16/01/2026
SSC 2026
The HSC Biology page is informative for SSC & HSC-level science students in Bangladesh.
16/01/2026
SSC 2026
03/01/2026
রক্তের গতিপথসহ হৃৎপিণ্ডের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র
জীববিজ্ঞানের তথ্য-সংগ্রহ
মানুষের হৃৎপিণ্ডের কপাটিকাসমূহ♥️
হৃৎপিণ্ডের বাম অ্যাট্রিও ভেন্ট্রিকুলার কপাটিকার ২টি কাপ থাকে।
ইউস্টেশিয়ান কপাটিকা ডান অ্যাট্রিয়াম থেকে ইনফিরিয়র ভেনাক্যাভাতে রক্ত প্রবাহে বাধা দেয়।
সেমিলুনার কপাটিকা ভেন্ট্রিকল থেকে পালমোনারি ধমনি এবং অ্যাওটাতে রক্ত পরিচালিত করে।
মানবদেহে হৃৎপিণ্ডের ডান অ্যাট্রিয়াম ও ডান ভেন্ট্রিকলের সংযোগকারী ছিদ্রে ট্রাইকাসপিড কপাটিকা থাকে।
মানবদেহে হৃৎপিণ্ডের ডান অ্যাট্রিয়াম ও ডান ভেন্ট্রিকলের সংযোগকারী ছিদ্রে ট্রাইকাসপিড কপাটিকা থাকে।
মানবদেহের হৃৎপিণ্ডের বাম অলিন্দ ও নিলয়ের মাঝে বাইকাসপিড কপাটিকা থাকে।
সাইনো অ্যাট্রিয়াল নোড (SAN) ট্রাইকাসপিড কপাটিকার পেছনে থাকে।
অ্যাট্রিয়ামের চেয়ে ভেন্ট্রিকলের প্রাচীর পুরু ও পেশিবহুল হয়।
আচরণ ও বংশগতির মধ্যে সম্পর্ক (Relationship between Behavior and Heredity)
🧩🧩🧩🧩🧩🧩🧩🧩🧩🧩🧩🧩🧩🧩🧩
Sir Francis Galton (১৮২২-১৯১১) সর্বপ্রথম বংশগতির সাথে প্রাণীর আচরণের সম্পর্ক সম্বন্ধে আলোচনা করেন। তখন থেকে প্রাণীর আচরণে বংশগতি ও পরিবেশের প্রভাব কার বেশি ভূমিকা রয়েছে তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। তবে বর্তমানে বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে একমত যে প্রাণীর আচরণে উভয়েরই ভূমিকা মিথোস্ক্রিয়ামূলক ও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
স্পষ্টতই জিন উল্লেখযোগ্যভাবে প্রাণীর আচরণকে প্রভাবিত করে। বংশগতির মাধ্যমে পিতা-মাতার জিন সন্তান সন্ততিতে সঞ্চারিত হয়। ফলে, বিভিন্ন আচরণ নিয়ন্ত্রণকারী জিন অপত্য বংশধরে সঞ্চারিত হয়ে পূর্ব নির্ধারিতভাবে সংরক্ষিত থাকে। তাই প্রাণী নিজ প্রজাতির অন্য সদস্যকে না দেখে বা কারো কাছ থেকে না শিখেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসব আচরণ প্রদর্শন করতে পারে। প্রাণীর জিন নির্ধারিত এরূপ আচরণ নির্ধারিত ক্রিয়াধারা বা FAP (Fixed Action Pattern) নামে পরিচিত।
আমেরিকান বিজ্ঞানী Robert Polomin (২০১২) জিন ও আচরণের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজতে গিয়ে একটি পরীক্ষা করেন। এ পরীক্ষায় তিনি দুটি প্রজাতির মৌমাছির মধ্যে প্রজনন ঘটান এবং সংকর (hybrid) মৌমাছি তৈরি করেন। প্রথম প্রজাতির মৌমাছিরা সুনির্দিষ্ট দুটো কাজ করে থাকে। এগুলো হলো- মৌ-কলোনির মৃত সদস্যবিশিষ্ট প্রকোষ্ঠের ঢাকনা খোলা এবং মৃত সদস্যকে বাইরে ফেলে দিয়ে কলোনি রোগমুক্ত ও পরিষ্কার রাখা। পক্ষান্তরে, দ্বিতীয় প্রজাতির মৌমাছিদের এরূপ কোনো দক্ষতাই নেই। Polomin যখন এ দু'প্রজাতির মধ্যে ক্রস করে সংকর সদস্যদের পেলেন তখন দেখা গেল সংকর সদস্যদের কেউ কেউ মৃত কুঠুরির কেবল ঢাকনা খোলে কিন্তু মৃতদেহ পরিষ্কার করেন না। আবার অন্য সদস্যরা ঢাকনা খোলে না কিন্তু খোলা প্রকোষ্ঠের মৃত দেহকে ফেলে দেয়। এ পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন যে, আচরণের সাথে বংশগতির সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এটা প্রমাণ করা হয়েছে যে, প্রথম প্রজাতির মৌমাছিতে ঢাকনা খোলা ও মৃতদেহ পরিষ্কার করার দুটি আলাদা আলাদা কার্যকরী প্রকট জিন ছিল যা দ্বিতীয় প্রজাতিতে অনুপস্থিত। সংকরায়নের ফলে জিনগুলো আলাদা হয়ে যাওয়াতে দুটি ভিন্ন আচরণগত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন দু'ধরনের সদস্য সৃষ্টি হয়েছে।
প্রাণীর জিন নিয়ন্ত্রিত আচরণের মধ্যে প্রণয়, মিলন, সঙ্গী নির্বাচন, অপত্য লালন, খাদ্য খোঁজা ও মজুদ করা, আশ্রয়ের সন্ধান, বাসা তৈরি, নানা রকমের আবেগের প্রকাশ (হাসা, কাঁদা, ঝগড়া), পরিমান, অভিযোজন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এসব আচরণ করার জন্য তার কোনো ধরনের দেখার বা শেখার দরকার পড়ে না।
✌️মানুষের রক্ত সংবহনকে দ্বিবর্তনী সংবহন বলা হয় কেন?
👉 মানুষের হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা ও কৈশিক জালিকার মাধ্যমে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালন ঘটায়। এসব বাহিকাসমূহের সহায়তায় হৃৎপিন্ডের মধ্য দিয়ে দুটি বর্তনী বা চক্রের মাধ্যমে রক্ত প্রবাহিত হয়। এর একটি হলো সিস্টেমিক সংবহন এবং অপরটি হলো পালমোনারি সংবহন। এই কারণে মানুষের রক্ত সংবহনকে দ্বিবর্তনী সংবহন বলা হয়।
✌️এক্সিস কোন অঞ্চলের কশেরুকা?
এক্সিস (Axis) হলো গ্রীবাদেশীয় অঞ্চলের কশেরুকা, যা মেরুদণ্ডের প্রথম (C1) কশেরুকা 'অ্যাটলাস'-এর ঠিক নিচে অবস্থিত এবং এটিই মানুষের ঘাড়ের দ্বিতীয় কশেরুকা (C2)। এই কশেরুকাটি অ্যাটলাস কশেরুকার সাথে যুক্ত হয়ে মাথাকে ডানে-বামে ঘোরানোর কাজে সহায়তা করে।
অঞ্চল: গ্রীবাদেশীয় (Cervical)
ক্রম: দ্বিতীয় কশেরুকা (C2)
কাজ: মাথা ঘোরানো এবং অ্যাটলাস কশেরুকাকে সমর্থন করা
টিউমার ছড়িয়ে পড়াকে মেটাস্ট্যাসিস বা স্থানান্তরণ বলা হয়।
এই প্রক্রিয়ায় ক্যান্সার কোষগুলো প্রাথমিক টিউমার থেকে রক্ত বা লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের মাধ্যমে শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং নতুন সেকেন্ডারি টিউমার তৈরি করে।
মেটাস্ট্যাসিস: এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া যেখানে আক্রমণাত্মক বা ক্যান্সারযুক্ত টিউমারের কোষগুলি প্রাথমিক স্থান থেকে শরীরের দূরবর্তী অংশে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানান্তরণ: এটিও মেটাস্ট্যাসিসের আরেকটি প্রতিশব্দ, যা শরীরের অভ্যন্তরে কোনো রোগ সৃষ্টিকারী এজেন্টের প্রাথমিক উৎপত্তিস্থল থেকে ভিন্ন কোনো অংশে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
ম্যালিগন্যান্ট টিউমার: সাধারণত যে টিউমারগুলো মেটাস্ট্যাসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, সেগুলোকে ম্যালিগন্যান্ট বা ক্যান্সারযুক্ত টিউমার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সৌম্য (benign) টিউমার সাধারণত ছড়ায় না।
দুধের প্রধান প্রোটিন হলো Casein। এটি দুধের মোট প্রোটিনের প্রায় ৮০% গঠন করে। বাকিটা সাধারণত Whey Protein দ্বারা গঠিত। কেসিন একটি সম্পূর্ণ প্রোটিন, এর অর্থ এটিতে আমাদের দেহের কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীরা তাদের বংশের দুধের উপাদান হিসাবে কেসিন তৈরি করে। রেনিনের ক্রিয়াজনিত কারণে পেটে দুধ জমে যায়। রেনিন, কাইমোসিন নামেও পরিচিত, এটি একটি প্রোটিন হজমকারী এনজাইম যা কেসিনোজেনকে অদ্রবণীয় কেসিনে রূপান্তর করে দুধকে দই এ পরিণত করে।
বিটরুট কেন খাবেন? জেনে নিন এর উপকারিতা এবং খাওয়ার সঠিক নিয়ম।
বিটরুট, গাঢ় লাল রঙের এই সুপারফুডটি ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি উচ্চ রক্তচাপ কমানো, হজম উন্নত করা, রক্তস্বল্পতা দূর করা এবং এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর মতো নানা স্বাস্থ্যগত উপকার দেয়। বিটরুট খাওয়া যায় কাঁচা কিংবা রান্না করে। সালাদ, জুস বা স্মুদির মাধ্যমে এটি খাদ্যতালিকায় সহজেই যুক্ত করা যায়।
তবে বিটরুট সবার জন্য উপকারী নয়। যাদের নিম্ন রক্তচাপ, কিডনির পাথর বা অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাদের এটি খাওয়ার আগে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
উচ্চ রক্তচাপ কমানোর সহজ ও কার্যকর উপায়
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন একটি নীরব ঘাতক, যা ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে। তবে কিছু সহজ অভ্যাস ও জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
✅ নিয়মিত ব্যায়াম করুন – প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা, জগিং বা যোগব্যায়াম করুন।
✅ স্বাস্থ্যকর খাবার খান – লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে বেশি করে শাকসবজি ও ফল খান।
✅ ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন – অতিরিক্ত ওজন উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম কারণ।
✅ ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন – এগুলো রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।
✅ স্ট্রেস কমান – মেডিটেশন, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখুন।
✅ পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন – শরীর হাইড্রেটেড থাকলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
আপনার বা আপনার পরিবারের কেউ যদি উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকেন, তাহলে অবশ্যই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ভিডিওটি শেয়ার করুন ও আরও উপকারী তথ্য পেতে আমাদের পেজটি ফলো করুন! 💙👨⚕️