23/11/2025
মহব্বতের বিষ করিলে পান, দুরে যায় অহংকার,
আলোকিত হয় সাধনালব্ধ এশকের দাড়।।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from এশক, Education, Dhaka.
23/11/2025
মহব্বতের বিষ করিলে পান, দুরে যায় অহংকার,
আলোকিত হয় সাধনালব্ধ এশকের দাড়।।
04/05/2024
ওহে বে-খবর!!!
দুনিয়া বড়ই স্বার্থপর, দুনিয়ার মহব্বত স্বার্থের অবগাহন মাত্র, দেখ এখানে পাওয়ার মতো কিছুই নেই দুঃখ আর হতাশা ছাড়া, অর্জিত সঞ্চয় আর ফলটুকু সকলেই ভাগিদার, ভোগ বিলাসীতা আর সম্ভোগ ছাড়া এখানে কোন বন্ধন নেই, দুনিয়াবী কালের কলরব বড়ই নির্মমতায় ভরা, বড় আসফোসের নিদারুনতায় গড়া। এখানে সম্পর্কের মিথ্যা বড়াই শুধুই আমিত্বের গোড়ামী, দুনিয়ার বিষয় রাশি বিভিষিকাময় লেলিহান শিখার মতোই প্রজ্জ্বলিত হৃদয় দগ্ধতায় ভরা।।
কর্মের আসল হাকিকত তাই বুঝিতে আর কতই করিবে দেড়ি, আর কত কালই বা এভাবে পড়ে থাকবে দুনিয়াবী মায়ার বেড়ি!!!!!
17/04/2024
সহায় সম্বলহীন ব্যক্তি ফকির নয়, বরং যেই ব্যক্তি পার্থিব লোভ-লালসার প্রতি অনাসক্ত সেই হইলো আসল ফকির।
ফকিরীর আসল সম্পদ বৈরাগ্য অথচ পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন নয়, বরং দুনিয়ার প্রতি অনাসক্ত এবং অমুখাপেক্ষী হওয়া। সর্বাবস্থাই তিনি জাগতিক বিষয়বস্তু হতে অমুখাপেক্ষী হবে।
নিজের রহস্য হেফাজতে রাখা, নিজের নফসের প্রতি লক্ষ্য রাখা এবং তাকে বিপদাপদ থেকে রক্ষা করা ও যথারীতি ফরজ আদায় করা- এগুলিই ফকিরীর মহাত্ম্য।।।
19/12/2023
মাহবুবে এলাহির বন্ধুত্বের পরীক্ষা হয় দুঃখ, কষ্ট, দুর্দশার মাধ্যমে, তারই মাধ্যমে সালেকের ভিতর তৈরী হয় এশক, সেই এশক শত সহস্র কষ্টের পথকে অতিক্রম করতে শেখায় আর সেখান থেকেই জন্ম নেয় মহব্বত। যখন মহব্বত গভীর হয় তখন বন্ধুর দেওয়া কষ্টভারাক্রান্ত অসহ যন্ত্রনার যাতাকলে আবদ্ধ থাকাকে বন্ধুর করুণা ও স্মরণ মনে করে সন্তুষ্ট থাকেন।
তাইতো খাজা নিজামউদ্দিন আউলিয়া (রহঃ) বলেছেন-
"দর এশকে হামা দর দু জাফাহা বাশাদ
ও য়ান্দার রাহে এশকে বালাহা বাশাদ
মরদে হামউস্ত দর রাহে এশক কে উ
পিয়ুস্তা বাইশক দর জাহাফা বাশাদ"
07/07/2022
"প্রত্যেক ধর্মেই এশক অনুমোদিত, কেননা এশক ছাড়া খোদার অপরুপ সৌন্দর্য দর্শন করা যায় না"
---- হুজুর গাউসে পাক।
-এশক বিহীন শত সহস্র ইবাদতের কোন মূল্য মহান প্রভুর কাছে নেই। এশক বিহীন ইবাদতে ঐশীতা অনুভব সম্ভব নয়।।।
09/06/2022
সপ্ত তলা ভেদ করিলে তুমার ভেদের কুটিরে প্রবেশ হয়,
কে বলে সহজ তুমায় প্রাপ্ত পথ আমার প্রাণে হয় প্রলয়।
Kritartho sokoler proti
08/11/2017
এক বার সুনলে লাগে ভয় - শাহ্নাজ বেলী এক বার সুনলে লাগে ভয় - শাহ্নাজ বেলী
