26/05/2026
অনেক অনেক বছর আগের কথা। তখন ছিলেন আল্লাহর প্রিয় নবী ইব্রাহিম (আ.)। তিনি ছিলেন খুব দয়ালু আর আল্লাহভীরু মানুষ। কিন্তু তার একটাই কষ্ট। অনেক বছর পর্যন্ত তার কোনো সন্তান ছিল না।
ভাবুন তো, কেউ যদি অনেকদিন ধরে একটা ফুলের জন্য অপেক্ষা করে। তারপর একদিন হঠাৎ সেই ফুল ফুটে ওঠে, তখন ফুলটা কত প্রিয় লাগে!
ঠিক তেমনি অনেক দোয়া আর অপেক্ষার পর আল্লাহ তাঁকে একটি ছেলে সন্তান ইসমাঈল (আ.) কে দিলেন।
ছোট্ট ইসমাঈল ছিল বাবার চোখের শান্তি। বাবা হাঁটলে সেও হাঁটত। বাবা কাজ করলে সেও পাশে পাশে ঘুরত। যেন ছোট্ট একটা ছায়া।
কোরআনে আল্লাহ বলেন, যখন ইসমাঈল এমন বয়সে পৌঁছাল যে বাবার সাথে চলাফেরা করতে পারে, তখন একদিন ইব্রাহিম (আ.) খুব অদ্ভুত একটা স্বপ্ন দেখলেন।
স্বপ্নে তিনি দেখলেন, তিনি তার সবচেয়ে প্রিয় জিনিস, নিজের ছেলেকে আল্লাহর জন্য কুরবানি করছেন।
নবীদের স্বপ্ন সাধারণ মানুষের মতো না। এটা ছিল আল্লাহর আদেশ।
হায়, একজন বাবার জন্য এটা কত কঠিন ছিল! যে ছেলেকে এতদিন পর পেয়েছেন, যার হাসি শুনে বুক ভরে যায়, যাকে ছাড়া ঘরটা ফাঁকা লাগে তাঁকেই দিতে হবে কুরবানি।
কিন্তু আল্লাহর আদেশ তো সবচেয়ে বড়।
ইব্রাহিম (আ.) অনেক ভাবলেন। তারপর একদিন খুব কোমলভাবে ছেলেকে বললেন,
“হে আমার প্রিয় পুত্র, আমি স্বপ্নে দেখেছি যে তোমাকে কুরবানি করছি। তোমার কী মত?”
ছোট্ট ইসমাঈল (আ.) কী সুন্দর উত্তর দিয়েছিলেন?
তিনি বলেন,“আব্বা, আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে আপনি তাই করুন। ইনশাআল্লাহ, আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের একজন হিসেবে পাবেন।”
আসলে আল্লাহকে যারা সত্যি ভালোবাসে, তারাই আল্লাহর উপর ভরসা করতে শেখে। এমনকি কঠিন সময়েও।
এরপর বাবা আর ছেলে দুজনেই আল্লাহর আদেশ পালন করতে রওনা হলেন।
চারপাশ একদম শান্ত।আকাশটা যেন চুপচাপ তাকিয়ে আছে।পাহাড়গুলোও যেন অপেক্ষা করছে এখন কী হয়!
