08/05/2017
ORBIT Professors' Academy
Its an educational organization which helps u to get proper preparation & get full support to get A+ in H.S.C. We are specialised in teaching Sector.
08/05/2017
২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা আজ রোববার জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
নীতিমালা অনুযায়ী, ভর্তির জন্য অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে ৯ মে থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। চলবে ২৬ মে পর্যন্ত।
অনলাইনের জন্য www.xiclassadmission.gov.bd ঠিকানায় এবং টেলিটকে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
অনলাইনের ক্ষেত্রে ১৫০টাকা ফি দিয়ে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে হবে।
আর এসএমএসের মাধ্যমে প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১২০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে।
এরপর একজন শিক্ষার্থী যতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করবে, তার মধ্য থেকে শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজ নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।
কলেজে ভর্তির জন্য প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ৫ জুন। এরপর আরও দুই দফায় আবেদন গ্রহণ করা হবে।
নির্ধারিত সময়ে ভর্তির কাজ শেষ করে ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে।
শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
সসচ ফলপ্রার্থী বন্ধুরা,
আগামী ৯ মে অনলাইনে শুরু হচ্ছে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন। চলবে ৩১ মে পর্যন্ত। প্রথম দফায় ভর্তির জন্য মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ৫ জুন।
আগামী ৪ মে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হবে।
এবার একসঙ্গে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে ভর্তির জন্য পছন্দক্রম দেওয়া যাবে। এর মধ্যে এসএসসির ফল অনুযায়ী একটি কলেজ নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। কলেজ নির্ধারণের পর নির্ধারিত ফি দিয়ে শিক্ষার্থীই ওই কলেজে ভর্তির নিশ্চয়ন দেবেন; যা আগে দিত কলেজ কর্তৃপক্ষ। নিশ্চয়নের সময় ‘মাইগ্রেশন’ দেওয়ারও সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। প্রথমবারে না হলে পরে আবারও দুই দফায় পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করা যাবে। নির্ধারিত সময়ে ভর্তির কাজ শেষে ১ জুলাই ক্লাস শুরু হবে।
সূত্রঃ প্রথম আলো
বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট আসন সংখ্যা :
১) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : ৬,৬৫৫
২) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় : ২৭৬০
৩) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় : ২,০০০
৪) বুয়েট ( BUET ) : ১,০৩০
৪) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় : ৪,৭৭২
৫) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : ১,২০০
৬) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় : ৪,৬৫৩
৭) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় : ৪৪৭০
৮) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় : ১,১১২
৯) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ( SUST ) : ১,৪৪৮
১০) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (BUTEX ) : ৪৭০
১১) হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ১,৯৫০
১২) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় : ১,৬৯৫
১৩) কুয়েট ( KUET ) : ৮৭৫
১৪) রুয়েট ( RUET ) : ৮১৫
১৫) চুয়েট ( CUET ) : ৬৯০
১৬) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় : ১,০১০
১৭) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ১,৪৩০
১৮) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় : ১,৩০০
১৯) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় : ১,১৯০
২০) নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৮৬০
২১) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৭৮৫
২২) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস্ ( BUP ) : ৯১৬
