05/04/2019
শোক বার্তা ...
শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু It is the student wing of the Bangladesh Awami League.
Bangladesh Chhatra League (BSL) is the largest, oldest and drastic student political party in Bangladesh. Its motto is "Education | Peace | Prosperity" and its slogan is "Joy Bangla - Joy Bangabandhu". Bodiuzzaman Shohag and Siddique Nazmul Alam are the president and General Secretary of the present Committee of 'Bangladesh Chhatra League'.Md.Waliur Rahman Shibly and Riyaz mahmud are the president
05/04/2019
শোক বার্তা ...
18/01/2019
জীবন আর যৌবনের থেকে বেশি প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ....
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আগামী কাল আনন্দর্যালী ...
আদাবর থানা ছাত্রলীগ এর অর্ন্তগত সকল ইউনিট কে মিছিল নিয়ে সকাল ৮ টার মধ্যে আদাবর থানা ছাত্রলীগের অফিসে উপস্থিত থাকার জন্য আহবান করা হলো ...
৭০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আনন্দর্যালী সফল হোক ...
ধন্যবদান্তে
সভাপতি / সাধারন সম্পাদক
আদাবর থানা ছাত্রলীগ
ঢাকা মহানগর উত্তর ।
07/09/2017
আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে খুনি সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও ফাঁসি চাই ...
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা-১৩ আসন (মোহাম্মদপুর,আদাবর ও শের-ই-বাংলা নগর) ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত ছাত্র সমাবেশ আগামীকাল বাদ মাগরিব সন্ধ্যা ৭ টায় সূচনা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত হবে ...
ছাত্র সমাবেশ সফল করার জন্য আদাবর থানাধীন ৩০ ও ১০০ নং ওয়ার্ড ও এর সকল ইউনিট কে সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে সূচনা কমিউনিটি সেন্টারে উপস্থিত থাকার জন্য আহবান জানানো হলো ....
সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক
আদাবর থানা ছাত্রলীগ
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ
13/04/2017
ভূলি নাই,ভূলবো না ও ভূলা সম্ভব না ...
যা'র হাত ধরে ছাত্ররাজনীতি'তে এসেছিলাম ...
যা'র কাছ থেকে শিক্ষা পেয়েছিলাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার ...
রাজপথে লড়াই,সংগ্রাম ও আন্দোলনের সঠিক ভাবে নেতৃত্ব দেয়ার ...
তৎকালীন(সাবেক) ৪৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগে'র সফল ও সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ অহিদুজ্জামান রুমিছ ভাই ...
২০১০ সালের ১৩ এপ্রিল সন্ত্রাসী'দের হাতে নিহত হয় ...
আজ প্রানপ্রিয় বড়ভাই সৈয়দ অহিদুজ্জামান রুমিছ ভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকী ...
আমি ... আমরা আদাবর থানা ছাত্রলীগ এর প্রতিটি কর্মি অহিদ ভাইয়ের রুহের মাগফেরাত কামনা করি ...
06/03/2017
চারিদিকে উত্তাল জনতা কখন কবি আসবে!
জনতার ঢেউ ভেঙে আস্তে আস্তে কবি মঞ্চের দিকে আসলেন।
শোনালেন তার অমর কবিতা খানি,,,,
এবারের সংগ্রাম
আমাদের মুক্তির সংগ্রাম
এবারের সংগ্রাম
স্বাধীনতার সংগ্রাম।।
শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসের প্রথম প্রহরে মোহাম্মদপুর,আদাবর ও
শের-ই-বাংলা নগর থানা ছাত্রলীগের আয়োজনে মোমবাতি প্রজ্জলনের প্রোগ্রাম উপলক্ষে আগামী কাল সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে আদাবর থানা ছাত্রলীগের অফিসে এক প্রস্তুতি সভার আহবান করা হইলো ...
আদাবর থানা ছাত্রলীগের সকল নেতা- কর্মি কে উক্ত সভা'র ১৫ মিনিট পূর্বে আদাবর থানা ছাত্রলীগের অফিসে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হলো ...
ধন্যবদ্ধান্তে
মো:ওয়ালিউর রহমান শিবলী রিয়াজ মাহমুদ
সভাপতি সাধারণ সম্পাদক
আদাবর থানা শাখা ছাত্রলীগ
ঢাকা মহানগর উত্তর, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ।
02/11/2016
আপনাদের জন্য আমরা গর্বিত ....
আপনারা দেখিয়ে দিয়ে গেছেন বিশ্বস্ততার অর্থ কি...
সবাই আপনাদের মত হয় না ....
সকল রাজনৈতিক'দের সাথে আপনাদের মত কিছু লোক থাকুক সেই কামনায় ....
পরম শ্রদ্ধাজ্ঞলী ....
জাতীয় চার নেতার প্রতি ....
৩রা নভেম্বর, জেল হত্যা দিবসে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক জাতীয় ৪ নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী ।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে আ’ লীগের সভাপতি-সম্পাদক ছিলেন যারা
২০১৬ অক্টোবর ২১ ২২:৩০:২৯
ঢাকা: প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৯টি জাতীয় সম্মেলন হয়েছে আওয়ামী লীগের। এই সম্মেলনে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে কার্যনির্বাহী কমিটি পর্যন্ত নির্বাচিত হয়েছেন শত শত নেতা। তবে এখন পর্যন্ত সভাপতি হয়েছেন ৭জন।
এর মধ্যে বর্তমান সভাপতি শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ ৭বার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ৩বার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
এছাড়া আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ২বার এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও আবদুল মালেক উকিল একবার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। আর সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন একবার নির্বাচিত হয়েছেন দলের আহ্বায়ক।
এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ৯ জন। সবচেয়ে বেশি ৪বার করে হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিল্লুর রহমান। এছাড়া তাজউদ্দিন আহমেদ ৩বার, আবদুর রাজ্জাক ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ২বার করে, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক এবং আবদুল জলিল একবার করে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে জন্ম নেয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। পরে ১৯৫৫ সালের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে সব ধর্ম, বর্ণের প্রতিনিধি হিসেবে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয় আওয়ামী লীগ।
শুরু থেকেই মাঠ পর্যায় থেকে উঠে আসা নেতারা নেতৃত্ব দিয়েছেন দলটিকে। প্রভাবশালী বা অভিজাত হিসেবে পরিচিতরা সেভাবে আসেনি এই দলে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত দলটির ১৯টি নিয়মিত জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে দলটিতে আসেন নতুন মুখ।
পাকিস্তান আমল
আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে প্রথম জাতীয় সম্মেলনে প্রতিনিধি ছিল প্রায় ৩০০ জন। উদ্বোধনী ভাষণ দেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। পরে প্রতিনিধিদের সমর্থনে ৪০ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক হন শামসুল হক, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক হন শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৫৩ সালের ৩ থেকে ৫ জুলাই মুকুল সিনেমা হলে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় সম্মেলন। এই সম্মেলনেও সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা ভাসানী। আর দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদটি পান শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৫৫ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর রূপমহল সিনেমা হলে তৃতীয় সম্মেলনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয় দলের। দলের নাম থেকে একটি ধর্মের নাম বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে আওয়ামী লীগের। এ সম্মেলনে প্রথমকবারের মত পাঁচজন নারীও অংশ নেন। এ সম্মেলন পুনরায় নির্বাচিত হন মাওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
Sponsored by Revcontent
From The Web
Generate A High-Quality User Experience with Revcontent
১৯৫৭ সালে চতুর্থ সম্মেলনের আগে দলের মধ্যে বিভক্তির পর আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন মাওলানা ভাসানী। ১৩ জুন আরমানিটোলার নিউ পিচকার হাউজে এবং পরদিন গুলিস্তান সিমেনা হলে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রতিনিধি ছিল আটশত জন। এ প্রতিনিধিদের ভোটে মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
দলের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। ৬ মার্চ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিল প্রায় এক হাজার। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হন মাওলানা তর্কবাগীশ ও শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৬৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনটি ছিল আওয়ামী লীগের জন্য ঐতিহাসিক একটি সম্মেলন। এ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর ছয়দফা দলীয় ফোরামে পাস হয়। ১৮ থেকে ২০ মার্চ হোটেল ইডেনে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান। আর প্রথমবারের মতো সাধারণ সম্পাদক হন তাজউদ্দীন আহমেদ। এতে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটের সংখ্যা ছিল এক হাজার ৪৪৩ জন।
১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কারাগারে আটক তখন অনুষ্ঠিত হয় দলের সপ্তম জাতীয় সম্মেলন। ১৯ থেকে ২০ অক্টোবর হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। এক হাজার চারশত ৫৩ জন কাউন্সিলর ও ডেলিগেট এতে অংশ নেন। এতে আবার শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি ও তাজউদ্দীন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক পুনঃনির্বাচিত হন।
১৯৭০ সালের উত্তাল সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের অষ্টম জাতীয় সম্মেলন। এ সম্মেলনের মাধ্যমে ছয় দফা ও ১১ দফা গ্রহণ করে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নেয়। ৭০ সালের ৪ থেকে ৫ জুন হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে কাউন্সিলর ছিল এক হাজার ১৩৮ জন। কাউন্সিলরদের ভোটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি ও তাজউদ্দীন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
স্বাধীন বাংলাদেশে সম্মেলন১৯৭২ সালের ৭ থেকে ৮ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের প্রথম এবং সব মিলিয়ে নবম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১১২, সার্কিট হাউজ রোডে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন এবং পুনর্বাসনসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের জন্য শপথ নিয়ে এ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি ও জিল্লুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
আওয়ামী লীগের ১০ম জাতীয় সম্মেলন ১১২ সার্কিট হাউজ রোডে দলীয় কার্যালয়ে সামনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। সম্মেলনের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এতে এ এইচ এম কামরুজ্জামান সভাপতি ও তাজউদ্দীন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারের নিহত হওয়ায় তৎকালীন সামরিক সরকারের ভয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা ঘরছাড়া হয়। এতে নেতৃত্ব শূন্য হয় দলটি। এমন একটি পরিস্থিতিতে ১৯৭৭ সালের ৩ থেকে ৪ এপ্রিল হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে দলের ১১তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে কাউন্সিলর ছিলেন প্রায় এক হাজার ৪০০ জন এবং ডেলিগেটও সমসংখ্যক ছিল। এতে দলের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন।
এর পরের বছর ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয় দলটির ১২ তম জাতীয় সম্মেলন। ৩ থেকে ৫ মার্চ হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে প্রায় এক হাজার ৫০০ কাউন্সিলর এবং সমসংখ্যক ডেলিগেট নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় এ সম্মেলনটি। এতে সভাপতি নির্বাচিত হন আবদুল মালেক এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবদুর রাজ্জাক।
শেখ হাসিনা যুগ
১৯৮১ সালের ১৩ তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। দলীয় ঐক্যধরে রাখার জন্য এ সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্বে আনা হয় বঙ্গবন্ধু কন্যাকে। ৮১ সালের ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিল তিন হাজার ৮৮৪ জন। সভায় শেখ হাসিনা সভাপতি ও আব্দুর রাজ্জাক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ১৯৮২ সালে আব্দুর রাজ্জাক দলত্যাগ করলে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। দলের নেতৃত্ব পাওয়ার পর দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।
১৯৮৭ সালের ১ থেকে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের ১৪ তম জাতীয় সম্মেলন। এতে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিল প্রায় চার হাজার। সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
এরপর ১৯৯২ সালের ১৯ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে দলের ১৫তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ দুই থেকে বাড়িয়ে তিন বছর মেয়াদী করা হয়। এতে কাউন্সিলর ছিল প্রায় দুই হাজার ৫০০ ও ডেলিগেটও ছিল সম সংখ্যক। এতে শেখ হাসিনা সভাপতি ও জিল্লুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৯৭ সালের অনুষ্ঠিত ১৬ তম জাতীয় সম্মেলন আওয়ামী লীগের জন্য বিশেষ গুরুত্বের। কারণ প্রায় ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসার পর অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সম্মেলন। ৬ থেকে ৭ মে আউটার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে কাউন্সিলর ছিল দুই হাজার ৫১৬ এবং ডেলিগেটও ছিল সমসংখ্যক। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুনঃনির্বাচিত হন শেখ হাসিনা ও জিল্লুর রহমান।
২০০২ সালে আওয়ামী লীগ যখন বিরোধী দলে তখন পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় দলের ১৭ তম জাতীয় সম্মেলন। এ সম্মেলনে সভাপতি শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আব্দুল জলিল।
২০০৭ সালের পটপরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে দলটি। এরপর ২০০৯ সালের ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হয় দলটির ১৮তম জাতীয় সম্মেলন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে দলের নেতৃত্বে বেশকিছু পরিবর্তন হয়। দল থেকে বাদ পড়েন এক এগারো সময়ের বিতর্কিতরা। এ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
২০১২ সালে ২৯ ডিসেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয় দলটির ১৯তম জাতীয় সম্মেলন। সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুনর্নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।