ইব্রাহিম (আ.) যখন ছেলেকে শুইয়ে দিলেন, তখন একজন বাবার বুকের ভেতর কত ঝড় হচ্ছিল, সেটা শুধু আল্লাহই জানেন।
কিন্তু ঠিক তখনই আল্লাহর রহমত নেমে এলো।
আল্লাহ ডেকে বললেন,“হে ইব্রাহিম, তুমি স্বপ্নকে সত্য করে দেখিয়েছ।”
আর আল্লাহ জান্নাত থেকে একটি দুম্বা পাঠালেন।ইসমাঈল (আ.)-এর বদলে সেই দুম্বাকেই কুরবানি করা হলো।
কারণ আল্লাহ মানুষকে কষ্ট দিতে চাননি।আল্লাহ দেখতে চেয়েছিলেন তাঁর বান্দা তাঁকে কতটা ভালোবাসে।
আর এই জন্যই আমরা কুরবানি করি। শুধু পশু জবাই করার জন্য না। নিজের ভেতরের অহংকার, লোভ আর খারাপ বাসনাগুলোও আল্লাহর জন্য ছেড়ে দেওয়ার শিক্ষা নেওয়ার জন্য।
আপনার সন্তানকে নিয়ে আজই বসুন। শোনান আমাদের পূর্বপুরুষদের ত্যাগ ও গৌরবের এই চমৎকার কাহিনিগুলো।
🌻"ইসলাহ প্রি স্কুলে" আমাদের বাচ্চারা এই শিক্ষনীয় কাহিনি গুলো শুনে শুনে বেড়ে ওঠে।
এখানে শুধু পড়াশোনা না, বাচ্চারা পাচ্ছে দ্বীনি সোহবত। শিখছে আল্লাহকে ভালোবাসতে, মা-বাবাকে সম্মান করতে, সত্য কথা বলতে, দোয়া করতে।
কারণ আমরা বিশ্বাস করি, ছোটবেলায় যে হৃদয়ে ঈমানের আলো জ্বলে ওঠে, সেই আলো বড় হয়েও মানুষকে সুন্দর রাখে।
📍 স্থান: Islaah- إصلاح
বাড়ি: ৩৯, রোড ১, সেক্টর ২, ব্লক এফ, আফতাবনগর, ঢাকা।
25/05/2026
কোরবানির ঈদে বাচ্চাদের কোন বিষয়টা শেখানো সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করেন?
24/05/2026
আগামীকাল বিকাল ৩.৩০টায় আমাদের বুক রিডিং সেশন আছে আপুরা।
23/05/2026
"ইসলাহ" তে কি কি হয়??
আসুন দেখি, কি কি হয়!👀
এখানে ছোট্ট বাচ্চারা খেলতে খেলতে ইসলাম শিখে...
কেউ গল্পে গল্পে কুরআন ও সিরাহ পড়ে...
শিশু থেকে বয়স্করা শুদ্ধ তাজবীদে কুরআন শিখে...
এখানে মায়েরা আসেন মানসিক প্রশান্তির খোঁজে....
কেউ নেন ইসলামিক প্যারেন্টিং গাইডলাইন...
কেউ নেন দ্বীনি ডাক্তার ও সাইকোলজিস্টের পরামর্শ...
কেউ বাচ্চাদের স্ট্রং করতে শেখান সেল্ফ ডিফেন্স...
কেউ সুন্নাহসম্মত হিজামা নেন...
কেউ আবার বুক রিডিং সেশনে বসে নতুন করে নিজেকে গড়ে তোলেন....
এখানেই শেষ নয়‼️
বাচ্চাদের জন্য আছে ইসলামিক প্রিস্কুল, খেলাধুলার সুন্দর পরিবেশ, আর নিরাপদ সেইফ প্লেসমেন্ট সুবিধাও।
এক কথায়,
ইসলাহ শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়।
এটি পরিবার, প্রশান্তি আর সুন্দর পরিবর্তনের একটি ছোট্ট ঠিকানা। 🤍
☎️ 01622655189
📍 Islaah - إصلاح
বাড়ি: ৩৯, রোড: ০১, সেক্টর: ০২, ব্লক: এফ, আফতাবনগর, ঢাকা।
22/05/2026
সবার একটা করে বাড়ি‼️
হ্যাঁ ঠিকই শুনসেন। আজ সারাদিন অনেকগুলো বাড়ি বানিয়েছে ইসলাহ প্রি স্কুলের খুদে স্টুডেন্টরা।
শেপ চিনে চিনে নিজেদের একটা করে বাড়ি বানিয়েছে, সাথে করেছে চমৎকার পেইন্টিংও। সাথে একেঁছে মেঘ, কেউ একেঁছে গাছ। আবার নিজের মতো করে পুরো বাড়িটাকেই রঙিন করে ফেলেছে।
আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এগুলো ওরা নিজেরাই গ্লু লাগিয়ে এটাচ করেছে। ছোট ছোট হাত দিয়ে shape জোড়া লাগিয়ে যখন নিজের বাড়িটা বানাচ্ছিল, তখন ওদের excitement ছিল দেখার মতো!!
