07/08/2025
স্কলারশিপ না পেলেও স্বপ্ন থেমে যাবে না! স্টুডেন্ট লোন আছে তো!
MPOWER Financing আর Prodigy Finance
দুইটা ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠান, যারা স্টুডেন্টদের বিদেশে পড়তে যাওয়ার জন্য লোন দেয়, কোনো কো-সাইনার লাগে না। অফার লেটার পাওয়ার পর তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করলেই হয়, এক সপ্তাহের মধ্যে জানিয়ে দেয় লোন হবে কি না।
এই লোন হাতে তুলে দেয় না, বরং যেদিন আপনি ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস শুরু করেন, ঠিক সেমিস্টার অনুযায়ী আপনার ভার্সিটিকে টাকা পাঠিয়ে দেয়। গ্র্যাজুয়েশনের পর থেকে লোন পরিশোধ শুরু হয়,
সময় দেয় প্রায় বিশ বছর। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে এই লোনের সুদের হার অনেকটা বেশি। তাই যার প্রফাইল আর পরিকল্পনা স্ট্রং, তার জন্যই এটা ভালো হবে।
বাংলাদেশে এই প্রতিষ্ঠানের কোনো অফিস নেই। অফিস আছে আমেরিকা, ইন্ডিয়ায়। কিন্তু বাংলাদেশ থেকেও অনেকে এই লোন নিয়ে আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপে পড়তে গিয়েছে।
আমার এক পরিচিত, সুদিপ্ত, খুবই ট্যালেন্টেড একজন মানুষ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে BBA করে দেশের বসে গ্লোবাল মার্কেটে অনেকদিন কাজ করেছে। পরে Wright State University-তে মার্কেটিং নিয়ে মাস্টার্স করতে যায়। প্রায় ৪০% স্কলারশিপ পেয়েছিল, বাকি টাকার জন্য Prodigy Finance থেকে লোন নেয়।
আরেকজন, শামীম আহমেদ শাকিল ভাই। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসি পড়ে দেশের ফার্মা সেক্টরে প্রায় এক যুগ কাজ করেছেন, ভালো একটা পজিশনেও ছিলেন। তবে UX ডিজাইন নিয়ে আগ্রহ ছিল আগে থেকেই। ওই সেক্টরে কাজও করেছেন। একসময় মনে হলো, এই বিষয়টা নিয়ে যদি ভালো করে পড়াশোনা করতেন তাহলে আরও ভালো হতো। তখন তিনি MPOWER Financing থেকে লোন নিয়ে, স্ত্রী-সন্তানসহ Iowa State University-তে চলে যান। এখন সেখানে Human Computer Interaction নিয়ে মাস্টার্স করছেন।
আমার আরেক পরিচিত ভাই কানাডায় Prodigy Finance থেকে লোন নিয়ে MBA করেছেন। এখন সেখানেই স্থায়ীভাবে আছেন।
সব মিলিয়ে বললে, যাদের প্রোগ্রাম ভালো, ভার্সিটি ভালো, আর ভবিষ্যতের ক্যারিয়ার প্ল্যান ক্লিয়ার তাদের জন্য এই লোন অনেক বড় সহায়তা হতে পারে। বিশেষ করে যারা স্টেম সাবজেক্ট নিয়ে পড়তে চায়, তাদের জন্য মার্কেটে সুযোগ অনেক।
---
&education