Al Islam Zahuria Hazi Ayinuddin Dakhil Madrasa

Al Islam Zahuria Hazi Ayinuddin Dakhil Madrasa

Share

An Exceptionally Islamic Religious Academic Institutions, Known As The Combination Of Modern And Tim

An Exceptionally Religious Academic Institutions, Known As The Combination Of Modern And Time Useful Education

27/02/2026

দোয়া এবং অভিনন্দন
আলহামদুলিল্লাহ্। ২০২৫ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় আল ইসলাম জহুরীয়া ট্রাস্ট কর্তৃক প্রতিষ্টিত আল ইসলাম জহুরীয়া হাজী আইনউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী পঞ্চম শ্রেণীতে ২ জন সাধারণ এবং দাখিল অষ্টম শ্রেণীতে ১ জন টেলেন্টফুলে বৃত্তি পেয়েছে। বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকগনের প্রতি আমাদের প্রাণ ঢালা শুভকামনা অভিনন্দন এবং দোয়া।

মেধার লালন, উন্নত চরিত্র গঠন ও মানবিক যোগ্যতা বিকাশের প্রত্যয়েই হোক আপনাদের আগামীর পথচলা। সফলতায় ভরে উঠুক আপনাদের দুনিয়া ও আখিরাত।

27/02/2026

সুবহানাল্লাহ্

নারীদের মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ আদায়ের বিধিবিধান

মনে প্রশ্ন জাগাটা খুবই স্বাভাবিক, পুরুষরা তাগিদ নিয়ে গুরুত্বের, সাথে মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করলেও মেয়েদের বেলায় সঠিক হুকুম কি ? জুমার নামাজ অথবা ঈদের নামাজের জামাতে মহিলাদের শরিক হওয়ার ব্যপারে কি হুকুম ?

মহিলাদের জামাতে নামাজ আদায়ের বিধান সম্পর্কে ইসলামের ফিকহে বিভিন্ন মাযহাবে কিছু পার্থক্য রয়েছে। ফিকহে আহনাফ বা হানাফি মাযহাবের দলিল ও কিতাবের নামসহ বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরছি।

আলোচনার শুরুতেই আমরা জেনে নিই কোরআনুল কারিমে আল্লাহ্ এ ব্যাপারে কি বলেছেন। সূরা আল আহযাবের ৩৩ঃ৩৩ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লা বলেন,
وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَىٰ
(الأحزاب: ٣٣)
অর্থঃ “তোমরা নিজেদের ঘরে অবস্থান কর। মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না”। -সূরা আহযাব ৩৩।

হানাফী ফুকাহাগণ বলেন, এ আয়াত নারীগণের ঘরে অবস্থানের প্রতি উৎসাহ প্রদান করে, যা ইবাদতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

এর পর আমরা জেনে নিবো প্রিয় নবী রাসূলে আরাবি নূর নবী মা-বোনগণের মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ার ব্যাপারে কি বলেছেন, সুনান আবু দাউদ শরীফের ৫৬৭ নং হাদীসের বর্ণনায় জানা যায়, রাসূল ﷺ মহিলাদেরকে মসজিদ সমূহে যাতায়াতে বাধা দিতে নিষেধ করলেও ঘরে নামাজ পড়াকেই উত্তম বলেছেন। রাসূল ﷺ বলেন,

لَا تَمْنَعُوا نِسَاءَكُمُ الْمَسَاجِدَ وَبُيُوتُهُنَّ خَيْرٌ لَهُنَّ
(سنن أبي داود، رقم: ٥٦٧)

অর্থাৎঃ “তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের মসজিদ সমূহে যাতায়াতের বাধা দিও না। কিন্তু তাদের ঘরসমূহই তাদের (নামাযের জন্য)-উত্তম স্থান।”

সুনানে আবু দাউদ, আহকামুল কোরআন, থানভি সহ বাজলুল মাজহুদ এর মতো প্রশিদ্ধ হাদীস গ্রন্থের বরাতে জানা যায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এঁর যুগে নারীদের মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজের অনুমতি থাকলেও তা ছিল কিছু শর্ত সাপেক্ষে। যেমনঃ
ক) সম্পূর্ণ আবৃত ও পূর্ণ শরীর ঢেকে বের হবে।
খ) সেজেগুজে খুশবু লাগিয়ে বের হবে না।
গ) বাজনাদার অলংকার, চুড়ি ইত্যাদি পরে আসতে পারবে না।
ঘ) অঙ্গভঙ্গি করে চলতে পারবে না।
ঙ) পুরুষদের ভিড় এড়িয়ে পাশ কাটিয়ে চলবে।
চ) অপ্রয়োজনে কোনো বেগানা পুরুষের সঙ্গে কথা বলবে না।
ছ) সর্বোপরি তাদের বাহিরে বের হওয়াটা ফেতনার কারণ হবে না।
-সুনানে আবু দাউদ: ৫৬৫, আহকামুল কোরআন, থানভি: ৩/৪৭১, বাজলুল মাজহুদ: ৪/১৬১।

মনে প্রশ্ন জাগাটা অত্যন্ত স্বাভাবিক শর্ত সাপেক্ষে মহিলাদের মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায়ের অনুমতি থাকার পরও কেন রাসূলুল্লাহ ﷺ এঁর ইন্তিকালের পর ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু কেন নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন!! সেই আমলে উম্মত জননী মা আয়েশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু আনহা সহ অসংখ্য জলিলকদর সাহাবিগণ জীবিত ছিলেন। তাঁরা কেউ কোনো প্রতিবাদ করেননি বরংচ কেনো উনারা বিরোধিতা না করে নারীদের মসজিদে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞাকেই যুক্তি যুক্ত মনে করছেন !!! এর উত্তর সহজ!! রাসূলুল্লাহ ﷺ এঁর ইন্তিকালের পর সাহাবিগনের পক্ষ হতে নারীদের মসজিদে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণ হচ্ছে উপরোক্ত শর্তগুলো ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া। এ প্রসঙ্গে হজরত মা আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, 'নারীরা যে অবস্থা সৃষ্টি করেছে, তা যদি রাসূল ﷺ জানতেন, তবে বনি ইসরাইলের নারীদের যেমন নিষেধ করা হয়েছিল, তেমনি তাদেরও মসজিদে আসা নিষেধ করে দিতেন।' -বুখারী শরীফ ৮৬৯।

