As-Sunnah Dawah and Research Institute

As-Sunnah Dawah and Research Institute

Share

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান— যা দাওয়াহ, দীনি শিক্ষা ও গবেষণামূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নে নিয়োজিত।

Photos from As-Sunnah Dawah and Research Institute's post 23/05/2026

অত্যন্ত শৃঙ্খলা ও সুন্দর পরিবেশে আজ থেকে তিন বছর মেয়াদী ‘তাখাসসুস’ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মিড-টার্ম পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রম ও অধ্যয়ন শেষে শিক্ষার্থীরা আজ তাদের প্রথম সেমিস্টারের মিড-টার্ম পরীক্ষার মুখোমুখি। সকল শিক্ষার্থীর জন্য শুভকামনা এবং দোয়া রইল। আল্লাহ তাদের কামিয়াব করুন...

Photos from As-Sunnah Dawah and Research Institute's post 21/05/2026

ইসলামের জ্ঞানতাত্ত্বিক ইতিহাসে ভারতীয় উপমহাদেশের অবদান অনস্বীকার্য। এ অঞ্চলের আকিদা ও চিন্তাধারার ক্রমবিকাশ বুঝতে হলে এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং প্রধান প্রধান ধারাগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি। বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সময় আকিদাগত চিন্তাধারায় যেসব পরিবর্তন ও বিবর্তন এসেছে, তা সঠিকভাবে অনুধাবন করা প্রত্যেক দ্বীনি শিক্ষার্থীর জন্য অপরিহার্য।

সম্প্রতি আস-সুন্নাহ দা’ওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে ‘উপমহাদেশে ইসলামী আকিদা-চর্চার প্রধান স্কুলসমূহ: উৎপত্তি, বিকাশ ও প্রভাব’ শীর্ষক এক বিশেষ সেশনে আলোচনা করেন আলেম ও গবেষক শায়খ মীযান হারুন (হাফিজাহুল্লাহ)।

সেশনটিতে তিনি উপমহাদেশের প্রথিতযশা মনিষী ও বিভিন্ন ধারার আকিদাগত অবস্থান নিয়ে গভীর আলোচনা করেন, বিশেষ করে শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী, মুজাদ্দিদে আলফে সানি এবং দেওবন্দি, সালাফি ও বেরলভি ধারার আকিদাগত অবস্থান ও ঐতিহাসিক বিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সঠিক দ্বীনি জ্ঞান অর্জন এবং বর্তমান সময়ের বিভিন্ন চিন্তাধারাকে সঠিকভাবে অনুধাবনের জন্য এই ধরনের একাডেমিক আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে বলে আমরা আশাবাদী।

19/05/2026

আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাপ্তাহিক বক্তৃতা প্রতিযোগিতা: যেখানে উঠে এসেছে আধুনিক বিশ্ব ও ইসলামের তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক বিশ্লেষণ।

Photos from As-Sunnah Dawah and Research Institute's post 18/05/2026

আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তিন বছর মেয়াদী ‘তাখাসসুস’ প্রোগ্রামে ‘আদর্শ দাঈর বৈশিষ্ট্য’ শীর্ষক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেশনটি পরিচালনা করেন শায়খ আহমাদুল্লাহ, যেখানে তিনি একজন আদর্শ দাঈর গুণাবলি ও বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে আমাদের করণীয়গুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। আমাদের এক শিক্ষার্থীর চমৎকার ক্লাসনোটের আলোকে সেশনের মূল নির্যাস নিচে তুলে ধরা হলো:

