27/07/2017
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা পর্ব-৩ । জার্মানিতে DIPLOMA ENGINEER দের উচ্চশিক্ষা । কারিগরি বিষয়ে একই সাথে পড়াশুনা এবং কোন প্রতিষ্ঠানের অধীনে সবেতন চাকুরী।
এই পর্বটি ব্যাখ্যা করে কিভাবে শিক্ষাগত যোগ্যতা জার্মান সমতুল্য রুপান্তর করতে হয়।
শেয়ার করুন, অন্যদেরকে জানার সুয়োগ দিন ।
পর্ব-৩:শিক্ষাগত যোগ্যতা জার্মান সমতুল্য রুপান্তর ।
লিংক: https://youtu.be/Vh8Unm7CLl4
German Apprenticeship-जर्मनी में अध्ययन-Ausbildung-Part3
This episode explains how to convert foreign qualification to a german equivalent. শিক্ষাগত যোগ্যতা জার্মান সমতুল্য রুপান্তর ।
23/07/2017
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা পর্ব-২ । AUSBILDUNG কোর্সে প্রয়োগ করার জন্য আবেদনের মাপদণ্ডের বর্ণনা । জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা ।
Part 2 describes criteria for qualification and steps to apply in Ausbildung course. Higher study in Germany.
শেয়ার করুন, অন্যদেরকে জানার সুয়োগ দিন ।
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা পর্ব-২ ।প্রাক যোগ্যতা ও যোগ্যতা জার্মান সমতুল্য রূপান্তর ।
https://youtu.be/hAanawqrNU8
German Apprenticeship-Ausbildung-part2.
Part 2 describes criteria for qualification and steps to apply in Ausbildung course. Higher study in Germany. পর্ব -২ যোগ্যতার মানদণ্ড এবং AUSBILDUNG কোর্সে ...
22/07/2017
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা পর্ব-১ ।
জার্মানিতে DIPLOMA ENGINEER দের উচ্চশিক্ষা । কারিগরি বিষয়ে একই সাথে পড়াশুনা এবং কোন প্রতিষ্ঠানের অধীনে সবেতন চাকুরী।
আমাদের ধারাবাহিক ভিডিও পোষ্টের মাধ্যম এ সম্বন্ধে কিছুটা ধারনা পাবেন ।
শেয়ার করুন, অন্যদেরকে জানার সুয়োগ দিন ।
প্রথম পর্ব: GERMAN AUSBILDUNG ? সুবিধা এবং অসুবিধা ।
লিংক:https://youtu.be/K_-rUmWZz5g
AUSBILDUNG কি ? সুবিধা এবং অসুবিধা- WHAT IS AUSBILDUNG AND ITS ADVANTAGES AND DISADVANTAGES.
Studying while earning money and ending with two degrees in your pocket? A dual study sounds almost too good to be true.
26/06/2017
May Allah bring you joy, happiness, peace and prosperity on this blessed occasion. Wishing you and your family on this happy occasion of Eid! Eid Mubarak!
01/01/2016
A HAPPY & PROSPEROUS NEW YEAR TO ALL.