খেলতে খেলতেই ওরা বুঝে ফেলেছে কোনটা triangle, কোনটা square। আবার দুইটা shape একসাথে মিলিয়ে বানিয়েছে নিজের ছোট্ট বাড়ি, আলহামদুলিল্লাহ!
একটা ছোট্ট বাড়ি বানাতে যেমন আলাদা আলাদা shape লাগে, ঠিক তেমনি বাচ্চাদের ছোট ছোট শেখাগুলো মিলিয়েই ধীরে ধীরে তৈরি হয় সুন্দর একটা learning।
মা শা আল্লাহ।
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ!
21/05/2026
একটু রিল্যাক্স করে বই পড়তে কে কে পছন্দ করেন আপুরা?
20/05/2026
হাজারো বছর আগের কথা। তখন পৃথিবীতে আজকের মতো এত শহর, এত মানুষ ছিল না। দূরে দূরে মরুভূমি, পাহাড় আর নির্জন জায়গা ছিল ভরা।
আল্লাহর একজন প্রিয় নবী ছিলেন হযরত ইব্রাহিম (আ)। তিনি ছিলেন খুব দয়ালু, শান্ত আর আল্লাহর অনুগত বান্দা। কিন্তু তার জীবনে একটা কষ্ট ছিল। অনেক বছর পর্যন্ত তার কোনো সন্তান ছিল না। তিনি আল্লাহর কাছে কাঁদতে কাঁদতে দোয়া করতেন,
“হে আল্লাহ, আমাকে একটি নেক সন্তান দান করুন।”
অবশেষে আল্লাহ তাকে একটি সুন্দর ছেলে সন্তান দিলেন। সেই ছোট্ট শিশুটির নাম ছিল ইসমাঈল (আ)। ইব্রাহিম (আ.) ছেলেকে এত ভালোবাসতেন যে, তাঁকে কোলে নিলেই মুখে হাসি ফুটে উঠত।
আর ইসমাঈল (আ.) এর মা হযরত হাজেরা (আ) ছিলেন খুব ধৈর্যশীলা একজন নারী। তিনি তার ছোট্ট ছেলেকে বুকের সাথে জড়িয়ে রাখতেন সবসময়।
একদিন আল্লাহর পক্ষ থেকে আসলো এক কঠিন আদেশ।
আর তা হলো স্ত্রী হাজেরা (আ) আর ছোট্ট ইসমাঈল (আ) কে রেখে আসতে হবে দূরের এক নির্জন উপত্যকায়।
ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহকে খুব ভালোবাসতেন। তাই মন ভেঙে গেলেও তিনি তাই করলেন যা আল্লাহ আদেশ করেছেন।
তিনি হাজেরা (আ.) আর ছোট্ট ইসমাঈলকে নিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিলেন। চারদিকে শুধু মরুভূমি, গরম বালি, কোনো গাছ নেই, পানি নেই, মানুষও নেই।
সেই জায়গাটিই ছিল আজকের মক্কা।
হাজেরা (আ.) অবাক হয়ে চারদিকে তাকালেন।
“এখানে?”, তিনি ধীরে জিজ্ঞেস করলেন।
ইব্রাহিম (আ.) ছিলেন খুব চুপচাপ।
তিনি অল্প কিছু খাবার আর পানি রেখে ফিরে যেতে লাগলেন। হাজেরা (আ.) পিছন থেকে ডাকলেন,
“আপনি কি আমাদের এই নির্জন জায়গায় একা রেখে চলে যাচ্ছেন?”
