Dhaka University Cultural Society - DUCS

Dhaka University Cultural Society - DUCS

Share

The central cultural organization of the University of Dhaka, dedicated to student-led cultural practice and expression. Motto: Illumination through exploration

Dhaka University Cultural Society (DUCS) is dedicated to creating opportunities for students who have interest in culture to immerse themselves in the all-embracing spectrum of heritage & culture. Through our objectives and activities, DUCS serves as a catalyst in uniting
current and already established former students according to their area of interest, eventually helping to develop their skill

Photos from Dhaka University Cultural Society - DUCS's post 22/08/2026

Dhaka University Cultural Society (DUCS) was glad to perform at ‘Inter University Unplugged ’26’, alongside talented performers from universities across Dhaka.

A big thanks to NSUSS | North South University Shangskritik Shangathan for bringing us all together through music. ❤️

Photo Credit:
Mehnaj Apsara
GolpoGuccho - গল্পগুচ্ছ

20/08/2026

আজ ২০ আগস্ট, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সন্তান, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রাপ্ত শহিদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের প্রয়াণ দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দেশের স্বাধীনতার স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে পাকিস্তানের করাচির মাসরুর বিমানঘাঁটি থেকে একটি প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি শহিদ হন। তাঁর সেই আত্মত্যাগ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে সাহস, দেশপ্রেম ও আত্মনিবেদনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

১৯৪১ সালের ২৯ অক্টোবর জন্ম নেওয়া মতিউর রহমান ছোটবেলা থেকেই ছিলেন মেধাবী ও সাহসী। ঢাকার স্বনামধন্য ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে শিক্ষাজীবনের সূচনা করে পরবর্তীতে পাকিস্তান এয়ার ফোর্স পাবলিক স্কুল, সারগোদায় পড়াশোনা করেন। এরপর পাকিস্তান এয়ার ফোর্স একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিয়ে ১৯৬৩ সালের জুন মাসে কমিশন লাভ করেন। দক্ষতা ও যোগ্যতার কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি একজন প্রশিক্ষিত জেট পাইলট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

১৯৭১ সালে যখন বাঙালির ওপর নেমে আসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নিপীড়ন, তখন দূরে থেকেও নিজেকে দেশের সংগ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে পারেননি মতিউর রহমান। ছুটিতে দেশে এসে তিনি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন এবং ভৈরবের যুদ্ধে অংশ নেন। পরে আবার কর্মস্থলে ফিরে গেলেও তাঁর হৃদয় পড়ে ছিল স্বাধীনতার জন্য লড়াইরত বাংলাদেশে।

দেশের টানে তিনি গোপনে পরিকল্পনা করেন একটি বিমান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ২০ আগস্ট ১৯৭১ করাচির মাসরুর বিমানঘাঁটি থেকে একটি টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে উড্ডয়নের চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু মাঝআকাশে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের একপর্যায়ে বিমানটি পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের ঠাট্টার কাছে বিধ্বস্ত হয়। জীবন দিয়ে তিনি প্রমাণ করে যান—দেশের স্বাধীনতার কাছে একজন মানুষের নিজের জীবনও কতটা তুচ্ছ হতে পারে।

মতিউর রহমানের এই অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীন বাংলাদেশ তাঁকে প্রদান করে সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০০৬ সালের জুনে তাঁর মরদেহ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয় এবং ঢাকার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান কেবল একটি নাম নন, তিনি আমাদের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, সাহস আর আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁর জীবনের শেষ সিদ্ধান্ত আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে দেশের জন্য ভালোবাসা কখনো দূরত্ব মানে না, ভয় মানে না, এমনকি মৃত্যুকেও ভয় পায় না। মহান মুক্তিযুদ্ধের এই বীর শহিদের প্রয়াণ দিবসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদের পক্ষ থেকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। তাঁর দেশপ্রেম, সাহস ও আত্মত্যাগ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে আমাদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকুক।

লেখা: বৃষ্টি রানী সরকার

19/08/2026

“আমার সোনার দেশের, সোনার মাটিকে কলঙ্কিত হতে দিতে চাই না বলেই তো দেশ দেশ করি, মাটির কথা বলি।”
“কি দিয়েছি আর কি পেয়েছি তার হিসেব করতে গেলে তো আর দেশকে ভালোবাসা যাবে না। দেশকে ভালোবাসতে হয় নিঃস্বার্থভাবে।”
- জীবন থেকে নেওয়া।

জহির রাহয়ান, জীবন থেকে যা নিয়েছিলেন তার দায়বদ্ধতা থেকে সমাজকে ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন- দেশপ্রেম, মানবপ্রেম, ভালোবাসা, শিক্ষা আরও অনেক কিছু। কিন্তু এই ‘স্বার্থপরের আড্ডাখান’ এর বিনিময়ে নিয়ে নিয়েছিলো খোদ লেখককেই। অবশ্য কেবল লেখক পরিচয়ে সীমাবদ্ধ রাখলে জহির রায়হানকে অসম্মান করা হয়। যদিও তাকে ঠিকঠাক সমাদর আমরা কেউই কোনোদিন করতে পারিনি, তবু গল্পকার, চলচ্চিত্র পরিচালক আর আপাদমস্তক রাজনীতি সচেতন এই ব্যক্তিত্বকে কেবলই একটি পরিচয়ে আবদ্ধ রাখার মতো সংকীর্ণতা দেখাতে কুণ্ঠিত হই।

