Department of Petroleum and Mining Engineering,MIST

Department of Petroleum and Mining Engineering,MIST

Share

A page to keep you PME'S updated with the latest news about petroleum & mining. Also about the inner

Photos 10/10/2019

Our very own Farzana Mubassira Adrita of Level 4 is one of the member of Team LAISTER. They are the only Bangladeshi Team competiting in this prestigious international competitions. To win the competition, they need our support. Please leave a like or reaction on the original post.

Who is Laister?
Laister is a small-scale portable digester that converts organic waste to fuel and fertiliser by utilising household waste.

Why Laister?
Laister aims to create an energy-efficient green city by providing people with an affordable and clean source of energy, reducing the energy crisis and creating a healthier community.

Seminar and Job Fair 02/10/2019

A seminar on " Sustainable Energy Sectors Development: its Challenges and Energy Security of Bangladesh" and Job Fair was successfully organized by Department of Petroleum and Mining Engineering, MIST on October 1 2019, where the chief guest was Dr.Tawfiq-e-Elahi Chowdhury, the Hon'ble Energy Adviser to the Hon'ble Prime Minister.

29/09/2019

Seminar on -
Sustainable Energy Sectors Development and Energy Security of Bangladesh
&
Job Fair

1 October
at MIST Campus

Photos from Department of Petroleum and Mining Engineering,MIST's post 22/08/2019

A two-days training programme on Geophysical method and uses of Geophysical instruments was conducted by the officials of Geological Survey of Bangladesh at their head quarter on 21-22 August ,2019 for the students of Level-2 of department of Petroleum and Mining Engineering, MIST. First day of the workshop was about theoretical lectures about geophysical methods and second day was about practical lessons about geophysical instruments and visit to their insightful library and museum.

PME Department MIST is grateful to Geological Survey of Bangladesh for their cordial and helpful behaviour throughout this training programme. May this professional and educational relationship grow stronger.

Photos from Department of Petroleum and Mining Engineering,MIST's post 13/07/2019

A field visit at Titas Gas Field was arranged by Department of Petroleum & Mining Engineering with help and supervision of Bangladesh Gas Fields Company Limited (BGFCL) on 13 July 2019 where students of level 1 and 2 were guided through the gas field and explained the whole working process at Titas Gas Field Location-B from the officials of the company.

N.B: Any photo at the main Gas Field premises was prohibited.

Photos from Department of Petroleum and Mining Engineering,MIST's post 12/07/2019

A guest lecture on "Concept of Long Wall Mining Method" was conducted by Md. Jobair Ali, Deputy General Manger, BCMCL arranged by Department of Petroleum & Mining Engineering, MIST on 11 July, 2019.

18/06/2019

দিনাজপুরে দেশের প্রথম লোহার খনি আবিষ্কার

‘খনিটির ব্যাপ্তি ৬-১০ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে স্বর্ণের অস্তিত্বের পাশাপাশি কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে। ১ হাজার ১৫০ ফুট গভীরতায় চুনাপাথরের সন্ধানও মিলেছে।’


দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ইসবপুর গ্রামে দেশে প্রথমবারের মতো উন্নত মানের লোহার আকরিকের (ম্যাগনেটাইট) খনি আবিষ্কার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের (জিএসবি) কর্মকর্তারা দুই মাস ধরে কূপ খনন করে অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ১৮ জুন, মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তারা জানান, ভূগর্ভের ১ হাজার ৭৫০ ফুট নিচে ৪০০ ফুট পুরুত্বের লোহার আকরিকের একটি স্তর পাওয়া গেছে। যা এক ব্যতিক্রমী ঘটনা।

খনন কাজে নিয়োজিত জিএসবির উপপরিচালক মোহাম্মদ মাসুম বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, “বিশ্বের যে কয়েকটি দেশে লোহার খনি আবিষ্কার করা হয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশের আকরিকে লোহার শতাংশ ৬৫-এর ওপরে। কানাডা, চীন, ব্রাজিল, সুইডেন ও অষ্ট্রেলিয়ার খনির লোহার মান ৫০ শতাংশের নিচে। জয়পুরহাটে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) পরীক্ষাগার থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।”