ইব্রাহিম (আ.) চুপ।
আবার ডাকলেন, “এটা কি আল্লাহর আদেশ?”
এবার ইব্রাহিম (আ.) ধীরে মাথা নেড়ে বললেন, “হ্যাঁ।”
তখন হাজেরা (আ.) এর মুখে ভয় থাকলেও হৃদয়ে ভরসা ছিল। তিনি মৃদু হেসে বললেন, “তাহলে আল্লাহ অবশ্যই আমাদের জন্য যথেষ্ট।"
ইব্রাহিম (আ.) দূরে চলে যাচ্ছিলেন। বারবার পিছনে তাকাচ্ছিলেন। নিজের প্রিয় সন্তান আর স্ত্রীকে এভাবে রেখে যাওয়া তার জন্য খুব কষ্টের ছিল।
একসময় তিনি পাহাড়ের আড়ালে চলে গেলেন। তখন তিনি দুই হাত তুলে দোয়া করলেন,
“হে আল্লাহ, আমি আমার পরিবারকে আপনার কাছে রেখে এলাম। আপনি তাদের হেফাজতকারি।”
এরপর শুরু হলো এক নতুন ইতিহাস।
সেই নির্জন মরুভূমিতেই মানুষ আসতে লাগল পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে। পরে তৈরি হলো পবিত্র মসজিদ আল হারাম। আর ছোট্ট ইসমাইল (আ.) এর পরিবার থেকেই জন্ম নিলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
আজও যখন মানুষ হজ করতে যায়, তখন তারা হাজেরা (আ.)-এর সেই ধৈর্য, ভরসা আর ত্যাগের কথা মনে করে।
কারণ আল্লাহর উপর ভরসা করলে কখনো কেউ একা হয়ে যায় না।
উনার এই ত্যাগের কথা কি শুনিয়েছেন আপনার ছোট্ট সন্তানকে?
"Islaah" তে এ মায়েদের জন্য রয়েছে সুন্দর একটি ইসলামি বইয়ের পাঠাগার, যেখানে মা ও শিশুদের জন্য এমন অনেক নবীদের গল্প, ইসলামি গল্প ও উপকারী বই পড়ার সুযোগ আছে, আলহামদুলিল্লাহ। যেখানে আপনি হবেন জ্ঞান সমৃদ্ধ আর আপনার সন্তান বেড়ে উঠবে ঈমান, আদব আর ভালোবাসার শিক্ষা নিয়ে।
📍 স্থান: Islaah- إصلاح
বাড়ি: ৩৯, রোড ১, সেক্টর ২, ব্লক এফ, আফতাবনগর, ঢাকা।
19/05/2026
আজকের ফ্রি ওয়েবিনারে জয়েন করছেন তো আপুরা?
18/05/2026
দিন দিন পৃথিবীর অবস্থা যেভাবে বদলাচ্ছে, মুসলিমদের উপর যেভাবে চাপ, ভয় আর অনিরাপত্তা বাড়ছে… এগুলো সত্যিই চিন্তার বিষয়!!