২৩) ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) : ৬০০
২৪) পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৮৪০
২৫) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৬৮০
২৬) শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : ৫০০
২৭) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় : ৮২৫
২৮) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : ৩৭০
২৯) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : ৩০০
৩০) পটুয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৬১০
৩১) রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ১০০
৩২) চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় : ২১০
৩৩) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় : ২৭৫
****মেডিকেল ও ডেন্টাল : ৩,৭৪৪
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় : ৩,২০,৯৫৩
ব্রিটেন, ইংল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য তিনটা নাম দিয়ে একি অর্থ বুঝায় না।
ক: ইংল্যান্ড মানে শুধু ইংল্যান্ড দেশটাকে বোঝায়।
খ: ব্রিটেন মানে: ইংল্যান্ড+ওয়েলস +স্কটল্যান্ড।
গ: যুক্তরাজ্য হলো চারটা স্বায়ত্বশাসিক রাষ্ট্রের সমষ্টি। ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
ঘ: অন্যভাবে বলতে পারি: যুক্তরাজ্য মানে: ব্রিটেন+উত্তর আয়ারল্যান্ড।
।। সংবর্ধনার ফাঁদে ।।
এস.এস.সি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবার পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক জিপিএ ৫ পাওয়া কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবধর্না দেবার হিড়িক পড়ে যায়। যদি ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ কিংবা প্রেরনা দেবার জন্য সংবধর্নার আয়োজন করা হয় তাহলে অবশ্যই সেটি প্রশংসার দাবীদার। তবে কলেজগুলোর সংবধর্না দেবার মাঝে অনেকক্ষেত্রেই লুকিয়ে থাকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য।
এ বিষয়ে গত বছর কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছিলাম। কোন এক কলেজ কৃতি ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে আয়োজন করেছিল বেশ জমকালো সংবধর্না অনুষ্ঠান। ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া হয়েছিল বিভিন্ন ধরনের উপহার সামগ্রী। শর্ত মোতাবেক সংবধর্নায় অংশগ্রহনের পূর্বে মার্কসীট বা নাম-রোল নম্বর জমা দিতে হয়েছিল আয়োজক কতৃপক্ষের কাছে।
যখন সারাদেশে কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন গ্রহন শুরু হয়েছিল তখন ঐ সংবধর্না প্রদানকারী কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের হয়ে অনলাইনে নিজেদের মালিকানাধীন কলেজকে প্রথম পছন্দ নির্বাচন করে আবেদন করে দেয়। কারণ তাদের কাছে ছাত্রছাত্রীদের প্রয়োজনীয় বৃত্তান্ত তো রয়েই গিয়েছিল। আর শিক্ষার্থীরা যখন অনলাইনে আবেদন করতে যায় তখন সেই আবেদন আর গৃহিত হয়নি। নিরুপায় হয়ে ঐ ছাত্রছাত্রীদের পড়তে হয়েছে অপছন্দের কলেজে অত্যধিক টিউশন ফি দিয়ে।
যদি কোন কলেজ কতৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান এধরনের প্রতারনার আশ্রয় নেয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।
বাবুল আক্তার,
এস. পি. ঢাকা মেট্রপলিটন পুলিশ।
আমরা ফেসবুক / মেসেঞ্জার / ভাইভার / হোয়াটস্অ্যাপ / ইমো এসব কেন ব্যবহার করি? মূলত যোগাযোগ করার জন্যই তো? আরও আছে। কিছু অনুভূতি শেয়ার করা, বিভিন্ন তথ্য আদানপ্রদান করা; ছবি গান ফান শেয়ারিং তো আছেই!
কেউ কেউ লেখালেখি করে ফেসবুকে। বাকিরা কী করে? মোটা দাগে বলতে গেলে, যোগাযোগ রক্ষা করে (কিংবা ভাঙ্গেও!); ব্যক্তিগত কিংবা ব্যবসায়িক।
ভাইভার / হোয়াটস্অ্যাপ / ইমো এগুলি ব্যবহার করতে হলে ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বারটাও দিতে হয়। মানে, চাইলেই যেকেউই এগুলির ব্যবহারকারীকে ফোন করতে পারবেন।
এসবে ভিডিও কলও দেয়া যায়। স্মার্ট লোকজন ভিডিওচ্যাটিং করে। প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে।
আপনার আমার যে ছোট ভাইবোন এখনও অনার্সে ওঠেনি, মানে পৃথিবীর চোখে মোটামুটি নোবডি হিসেবে আছে এখনও পর্যন্ত, তারাও এসব ইউজ করতে পারে। করেই তো! মোটামুটি সবাইই করে। করবে না-ই বা কেন? এত্তো মজা! এসবের স্বাদ একবার পেয়ে গেলে আর ছাড়া যায় নাকি?