বর্তমানে দাওয়াহর কাজে আমরা বেশ কিছু জায়গায় পিছিয়ে পড়ছি। এর অন্যতম কারণ হলো- আমাদের কথায় ইখলাস ও তাকওয়ার বয়ান থাকলেও একান্তে আল্লাহর সাথে গভীর সম্পর্কের ঘাটতি রয়েছে। যুগের ভাষা, মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং আধুনিক উদ্ভাবনী পদ্ধতি না বুঝে কেবল প্রথাগত ভাষায় ও হেকমত ছাড়া হক কথা বলতে যাওয়ায় দাওয়াহ অনেক সময় অকার্যকর হয়ে পড়ে। এছাড়া, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন না করেই প্রভাব বিস্তারের আকাঙ্ক্ষাও আমাদের পিছিয়ে দিচ্ছে।

দাওয়াহ মানে শুধু মাইক ধরা বা মিম্বরে ওঠা নয়; এটি চরিত্রে, কথায় ও জীবনযাপনে ইসলামকে ধারণ করার নাম। একজন দাঈর অন্তর যদি আল্লাহর সাথে যুক্ত না থাকে, তবে তার কথায় হয়তো ভিড় জমবে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

সমাজ পরিবর্তনের আগে প্রতিদিন নিজেকে গড়া অত্যন্ত জরুরি। দ্বীনের বিশাল কাজ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে, আসুন আগে আমরা সেই কাজের উপযুক্ত হয়ে উঠি।

Photos from As-Sunnah Dawah and Research Institute's post 16/05/2026

শিক্ষার্থীদের নিয়মিত এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিসের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল একটি ব্যতিক্রমী ও বুদ্ধিবৃত্তিক পাঠচক্র। এবারের পাঠচক্রে আলোচনার জন্য নির্ধারিত ছিল প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ আল্লামা মুহাম্মদ আসাদের অমর গ্রন্থ ‘সংঘাতের মুখে ইসলাম’ (মূল ইংরেজি নাম: Islam at the Crossroads), যার চমৎকার বাংলা অনুবাদ করেছেন সৈয়দ আবদুল মান্নান।

লেখক পশ্চিমা সভ্যতার জাঁকজমক ও চরম বস্তুবাদের মাঝে বড় হলেও তিনি এর অন্তঃসারশূন্যতা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন কারণ, তিনি গভীরভাবে অনুধাবন করেন যে- অন্যান্য ধর্ম বা দর্শনে আত্মিক ও বস্তুগত জীবনের মাঝে যে সংঘাত রয়েছে, ইসলামে তা নেই। ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা মানুষের দুনিয়াবি চাহিদা ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির মাঝে সবচেয়ে নিখুঁত ভারসাম্য এনে দিয়েছে।

আজকের পাঠচক্রে শিক্ষার্থীরা পশ্চিমা সভ্যতার অন্তঃসারশূন্যতা, ইসলামোফোবিয়ার নেপথ্য কারণ এবং মুসলিম সমাজের অন্ধ অনুকরণের ক্ষতিকর দিক নিয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করেন।
এসকল বুদ্ধিবৃত্তিক সংকট থেকে উত্তরণে তারা ইসলামের ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থা ও রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ আঁকড়ে ধরার অপরিহার্যতা অত্যন্ত সাবলীলভাবে তুলে ধরেন।

আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের বইয়ের অধ্যয়ন ও বিশ্লেষণ আমাদের শিক্ষার্থীদের চিন্তার জগতকে আরও প্রসারিত করবে। এটি তাদেরকে সমকালীন ফিতনা ও আধুনিকতাবাদের চ্যালেঞ্জগুলো সাহসিকতার সাথে মোকাবিলা করার জন্য একজন যোগ্য দাঈ হিসেবে গড়ে তুলবে, ইনশাআল্লাহ।

Photos from As-Sunnah Dawah and Research Institute's post 15/05/2026

'দাওয়াহ ইলাল্লাহ' বা আল্লাহর পথে আহ্বানের মূল উদ্দেশ্যই হলো- ইসলামের সত্য ও শাশ্বত বাণী মানুষের কাছে সুন্দরভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং নিজের বাস্তব জীবনে এর যথাযথ প্রয়োগ করা।