জহির রায়হান ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট বর্তমান ফেনী জেলার সোনাগাজি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবনে প্রবেশ করলেও; সে পেশা ছাপিয়ে লেখক হয়ে উঠতে তিনি বেশি সময় নেননি। ১৯৫৫ সালে সূর্যগ্রহণ শিরোনামে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ প্রকাশ করেন। তারপর লেখালেখির পাশাপাশি সহকারী হিসেবে পদার্পণ করেন এদেশের চলচ্চিত্র জগতে। ‘জাগো হুয়া সাভেরা’, ‘যে নদী মরুপথে’ ছবিতে সহকারী হিসেবে থেকে তিনি নিজ পরিচালনায় প্রথম ছবি ‘কখনো আসেনি’ মুক্তি দেন ১৯৬১ সালে। রূপালি পর্দায় এই যাত্রার শুরুর দিকেই এ অঞ্চলের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র সঙ্গম নির্মাণ করেন। এই সিনেমাটি ছিল উর্দু ভাষায়। তারই প্রায়শ্চিত্ত করতে কিনা জানিনা, তবে এরপর ভাষা আন্দোলনে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যান জহির রায়হান। ২১শে ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক আমতলা সমাবেশে তিনি উপস্থিত ছিলেন। ভাষা আন্দোলনে তাঁর এই সক্রিয় অবস্থানের ছাপই দেখতে পাওয়া যায় তার বিখ্যাত চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেয়াতে। অংশ নেন ঊনসত্তুরের গণঅভ্যুত্থানেও । ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি কলকাতায় চলে যান এবং সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে প্রচারাভিযান ও তথ্যচিত্র নির্মাণ শুরু করেন। কলকাতায় তার নির্মিত চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেওয়ার বেশ কয়েকটি প্রদর্শনী হয় এবং এই চলচ্চিত্রটি দেখে সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, তপন সিংহ এবং ঋত্বিক ঘটক প্রমুখ তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেন। কিন্তু সে সময়ে চরম অর্থনৈতিক দৈন্যের মধ্যে থাকা সত্ত্বেও তিনি তার চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হতে প্রাপ্ত সমুদয় অর্থ তিনি মুক্তিযোদ্ধা তহবিলে দান করে দেন।

বুদ্ধিজীবী হত্যার রহস্য উদঘাটন ও রাজাকারদের সমূলে উৎপাটন করার কর্মপরিকল্পনা হাতে নিলে অনেক তথ্যের অনুসন্ধান পান জহির রায়হান। জনসম্মুখে তা তুলে ধরার অভিপ্রায় প্রকাশ করা মাত্র তাকে গুম করার পরিকল্পনা করা হয়। তারপর তাঁর নিখোঁজ ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারের ঠিকানা জানানোর ফাঁদে ফেলে নিখোঁজ করা হয় তাঁকেও। ১৯৭২ সালের ৩০জানুয়ারি ভাইয়ের সন্ধানে গিয়ে বিহারী ক্যাম্পে গিয়ে আর ফিরে আসেননি জহির রায়হান। মতিউর রহমান তাঁর লেখা, জহির রায়হান: অনুসন্ধান ও ভালোবাসা বইয়ে সচেতনভাবে লেখেন- ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর আর মুক্তিসংগ্রামী সাহিত্যশিল্পী জহির রায়হান হত্যাকাণ্ড প্রায় সমান বয়সের।’

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও আমরা জহির রায়হানের হত্যাকান্ডের যথাযথ বিচার করতে পারিনি, ব্যর্থ হয়েছি জাতি হিসেবে। তবু আমরা সান্ত্বনা পাবার চেষ্টা করি এই ভেবে যে অমর সৃষ্টির মৃত্যুদিন জানা থাকেনা, জানা থাকে কেবল তাঁদের জন্মদিন। তাই জহির রায়হানের জন্মদিনে আমরা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ, শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এক বিদ্রোহী আত্মাকে, এক অমর লেখক ও পরিচালককে- যিনি চেয়েছিলেন এই অন্ধকারাচ্ছন্ন জাতিকে আলোতে নিয়ে আসতে। কিন্তু এই স্বাধীন দেশই যাকে ঠেলে দিয়েছিলো চির অন্ধকারে। চিরকৃতজ্ঞ ও ক্ষমাপ্রার্থী আপনার কাছে জহির রায়হান। হাজার বছর ধরে, বরফ গলা নদী পেরিয়ে আরেক ফাল্গুনে কোনো শেষ বিকেলের মেয়ে আপনার প্রাপ্য বিচারটুকু নিশ্চিত করবে বলে আশা রাখি।

শ্রদ্ধাঞ্জলি, জহির রায়হান।
আপনার আলো আমাদের পথ দেখাক।

লেখা: নুসাইবা আহমেদ

17/08/2026

শৈশবের পাতায় কখনো
“ঝক ঝক ঝক ট্রেন চলেছে রাত দুপুরে অই,
ট্রেন চলেছে, ট্রেন চলেছে, ট্রেনের বাড়ি কই?”
আবার কখনো স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষায়-
“তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা,
তোমাকে পাওয়ার জন্যে
আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?”

