Bahadurpur Student Welfare Association-2006

Bahadurpur Student Welfare Association-2006

Share

It's a non - profitable social welfare association which is working for the poor peoples. Bahadurpur Student Welfare Association is established in 2006.

But it is the formal start of the 2010. This is a voluntary friendly social development organization. From fulfilling their social obligations is bound to make ties since Establishment the cost of all members of the organization. The Organization is working to fulfill its aim. Our Organizations slogan: "Ties our but welfare for all"

বাহাদুরপুর স্টুডেন্টস্‌ ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয় ২

10/05/2022

জীবনে খুব কমই ইন্টারভিউ আমাকে দিতে হয়েছে।

পাশ করার পর এক বিশাল কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিতে গেছি, একবার ইন্টারভিউয়ের পর ফাইনাল ইন্টারভিউ। সবকিছু প্রায় ঠিকঠাক, মনে হচ্ছিল আমাকে তাদের পছন্দ হয়েছে। কথাবার্তা প্রায় শেষ তখন এইচ-আর এর হেড একটু হেসে দিয়ে এক বেশ বুড়া লোকের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, যদি হয়, আপনি ওনার আন্ডারে কাজ করবেন। একটু কেয়ারফুল থাকবেন, উনি কিন্তু কড়া লোক, একটু শর্ট টেম্পার্ড।

যেই লোকের কথা বলছিল তার দিকে তাকিয়ে দেখি উনি হাসতেছেন। যেন এগুলা তার খুব ভালো কোয়ালিটি।

আমি তখন জিজ্ঞাসা করলাম, উনি শর্ট টেম্পার্ট এবং বদরাগী, এই দায়িত্ব আমার নিতে হবে কেন?

আমার পাল্টা প্রশ্ন শুনে এইচ-আর’ এর লোকটা থতমত খেয়ে গেল। আমতা আমতা করে বলল, না মানে লিডারশিপের কথা বলছিলাম, হি ইজ এ টাফ লিডার।

আমি বললাম, আপনাদের উচিৎ তাকে ডাক্তার দেখানো।

তখন আরেক লোক ছিল সম্ভবত মালিকদের পক্ষ থেকে কেউ। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, একথা বললেন কেন?

আমার তখন চাকরি করার ইচ্ছা নাই সেখানে। আমি বললাম, মানুষের টেম্পারমেন্টের সমস্যা থাকতে পারে কিন্তু ওনাকে দেখে মনে হচ্ছে উনি বদরাগী শুধু না, নিজের এই বদরাগ নিয়ে তিনি বেশ প্রাউড। তাকে তো মানসিক ডাক্তার দেখানো দরকার। এইচ-আর থেকে আপনারাও দেখি সেটা বেশ রসিয়ে রসিয়ে বলছেন। ইউ শুড টেইক একশন।

সেই লোকের হাসিমুখ কালো কুচকুচে হয়ে গেল। সম্ভবত তিনি কেবল সম্মান আর জি স্যার পেয়ে অভ্যস্থ।

তখন সেই কম কথা বলা লোকটা জিজ্ঞাসা করল, আপনার যদি এখানে হয়, আপনি জয়েন করবেন না?

আমি দুই’দিকে মাথা নাড়িয়ে বললাম, আলবৎ না। আমি মন দিয়ে কাজ করব কোম্পানি আমাকে টাকা দেবে। এর বাইরে যদি কোম্পানি বলে তোমার বস আনপ্রেডিক্টেবল,বদরাগী, তার দায়িত্ব তোমাকে নিতে হবে, সেটা তো আমি করতে পারব না, সরি।

সেই বদমেজাজি ভদ্রলোক একটা কথাও বলেন নাই সেখানে। আমি যখন বেরিয়ে যাই, তখন তার দিকে একবার তাকিয়েছিলাম। তার চেহারা দেখে মনে হয়েছিল তিনি জীবনেও ভাবতে পারেন নাই, এই ধরনের কথা কেউ বলতে পারে।

এই গল্পের অবতারণার কারন হল, আমার এই ক্ষুদ্র জীবনে আমি দেখেছি কিছু কিছু মানুষ প্রচন্ড রকম শর্ট টেম্পার্ড, বদরাগী এবং বদমেজাজী। তাদের ব্যবহার অত্যন্ত খারাপ এবং বিশ্রি। মানুষের সাথে সুযোগ পেলেই তারা দুর্ব্যবহার করে বসে।

নিজেরদের বদ মেজাজ নিয়ে তাদের আবার বিরাট গর্ব। আড্ডায়-টাড্ডায় আবার বলেও বসে, আমি তো এই করেছি সেই করেছি, **ল ছিঁড়ে তাল গাছে তুলে দিয়েছি, ইত্যাদি। চিন্তাশক্তি বলে যে একটা জিনিস আছে সেটা তাদেরকে দেখলে বোঝা যায় না।

কেউ কেউ আছে তাদের দুর্ব্যবহারকেও আবার ডিফেন্ড করে। যেমন বলে, আমার মুখে যা আসে আমি বলে ফেলি,আমার মুখে যা মনেও তা, আমি তোমাদের মত সুগার কোট করতে পারি না, ইত্যাদি। মনে যা তা মুখে বলতে হবে কেন? মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের না করে অন্তত চুপ যে থাকা যায়, সেটা বিদ্যা তাদের পেটে নাই। ‘আর মনে যা মুখে তা’- এই ফালতু আলাপ তারা করে যারা তাদেরকে সহ্য করে তাদের সাথে। মানে আপনার একটা বদমেজাজী বন্ধু/আত্মীয় আছে, আপনি তাকে সহ্য করে চলেন, আপনার লাইফ মোটামুতি হেল।

বহু বদমেজাজী লোক আমাকে অনেক পছন্দ করেছে জীবনে, সবসময়ই তাদেরকে আমি এভয়েড করে চলেছি। যে মানুষ তার মেজাজের দাস, সে আসলে মূর্খ, তার জানাশোনা, লেখাপড়া সব ব্যর্থ। মেজাজে চলতে চিন্তার দরকার হয় না, একটা বেড়াল কিংবা কুকুরও নিজ মেজাজ অনুযায়ি রিএক্ট করে। আর জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে না, সে অভিশপ্ত। তার ভেতরকার ভালোবাসা, অনুরাগ ইত্যাদি সবকিছু মোটামুটি জীবন্ত লাশের মত। তার জিহ্বা পেরিয়ে সেগুলো মানুষের কাছে পৌঁছায় না।

এই দেশে একটা কালচার আছে, বদমেজাজি মানুষের সবকিছু মেনে নেয়া, তাকে একটু ভয় পাওয়া, তার কথায় একটু গুরুত্ব দেয়া, ইত্যাদি। এটা কেন হয়েছে জানি না।

তবে মনে রাখবেন, অতিরিক্ত বদমেজাজি মানুষ বেসিক্যালি পাগল, মানসিক ভাবে অসুস্থ্য। তাকে গুরুত্ব দেবেন না। তার কথাকে পাত্তাই দেবেন না। সবচেয়ে ভালো হয় তাকে এড়িয়ে চলুন। এমন একটা সমাজ তৈরি করবেন না, যেখানে পাগল তার পাগলামি নিয়ে গর্ব বোধ করতে থাকে।

লিখেছেন - গোলাম ফজলুল কবির, এফসিএ

18/07/2018

প্রতিবন্ধী হয়েও সফল যারা!

পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছেন যারা শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে পৌঁছে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। কর্মই তাদের গোটা বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। শারীরিক ভাবে অক্ষম হয়েও একজন মানুষ সফল হতে পারে সেটা দেখিয়েছেন তারা। বিশ্বের এমন ১০ জন বিখ্যাত মানুষ রয়েছেন যাদের কাছে শারীরিক প্রতিবন্ধকতাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। যা তারা অনায়াসেই জয় করেছেন।

স্টিফেন হকিং: বিখ্যাত এই পদার্থ বিজ্ঞানী অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার হন। ২১ বছর বয়সেই তিনি অ্যামিওট্রফিক ল্যাটেরাল স্ক্লেরোসিস (এএলএস)-এ আক্রান্ত হন। ফলে তিনি কথা বলা ও চলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন।