দাওয়াহ শুধু কিছু তাত্ত্বিক আলোচনা বা যুক্তিতর্কের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি হলো চরিত্র, আখলাক এবং উত্তম আদর্শের মাধ্যমে মানুষকে প্রভাবিত করার এক ঐশী মাধ্যম। যে সমাজে সত্যের প্রচার থেমে যায়, সে সমাজ খুব সহজেই বিভ্রান্তি ও অন্ধকারের অতল গহ্বরে হারিয়ে যায়। তাই, দাওয়াহর এই দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা প্রত্যেক সচেতন মুমিনের জন্যই অপরিহার্য।

দাওয়াহর এই মৌলিক ও পদ্ধতিগত বিষয়গুলো নিয়ে আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্য সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘তারবিয়ামূলক দাওয়াহ পরিচিতি’ শীর্ষক এক বিশেষ ক্লাস। সেশনটি অত্যন্ত চমৎকার ও গঠনমূলকভাবে পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সম্মানিত সহকারী অধ্যাপক ড. মোস্তফা মন্জুর।

আমরা বিশ্বাস করি, দ্বীনের এই তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক শিক্ষা আমাদের শিক্ষার্থীদের চিন্তার জগৎকে আরও প্রসারিত করবে। জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত এই তরুণরাই আগামী দিনে সমাজের সর্বস্তরে এক একজন প্রজ্ঞাবান ও আদর্শ দাঈ হিসেবে গড়ে উঠবে, ইনশাআল্লাহ।

14/05/2026

আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী শনি ও রবিবার (১৬ ও ১৭ মে ২০২৬) আমাদের শিক্ষার্থীরা দুটি চমৎকার বইয়ের উপরে পাঠচক্রের আয়োজন করতে যাচ্ছে।

পর্ব ১: সংঘাতের মুখে ইসলাম
বইটিতে মুহাম্মদ আসাদের লেখা আধুনিক বিশ্বে ইসলামের সাথে বিভিন্ন মতাদর্শের সংঘাত এবং এর পেছনের কারণগুলো নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা করবে।

পর্ব ২: মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো
(সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ.)
এই বইয়ে ঐতিহাসিকভাবে মুসলমানদের জ্ঞান, বিজ্ঞান ও নৈতিকতার অবদানে বিশ্ব কতটা সমৃদ্ধ ছিল এবং তাদের পতনের পর বিশ্ব কী হারিয়েছে, এই বিষয়টির ওপর ভিত্তি করে গভীর আলোচনা হবে এই পর্বে।

এই আয়োজনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো- এর আয়োজক কমিটি, সঞ্চালক এবং আলোচক, সকলেই আমাদের শিক্ষার্থী। তারা শুধু বক্তৃতা বা পাঠচক্রের মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং যেকোনো আয়োজনের ব্যবস্থাপনা, প্রচার-প্রচারণা এবং উপস্থাপনার ক্ষেত্রেও নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করছে। প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন টিমের মাঝে এমন সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তারা নিজেদের আরও শাণিত করছে।

আমাদের প্রত্যাশা, এই শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে বক্তৃতা, বিতর্ক, প্যানেল ডিসকাশন, টকশো থেকে শুরু করে সাংবাদিকতাসহ সব ক্ষেত্রেই দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে, ইনশাআল্লাহ।

