30/04/2026
আবির ইসলাম, অভিযাত্রিক স্কুলের প্রথম শ্রেণির এক ছোট্ট স্বপ্নবাজ। ক্লাসে সে খুব মনোযোগী । টিফিনের সময় বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা, হাসি-ঠাট্টা আর দুষ্টুমিতে ভরে ওঠে তার দিন। আর অবসর পেলেই খাতা-কলম, রং পেন্সিল নিয়ে আঁকিবুঁকিতে ডুবে যায়, ছোট ছোট রেখার মাঝেই যেন সে গড়ে তোলে নিজের কল্পনার জগৎ।
এই ছোট্ট আবিরের স্বপ্ন, একদিন সে একজন ইঞ্জিনিয়ার হবে। নিজের চিন্তা আর সৃজনশীলতা দিয়ে এমন কিছু তৈরি করতে চায়, যা মানুষের জীবনকে আরও সহজ, নিরাপদ ও সুন্দর করে তুলবে। আবিরের এই স্বপ্ন পূরনে আমরা আছি তার পাশে নির্ভরতার এক দৃঢ় হাত হয়ে, যেন তার স্বপ্নগুলো একদিন সত্যিই ডানা মেলে উড়তে পারে।
আপনিও যুক্ত হতে পারেন অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের “𝐂𝐡𝐢𝐥𝐝 𝐒𝐩𝐨𝐧𝐬𝐨𝐫𝐬𝐡𝐢𝐩” প্রোগ্রামের সাথে। আপনার সামান্য সহযোগিতাই বদলে দিতে পারে আখি মনির মতো সুবিধাবঞ্চিত একটি শিশুর পুরো জীবন।
এখন থেকে আরও সহজে বিকাশ, মাস্টার/ভিসা কার্ড ব্যবহার করে মাত্র ১৫০০টাকা অটো পে চালু করে একজন শিশুর দায়িত্ব নিতে পারেন।
এককালীন বা অটোপে চালু করার জন্য ভিজিট করুনঃ http://donation-v2.obhizatrik.org/donation/regular
অটো পে চালু করার মাধ্যমে আপনার ডোনেশনটি সঠিক সময়ে পৌঁছে যাবে তাদের জীবন উন্নয়নে।
28/04/2026
ফাহিম খান, পঞ্চম শ্রেণীর একজন ছাত্র, পড়াশোনা করে একটি বেসরকারি স্কুলে। মিরপুর দুয়ারিপাড়ার একটি ছোট ভাড়া বাসায় সে থাকে তার মা আর ছোট ভাইয়ের সঙ্গে। দুই বছর আগে বাবাকে হারানোর পর থেকেই তাদের জীবনে নেমে আসে অনিশ্চয়তা আর কঠিন সংগ্রাম। মা মানুষের বাসায় রান্নার কাজ করে যেটুকু আয় করেন, তা দিয়ে কোনোভাবে সংসার টিকে থাকে, কিন্তু ফাহিমের পড়াশোনার খরচ জোগানো প্রতিদিনই এক নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
একদিন অভিযাত্রিক স্কুলের গেইটে “Orphan Sponsorship Program” এর ব্যানার দেখতে পেয়ে ফাহিমের মা স্কুলে যোগাযোগ করলে বিস্তারিত জেনে ছেলের জন্য একটা আবেদন করেন। এখন এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে ফাহিম নিয়মিত পড়াশোনার খরচ, পুষ্টিকর খাবার, চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে। ফাহিম এখন প্রতিদিন সকালে খাতা বই ব্যাগে নিয়ে স্কুলে যায়। তার চোখে একটাই স্বপ্ন বড় হয়ে একদিন সে আর্মি অফিসার হবে, দেশের সেবা করবে এবং তার মায়ের সব কষ্টের প্রতিদান দেবে নিজের সফলতার মাধ্যমে।
আপনিও আপনার সহায়তার হাত বাড়িয়ে প্রতি মাসে সামান্য অনুদানের মাধ্যমে অভিযাত্রিক এর “𝐎𝐫𝐩𝐡𝐚𝐧 𝐒𝐩𝐨𝐧𝐬𝐨𝐫𝐬𝐡𝐢𝐩 𝐏𝐫𝐨𝐠𝐫𝐚𝐦” এর অংশ হয়ে বদলে দিতে পারেন একটি শিশুর ভবিষ্যৎ।
এককালীন বা অটোপে চালু করার জন্য ভিজিট করুনঃ http://donation-v2.obhizatrik.org/donation/regular
অটো পে চালু করার মাধ্যমে আপনার ডোনেশনটি সঠিক সময়ে পৌঁছে যাবে তাদের জীবন উন্নয়নে।
শিশুর সুরক্ষা নীতির আওতায় শিশুর নাম, ছবি বা উভয়ই পরিবর্তন করা হয়েছে।
26/04/2026
In collaboration with One 2 Think , we have started a personal skills development session at OBHIZATRIK School, Mirpur branch.
The main objective of this session is to introduce students to emotional regulation, helping them understand their feelings, express them in words and practice responding to different situations in a calm and thoughtful way. Alongside this, they are also learning simple and effective tools that they can use in their daily lives to manage their emotions.
Through fun and interactive activities, they are gradually getting to know themselves better, learning to open up and expressing their feelings with growing confidence.
These skills are essential for personal development.
23/04/2026
প্রতিমাসে আমরা “𝐎𝐫𝐩𝐡𝐚𝐧 𝐒𝐩𝐨𝐧𝐬𝐨𝐫𝐬𝐡𝐢𝐩 𝐏𝐫𝐨𝐠𝐫𝐚𝐦” এর আওতায় শিশুদের নিয়মিত হেলথ চেকআপের ব্যবস্থা করে থাকি।
গত সপ্তাহে ২০ জন শিশুর পূর্ণ হেলথ চেকআপ সম্পন্ন হয়! অনেক সময় ছোট ছোট অসুস্থতা, অপুষ্টি বা শারীরিক দুর্বলতার লক্ষণ সহজে বোঝা যায় না, কিন্তু এগুলোই ধীরে ধীরে বড় সমস্যায় রূপ নেয়। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে এসব বিষয় আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়, ফলে দ্রুত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় যত্ন নিশ্চিত করা যায়।
22/04/2026
অভিযাত্রিক স্কুলের মিরপুর শাখার ৬ষ্ঠ শ্রেণি ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এবার শিখছে একটু ভিন্নভাবে। বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের ওপর তৈরি করা পোস্টারের মাধ্যমে তারা তুলে ধরেছে বাংলার ইতিহাস ও প্রাচীন ঐতিহ্যের গল্প। এখানে শিক্ষার্থীরা বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং বাংলার প্রাচীন সভ্যতা উপস্থাপন করেছে।
ছোট ছোট এই উপস্থাপনাগুলোর মধ্যেই ফুটে উঠেছে তাদের দেশ সম্পর্কে জানার আগ্রহ, কৌতূহল আর আত্মবিশ্বাসের সুন্দর বহিঃপ্রকাশ।
21/04/2026
অভিযাত্রিক স্কুলের মিরপুর শাখায় “𝐎𝐫𝐩𝐡𝐚𝐧 𝐒𝐩𝐨𝐧𝐬𝐨𝐫𝐬𝐡𝐢𝐩 𝐏𝐫𝐨𝐠𝐫𝐚𝐦”–এর আওতায় আমরা শুধু পড়াশোনার উপকরণ বিতরণেই সীমাবদ্ধ থাকি না। প্রতিমাসে অরফান শিশুদের জন্য বই-খাতা, কলম-পেন্সিলের পাশাপাশি জামাকাপড়, স্কুল ব্যাগ, জুতা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীও প্রদান করা হয়, যাতে তাদের দৈনন্দিন জীবন কিছুটা সহজ ও স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
এই শিশুদের কেউ হারিয়েছে বাবা, কেউ মা, আবার কেউ হারিয়েছে দু’জনকেই। জীবনের এমন বাস্তবতায় তাদের ছোট ছোট প্রয়োজনগুলো পূরণ করা আমাদের কাছে শুধু সহায়তা নয় এটি আমাদের দায়িত্ব ও ভালোবাসার একটি অংশ। নতুন ব্যাগ, জুতা আর জামা কাপড় পেয়ে ছোট্ট শিশুরা যে কতটা খুশি হয়, তাদের এই হাসিগুলোই সবচেয়ে সুন্দর প্রমাণ।
আমাদের ছোট এই সহায়তাগুলোই ধীরে ধীরে গড়ে তুলছে বড় পরিবর্তনের গল্প। আপনিও আপনার সহায়তার হাত বাড়িয়ে প্রতি মাসে সামান্য অনুদানের মাধ্যমে অভিযাত্রিক এর “𝐎𝐫𝐩𝐡𝐚𝐧 𝐒𝐩𝐨𝐧𝐬𝐨𝐫𝐬𝐡𝐢𝐩 𝐏𝐫𝐨𝐠𝐫𝐚𝐦” এর অংশ হয়ে বদলে দিতে পারেন একটি শিশুর ভবিষ্যৎ।
এককালীন বা অটোপে চালু করার জন্য ভিজিট করুনঃ http://donation-v2.obhizatrik.org/donation/regular
অটো পে চালু করার মাধ্যমে আপনার ডোনেশনটি সঠিক সময়ে পৌঁছে যাবে তাদের জীবন উন্নয়নে।
21/04/2026
আজ থেকে সারা দেশে শুরু হয়েছে এস.এস.সি পরীক্ষা। আমাদের অভিযাত্রিক স্কুল থেকে এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৮ জন শিক্ষার্থী। এটি আমাদের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত। প্রতিকূলতা আর সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে ওরা আজ এ গুরুত্বপূর্ণ ধাপে পৌঁছেছে।
ছোট ছোট পায়ে তারা হাটতে হাটতে স্কুলে প্রবেশ করেছিলেন, আজ তারা বড় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন। এটি শুধু আমাদের জন্য নয় তাদের পরিবারের জন্যও গর্বের বিষয়। ওরা শুধু নিজের ভবিষ্যৎ নয়, পরিবারের স্বপ্নকেও বাস্তবে রূপ দিতে চায়।
এই শিক্ষার্থীরাই একদিন সমাজের পরিবর্তনের অগ্রদূত হবে এমনটাই আমাদের বিশ্বাস।
শুভ কামনা সকল এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের জন্য!
19/04/2026
সম্প্রতি অভিযাত্রিক স্কুলের মিরপুর শাখায় Grow Digitally টিমের সাথে আমরা একটি তথ্যবহুল সেশনের আয়োজন করি। এখানে শিক্ষার্থীরা Online Etiquette, Digital Safety, AI Tools এবং Parental Control সম্পর্কে সহজভাবে জানতে পারে এবং এগুলো কীভাবে ঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয় সে বিষয়েও ধারণা পায়।
শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব রাখা হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা আগ্রহ নিয়ে অংশগ্রহণ করে এবং সঠিক উত্তরদাতাদের পুরস্কৃত করা হয়, যা তাদের উৎসাহ আরও বাড়িয়ে তোলে।
এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা চাই শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রযুক্তি ব্যবহারের সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে।
15/04/2026
Today, four students from OBHIZATRIK School are participating in this year’s Primary Scholarship Exam 2025, marking a proud moment for the school. Despite various challenges and limitations, they have reached this milestone through their dedication and hard work.
14/04/2026
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে অভিযাত্রিক স্কুল মিরপুর শাখায় আজ ছিল বৈশাখী উৎসব। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে শিক্ষার্থীরা সেজেছিল রঙিন সাজে, উচ্ছ্বাসে ভরে উঠেছিল পুরো স্কুল ক্যাম্পাস। রংবেরঙের পোস্টার, আলপনা, বৈশাখী সাজসজ্জা আর সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর হয়ে উঠেছিল স্কুল প্রাঙ্গণ। ছোট্ট ছোট্ট শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছিল বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি।
নতুন বছরের এই শুরু হোক সবার জীবনে আনন্দ, সম্ভাবনা আর নতুন স্বপ্নের বার্তা নিয়ে। শুভ নববর্ষ!
12/04/2026
আখি মনি, অভিযাত্রিক স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির একজন ছাত্রী। বড় বড় স্বপ্ন ছোট্ট একটি ব্যাগে ভরে প্রতিদিন সকালে স্কুলে আসে সে। ক্লাসে মন দিয়ে পড়াশোনা করে, শিক্ষকদের প্রতিটি কথা মনোযোগ দিয়ে শোনে।
টিফিনের ফাঁকে বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা, হাসি-খেলা আর ছোট ছোট দুষ্টুমিতে কেটে যায় তার প্রিয় সময়গুলো। স্কুলের প্রতিটি দিন যেন তার জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা। ছোট্ট আখি মনির স্বপ্ন, একদিন সে বড় হয়ে একজন ইঞ্জিনিয়ার হবে। নিজের মেধা আর পরিশ্রম দিয়ে সে এমন কিছু গড়ে তুলতে চায়, যা মানুষের জীবনকে আরও সহজ আর সুন্দর করে তুলবে।
তবে এই পথটা তার জন্য সবসময় সহজ না। সীমাবদ্ধতার মাঝেও সে তার স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে এগিয়ে চলেছে এবং তার স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে আমরা দাড়িয়েছি তার পাশে।
আপনিও যুক্ত হতে পারেন অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের “𝐂𝐡𝐢𝐥𝐝 𝐒𝐩𝐨𝐧𝐬𝐨𝐫𝐬𝐡𝐢𝐩” প্রোগ্রামের সাথে। আপনার সামান্য সহযোগিতাই বদলে দিতে পারে আখি মনির মতো সুবিধাবঞ্চিত একটি শিশুর পুরো জীবন।
এখন থেকে আরও সহজে বিকাশ, মাস্টার/ভিসা কার্ড ব্যবহার করে মাত্র ১৫০০টাকা অটো পে চালু করে একজন শিশুর দায়িত্ব নিতে পারেন।
এককালীন বা অটোপে চালু করার জন্য ভিজিট করুনঃ http://donation-v2.obhizatrik.org/donation/regular
অটো পে চালু করার মাধ্যমে আপনার ডোনেশনটি সঠিক সময়ে পৌঁছে যাবে তাদের জীবন উন্নয়নে।
11/04/2026
সম্প্রতি অভিযাত্রিক স্কুলের মিরপুর শাখার সায়েন্স ল্যাবের উদ্যোগে আমরা একটি বিজ্ঞান মেলা ও প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলাম। এই বিজ্ঞান মেলায় পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গ্রুপে অংশগ্রহণ করে নিজেদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তা তুলে ধরেছে।
শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে তৈরি করেছে নানা ধরনের প্রজেক্ট যেমন কম্পিউটার মডেল, পানিচক্র, ভ্যাকিউম ক্লিনার, ওয়াটার ফাউন্টেন ও স্পারকিং ফ্যান। তাদের এই প্রদর্শনী অন্যান্য শিক্ষার্থীরা খুব আগ্রহের সঙ্গে দেখে ও বুঝার চেষ্টা করে।
এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞানের পাশাপাশি কল্পনা ও সৃজনশীলতাও কাজে লাগাতে এবং হাতে-কলমে কিছু তৈরি করার সুযোগ দিয়েছে।