14/10/2018
ভারত যদি একবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায়, জবাবে অন্তত ১০ বার তাদের একই হামলার মুখোমুখি হতে বলে হুমকি দিয়েছে পাকিস্তান।
পরমাণুসমৃদ্ধ প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যেই সাম্প্রতিক বাকযুদ্ধের মধ্যে পাকিস্তানের তরফে সর্বশেষ এ হুমকি এসেছে। রেডিও পাকিস্তানের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।
লন্ডনে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর বলেন, ভারত যদি পাকিস্তানের ভেতরে একটি সার্জিক্যাল হামলার চালানোর সাহস দেখায়, তবে পাকিস্তানের কাছ থেকে অন্তত ১০টা এমন হামলার মুখোমুখি হতে হবে তাদের।
পাক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার সঙ্গে বর্তমানে লন্ডন সফরে রয়েছেন আসিফ গফুর।
তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যারা আকস্মিক দুর্দশা ঘটানোর কথা ভাবছে, তারা পাকিস্তানের সামর্থ্য সম্পর্কে ধারণা রাখে না- এতে কোনো সন্দেহ নেই।
সেনাবাহিনী পাকিস্তানের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে চায় বলে সাক্ষাৎকারে করা এক মন্তব্যে দাবি করেছেন তিনি।
14/10/2018
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীদের দেহ ব্যবসায় বাধ্য করতেন ছাত্রলীগ নেতা
নরসিংদীর পলাশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করানোর অভিযোগে এক ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী এক কিশোরী থানায় অভিযোগ দিলে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ঘোড়াশাল পৌর ছাত্রলীগের উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কাউছার হামিদ, রোকেয়া বেগম ও তার স্বামী সাব্বির হোসেন। এ ঘটনায় পুলিশ আটকদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় বিভিন্ন অসহায় কিশোরীদের কাজের কথা বলে তাদের বিভিন্ন কায়দায় ব্ল্যাকমেইল করে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করে আসছিলো তারা। তাদের কথামতো দেহ ব্যবসায় জড়িত না হলে তারা বিভিন্ন সময় কিশোরীদের মারধর ও অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে নানাভাবে হয়রানি করতো।
এরই ধারবাহিকতায় সম্প্রতি এক কিশোরীকে চাকরি দেয়ার কথা বলে ঘরে বন্দি করে দেহ ব্যবসা করার কথা বলেন ছাত্রলীগ নেতা কাউছার ও তার সহযোগীরা। দেহ ব্যবসায় রাজি না হলে তারা ওই কিশোরীকে মারধর করেন। পরে তার চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে তারা পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ওই কিশোরী থানায় মামলা দিলে পুলিশ গ্রেফতার করে।
পলাশ থানা পুলিশের ওসি মকবুল হোসেন মোল্লা জানায়, গ্রেফতারকৃত কাউছার বিভিন্ন সময় এলাকার অসহায় মেয়েদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে অসামাজিক কাজে জড়িত হতে বাধ্য করত। কাউছারের মোবাইল ফোনে একাধিক নারী-পুরুষের অসামাজিক কাজের ছবি এবং ভিডিও পাওয়া গেছে।
14/10/2018
বি. চৌধুরীর বিকল্প ধারাকে বাদ দিয়ে নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি:
১) অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারের পদত্যাগ, জাতীয় সংসদ বাতিল, সকল রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।
২) গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করা।
৩) বাক, ব্যক্তি, সংবাদপত্র, টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সকল রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা এবং নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
৪) কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, সাংবাদিকদের আন্দোলন এবং সামাজিক গণমাধ্যম স্বাধীন মত প্রকাশের অভিযোগে ছাত্র-ছাত্রী, সাংবাদিকসহ সবার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সহ সকল কালো আইন বাতিল।
৫) নির্বাচনের ১০ দিন আগে থেকে নির্বাচনের পর সরকার গঠন পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত করা।