হানাফী বিশেষজ্ঞ ইমামগণ দশ হাজার হাদীসের বর্ণনাকারী উম্মত জননী হজরত মা আয়েশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহার এ বক্তব্যকে শক্ত দলিল হিসেবে গ্রহণ করেন যে সামাজিক পরিবর্তনের কারণে বিধান পরিবর্তনযোগ্য।

উপরের হাদীসের ব্যাখ্যায় বুখারী শরীফের বিখ্যাত ব্যাখ্যাকার বদরুদ্দিন আইনি (রহ.) লিখেছেন, 'হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাদিয়াল্লাহু আনহা -এঁর এই মন্তব্য তো রাসূলুল্লাহ ﷺ এঁর দুনিয়া থেকে ইন্তিকালের কিছুদিন পরের নারীদের সম্পর্কে। অথচ আজকের যুগের নারীদের উগ্রতা আর পর্দাহীনতা হাজার ভাগের এক ভাগও সে যুগে ছিল না। তাহলে এ অবস্থা দেখে রাসূলুল্লাহ ﷺ কী মন্তব্য করতেন ?' -উমদাতুল কারি ৬/১৫৮।

বর্তমান সময়ে কিছু মুসলিম ভাইয়ের ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেন যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ এঁর সুন্নতকে ডিঙিয়ে কারো কথা মানা উচিত হবে না। নাউজুবিল্লাহ্। এ চিন্তা শুধুমাত্র তাঁদের অজ্ঞতারই প্রতিফলন। সাহাবিগণের সুন্নত কখনো হাদীসের বিরুদ্ধে যায় না, বরং আল্লাহ্ ও রাসূল ﷺ এঁর হক আদায়ে তাঁরাই অগ্রগামী এবং সর্ব শ্রেষ্ঠ।

আমরা অনেকে হয়তো জানিই না বা জানলেও গুরুত্ব দেইনা হাদীস শরীফের পাশাপাশি সাহাবিগণের আমলও দলিলরূপে গণ্য। কেননা তাঁরা ছিলেন সত্যের মাপকাঠি। রাসূল ﷺ সুস্পষ্ট বলেছেন, 'তোমরা আমার পরে খোলাফায়ে রাশেদিনের সুন্নতকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরবে, যেমন মাড়ির দাঁত দিয়ে কোনো জিনিস মজবুতভাবে ধরা হয়।' -আবু দাউদ শরীফ ৪৬০৭।

হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর ইন্তেকালের পর হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু নিজ খেলাফত আমলে যখন মহিলাদের পরিবর্তিত অবস্থা দেখেন এবং ফেতনার আশঙ্কা দিন দিন বাড়তে থাকে, তখন উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.), ইবনে মাসউদ ও ইবনুজ জুবায়ের (রা.) সহ বড় বড় সাহাবায়ে কিরামগণ নারীদের মসজিদে না আসার আদেশ জারি করলেন। অন্য সাহাবায়ে কিরামগণও এ ঘোষণাকে স্বাগত জানালেন। কেননা তাঁরা জানতেন-মহিলাদের মসজিদে আসতে নিষেধ করার মধ্যে রাসূলুল্লাহ ﷺ এঁর নির্দেশের বিরোধিতা করা হয়নি; বরং তাঁর ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে।
বর্তমানে গোটা বিশ্ব জুড়ে অশ্লীলতা আর বেপর্দার ছড়াছড়ি। ফিতনায় যখন পুরো সমাজ জর্জরিত সে মুহূর্তে অবলা মা- বোনদের ছাওয়াবের স্বপ্ন দেখিয়ে মসজিদে আর ঈদগাহে টেনে আনার চেষ্টা বোকামি ছাড়া কিছুই নয়। বর্তমান যুগের নারীগণ কখনোই রাসূলুল্লাহ ﷺ এঁর যুগের নারীগণের সমকক্ষ নন খুব সহজেই বুঝা যায়। তথাপি সে যুগের নারীগণকেই মসজিদে আসতে নিষেধ করেছেন খোদ আমিরুল মো'মিনিন হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু। সুতরাং আমরা বর্তমান এই ফিতনার যুগে মহিলাগণকে মসজিদে ও ঈদগাহে গিয়ে নামাজের জন্য উৎসাহ দিতে পারি না।

মূলত নারীদের মসজিদে যাওয়ার হাদীসগুলোর সঠিক ব্যাখ্যা না জানার কারণেই মূলত বিপত্তিটা বেড়েছে। তাই আসুন এ সম্পর্কিত একটি হাদীস ও তার ব্যাখ্যা জেনে নেই। তাহলে সকল সংশয় দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্।

মুসলিম ও আবু দাউদ শরীফে হজরত ইবনে ওমর (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেন, 'আল্লাহর বান্দিদের আল্লাহর মসজিদ থেকে নিষেধ করো না।' -মুসলিম শরীফ ৪৪২; আবু দাউদ শরীফ ৫৬৬।

উল্লেখিত হাদীসের ব্যাখ্যা হলো, ইসলামের প্রথম যুগে নারীগণ মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চাইলে তাদের নিষেধ করা হতো না। ওই নির্দেশ সাময়িক ও শর্তসাপেক্ষ ছিল। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের কারণে ও মসজিদে নারীরা যাওয়ার শর্ত বিদ্যমান না থাকার কারণে এখন নিষেধ করাটাই সুন্নত। কারণ রাসূল ﷺ এঁর যুগ অহী নাজিলের যুগ ছিল। তাই নারীগণ যাতে বিভিন্ন সময় অবতীর্ণ আয়াত ও শরিয়তের বিভিন্ন বিধান সরাসরি রাসূল ﷺ এঁর কাছ থেকে ভালোভাবে শিখে নিতে পারেন, সেজন্য নারীদের মসজিদে আসতে নিষেধ করা হয়নি। কিন্তু পরে এই প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যাওয়ায় সাহাবায়ে কিরামগণ নিষেধ করে দেন।

