12/03/2026
সংসদ অধিবেশনের শুরুতেই হোলসাম মোমেন্ট!
স্পিকার নাই। ডেপুটি স্পিকার নাই। কেউ পলাতক, কেউ গ্রেপ্তার।
প্রধানমন্ত্রী তাই প্রথম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে মনোনীত করলেন।
বিরোধী দল মেনেও নিলো।
উপনেতা ডা. তাহের বললেন, উনি প্রবীণ নেতা। আমরা খুশি প্রধানমন্ত্রী তাকে মনোনীত করছেন। তবে আমাদের সাথে আগে কথা বলে নিলে আরও ভালো হতো, তখনও আমরা তাকেই মেনে নিতাম।
এরপরেই সেই তাহেরসুলভ বক্তব্য, 'উনার বাড়ি কুমিল্লা, আমার বাড়িও মনে হয় তার বাড়ির আশেপাশে...'
এরপর কেউই আর হাসি ধরে রাখতে পারেন নাই!
#সংসদ
11/03/2026
Diphallia / এক পুরুষে দুই পুরুষাঙ্গ
ছবিটা দেখে বুঝেই ফেলছেন কী নিয়ে কথা বলবো। ছবিটা কয়েকদিন সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘুরাঘুরি হচ্ছে। খুব হাসিঠাট্টাও হচ্ছে, হওয়াটাই স্বাভাবিক, কেন বড়টা কেটে ফেললো এই নিয়ে খুব ট্রল হচ্ছে। কিন্তু ব্যাপারটা মোটেও হাস্যকর নয়, যার সাথে ঘটেছে তার কাছে তো নয়ই। এই কন্ডিশনের জন্য কয়েকবার সার্জারির মধ্যে দিয়ে যাওয়া লাগে। তো শুরু করা যাক এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
Diphallia বা ডিফ্যালিয়া হচ্ছে এমন এক কন্ডিশন যার জন্য পুরুষের শরীরে দু'টো পুরুষাঙ্গের সৃষ্টি হয়। ১৬০৯ সালের দিকে প্রথম এই কন্ডিশন চোখে পড়ার পর দুনিয়ায় এখনো পর্যন্ত এমন ১০০টা কেস রেকর্ড হয়েছে। তার মানে এই ঘটনা অতীব বিরল ঘটনা, প্রতিনিয়ত ঘটার সম্ভাবনা নেই। এই ঘটনার ছবি দিলাম না কারণ একটু বেশিই গ্রাফিক হয়ে যায়। যদি দেখার মতো বুকের পাটা থাকে তবে গুগলে গিয়ে দেখে আসতে পারেন। বহু ছবি আছে।
তো Diphallia কন্ডিশনের ধরন কখনো তিন আবার কখনো দুইরকম ধরা হয়। সত্যি বলতে প্রতিটা কেসই ইউনিক বলা যায়, একেকরকম ব্যাপার থাকে, দেখতেও একেকরকম হয়। কিন্তু একদম বেইজ ধরে নিলে দুইরকম বলা যায়। এক হচ্ছে পার্শিয়াল ডিফ্যালিয়া এবং দুই হচ্ছে ট্রু ডিফ্যালিয়া। পার্শিয়ালে পুরোপুরি দু'টো পেনিস থাকে না, কিন্তু দু'টো ইউরেথ্রা থাকতে পারে, দু'টো আলাদা পেনিসের আগা থাকতে পারে, ইত্যাদি অনেককিছুই হতে পারে। অপরদিকে ট্রু ডিফ্যালিয়াতে পুরোপুরি দু'টো আলাদা সচল পেনিস থাকতে পারে। (সচল না হলেও দু'টো থাকবে)
এখন বলি Diphallia কন্ডিশনটা কেন হাসাহাসি করার মতো কন্ডিশন নয়৷ দু'টো আলাদা পেনিস থাকলেও এর পিছনে বহুত সমস্যা থাকতে পারে, আবার নাও থাকতে পারে। কিন্তু সমস্যা থাকার সম্ভাবনা অন্নেক বেশি। কী কী সমস্যা থাকতে পারে তা ৪-৫টা বলি, তাতেই বুঝে যাওয়া উচিত।
- অস্বাভাবিক হৃদপেশি অর্থাৎ হার্টে সমস্যা
- উভয় পেনিসের মূত্রনালী না থাকার সম্ভাবনা
- টয়লেটের রাস্তা না থাকা (হ্যাঁ, যে রাস্তা ভাবছেন ওটাই)
- অস্বাভাবিক কিডনি বা এক্সট্রা কিডনি থাকা
- কিডনিতে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেওয়া
উপরের সমস্যাগুলো এই কন্ডিশনের সাথে সাথেই থাকে। তাই শুধু যেকোনো একটা কেটে দিলাম তাহলেই হয়ে গেলো এমন ভেবে লাভ নেই।
11/03/2026
হাদি ভাই বলেছিলো- এমপি হতে পারলে বাকি ২৯৯ জন এমপির ঘুম হারাম করে দেবো!