৬) নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা এবং সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে ভোট কেন্দ্র, পোলিং বুথ, ভোট গণনা স্থল ও কন্ট্রোল রুমে তাদের প্রবেশের উপর কোন প্রকার বিধি-নিষেধ আরোপ না করা। নির্বাচনকালীন সময়ে গণমাধ্যমকর্মীদের উপর যে কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা।
৭) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনের ফলাফল চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত চলমান সব রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রাখা ও কোনো ধরনের নতুন মামলা না দেয়ার নিশ্চয়তা প্রদান।
14/10/2018
পিরোজপুরে লড়াই হবে সাঈদী বনাম অন্যান্য, জেলার ৩টি আসনেই শক্তিশালী প্রার্থী জামায়াতের
বর্তমান সরকারের মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে। তাই আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পিরোজপুরে আগাম নির্বাচনী হাওয়া ক্রমেই জমে উঠতে শুরু করেছে। গ্রাম-গঞ্জে, বাজারে, চায়ের দোকান গুলোতে নির্বাচনী গল্প গুজবে মাতছেন ভোটাররা। এর পাশাপাশি সরকারী দল আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয়পাটি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নির্বাচনী কর্মকান্ডকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে গ্রামে গ্রামে গিয়ে কাজ শুরু করেছে।সবচেয়ে বেশি তৎপর সরকারী দল আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেও পিছিয়ে নেই অন্যান্য দলগুলোর মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।
সুন্দরবনের কোলঘেঁষা কালীগঙ্গা, বলেশ্বর, দামোদর ও সন্ধ্যা বিধৌত প্রাকৃতিক সবুজের লীলাভূমি পিরোজপুর জেলা।বিভিন্ন কারনে আলোচিত পিরোজপুরের রাজনীতি।বর্তমানে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর কারনেও পিরোজপুরের রাজনীতিতে একটা টান টান উত্তেজনা থাকে সবসময়। জামায়াত সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী না হলেও আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ব্যক্তি জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে এখানে একটা অবস্থান তৈরী করতে পেরেছে জামায়াত। তাই নির্বাচন এলে জামায়াতের বাস্তবতাকে কেউ অস্বীকার করতে পারে না। আওয়ামীলীগ বিএনপি জেপিসহ সকল দলের মাথা ব্যথা কারণ জামায়াত। জামায়াত নেতা সাঈদী দন্ড নিয়ে কারান্তরীন থাকায় বিএনপি আশায় বুক বাঁধলেও তাতে ছাই ঢেলে দিয়েছে সাঈদীর দুই পুত্র । জামায়াত দলগতভাবে পিরোজপুর ১ ও ২ আসনে আল্লামা সাঈদীর দুই পুত্রকে মনোনয়ন দেওয়ায় হিসাব অনেকটা জটিল হয়ে গেলো। শুধু পিরোজপুর ১,২ নয় পিরোজপুর ৩ আসনেও প্রার্থীতা ঠিক করে প্রচারনায় নেমে গেছে জামায়াত। তবে বিএনপির সাথে জোটবদ্ধ নির্বাচন হলে পিরোজপুর ৩ আসন বিএনপিকে ছেড়ে দিতে পারে তারা। আর পিরোজপুর ১,২ আসনে জোটের মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচন করবে জামায়াত প্রার্থীরা।
পিরোজপুর জেলার ৩ টি আসনে সম্ভাব্য জামায়াত এমপি প্রার্থীরা হলেনঃ
পিরোজপুর-১ (নাজিরপুর-পিরোজপুর সদর ও নেছারাবাদ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আন্তর্জাতিক মুফাসসিরে কুরআন সাবেক এমপি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম বিন সাঈদী।
পিরোজপুর-২ (ভান্ডারিয়া কাউখালী জিয়ানগর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর হয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা করবেন আল্লামা সাঈদীর পুত্র বর্তমান ইন্দুরকানী উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ বিন সাঈদী।
পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসে জামায়াতের প্রার্থী হিসাবে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান মঠবাড়ীয়া উপজেলার জামায়াতের আমীর জননেতা আবুল কালাম আযাদ।
14/10/2018
নবুওয়াতের মিথ্যা দাবীদার আব্দুল মজিদ রাঢ়ী৷
তৈরি করছে কালিমার জামাত নামে নতুন একটি দল৷
তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে গণধোলাই দিয়ে আইনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক।