এই পরিচিত পঙ্‌ক্তিগুলো আমাদের অনেকের শৈশব, কৈশোর আর বেড়ে ওঠার স্মৃতির সঙ্গে মিশে আছে। সেইসাথে আমাদের নির্মল অনুভুতিতে মিশে আছে এই শব্দগুলোর স্রষ্টা কবি শামসুর রাহমান। কবিতায় তিনি লিখেছেন শহর, মানুষ, প্রেম, প্রতিবাদ, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার কথা। তাঁর শব্দে বারবার জীবন্ত হয়ে উঠেছে এই বাংলা ও বাঙালির অনুভূতি।

আজ ১৭ই আগস্ট, বাংলা সাহিত্যের নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ তাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে। শামসুর রাহমানের তাঁর সৃষ্টি মধ্য দিয়ে অমর হয়ে আছেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম। তাঁর এই অমরাত্মার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।

লেখা: সৈয়দ তাইছুর রহমান ফাইয়াজ

16/08/2026

কিছু মানুষকে সময় পেরিয়েও আমাদের স্মৃতি থেকে মুছে ফেলা যায় না। তাঁরা থেকে যান তাঁদের সৃষ্টি ও সুরের মধ্য দিয়ে। আইয়ুব বাচ্চু ঠিক তেমনই একজন শিল্পী।

তাঁর গান আমাদের প্রজন্মের অসংখ্য মানুষের অনুভূতির সাথে জড়িয়ে আছে। ভালোবাসা, অভিমান, বিষণ্নতা কিংবা একাকিত্বের মতো নানা অনুভূতিকে তাঁর গান দিয়েছে নিজস্ব এক ভাষা। তাঁর কণ্ঠ ও সুর বাংলা সংগীতের জগতে তৈরি করেছে এক স্বতন্ত্র পরিচয়।

সময় বদলেছে, এসেছে নতুন গান ও নতুন শিল্পী। তবুও আইয়ুব বাচ্চুর গান আজও শ্রোতাদের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর সৃষ্টি কেবল একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়েছে।

রূপালী গিটারের সঙ্গে যে শিল্পী বাংলা সংগীতে রেখে গেছেন তাঁর অনন্য স্বাক্ষর, তাঁর গান আজও আমাদের মাঝে বেঁচে আছে। শিল্পী হিসেবে তাঁর অবদান ও সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধা আমাদের মনে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।

আজ কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন।

শুভ জন্মদিন, আইয়ুব বাচ্চু।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদের পক্ষ থেকে কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

লেখা: বৃষ্টি রানী সরকার

Photos from Dhaka University Cultural Society - DUCS's post 15/08/2026

গত ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ (১২ আগস্ট ২০২৬) তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ কর্তৃক শ্রাবণের আবহে গানে গানে সাজানো আয়োজন ‘শ্রাবণ মেঘের গান’-এর কিছু স্থিরচিত্র।

ছবি কৃতজ্ঞতা: মিথিলা চৌধুরী, আয়েশা শিকদার নাঈমা

ঢাবিতে ‘শ্রাবণ মেঘের গান’ 13/08/2026

ধন্যবাদ Prothom Alo কে, শ্রাবণ মেঘের গান আয়োজনের সাথে থাকার জন্য।

ঢাবিতে ‘শ্রাবণ মেঘের গান’ বর্ষাকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদের (ডিইউসিএস) এ আয়োজনে গান শুনিয়েছেন ক্যাম্পাসে বেড়ে ওঠা ও তরুণ প...

13/08/2026

সদস্য আহ্বান ২০২৬

আসছে..

বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন আমাদের ফেসবুক পেইজে।

শ্রাবণ মেঘের গানে মুখরিত ঢাবির টিএসসি | | বাংলাদেশ প্রতিদিন 13/08/2026

ধন্যবাদ Bangladesh Pratidin কে, আমাদের আয়োজনের সাথে থাকার জন্য!

https://www.bd-pratidin.com/campus-online/2026/08/13/1287354?fbclid=IwY2xjawTqYTJwZG9mBWV4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHrekQ5a-S99RIKAm193bz9cLwKPK29SGJvkUI4fUc71W4mPOe4104n-difwI_aem_MD1Fv9HnxtGDrppiuTOYYA

শ্রাবণ মেঘের গানে মুখরিত ঢাবির টিএসসি | | বাংলাদেশ প্রতিদিন বর্ষার আবহে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি সুইমিংপুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ গানের আয়োজন ‘শ্রাবণ মে.....

12/08/2026

মঞ্চে আছেন সাহস মোস্তাফিজ ও বাপ্পী নবী
শ্রাবণ মেঘের গান

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


TSC, Dhaka University
Dhaka
1000