20/09/2026
ছোটবেলায় আম্মা আমাদের ৪ ভাইকে শলার ঝাড়ু দিয়ে পিডাইতো।
যদি কোনো ভাবে শুনতো যে বাইরে কারো সাথে কথা কাটাকাটি হইছে বা ঝগড়া হইছে দোষ মোটেও আমাদের ছিল না, তারপরও আরো ইচ্ছা মতো পিডাইছে এই বলে যে তুই ঐখানে ছিলি কেনো, তোর নামটা আসলো কেনো?
আর কোনো শিক্ষক আমাদের পিডাইছে এইটা শুনলে, বাসায় আরেক দফা চোখ রাঙ্গানি বা পিডানি চলতো এই বলে যে শিক্ষক তোরে পিডাইলো কেনো, পিডানোর মতো কাজ করছিস ক্যান?
বাচ্চা কালে ভুল করে যদি কারো খাতা-কলম বাসায় নিয়ে আসছি (আম্মা কলমের রং মাথায় রাখতো, নিজেরটা অনেক সময় হারায় গেলে, যেটা অবশিষ্ট পেতাম সেটা নিয়ে চলে আসতাম)
কার কলম নিয়ে আসছিস বলেই, মাইর শুরু।
এই শাসনের কারণে আমরা ৪ ভাইয়ের কেউই বখাটে হই নাই, বন্ধু সিলেকশানে আমরা অনেক সর্তক এবং এতটুকু গ্যারান্টি দিতে পারি Honesty, Commitment রক্ষা করা, অন্যকে না ঠকানো, ভাইদের মধ্যে Unity এগুলার কোনো ঘাটতি নাই।
এখন বাবা মা শাসন করা তো দূরের কথা, একটু ধমক দিলেই নাকি বাচ্চা ট্রমার মধ্যে চলে যায়। আর শিক্ষকের শাসন তো দূরের কথা।
সন্তান কোথায় যায়, কার সাথে মিশে, কি করে এগুলা নিয়েও বাবা মা তেমন কিছু বলে না/বলতে পারে না/ সন্তানরাও কথা শুনতে চায় না।
কথা শুনতে না চাওয়ার অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি কারণ হলো শুরু থেকে যথেষ্ট শাসনের ঘাটতি থাকা।
শিক্ষক/বড়রা শাসন করতে গেলে বাবা মা রা এখন ত্যাড়ে আসে, এখানেই বাচ্চারা প্রশ্রয় পেয়ে যায়।
আমার কাছে মনে হয়, অতিরিক্ত জেন্টাল প্যারেন্টিংয়ের ধারণা সামনে আমাদের আরো ভোগাইতে পারে।
আমি বলছি না, আগের মতো উরাধুরা পিডানোর কালচার আমাদের ফিরাইতে হবে।
কিন্তু শিক্ষকের হাতে শাসনের ভার, অল্প পরিসরে বেতের আঘাত এগুলা চালু করা উচিত।
Habib Rahman