প্রকাশ পেয়েছে নবুওয়াতের আরেক মিথ্যা দাবীদার।
চ্যানেল২৪-এর অনুসন্ধানী রিপোর্ট “সার্চলাইট” এ গতকাল প্রচারিত হয়েছে এমন ভয়ঙ্কর তথ্য। শুধু নবুওয়াতের মিথ্যা দাবি নয়, নিজের ছেলেকে ঈসা আঃ দাবি করা এবং আকাশে এক খোদা জমিনে এক খোদা দুই খোদা দাবি করাসহ ইসলামী আকিদা বিশ্বাসে মারাত্মকভাবে আঘাত হানে এমন অসংখ্য বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে ওই মিথ্যুক। তার নাম প্রফেসর আব্দুল মজিদ রাঢ়ী। বাড়ি ভোলা চরফ্যাশন উপজেলার কুলসুমবাগে। সেখানে গড়ে তুলেছে সে বিশাল আস্তানা।
সে একটি দল তৈরি করেছে তার নাম কালেমার জামাত। তার কথায় ভক্তদের নিজেদের বউ তালাক দিতে হয়। সে দাবি করে তার কাছে আখেরি জামানার পয়গম্বর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছাড়া সকলেই আসেন। (নাউযুবিল্লাহ)
এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মনে করেন, নবুয়তের মিথ্যা দাবীদার ওই ভন্ড কে এখনি গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার। কেননা, সে দিন দিন সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে তাদের মূল্যবান ঈমান কেড়ে নিচ্ছে।
13/10/2018
অনেকেই মনে করেন যে হার্ট অ্যাটাক কেবল পুরুষদের রোগ, এটা একান্তই ভুল ধারণা। কারণ নারী ও পুরুষ উভয়েই এই রোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ নারী ও পুরুষে ভিন্ন ভিন্ন।
নারীদের ক্ষেত্রে এমনকি ১ মাস আগে থেকেই দেখে যেতে শুরু করে ভয়াল হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। তাই যদি এই লক্ষণগুলো আপনার মাঝে দেখা যেতে থাকে, তাহলে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারণ এই লক্ষণগুলো জানিয়ে দেয় যে আগামী ৩০ দিনের মাঝেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিতে রয়েছেন আপনি!
১) নিঃশ্বাসে কষ্ট হওয়া হার্ট অ্যাটাকের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। যদি আপনার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, দম আটকে আসা ভাব হয় প্রায়ই তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। Respiratory ও cardiovascular system পরস্পরের ওপরে নির্ভরশীল। যদি হার্ট কম রক্ত পায়, তাহলে ফুসফুসও কম অক্সিজেন পায়। ফলাফল হচ্ছে নিঃশ্বাস আটকে আসা, ভারী নিঃশ্বাস বা নিঃশ্বাসে কষ্ট হওয়া।
২) দেহের মাসল বা পেশীগুলোকে দুর্বল মনে হওয়া, পরিশ্রমের কাজ করতে কষ্ট হওয়া ইত্যাদি হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনার দ্বিতীয় লক্ষণ। শরীরে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া মানে সম্পূর্ণ দেহেই অক্সিজেনের ঘাটতি। ফলে দেহের পেশীগুলো ঠিক মত কাজ করে না ও দুর্বলতা অনুভূত হয়।
৩) ঝিমুনি হওয়া এবং ঠাণ্ডা ঘাম হওয়া, অর্থাৎ কোন কারণ ছাড়াই ঘামতে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষণ। যদি পরিশ্রমের কাজ না করেও ঘামতে থাকেন বা সময়ে-সময়ে ঝিমুনি আসতে থাকে, তাহলে মোটেও অবহেলা করবেন না। ঘুমের মাঝে নিঃশ্বাসের কষ্ট হওয়া, ঘুম ভেঙে জেগে দেখলে যে ঘেমে গিয়েছেন আপনি- ইত্যাদি ঘটনাগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিন।
৪) চতুর্থ লক্ষণটি হচ্ছে বুকে চাপ অনুভূত হওয়া। coronary artery সরু হয়ে যাওয়ার কারণে বুকে চাপ অনুভূত হওয়া বা চাপা ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথাকে “গ্যাসের ব্যথা” (যেটা বেশিরভাগ মানুষই মনে করেন) মনে করে এড়িয়ে যাবেন না। অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
শরীরটি আপনার, যত্ন নিতে হবে আপনাকেই। শরীর যে কোন অসুখ-বিসুখের লক্ষণই অগ্রিম জানান দেয়। এই লক্ষণগুলো বুঝে নিতে পারলে নিজেকে ঝুঁকি মুক্ত রাখা যায় অনেকটাই।
12/10/2018
দাঁত একদম সাদা – মুখ মানুষের সম্পর্কে অনেক কিছু বলে থাকে। আর মুখের মধ্যে সব থেকে মূল্যবান হল হাসি, এই হাসি তখনই ভালো লাগে যখন দাঁত সুন্দর ও চকচকে হয়। কারো সাথে প্রথম দেখা হলে তার সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি হয় এই হাসির জন্যই।