আল্লামা ইবনে নুজাইম মিসরি ও আল্লামা হাসকাফি (রহ.) বলেন, বর্তমান যুগে ফেতনার ব্যাপক প্রচলন হওয়ায় ফতোয়া হলো সব নারীর জন্যই সব নামাজ মসজিদে গিয়ে জামাতে আদায় করা মাকরুহে তাহরিমি। -আল বাহরুর রায়েক ১/৬২৭-৬২৮, আদ্দুররুল মুখতার ১/৩৮০।

আমাদের মধ্যে অনেক ভাই বলে থাকেন যে, মক্কা-মদিনার হারামাইন শরিফে নারীরা মসজিদের জামাতে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এখানে কেন নিষেধ হবে? এর উত্তর হলো, আসলে হারামাইনে কিছু বিশেষ প্রয়োজনের কারণে নারীগণের জামাতে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তা হলো, নারীদের যেহেতু মক্কা শরীফের মসজিদে হারামে তাওয়াফের জন্য আসতে হয় এবং মদীনার মসজিদে নববিতে জিয়ারতের জন্য তাঁরা এসে থাকেন। এ অবস্থায় নামাজের আজান হয়ে গেলে আর বের না হয়ে তাঁরা মসজিদের জামাতে অংশগ্রহণ করে থাকেন। ওলামায়ে কিরামগণ এর অনুমতি দিয়েছেন। তবে শুধু কেবল জামাতে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে নারীদের হারামাইন শারীফাইনে যাওয়ার অনুমতি নেই। বর্তমানে না জেনে অনেক মহিলা শুধু নামাজের জন্যই হারামাইনে উপস্থিত হয়ে থাকেন, তা ঠিক নয়। -ইলাউস সুনান:৪/২৩১।

নারীদের নামাজ সংক্রান্ত অসংখ্য হাদীস আছে, যেগুলোতে তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের মসজিদে আসতে নিরুৎসাহী করা হয়েছে।

আবু দাউদ শরীফের ৫৭০ নং সহিহ হাদীসে হজরত আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,

صَلَاةُ الْمَرْأَةِ فِي بَيْتِهَا خَيْرٌ مِنْ صَلَاتِهَا فِي حُجْرَتِهَا، وَصَلَاتُهَا فِي حُجْرَتِهَا خَيْرٌ مِنْ صَلَاتِهَا فِي دَارِهَا
অর্থাৎঃ "নারীর নিজ ঘরে (সাধারণ স্থান) সালাত আদায় করা তার উঠান বা কামরায় সালাত আদায় করার চেয়ে উত্তম। আর নারীর ঘরে (সাধারণ স্থান) সালাত আদায় করার চেয়ে তার ঘরের ভেতরের নির্জন প্রকোষ্ঠে/বেডরুম) সালাত আদায় করা আরও উত্তম"।

অন্য বর্ণনায় হজরত উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন, 'নারীদের ঘরে নামাজ পড়া ঘরের বাইরে নামাজ পড়ার চেয়ে উত্তম' -আল মু'জামুল আওসাতঃ ৯১০১।

মুসনাদে আহমদ ২৬৫৪২ নং হাদীসে উম্মে সালামা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন, 'নারীদের নামাজের উত্তম জায়গা হলো তাদের ঘরের নির্জন কোণ।' (হাদীসটি হাসান)

আবু হুমাইদ আল সাঈদি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, একবার উম্মে হুমাইদ নামক একজন মহিলা সাহাবি রাসূলুল্লাহ ﷺ এঁর কাছে গিয়ে বললেন, 'হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার সঙ্গে নামাজ আদায় করতে আগ্রহী।' রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, 'আমি জানি তুমি আমার সঙ্গে নামাজ আদায় করতে পছন্দ করো। কিন্তু তোমার জন্য বড় কামরার তুলনায় ঘরের অন্দরমহলে নামাজ পড়া উত্তম। আবার বড় কামরায় নামাজ পড়া উত্তম বারান্দায় নামাজ পড়ার চেয়ে। তোমার মহল্লার মসজিদের চেয়ে বারান্দায় নামাজ আদায় করা উত্তম। মহল্লার মসজিদ উত্তম, আমার মসজিদের (মসজিদে নববির) চেয়ে।' এ কথা শোনার পর উম্মে হুমাইদ রাদিয়াল্লাহু আনহা তাঁর ঘরের নির্জন স্থানে একটি নামাজের স্থান বানাতে নির্দেশ দিলেন। সেখানেই আজীবন নামাজ আদায় করেছেন। এ অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। -মুসনাদে আহমদ ২৭০৯০; ইবনে খুজাইমা ১৬৮৯, হাফেজ ইবনে হাজার (রহ.)-এঁর মতে হাদীসটি হাসান। ফাতহুল বারি: ২/২৯০)

আবু মুসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেন, 'জামাতে জুমার নামাজ পড়া প্রত্যেক মুসলমানের ওপর অকাট্য ওয়াজিব, তবে ক্রীতদাস, নারী, শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তির ওপর ওয়াজিব নয়।' (আবু দাউদ: ১০৬৭ (হাদীসটি ইমাম বুখারী ও মুসলিম (রহ.)-এঁর শর্ত অনুযায়ী সহিহ; আল মুস্তাদরাক: ১/২৮৮)

উল্লিখিত হাদীসগুলো থেকে এ বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়ে যায় যে, পুরুষদের দায়িত্ব পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে পড়া, আর মহিলাগণের দায়িত্ব হলো ঘরে নামাজ পড়া। এছাড়াও রাসূলুল্লাহ ﷺ এঁর যুগে মহিলাগণের জন্য জামাতে শরিক হওয়া ওয়াজিব, সুন্নত বা অত্যাবশ্যকীয়ও ছিল না; বরং শুধু অনুমতি ছিল। তবে সেটিও ছিল অপছন্দের সঙ্গে এবং শর্তসাপেক্ষে।

