19/04/2026
৪ টা লা*শ। কেউ কারো পরিচিত নয়। কিন্তু তাদের মৃত্যুর রহস্য এক! সেই রহস্যটা আসলে তেমন কিছু না; রঙিন দুনিয়ার রঙিন চক্রের মোহে আটকে পড়া মানুষরূপী ফানুস।
সেদিন রমরমায় পহেলা বৈশাখ পালিত হচ্ছে। বাংলা বছরের প্রথম দিন বলে কথা। বৈশাখী মেলা বসেসে অনেক জায়গায়। সেই মেলায় আবার উপচে পড়া ভীড়। এমনকি রাস্তাঘাটেও মানুষের ভীড়ে গাড়ি-ঘোড়া চলতে পারতেছে না। নতুন নতুন পোশাকে হরেক রকম মানুষ ফানুসের দেখা মিলে।
এতসব চাকচিক্যের মাঝে সেদিন মর্গে এল ৬ টা লা*শ। তার মধ্যে ৪ জন আত্ম*হ*ত্যা করেছে হ্যাংগিং(খাঁটি বাংলায় যাকে গলায় ফা*স দেওয়া বলে) এর মাধ্যমে। ৪ জনই মহিলা। তার মধ্যে আবার একজন মহিলার ৩ বছরের সন্তানও রয়েছে। ওই মহিলা প্রথমে নিজের সন্তানকে মে*রে ফেলে, তারপর নিজে আত্ম*হ*ত্যা করে।
এই ৪ জনেররই আত্ম*হ*ত্যার পিছনে কারণ কী ছিল, জানেন?
পোশাক! নতুন পোশাক! পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে তাদের নতুন পোশাক পাওয়ার অধিকার আছে! সেই অধিকার থেকে তাদেরকে বঞ্চিত করা হয়েছে। পহেলা বৈশাখে নতুন সাজে সজ্জিত হওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তাদের ভালোবাসার মানুষ। এসব নিয়ে তাদের মাঝে ঝামেলা হয়। ফলাফল গলায় ফা*স।
মানে সিরিয়াসলি ভাই? কত মানুষ দুমুঠো খাবারের জন্য সকাল সন্ধ্যা লড়াই করতেছে! আর কিছু মানুষ সামান্য আবদার পূরণ না হওয়ার কারণে মৃত্যুর পথ বেছে নেয়; নিজের সন্তানকে পর্যন্ত মে*রে ফেলে।
মৃত্যুই কি আসলে সব সমস্যার সমাধান?
(Copied)
12/04/2026
মা'ফ করব না... ভাইয়ের উদ্দেশ্যে বোন।
যারা বোনের হক মেরে খেয়েছেন। অথবা যারা খাওয়ার ইচ্ছা আছে তারা ছবিটা একবার দয়া করে দেখবেন।
৭৫ বছর বয়সে বড় বোন যখন মৃ'ত্যুশয্যায় তখন তিন ভাই মিলে এসে বোনের কাছে মাফ চেয়েছে। এর আগের দীর্ঘ একুশ বছর তাদের ভেতরে কোন কথা হয়নি। ঝামেলা হয়েছে সম্পত্তি নিয়ে। স্থানীয়ভাবে যতটুকু শোনা গেছে ওই তিন ভাই আসলেই ওই বোনের প্রতি অবিচার করেছে। প্রাপ্য যে সম্পত্তি ছিল সেটা দেয়নি। বোনকে দিতে চেয়েছিল বাড়ির পুকুরের ভেতরে, তাও সেটা ন্যায্য অংশ নয়। এই কারণে বোন রাগ করে কোন সম্পত্তি আর নেয়নি।
বোনের যখন অবস্থা খারাপ তখন তিন ভাই একসাথে মিলে এসে বোনের কাছে মাপ চেয়েছে। বলে রাখা ভালো উনাদের বংশগত এজমার সমস্যা রয়েছে। তাদের পরিবারের সবাই মৃত্যুর আগে এরকম শ্বাসকষ্ট হয়। এখন বোনের যখন এই অবস্থা তিন ভাই মিলে এসে মাফ চেয়েছে বোন অক্সিজেন মাস্ক পরা অবস্থায় কাগজে লিখে দিয়েছে," মাফ করব না।"
এই দুনিয়াতে লেখাটা হয়তোবা তিন শব্দের মনে হতে পারে। সৃষ্টিকর্তার কাছে এই তিন শব্দ তিন দুনিয়ার ওজনের চাইতেও বেশি মনে রাখবেন।
তাই বোনের হক মারবেন না। যেখান দিয়ে যতটুকু পায় তার ন্যায্য হোক তাকে জীবিত থাকতে বুঝিয়ে দেবেন।
-ডাক্তার সাজ্জাদ সিংগাপুর
11/04/2026
ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৭৬ ব্যাচের রূকন,
কার্ডিয়াক এরেস্টে ইন্তেকাল করেছেন।
আল্লাহ তাকে জান্নাতের উঁচু মাকাম দান করূক আমীন
11/04/2026
If you have money, everything is possible: love, happiness, respect.