তাই অন্যের মনে নিজের সম্পর্কে একটা ভালো ছাপ ফেলার জন্য সবার আগে যা জরুরি তা হলো দাঁতকে চকচকে রাখা। কিন্তু অনেকেই দাঁতের হলুদ রঙের জন্য ভুগে থাকে, ভালো করে করো সাথে কথা বলতে পারে না। কিন্তু মাত্র ২ মিনিটেই দাঁতের হলুদ রঙ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এবং একই সাথে চকচকে দাঁতের অধিকারী হওয়াও সম্ভব। আসুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে সেটি সম্ভব।
এই জন্য দরকার টুথপেস্ট, বেকিং সোডা , লবণ, লেবুর রস ও কফি । প্রথমে একটি ছোট্ট পাত্রে পরিমাণ মতো টুথপেস্ট নিন তারপর এর সাথে অর্ধেক চামচ বেকিং সোডা নিন, এর ওপর অল্প লবণ দিন এবং তারপর এর সাথে অর্ধেক চামচ পাতি লেবুর রস দিয়ে ভালো ভাবে মিশ্রণ তৈরি করুন।বেকিং সোডা না থাকলে আপনি এর বদলে ইনো ও ব্যবহার করতে পারেন।তবে মনে রাখতে হবে ইনো ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব অল্প পরিমাণে ইনো ব্যবহার করতে হবে। এবং সব শেষে এর সাথে কফি যোগ করে ভালো ভাবে মিশ্রণটি তৈরি করে ফেলুন।
এরপর মিশ্রণটি তৈরি হয়ে গেলে সেটিকে ব্রাশে করে নিয়ে দাঁত মাজুন। এটি শুধুমাত্র একবার করার ফলেই আপনার দাঁত হিরের মতো সাদা ও উজ্জ্বল দেখাবে। তবে এটি করার সময়ে একটা জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখবেন, যেনো 2 মিনিটের বেশী ওই মিশ্রণ টি ব্যবহার করা না হয়। কারণ এই মিশ্রণে আগে থেকেই বেকিং সোডা বা ইনো ব্যবহার করা হয়েছিলো যার ফলে একবার ব্যবহার করলেই দাঁত চকচকে হয়ে যাবে। বরং বেশি ব্যবহারে দাঁতের ক্ষতিই হতে পারে। তাই চেষ্টা করুন 2 মিনিটের কম সময়ে এই মিশ্রণটি ব্যবহার করার।
এই মিশ্রণটি ব্যবহার করলে আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এবং আপনি রাতারাতি চকচকে দাঁতের অধিকারী হয়ে উঠবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে জানিয়ে দিন।
11/10/2018
এক মজলুম বীর
জ্যাক স্প্যারো!
ইসলামি ইতিহাস সবচেয়ে বেশি বিকৃতির শিকার। বিশেষ করে ইসলামের গৌরবময় ব্যক্তিবর্গ। আর তা ইসলামের জানের দুশমন পশ্চিমাদের দ্বারা! সেরকমই একজন হলেন 'জ্যাক স্প্যারো'। পশ্চিমা ফিল্ম নির্মাতা 'জন ডিপ' যাকে বিভিন্ন নামকরা ফিল্মে 'ট্রিকস্টার অব দ্য কেরিবিয়ান' নামে উপস্থাপন করেছেন। এই জ্যাক স্প্যারো আসলে মধ্যযুগের একজন নামজাদা মুসলিম বীর।
ইনসাইড হলিউডের দেয়া তথ্যমতে, জ্যাক স্প্যারোর প্রকৃত নাম জ্যাক ওয়ার্ড। তাকে জ্যাক বার্ডি নামেও চেনা যেত। তিনি গ্রেট ব্রিটেনে জন্মগ্রহণ করেন। ষষ্ট শতাব্দীর শেষদিকে পলায়ন করে তিউনিসিয়া চলে যান। সেখানে তিনি ও তার জাহাজের পুরো স্টাফ ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। তার ইসলামি নাম ছিল 'ইউসুফ রিস'। খুব বেশি পাখিপ্রীতির কারণে তাকে 'জ্যাক' নামক পাখির নাম দিয়ে দেয়া হয়। পরে এটাই কারণ হয়ে যায় জ্যাক স্প্যারো নামের। কেননা, ইংরেজিতে স্প্যারো অর্থ পাখি।
তিনি খুব বেশি মদ্যপ ছিলেন। এ- ক্ষেত্রে প্রবাদপ্রতিম ছিলেন। কিন্তু মুসলমান হওয়ার পর মদপান ছেড়ে দেন। মধ্যযুগীয় গির্জার জুলুম থেকে বাঁচতে ইয়াসমিন সাকলিয়্যাহ নাম্নী এক যুবতী ইসলাম গ্রহণ করেন। সেই পলাতকা যুবতীকে তিনি বিয়ে করেন।
ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষদিকে আন্দালুসের মরিস্কো মুসলমানরা স্পেনের খ্রিস্টানদের হাতে অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হন। ইসলাম ছেড়ে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য তাদের ওপর কিয়ামত বইতে দেয়া হয়। হাজার হাজার মরিস্কো মুসলমান স্পেন থেকে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর দিকে পলায়ন করে। এদের বিপদে এগিয়ে আসেন জ্যাক স্প্যারো। মজলুম মুসলমানদের বাঁচানোর দায়িত্ব নিজ কাঁধে উঠিয়ে নেন।
আন্দালুসি মুসলমানদের হত্যাকারী বুনো খ্রিস্টানদের সাথে তিনি ও তার জাহাজের মাল্লারা গেরিলাযুদ্ধে লিপ্ত হন। তাদের হাতে খ্রিস্টানরা নাকানিচুবানি খেতে থাকে। একসময় অবস্থা এই পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়াল যে, খ্রিস্টানরা তার নাম শুনামাত্রই আঁতকে উঠত!