হাদি ভাই সে সুযোগ পায়নাই, হাসনাত আব্দুল্লায় পাইছে।
এখন সে যেভাবে হিসেব নিকেশ করতেছে এভাবে কন্টিনিউ করলে বাকি এমপিদের ঘুম হারাম হতে বাধ্য!
আপকামিং স্লোগান-
আমার ভাগের খেজুর কই, এমপি তুই জবাব দে!!
আরে,,এমপি না খেজুর?
খেজুর, খেজুর!!
news
10/03/2026
মনিকা কবির এই ভবঘুরে পাগলকে মেরেছে। লোকটির নাম বাহার। সে সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রামের বাসিন্দা। পাগল দেখে গ্রামের সবাই 'নেতা' বলে ডাকে।
ভীনদেশী মনিকা কবিরকে যেই সকল ব্র্যান্ড প্রমোট করবে, তাদেরকে ঈদের আগে বয়কট করবেন।
এই ছাপড়িকে বিদেশের মাটিতে কেউ পাত্তা দেয়নি দেখে, বাংলাদেশে পড়ে থাকে। পাবলিক নুইসেন্স সৃষ্টি করে। এতদিন যা করেছে তা ইগ্নোর করা যায়, কিন্তু আজকে এই লোকটিকে অকারণে মেরে জঘন্য একটি কাজ করেছে।
সে ক্যামেরা নিয়েই রাস্তাঘাটে বের হয় যাতে উল্টাপাল্টা রেকর্ড করা যায়, পায়ে পাড়া দিয়ে গ্যাঞ্জাম করা যায়।
Again, তাকে যারা স্পন্সর করে। তাদেরকে বয়কট করবেন। প্রশাসনেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, এটারে ডিপোর্ট করেন।
#মনিকাকবির
09/03/2026
রোজার মাসেও নারীরা ঘরের বাইরে কতটা অসহায়, অনিরাপদ! তার একটি সচিত্র এটি!
ফুটওভার ব্রীজ থেকে এই লাল টিশার্ট পড়া লম্পটটির নোংরা আচরণ খেয়াল করেন একজন ব্যক্তি। লম্পটটি তার লিঙ্গ বের করে, বোরকা পড়া নারীটির শরীরের সাথে নোংরামি করতেছে। কিন্তু ভীড়ের কারণে ঐ নারী টের পাননি। একাধিক নারীর পেছনে গিয়ে বারবার নোংরামি করেই যাচ্ছে।
ফুটওভার ব্রীজের ব্যক্তিটি ক্যামেরা অন করেন, প্রমাণ রাখার জন্য এবং নিচে গিয়ে লাল টিশার্ট পড়া ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরেন, একদম লিঙ্গ বের করা অবস্থায়। জানোয়ারটি তারপরেও অস্বীকার যাচ্ছিলো এবং নিজেকে দোকানদার দাবী করে।
ঘটনাটি কোথাকার জানিনা। কিন্তু ভিডিওটি দেখার পর মাথায় রক্ত উঠে গিয়েছে। তাকে ভালোভাবে উত্তম মাধ্যম দিয়ে, পুলিশে দেওয়া হয়নি।
সাতদিন আগেও একই ঘটনা ঘটেছিলো। এক বুড়ো লোক শপিং করতে থাকা নারীদের পেছনে গিয়ে এরকম নোংরামি করছিলো।
তখন একদল কিশোর ভিডিও করে লোকটিকে হাতেনাতে ধরে এবং প্রচুর উত্তম মাধ্যম দেয়। 'বাবা গো' 'মাগো' বলে বুড়ো পালাতে থাকে, সেখান থেকে ধরেও উত্তম মাধ্যম দেওয়া হয়। সেটি ছিলো চোখের শান্তি, প্রাউড ফিল হচ্ছিলো যে, দেশের কিশোরেরা এই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়নি। কিন্তু ঐ বুড়োর স্থান হওয়ার কথা ছিলো জেলখানায়।
কিন্তু এই লাল টিশার্ট পরিহত লোকটির চেহারা দেখেই স্পষ্ট মনে হচ্ছে সে পটেনশিয়াল রেপিস্ট! প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কত নারীকেই সে অসম্মান করেছে কিন্তু বিচার হয়নি।
আমি Dhaka Metropolitan Police - DMP কে অনুরোধ করবো। মাটির নিচ থেকে হলেও এই লোকটিকে খুঁজে বের করে, গ্রেফতার করুন। আপনারা কেউ এই লোকটির পরিচয় জানলে, পুলিশকে সহায়তা করুন।
এই লোকটিকে কঠিন উত্তম মাধ্যম দেওয়া দেখতে না পারলে, জেলের ভেতরে না দেখা পর্যন্ত শান্তি পাবো না।
