মুফতী মুহাম্মাদ আলী কাসেমী

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • মুফতী মুহাম্মাদ আলী কাসেমী

মুফতী মুহাম্মাদ আলী কাসেমী পরিচিত প্রিয়দের কাছাকাছি থাকতে চেষ্টা করা। নিজের কিছু প্রিয় কথা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া।
(1)

হে প্রিয়!*“আপনি থাকবেন তো…?”======================কেন যেন বারবার মাথার ভেতর এসব কথা ঘুরপাক খাচ্ছে ও হৃদয়টা কয়লার মতো ...
03/12/2025

হে প্রিয়!
*“আপনি থাকবেন তো…?”
======================
কেন যেন বারবার মাথার ভেতর এসব কথা ঘুরপাক খাচ্ছে ও হৃদয়টা কয়লার মতো নীরবে জ্বলছে…
কেন জানি ক্ষণে ক্ষণে বুকটা আমার হাহাকার করে উঠছে...!

প্রিয়তম ভাই আমার!
আপনিও তো রাহমানিয়ার সন্তান—
আপনার কি এমন হয় না?
আপনার বুকেও কি এমন একটা তীব্র টান অনুভূত হয় না, যেন কেউ ভেতর থেকে ডাকছে......!!!????

আগামী ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ রোজ শনিবার।
পৃথিবীর অন্য সবার কাছে একটা তারিখ মাত্র—
কিন্তু আমার কাছে এটি যেন আত্মার এক ডাকের দিন!

বাংলাদেশের ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জামিআ রাহমানিয়া আরাবিয়ায় শিক্ষার আলো বহন করে বেরিয়ে আসা উলামা-ফুযালাদের নিয়ে গঠিত আমাদের প্রিয় সংগঠন সংগঠন
“রাবেতায়ে আবনায়ে রাহমানিয়া”—
আয়োজন করেছে ১৪তম বার্ষিক ফুযালা সম্মেলন।

আলহামদুলিল্লাহ!
সব প্রস্তুতিই সম্পন্ন।
সাজানো-গোছানো প্রতিটি কোণ যেন নিঃশব্দে বলছে—
“আসো সন্তানরা, তোমাদের অপেক্ষায় আছি!”

আর আমাদের আসাতিযায়ে কেরাম....?
আহ!
তাঁরা তো বছরের পর বছর ধরে আমাদের জন্যই যেন অপেক্ষা করছেন—
৩৬৫টা দিন,
৮,৭৬০ ঘন্টা,
৫২,৫৬,০০০ মিনিট,
৩১,৫৩,৬০০ সেকেন্ড…
প্রতিটি সেকেন্ডই যেন ভরপুর ছিল আমাদের ফেরার আশায়।

যে উস্তাযিণ আমাকে হরফ চিনিয়েছেন,
যে উস্তাযগণ আমায় মমতা দিয়ে আরবি ব্যাকরণ শিখিয়েছেন,
যে উস্তাযিণ আমার ব্যাকরণ ভুল করলে রাগে নয়—শাসনের চোখ ভরে তাকাতেন…
যে উস্তাযগণ আমাকে পবিত্র কুরআনে কারীমের সূরা মুখস্থ করাতেন ঘুম-ভাঙা কণ্ঠে,
যে উস্তাযগণ আমার জন্য নিজ সন্তান থেকেও বেশি দুআ করতেন…
আজ সে উস্তাযগণই আমাকে খুঁজছেন!
বারবার বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পাঠাচ্ছেন—
“কোথায় আমার ছাত্র? কোথায় আমার সন্তান?”

উস্তাযরা নিজেদের ব্যক্তিগত প্রোগ্রামগুলো বাতিল করেছেন,
নিজ হাতে স্বাক্ষর করা চিঠি আমাকে পাঠিয়েছেন,
দরস বন্ধ রেখেছেন শুধু এই আশায়—
কিছুক্ষণ আমাকে দেখে বলবেন,
“বেটা, কেমন আছো? তোমাকে খুব মনে পড়ে…”

আর আমি?
অথচ আমি!
এই আমিই…
ব্যস্ততার বাহানা দিচ্ছি।

নামায পড়ানো, বয়ান করা, স্ত্রী-সন্তানের দায়িত্ব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান—
এসব অজুহাতে নিজেকে সান্ত্বনা দিচ্ছি।
কিন্তু ওহ!
এই নামায আমাকে কে শিখিয়েছেন?
এই বয়ান, এই ইলম—আমি কোথা থেকে পেয়েছি?
স্ত্রী-সন্তানের হক,
ব্যবসার হালাল-হারাম—
সবই তো সেই উস্তাযদের শিক্ষা!

তাহলে আজ আমি কোন মুখে বলি—
“ব্যস্ত আছি”?
এটা কি আত্মকেন্দ্রিকতা?
এটা কি অহংকার?
নাকি অকৃতজ্ঞতার চরম রূপ?
নিমকহারাম তো নই আমি?

তবুও বুকটা কাঁদছে,
মাথাটা ঘুরপাক খাচ্ছে,
চোখের কোনে অদৃশ্য পানি জমে উঠছে।

প্রিয় ভাই আমার!
আপনি তো আমারই মতো রাহমানিয়ার সন্তান—
আপনার কি এমন হয় না?

ওই স্মৃতির সিঁড়ি বেয়ে উঠে আপনার বুকেও কি আগুনের মতো একটা টান লাগে না?

আজ আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
*আমি অবশ্যই আমার উস্তাযগণের আহ্বানে ২৭ ডিসেম্বরের ফুযালা সম্মেলনে লাব্বাইক বলে উপস্থিত থাকব।*
হাজির হবই—ইনশাআল্লাহ!

কারণ,
যে উস্তায আমাকে মানুষ বানিয়েছেন—
তাদের ডাকে কেমনে না ছুটে যাই,
তাহলে আমি তাদের কেমন ছাত্র?

আপনিও থাকবেন তো…?

আমার চোখ দুটো ভিজে আসছে—
বলুন তো, আপনি থাকবেন তো? ইনশাআল্লাহ্

আমাদের উস্তাযদের মুখে আজও যে আলো দেখছি,
সেই আলো কি অন্ধকারে নিভে যেতে দেবেন?

বলুন… আপনি যাবেন তো?

মুফতী মুহাম্মাদ আলী কাসেমী
০৩.১২.২০২৫ ঈসায়ী বুধবার

*পর্দার ক্ষেত্রে মেয়েদের হাত-পা ঢেকে রাখার বিধান:*নারীদের জন্য মূলত বাহিরে বের হওয়ার সময় দুই হাত ও  দুই পায়ে মোজা পর...
30/10/2025

*পর্দার ক্ষেত্রে মেয়েদের হাত-পা ঢেকে রাখার বিধান:*

নারীদের জন্য মূলত বাহিরে বের হওয়ার সময় দুই হাত ও দুই পায়ে মোজা পরিধান করা কিংবা হাত পা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা সর্বাবস্থায় মুস্তাহাব। কিন্তু ফিতনার আশঙ্কা থাকলে তা ওয়াজিব হয়ে যায়। এটিই চার মাযহাবের সিদ্ধান্ত।
*উল্লেখ্য যে, এই যামানা মোটেও ফিতনামুক্ত নয়। আজ থেকে বহু বছর পূর্বে আমাদের সালাফাগণ তাদের এই যামানাকে ফিতনাময় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সেদিক বিবেচনায় এই যামানা তো তাদের চেয়ে অধিক ফিতনাময়।*
তাই নারীর হাত পাও তারা পর্দা করার ব্যাপারে উৎসাহিত করেছেন।

আল্লামা ইবনে কুদামাহ্ রা. আর মুগনিতে ইমাম মারদাউই রা. থেকে উদ্ধৃত করে বলেছেন,,,

"স্বাধীন নারী পুরোপুরি আওরাহ্ এবং কি তার নখ ও চুল‌ও।"

ইবনে তাইমিয়াহ্ রা. বলেন,,,

"হাদীস দ্বারা এ কথা প্রমাণিত যে, ইহারাম অবস্থায় নারীদের জন্য দস্তানা,মোজা ও নিকাব পরিধানের অনুমতি নেই। এটাই ইঙ্গিত বহন করে যে, ইহরামে না থাকা অবস্থায় নিকাব, হাত-পা মোজা, (পর্দার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে) পরিধেয়। থেকে বোঝা যায় যে সাহাবিয়াতগণ তাদের মুখ ও হাত ঢেকে রাখতেন।"

সুতরাং নারীদেরকে গাইরে মাহরাম পুরুষদের সামনে নিজের হাত পা ঢাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‌ তবে এর অর্থ এই নয় যে, তাকে হাত-পা মোজা দিয়েই ঢাকতে হবে। সে তার পোশাকের কিছু অংশ হাতের উপর ঝুলিয়ে দিতে পারে এবং যদি তার মাঝে মাঝে মোজা করার প্রয়োজন হয় এবং এটা তার পক্ষে কিছুটা কঠিন হয় তাহলে সেটা সহ্য করবে এবং এর জন্য আল্লাহ্ তা'আলার কাছে প্রতিদান আশা করবে। ‌

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালামের সময় নারীগণ নিজেদের পোশাককে এমনভাবে নিচের দিকে ঝুলিয়ে দিতেন, যাতে পদযুগল প্রকাশিত হয়ে না যায়। এমন কি নিচের দিকে ঝুলিয়ে দেয়ার কারণে কাপড়ের নিচের দিকে মাটি থেকে ময়লা লেগে যেত। একজন নারী রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সে বিষয়ে জিজ্ঞেস করেন। তখন তিনি বলেন,,,"পরবর্তীতে যা (কাপড়ে) লাগে তা সেটাকে পবিত্র করে দেয়।"

মোট কথা হাত পা দিয়েও একজন নারীর সৌন্দর্য নির্ণয় করা যায় এবং ফাসেক লোকেরা তা দ্বারাও নিজেদের খাহেশ পূরণ করে নারীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে চেষ্টা করে থাকে। এজন্য বাইরে বের হলে আপাদমস্তক ঢেকে রাখতে পারাটাই সবচেয়ে নিরাপদ।
আল্লাহ তাআলা সহজ করে দেন ও কবুল করে নেন। আমীন

https://chat.whatsapp.com/K0WBg5AsnDqKHdcJb55MHQ?mode=wwt

Address

Dhaka
DHAKA

Telephone

+8801717940254

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মুফতী মুহাম্মাদ আলী কাসেমী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to মুফতী মুহাম্মাদ আলী কাসেমী:

Shortcuts

Share