“খনিটির ব্যাপ্তি ৬-১০ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে স্বর্ণের অস্তিত্বের পাশাপাশি কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে। ১ হাজার ১৫০ ফুট গভীরতায় চুনাপাথরের সন্ধানও মিলেছে,” যোগ করেন তিনি।

মোহাম্মদ মাসুম আরও জানান, জিএসবি ২০১৩ সালে ইসবপুর গ্রামের ৩ কিলোমিটার পূর্বে মুশিদপুর এলাকায় কূপ খনন করে খনিজ পদার্থের সন্ধান পেয়েছিল। সেই গবেষণার সূত্র ধরে চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল থেকে ইসবপুরে কূপ খনন শুরু করা হয়। এরপর ১ হাজার ৩৮০ থেকে দেড় হাজার ফুট গভীরতা পর্যন্ত খননকালে আশার আলো দেখা যায়। এ খবর পেয়ে ২৬ মে জিএসবির মহাপরিচালক জিল্লুর রহমান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখানে পরিদর্শনে আসেন।

খন জিল্লুর রহমান সাংবাদিকদের সুখবর না দিলেও লোহার খনি আবিষ্কার হতে চলেছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

এ অঞ্চলটি ৬০ কোটি বছর আগে সমুদ্র ছিল। সেই কারণে এখানে জমাট বাঁধা আদি শিলার ভেতরে লোহার আকরিকের এ সন্ধান পাওয়া যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা সদর থেকে ১১ কিলোমিটার পূর্বের গ্রাম ইসবপুরের কৃষক ইছাহাক আলীর কাছ থেকে ৫০ শতক জমি ৪ মাসের জন্য ৪৫ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে খনিজ পদার্থের অনুসন্ধানে কূপ খনন শুরু করেছিল জিএসবি।

জিএসবির উপপরিচালক মাসুদ রানা জানান, ৩০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল ৩ ধাপে এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

Photos from Department of Petroleum and Mining Engineering,MIST's post 30/05/2019

Guest lecture on "Presentation on Liquefied Natural Gas (LNG)" was conducted by Engr. Md. Rafiqul Islam , General Manager (LNG), Rupantarita Prakritik Gas Company Limited (RPGCL), Petrobangla on 14 May 2019 at Multipurpose Hall, MIST arranged by PME Department MIST.

Photos from Department of Petroleum and Mining Engineering,MIST's post 26/05/2019

ISCEA PTAK GLOBAL CASE COMPETITION is an international supply chain case competition. This year in the regional competition of Bangladesh, 8 teams out of 350 teams got 100% scholarship. One of those teams had our very own Saiful Islam Nakib from level 2 and Mamun Hasan Rifat from level 4.

Congratulations to them both and their team MXUB-0114-19 along with Shahriar Islam Showruv and Sadia Afroj Chandra from University of Dhaka.

17/05/2019

*বাখরাবাদের বন্ধ থাকা কূপে গ্যাসের সন্ধান*

বুধবার উৎপাদন শুরু * দৈনিক ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে * দৈনিক আরও ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের ১নং কূপের দুটি নতুন স্তরে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। সফল ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে বুধবার থেকে এই কূপ থেকে পুনরায় গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়েছে।

প্রাথমিক অবস্থায় এই কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। কূপটির ওয়ার্কওভার কাজের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মীর মো. আশরাফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ওয়েল হেডে অর্থাৎ কূপের মাথায় প্রায় ১৯৫০ পিএসআই (পাউন্ড প্রতি বর্গ ইঞ্চি) গ্যাস প্রবাহের চাপ রয়েছে। এছাড়া কূপটি ওয়ার্কওভারের সময় ২০০০ মিটার থেকে ২০০৬ মিটার গভীরতায় আরেকটি পরীক্ষামূলক উৎপাদন পরিচালনা করা হলে সেখানেও গ্যাস পাওয়া যাবে- যা থেকে দৈনিক কমপক্ষে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি লিমিটেডের আওতায় বাস্তবায়িত ‘তিতাস, হবিগঞ্জ, নরসিংদী ও বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডে ৭টি কূপের ওয়ার্কওভার’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই কূপের ওয়ার্কওভার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৫ মে পর্যন্ত ওয়ার্কওভার কার্যক্রম চলে।