জন ন্যাস: যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সেরা গণিতবিদ। গেলো বছর পরপারে পাড়ি জমান বিখ্যাত এ গণিতজ্ঞ। তিনি প্যারানয়েড স্রিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হন। এই রোগে মস্তিষ্কের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। চিন্তাশক্তি হারিয়ে ধ্বংস করে দেয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও ন্যাস গণিত নিয়ে নতুন নতুন খোঁজ চালিয়ে যান। জ্যামিতি ও ক্যালকুলাসের জন্য বিখ্যাত তিনি।

ক্রিস্টি ব্রাউন: বিখ্যাত এই আইরিশ লেখক সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত হবার পরেও হাল ছাড়েননি। লিখে গিয়েছেন। দু’হাত অসাড় থাকার কারণে পায়ে টাইপ করে বইয়ের স্ক্রিপ্ট লিখতেন। তার আত্মজীবনী ‘মাই লেফ্‌ট ফুট’ বিশ্বে সাড়া জাগানো গ্রন্থ।

ডেমোস্থিনিস: আথেন্সের এই বক্তার জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৩৮৪-তে। তার বাণী শোনার জন্য লোক ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতেন। তার বাণী ছিল অনুপ্রেরণার। এই মহান বক্তা কিন্তু তোতলা ছিলেন। সেই প্রতিবন্ধকতা পেরিয়েই তিনি নিজেকে বিশ্বখ্যাত করেছিলেন।

ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ: বিশ্বখ্যাত এই চিত্রশিল্পী মানসিক অবসাদের শিকার হয়েছিলেন। তারপরেও তার হাত থেকে রত্ন চিত্র বেরিয়ে এসেছে একের পর এক।
ফ্রিডা কাহলো: নিজের ছবি আঁকাতে অন্যতম সেরা এই চিত্রকর। অন্যের নয় নিজের ছবি আঁকতেই বেশি ভালবাসতেন তিনি। মহান এ চিত্রশিল্পী পোলিও রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

হেলেন কেলার: আমেরিকার খ্যাতনামা লেখক ও সমাজসেবী। জন্ম থেকেই তিনি দৃষ্টিহীন ও বধির। কিন্তু প্রতিবন্ধকতা তাকে কখনো দমাতে পারেনি। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে গিয়েছেন তার মতো মানুষদের অনুপ্রাণিত করতে। নিজের কর্মের মাধ্যমে তিনি পৌঁছে গেছেন অন্য উচ্চতায়।

মারলা রুনিয়ান: মার্কিন ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড অ্যাথলেট। বিশ্ব বিখ্যাত এ দৌড়বিদ ৩ বার ৫ হাজার মিটার চ্যাম্পিয়ন।

৯ বছর বয়সেই স্টার্গার্টস রোগে আক্রান্ত হয়ে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। তারপরেও তিনি অলিম্পিকে অংশ নেন। তিন বার ৫ হাজার মিটার চ্যাম্পিয়ন হন। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে ঘরে আটকে রাখতে পারেনি। নিজ কর্মে অমর হয়ে থাকবেন সবার কাছে।

সুধা চন্দ্রন: ভারতীয় এ ধ্রুপদী নৃত্যশিল্পী সুধা চন্দ্রনের জন্ম কেরালাতে। মাত্র ১৬ বছর বয়সে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। অস্ত্রোপচারের পর তার পা কেটে ফেলা হয়। কিন্তু দমে যাননি তিনি। অসীম মনের জোর নিয়ে কৃত্রিম পা লাগিয়ে ফের মঞ্চে ফিরে আসেন স্বমহিমায়। জয় করেন গোটা বিশ্বকে।

এসব বিখ্যাত মানুষ শত প্রতিকূলতা পার হয়েও নিজেকে বিখ্যাত করেছেন সবার কাছে। নিজ আলোয় উজ্জল করেছেন গোটা বিশ্বকে। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কখনো তাদের আটকে রাখতে পারেনি। এসব বিখ্যাত ব্যক্তি প্রমাণ করেছেন অদম্য ইচ্ছাশক্তি মানুষকে বড় করে তোলে।