And if you don't have money, sometimes even the closest person becomes a stranger.
04/04/2026
ফিফথ ইয়ারের বই কিনে আনসিলো। পলিথিন থেকেও বের করা হয়নাই। অথচ মেয়েটা আর নাই। এক রাতের ব্যবধানে নাই।
আমরা কতো ভবিষ্যত পরিকল্পনা বানাই। জীবন নিয়ে আমাদের কতো জল্পনা-কল্পনা। কিন্তু এই মহাজাগতিক উৎসবে আমাদের অস্তিত্ব ধূলিকণার চেয়ে নগণ্য। আমরা মানুষেরা বড় ফ্র্যাজাইল প্রজাতি। টুপ করে ম!রে যাই, ঝরে যাই....
©
04/04/2026
আমাদের দেশে সম্ভব না। কারন স্লাইডের ভাঙ্গা কোনা দেখে এখানে। স্লাইডের ভেতর না।
04/04/2026
সিটি ডেন্টাল কলেজের ২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী ইমন কিছুক্ষণ আগে suspected MI তে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন
04/04/2026
😢 বোতলের মুখ খুলতে গিয়েই ভেঙে গেল বাহুর হাড়!
শুনতে অবাক লাগলেও এটাই বাস্তব।
এই রোগী শুধু বোতলের ঢাকনা খুলতে গিয়েছিলেন, আর তাতেই তার বাহুর হাড় ভেঙে যায়।
সাধারণত এত সামান্য চাপ বা আঘাতে হাড় ভাঙে না।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, অল্প আঘাতে হাড় ভেঙে গেলে তাকে “Pathological Fracture” বলা হয়।
এই রোগীর ক্ষেত্রে সেই ফ্র্যাকচারের মূল কারণ ছিল হাড়ের টিউমার / ক্যানসার, যার ফলে হাড় দুর্বল হয়ে গিয়েছিল এবং সামান্য চাপেই ভেঙে যায়।
⚠️ সতর্ক হোন:
দীর্ঘদিন ধরে হাড়ে ব্যথা, অল্প আঘাতে হাড় ভেঙে যাওয়া, বা অস্বাভাবিক ফোলা থাকলে অবহেলা না করে দ্রুত অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
🦴 Early diagnosis can save life.
~Dr. Sree Ashok Kumar
04/04/2026
যে সাদা এপ্রোনের স্বপ্নে মেডিকেলে ভর্তি,সেই মেডিকেলেই সাদা কাফনে শিক্ষার্থী..
কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেলের এক শিক্ষার্থীর আ*ত্ন*হ*ত্যা …
যখন তার ব্যাচমেটরা ফাইনাল ইয়ারে,
সে তখনো প্রথম বর্ষের এনাটমিতে আটকে…
ব্যাক্তিগত রেশারেশির জন্য একজন শিক্ষিকা তাকে পরিক্ষায় বসার ক্লিয়ারেন্স দেন নি।
একটা মেয়ে…
স্বপ্ন ছিল, পরিবার ছিল, ভবিষ্যৎ ছিল—
কিন্তু বারবার ব্যর্থতা, অপমান, মানসিক চাপ…
শেষ পর্যন্ত তাকে এমন এক সিদ্ধান্তে ঠেলে দিল,
যেখান থেকে আর ফেরা যায় না।
১০৯টা ট্যাবলেট খাওয়ার আগে—
কতবার সে সাহায্য চাইতে চেয়েছিল?
কতবার চুপ করে কেঁদেছিল?
আমরা কি শুনেছি?
নাকি শুধু নম্বর, ক্লিয়ারেন্স আর অহংকার নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম?
একজন শিক্ষক যদি শিক্ষার্থীর ভয় হয়ে যায়,
তাহলে সেই শিক্ষা ব্যবস্থার মানবিকতা কোথায়?
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার এক অন্ধকার অধ্যায় এটি…
সত্যি করে বলুন—
কারো ব্যাচমেট, জুনিয়র বা সিনিয়র—
কেউ কি আ*ত্ম*হ*ত্যা করেনি?