জানা গেছে, বাখরাবাদ ১নং কূপটি পাকিস্তান আমলে (১৯৬৮ সালে) শেল অয়েল লিমেটেড নামে একটি কোম্পানি ২৮৩৮ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খনন করে। খননকালে ১৭৮৯ মিটার থেকে ২৫০০ মিটার গভীরতার মধ্যে মুখ্য ও গৌণ ক্যাটাগরির মোট ১০টি ( অ, ই, ঈ, উ, ঋ, এ, ঔ, ক এবং খ) আলাদা আলাদা গ্যাস স্তরের অস্তিত্ব মেলে। এসব গ্যাস স্তরের কয়েকটি থেকে পরীক্ষামূলক উৎপাদনও (ডিএসটি) পরিচালিত হয়।

এক পর্যায়ে কূপটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। ১৯৮১ সালে কূপটিতে প্রথম ওয়ার্কওভার সম্পন্ন করে ওই গ্যাস স্তর থেকে দৈনিক সর্বোচ্চ ৩৩ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। কিন্তু অতিরিক্ত পানি উৎপাদন এবং চাপ হ্রাসের কারণে ২০১৫ সালে কূপটিতে গ্যাস উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের চরম গ্যাস সংকট নিরসনে উৎপাদন বন্ধ থাকা কূপগুলো পুনরায় উৎপাদনে আনার সম্ভাব্যতার বিষয়ে পেট্রোবাংলা থেকে একটি কারিগরি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়। কমিটি বাখরাবাদ ১নং কূপটি ১৯৫০ মিটার থেকে ১৯৭০ মিটার গভীরতায় বিদ্যমান স্তরে ওয়ার্কওভারের সুপারিশ করে। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা যায়, কুপটিতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ আছে প্রায় ১১১ বিসিএফ। এই গ্যাসের ৮০ শতাংশ রিকভারি বিবেচনায় কূপ থেকে ৮৮ বিসিএফ গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত হয়। তারপর শুরু হয় ওয়ার্কওভারের কাজ। দীর্ঘ ৪ মাস নানা কারিগরি জটিলতা শেষে ৫০ বছরের বেশি পুরাতন কূপটির ওয়ার্কওভারের কাজ শেষ হয়।

সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে তীব্র গ্যাস সংকট চলছে। এ কারণে অনেক জায়গায় শিল্পের চাকা ঘুরছে না। গ্যাস না থাকায় হাজার হাজার কোটি টাকা ভুর্তকি দিয়ে এলএনজি (তরলিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি করতে হচ্ছে। কিন্তু তারপরও সংকট কমছে না। গ্যাস সংকটের কারণে এখনও দেশজুড়ে শিল্প কারখানাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক শিল্প কারখানা তৈরি হয়ে থাকলেও গ্যাস সংযোগ না থাকায় উৎপাদনে যেতে পারছে না। অনেক জায়গায় পাইপলাইন না থাকায় শিল্প কারখানায় গ্যাস সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, দেশজুড়ে চলমান এই সংকটের মধ্যে বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের ১নং কূপের দুটি নতুন স্তরে গ্যাসের সন্ধান পাওয়ায় শিল্পে গ্যাস সংকট কিছুটা হলেও দূর হবে। প্রাথমিকভাবে ১৫ মিলিয়ন গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হওয়ায় হবিগঞ্জ ও জালালাবাদ এলাকার নতুন শিল্পে গ্যাস সংযোগ দেয়া সম্ভব হবে।

সোর্সঃ যুগান্তর

Thanks to Jumman Al Jawad sir for sharing this excellent news with us

30/04/2019

তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে দেশের প্রতিষ্ঠান যে কাজ ৯ লাখ বা সর্বোচ্চ ১৩ লাখ টাকায় করতে পারে, হুবহু সেই একই কাজ করতে বিদেশি কম্পানির প্রয়োজন হয় ক্ষেত্রবিশেষে ৮০ লাখ থেকে দুই কোটি টাকা কিংবা তারও অধিক। এ উদাহরণ প্রতি কিলোমিটার ত্রিমাত্রিক জরিপের।