05/06/2016
আমরা মানুষ এই দেহ নিয়ে চলাফেরা করি কিন্তু আমরা এই দেহের রহস্য কি খতিয়ে দেখি ? এই স্থূল দেহের মধ্যে সৃষ্টি ও স্রষ্টার সূক্ষ্ম দেহ বর্তমান আছে তা অন্তর দৃষ্টি দিয়ে অবলোকন করা যায় ।
সম্যক গুরুর কাছ থেকে শিক্ষাদীক্ষার আদর্শিক ও ব্যবহারিক অনুশীলনের মাধ্যমে দেহ রহস্য সাধনা দ্বারা মহাশক্তি অন্বেষণ করতে পারা যায় । এই 'মিঠু'র লেখা "ধ্যানে দেহ জগত দর্শন" এর পর্ব ১ হতে পর্ব ২৪ পর্যন্ত দেহ তত্বের ধ্যান ভ্রমনে পাওয়া যাবে কিন্তু পাক পাঞ্জাতনের ভক্তি, প্রেম, ভালবাসা, বিশ্বাস তার পূর্ব শর্ত ।
চুরাশি লক্ষ যোনীদ্বার পার হয়ে আমরা এ মানব দেহ লাভ করেছি, সৃষ্টি জগতে আল্লাহ্ বিকাশের শ্রেষ্ঠতম ক্ষেত্র এই মানব দেহ, বায়ান্ন চন্দ্র ভেদ তত্ব গুপ্ত সুপ্ত অবস্থায় এই দেহের রহস্য । সাধারণ মানুষ এই ভেদ জানার আগ্রহ রাখে না । আধ্যাত্মিক তৃষ্ণার্ত মানুষ গুরুমুখী হলে, গুরু যদি দয়া করেন তাহলে এই ভেদ জানতে পারে । বায়ান্ন তত্বের মধ্যে দেহ পঞ্চভূত ছাড়াও আছে দশ ইন্দ্রিয়, ষড়রিপু বা ছয়টি রিপু -- কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ, মাৎসর্য । এ বড় আজব কারিগরি বিধাতার ।
মেরুদন্ডের গোড়া থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের শীর্ষদেশ পর্যন্ত বিস্তার করে রয়েছে ষটচক্র বা ছয়টি বিশেষ বিশেষ শক্তি কেন্দ্র যেমন --
১. মূলাধার চক্র: গুহামূলে যেখান থেকে মেরুদণ্ড আরম্ভ হয়েছে, এখানে চার দল বিশিষ্ট পদ্মের স্থিতি ।
২. সাধিষ্টান চক্র: লিঙ্গমূলে ছয়দল পদ্মের স্থিতি ।
৩.মনিপুরী চক্র: নাভীমূলে দশদল বিশিষ্ট পদ্মের স্থিতি ।
৪. অনাহুত চক্র: বক্ষমূলে বারোদল বিশিষ্ট পদ্মের স্থিতি ।
৫. বিশুদ্ধ চক্র : কন্ঠমূলে ষোলদল বিশিষ্ট পদ্মের স্থিতি ।
৬. আজ্ঞা চক্র : নাসামূলে উর্ধ্বে দুই ভ্রূর মাঝখানে দুই দল বিশিষ্ট পদ্মের স্থিতি । কোরআনের
ভাষায় "আইন সিন ক্বাফ" শক্তিও বলা হয় । পদ্মফুল তথা কমল দিব্যজ্ঞানের প্রতীক, এর বিকশিত দলগুলো জীবাত্মার আধ্যাত্মিক জ্ঞানের প্রতিফলন ।পদ্ম হতে উদ্ভিজ পঙ্কজের অনাবিল সৌন্দর্যের বৃদ্ধিতে আধ্যাত্মিক বিকাশের নিশ্চয়তা রয়েছে এই সাধনের মহাবিশ্বে ।
এই ছয়চক্রের উপর মস্তিষ্কের মধ্যে কশেরুকাচক্রের সাতটি পদ্ম আছে, এই চক্রের নিষ্ক্রমণ পথেই ধ্যানী সাধক গুরুর মহা বিজ্ঞানময় একাগ্র ধ্যানের মাধ্যমে দেহ কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করে নূরময় মূল সত্বায় ফিরে যান । মস্তিষ্কের স্থির সপ্তম চক্রের "সহস্রদল কমল" হল ব্রহ্ম জ্ঞান বা ব্রহ্মানুভূতির স্থান । সংস্কৃত ভাষায় বলে "বৃহ" ধাতু থেকে উৎপন্ন "ব্রহ্ম" শব্দের অর্থ ব্যাপ্তি, ঈশ্বরের স্রষ্টা রূপ । এ ব্রহ্ম জ্ঞান বা বৃহদ জ্ঞান বা দিব্য জ্ঞান লাভ হলেই সাধক সিদ্ধি প্রাপ্ত হয়ে সম্যক গুরুকে সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা তথা পদ্মজ বা পদ্মযোনি স্বরূপ উপলব্ধি করেন ।
মহত্তম এ গুণ অর্জনের দ্বারা সাধু মহতগণ শুধু গুণবান হননা সরাসরি গুনই হয়ে যান । তাতেই সৃষ্টি চরম-পরম উদ্দেশ্য সার্থক হয়ে ওঠে । এ সাধনার ভিতর দিয়ে ভক্ত সাধক একজন সম্যক গুরুর পর্যায়ে উত্তীর্ণ হন । তিনি ইনসানে কামেল মহাপুরুষ হয়ে আধ্যাত্মিক জগতে বিচরণ করেন ।
কিতাবের নাম- “ধ্যানে দেহ জগত দর্শন ”
----------------------লেখক- সূফী আরিফুল ইসলাম মিঠু (Ariful Islam Mitoo)
21/02/2016
মুর্শিদের শিক্ষা ব্যাতীত সালাত হবে না।
মুর্শিদের প্রেমই আল্লাহর প্রেম।
মুরশিদকে দেখা মানেই আল্লাহকে দেখা।
তাই মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি বলেছেন :---
"দুম্বী ও দুমদা ও দুমখা খাজারা দর খাজায়ে খোদা মহবেদা। "অর্থাৎ পীরকে খোদা হইতে দুই জানিওনা ,দুই দেখিও না ,দুই ভাবিও না।
হকিকতে মুর্শিদ স্বয়ংই মসজিদ ,স্বয়ংই সালাত।
রমি আরো বলেছেন :--
"মসজিদুকো আন্দদদরুনে আওলিয়া আস্ত।
সেজদাগানে জুমলাজা আজা খোদা ওযাস্ত "
অর্থাৎ আউলিয়া গণ মসজিদের ভিতরেই থাকেন।
উহাই আল্লাহ লাভের জন্য সকলের সেজদা করিবার স্থান।
31/12/2015
কোন এশকে তৈরী আদম
কোন এশকে এলো আহাদের দম
কোন এশকে তৈরী বিবি হাওয়া
কোন এশকে হয় গন্ধম খাওয়া
06/09/2015
হৃদয়ের প্রতিটি কথা খোদার কাছে যাচ্ছে দোয়ার বাহক হয়ে,
আকাশের ফেরেস্তারা হৃদয়ের সংবাদ কানপেতে শুনছে,
যেহেতু হৃদয় পবিত্র জগৎ থেকে মাটির দেশে এসেছে,
পরিশেষে সেখানেই ফিরে যাবে যেখানে তার পরিসমাপ্তি....
--------------------হযরত খাজা মঈন উদ্দিন চিশতী (রাঃ)
পার্থিব প্রেম থেকে ঐশী প্রেমে উত্তরনের প্রক্রিয়া হিসেবে তরিকতে চারটি স্তর সাব্যস্ত করা হয়েছে। এ স্তরগুলো হলো- তুহেব্বুশ শায়েখ, তুহেব্বুর রাসুল, তুহেব্বুল্লাহ ও বাকাবিল্লা। প্রথমে স্বীয় পীর বা মুর্শিদের প্রেমে নিজেকে উব্দুদ্ধ করতে হবে, পীর সে প্রেমকে রাসুল প্রেমে রূপান্তরিত করে মুরিদের প্রেমকে আরো গভীরতম করে দেবেন। তার পর সে প্রেম আরো গভীরতম রূপ ধারণ করে ঐশী প্রেমে রূপান্তরিত হয়ে এক স্বর্গীয় অনুভূতির সৃষ্টি করে। আর এই অনুভূতির স্থায়ীত্ব লাভ করলে তাকে বাকা অবস্থা বলে। তাই বলা যায় যে, মূর্তের মাধ্যমে অমূর্তে প্রেম সহজতর হয়।
“তারা বলেন এশক কি? বল বাসনার নির্মল সাধন,
যে বাসনা বিমুক্ত হয়নি তার কোন বানসাই নাই”
------------ দেওয়ানে শামস্ তাব্রিজ (রাঃ)