প্রতিটি আ*ত্ম*হ*ত্যার পেছনে থাকে না বলা কষ্ট,
চাপ, অপমান…
আর কখনো কখনো—নির্মম অবহেলা।
একটা লা*শের পর আরেকটা লা*শ—
কিন্তু আমরা এখনো বদলাই না…
প্রতিটি শিক্ষার্থীই একজন মানুষ…
তাদেরও কষ্ট হয়, তারা ভেঙে পড়ে—
তাদেরও দরকার সহানুভূতি।
আজ না বদলালে,
আগামীকাল হয়তো আরেকটা নাম যোগ হবে এই তালিকায়…
আর সেটা হবে আপনার সন্তান, আপনার ভাইবোন...
Please, be kind.
It can save a life.
~Dr.Aminul Islam
02/04/2026
Kacchi Bhai - Taste Of Traditional Kacchi তে আর কেউ কাচ্চি খেতে যাইয়েন না!!!
২০২৪ সালে বেইলি রোডে'র একটা ভবনে আ**গু**ন লাগে মনে আছে? সেখানে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্ট ও ছিলো। সেদিন মোট ৪৬ জন মানুষ দুনিয়া থেকে চলে যায়!
সেইটার তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। সেখানে তদন্ত কর্মকর্তা যা জানিয়েছে, আপনি শুনলে শক খাবেন!!!
সেদিন এতোগুলা মানুষের জীবন চলে যেতো না, শুধুমাত্র কাচ্চি ভাই এর ম্যানেজার এর 'লোভ' এর কারনে এতো গুলা মানুষ এর জীবন চলে গেলো!
সেদিন আ**গু**ন লাগার পরে সবাই বের হতে যাচ্ছিলো, তখন ম্যানেজার চিন্তা করলেন 'সবাই বের হয়ে গেলে তো আমরা আমাদের খাবার এর টাকা পাবো না! এই টাকা আর কেউ দিবেনা!'
সেইজন্য তিনি গেইটে 'তালা' দিয়ে দেন যাতে কেউ বের না হতে পারে!!!
সেদিন আর কেউ বের হতে পারে নাই, ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে জীবন চলে যায় ৪৩ জন মানুষের!
গেইট টা খোলা রাখলে মানুষ গুলা বের হতে পারতো কিন্তু তাদের 'বিল' তারা পাবেনা এইজন্য গেইটে তালা দিয়েছিলো!!
আজকে Prothom Alo তে এটা নিয়ে রিপোর্ট করেছিলো কিন্তু আবার এই রিপোর্ট তারা ডিলিট করে দেয় আশ্চর্যজনক ভাবে! খুব সম্ভবত এখানেও 'টাকার খেলা' চলেছে!
কাচ্চি ভাই এর কাছে মানুষের জীবন এর চেয়ে টাকা বেশি দামি হয়ে গেলো!! এতো গুলা মানুষের প্রাণ চলে গেলো শুধুমাত্র তাদের জন্য!!!
-Umed
02/04/2026
আমি একদিন মা'কে জিজ্ঞেস করলাম আপনার কী খুব বেহেশতে যাওয়ার ইচ্ছা?
মা বললেন, হ্যাঁ।
আমি বললাম, আপনি তো লোভী মহিলা না।বেহেশতের লোভ করছেন কেন?
মা বললেন, বেহেশতে না গেলে তোর বাবার সঙ্গে তো দেখাই হবে না। তোর বাবার সঙ্গে দেখা করার জন্যেই বেহেশতে যেতে চাই।
আমি বললাম, প্রথম দেখাতে তাঁকে কী বলবেন?
বলব, ছয়টা ছেলেমেয়ে আমার ঘাড়ে ফেলে তুমি চলে গিয়েছিলে। আমি দায়িত্ব পালন করেছি। এদের পড়াশোনা করিয়েছি। বিয়ে দিয়েছি। এখন তুমি তোমার দায়িত্ব পালন করবে। বেহেশতে সুন্দর সুন্দর জায়গাগুলি আমাকে দেখাবে। শুধু আমরা দু'জন ঘুরব। তুমি তোমার সঙ্গের হুরগুলিকে বিদায় করো।
মৃত্যু একটি ভয়াবহ ব্যাপার। যখন মা'কে দেখি সেই ভয়াবহ ব্যাপারটির জন্য তিনি আনন্দ নিয়ে অপেক্ষা করছেন, তখন অবাক লাগে।
-হুমায়ুন আহমেদ (হিজিবিজি)