তিনি ছিলেন খুবই বুদ্ধিমান। তার সামুদ্রিক জ্ঞান, বুদ্ধি ও রহস্য দেখে মাল্লারা যারপরনাই আশ্চর্য হয়ে যেত। বাস্তবিকপক্ষে তিনি একজন সামুদ্রিক ক্যাপ্টেন ছিলেন। পুরো বিশ্বের মধ্যে ছিলেন মধ্যযুগের একজন সাগরসম্রাট।
মধ্যযুগের নামকরা এই মুসলিম বীরের নামে বেরিয়েছে অনেক নামিদামি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম। কিন্তু ফিল্ম নির্মাতা পশ্চিমা নরাধমরা তার প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ করেনি! যিনি সারাজীবন ইসলাম ও মুসলমানদের ত্রাতা ছিলেন। আল্লাহর দীনের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে দিয়েছিলেন। আল্লাহ রহম করুন তার দীনের এই একনিষ্ঠ খাদেম ইউসুফ রিস ওরফে জ্যাক স্প্যারোর ওপর।
-------
সূত্র: مدينة المسلمين في الأندلس, জুসেফ ম্যাক.
Ainul Haque Qasimi
30/09/2018
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ফেরদৌসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন এক কলেজছাত্রী। রোববার চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌসের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে সুরমা বেগম নামের এক নারীকেও আসামি করা হয়। ধর্ষণের পর হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকেও আসামি করা হয়েছে বলে জানান বাদির আইনজীবী আবদুল্লাহ আল ফরহাদ।
আইনজীবি জানান, অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা ফেরদৌস (৪৫) সন্দ্বীপের সন্তোষপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য। তিনি ওই এলাকার ইউসুপ মালাদারের বাড়ির মৃত মো. ধনুর ছেলে। অপর আসামি সুরমা বেগম (৪৫) একই এলাকার জসিম উদ্দিনের স্ত্রী। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯ (১)/৩০ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে নিতে সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) আদেশ দিয়েছেন বলেও জানান আইনজীবি আবদুল্লাহ আল ফরহাদ।
অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, উত্তর সন্দ্বীপ ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী স্থানীয় প্রভাবশালী ফেরদৌসের কাছে চাকুরির বিষয়ে সুপারিশ চান। তখন ফেরদৌসের কথামত গত ৩০শে জুলাই দুপুর আড়াইটার দিকে সুরমার বাড়িতে যান ওই তরুণী।
সেদিন ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত তরুণীকে জোরপূর্বক একাধিবার ধর্ষণ করার পাশাপাশি ছবি তুলেন ফেরদৌস। বাসায় ধর্ষণের সহযোগিতার জন্য পাঁচ হাজার টাকা দেয়া হয় সুরমাকে। ঘটনার পর ভয়ে নানার বাড়িতে চলে যান ভুক্তভোগী তরুণী। গত ২০শে সেপ্টেম্বর এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ওই তরুণীর অশ্লীল ছবি ছড়িয়ে দেয় ফেরদৌস। এরপর সবাই বিষয়টি জেনে গেলে আসামিরা আপোষ করতে চাপ সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে ২৫শে সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে ভুক্তভোগীর নানার বাড়িতে যায় ফেরদৌসসহ ১০ থেকে ১২ জন আসামি। তখন তরুণীকে তুলে নিয়ে আসতে চেয়ে তারা পারেনি।
এরপর থানায় গিয়ে মামলা করতে চাইলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। সন্দ্বীপ থানার ওসি মো. শাহজাহান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এক তরুণীর ছবি ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে দুদিন আগে ফেরদৌসকে আটক করা হয়। তবে তখন কেউ অভিযোগ না করায় ৫৪ ধারায় আদালতে চালান দেয়া হয়। এখন আদালতের আদেশ পেলে মামলা রেকর্ড করে তাতে ফেরদৌসকে গ্রেপ্তার দেখানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
17/09/2018
ইহুদীদের কাঙ্ক্ষিত লাল গাভীর সন্ধানঃ বিশ্বজুড়ে আতংক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, দিগন্ত নেটঃ ইসরাইলে জন্ম নেওয়া একটি লাল গাভীকে নিয়ে ইহুদী ও খ্রিষ্ট্রান ধর্মানুসারীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম নিয়েছে। তারা আনন্দ প্রকাশ করছে এই লাল গাভীর জন্যে। ইহুদীদের ধর্ম বিশ্বাস হলো তারা অপবিত্র আছে, এই গাভীর সূচিকরণের জল দিয়ে পবিত্র হতে হবে।
আর খ্রীষ্ট্রানরা মনে করে সলোমন টেম্পল নির্মান না হলে মাসিহা (জেসাস) আসবে না। আর এই লাল গাভীর আগমনের মাধ্যমে ধর্মীয়ভাবে টেম্পল অফ সলোমন নির্মানের পথ উন্মুক্ত হলো। তবে এখনো টেম্পল অফ সলোমন প্রতিষ্ঠার পথে প্রধান বাধা মুসলমানদের ২য় কেবলা পবিত্র মসজিদ আল আকসা ও ডোম অফ রক। আর টি, দ্য সান, এক্সপ্রেস, মিরর, টেম্পল ইন্সটিটিউট।
আরো পড়ুনঃফিলিস্তিনের নানা অঞ্চল গিলেই চলছে ইসরাইল, নিস্ক্রিয় বিশ্ব!
জানা যায়, ২ হাজার বছর ধরে ইহুদী ও খ্রীষ্ট্রানরা এই লাল গাভীর আশায় ছিল। ইহুদিরা বিশ্বাস করে, মাসিহার আগমনের প্রধান শর্ত হল ইহুদিদের ইসরাইলে ফিরে আসা, ইসরাইল নামক রাস্ট্রের প্রতিষ্ঠা ও Temple of Solomon নির্মাণ করা। কিন্তু টেম্পাল নির্মাণ তত সহজ নয়। নির্মাণ করতে হলে জাতিগত ভাবে ইয়াহুদিকে পবিত্র হতে হবে।
তাওরাতে বর্ণিত আছে- মৃত দেহকে কেউ স্পর্শ করলে, সে সাত দিন অপবিত্র থাকে, এই সাত দিনের তৃতীয় ও সপ্তম দিন তাকে সূচিকরণের জল দিয়ে পবিত্র হতে হবে যদি না হয় তাহলে সে অপবিত্রই থেকে যাবে। পবিত্র হতে হলে তাদের লাগবে একটি লাল গাভী যা দিয়ে তারা পবিত্রকরণ জল তৈরি করবে।
জানা গেছে, যেহেতু প্রায় দুই হাজার বছর ধরে লাল গাভীর জন্ম হয়নি তাই ইয়াহুদি পুরো জাতি অপবিত্র হয়ে আছে। অপবিত্র অবস্থায় টেম্পলের কাজ করা যাবে না, টেম্পলে প্রবেশও করা যাবে না। তাই তারা লাল গাভীর প্রতিক্ষা করছে। এমন গাভী যা বৃদ্ধ নয় এবং কুমারীও নয় হবে মাঝারি বয়সের। যা হতে হবে লাল রঙের।
এমন গাভী যা কখনো চাষ বা অন্য সেচন কাজে ব্যবহৃত হয়নি। গাভীর চুল বা ঘাড়ের পশম হতে হবে খাড়া। গাভীকে আগুনে পুড়িয়ে ফেলতে হবে, অতপর তার খাক দিয়ে সূচিকরণ জল তৈরি করতে হবে। সে জল দিয়ে পুরো ইয়াহুদি জাতি পবিত্র হবে। হিব্রু বাইবেল (তাওরাতের) গণনাপুস্তকের ১৯ নং অনুচ্ছেদে শুচিকরণ জলের বিধি বর্ণনা করা হয়েছে,-
সদাপ্রভু মোশি ও হারোণকে বললেন, “এটি একটি বিধি, একটি ব্যবস্থা, যেটা আমি আদেশ করছি: তা এই ইস্রায়েল সন্তানদেরকে বল, তারা নির্দ্দোষ ও কলঙ্ক বিহীন, যোয়ালি বহন করে নি, এমন একটি লাল গাভী তোমার কাছে আনুক।
তোমরা ইলীয়াসর যাজককে সেই গাভী দেবে এবং সে তাকে শিবিরের বাইরে নিয়ে যাবে এবং তার সামনে তাকে হত্যা করবে। পরে ইলীয়াসর যাজক তার আঙ্গুল দিয়ে তার কিছুটা রক্ত নিয়ে সমাগম তাঁবুর সামনে সাত বার সেই রক্ত ছিটিয়ে দেবে। তার চোখের সামনে সেই গাভী পোড়ানো হবে; তার গোবরের সঙ্গে চামড়া, মাংস ও রক্ত পোড়ানো হবে।
যাজক এরসকাঠ, এসোব ও লাল রঙের লোম নিয়ে ঐ গরু পোড়ানো আগুনের মধ্যে ফেলে দেবে। তখন যাজক তার পোশাক ধোবে ও শরীর জলে ধোবে। পরে শিবিরে প্রবেশ করতে পারবে, যদিও যাজক সন্ধ্যা পর্যন্ত অশুচি থাকবে। – (Torah, book of Number, Chapter -19, verse 2-8)
সূত্র জানায়, ইসরাইল প্রতিষ্ঠার পর থেকে কোনো লাল গাভীর জন্ম হলে তারা বেশ পরীক্ষা নিরীক্ষা করে। কাঙ্ক্ষিত লাল গাভী কি না তা নিরীক্ষণের জন্য প্রথমে জন্ম নেয়া লাল গাভীকে কাঙ্ক্ষিত লাল গাভী ক্যান্ডিডেট হিসেবে সিলেক্ট করে অতপর বেশ কয়েক মাস এমনকি পুরো বছর বিভিন্ন পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখা হয়। ইতিপূর্বে ১৯৯৭, ২০০২ ও ২০১৪ সালে তিনটি গাভীকে ক্যান্ডিডেট হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছিল কিন্তু পরে পরীক্ষায় তারা জানতে পারে সেগুলোর কোনোটিই কাঙ্ক্ষিত গাভী ছিল না।
আরো পড়ুনঃ আফগানিস্তানে যে কারনে হেরে যাচ্ছে আমেরিকা
“হাইকলের জমি আমাদের হাতে আসা মাত্রই আল্লাহ লাল গাভীকে আদেশ করবেন, সে হাম্বা ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠবে তারপর আমরা শুরু করবো হাইকল নির্মাণ। বনী ইসরাইলের নবীগন এই ভবিষ্যৎবাণী করে গেছেন”–যায়োনিস্ট রাবাই বাক কোক। (আখবারুশ-শারক ১৩/০৫/১৯৯৭)
ইয়াহুদী আরেক এক পণ্ডিতের ভাষায়— “আমরা হাইকলের নির্ধারিত জায়গার সামনে পূর্বমুখী করে গাভী জ্বালাবো। এ কাজে বিভিন্ন বৃক্ষের কাঠ ব্যবহৃত হবে, তারপর ছাইকে পানি সরবরাহের মতো পাইপ লাইনের সহয়তায় প্রতিটি ইয়াহুদীর ঘরে ঘরে পোঁছে দেবো” (এভাবেই সকল ইয়াহুদী কে পবিত্র করা হবে)
জানা যায়, তৃতীয় টেম্পল স্থাপনের জন্য ইয়াহুদিরা ১৯৮৭ সালে The Temple Institute নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে। তাদের কাজ হল টেম্পল তৈরির সকল কাজ আঞ্জাম দেয়া। ইতিমধ্যে তারা টেম্পলের কাঠামো নির্মাণ করেছে। এমনকি টেম্পলের ভিতরে ব্যবহৃত ও রক্ষিত বিশেষ বিশেষ আসবাব তৈরি করেছে।
Copper Laver, Golden Menorah (প্রধান কক্ষে ব্যবহৃত আলোকদানী), Table of the Showbread (কেক অথবা পাউরুটি জাতিয় বিশেষ খারাব যা সব সময় সেখানে রাখা থাকে)। বিশেষ করে Ark of the Covenant Temple। তাদের ভাষায় এটা হল একটি বক্স যাতে সিনাই পর্বত থেকে মুসা আলাহিস সালামের নিয়ে আসা টেন কমেন্ডমেন্ট, হারুন আলাহিস সালামের লাঠি ও আকাশের খাদ্য মান্না ও সালওয়া রক্ষিত আছে।
এদিকে টেম্পল ইন্সটিটিউট টেম্পল অফ সলোমন নির্মানের অর্থের জন্য একটি ক্যাম্পেইন চালু করেছে। এই মাসের ২৬ তারিখের মধ্যে ১ লাখ ডলার কালেকশনের টার্গেট থাকলেও ক্যাম্পেইনের অল্প দিনের মাথায় ১ লাখ ৯ হাজার ডলার ডোনেশন পেয়েছে টেম্পল ইন্সটিটিউট।
এদিকে এক গবেষক দাবি করেছেন, যায়নিস্টরা হাইব্রিড জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং দ্বারা প্রজননকৃত এই লাল গাভীকে দুনিয়ার সামনে নিয়ে এসেছে সলোমন টেম্পল নির্মানের জন্য।
সুত্র জানায়, ইসরাইল বহু আগে থেকেই আল আকসা মসজিদ ও ডোম অব রকের নিচে খননকাজ চালিয়েছে। এমতবস্থায় টেম্পল অব সলোমন নির্মানের জন্য মুসলমানদের পবিত্র স্থাপনার কোন্রুপ ক্ষতি হলে আরব বিশ্বে আবারো বেজে উঠতে পারে যুদ্ধের দামামা অলে বিশ্লেষকদের আশংকা।
পশ্চিমা মিডিয়াগুলো বলছে, লাল গভীটির জন্ম হওয়ায় পৃথিবী আরমগেডনের মহাযুদ্ধের দিকেই ধাবিত হচ্ছে বলে খ্রিষ্টান ও ইহুদী ধর্মের বিশ্বাস। ইসলাম ধর্মের ভবিষৎবাণীতেও এমন যুদ্ধের উল্লেখ রয়েছে যাকে মুসলিমরা মালাহামা বলে ।
শেষ জামানায় ইসলাম ধর্মে ইমাম মাহদি নামক এক ব্যাক্তি আবির্ভাবের কথা বলা হয়েছে, মুসলমানেরা তার প্রতিক্ষা করছে, এরপর ঈসা আলাইহিস ওয়া সাল্লাম আসার কথা উল্লেখ্য রয়েছে। ইহুদীরাও তাদের বাদসার আগমনের অপেক্ষায় আছে যা ইসলাম ধর্মে দাজ্জাল নামে পরিচিত। এছাড়া খ্রীষ্টান ধর্মানুসারিরাও তাদের মুক্তিদাতার অপেক্ষায় আছে যাকে মুসলিমরা বলে ঈসা আলাইহিস ওয়া সাল্লাম।
বিশ্লেষকদের আশংকা, সিরিয়া ও ইয়েমেনে চলা দীর্ঘদীনের যুদ্ধ, অশান্ত উপমহাদেশ এবং সর্বশেষ ইহুদীদের লাল গাভী খুজে পাওয়া বড় কিছুরই ইঙ্গিত। পৃথিবী ধংসের ব্যাপারে বিখ্যাত বিজ্ঞানী ড. স্টিফেন হকিং সহ অনেক বিজ্ঞানীই মন্তব্য করেছেন যেটার সাথেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি মিলাচ্ছেন বিশ্লেষকরা।
ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ভবিষ্যৎবাণীকারীদের মধ্যে মিশেল দ্য নোস্ত্রদাম অন্যতম। পনেরশ শতকের এই ভবিষ্যদ্বক্তার অনেক ভবিষ্যৎবাণী অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেছে। তারমতেও ২০১৮ সাল হবে খুবই ঘটনা বহুল। ২০১৮ সালকে নিয়ে করা ভবিষ্যৎবাণীর মাঝে ইতিমধ্যে মিলে গিয়েছে একটি। এছাড়াও একজন মুসলিম পন্ডিত শাহ নেয়ামতউল্লাহ যিনি ১১৫২ খ্রিস্টাব্দে একটি ভবিষ্যৎবাণী সংবলিত ফার্সি ভাষায় কাসিদা (কবিতা) লিখেছিলেন যেটার অনেক সত্য বলে প্রমান হয়েছে।
লিংক: http://www.mymensinghnews24.com/2018/09/16/27176/