তবে এ খাতের বিশেষজ্ঞদের সাম্প্রতিক সময়ে আশঙ্কা, নানা প্রকল্পে এমন সাশ্রয়ী উদাহরণ তৈরি করায় বাপেক্স এখন বহু শত্রুর মুখোমুখি। বাপেক্সকে অকার্যকর করে দিতে চলছে গভীর চক্রান্ত।
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দেশ ও জাতির প্রত্যাশা ও অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন বাপেক্সের এক দল তরুণ কর্মকর্তা, ভূতত্ত্ববিদ ও ভূপদার্থবিদ, যাঁরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ ডিগ্রিধারী এবং মেধাবী। যাঁদের নিয়ে গড়ে উঠেছিল ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) সাইসমিক জরিপদল। তাঁদের নিরলস কাজের ভিত্তিতেই দেশের একের পর এক গ্যাসক্ষেত্রে ত্রিমাত্রিক জরিপকার্য সম্পাদন করা হয়। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ এসব তরুণের অনেকেই বিদেশি প্রতিষ্ঠানের বেশি বেতনের কাজ ছেড়েছেন, কেউ উপেক্ষা করেছেন সেই হাতছানি। তাঁদের ব্রত ছিল দেশের উন্নয়নে তথা তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও আবিষ্কারে তাঁদের অবদান বা ভূমিকা রাখা এবং বিদেশি কম্পানির লোভনীয় প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বাপেক্সের থ্রিডি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কাজের মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করা; যাঁদের মধ্যে ছিল না কোনো আর্থিক লোভ বা দুর্নীতির কোনো ছায়া।

তাঁরা নতুন নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার, পুরনো গ্যাসক্ষেত্রে নতুন স্তরে গ্যাসের সন্ধানের মাধ্যমে গ্যাস মজুদ বৃদ্ধিসহ কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্রে গভীর স্তরে (৫০০০ মি.-৭৫০০ মি.) এবং ভূতাত্ত্বিক কাঠামোতে সম্ভাব্য গ্যাসের স্তর নির্ণয় করেছেন, যা নিঃসন্দেহে দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্রে ত্রিমাত্রিক জরিপ সম্পন্ন করার পর ৩০টি কূপ খননের জন্য ড্রিলিং লোকেশন প্রদান করেছেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্রে ১২টি কূপ খনন করা হয়, যার মধ্যে ১০টি কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন করা হয়েছে এবং দুটি কূপ থেকে কোনো গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব হয়নি। তাঁরা মাঠ-ঘাট, বন-জঙ্গল, পাহাড়-পর্বত, রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাঠপর্যায়ে দিনের পর দিন স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করেছেন।
আর তরুণ কর্মকর্তাদের এসব কাজ সরেজমিন প্রত্যক্ষ করেছিল দেশের বেশির ভাগ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া এবং তাঁদের করেছিল প্রশংসিত। তাঁদের কর্মের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে ও আন্তর্জাতিকভাবে বাপেক্সের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়। আর তাঁদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ থ্রিডি দলকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে নবম বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠানে ‘গণিত উৎসব সম্মাননা ২০১০’ প্রদান করা হয়। পরবর্তী সময়ে রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্রে থ্রিডি সার্ভে কার্যক্রম অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে সম্পাদনের জন্যও থ্রিডি দলকে তৎকালীন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন। পাশাপাশি বাপেক্সের পরিচালনা পর্ষদও এক মাসের মূল বেতনের অর্থ বোনাস হিসেবে প্রদান করে। এ ছাড়া সে সময়ে থ্রিডি দলকে রোটারি ক্লাব, উত্তরা শাখা তাদের ‘ভোকেশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি ২০১১’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্রেস্ট ও সম্মাননা প্রদান করে। এসব অর্জন ঘটেছিল সবার চোখের সামনে, যা নিঃসন্দেহে বাপেক্সের এই তরুণদলকে দারুণভাবে উজ্জীবিত করেছিল।