04/04/2018

বাহাদুরপুর, পাংশা, রাজবাড়ীর কাজী মোতাহার হোসেন ও সাজেদা খাতুনের সন্তান সন্‌জীদা খাতুন (জন্ম: ৪ এপ্রিল, ১৯৩৩) ঐতিহ্যবাহী পরিবারের পরম্পরা রক্ষা করেননি শুধু, নিজেই সৃষ্টি করেছেন নতুন ঐতিহ্যধারা। বায়ান্নর মিছিল থেকে ২০১৮-তে নীলফামারীর রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের উৎসবমঞ্চ আলো করে থাকেন তিনি, অন্ধকারের প্রবল প্রতিপক্ষ হয়ে। একুশ তাঁকে ভাষা দিয়েছিল, একাত্তরে সুরের আগুনকে অস্ত্র করে তুলেছেন তিনি—তাঁকে আমরা পেয়েছি মুক্তিযুদ্ধের সাংস্কৃতিক ফ্রন্টে, রূপান্তরের গানে, মুক্তিসংগ্রামী শিল্পী সংস্থার সভাপতিরূপে। অর্ধশতাব্দীকালের অনলস সাধনায় বাংলা নববর্ষ উৎসবকে ধর্মবর্ণ-নির্বিশেষে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক জাতীয় উৎসবে রূপদানের অন্যতম পুরোধা তিনি।

সৃজন কল্লোলিত জীবনসমুদ্রের পঁচাশি ঢেউ পূর্ণ হলো সন্‌জীদা খাতুনের। ছিয়াশিতে পদার্পণ করেও তিনি নিত্যনবীনা যেন এই সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ প্রবর্তিত আহমদ শরীফ চেয়ারে আসীন হয়ে অল্প সময়ের ব্যবধানে নজরুল ও জসীমউদ্‌দীন বিষয়ে যখন পরপর প্রদান করলেন দুটো বিশদ বক্তৃতা, তখন শ্রোতাসাধারণ বলছিলেন যে এই বয়সে এমন স্থিত প্রাজ্ঞ গবেষক-মন সত্যি বিরল। হ্যাঁ, বিরল তিনি বহু ক্ষেত্রেই। একদিকে প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণার বৃত্তে থেকেও প্রণয়ন করেছেন কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, রবীন্দ্রসংগীতের ভাবসম্পদ এবং ‘ধ্বনি থেকে কবিতা’র মতো উন্মোচক গ্রন্থ, অন্যদিকে ‘স্বাধীনতার অভিযাত্রা’, ‘জননী জন্মভূমি’, ‘প্রভাতবেলার মেঘ ও রৌদ্র’, ‘অতীত দিনের স্মৃতি’ এবং ‘সহজ কঠিন দ্বন্দ্বে ছন্দে’-এর মতো গ্রন্থাবলির সূত্রে তিনি যুগপৎ নিজের জীবন ও বাঙালির জাতীয় জীবনের সাংস্কৃতিক মর্মমূল উদ্‌ঘাটন করেছেন।

জীবনে যেখানেই কর্মব্যপদেশে ছিলেন, সেখানেই রেখেছেন নিজ কৃতির অমোচ্য ছাপ। পাকিস্তান আমলে বাংলা একাডেমিতে অত্যল্পকালের পেশাজীবনে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মহার্ঘ্য কৃতি ‘আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন যেমন, তেমনি ফিরোজা বেগম সংকলিত কয়েক খণ্ডের নজরুল সংগীত স্বরলিপি পুস্তকাকারে প্রকাশে রেখেছেন উদ্যোগী ভূমিকা। শুচিস্নিগ্ধ মানুষটি এই বাংলার প্রিয় প্রকৃতির মতোই, এ শ্রাবণের বুকের ভেতর আগুন আছে যেন। হ্যাঁ, বুকের ভেতর আদর্শের আগুন ছিল বলেই ছায়ানট, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, ব্রতচারী আন্দোলন, নালন্দা বিদ্যালয়সহ নানা উদ্যোগ-আয়োজনের সৃষ্টি-নেতৃত্ব কিংবা সম্পৃক্ততা তাঁর। পাকিস্তানি রাষ্ট্রপক্ষ তাঁকে স্বস্তি দেয়নি; বাঙালি সংস্কৃতি বিকাশের ‘অপরাধ’–এ কলেজে শিক্ষকতাকালে তাঁকে ঢাকা থেকে বদলি করা হয়েছে সুদূর রংপুরে। তাঁর পক্ষে স্বাভাবিক ছিল নিরস্ত হয়ে যাওয়া, কিন্তু সন্‌জীদা খাতুনের অভিধানে ‘নিশ্চলতা’ বলে কোনো শব্দ নেই; সে জন্যই ২০০১-এ রমনায় ছায়ানটের বর্ষবরণ উৎসবে ভয়ংকর বোমাবর্ষণের পরও তিনি বলতে পারেন, ‘বাঙালির সাংস্কৃতিক যুদ্ধ চলবেই’। কবি শঙ্খ ঘোষ তাঁর ‘দামিনীর গান’ বইটি সন্‌জীদা খাতুনকে উৎসর্গ করে উৎসর্গপত্রে লিখেছেন, ‘অনায়াসে যিনি গান শোনান, সেই সন্‌জীদা খাতুনকে...’। আমরা মনে করি, সন্‌জীদা ও তাঁর সহযোদ্ধা প্রজন্ম তাঁদের জীবনভর সাধনায় সমষ্টি মানুষের জন্য সত্যসুন্দরের গান শোনার সাংস্কৃতিক পরিসর বিনির্মাণ করেছেন। সে জন্যই সাম্প্রদায়িক-মৌলবাদী-জঙ্গি আস্ফালন উজিয়ে আমরা পয়লা বৈশাখে গাইতে পারি নবজীবনের গান, রবীন্দ্র-নজরুলকে বুকে নিয়ে এগিয়ে চলি ভয়-বোমা তুচ্ছ করে। আজ আমরা অর্থনৈতিক অগ্রগতির সূচক পরিমাপ করছি, কিন্তু এ জাতির সাংস্কৃতিক সাক্ষরতার সূচকও একই সঙ্গে নির্ধারণ করা জরুরি। করলে দেখতে পাব, এতে সন্‌জীদা খাতুনের অবদান অসামান্য। অসামান্য তিনি আরও বহু ক্ষেত্রেই।

কেন্দ্র-প্রান্তের বিভাজনে সন্‌জীদা খাতুন ভেঙে দিতে চান; তাই গানের গুণী হিসেবে সিলেট থেকে রামকানাই দাশ কি ময়মনসিংহ থেকে নূরুল আনোয়ারকে নিয়ে এসেছেন আমাদের সমুখে। নিজের বইয়ের কাজ করার পাশাপাশি তিনি ভাবেন প্রদ্যুৎ ভট্টাচার্যের ‘টীকা টিপ্পনী’ বইটি কী করে বাংলাদেশ থেকে প্রকাশ করা যায়, যাতে এখানকার পাঠক অতি সহজে একটি ভালো বই পড়ার সুযোগ পায়। ‘বাংলাদেশের হৃদয় হতে’ পত্রিকা সম্পাদনাকালে তরুণ লেখকদের নতুন ধারার লেখা প্রকাশের ব্যবস্থা করেছেন, উয়ারী-বটেশ্বরের প্রত্নখননের কাজে সুফি মোস্তাফিজুর রহমান যেন আরও উৎসাহিত বোধ করেন, সে জন্য তাঁকে প্রণোদনা দিতেও তিনি ভোলেন না। এই বয়সেও বিপ্লবী রবি গুহ স্মরণসভার আমন্ত্রণপত্রের মুসাবিদা নিজ হাতে করতে দেখেছি তাঁকে; কী করে এই মৃত্তিকার বিপ্লবী সন্তানকে তাঁর সন্তানেরা কলকাতা থেকে ঢাকায় এসে স্মরণ করতে পারেন, তার জোগাড়যন্তরেও ব্যস্ত দেখেছি তাঁকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে শিক্ষকতাকালে তিনি কয়েক প্রজন্মের শিক্ষার্থীর প্রিয় শিক্ষক, এখানে রবীন্দ্রপাঠের সনাতনী সিলেবাসের অন্ধ অনুবর্তনের পরিবর্তে তিনি নতুন ধারার সমালোচনা পদ্ধতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। রাগসংগীতের অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গিয়ে তিনি বিস্মৃত হন না লোকসংগীতের শক্তিকে।

বৃহৎ বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে এভাবে সর্বতোভাবে জড়িয়ে আছেন সন্‌জীদা খাতুন, কাছের মানুষদের ‘মিনু আপা’, শান্তিনিকেতনের ‘মিনুদি’। দেশভাগ, দাঙ্গা ও রক্তপাতের শতাব্দীপ্রায় সাক্ষী আবার বাঙালির দুঃখ ও জরাজয়ী সাহসী সাংস্কৃতিক অভিযাত্রার অবিকল্প সারথি সন্‌জীদা খাতুন; গৌরবদীপ্ত জীবনের পঁচাশি বসন্ত পূর্তিতে আপনাকে আমাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাপূর্ণ অভিবাদন জানাই।

আ.লীগপন্থীরা ২৪, বিএনপিপন্থীরা ১টিতে জয়ী 21/01/2018

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় ডাঃ ইকবাল আর্সনাল স্যারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আ.লীগপন্থীরা ২৪, বিএনপিপন্থীরা ১টিতে জয়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে ২৫ জন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে ২৪টি আসনেই জয় পেয়েছেন আওয়ামী লী....

Photos from Bahadurpur Student Welfare Association-2006's post 02/01/2018

এক লোক নদীতে মাছ ধরছিল। তার বড়শি ছোট মাছ ধরা পড়লে সেটা সে রেখে দেয়, আর বড় মাছ ধরা পড়লে সেটাকে আবার নদীতে ছেড়ে দেয়। পাশের এক লোক কিছু সময় তার এই অদ্ভুত কাজ দেখার পর জানতে চাইলো, ভাই আপনি এটা কেন করছেন। তখন সে বলল ভাই আমার মাছ ভাজার কড়াইটা ছোট, তাতে বড় মাছ ভাজা যায় না। আমাদের অনেকের কাছেই এমন ছোট কড়াই আছে আর তার নাম হল - Limited Thinking.

.....If Your Thinking Is Limited, Your Life Will Be Limited.

আসুন আমরা আমাদের কড়াইটা বড় করি।

30/12/2017

BOARD OF INTERMEDIATE & SECONDARY EDUCATION, DHAKA
RESULT OF JSC EXAMINATION, 2017
Institution: SHAHID KHABIRUZAMAN HIGH SCHOOL (EIIN: 113337)
Centre: PANGSA, Thana/Upazilla: PANGSA, Zilla: RAJBARI
No. of Students: { Appeared: 128, Passed: 105, Percentage of Pass: 82.03, GPA 5: 2 }
------------------------------------------------------------ : : ------------------------------------------------------------
439756[4.79], 439757[5.00], 439758[4.71], 439759[4.50], 439760[4.07], 439761[3.71], 439762[4.14], 439763[4.00], 439764[4.07],
439765[4.21], 439766[3.93], 439767[3.86], 439768[4.21], 439769[3.64], 439770[3.86], 439771[5.00], 439772[3.79], 439773[3.50],
439774[3.43], 439778[3.86], 439780[4.29], 439785[3.43], 439787[3.14], 439788[3.71], 439789[4.07], 439790[3.50], 439791[4.50],
439792[2.93], 439794[3.21], 439795[2.71], 439796[2.64], 439798[2.64], 439799[4.14], 439800[4.50], 439801[4.86], 439802[4.79],
439803[4.93], 439804[4.57], 439805[4.00], 439806[3.43], 439807[3.64], 439808[3.43], 439809[3.86], 439810[4.21], 439811[3.36],
439812[3.86], 439813[3.29], 439814[3.43], 439815[3.79], 439816[3.43], 439817[3.86], 439818[3.86], 439819[3.64], 439820[3.93],
439821[4.00], 439822[3.29], 439823[3.64], 439824[3.50], 439825[3.14], 439826[3.36], 439827[2.86], 439828[2.79], 439829[2.64],
439830[3.43], 439831[3.57], 439832[3.36], 439833[3.21], 439834[3.00], 439835[3.00], 439836[3.14], 439838[2.93], 439839[2.64],
439840[3.43], 439844[3.43], 439846[3.21], 439849[2.57], 439850[2.43], 439851[3.29], 439852[3.50], 439853[3.79], 439854[2.79],
439856[2.93], 439857[3.00], 439858[2.93], 439859[2.93], 439860[3.14], 439861[2.57], 439862[2.50], 439864[3.43], 439865[3.21],
439866[2.86], 439868[2.21], 439871[3.29], 439873[3.57], 439874[3.00], 439875[2.29], 439876[3.00], 439877[2.57], 439878[2.71],
439879[2.86], 439880[2.86], 439881[3.07], 439882[2.43], 439883[3.36], 439884[4.00] =105
439775[F1 ], 439776[F1 ], 439777[F1 ], 439779[F1 ], 439781[F1 ], 439782[F1 ], 439783[F1 ], 439784[F1 ], 439786[F1 ],
439793[F1 ], 439797[F1 ], 439837[F1 ], 439841[F1 ], 439842[F1 ], 439843[F1 ], 439845[ABS.], 439847[F1 ], 439848[F1 ],
439855[F1 ], 439863[F1 ], 439867[F1 ], 439869[F1 ], 439870[F1 ], 439872[F1 ] =24

30/12/2017

মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজেন্ডার তার সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন, আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।
★ আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছেঃ
শুধু আমার চিকিৎসকরাই আমার কফিন বহন করবেন।

★ আমার ২য় অভিপ্রায় হচ্ছেঃ
আমার কফিন যে পথ দিয়ে যাবে সেই পথে আমার অর্জিত সোনা ও রুপা ছড়িয়ে থাকবে।

★ আর শেষ অভিপ্রায় হচ্ছেঃ
কফিন বহনের সময় আমার দুই হাত কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে রাখবে।'

তার সেনাপতি তখন তাঁকে এই বিচিত্র অভিপ্রায় কেন করছেন প্রশ্ন করলেন।
দীর্ঘ শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন, 'আমি দুনিয়ার সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই।

★ আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন করতে এই কারনে বলেছি, যে যাতে লোকে বলতে পারে যে চিকিৎসক মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারে না। তারা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর থাবা থেকে রক্ষা করতে অক্ষম।

★ যাবার পথে সোনা-দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি সোনা-দানার একটা কণাও আমার সঙ্গে যাবে না। এগুলো পাওয়ার জন্য সারাটা জীবন ব্যয় করেছি কিন্তু নিজের সঙ্গে কিছুই নিয়ে যেতে পারছি না। মানুষ বুঝুক এসবের পেছনে ছোটা মানে সময়ের অপচয়।'

★ কফিনের বাইরে আমার হাত ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে বুঝানোর জন্য পৃথিবীতে খালি হাতে এসেছি আজ পৃথিবী থেকে খালি হাতেই চলে যাচ্ছি।

মহান আল্লাহ, সকল মানুষের ঈমানী শক্তি আরও বাড়িয়ে দিক এবং আল্লাহকে বোঝার মতো তৌফিক দান করুন।

* আমিন *

01/11/2017

জ্ঞানীলোকের কানটা বড় আর জিভটা ছোট হয়।
ীনা_প্রবাদ

01/11/2017

যাদের ঝুঁকি নেওয়ার সাহস আছে,
একমাত্র তারা'ই অর্জন শব্দটির সার্থকতা বুঝতে পারে।

29/10/2017

শিশুরা যেভাবে শেখে

পাংশায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিত্যক্ত ঘোষণা | সারাদেশ | The Daily Ittefaq 31/07/2017

কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে কি? খুবই নাজেহাল অবস্থা আমাদের প্রিয় শৈশবের প্রথম এই স্কুলটির।দেশের এত উন্নয়ন হচ্ছে বাট আমাদের শৈশবের স্কুল টি কারো চোখে পড়েনা।তাই কর্তৃপক্ষের একটূ সুদূষ্টি আশা করছি আমাদের প্রিয় শৈশবের স্কুলটির প্রতি......।।😔😴😴😴

পাংশায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিত্যক্ত ঘোষণা | সারাদেশ | The Daily Ittefaq পাংশার বাহাদুরপুর গ্রামের ড. কাজী মোতাহার হোসেন ও আমানত আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় পাঠদান চলছে টিনের ছাপড়া ঘরে। রোদে শ্রেণিকক্ষে প্রচুর গরম আর একটু বৃষ্টি হলেই বই-খাতা, জামা-কাপড় ভিজে যায় শিক্ষার্থীদের। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। উপ...

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Bahadurpur, Pangsha, Rajbari
Dhaka
7720