ফতোয়ায়ে আহনাফ বা হানাফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফতোয়ার কিতাবগুলোতে কি মত প্রকাশ করা হয়েছে আসুন তাও আমরা জেনে নিই।

হানাফী আইনশাস্ত্রের অন্যতম প্রভাবশালী কিতাব (ফিকহ্) হিসাবে বিবেচিত আল-হিদায়ার লেখক হানাফী মাজহাবের একজন ইসলামী পণ্ডিত ইমাম মারঘীনানী রহমতুল্লাহ আলাইহি’র আল-হিদায়া নামক গ্রন্থে লিখেছেনঃ
وَيُكْرَهُ خُرُوجُ الشَّوَابِّ إِلَى الْمَسْجِدِ لِلصَّلَاةِ لِمَا فِيهِ مِنْ خَوْفِ الْفِتْنَةِ
(الهداية، كتاب الصلاة)
যুবতী নারীর মসজিদে যাওয়া মাকরূহ; কারণ এতে ফিতনার আশঙ্কা আছে।

হিজরীর ৬ষ্ঠ শতকের বিশিষ্ট আইনজ্ঞ 'আলা' আল-দীন আল-কাসানী সামারকান্দি রহমতুল্লাহ আলাইহি’র তুহফাত আল-ফুকাহা'র ব্যাখ্যা হিসাবে লিখিত ‘বাদাই আল-সানাই' তারতিব আশ-শরা'ই' (ধর্মীয় -আইনি বিধিবিধানের বিন্যাসে বিস্ময়কর শৈল্পিকতা) গ্রন্থে আল-দীন আল-কাসানী সামারকান্দি রহমতুল্লাহ আলাইহি বলেনঃ
وَأَمَّا فِي زَمَانِنَا فَيُكْرَهُ خُرُوجُهُنَّ إِلَى الْجَمَاعَةِ لِظُهُورِ الْفَسَادِ وَكَثْرَةِ الْفِتْنَةِ
(بدائع الصنائع، كتاب الصلاة)
বর্তমান সময়ে মহিলাদের জামাতে উপস্থিতি মাকরূহ্; কারণ এতে ফিতনা ও অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ের আশঙ্কা থাকে।

খুব প্রসিদ্ধ একটি ফতোয়ার কিতাব ফতোয়ায়ে আল হিন্দিয়ায় বলা হয়েছেঃ
وَيُكْرَهُ لِلشَّابَّةِ خُرُوجُهَا إِلَى الْمَسْجِدِ لِلصَّلَاةِ
(الفتاوى الهندية، كتاب الصلاة)
যুবতীদের মসজিদে যাওয়া মাকরূহে তাহরীমী।

হানাফী মাযহাবের সবচাইতে প্রসিদ্ধ ফতোয়ার কিতাব ‘রদ্দুল মুহতার আলা দুররুল মুখতার’ (ফাতাওয়ায়ে শামী)। লেখক: ইবনে আবেদীন রহমতুল্লাহ আলাইহি তাঁর ‘রদ্দুল মুহতার আলা দুররুল মুখতার’ ফাতাওয়ায়ে শামীতে উল্লেখ করেছেন,
وَفِي زَمَانِنَا يُمْنَعْنَ لِفَسَادِ الزَّمَانِ
(رد المحتار على الدر المختار)
“আমাদের সময়ে মহিলাদের মসজিদে যাওয়া নিষিদ্ধ হওয়ার নিকটবর্তী; কারণ ব্যাপক ফিতনা।”

হানাফী মাযহাবের মত অনুযায়ী মহিলাদের মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে মূল হুকুমঃ
▪️মহিলাদের জন্য ঘরে নামাজ আদায় করা উত্তম ও অধিক ছাওয়াবের।
▪️তরুণী ও যুবতী মহিলাদের জন্য মসজিদে জামাতে যাওয়া মাকরূহে তাহরীমী (যা নিষিদ্ধের কাছাকাছি)।
▪️বয়স্ক (বৃদ্ধা) মহিলাদের জন্য ফিতনার আশঙ্কা না থাকলে তবেই কিছু ক্ষেত্রে অনুমতি আছে।
▪️বর্তমানে ফিতনার আশঙ্কা অধিক হওয়ায় সাধারণভাবে মসজিদে জামাতে না যাওয়াই উত্তম ও প্রাধান্যপ্রাপ্ত মত।

আল ইসলাম জহুরীয়া
ইসলামী গবেষণা কেন্দ্র
উত্তর বাহেরচর, তারানগর
কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ।

25/02/2026

শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন
আলহামদুলিল্লাহ্। ২০২৫ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় আল ইসলাম জহুরীয়া ট্রাস্ট কর্তৃক প্রতিষ্টিত আল ইসলাম জহুরীয়া হাজী আইনউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী পঞ্চম শ্রেণীতে ২ জন এবং দাখিল অষ্টম শ্রেণীতে ১ জন বৃত্তি পেয়েছে। বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকগনের প্রতি আমাদের প্রাণ ঢালা শুভকামনা অভিনন্দন এবং দোয়া।

মেধার লালন, উন্নত চরিত্র গঠন ও মানবিক যোগ্যতা বিকাশের প্রত্যয়েই হোক আপনাদের আগামীর পথচলা। সফলতায় ভরে উঠুক আপনাদের দুনিয়া ও আখিরাত।

18/02/2026

রোজার নিয়ত। আল্লাহ্ আমাদের রোজাগুলো আল্লাহর রাজি খুশি অনুযায়ী রাখার তাউফিক দান করুন।