Photos from As-Sunnah Dawah and Research Institute's post 13/05/2026

সম্প্রতি আমাদের ‘ইন্টেলেকচুয়াল হিস্ট্রি অফ ইসলামিক সিভিলাইজেশন’ কোর্সে শ্রদ্ধেয় খালিদ উস্তাযের ক্লাসে জ্ঞানতত্ত্ব, সভ্যতা ও ধর্মের সংকট নিয়ে এক গভীর তাত্ত্বিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় উঠে আসে, যেকোনো সভ্যতাকে গভীরভাবে বুঝতে হলে সবার আগে তার জ্ঞানতাত্ত্বিক কাঠামো বা এপিস্টেমোলজি বোঝা জরুরি। একটি সভ্যতা 'কী জানে' তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো সে 'কীভাবে এবং কোথা থেকে জানে'। জ্ঞানের উৎস (ওহী, যুক্তি বা অভিজ্ঞতা) এবং সেগুলোর মধ্যকার নির্ভরযোগ্যতার ক্রমবিন্যাসই মূলত একটি সমাজ বা সভ্যতার পুরো চিন্তার ভিত্তি নির্ধারণ করে দেয়।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, আব্বাসি যুগে গ্রিক দর্শন চর্চার সময় মুতাজিলারা ইসলামের ভেতরে থেকে নয়, বরং গ্রেকো-রোমান জ্ঞানতত্ত্বের ছাঁচে ইসলামকে বিচার করতে গিয়ে বিচ্যুত হয়েছিলেন। আধুনিক যুগে এসে এই জ্ঞানতাত্ত্বিক সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। মডার্নিটি বা আধুনিকতা জ্ঞানকে প্রথমে আলাদা আলাদা বিভাগে ভাগ করেছে , এরপর তা অতি-বিশেষায়িত করে শেষমেশ জ্ঞানের সামগ্রিক ঐক্যকেই ভেঙে ফেলেছে (Fragmentation)।

জ্ঞানের এই খণ্ডিত প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় শিকার হয়েছে ধর্ম। ধর্মকে যখন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বা 'Living Truth' (জীবন্ত সত্য) হিসেবে না দেখে নিছক একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট 'বিভাগে' আটকে দেওয়া হয়, তখন তা সমাজ গঠনে আর কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না। তাই বর্তমান বিশ্বের সভ্যতার সংকট কেবল রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক নয়, বরং এর শেকড় লুকিয়ে আছে এই জ্ঞানতাত্ত্বিক সংকটের গভীরে।

Photos from As-Sunnah Dawah and Research Institute's post 12/05/2026

উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিত আধুনিক শিল্পায়ন কি আমাদের পরিবেশ ও জলবায়ুকে ভয়াবহ সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে? এই গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হলো শিক্ষার্থীদের এক বিশেষ বক্তৃতা ও প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম।

এই প্রতিযোগিতামূলক আয়োজনে শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিল্পায়নের নেতিবাচক দিক এবং এর ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট নিয়ে অত্যন্ত যৌক্তিক ও তথ্যবহুল আলোচনা উপস্থাপন করে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় 'ইসলামী নগর ও পরিবেশ পরিকল্পনা'-এর ধারণাগুলোও তারা অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরে।

শিক্ষার্থীদের সাবলীল উপস্থাপনা, ক্ষুরধার যুক্তি এবং পরিবেশ রক্ষায় তাদের গভীর সচেতনতা উপস্থিত সবাইকে দারুণভাবে বিমোহিত করেছে।
দাওয়াহর কাজের পাশাপাশি বৈশ্বিক ও পরিবেশগত সংকটের মতো বিষয়গুলোতে আমাদের শিক্ষার্থীদের এই বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা সত্যিই আশাব্যঞ্জক।

আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের আয়োজন আগামী দিনের দাঈদের আরও যুগোপযোগী, সমাজ-সচেতন ও দায়িত্বশীল হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ।

Photos from As-Sunnah Dawah and Research Institute's post 11/05/2026

যেকোনো আলোচনা বা সেমিনারকে সফল করতে এবং শ্রোতাদের মনোযোগ ধরে রাখতে শুধু সাবলীলভাবে কথা বলাই যথেষ্ট নয়। কথার পাশাপাশি একটি গোছানো ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশন যেকোনো কঠিন বিষয়কে মানুষের কাছে খুব সহজে বোধগম্য করে তোলে।

