ কুচি – ৪ চা চামচ
কাঁচা মরিচ কুচি – ২ চা চামচ
গোল মরিচ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
ধনেপাতা কুচি – ২ চা চামচ
ডিম – ১ টা
ময়দা – ১/৪ কাপ
লবণ পরিমান মত
ভাজা জিরা গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
ম্যাগী ম্যাজিক মাশালা – ১ চা চামচ
তেল – পরিমান মত

বানানোর নিয়মঃ প্রথমে ফুলকপির ডাটি থেকে ফুল গুলো ছাড়িয়ে নিন। তারপর পানিতে ১ চিমটি হলুদ দিয়ে ফুলকপির টুকরো গুলো ৩-৪ মিঃ ফুটিয়ে নিন। পানি ঝড়িয়ে ছোট কুচি করে কেটে নিন। তারপর তেল বাদে বাকি সব উপকরণ একসাথে মেখে নিন। তারপর আপনার পছন্দমত সাইজে কাটলেট বানিয়ে নিন। প্যানে অল্প তেল গরম করে নিন। কাটলেট ছাকা তেলে ভেজে নিন। এক পিঠ সোনালী হলে উল্টে দিন। গরম গরম ফুলকপির কাটলেট টমেটো সস দিয়ে পরিবেশন করুন।

Photos 10/11/2015

বাঁধা কপি ভাঁজি
উপকরনঃ
– একটা মাঝারি বাঁধাকপির হাফ (পাতলা করে ফালি করে কাটতে হবে)
– কয়েকটা চিংড়ি (সামান্য বেশি/কমে কি আসে যায়)
– এক চিমটি কালি জিরা
– জিরা গুড়া বা বাটা, হাফ চা চামচ
– লাল মরিচ গুড়া, হাফ চা চামচ (ঝাল বুঝে কম হতে পারে)
– হলুদ গুড়া, হাফ চা চামচ
– কয়েকটা কাচা মরিচ ফালি
– হাফ চামচের কম চিনি (চিনি না দিলে স্বাদ একটু ভিন্ন হয়, তরকারির মলিনতা থাকে না)
– ধনিয়া পাতার কুচি (এক চা চামচ বা বেশী)
– লবন, পরিমান মত (প্রথম ধাপে সামান্য, পরে সঠিক করে)
– তেল, যত কমে রান্না করা যায় তবে আমরা ৪/৫ টেবিল চামচ দিয়েছিলাম
– পানি, সামান্য
প্রনালীঃ
বাঁধাকপি এভাবে কুঁচে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন।
কড়াইতে তেল গরম করে এক চিমটি কালিজিরা ভাজুন। লবন দিয়ে দিন।
এবার গরম তেলে জিরা গুড়া/বাটা দিন এবং সামান্য ভেজে চিংড়ি দিন।
কাচা মরিচ ফালি দিন।
আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে। হলুদ মরিচ গুড়া দিন। ভাজুন।
এবার হাফ কাপ পানি। ভাজুন।
এবার বাঁধাকপির কুচি দিন।
ভাল করে মিশিয়ে দিন।
ঢাকনা দেবার আগে হাফ চামচ চিনি ছিটিয়ে দিন এবং মাধ্যম আছে মিনিট ১০-১৫ রাখুন। চুলার ধার ছেড়ে যাবেন না। মাঝে নাড়িয়ে দিন কয়েকবার, লক্ষ রাখবেন যাতে কড়াইয়ের তলায় না লেগে যায়।
এমনই অবস্থায় এসে যাবে। যারা একটু কচকচে খেতে চান তারা আগুন থামিয়ে দিতে পারেন, আর যারা একটু নরম চান তারা আর একটু আগুনে রাখতে পারেন। এই সময়ে ফাইন্যাল লবন দেখুন, লাগলে দিন, না লাগলে ‘ওকে’ বলে আগ বাড়ুন।
ঠিক রান্না বাটিতে তুলে ফেলার আগে কিছু ধনিয়া পাতার কুচি ছিটিয়ে দিয়ে মিশিয়ে নিন।
পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত!
রুটি বা সাদা ভাতের সাথে খেয়েই দেখুন না,

Photos 10/11/2015

বাঁধাকপির সাধারণ ও সহজ একটা রান্না
রেসিপিঃ বাঁধাকপির সাধারণ ও সহজ একটা রান্না
পরিমান ও উপকরনঃ
– বাঁধাকপিঃ মাঝারি একটার অর্ধেক, কুঁচি করে কাটা (৪০০ গ্রাম হতে পারে)
– মুরগীর গোস্তঃ হাফ কাপ (এটা স্বাদ বাড়াতেই নেয়া হয়েছে, না হলে নাই)
– পেঁয়াজ কুঁচিঃ মাঝারি দুইটা
– এলাচিঃ ২/৩ টা
– আদা বাটাঃ ১ চা চামচ
– কাঁচা মরিচঃ ৩/৪টা (ঝাল বুঝে)
– লবনঃ পরিমান মত
– চিনিঃ এক চা চামচ বা কম
– তেলঃ সয়াবিন তেল (৪/৫ টেবিল চামচ)
– পানিঃ পরিমান মত (হাফ কাপ)
প্রনালীঃ
তেল গরম করে সামান্য লবন যোগে পেঁয়াজ কুঁচি ভাজতে থাকুন এবং কয়েকটা কাঁচা মরিচ ও এলাচি দিয়ে দিন।
এবার ধুয়ে রাখা মুরগীর গোসত এবং আদা দিয়ে দিন। ভাল করে ভেজে নিন।
ভেজে গোসত হলদে করে নিতে হবে।
এবার হলুদ ও মরিচ গুড়া দিন এবং ভাল করে ভাজতে থাকুন। সামান্য পানিও দিতে পারেন। এবার ভাল করে কষিয়ে তেল উঠিয়ে নিতে হবে।
এবার বাঁধাকপির কুঁচি (আগেই কেটে ধুয়ে রাখা) দিয়ে দিন।
ভাল করে মিশিয়ে নিন।
ঢাকনা দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে মিনিট ১৫/২০ লাগতে পারে। মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিতে হবে। বাঁধাকপি থেকে পানি বের হয় তবুও যদি বাঁধাকপি না নরম হয় তবে আরো হাফ কাপ পানি দেয়া যেতে পারে।
টুইষ্টঃ মাঝে সামান্য চিনি দেয়া যেতে পারে (অনেকে এটা পছন্দ করেন না, সে ক্ষেত্রে স্বাদটা একটু ভিন্ন হয় এবং তা মেনে নিতে হবে)।
এবার ফাইন্যাল লবন দেখুন, লবন লাগলে দিন। না লাগলে ওকে বলুন।
ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
অসাধারণ স্বাদ। ভেবে দেখুন কত সহজ রান্না এবং কত কম মশলায়!

তথ্য হাল নাগাদ করতে আবেদন করুন 30/09/2015

অনলাইনেই সারুন মোবাইল সিম রেজিট্রেশন

http://www.banglalink.com.bd/bn/customer-care/banglalink-self-care/update-your-information/ .RIzyxiVc.dpuf

তথ্য হাল নাগাদ করতে আবেদন করুন সম্মানিত গ্রাহক , আপনার সংযোগের সঠিক নিবন্ধন মোবাইলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে।

Photos 21/09/2015

গরুর কালো ভুনা

যা লাগবে: গরুর মাংস ১ কেজি, আদা বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, টক দই আধা কাপ, মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, ভাজা মেথি গুঁড়া ১চা চামচ, তেল ১০০ গ্রাম, পাঁচফোড়ন ১টেবিল চামচ, কালো গোল মরিচের গুঁড়া ১টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণ মতো, পিঁয়াজ কুচি ১কাপ, এলাচ ৬ থেকে ৭টা, দারুচিনি ৩ থেকে ৪ টুকরা, তেজপাতা ২ থেকে ৩টি,গরম মশলা গুঁড়া।

যেভাবে করবেন: প্রথমে মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে মাংস নিয়ে এর সঙ্গে মেথি, গোল মরিচ, পাঁচফোড়ন বাদে সব উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে নিন।এরপর অল্প আঁচে চুলোয় ৩০ মিনিট রান্না করুন। মেথি, কালো গোলমরিচ, পাঁচফোড়ন-মাংসে দিয়ে নেড়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। অল্পতাপে ঢেকে কিছুক্ষণ রাখুন। তেল মাংসের উপরে ভেসে উঠলে নামিয়ে পরিবেশন করুন গরুর কালো ভুনা।

Photos 21/09/2015

গরুর মাংসের কোরমা
উপকরণ: গরুর মাংস দেড় কেজি, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, তেল আধা কাপ, পেঁয়াজবাটা পৌনে ১ কাপ, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা আধা টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, আস্ত ছোট পেঁয়াজ ২০-২৫টি, গোলাপজল ২ টেবিল চামচ, টক দই আধা কাপ, মিষ্টি দই ২ টেবিল চামচ, এলাচ ৬টি, দারচিনি ৮ টুকরা, ঘি আধা কাপ।
প্রণালি: পেঁয়াজের খোসা ছিলে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রেখে দিতে হবে। মাংস মাঝারি আকারের টুকরা করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে আদা, রসুন, লবণ দিয়ে মাখিয়ে তিন-চার ঘণ্টা রাখতে হবে। তেল গরম করে পেঁয়াজ বেরেস্তা করে মাংস দিয়ে অল্প জ্বালে কষাতে হবে। বেরেস্তা মাংসের সঙ্গে মিশে গেলে পেঁয়াজবাটা দিয়ে অল্প জ্বালে রান্না করতে হবে। মাঝেমধ্যে নেড়ে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে মাংস যেন তলায় না লাগে। ২০-২৫ মিনিট পর টক দই ও মিষ্টি দই দিতে হবে। দারচিনি, এলাচ, গোলাপজল দিয়ে ভুনতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে অল্প অল্প করে গরম পানি দিয়ে ভুনতে হবে মাংস সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত। মাংস সেদ্ধ হলে গোটা পেঁয়াজ দিয়ে ২০-২৫ মিনিট রেখে নামাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে মাংস, পেঁয়াজ দুটোই সেদ্ধ হবে অথচ গোটা গোটা থাকবে।

Photos 27/07/2015

সকল বিরিয়ানির রাজা "লখনৌয়ি নবাবী বিরিয়ানি"

এই বিরিয়ানির প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এটি ভীষণ সুগন্ধি একটি বিরিয়ানি । ভারত এর লখনৌ হল নানান রকম বিরিয়ানির শহর। তবে এটিকে বলা হয় সব লখনৌয়ি বিরিয়ানির রাজা। বিভিন্ন রকম মশলার ঝাঁজ নয়,বরং রুচিকর সুগন্ধ প্রতিটি দানায় দানায়। আরও একটি বিশেষত্ব হল এই যে বিরিয়ানিতে গুঁড়ো বা বাটা মশলা নয় ,ব্যবহার করা হয় সব কাটা এবং আস্ত মশলা। একেবারেই কম ঝাল এবং আশ্চর্যজনক ফ্লেভারে ঠাসা। চলুন, জেনে নিই ফারহানা রহমান মিমির রেসিপি।
সুগন্ধি পানির জন্য উপকরণ :

১২ কাপ গরম পানি
২ টেবিল চামচ আদা কুচি
১টেবিল চামচ রসুন কুচি
হাফ টেবিল চামচ আস্ত গোলমরিচ
১০-১২টি এলাচ
২ টুকরা দারচিনি
১ চা চামচ আস্ত জিরা
১ চা চামচ মৌরি
১০টি লবঙ্গ
১চা চামচ জয়ত্রী
৩টি তেজপাতা
স্বাদমত লবণ
মুরগি রান্নার জন্য উপকরণ :

১ কেজি ওজনের মুরগি ছয় টুকরো করা
হাফ কাপ টকদই
৪-৫টি আস্ত কাঁচা মরিচ
স্বাদ মত লবণ
হাফ কাপ পেঁয়াজ বেরেস্তা
২ টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
১কাপ দুধ
১টি তেজপাতা
৫টি এলাচ
৬টি লবঙ্গ
১টুকরা দারুচিনি
৬টি গোলমরিচ
১ চা চামচ জয়ত্রী শুকনো ভেজে হাত দিয়ে গুঁড়ো করে নেওয়া
তেল পরিমাণ মত
৩ টেবিল চামচ ঘি
১ চা চামচ চিনি
চালের জন্য উপকরণ :

৪ কাপ বাসমতি চাল ১ ঘন্টা পানিতে ভেজানো (২৪০মি.লি. এর কাপ)
৭কাপ আগে করে রাখা সুগন্ধি পানি
৪-৫টি লবঙ্গ
লবণ
৪ টেবিল চামচ ঘি
৪টি আলুবোখারা
১মুঠো কিসমিস
অন্যান্য উপকরণ :

কাজু বাদাম
হাফ কাপ পেঁয়াজ বেরেস্তা
আস্ত ৪-৫টি কাচামরিচ
দুধে ভেজানো জাফরান
পদ্ধতি :

-প্রথমেই পানির জন্য উপকরণগুলো একটি ছোট্ট পাতলা সুতি কাপড়ে বেঁধে ১২ কাপ পানিতে দিয়ে দিন। এবার এই পানি ফুটাতে দিন। অল্প পরিমানে লবণ দিন। পানি ফুটে উঠলে তাতে মুরগির টুকরোগুলো দিয়ে দিন। না ঢেকে মুরগি পানিতে আধা সেদ্ধ করুন। এরপরে মুরগি তুলে নিন। পানি মশলা সহ ফুটাতে থাকুন। যখন পানি কমে ৭ কাপ হবে তখন চুলা বন্ধ করুন। মশলার পোটলা তুলে ফেলে দিন।
-এবার মুরগির জন্য বেরেস্তা করে নিন। হাফ কাপ তেলে পেঁয়াজ বেরেস্তা করে তুলে নিন। মুরগির জন্য যেসকল উপকরণ সেখান থেকে তেল ও ঘি বাদে সব দিয়ে মুরগি মাখিয়ে নিন। এবার ওই তেলেই ঘি দিয়ে গরম করে মাখিয়ে নেওয়া মুরগি ছেড়ে দিন। ভালো মত কষিয়ে রান্না করুন। লবণ চেখে দেখুন। একটু পানি দিয়ে রান্না করুন। হয়ে গেলে সামান্য ঝোল সহ নামান। কিছুটা কোরমা মত হবে দেখতে।
-এবার চালের জন্য একটি ননস্টিক বড় হাঁড়ি নিন। ঘি দিন। ঘি গরম হলে পানি ঝরানো চাল দিন। সুগন্ধি পানিটুকু ঢেলে দিন। ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। লবণ চেখে দেখুন। লাগলে আরো লবণ দিন। পানি যখন প্রায় শুকিয়ে আসবে তখন কিসমিস এবং আলুবোখারা দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে দিন। সম্পূর্ন পানি শুকিয়ে গেলে চুল বন্ধ করুন।
-একটি বড় হাঁড়িতে রান্না করা মুরগি অর্ধেকটা দিয়ে তার উপর রান্না করা চাল অর্ধেকটা ছড়িয়ে দিয়ে উপরে পেঁয়াজ বেরেস্তা,কাজুবাদাম ,কাঁচা মরিচ ছড়িয়ে দিন। এর উপর বাকি মুরগি দিন। এবার উপরে আবার রান্না করা চাল দিয়ে ছড়িয়ে দিন। উপরে বেরেস্তা, কাঁচামরিচ,কাজুবাদাম ছড়িয়ে দিন। সবশেষে জাফরান মেশানো দুধ ছিটিয়ে দিয়ে ঢেকে দিন।
-বড় পাত্রে পানি ফুটাতে দিন। পানি ফুটে উঠলে মাঝারি আঁচে ওই পাত্রের উপর বিরিয়ানির হাঁড়ি বসিয়ে দমে রাখুন ৩০ মিনিট। ব্যস! এবার পরিবারের সাথে উপভোগ করুন।
মনে রাখুন

-পেঁয়াজ বেরেস্তা পুড়িয়ে ফেললে বিরিয়ানির স্বাদ নস্ট হয়ে যাবে।
-ইচ্ছে করলে ঘি এর পরিমাণ আরো বাড়াতে পারেন।
-চাল সেদ্ধ করার সময় খুব বেশি যেন সেদ্ধ না হয়ে যায়।
-লবণের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যেহেতু ৩ বারে লবণ দেওয়া , তাই অল্প অল্প করে লবণ দিতে হবে।

Photos 24/05/2015
Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka
1000