18/02/2026

আপনার যাকাত-ফিতরা আমাদের সকলের প্রিয় প্রতিষ্ঠান আল ইসলাম জহুরীয়া কমপ্লেক্স’র যাকাত তহবিলে দানের আবেদন।
জনাব/জনাবা, আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু। আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন, ঐতিহ্যবাহী জহুরীয়া দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব কিবলা ওলীয়ে কামিল আলহাজ্ব হযরত মাওলানা প্রফেসর মোঃ জহুরুল ইসলাম আল কাদেরী রহমতুল্লাহ আলাইহি’র স্বরণে প্রতিষ্ঠিত সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক দ্বীনি সংস্থা আল ইসলাম জহুরীয়া কমপ্লেক্স। এ দ্বীনি মারকাজ পরিচালিত এতিমখানা, নূরানী মক্তব নাজেরা বিভাগ সহ হাফিজীয়া মাদ্রাসা, আলিয়া মাদ্রাসা ও দুস্হ অসহায় মানুষের কল্যাণে পরিচালিত সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্যে আপনাদের দান, মান্নাত, যাকাত-ফিতরা-সদকা ও কুরবানীর চামড়া বিক্রয়ের টাকা সহ অন্যান্য সহযোগিতা আগের তুলনায় কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা আজ সময়ের দাবিতে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে পরিচালিত বিভিন্ন প্রকল্প গুলো বাস্তবায়নে ও সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করতে আপনাদের ব্যাপক সহযোগিতা অনস্বীকার্য।
বিশেষতঃ অনেক সংখ্যক অভিভাবক কর্মহীন ও স্বল্প আয়ের হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীগণের বেতন পরিশোধ করতে পারছেন না। অনেকে অর্থাভাবে ছেলে মেয়েদের ড্রেস বানিয়ে দিতে পারছেননা।
স্থানীয় ভাবে উল্লেখযোগ্য কোন প্রকার সহযোগিতা আসেনা বললেই চলে। আপনারা সহ দরবার শরীফের মুহিব্বীন, আশেকীন, জাকেরীন, শাকেরীন ও শুভাকাঙ্ক্ষী গণের বিদ্যমান সহযোগিতার উপর ভিত্তি করেই কমপ্লেক্স এর বিভিন্ন প্রকল্প সমূহ পরিচালিত হয়।
আপনাদের সদয় অবগতির জন্যে আরো জানাচ্ছি, মাদ্রাসার এতিম, দরিদ্র ও অসহায় ছাত্রদের থাকা-খাওয়া, লেখা-পড়া, পোশাক-পরিচ্ছদের জন্য যাকাত-ফিতরা-সদকা ও কুরবানীর চামড়া বিক্রয়ের টাকা পৃথক ভাবে এবং দান-অনুদান, মান্নাতের টাকার হিসাব পৃথক ভাবে সংরক্ষণ করে যোগ্য আলেমগণের পরামর্শে খরচ করে আসছি।

আমরা জানি আপনারা আপনাদের যাকাত ফিতরা বা অনুদান আপনাদের নিকট আত্মীয়দের বা বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত দান করে থাকেন। তাই দ্বীন-দরদী মুসলমান ভাই হিসেবে আপনাদের খিদমতে বিনীত নিবেদন- ত’লিবুল ইলম- মেহমানে রাসূল ﷺ গণের সাহায্য ও সহানুভূতির মাধ্যমে মহান সদকায়ে জারীয়ার কাজে শরীক হোন। পবিত্র মাহে রমজানের ৭০ গুণ বেশী ছাওয়াব ও দ্বীনী নুসরতে সদকায়ে জারীয়ার অসীম ছাওয়াব হাসিলের জন্য, রমজানের পবিত্র মাসে আমরা আপনার দান-সদকা, যাকাত-ফিতরাসহ সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করি।
বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আপনার দানের হাত প্রসারিত করার সবিনয় অনুরোধ করছি।
আমরা আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আল্লাহ্ আপনাদের এ দান সদকায়ে জারীয়া হিসেবে কবুল করুন এবং আরো বেশী সহযোগিতার তৌফিক দিন। আমীন।

সকল দান অনুদান পাঠানোর
বিকাশ পার্সোনাল নংঃ
+880 17 3538 7654
নগদ পার্সোনাল নংঃ
+880 17 6090 8468

Al Islam Zahuria Hazi
Ayinuddin Dakhil MadrasAH
Islami Bank Bangladesh Limited.
Aminbazar Branch.
C/AC: 20501510100189214

18/02/2026

রমজানের রোজার ১০ টি ফজিলত

যে ব‍্যক্তি ইমানের সাথে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই রমজানের রোজা রাখবেন আল্লাহ তাঁকে দশটি স্পেশাল পুরস্কার দান করবেন। সুবহানাল্লাহ্।

১) যে ব‍্যক্তি রমজানের রোজা রাখবে আল্লাহ পাক তাঁর সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন। সুবহানাল্লাহ্।
২) যে ব‍্যক্তি রমজানের ১টি রোজা রাখবেন অতঃপর মারা যাবেন ঐ ব্যক্তি জান্নাত বাসী হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ্।
৩) যে ব‍্যক্তি রমজানের রোজা রাখে ঐ ব্যক্তির মর্যাদা এতটাই বেড়ে যায় ঐ ব্যক্তির মুখের গন্ধটা আল্লাহর কাছে মেস্ক আম্বরের চাইতেও প্রিয় হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ্।
৪) যে ব‍্যক্তি রমজানের রোজা রাখবেন এবং রোজ অবস্থায় যে দোয়া করবেন আল্লাহ তাঁর সে দোয়া কবুল করবেন। সুবহানাল্লাহ্।
৫) যে ব‍্যক্তি রমজানের রোজা রাখবেন কিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তির জন্য রোজা সুপারিশ করবে। রোজা শাফায়াত করে জান্নাতে পৌঁছে দিবে। রোজা আল্লাহর সাথে তর্ক শরু করবে। সুবহানাল্লাহ্।
৬) যে ব‍্যক্তি রমজানের রোজা রাখবেন জান্নাতের রাইয়ান নামক একটি স্পেশাল গেট দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। সুবহানাল্লাহ্।
৭) যে ব‍্যক্তি রমজানের রোজা রাখবেন এবং রোজা অবস্থায় ইন্তিকাল করবেন ঐ ব্যক্তির মৃত্যুটাকে আল্লাহ সাহাদাৎ এর মর্যাদা দান করবেন। ঐ ব্যক্তি কবরে জান্নাতি খাবার দ্বারা কিয়ামত পর্যন্ত মেহমানদারিতে ধন্য হবেন। সুবহানাল্লাহ্।
৮) যে ব‍্যক্তি রমজানের রোজা রাখবেন তাঁর হাশর হবে নাবীইন, সিদ্দিকীন, শোহাদান, সালেহীন গনের মতো উচ্চ মানের জান্নাতি মেহমানগনের সাথে। সুবহানাল্লাহ্।
৯) যে ব‍্যক্তি রমজানের রোজা রাখবেন ঐ ব‍্যক্তির জন‍্য বিশেষ ২ টি সম্মাননা-
ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয় এবং আখিরাতে রোজাদার তার রবকে দেখতে পাবেন। সুবহানাল্লাহ্।
১০) যে ব‍্যক্তি রমজানের রোজা রাখবেন আল্লাহ্ তাকে নিজে তার প্রতিদান দান করবেন বা আল্লাহ পাক নিজেই তাঁর হয়ে যাবেন। সুবহানাল্লাহ্।

আল্লাহ আমাদেরকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রোজা রাখার তাউফিক দান করুন। আমীন।

11/01/2026

আসসালামু আলাইকুম,
সম্মানিত সুধী,
আপনি জেনে অত্যন্ত খুশি হবেন যে,
আমাদের শ্রদ্ধেয় হুজুর কিবলা জহুরীয়া দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, মুক্তির পথ প্রদর্শক, কোরআন ও হাদিসের আলোকে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব বিশ্লেষণকারী জাহেরী ও বাতেনী ইলমের আলোক বর্তীকা, ইসলামী জাগরণের অগ্রদূত, শির্ক ও বিদ-আতের মূল উৎপাটনকারী, সমাজ সংস্কারক, ফুরফুরা শরীফের খলিফা, ভূতপূর্ব অধ্যাপক-পদার্থবিজ্ঞান ও উপাধ্যক্ষ-সরকারী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, পীরে কামেল, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা অধ্যাপক মোঃ জহুরুল ইসলাম আল কাদেরী রহঃ এঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও আধ্যাত্মিক সাধনার হেদায়েতের মারকায ঐতিহ্যবাহী জহুরীয়া দরবার শরীফ এর ২২ তম বার্ষিক ঈছালে ছাওয়াব মাহফিল ২০২৬ আগামী ০৬ ফেব্রুয়ারি, রোজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ্।

তারিখঃ
🔹০৩ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার বাদ আসর হতে ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ঈসায়ী শুক্রবার
সকাল পর্যন্ত তা’লীমি মাহফিল।

🔹০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ঈসায়ী শুক্রবার বাদ মাগরিব হতে ওয়াজ ও ঈছালে ছাওয়াব মাহফিল।

স্থানঃ “আল ইসলাম জহুরীয়া হাজী আইনউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গন, ইসলামবাগ রোড, উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।

উক্ত মাহ্ফিলে স্ববান্ধব উপস্থিত হয়ে আল্লাহ্পাক ও রাসূলে করিম সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর মহব্বত হাসিল করুন।

-আরোজগুজারে-
শাহ্ সূফী আলহাজ্ব প্রফেসর মোঃ ফজলে ইলাহী
পীর কিবলা,
জহুরীয়া দরবার শরীফ
ইসলামবাগ রোড, উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।

Photos from Al Islam Zahuria Hazi Ayinuddin Dakhil Madrasa's post 02/01/2026

বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০২৬ ঈসায়ী, পহেলা জানুয়ারি, রোজ বৃহস্পতিবার।
আল ইসলাম জহুরীয়া হাজী আইনউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে সংক্ষিপ্ত আয়োজনে এবার বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক, আল ইসলাম জহুরীয়া কমপ্লেক্স এর সহ-সভাপতি জনাব আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন ছাহেব।

🎥 হযরত মাওলানা মুফতি
মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন

02/01/2026

রজব মাসের মর্যাদা ফজিলত ও আমল সমূহ

আলহামদুলিল্লাহ্, মহান আল্লাহ তা’য়ালার কোটি কোটি শুকরিয়া যিনি রজব মাস পর্যন্ত আমাদেরকে পৌছে দিয়েছেন। সম্মান, প্রজ্ঞার দাবি অনুযায়ী আল্লাহ তায়ালা কিছু মাস ও দিবসকে অন্যান্য মাস ওদিবসের ওপর মর্যাদাপূর্ণ করেছেন। তেমনই একটি তাৎপর্যমণ্ডিত মাস হলো পবিত্র মাহে রজব। যেমাস আমরা উপনিত হয়েছি।
‘রজব’ শব্দের অর্থ সম্মানিত। জাহেলিয়াতের যুগে আরবরা এ মাসকে অন্য মাসের তুলনায় অধিকসম্মান করত। এ জন্য তারা এ মাসের নাম রেখেছিল ‘রজব’।
পবিত্র কোরআনে বছরের ১২ মাসের মধ্য থেকে রজবসহ চারটি মাসকে ‘আশহুরে হুরুম’ তথাসম্মানিত মাস ঘোষণা করা হয়।
এ সম্পর্কে আল্লাহ তা’লা পবিত্র কোরআনুল কারীমে ইরশাদ করেছেনঃ
‘নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লহর কাছে গণনায় মাস ১২টি, তন্মধ্যে চারটি(সম্মানিত হওয়ার কারণে) নিষিদ্ধ মাস, এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। -সূরা তাওবা, আয়াতঃ ৩৬।
নিষিদ্ধ ও সম্মানিত মাসগুলোর মধ্যে রজব একটি।
পরবর্তি আয়াতে আল্লাহ পাক নিষিদ্ধ ও সম্মানিত মাস সমূহে নিজেদের প্রতি জুলুম করতে নিষেধ করেছেন।
হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, প্রিয় নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
‘আল্লাহ তায়ালা যেদিন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিন যেভাবে সময় নির্ধারিত ছিল তাফিরে এসেছে। ১২ মাসে এক বছর। এর মধ্যে চার মাস নিষিদ্ধ ও সম্মানিত। তিন মাস পরপরজিলকদ, জিলহজ ও মহররম এবং অপর মাস হলো মুজার গোত্র যাকে রজব মাস বলে জানে। যাজমাদিউসসানি ও শাবানের মধ্যবর্তী মাস।’ -বুখারি শরিফ, হাদিস নং- ৪৩৮৫; মুসলিম শরিফ, হাদিস নং -১৬৭৯।
ইমাম আবুবকর জাসসাস (রহ.) বলেন, ‘এসব মাসে ইবাদতের প্রতি যত্নবান হলে, বাকি মাসগুলোয়ইবাদত করা সহজ হয়। আর এ মাসগুলোতে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকলে অন্য মাসেও গুনাহ থেকেবেঁচে থাকা সহজ হয়। -আহকামুল কোরআন, ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৬৩। তাই আশহুরে হুরুমের অন্তর্গতরজব মাসের মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে অধিক যত্নবান হতে হবে।
রজব মাসের ফজিলত সম্পর্কে একটি সুপ্রসিদ্ধ হাদিস, জলিলুল কদর সাহাবি হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন,
রজব মাস শুরু হলে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দোয়া পড়তেনঃ
اللهم بارك لنا فى رجب وشعبان وبلغنارمضان.
‘আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রাজাবাও ওয়া শা’বান ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।’ অর্থঃ ‘হেআল্লাহ আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করে দিন। আর আমাদের রমজান মাসপর্যন্ত পৌঁছে দিন।’ -নাসায়ী শরিফ, হাদিস নং ৬৫৯; মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং ২৩৪৬।

রজব মাসের প্রথম রাতটি অত্যন্ত বরকতময়। মহিমান্বিত রজব মাসের প্রথম রজনী বছরের পাঁচটিদোয়া কবুলের রাত্রির মধ্যে একটি। যে মাসকে আল্লাহর মাস বলা হয়েছে। যে মাসে সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যুদ্ধ-বিগ্রহ হারাম।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ‘(দুনিয়াতে) পাঁচটি রাত এমন আছে; যে রাতগুলোতে বান্দার দোয়া আল্লাহ তা’আলা ফিরিয়ে দেন না। অর্থাৎ বান্দার দোয়া কবুল করেন। রাতগুলো হলোঃ

১) (সপ্তাহিক) জুমআর রাত
২) রজব মাসের প্রথম রাত
৩) শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাত (শবে বরাত)
৪) ঈদুল ফিতরের রাত।
৫) ঈদুল আজহার রাত।
(মুসান্নেফে আবদুর রাজ্জাক)

প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-‘যে ব্যক্তি রজব মাসে (ইবাদত দ্বারা অন্তরের) জমিন চাষাবাদ করল না আর শাবান মাসে (ইবাদতের মাধ্যমে মনের) জমিন আগাছামুক্ত করল না; সে রমজান মাসে (ইবাদতের) ফসল তুলতে পারবে না।’ (বায়হাকি শরীফ)

এ থেকে অনুধাবন করা যায়, মুমিন জীবনে মাহে রজবের গুরুত্ব কত অপরিসীম। রজব মাস এত ফজিলতপূর্ণ হওয়ার কারণ এ মাসে উল্লেখযোগ্য একাধিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এ মাসের ২৬তারিখ রাতে আল্লাহতা’য়ালা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মিরাজের মাধ্যমে তাঁর দিদার দিয়েছেন। তাই এ মাস এত মর্যাদাপূর্ণ। তাছাড়া পবিত্র হাদিসের কিতাবগুলোতে ও রজব মাসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এঁর অধিক নফল ইবাদতের বর্ণনা পাওয়া যায়। এ থেকেও রজব মাসের বিশেষত্ব প্রমাণিত হয়।’

গুনাহের দ্বারা কলুষিত আমাদের অন্তর আত্মাকে পবিত্র তাওবার মাধ্যমে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে নিতে হবে এ রজব মাসে।
হজরত আবু বকর বলখি (রহ.) বলেন, ‘রজব ফসল রোপণের মাস, শাবান ফসলে পানি সেচ দেওয়ার মাস আর রমজান হলো ফসল তোলার মাস। তিনি আরও বলেন, ‘রজব মাস ঠাণ্ডা বাতাসের মতো, শাবান মাস মেঘমালার মতো। আর রমজান মাস হলো বৃষ্টির মতো’ -লাতায়েফুলমা’আরেফ-১৪৩।

প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রজব মাস থেকেই মাহে রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। অধিকনফল রোজা ও ইবাদতে কাটাতেন রজব ও শাবান মাসে।

তাই আমাদেরও কর্তব্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ অনুসরণ করে রজব মাসেরহক আদায় করা। ফরজ ইবাদতগুলো যথাযথ পালন করে বেশী বেশী নফল নামাজ ও রোজা রাখাএবং বেশী বেশী নফল ইবাদতে মশগুল হয়ে গুনাহ্ হতে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে নিজের ওপর জুলুম হয়ে না যায়। জুলুম অর্থ গুনাহ, পাপাচার ও অন্যায়-অপরাধ করা। সবচেয়ে বড় জুলুম হচ্ছে শিরক করা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই শিরক অনেক বড় জুলুম ও অন্যায়।’ -সুরাঃ লোকমান, আয়াতঃ ১৩।
আল্লাহ আমাদের অধিক আমল করার তৌফিক দান করুন। আমাদের হায়াতকে রমজান পর্যন্ত পৌছে দিন আমীন।

02/01/2026

পহেলা জানুয়ারি ২০২৬ ঈসায়ী, রোজ বৃহস্পতিবার।
সারা দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর সাথে সাথে আল ইসলাম জহুরীয়া হাজী আইনউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হলো বই বিতরণ ২০২৬ ও ছবক প্রদান অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের মাঝে সরকারের বিনামূল্যে বিতরণের বই বিতরণ করা হয়েছে এ দিন।

তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে সংক্ষিপ্ত আয়োজনে এবার শিক্ষার্থীগণকে ছবক প্রদান ও বই বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক, আল ইসলাম জহুরীয়া কমপ্লেক্স এর সহ-সভাপতি জনাব আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন ছাহেব।

🎥 হযরত মাওলানা মুফতি
মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন

20/12/2025

ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!! ভর্তি চলছে!!!
❇️ আবাসিক ❇️ অনাবাসিক ❇️
আল ইসলাম জহুরীয়া হাজী আইনউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসা এবং আল ইসলাম জহুরীয়া হাফিজীয়া মাদ্রাসায় সিমিত আসনে ভর্তি চলছে ! যোগাযোগঃ +880 18 2388 6661
(দ্বীনি ও সময় উপযোগী সৃজনশীল শিক্ষার সমন্বয়ে পরিচিত একটি ব্যতিক্রমধর্মী আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)

💢 মাদ্রাসার সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন যোগ‍্য ওলামাকিরামগণ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষানুরাগী শাহ্ সূফী আলহাজ্ব প্রফেসর মোঃ ফজলে ইলাহী মা.জি.আ, সাবেক অধ্যাপক সরকারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রিন্সিপাল ক্যমব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ, এডুকেশন এডভাইজার, ইউনাইটেড ট্রাস্ট, জামালপুর, সভাপতি, আল ইসলাম জহুরীয়া কমপ্লেক্স, অন‍্যতম খলিফা, জহুরীয়া দরবার শরীফ।

💢 মাদ্রাসার অন্যতম বিশেষ বৈশিষ্ট্যঃ
কেরাণীগজ্ঞ উপজেলায় একমাত্র প্রথম প্রতিষ্ঠান যেখানে করোনা কালিন লকডাউন শুরুর দ্বিতীয় দিন হতে শহরের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের ন্যায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে রুটিন করে নিয়মিত অনলাইন ক্লাসে পাঠদান, পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়নের ব্যাবস্থা চলমান আছে।

💢 মাদ্রাসার অন্যান্য বৈশিষ্ট্য সমূহঃ
-------------------------——-

💢 আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের সহীহ আকিদা সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ।
💢 সুন্নাহ মাফিক আমলি জিন্দেগী গঠনের প্রশিক্ষণ।
💢 পাঁচ ওয়াক্ত নামায তাকবীরে উলার সাথে জামায়াতে আদায়।
💢 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ঢাকা কর্তৃক অনুমোদিত পাঠ্যক্রম।
💢 উচ্চতর যোগ্যতা সম্পন্ন ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পরিচালিত।
💢 আরবি ও ইংরেজি ভাষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ।
💢 মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাঠদান।
💢 ডিজিটাল এটনডেন্ট মেশিন দ্বারা ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি দিনের হাজিরা গণনা।
💢 শ্রেণী কক্ষে প্রত‍্যেক প্রিয়ডে হাজিরা গণনা।
💢 সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানটি সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
💢 ২ হাজারেরও অধিক বই সম্বলিত পাঠাগারে বই, দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকা পড়ার সুবিধা।
💢 দুর্বল ছাত্র-ছাত্রীর জন্য বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা।
💢 ইংরেজী, অংক ও আরবী শিক্ষার ঘাটতি পূরণে বিশেষ অতিরিক্ত ক্লাস এর ব্যবস্থা।
💢 নিয়মিত সাপ্তাহিক ও ক্লাসটেষ্ট এবং সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা পরিচালনা।
💢 অভিজ্ঞ কারীগনের তত্ত্বাবধানে প্রতি রমজানে ২৬ দিন ব্যাপী সহীহ্ সুদ্ধ ভাবে তাজবিদ সহ কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা।
💢 স্কুল থেকে আগত আরবীতে দুর্বল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত আরবী ক্লাসের ব্যবস্থা।
💢 ছাত্র-ছাত্রীদের সুষ্ঠ সৃজনশীল মেধা বিকাশে নিয়মিত ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং প্রতিযোগিতার আয়োজন।
💢 সাপ্তাহিক জলসার আয়োজন করে ছাত্র-ছাত্রীদের বক্তব্য প্রদানের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার ব্যবস্থা।
💢 মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীর জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ এবং পোষাক বিতরণ।
💢 ৫ম PSC, ৮ম JDC ও ৯ম শ্রেনীতে ভর্তি ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ সুযোগ সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা।
💢 প্লে-গ্রুপ (শিশু শ্রেণী) হতে নবম শ্রেনী পর্যন্ত
💢 ৫ম PSC, ৮ম JDC ও দাখিল পরীক্ষায় ১০০% পাশের নিশ্চয়তা।
💢 বোর্ড পরীক্ষায় ঈর্ষনীয় ফলাফল অর্জনে ছাত্র - শিক্ষকদের পরিশ্রম ও সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সফলতা ছিনিয়ে আনার চেষ্টা।
💢 সাপ্তাহিক জলসার মাধ্যমে ছাত্রদের সুপ্ত মেধার বিকাশ সাধন।
💢 দলীয় রাজনীতিমুক্ত পরিবেশ।
💢 শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ।প্রয়োজনে আবাসিক এলাকায় মাদ্রাসার নিজস্ব ফোন ব্যবহারের সুব্যবস্থা।
💢 স্বল্প খরচে নিজস্ব কম্পিউটার ল্যাবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।

আপনার সন্তানকে এ মাদ্রাসায় ভর্তি করে দ্বীনি ও সৃজনশীল শিক্ষায় সুশিক্ষিত হওয়ার এবং আদর্শ জীবন গড়ার সুযোগ দিন।
উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা। ফোনঃ +8801823886661




#মদীনা

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Islambugh, Uttar Baherchar, Taranagar, Keranigong
Dhaka
1312

Opening Hours

Monday 08:20 - 15:50
Tuesday 08:20 - 15:50
Wednesday 08:20 - 15:50
Thursday 08:20 - 12:50
Saturday 08:20 - 15:50
Sunday 08:20 - 15:50