ওদের সাথে একটু গল্প করে দেখুন তো, ওদের বুদ্ধি বিচার বিবেচনা কতটুকু! ওরা জীবনের তেমন কিচ্ছু বোঝে না। ওদের কাছে বর্তমানটাই সবকিছু। জীবনের আনন্দের সংজ্ঞা ওদের কাছে খুবই স্থূল ও অপরিপক্ব। আমি এটা বাজি ধরে বলতে পারি।
ওরা নাহয় ছোট, কিন্তু আপনি আমি তো আর ছোট না। ওরা জানে না, অনার্সে ভাল একটা জায়গায় পড়াশোনা করতে না পারলে জীবনটার মোড় খুব বাজেভাবে ঘুরে যেতে পারে। জীবনটা যে কতটা কঠিন, এটা বোঝার বয়সই তো ওদের হয়নি এখনও! ওরা ভাবে, ঘোরাঘুরি চ্যাটিং মিটিং ডেটিং ………. এইতো জীবন!
খোঁজ নিয়ে দেখুন, ওদের সরল, বাস্তবতা থেকে দূরেথাকা প্রবল অনুভূতিপ্রবণ মন কত ভুল দর্শন নিয়ে চলছে। একটা দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আগেই খবর নিন। আচ্ছা, দুর্ঘটনা ঘটছে না, এরকমও কিন্তু না। ঘটছেই তো! খবর নিয়ে দেখুন। এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা দুর্ঘটনাকেই ঘটনা হিসেবে নেয়। কিন্তু সত্যি কথা হল, দুর্ঘটনা কোন ঘটনা নয়। দুর্ঘটনা দুর্ঘটনাই। ম্যাট্রিক-ইন্টারের ছেলেমেয়েরা নিজ থেকেই এটা সাধারণত বুঝতে পারে না যে, পৃথিবীতে আসলেই ওর দুই পয়সারও পাত্তা নেই। এ সময়ে ওদের মাথায় কিছু সঞ্চয় করতে না পারলে, একটা কেরানির চাকরি পাওয়াও ভয়াবহ কঠিন হয়ে দেখা দেবে একটা সময়ে গিয়ে। আমি যথাযথ সম্মান রেখেই বলছি, আমার রুমের সামনে যে সিপাহি দাঁড়িয়ে থাকে ও অনার্স-মাস্টার্স পাসকরা। আমাদের অন্যান্য দপ্তরের সিপাহিদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা কোন অংশেই কম নয়। কেরানিদের কথা বাদই দিলাম। আমাদের কেরানি নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন পাবলিক ভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন কিংবা পোস্টগ্রাজুয়েশন করা অনেকেই ফাইট করেন। ওদের কারোরই হয়তো মামা-চাচার জোর নেই, বেসিকেও সমস্যা, তাই চাকরি পেতেও সমস্যা। চাকরির বাজার বড় কঠিন! এখানে কম্পিটিশন আর ভাগ্য, এই দুই হাত ধরাধরি করে চলে। দুটোকেই সমন্বয় করে একটা চাকরি জোটাতে হয়। অন্ধ স্নেহভালোবাসা থেকে নয়, যুক্তি দিয়ে যাচাই করে দেখুন, আপনার আদরের সন্তান আপনার কোন রকমের সাহায্য ছাড়া সম্পূর্ণই নিজের মেধায় একটা কেরানির চাকরি পাওয়ার যোগ্যতাও কি রাখে? চাকরি ব্যবসা একটু কম করুন। ছেলেমেয়ে মানুষ না হলে কি ব্যাংক ব্যালেন্স ধুয়ে পানি খাবেন?