আগামী দিনের দাঈরা যেন দাওয়াহর ময়দানে এই আধুনিক কৌশলটি ব্যবহার করতে পারেন, সেজন্য আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে ‘পাবলিক স্পিকিং’-এর পাশাপাশি তাদের ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশন বা পাওয়ারপয়েন্টের (MS PowerPoint) কাজও হাতে-কলমে শেখানো হচ্ছে।

এর মূল উদ্দেশ্য হলো- যেকোনো প্রফেশনাল প্ল্যাটফর্মে ইসলামের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার সময় তারা যেন শুধু মৌখিক বয়ানের ওপর নির্ভরশীল না থাকেন। আকর্ষণীয় প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তারা যেন শ্রোতাদের কাছে দ্বীনের বিষয়গুলো আরও সুন্দর, যৌক্তিক ও স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারেন।

আমরা বিশ্বাস করি, কুরআন-সুন্নাহর গভীর জ্ঞানের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির এই দক্ষতা আমাদের শিক্ষার্থীদের দাওয়াহর ময়দানে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী দাঈ হিসেবে গড়ে তুলবে, ইনশাআল্লাহ।

Photos from As-Sunnah Dawah and Research Institute's post 08/05/2026

আমরা প্রায়ই মনে করি, রিসার্চ বা গবেষণা শুধু কোনো একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের চারদেয়াল বা ল্যাবরেটরির ব্যাপার। কিন্তু গবেষণার মূল সংজ্ঞাটা একটু ভাবলেই স্পষ্ট হয়- এটি হলো সত্য বা নতুন জ্ঞানের সন্ধান করার একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া।
প্রশ্ন করা, তথ্য সংগ্রহ করা, বিশ্লেষণ করা এবং সবশেষে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর নামই গবেষণা।

একজন দাঈ, যিনি মানুষের কাছে দ্বীনের শাশ্বত বার্তা পৌঁছে দেন, তাঁর জন্য এই দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি। কারণ দাওয়াহ মানে শুধু কথা বলা নয়, বরং সঠিক কথাটি বলা। একটি সিস্টেমেটিক ও অবজেক্টিভ মানসিকতা ছাড়া নিজের ব্যক্তিগত মতামত আর প্রমাণিত সত্যের মধ্যকার ফারাক ধরা অত্যন্ত কঠিন। তাছাড়া সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলো অনুধাবন করার জন্যও গবেষণার প্রয়োজন। ফলিত গবেষণা বা 'Applied research' যেমন বাস্তব সমস্যার সমাধান খোঁজে, তেমনি একজন দাঈকেও তাঁর কমিউনিটির মানুষের প্রকৃত চিন্তা, সংশয় এবং প্রয়োজনগুলো বুঝতে হয়। আর এটি কোনো নিছক অনুমানের ভিত্তিতে নয়, বরং প্রমাণের ভিত্তিতে হওয়া বাঞ্ছনীয়।

দাওয়াহ যদি হয় হৃদয়ের কাজ, তাহলে 'রিসার্চ মেথডলজি' হলো সেই হৃদয়কে সঠিক পথে পরিচালিত করার বুদ্ধিবৃত্তিক হাতিয়ার। তথ্য যাচাইয়ের অভ্যাস, প্রশ্ন করার সাহস এবং বহুমাত্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবার সক্ষমতা- এগুলোই আজকের দিনের দাঈদের জন্য অপরিহার্য গুণ।

আগামী দিনের দাঈদের মাঝে এমন বুদ্ধিবৃত্তিক ও গবেষণামুখী গুণাবলি গড়ে তুলতে আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের জন্য এ বিষয়গুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘রিসার্চ মেথডলজি’ বিষয়ে একটি বিশেষ সেশনের আয়োজন করা হয়। ক্লাসটি অত্যন্ত চমৎকারভাবে পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোস্তফা মনজুর।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Holding 99, Satarkul Pukurpar, Uttar Badda
Dhaka
1212