- অন্তর মাশঊদ
09/03/2026
অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, দাজ্জালের কপালে পরিষ্কারভাবে "কাফের" শব্দটা লেখা থাকা সত্ত্বেও কেন মানুষ দাজ্জালের ফাঁদে পা দিবে? তার একটা ডেমো উত্তর আছে এই ছবিতে।
এই লোক হচ্ছে পিট হেগসেথ। বর্তমানে আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বা যুদ্ধমন্ত্রী। তার নেতৃত্বেই ইরান যুদ্ধ পরিচালিত হচ্ছে। এবং এই লোকের বাহুতে পরিষ্কারভাবে আরবিতে "কাফের" শব্দটা ট্যাট্টু করে লেখা আছে।
তার মানে কি পিট হেগসেথই আসলে দাজ্জাল? অবশ্যই না।
কিন্তু এটা জাস্ট একটা উদাহরণ, সত্যিকার দাজ্জাল যখন আবির্ভূত হবে, তখনও কেন প্রচুর মানুষ তাকে সমর্থন করবে।
পিট হেগসেথের যুদ্ধ সংক্রান্ত প্রায় প্রতিটা বক্তব্য ক্রুসেড সংক্রান্ত। তার একটা বই আছে, যার নাম "দ্য আমেরিকান ক্রুসেড"। সেখানে সে আমেরিকার বর্তমান রাজনীতিকে ক্রুসেড তথা ধর্মীয় যুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করেছে।
তার শরীরে অন্যান্য যেসব ট্যাট্টু আছে, যেমন জেরুজালেম ক্রস এবং Deus Vult, সেগুলোও ক্রুসেডের রেফারেন্স।
সে যখন ইরাকে ছিল এবং পরবর্তীতে যখন যুদ্ধমন্ত্রী হয়েছে তখনও সে একাধিকবার তার অধীনস্থদেরকে বলেছে, এই যুদ্ধগুলোকে সে ক্রুসেড হিসেবেই দেখে এবং সেনাবাহিনীর উচিত সেক্যুলার নীতি-আদর্শ থেকে বেরিয়ে এসে ক্রুসেডের মতোই কোনো ধরনের রুলস অব এনগেজমেন্ট ছাড়াই শত্রুর উপর আক্রমণ করা।
বিভিন্ন সময় জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদ ধ্বংস করে সেখানে থার্ড টেম্পল নির্মাণ করার পক্ষেও কথা বলেছে।
কয়েকদিন আগে নিউজে এসেছে, এই যুদ্ধকেও তার অধীনস্থ কমান্ডাররা ক্রুসেড এবং গডের প্ল্যান হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, যেন এই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অন্তিমকালীন মহাযুদ্ধের সূচনা করে যীশুর পুনরাগমনের প্রেক্ষাপট তৈরি করা যায়।
তো সেই পিট হেগসেথ যখন নিজের বাহুতে "কাফের" ট্যাট্টু করে, তখন সেটা কোনো র্যান্ডম ট্যাট্টু না। সেটা মূলত দাজ্জালেরই একটা রেফারেন্স।
কারণ যেই দাজ্জালকে মুসলমানরা দাজ্জাল তথা ফলস মেসায়াহ বলে বিশ্বাস করে, ইহুদিরা এবং খ্রিস্টানদের একটা অংশ তাকেই ট্রু মেসায়াহ বলে বিশ্বাস করবে।
বর্তমানে যে যুদ্ধটা চলছে, ধর্মীয় অ্যাঙ্গেল বাদ দিয়ে আন্তর্জাতিক রীতিনীতি থেকে দেখলেও এটা অন্যায় এবং অবৈধ একটা যুদ্ধ। তারপরেও ইহুদিরা এই যুদ্ধকে সমর্থন করছে, ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল খ্রিস্টানরা এই যুদ্ধকে সমর্থন করছে।
সংখ্যায় অত্যন্ত কম হলেও কিছু মুসলমানও পিট হেগসেথের নেতৃত্বাধীন এই যুদ্ধকে সমর্থন করছে।
- মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা
#বাংলা
07/03/2026
টকশো'র টাকায় ওয়েস্টিনের হাঁস সেহরি ✌️
07/03/2026
সাভারের আড়ং আউটলেটে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীকে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় সংশোধনের আশ্বাস দিয়েছে আড়ং