হয়তো আমরা প্রতিদিন নিজের জীবনে ব্যস্ত থাকি, কিন্তু চারপাশের ঘটনাগুলো একটা জিনিস বারবার মনে করিয়ে দেয় আমাদের সন্তানদের শুধু পড়াশোনা শেখালেই হবে না, তাদের মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবেও শক্ত করে গড়ে তুলতে হবে।
অনেক সময় আমরা ভাবি সেল্ফ ডিফেন্স মানেই শুধু মারামারি শেখা। আসলে বিষয়টা তা না।
একটা বাচ্চা যেন বিপদ বুঝতে পারে, ভয় পেলে কীভাবে নিজেকে সামলাবে সেটা জানে, আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলতে পারে এগুলোও খুব জরুরি।
এই চিন্তা থেকেই ইসলাহ’র Self Defense Program।
এখানে বাচ্চাদের বয়স অনুযায়ী এমনভাবে শেখানো হয় যেন তারা নিজের নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন হয়, আত্মবিশ্বাসী হয় এবং প্রয়োজনে নিজেকে প্রটেক্ট করতে পারে।
আমরা চাই আমাদের সন্তানরা দ্বীন শিখুক, আদব শিখুক, নরম হৃদয়ের মানুষ হোক।
কিন্তু পাশাপাশি এটাও চাই, তারা যেন দুর্বল না হয়ে বড় হয়।
সময়টা এখন এমন, সচেতনতা আর প্রস্তুতি দুটোই দরকার।
আপনার সন্তানকেও আজই যুক্ত করুন ইসলাহ’র "Self Defense Program" এ।
শুধু শেখার জন্য না, বরং আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন একজন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য।
17/05/2026
রিসেন্টলি স্কুলে ক্লাস চলাকালীন একটা বাচ্চা খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ গলায় আটকে যায়, শেষ পর্যন্ত তাকে আর বাঁচানো যায়নি। স্বভাবতই একজন মা হিসেবে এমন ঘটনা শুনলেই কলিজায় মোচড় দিয়ে উঠে। সবার আগে নিজের নাড়ি ছেড়া ধনের মুখটা ভেসে উঠে।
এই জায়গা থেকেই কথা আসে "ইসলাহ প্রি স্কুল" এর পরিবেশ নিয়ে। এখানে আমরা সবসময় চেষ্টা করি, একটা বাচ্চা শুধু শেখার মধ্যে না, বরং নিরাপদ, দেখভাল করা আর শান্ত একটা পরিবেশে যেন থাকে।
অভিভাবকদের একটা বড় টেনশন থাকে “আমার বাচ্চাটা স্কুলে ঠিকমতো খাচ্ছে তো?”, “কেউ দেখছে তো?”এই চিন্তাগুলো আমরা খুব ভালোভাবে বুঝি। তাই আমাদের চেষ্টা থাকে শুধু শিক্ষা না, একটা মানসিক স্বস্তির পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে মা-বাবা অন্তত এই জায়গাটায় নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।
খাবার সময়টা এখানে শুধু “টিফিন টাইম” না। শিক্ষিকারা খুব স্বাভাবিকভাবেই পাশে থাকেন কে কীভাবে খাচ্ছে, কোথাও কোনো অসুবিধা হচ্ছে কিনা, ছোট ছোট বিষয়গুলোও খেয়াল রাখা হয়। কারণ আমরা জানি, এই বয়সে বাচ্চারা অনেক কিছুই শিখছে, আবার অনেক সময় অসতর্কও থাকে।
"ইসলাহ"তে আমরা বিশ্বাস করি, একজন শিক্ষিকার দায়িত্ব শুধু পড়ানো না বরং আমাদের আদরের সন্তানদের নিরাপদভাবে বড় হতে সাহায্য করাও।
এই কারণেই প্রতিদিনের ক্লাসরুম, টিফিন টাইম, খেলার সময় সবকিছুতেই একটা সচেতন, আন্তরিক এবং যত্নশীল পরিবেশ রাখার চেষ্টা করা হয় ইন শা আল্লাহ।
কারণ শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই চাই আমাদের বাচ্চারা শুধু ভালোভাবে শিখুক না, নিরাপদেও থাকুক।
আল্লাহ সকল বাচ্চাদের হিফাজত করুক। আমীন।
📍 স্থান: Islaah- إصلاح
বাড়ি: ৩৯, রোড ১, সেক্টর ২, ব্লক এফ, আফতাবনগর, ঢাকা।
17/05/2026
চলে আসুন ইসলাহতে। আমরা আছি আপনার প্রয়োজনে আপনার পাশে।