বাংলাদেশে প্রথম থ্রিডি সাইসমিক সার্ভে কর্মকাণ্ডের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৯ সালে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথিতযশা কম্পানি গ্র্যান্ট জিওফিজিক্যালের হাত ধরে। সে সময় ১৬২ বর্গকিলোমিটার থ্রিডি কার্য সম্পাদন করে, যাতে প্রতি বর্গকিলোমিটার সার্ভে, ডাটা প্রসেসিং এবং ইন্টারপ্রিটেশনে খরচ হয়েছিল ১৬ লাখ টাকা। একই কম্পানি ২০০২ সালে বাঙ্গুরা গ্যাসক্ষেত্রে ২৫০ বর্গকিলোমিটার কাজ সম্পাদন করে, যেখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারের খরচ হয়েছিল ২৩ লাখ টাকা। পরবর্তী সময়ে বিদেশি কম্পানি ২০০৮ সালে মৌলভীবাজার গ্যাসক্ষেত্রে ১৫০ বর্গকিলোমিটার থ্রিডি কার্যক্রম সম্পন্ন করে, যার জন্য প্রতি বর্গকিলোমিটারে খরচ হয়েছিল ৬০ লাখ টাকা। সর্বোপরি জিওকাইনেটিকস (গ্র্যান্ট জিওফিজিক্যাল) ২০১৩ সালে জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে ৩৮০ বর্গকিলোমিটার থ্রিডি কার্যক্রম সম্পন্ন করে, তখন খরচ হয়েছিল প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৮০ লাখ টাকা।

নরওয়েজিয়ান জিওফিজিক্যাল কম্পানি পিজিএস ২০০৪-০৬ সময়কালে ছাতক গ্যাসক্ষেত্রে (২০০ বর্গকিলোমিটার) এবং বাঙ্গুরা গ্যাসক্ষেত্রে (৪১৬ বর্গকিলোমিটার) থ্রিডি কার্যক্রম সম্পন্ন করে, যার ব্যয় ছিল প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১৮ লাখ টাকা। সম্প্রতি বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এলাকায় সাড়ে চার বর্গকিলোমিটার থ্রিডি কার্য সম্পাদন করেছে বিজিপি চায়না পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, সেখানে প্রতি বর্গকিলোমিটার কাজে খরচ হয়েছে দুই কোটি ৮৫ লাখ টাকা। সর্বশেষে বিশ্ববিখ্যাত ফ্রান্সের কম্পানি সিজিজি ভেরিটাস ছয় বর্গকিলোমিটার থ্রিডি কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে, যার জন্য প্রতি বর্গকিলোমিটার কাজে ব্যয় হয়েছে দুই কোটি ৭০ লাখ টাকা। পাশাপাশি বাপেক্স ২০১০-১২ সময়কালে পাঁচটি বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্রে—অর্থাৎ তিতাস, বাখরাবাদ, রশিদপুর, কৈলাসটিলা এবং সিলেট গ্যাসক্ষেত্রে এক হাজার ২৫০ বর্গকিলোমিটার থ্রিডি কার্যক্রম সম্পন্ন করে, যেখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ব্যয় হয়েছিল ১৩ লাখ টাকা। পরবর্তী সময়ে ২০১৩ থেকে ২০১৯ সাল সময়কালে বাপেক্স ৯টি গ্যাসক্ষেত্রে—অর্থাৎ সুনেত্র, শাহবাজপুর, শ্রীকাইল, বেগমগঞ্জ, সুন্দলপুর, নরসিংদী, মোবারকপুর, রূপগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জে দুই হাজার ৪৫০ বর্গকিলোমিটার থ্রিডি সাইসমিক সার্ভে সম্পন্ন করেছে, যেখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে খরচ প্রায় ৯ লাখ টাকা।

বাপেক্সের থ্রিডি সাইসমিক সার্ভে কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্রে নতুন নতুন স্তরে গ্যাস আবিষ্কার, গ্যাসের মজুদ বৃদ্ধি ও গ্যাস উৎপাদন করা হয়। এ ছাড়া দেশের সর্ববৃহৎ তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের মজুদ বৃদ্ধিসহ পাঁচ হাজার থেকে সাত হাজার ৫০০ মিটার গভীরতায় সম্ভাব্য গ্যাসস্তর নির্ণয়ের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার গ্যাসসম্পদ আবিষ্কৃত হয়েছে। নতুন নতুন কূপ খননের জন্য বিভিন্ন ভূ-কাঠামো চিহ্নিত করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে ভোলা নর্থ ভূ-কাঠামো চিহ্নিত এবং খনন করে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়। প্রাথমিকভাবে এর গ্যাস মজুদ ৬০০ বিলিয়ন ঘনফুট বলে ধারণা করা হয়। পাশাপাশি শাহবাজপুর ইস্ট কূপ খননের মাধ্যমে শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের মজুদ প্রাথমিকভাবে ৪০০ বিলিয়ন ঘনফুট বৃদ্ধি পেয়েছে।