যখন থেকে নতুন সিস্টেম এল, পাবলিক পরীক্ষায় বাজে রেজাল্ট করা কঠিন হয়ে গেল, তখন থেকে স্টুডেন্টদের বেসিকের ১২টা না, ১৪টা বাজা শুরু করল। ওরা শুধু ভালভাবে পাস করে (ভালভাবে পাস করবেই তো! ভালভাবে পাস না করা কি এত্তো সোজা?), ধুমধাম বেয়াদবের মতো কথা বলাকে স্মার্টনেস মনে করে, ছেলেমেয়ে অবাধে ও অবৈধভাবে মেলামেশা করে, ওদের অনেকেরই অ্যাপিয়ারেন্স দেখলে ধরে চড় লাগাতে ইচ্ছে করে। ওদের মাথায় কিচ্ছু নেই। খুব শ্যালো চিন্তাভাবনা করে ওরা বেড়ে উঠছে। ওদের কাছ থেকে দেশ দূরে থাক, ফ্যামিলি তেমন কী আশা করতে পারে? ওরা ওল্ডফ্যাশনড হ্যাকনিড রবীন্দ্রনাথকে না চেনাটাই স্মার্টনেস মনে করে।
ওদের সাথে মন খুলে কথা বলুন, বোঝান, বুঝতে না চাইলে ধরে কষে চড় লাগান; সত্যি লাগান, দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই! ম্যাট্রিক-ইন্টারের একটা স্টুডেন্ট হয় পড়াশোনা করবে, অথবা চড় খাবে। এর মাঝামাঝি আর কিছু নেই। ওরা দামি মোবাইল কিনে দেয়ার জন্য বায়না ধরে, কিনে দিতে না পারলে নানানভাবে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করে। ওর বাবার কাছে জীবনের অর্থ যে, দুপুরের লাঞ্চটা কম টাকায় করে সে বেঁচেযাওয়া টাকা দিয়ে স্যারদের বেতন দেয়া, সেটার খবর রাখার সময় তার কই? ওদের অনেকে ড্রিঙ্কটিঙ্কও করে, সিগারেট ফুঁকে; এমনকি রুম ডেটিংও করে। আপনার সামনে এলে দেখাবে, ভাজা মাছটা উল্টে খেতে জানে না। কিন্তু আসলে হাড়ে হাড়ে বদমায়েশ। বিশ্বাস না হলে, খোঁজখবর নিয়ে দেখুন।
আচ্ছা, ওদের ফেসবুক / মেসেঞ্জার / ভাইভার / হোয়াটস্অ্যাপ / ইমো এসবে কী কাজ? অনার্সে ওঠেনি যে স্টুডেন্ট, ওর একমাত্র কাজই তো হওয়া উচিত পড়াশোনা করা। আমরা তো মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে বড় হয়েছি। খুব গাধা টাইপের স্টুডেন্ট ছিলাম নাতো! দুনিয়ার ইনফরমেশনটেশন একটু কম জানতাম হয়তো! কী দরকার বাপু অতো জেনে? কী এমন লাভ হচ্ছে এই প্রজন্মের ডিজিটাল ছেলেমেয়েদের? যে কোথাও চান্স পায় না, সমাজের চোখে তার আদৌ দাম আছে কোনো? আমি বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারিনি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরম কেনার জন্য বাবার কাছে টাকা চাইলে বাবা বলেছিলেন, “তোকে চিটাগাং ভার্সিটিতেও অ্যাডমিশন টেস্ট দিতে হবে?” আমি লজ্জায় কিছু বলতে পারিনি, মাথা নিচু করে চলে এসেছি। সেদিন থেকে অপমানে আর জেদে ঘুমটুম বাদ দিয়ে পড়াশোনা করেছিলাম। (আমি তখন কোন ভার্সিটি কী, কেমন এর কিছুই জানতাম না। তাই আমার এ কথাটাকে কেউ দয়া করে অন্যভাবে নেবেন না।) চুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় ২য় হওয়ার পরেও বুয়েটে পড়তে না পারার লজ্জায় সে খবর আত্মীয়স্বজন তেমন কাউকে জানাইনি। এখন তো দেখি চুয়েটে ওয়েটিং লিস্টে এলেও ছেলেমেয়েরা সেলিব্রেট করে! আমার তো দেখলেও লজ্জা হয়! এ লজ্জা কিন্তু ওর একার না, এ লজ্জা আমার, আপনার, সবারই। আমরা কেউই এ ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারি না।
ফেসবুক / মেসেঞ্জার / ভাইভার / হোয়াটস্অ্যাপ / ইমো এগুলি যে কী পরিমাণ সময় নষ্ট করে, সেকথা খুব ভেঙে না বললেও চলে। একটা ম্যাট্রিক-ইন্টার লেভেলের স্টুডেন্ট কতটুকু বুদ্ধি মাথায় নিয়ে চলে? ওদেরকে এক্সপ্লইট কিংবা ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করা যে কতটা সহজ, সেটা যে হারামজাদারা এসব বাজে জঘন্য কাজগুলি করে, তারা জানে। ওরা কম বুদ্ধি থাকার কারণে ধরে নেয়, জীবনটা এখানেই! ওরা যখনতখন ছবি ভিডিও ব্যক্তিগত তথ্য যাকেতাকে দিয়ে দেয়, যে সেলফি আর ভিডিওগুলি পাঠায় সেগুলির অনেকগুলিতেই গায়ে কাপড় থাকে না, পরে খুব গোপনে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হয়। আপনি কোনদিনও জানতে পারবেন না। ওরা লজ্জায় কিংবা ভয়ে এসব কথা কাউকে বলে না। আস্তে আস্তে হতাশা, পড়াশোনার আর জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা ওদেরকে গ্রাস করে, এবং একটা সম্ভাবনাময় স্টুডেন্ট এভাবে করে হারিয়ে যায়।
আমি আপনি কি জানি, আমাদের ছোট ভাইবোন কিংবা সন্তানটি বাসা থেকে বের হয়ে আসলে কোথায় যায়? স্কুল, কলেজ, কোচিং, স্যারের বাসায় যাওয়ার নাম করে কোথায় কোথায় সময় কাটায়। কোচিং কিংবা স্যারের বেতনের টাকা মেরে দিয়ে সেটা আমোদফুর্তিতে খরচ করছে নাতো? রাতে আদৌ ঘুমায়, নাকি ফোনে জেগে থাকে? আমি বলি কী, রাতের বেলায় ওর কাছে ফোনটা রাখারই বা কী দরকার? ওদের বয়েসি স্টুডেন্ট এতটা সময় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে দেবে কেন? স্টুডেন্ট বয়সে এত সোশ্যাল হওয়ারই বা কী দরকার? একটু গোয়েন্দাগিরি করুন; দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই! এর দরকার আছে। ওর বন্ধুদের সাথে পরিচিত হোন। ভাল স্টুডেন্টদের সাথে মিশতে না পারলে ভাল স্টুডেন্ট হওয়া যাবে না, এটা মোটামুটি পরীক্ষিত সত্য। রাস্তার ছ্যাঁচড়া বখেযাওয়া লুইচ্চা লাফাঙ্গা টাইপের ছেলেমেয়েদের সাথে মেলামেশা করার নেশা কিংবা চার্ম কিন্তু অপ্রতিরোধ্য। আমি আপনি খেয়াল না রাখলে ওরা ওরকম সঙ্গে মিশবেই। আমার আপনার সময়ে আমরা তো কম্পিউটার আর মোবাইল ফোনই হাতে নিয়েছি অনার্সে ওঠার পর। আমাদের সাথে ওদেরকে মিলালে ভুল হবে। ওদের বাজে কাজে সময় নষ্ট করার উপকরণের অভাব নেই।
একটা সময়ে গিয়ে দেখবেন, আপনার দরিদ্র ড্রাইভার কিংবা পিয়নের সন্তানটা খুব ভাল একটা সরকারি প্রতিষ্ঠানে চান্স পেয়ে বসে আছে, আর আপনার নিজের সন্তান কোথাও চান্স না পেয়ে গর্দভ বেহায়ার মতো আপনার মুখের দিকে চেয়ে আছে। তখন নিজেকে পুরোপুরি ব্যর্থ একজন মানুষ মনে হবে। লজ্জায় মুখ দেখাতে ইচ্ছে করবে না। ওকে দেখলেই প্রচণ্ড রাগে গা জ্বালা করবে। এর দায় কিন্তু ওর একার নয়; আমার, আপনার, সবার।
-সুসান্ত পাল
মাইনাস কে মাইনাস দিয়ে গুন করলে প্লাস হয় কেন?
উত্তর : মাইনাস দিয়ে গুন করলে সেটা ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যায়।তাই যখন দুটি মাইনাস গুন হয় তখন সেটি ১৮০*২=৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে আবার আগের জায়গায় চলে আসে। তাই দুটি মাইনাস গুন করলে প্লাস হয়
গণিতের পরিভাষায় মৌলিক সংখ্যা হল এমন
প্রাকৃতিক সংখ্যা যার কেবলমাত্র দুটো পৃথক উৎপাদক আছে: ১ এবং ঐ সংখ্যাটি নিজে। ১থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা হল ২৫টি।
১ - ১০=৪টি
১০ - ২০=৪টি
২০ - ৩০=২টি
৩০ - ৪০=২টি
৪০ - ৫০=৩টি
৫০ - ৬০=২টি
৬০ - ৭০=২টি
৭০ - ৮০=৩টি
৮০ - ৯০=২টি
৯০ - ১০০=১টি
মৌলিক সংখ্যা গুলো হল: ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১, ৩৭, ৪১, ৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯, ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩, ৭৯, ৮৩, ৮৯, ৯৭।
04/01/2016
রিকটার স্কেল একটা লগারিদমিক (Logarithmic) স্কেল। এই স্কেলে ৬ মোমেন্ট ম্যাগনিটুড (Mw) ভুমিকম্পের চেয়ে ৭ Mw ভূমিকম্প ১০গুণ বেশি শক্তিশালী আর ৮ Mw ভূমিকম্প ১০০গুণ বেশী শক্তিশালী। কাজেই যারা বলছেন নেপালের চেয়ে আজকের ভূমিকম্প মাত্র ১মাত্রা কম শক্তিশালী তারা ভূল করছেন। নেপালের ভূমিকম্প আজকের চেয়ে ১০গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল।
নেপালে ভূমিকম্পের পর এক ইরানী বিজ্ঞানী বলেছিলেন এর চেয়েও ২৪গুণ বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্প আগামীতে আঘাত হানবে, তাতে অনেক বড় সুনামী হবে। উনার ফার্সি ভাষা না বুঝতে পেরে অনেক পত্র-পত্রিকায় সেই খবর ছেপে বলা হচ্ছে- রিকটার স্কেলে ২৪ Mw মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত করবে। মানুষ খামোখাই ঘুমাতে ভয় পাচ্ছেন।
বাস্তবতা হচ্ছে- রিকটার স্কেলের সর্বোচ্য পাঠ হচ্ছে ১০ Mw। যদিও ৯.৫ Mw এর চেয়ে বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্প কেবলমাত্র তাত্ত্বিকভাবেই ঘটা সম্ভব, বাস্তবে এমন কিছু ঘটলে সেটা কেয়ামত হয়ে যাবে, ভূমিকম্প থাকবে না।
এবার আসি ২৪গুণ শক্তিশালী ভূমিকম্প প্রসঙ্গে। Log (২৪) এর মান হচ্ছে- ১.৩৮ প্রায়। নেপালে হওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.৮ Mw। কাজেই ৭.৮ Mw এর চেয়ে ২৪গুণ শক্তিশালী ভূমিকম্পের মাত্রা রিকটার স্কেলে হবে ৭.৮+১.৩৮=৯.১৮ Mw। জেনে আশ্বস্ত হতে পারেন যে, ১৯৬০ সালের ২২ মে চিলির ভালডিভিয়া ভূমিকম্প ছিল এর চেয়েও ২গুণ শক্তিশালী প্রায় ৯.৫ Mw। পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী সেই ভূমিকম্পেও কেয়ামত হয়নি, প্রায় ৬হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্ভর করে এটা কোথায় হচ্ছে তার উপর।
ঢাকা শহরকে এপি-সেন্টার করে একটা ৭ Mw ভূমিকম্পও চিলি বা নেপালের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি করতে পারবে। ভূমিকম্পের পূর্বাভাষ দেয়া যায় কিনা? স্যরি, সঠিকভাবে দিন-ক্ষণ দিয়ে পূর্বাভাষ দেয়া সম্ভব নয়। সিসমোলজিস্টরা কাছাকাছি একটা রেঞ্জ বলতে পারেন মাত্র। তবে মাটির নীচের কিছু সংবেদনশীল প্রাণী ভূমিকম্পের খুব ছোট ছোট ফোরশকও টের পায়, যেটা সিসমোগ্রাফ পর্যন্ত টের পায় না। ২০০৮ সালে চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ৮ Mw মাত্রার ভূমিকম্পের আগের কয়েকদিন এভাবে রাস্তার উপর ব্যাঙ উঠে এসেছিল।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1216
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |