GRE ,GMAT & SAT Preparation Center

GRE ,GMAT & SAT Preparation Center “GRE & SAT online classes are available both in batches and in one-to-one sessions.”

"বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং কনফারেন্স NeurIPS (Conference on Neural Information Pro...
26/09/2026

"বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং কনফারেন্স NeurIPS (Conference on Neural Information Processing Systems)-এর Main Track-এ বাংলাদেশের গবেষকদের একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাটির নেতৃত্বে রয়েছেন বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্সের দুই সাবেক শিক্ষার্থী আবরার রহমান আবীর এবং সামীন শাহগীর। “AbFlowNet: Optimizing Antibody-Antigen Binding Energy via Diffusion-GFlowNet Fusion” শিরোনামের গবেষণাপত্রটির কাজ শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালে, বুয়েটে তৃতীয় বর্ষে থাকাকালীন আবীর এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, রিভারসাইডের পিএইচডি শিক্ষার্থী সামীনের হাত ধরে।

NeurIPS বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় Machine Learning conference-গুলোর একটি। এ বছর বিপুলসংখ্যক গবেষণাপত্র জমা পড়ে, যেগুলো দীর্ঘ মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত হয়।

আবীর এবং সামীনের পাশাপাশি গবেষণাটিতে আরও রয়েছেন তকি তাহমিদ এবং রওনক জাহান রাতুল, দুজনই বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্সের সাবেক শিক্ষার্থী। বর্তমানে আবীর ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলেতে পিএইচডি করছেন। অন্যদিকে, তকি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং রাতুল ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় পিএইচডি করছেন।

তাদের গবেষণায় AI ও Machine Learning ব্যবহার করে কার্যকর অ্যান্টিবডি ডিজাইনের একটি নতুন পদ্ধতি উপস্থাপন করা হয়েছে। এর লক্ষ্য এমন অ্যান্টিবডি তৈরি করা, যা শুধু গঠনগতভাবে যথাযথ নয়, একই সঙ্গে নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত হতে পারে।

আবীর ও সামীনের যৌথ নেতৃত্বে NeurIPS Main Track-এ প্রকাশিত গবেষণাটি বাংলাদেশের তরুণ গবেষকদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় অবদানের আরেকটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ"
©️shortstories©️

"Amazon Web Services (AWS)-এর Agentic AI Team-এ Applied Scientist হিসেবে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (B...
26/09/2026

"Amazon Web Services (AWS)-এর Agentic AI Team-এ Applied Scientist হিসেবে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (BUET) সাবেক শিক্ষার্থী শৌমিক সাহা।

সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে নিউইয়র্কে AWS-এর কার্যালয়ে full-time এই পদে কাজ শুরু করেছেন তিনি। এর আগে Amazon ও AWS-এ Applied Scientist Intern হিসেবে কাজ করেছেন শৌমিক। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজের পাশাপাশি তাঁর রয়েছে দীর্ঘ academic ও Research experience।

শৌমিকের শিক্ষাজীবনের শুরু St. Gregory’s High School-এ। ২০১২ সালে সেখান থেকে পড়াশোনা শেষ করে ভর্তি হন Notre Dame College-এ। ২০১৫ সালে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করার পর ভর্তি হন BUET-এর Computer Science and Engineering (CSE) Department-এ। ২০২০ সালে Bachelor of Science ডিগ্রি অর্জনের পর যুক্ত হন BUET-এর Data Science and Engineering Research Lab (DataLab)-এর সঙ্গে। সেখানে Research Assistant হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি United International University (UIU)-তে Lecturer হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর ২০২২ সালে University of Maryland-এর Computer Science Department-এ Master’s ও PhD শুরু করেন। ২০২৪ সালে Master’s এবং ২০২৬ সালে PhD সম্পন্ন করেন শৌমিক। University of Maryland-এ প্রায় চার বছর Graduate Research Assistant হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।

শৌমিকের AWS-যাত্রা শুরু হয় উচ্চশিক্ষার সময়। ২০২৪ সালে Amazon-এ Applied Scientist Intern হিসেবে কাজ করেন। পরের বছর AWS-এ আবারও Applied Scientist Intern হিসেবে যুক্ত হন তিনি। দুই দফার internship-এর অভিজ্ঞতার পর এবার AWS-এর Agentic AI Team-এ full-time Applied Scientist হিসেবে যোগ দিয়েছেন শৌমিক। নতুন দায়িত্বে Agentic AI নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি আগের academic Research ও industry experience কাজে লাগানোর সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। নিউইয়র্কে শুরু হওয়া এই নতুন অধ্যায় তাঁর পেশাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।

BUET থেকে শুরু করে University of Maryland-এর দীর্ঘ academic journey এবং সেখান থেকে AWS-এর Agentic AI Team-এ পৌঁছানোর পথটি শৌমিকের ধারাবাহিক পরিশ্রম ও নিজের ক্ষেত্রের প্রতি আগ্রহের প্রতিফলন। নতুন দায়িত্বে তাঁর জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা"
©️shortstories©️

"চট্টগ্রামের এক মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ছিল প্রকৌশলী হওয়া। গণিতের প্রতি ছোটবেলা থেকেই ছিল বিশেষ আগ্রহ। সেই আগ্রহ আর নি...
26/09/2026

"চট্টগ্রামের এক মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ছিল প্রকৌশলী হওয়া। গণিতের প্রতি ছোটবেলা থেকেই ছিল বিশেষ আগ্রহ। সেই আগ্রহ আর নিয়মিত পড়াশোনাকে সঙ্গী করে একসময় তিনি পা রাখেন দেশের অন্যতম সেরা প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে শুধু ভর্তি হওয়াই নয়, বুয়েটে ঢোকার পথেই নিজের মেধার বড় পরিচয় দেন অনিক সরকার। ২০১৪ সালে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তিনি সবার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

অনিকের শিক্ষাজীবনের শুরু চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং চট্টগ্রাম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন তিনি। উচ্চমাধ্যমিকের পর তাঁর লক্ষ্য ছিল বুয়েটে ভর্তি হওয়া। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে নিয়মিত পড়াশোনা ও অনুশীলন চালিয়ে যান। ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, হাজারো শিক্ষার্থীর প্রতিযোগিতায় অনিকই হয়েছেন প্রথম।

বুয়েটে ভর্তি হওয়ার পরও তাঁর মেধার ধারাবাহিকতা থেমে থাকেনি। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি যুক্ত হন কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতাতেও অংশ নেন। ২০১৮ সালের গুগল কোড জ্যামে তাঁর অবস্থান ছিল ৮৩০। পরের বছর আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার ঢাকা আঞ্চলিক পর্বে তাঁর দল বুয়েট গিফটেড হাইপোক্রিটস দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।

প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা ও গবেষণাতেও মনোযোগী ছিলেন অনিক। স্নাতক পর্যায়ের পড়াশোনা শেষ করার পর বুয়েটেই উচ্চতর পড়াশোনা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন। তাঁর আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে ছিল তথ্য কাঠামো, বড় পরিসরের তথ্য অনুসন্ধান, গ্রাফ তত্ত্ব এবং অ্যালগরিদম।

বুয়েটের গণ্ডি পেরিয়ে এবার তাঁর সামনে খুলে যায় আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি জগতের দরজা। ২০২০ সালে তিনি গুগলের আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন কার্যালয়ে সফটওয়্যার প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন। শুরুতে গুগলের ক্লাউডভিত্তিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে তাঁর কাজের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়।

বর্তমানে অনিক সরকার গুগলের ডাবলিন কার্যালয়ে সফটওয়্যার প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিগত নেতৃত্বের দায়িত্বে কাজ করছেন। গুগলের ক্লাউড অবকাঠামো ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর পেশাগত পরিচয়ে গুগলের ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবস্থার সঙ্গে কাজ করার তথ্যও রয়েছে।

একসময় যে তরুণ চট্টগ্রামের স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন, সেই তরুণই এখন বিশ্বের অন্যতম বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করছেন। তাঁর পথচলায় বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার প্রথম স্থান ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কিন্তু সেখানেই থেমে থাকেননি তিনি।

শিক্ষাজীবনে ভালো ফলাফল, প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ, গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা, সব মিলিয়ে অনিক সরকারের পথচলা তৈরি হয়েছে এক ধাপ করে এগিয়ে যাওয়ার গল্পে। চট্টগ্রাম থেকে বুয়েট, আর বুয়েট থেকে গুগলের ডাবলিন কার্যালয়, তাঁর এই যাত্রা দেখায় কীভাবে দেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি অঙ্গনেও নিজের জায়গা তৈরি করা সম্ভব"
©️Publician©️

ঢাকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট থেকে যাত্রা শুরু। এরপর মালয়েশিয়ার মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা। সেখান থেক...
25/09/2026

ঢাকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট থেকে যাত্রা শুরু। এরপর মালয়েশিয়ার মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা। সেখান থেকে গবেষণার জগতে দীর্ঘ পথচলা। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ন্যানোম্যাটেরিয়াল, তাপ স্থানান্তর, জ্বালানি দক্ষতা ও শক্তি প্রযুক্তি নিয়ে বছরের পর বছর গবেষণা করেছেন তিনি। তাঁর প্রকাশিত গবেষণাপত্র এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকেরা নিয়মিত উদ্ধৃত করছেন। গুগল স্কলারে বর্তমানে তাঁর গবেষণার সাইটেশন সংখ্যা ৯২ হাজার ৩১৮।

তিনি অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান। বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিস্টিংগুইশড রিসার্চ প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যানোম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড এনার্জি টেকনোলজি বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান হিসেবেও কাজ করছেন তিনি।

সাইদুর রহমান ১৯৯৭ সালে বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। এরপর মালয়েশিয়ার মালয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০১ সালে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর এবং ২০০৮ সালে জ্বালানি বিষয়ে পিএইচডি অর্জন করেন। উচ্চশিক্ষা শেষ করার পর তাঁর গবেষণার মূল আগ্রহের জায়গা হয়ে ওঠে জ্বালানি ও তাপ প্রকৌশল।

সৌরশক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ন্যানোফ্লুইড, তাপ স্থানান্তর, শক্তি সাশ্রয় এবং উন্নত ন্যানোম্যাটেরিয়াল নিয়ে তাঁর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক গবেষণা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রাফিন, কার্বন ন্যানোটিউব ও ম্যাক্সিনের মতো উন্নত ন্যানোম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন, শক্তি সংরক্ষণ এবং তাপ স্থানান্তরের দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়েও কাজ করছেন তিনি।

তাঁর গবেষণার বিস্তার বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো সাইটেশন। কোনো গবেষণাপত্র অন্য গবেষকেরা তাঁদের নিজেদের গবেষণায় ব্যবহার করে উদ্ধৃত করলে সেটিকে সাইটেশন বলা হয়। একজন গবেষকের কাজ কতবার অন্য গবেষণায় উদ্ধৃত হয়েছে, তার একটি ধারণা পাওয়া যায় এই সংখ্যার মাধ্যমে।

সাইদুর রহমানের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যা এখন ৯২ হাজারের বেশি। গুগল স্কলারে বর্তমানে তাঁর মোট সাইটেশন ৯২ হাজার ৩১৮। গবেষণার জগতে এটি তাঁর দীর্ঘদিনের কাজের বিস্তারের একটি বড় সূচক।

তাঁর গবেষণাপত্রের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন একাডেমিক সূত্রে তাঁর প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৮০০ থেকে ৯০০টির বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের তত্ত্বাবধান করে আসছেন। তাঁর অধীনে বহু শিক্ষার্থী গবেষণা করে উচ্চশিক্ষা ও একাডেমিক ক্যারিয়ারে এগিয়েছেন।

সাইদুর রহমানের গবেষণার স্বীকৃতিও এসেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে। বিভিন্ন একাডেমিক জীবনীতে তাঁকে একাধিক বছর ধরে বিশ্বের বহুল উদ্ধৃত গবেষকদের তালিকায় থাকা গবেষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করার সময়ও তাঁর গবেষণার জন্য বিভিন্ন পুরস্কার ও স্বীকৃতি পাওয়ার তথ্য রয়েছে।

তাঁর কর্মজীবনের বড় একটি সময় কেটেছে মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। পরে সৌদি আরবের কিং ফাহদ ইউনিভার্সিটি অব পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মিনারেলসের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রেও অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কেন্দ্রের নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি গবেষণা ও শিক্ষাদানের সঙ্গে যুক্ত আছেন।

গবেষণার পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগও রয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগে গবেষণা, প্রকাশনা, উচ্চশিক্ষা এবং একবিংশ শতাব্দীর প্রয়োজনীয় দক্ষতা নিয়ে আয়োজিত একটি সেমিনারে বক্তা হিসেবে অংশ নেন তিনি। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজের গবেষণা ও একাডেমিক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন এই বুয়েট সাবেক শিক্ষার্থী।

তাঁর পথচলাটি শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের একটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। কয়েক দশক পর সেই শিক্ষাজীবনের জায়গা থেকে আন্তর্জাতিক গবেষণাঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ন্যানোম্যাটেরিয়াল নিয়ে তাঁর গবেষণা বিভিন্ন দেশের গবেষকদের কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। সেই গবেষণারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে গুগল স্কলারের ৯২ হাজার ৩১৮টি সাইটেশনে।

একজন বুয়েট শিক্ষার্থী থেকে আন্তর্জাতিক গবেষক হয়ে ওঠার এই দীর্ঘ যাত্রায় সাইদুর রহমানের কাজের ক্ষেত্র যেমন বিস্তৃত হয়েছে, তেমনি বেড়েছে তাঁর গবেষণার প্রভাব। গুগল স্কলারে ৯২ হাজারের বেশি সাইটেশন সেই দীর্ঘ গবেষণাজীবনের একটি দৃশ্যমান মাইলফলক।
💙💙💙

©️Publician©️

চবির ক্যাম্পাসে ব্যাঙ খোঁজা থেকে হেলসিংকিতে পিএইচডি: সাজিদ ভাইয়ের গল্পজুলজি পড়ে কী করা যায়, কোথায় রিসার্চের সুযোগ পাওয়া ...
25/09/2026

চবির ক্যাম্পাসে ব্যাঙ খোঁজা থেকে হেলসিংকিতে পিএইচডি: সাজিদ ভাইয়ের গল্প

জুলজি পড়ে কী করা যায়, কোথায় রিসার্চের সুযোগ পাওয়া যায়, এই প্রশ্নগুলোর সঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মোহাম্মদ সাজিদ আলী হাওলাদার ভাইয়ের গল্পটা বেশ মিলে যায়। চবির জুলজি ডিপার্টমেন্টে পড়ার সময় থেকেই ব্যাঙ নিয়ে তাঁর আগ্রহ। তাঁকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০০৮ সালে ক্যাম্পাসে পাওয়া একটি ব্যাঙের আলাদা বৈশিষ্ট্য তাঁর নজরে আসে। এরপর সেটি নিয়ে খোঁজ নেওয়া, আগের রিসার্চ পড়া এবং বিভিন্ন দেশের গবেষকদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। আমাদের অনেকের চোখে ক্যাম্পাসের একটি সাধারণ ব্যাঙ, তাঁর কাছে সেটিই হয়ে উঠেছিল রিসার্চের প্রশ্ন।

সেই কাজের ফল আসে ২০১১ সালে। আন্তর্জাতিক জার্নাল Zootaxa-তে প্রকাশিত হয় তাঁর পেপার, “A new species of Fejervarya (Anura: Dicroglossidae) from Bangladesh”। পেপারটির একমাত্র অথর ছিলেন সাজিদ ভাই, আর অ্যাফিলিয়েশন ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলজি ডিপার্টমেন্ট। নতুন প্রজাতিটির নাম দেন Fejervarya asmati, তাঁর শিক্ষক অধ্যাপক ড. গাজী এস এম আসমতের সম্মানে। শুধু দেখতে আলাদা লাগছে বলে নতুন প্রজাতি দাবি করেননি। ব্যাঙটির শরীরের গঠন, বিভিন্ন অংশের মাপ ও ডাকের বৈশিষ্ট্য তুলনা করে সেই দাবির পক্ষে এভিডেন্স তুলে ধরেছিলেন। ব্যাচেলরস পর্যায় থেকে নিজের আগ্রহকে এমন একটি পাবলিকেশনে নিয়ে যাওয়াটাই তাঁর শুরুর গল্পের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক।

এরপর তাঁর রিসার্চের পথ এগিয়ে যায় ফিনল্যান্ডের University of Helsinki-তে। তাঁকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে মাস্টার্স ছাড়াই বিশেষ বিবেচনায় পিএইচডিতে সুযোগ পাওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল রেকর্ডে তাঁর ২০১৬ সালের ডক্টরাল থিসিস পাওয়া যায়, “Discovery and evolutionary affinities of five new species of amphibians from Bangladesh”। সেখানে বাংলাদেশের পাঁচটি নতুন উভচর প্রজাতির বর্ণনা এবং কাছাকাছি প্রজাতিগুলোর সঙ্গে তাদের ইভল্যুশনারি সম্পর্ক নিয়ে কাজ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার Zakerana dhaka, নীলফামারীর Microhyla nilphamariensis এবং Euphlyctis kalasgramensis নিয়ে গবেষণা। ক্যাম্পাসে ব্যাঙের গঠন ও ডাক পর্যবেক্ষণ থেকে তাঁর কাজ এগিয়েছে ডিএনএ ও মলিকিউলার ফাইলোজেনেটিক অ্যানালাইসিস পর্যন্ত।

সাজিদ ভাইয়ের গল্পটা জুলজির শিক্ষার্থীদের জন্য এই কারণে শেয়ার করা। রিসার্চের টপিক সব সময় অনেক দূরে খুঁজতে হয় না। নিজের ক্যাম্পাসের প্রাণী, আশপাশের জলাশয় কিংবা পরিচিত কোনো স্পিসিস নিয়েও ভালো প্রশ্ন থাকতে পারে। তবে আগ্রহকে কাজের জায়গায় নিতে হলে পড়তে হবে, মেথড শিখতে হবে, ডেটা সংগ্রহ করতে হবে এবং অভিজ্ঞ গবেষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। সাজিদ ভাইয়ের পথ সবার জন্য একই হবে না, কিন্তু তাঁর কাজ থেকে শেখার জায়গাটা পরিষ্কার। আপনি কী নিয়ে আগ্রহী বলছেন, তার সঙ্গে কী শিখেছেন আর কী কাজ করেছেন, সেটার মিল থাকতে হবে। একসময় আপনার হয়ে কথা বলবে আপনার প্রোফাইল, সেখানে থাকা কাজগুলো।

তথ্যসূত্রগুলোর লিংক কমেন্ট বক্সে দেওয়া হলো।

ফিরে এসে কি করবে আপনারা মতামত দিয়েন 🙂
25/09/2026

ফিরে এসে কি করবে আপনারা মতামত দিয়েন 🙂

"ময়মনসিংহ শহরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা ছিল জন্মের চেয়েও বেশি কিছু। এখানেই ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর জন্মেছিলেন এমন এক শিশু, যি...
25/09/2026

"ময়মনসিংহ শহরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা ছিল জন্মের চেয়েও বেশি কিছু। এখানেই ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর জন্মেছিলেন এমন এক শিশু, যিনি পরবর্তী সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশের বিজ্ঞানচর্চার ইতিহাসে নিজের আলাদা জায়গা করে নেবেন। পৃথিবী তাঁকে চিনবে আচার্য স্যার জগদীশচন্দ্র বসু নামে। পদার্থবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানের সীমানা পেরিয়ে তাঁর গবেষণা একসময় বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন প্রশ্ন হাজির করবে, উদ্ভিদেরও কি অনুভূতি আছে, তারা কি বাইরের উদ্দীপনায় সাড়া দেয়?

জগদীশচন্দ্রের পরিবারের আদি নিবাস অবশ্য ময়মনসিংহে ছিল না। তাঁদের পৈতৃক বাড়ি ছিল বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে, বর্তমান মুন্সিগঞ্জে। তাঁর বাবা ভগবানচন্দ্র বসু ছিলেন ব্রিটিশ সরকারের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। তারও আগে তিনি ১৮৫৩ থেকে ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং স্কুলটির প্রথম প্রধান শিক্ষক হিসেবেও তাঁর নাম পাওয়া যায়। বাবার কর্মসূত্রেই সেই সময় বসু পরিবার ময়মনসিংহে ছিল। জগদীশচন্দ্রের জন্মও হয় এই শহরেই।

তবে ময়মনসিংহের সঙ্গে জগদীশচন্দ্রের সম্পর্ক শুধু জন্মের স্মৃতিতে আটকে থাকেনি। তাঁর শৈশবের শিক্ষার সঙ্গে এই শহরের নামও জড়িয়ে আছে। তাঁর শিক্ষাজীবনের শুরু হয় ময়মনসিংহ জিলা স্কুলে। তখনকার সামাজিক বাস্তবতায় উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানো অনেকের কাছে মর্যাদার বিষয় ছিল। কিন্তু ভগবানচন্দ্র ছেলেকে শুরুতেই ইংরেজি স্কুলে পাঠাননি। মাতৃভাষা ও নিজের সমাজের মানুষের সঙ্গে পরিচয় থেকেই শিশুর শিক্ষা শুরু হওয়া উচিত, এমন বিশ্বাস তাঁর ছিল।

পরবর্তীকালে জগদীশচন্দ্র নিজেও তাঁর শৈশবের সেই শিক্ষার গুরুত্বের কথা বলেছেন। বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনার কারণে ছোটবেলা থেকেই তিনি সমাজের নানা শ্রেণির মানুষের সঙ্গে কাছ থেকে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। একজন মুসলিম কর্মচারীর ছেলে তাঁর পাশে বসত, অন্য পাশে বসত একজন জেলের ছেলে। শৈশবের এই অভিজ্ঞতা তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল বলে তাঁর জীবনীসংক্রান্ত বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ আছে।

ময়মনসিংহের সেই শৈশব পেরিয়ে জগদীশচন্দ্র কলকাতায় যান। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে পড়ার সময় তাঁর বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ আরও গভীর হয়। পরে তিনি কেমব্রিজ ও লন্ডনে পড়াশোনা করেন। দেশে ফিরে প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। তখন ভারতীয় বিজ্ঞানীদের জন্য গবেষণার সুযোগ ছিল সীমিত, বৈষম্যও ছিল। কিন্তু সেসবের মধ্যেই তিনি পরীক্ষাগারে নিজের কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন।

প্রথম দিকে তাঁর গবেষণার বড় ক্ষেত্র ছিল তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। মিলিমিটার তরঙ্গ নিয়ে তাঁর পরীক্ষাগুলো তাঁকে আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করে। বেতার তরঙ্গ শনাক্ত করার ক্ষেত্রেও তাঁর তৈরি যন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরবর্তী সময়ে তাঁর গবেষণার পথ ঘুরে যায় উদ্ভিদের দিকে।

সেখানেই তৈরি হয় তাঁর সবচেয়ে বিস্ময়কর বৈজ্ঞানিক অধ্যায়।

যে উদ্ভিদকে মানুষ সাধারণত স্থির, নিশ্চুপ ও অনুভূতিহীন বলে মনে করত, জগদীশচন্দ্র তার ভেতরের প্রতিক্রিয়া পরিমাপ করার চেষ্টা করলেন। তিনি দেখাতে চাইলেন, আলো, তাপ, রাসায়নিক পদার্থ কিংবা অন্য উদ্দীপনায় উদ্ভিদও শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়া দেখায়। সেই প্রতিক্রিয়াকে দৃশ্যমান ও পরিমাপযোগ্য করার জন্য তিনি তৈরি করেন ক্রেসকোগ্রাফ। অত্যন্ত ক্ষুদ্র বৃদ্ধিও এই যন্ত্রের সাহায্যে পর্যবেক্ষণ ও পরিমাপ করা সম্ভব হয়েছিল।

এখানে জগদীশচন্দ্রের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল তাঁর পরীক্ষাধর্মী মন। শুধু কোনো ধারণা বিশ্বাস করার বদলে তিনি সেটিকে যন্ত্রের মাধ্যমে মাপতে চেয়েছেন। উদ্ভিদের ক্ষুদ্রতম প্রতিক্রিয়াকেও তিনি বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভাষায় ধরতে চেয়েছেন। তাঁর গবেষণা পরবর্তী সময়ে উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা ও জীবপদার্থবিদ্যার আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

জগদীশচন্দ্র ছিলেন শুধু গবেষক নন, বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও চেষ্টা করেছেন। বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল প্রবল। ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘নিরুদ্দেশের কাহিনী’কে বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনির প্রাথমিক গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

১৯১৭ সালে কলকাতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বসু বিজ্ঞান মন্দির, বর্তমান Bose Institute। প্রতিষ্ঠানটি আন্তঃবিষয়ক গবেষণার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ১৯২০ সালে তিনি রয়্যাল সোসাইটির Fellow নির্বাচিত হন। বিজ্ঞানী হিসেবে তাঁর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির এটিও ছিল একটি বড় অধ্যায়।

কিন্তু তাঁর গল্পে ময়মনসিংহের জায়গাটা আলাদা।

কারণ পৃথিবীখ্যাত সেই বিজ্ঞানীর জীবনের প্রথম ঠিকানাগুলোর একটি ছিল এই শহর। তাঁর বাবা ছিলেন ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের প্রথম প্রধান শিক্ষক। তাঁর নিজের শিক্ষাজীবনের সূচনাও এই শহরের সেই বিদ্যালয়ে। অর্থাৎ পরবর্তী সময়ে যিনি বিজ্ঞানের প্রচলিত সীমানা ভেঙে পদার্থবিজ্ঞান থেকে উদ্ভিদের জগতে প্রবেশ করবেন, তাঁর শৈশবের শিক্ষার ভিত তৈরি হয়েছিল ময়মনসিংহেই।

আজ ময়মনসিংহের রাস্তায় হাঁটলে হয়তো ১৮৫৮ সালের সেই শহরকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। বদলে গেছে শহর, বদলে গেছে শিক্ষার ধরন, বদলে গেছে বিজ্ঞানের ভাষাও। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় একটি যোগসূত্র রয়ে গেছে।

ময়মনসিংহে জন্ম নেওয়া সেই শিশুটি একদিন পৃথিবীকে দেখিয়েছিলেন, প্রকৃতির নীরবতার মধ্যেও সংকেত থাকে। মানুষের চোখে যে গাছ স্থির, তার শরীরেও ঘটে চলেছে নানা পরিবর্তন। সেই পরিবর্তনকে অনুভূতির গল্প না বানিয়ে তিনি নিয়ে এসেছিলেন পরীক্ষাগারের টেবিলে, যন্ত্রের সূক্ষ্ম রেখায়।

৩০ নভেম্বর ১৮৫৮-তে ময়মনসিংহে যে শিশুটির জন্ম হয়েছিল, প্রায় আট দশক পরে তাঁর জীবন থেমে যায়। কিন্তু তাঁর প্রশ্ন থামেনি। প্রকৃতিকে বোঝার সেই কৌতূহল আজও বিজ্ঞানচর্চার অংশ।

আর ময়মনসিংহের জন্য তাঁর পরিচয়টি আরও সহজ।

এই শহরের মাটিতে জন্ম নিয়েছিলেন সেই জগদীশচন্দ্র বসু, যিনি একদিন গাছের নীরবতাকেও বিজ্ঞানের ভাষায় কথা বলিয়েছিলেন"
©️Publician©️

"২.৭৬ সিজিপিএ নিয়ে চুয়েট থেকে বের হওয়ার পর জিসানের সামনে ভবিষ্যৎটা খুব একটা উজ্জ্বল মনে হয়নি। একটা সময় চরম হতাশার মধ্য দ...
25/09/2026

"২.৭৬ সিজিপিএ নিয়ে চুয়েট থেকে বের হওয়ার পর জিসানের সামনে ভবিষ্যৎটা খুব একটা উজ্জ্বল মনে হয়নি। একটা সময় চরম হতাশার মধ্য দিয়েও যেতে হয়েছে তাকে। কিন্তু সেই হতাশাকে ওভারকাম করে নন-সিএসই ব্যাকগ্রাউন্ড থেকেই স্যামসাং ইলেকট্রনিক এ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি পান।

এরপর ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ডাকোটা থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করেন।

মাস্টার্সের পর ক্যালিফোর্নিয়ার দুটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গুগলে এল৫ রোলে সুযোগ পান। যেখানে স্যালারি ছিলো প্রায় ৫ কোটি টাকা। এরপর গুগল ছেড়ে আরও চারটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে এখন ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস মেট্রোপলিটন এলাকায় নিজের স্টার্টআপ লিক এআই দাঁড় করিয়েছেন।

একসময় ২.৭৬ সিজিপিএ নিয়ে হতাশ হওয়া সেই জিসান আজ যুক্তরাষ্ট্রের টেক ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন এবং সফলভাবে নিজের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন ❤️

Courtesy: AbroNotes

"মাত্র ১৯ বছর বয়সেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে পুরস্কার জিতেছেন বাংলাদেশি তরুণ গবেষক জাবির জারিফ আখতা...
25/09/2026

"মাত্র ১৯ বছর বয়সেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে পুরস্কার জিতেছেন বাংলাদেশি তরুণ গবেষক জাবির জারিফ আখতার। দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত World Water Challenge 2026-এ তাঁর তৈরি পানিদূষণ শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি UrbanSentinel পেয়েছে Outstanding Award। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষক ও পানি খাতের পেশাজীবীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় আটজন ফাইনালিস্টের একজন ছিলেন জাবির।

World Water Challenge 2026 অনুষ্ঠিত হয় Korea International Water Week 2026-এর অংশ হিসেবে। ৯ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার দেগু শহরের EXCO-তে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনের এবারের প্রতিপাদ্য ছিল Water, Energy, AI: Securing Our Future। এতে বিভিন্ন দেশের সরকারি প্রতিনিধি, গবেষক, বিজ্ঞানী, শিল্পখাতের প্রতিনিধি ও পানি ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট প্রায় ১২ হাজার মানুষ অংশ নেন।

আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় জাবির উপস্থাপন করেন UrbanSentinel: A Deep-Learning Node Network for Predicting, Tracing, and Neutralising Urban Water Contamination নামের প্রকল্পটি। শহরের পানির নেটওয়ার্কে দূষণ কোথায় হচ্ছে, কীভাবে তা ছড়িয়ে পড়ছে এবং কীভাবে দূষিত পানি শনাক্ত ও পরিশোধনের ব্যবস্থা করা যায়, মূলত সেই সমস্যার প্রযুক্তিগত সমাধান নিয়ে কাজ করেছে প্রকল্পটি।

UrbanSentinel-এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপ লার্নিং, পানির মান নির্ণায়ক সেন্সর, ন্যানোটেকনোলজি এবং পানি পরিশোধন প্রযুক্তিকে একসঙ্গে কাজে লাগানো হয়েছে। এর মাধ্যমে পানিতে দূষণের সম্ভাব্য উপস্থিতি শনাক্ত করার পাশাপাশি দূষণের উৎস বা আক্রান্ত এলাকা চিহ্নিত করা এবং পরিশোধনের পর পানির অবস্থা পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়া আটজন ফাইনালিস্টকে তাঁদের প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, বাস্তবায়নের সম্ভাবনা এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সামনে ব্যাখ্যা করতে হয়। সেই মূল্যায়ন পর্ব পেরিয়ে জাবির পান Outstanding Award। প্রতিযোগিতায় মোট দুটি Outstanding Award দেওয়া হয়। প্রতিটি পুরস্কারের অর্থমূল্য ৩০ লাখ কোরিয়ান ওন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

তবে এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পেছনের পথটি খুব সহজ ছিল না। UrbanSentinel তৈরির সময় প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত গবেষণাগার, বিশ্লেষণী যন্ত্রপাতি ও পরীক্ষার সুযোগ সীমিত থাকায় জাবিরকে নানা ধরনের বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। তাঁর গবেষণার কাজে সহায়তা এসেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের Institute of Appropriate Technology বা IAT-এ গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করার সুযোগ থেকে। প্রকল্পের পরীক্ষামূলক কাজের জন্য BUET-এর Textile Analytical Laboratory-ও সহায়তা দিয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই পুরস্কার জয়ের মাধ্যমে জাবিরের গবেষণা এখন আরও বড় পরিসরে পরীক্ষার সুযোগ পেয়েছে। তাঁর পরবর্তী পরিকল্পনা UrbanSentinel-কে একটি নিয়ন্ত্রিত শহুরে পরিবেশে পরীক্ষা করা। সেখানে প্রযুক্তিটির নির্ভুলতা, পানি পরিশোধনের কার্যকারিতা, রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা, খরচ এবং বড় পরিসরে ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে।

পরীক্ষায় প্রযুক্তিটি কার্যকর প্রমাণিত হলে ভবিষ্যতে সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করে বড় পরিসরে পাইলট প্রকল্প চালুর লক্ষ্য রয়েছে জাবিরের। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক পুরস্কারে থেমে না থেকে শহুরে পানিদূষণের মতো বাস্তব সমস্যায় তাঁর উদ্ভাবনকে মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করার পথেই এগোতে চান তিনি।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক পানি বিষয়ক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে এমন স্বীকৃতি পাওয়া জাবিরের গবেষণার পরিধিকেও সামনে নিয়ে এসেছে। সীমিত সুযোগের মধ্যেও প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও পরিবেশগত সমস্যাকে এক জায়গায় এনে তৈরি করা UrbanSentinel এখন তাঁর পরবর্তী গবেষণার ভিত্তি হয়ে উঠেছে"
©️Publician©️

অথচ আমরা যারা সুস্থ সবল অনেকেই কত অজুহাত দেয়!
24/09/2026

অথচ আমরা যারা সুস্থ সবল অনেকেই কত অজুহাত দেয়!

Address

Dhaka
1209

Telephone

01648865384

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GRE ,GMAT & SAT Preparation Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to GRE ,GMAT & SAT Preparation Center:

Shortcuts

Share