18/12/2015
ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং পাশের পর জার্মানীতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ ( আবেদন,টিউশন ফি,ভিসা ফি,জীবনযাত্রা এবং অনন্যা খরচ)
আবেদন পূর্ববর্তী প্রস্তুতির মধ্য রয়েছে ভাষা শেখা,কাগজ-পত্র তৈরি ইত্যাদি যাহা ৫০,০০০ টাকার মধ্য সম্পূর্ন হয়ে যাবে।
অাবেদন করার ক্ষেত্রভেদে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনরূপ ফি প্রয়োজন হয়না, যদিওবা স্বল্পসংখ্যক (খুবইইইই অল্প) বিশ্ববিদ্যালয়/uni-assist 100/120€ ইউরো ফি নিয়ে থাকে ।
জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়গুলির টিউশন ফি খুবই কম এবং কিছু বিশ্ববিদ্যালয় কোনই টিউশন ফি নেয় না। বেশিরভাগ জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি অর্থায়নে চলে। স্বাভাবিকভাবে ব্যাচেলর প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের কোন টিউশন ফি দেওয়া লাগে না। অবশ্য মাস্টার্স ডিগ্রী প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে সামান্য কিছু টিউশন ফি নেওয়া হয় (100~250€) সকল শিক্ষার্থীকে সেমিস্টার ট্যাক্স/কর প্রদান করতে হয়।
অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের তুলনায় জার্মানির জীবনযাত্রার খরচ যথেষ্ট পরিমিত। খাবারের দাম, বাসস্থান, পোশাক-পরিচ্ছদ, সাংস্কৃতিক উপলক্ষ ইত্যাদি সবকিছুই মূলত ইইউ গড়মূল্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। এ সকল খরচ হিসেবে প্রতি মাসে আপনার প্রায় 670€ ইউরো প্রয়োজন হবে। সর্বোচ্চ খরচ হচ্ছে আপনার মাসিক ভাড়া। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, আবেদনকারীকে তার এক বছরের ব্যবহারের জন্য প্রায় 8000€ বিদ্যমান দেখাতে হয়।
........ ...চলবে
10/11/2015
ডিপ্লোম ইন্জিনিয়ারিং পাশের পর জার্মানীতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ (জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার যোগ্যতা)
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার যোগ্যতা
যেহেতু জার্মানিতে টিউশন ফি নেই, পড়াশোনা এখানে কোন পণ্য নয় এবং একই সাথে সকল বিশ্ববিদ্যালয় একটা নির্দিষ্ট মান বজায় রাখে – এই দেশে পড়তে আসতে হলে ছাত্রছাত্রীদেরও একটা বিশেষ যোগ্যতার কথা খেয়াল রাখতে হবে। আর সেটা হল, একটা নির্দিষ্ট মান নিয়ন্ত্রণ! কোনমতে শুধু একটা ডিগ্রী সার্টিফিকেট নিয়ে জার্মানিতে পড়তে আসাও যেমন উচিত হবে না, তেমনি সত্যিকার অর্থে যাদের উচ্চশিক্ষার যোগ্যতা নেই, তারা আসলে জার্মানিতে পড়ার জন্য যোগ্য নয়।
তাই যারা গন্তব্য হিসেবে জার্মানিকে ঠিক করেছে, তাদের জন্য প্রথম যোগ্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব থাকবে নিজের উপরই। টেকনিক্যাল সলিড জ্ঞান, ভাষা-গত যোগ্যতা (জার্মান বা ইংরেজি), নতুন দেশের নতুন পরিবেশে নিজেদের খাপ খাইয়ে চলার মতন ধৈর্য এবং পরিশ্রমী মনোবল, নিজের কাজ নিজে গুছিয়ে নেবার মানসিকতা, সময় জ্ঞান, পরিকল্পিত এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা – এই যোগ্যতা এবং গুণগুলো যাদের আছে, তারাই জার্মানিতে আসার জন্য নিজেকে যোগ্য বলে মনে করতে পারে।
যোগ্যতা আসলে দুই রকম, একটা সার্টিফিকেট যোগ্যতা, আর আরেকটা সত্যিকার অর্থে কিছু জানা। প্রথমটি খুব সহজেই যোগাড় করে নেওয়া যায়, দ্বিতীয়টির যায় না। এদেশে যেহেতু পড়ানোর জন্য কারও কাছে থেকে পয়সা নেওয়া হচ্ছে না, এবং বিশ্ববিদ্যালয় গুলি চেষ্টা করবে তাদের মান বজায় রাখতে, এখানে ধরেই নেওয়া হবে যে আগত ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে দ্বিতীয় যোগ্যতাটা ভাল মতনই আছে।
ব্যাচেলরঃ
1. ডিপ্লোমা সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রী যার শুধু মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট আছে, তাদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিকের সমমানের সার্টিফিকেট লাগবে।জার্মানিতে এসেসমেন্ট পরীক্ষা পাস করতে হবে ।
2. ব্যাচেলর ডিগ্রী করার জন্য স্টুডেন্টকলিগ (ডুয়েট ভর্তি পরীক্ষার মত) কোর্স করতে হয় যা জার্মান ভাষায় করতে হয় ।
3. বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলর কোর্সে ২ বছর পড়াশোনা চলমান থাকলে সরাসরি জার্মান ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়া যায় । স্টুডেন্টকলিগ করতে হবে না ।
• জার্মান ভাষায় ব্যাচেলর করতে চাইলে টেস্টডাফ বা ডিএসহা (“TestDaF” (test of German as a foreign language) or “Deutsche Sprachprüfung für den Hochschulzugang ausländischer Studienbewerber” (DSH))
• গোয়েথে থেকে সি-২ লেভেল পর্যন্ত জার্মান ভাষা শেখা থাকলে উপরোক্ত পরীক্ষা দেবার প্রয়োজন নেই।
• ইংরেজিতে পড়ার জন্য টোফেল বা আইএলটিএস প্রয়োজন। একেক ইউনিভার্সিটিতে একেক রকম মার্ক বা ন্যুনতম স্কোর প্রয়োজন, কোন সাধারণ নিয়ম নেই।
মাস্টার্সঃ
1. ডিপ্লোমা সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রী যার শুধু মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট আছে, তাদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিকের সমমানের সার্টিফিকেট লাগবে।
2. ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট বা অন্যান্যরা যারা শুধু মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট আছে, তাদেরকে কমপক্ষে ১৫ বছর পড়াশোনার প্রমাণ দেখাতে হবে। এসএসসি পর্যন্ত ১০ বছর এবং যদি ৪ বছরের ডিপ্লোমা হয়, তবে সব ইউনিভার্সিটি ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট গ্রহণ নাও করতে পারে, এই ব্যাপারে কোন সাধারণ নিয়ম নেই।
কিছু কথাঃ
স্টাডি গ্যাপ কোন সমস্যা নয়!!
ভর্তির জন্য ন্যূনতম বা কোন ধরণের বয়স সীমা নেই।
ইঞ্জিনিয়ারিং বা টেকনিক্যাল স্টুডেন্টরা প্রায় সকল ক্ষেত্রেই মাস্টার্সে অন্য টেকনিক্যাল বা ইঞ্জিনিয়ারিং ফিল্ডে সুইচ করতে পারবে।
রেজাল্ট ২.৮ নিয়েও এডমিশন পাওয়া যায়। তবে সিজিপিএ কম থাকলে অন্তত ১৫-২০ টা ইউনিতে এপ্লাই করতে হবে।
“IELTS/TOEFL করা কি জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার জন্য বাধ্যতামূলক?”
না, বরং মাস্টার্স/ব্যাচেলর করতে যথেষ্ট ইংরেজি জ্ঞান আছে কি না সেটা প্রমাণ করাই মুখ্য।ব্যাচেলর ডিগ্রী করার জন্য স্টুডেন্টকলিগ (ডুয়েট ভর্তি পরীক্ষার মত) কোর্স করতে হয় যা জার্মান ভাষায় করতে হয় ।বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলর কোর্সে ২ বছর পড়াশোনা চলমান থাকলে সরাসরি জার্মান ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়া যায় ।
ইংরেজি মাধ্যমে ব্যাচেলর করা আছে এই সার্টিফিকেট দিয়ে অনেক ইউনিভার্সিটিতে আবেদন করা যায়। মনে রাখতে হবে যে, IELTS করা থাকলে এবং ভাল মার্ক পেলে সেটা এই সার্টিফিকেটের চেয়ে বেশি ভাল। কোন কোন ইউনিভার্সিটিতে এই সনদ গ্রহণযোগ্য হবে, এর কোন তালিকা নেই।
08/10/2015
ডিপ্লোম ইন্জিনিয়ারিং পাশের পর জার্মানীতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ (কেন জার্মানী):
ডিপ্লোমা পরবর্তী উচ্চশিক্ষায় জার্মানী হতে পারে মেধাবী এবং যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আর্দশ স্বপ্ন । সঠিক দিক নির্দেশনা এবং যথাযথ প্রচেষ্টা GERMAN ENGINEER হতে পারেন আপনিও ।
জার্মানি হতে পারে উচ্চ শিক্ষার জন্য আপনার সেরা গন্ত্যব্য
উচ্চ শিক্ষার জন্য জার্মানি বিশ্বের ৩য় জনপ্রিয় গন্তব্য। জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় সমুহের প্রায় বারো শতাংশ ছাত্র/ছাত্রী পৃথীবির বিভিন্ন দেশ থেকে আগত। উচ্চ শিক্ষার জন্য জার্মানি একটি আকর্ষণীয় স্থান এবং জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রী নিয়োগকারীদের দ্বারা সম্মানিত বিশ্বব্যাপী।
আপনি পাচ্ছেন বিশ্বের শীর্ষ স্বীকৃত ডিগ্রী
জার্মানির উচ্চ শিক্ষা বিশ্বের সেরা। জার্মানির প্রকৌশল ও বিজ্ঞান শিক্ষার ব্যাপারে বেশ সুনাম রয়েছে।জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় সমুহের ডিগ্রী বিশ্বর নিয়োগকারীদের কাছে বেশ গ্রহণ যোগ্য।
আপনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাবেন
জার্মানির উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা প্রত্যেকের জন্য। এই মহুর্তে জার্মানিতে ৪৫০ টি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৭,৫০০ এর মত কোর্স করানো হচ্ছে। জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিভিন্ন ধরনের ডিগ্রী অফার করে যেমন:- ব্যাচেলর, মাস্টার্স, পিএইচডি ইত্যাদি।
আপনাকে খুব কম টিউশন ফি পরিশোধ করতে হবে-কখনও কখনও এই সামান্য টিউশন ফি ও লাগে না
জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় সমুহতে সাধারণত ছাত্র/ছাত্রীদের কোন টিউশন ফি দিতে হয় না, ক্ষেত্র বিশেষ লাগলেও সেটা খুবই সামান্য। প্রায় সকল জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় সরকারের পক্ষ থেকে অনুদান পেয়ে থাকে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমুহতে স্নাতক পড়ালেখার কোন টিউশন ফি নেই। কিছু মাস্টার্স বিষয়ে টিউশন ফি আছে কিন্তু সেটা অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় খুবই নগণ্য।
08/10/2015
ডিপ্লোম ইন্জিনিয়ারিং পরবর্তী শিক্ষাজীবন এবং কঠিন বাস্তবতা :
প্রতিবছর সরকারী-বেসরকারী পলিটেকনিক হতে কযেক হাজার ছাত্র-ছাত্রী ডিপ্লোমা শেষ করে বের হয় এবং এরপর অধিকাংশই উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখে, কিন্তু সমস্যা একটাই যে, ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের সরকারীভাবে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য ১টি মাত্র ইন্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় DUET । যেখানে আসন সংখ্যা সীমিত। তাছাড়া ২ টি মাত্র সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ( যবিপ্রবি এবং শাবিপ্রবি) যেখানে ভর্তির জন্য সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে উচ্চমাধ্যমিক সিলেবাসে ভর্তিপরীক্ষায় অবর্তীন হতে হয় যা খুবই কষ্টকর ।
ডিপ্লোমা পাশ করার পর সবাই উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য DUET এর উপর নির্ভরশীল। ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের একটাই মাত্র সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং যার মোট আসন সংখ্যা প্রতিবছর পাশকৃত শিক্ষার্থীর তুলনায় নগণ্য।
অধিকাংশ মেধাবী ও ডিপ্লোমাতে ভাল রেজাল্ট থাকলেও BSC করার জন্য ১ টা মাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার প্রতিযোগিতায় নিজেকে অনিচ্ছাকৃত ভাবে হেরে যেতে হয়।
অনেক শিক্ষার্থী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হতে BSC সম্পন্ন করে কিন্তু মানসম্পন্ন শিক্ষার অভাবে যথাযথ মর্যাদাসম্পন্ন চাকুরী পাওয়া হয়ে ওঠে অসম্ভব । বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ৫-১০লক্ষ টাকা খরচ করা তখন হয়ে ওঠে খুবই বেদনাদায়ক ।
ডিপ্লোমা পরবর্তী শিক্ষাজীবন সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ের আপনার একটু সময় এবং সুবিবেচনার আশায় আমরা আছি আপনার পাশে ।
দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষা এবং ক্যারিয়ার সংক্রান্ত যেকোন বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতায় আমরা সদা প্রস্তুত ।