শুধু ভোলা গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস মজুদ ও শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করা হলে বাপেক্সের চলমান থ্রিডি সাইসমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় এক ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ বৃদ্ধি পেয়েছে। ন্যূনতম ৭০ শতাংশ গ্যাস রিকভারি এবং প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাসের বাজারমূল্য তিন ডলার বিবেচনায় ধরা হলে ওই গ্যাসের মূল্য হবে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা। অথচ শাহবাজপুর ও ভোলা এলাকায় ৬০০ বর্গকিলোমিটার থ্রিডি সাইসমিক সার্ভে, প্রসেসিং ও ইন্টারপ্রিটেশনে খরচ হয়েছে মাত্র ৫৫ কোটি টাকা।

সম্প্রতি জাতীয় একটি টেলিভিশন ও একটি দৈনিক পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে টেন্ডার হোক বা না হোক—থ্রিডি সাইসমিক কর্মকাণ্ডে কাজ পায় একটি কম্পানি। বাপেক্সের প্রায় আড়াই শ কোটি টাকার থ্রিডি সাইসমিক সার্ভে প্রকল্পে নানা অনিয়ম উঠে এসেছে বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়। পেট্রোবাংলার করা একটি তদন্তের উল্লেখ করে যেখানে বলা হয়েছে, শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা সারা বছর প্রতিদিনই কাজ করছে এক হাজার ২০০ শ্রমিক, যা সঠিক নয়। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। যে বাপেক্স ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল সময়কালে সব টেন্ডারপ্রক্রিয়া সম্পাদন ও সম্পন্ন করে ৯টি গ্যাসক্ষেত্রের দুই হাজার ৪৫০ বর্গকিলোমিটার থ্রিডি সাইসমিক কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে পরিচালনা করেছে, আর তাদের বিরুদ্ধেই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে কোন উদ্দেশ্য হাসিলের স্বার্থে?

অসত্য ও ভুল তথ্য দিয়ে বাপেক্সের সবচেয়ে সফল কার্যক্রম থ্রিডি সাইসমিক কর্মকাণ্ডকে কেন প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করা হচ্ছে? কী উদ্দেশ্য ও চক্রান্ত আছে এর পেছনে? এক দল সৎ ও দেশপ্রেমিক তরুণের উচ্ছলতায় সে কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং করা হচ্ছে, তাঁদের আজ মিথ্যা অপবাদে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করানোটা কি ঠিক হচ্ছে? কোনো অনিয়ম থাকলে তদন্ত বা যেকোনো প্রতিবেদন গণমাধ্যমে হতেই পারে। তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে বাপেক্স যত দুর্বল হবে বিদেশি কম্পানি বা তাদের দেশীয় এজেন্টদের আর্থিক লাভ ততই বৃদ্ধি পাবে। আর দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ।

লেখক : মর্তুজা আহমদ চিশতী, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাপেক্স

মাটির থেকে একশ তলা গভীরে চলে গ্রানাইট তোলার কাজ | পারভেজ রেজা | News | Ekattor TV 18/04/2019

https://m.youtube.com/watch?feature=youtu.be&v=IhzjHvPLkXg&fbclid=IwAR02fo_bnDXAddIkNIpbKBbpBL4UUrsfHE6FRKkHubw6HVSr6uiT_bWfVRU

মাটির থেকে একশ তলা গভীরে চলে গ্রানাইট তোলার কাজ | পারভেজ রেজা | News | Ekattor TV পৃথিবীর অন্যতম গভীরতম কঠিন শিলা খনি দিনাজপুরের মধ্যপাড়ায়। এখানে থেকেই ওঠানো হয় পৃথিবীর সবচেয়ে উৎকৃষ্টমানে....

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka