01/07/2024
একনিষ্ঠ সুন্নাহর অনুসরণ (শুধু কোরআন মেনে হাদিস অস্বীকার করা জাহেলিয়াত)
চারপাশে ফেতনার ছড়াছড়ি। ইসলামের নামে বহু মতবাদ, বহু বিভক্তি বিদ্যমান। একদল লোক আছে যারা কুরআন মানে দাবি করে অথচ রসুলুল্লাহর (সাঃ) সুন্নাহ ও হাদীসকে অস্বীকার করে চলছে।
অথচ আল্লাহ বলেন-
“আল্লাহ আপনার উপর কিতাব (আল-কুরআন) ও হিকমাহ নাযিল করেছেন।”
সূরা নিসা:১১৩
অধিকাংশ আলেম হিকমাহর তাফসির করেছেন সুন্নাহ বলে। আল্লাহ তা’আলা তাঁর ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তা ‘আলা বলেছেন:
“হে ঈমানদারগণ, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর।”
সূরা নিসা: ৫৯
আর রাসূলের আনুগত্য করার নির্দেশ দেওয়ায় তাঁর সুন্নাহ শরীয়তের দলিল হওয়া ও সে অনুযায়ী আমল করা অত্যাবশ্যকীয়। আল্লাহ তা’আলা বলেছেন:
“আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানি করবে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম, যেখানে সে চিরদিন অবস্থান করবে।”
সূরা জীন: ২৩
রাসূলের অবাধ্যতা করলে তার জন্য শাস্তির বিধান সাব্যস্ত থাকায় প্রমাণিত হলো যে, সুন্নাহ অবশ্যই আল-কুরআনের মতই হুজ্জত (দলিল)। আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,
“রাসূল তোমাদের যা দেয় তা গ্রহণ কর, আর যা থেকে সে তোমাদের নিষেধ করে তা থেকে বিরত হও।”
সূরা হাশর: ৭
আবার এমন অনেক মহান ব্যক্তি দাবিদার রয়েছে তারা ইবাদতের কিছুক্ষেত্রে ইসলাম ও রসুলের (সাঃ) আর্দশ মানে। বাকী বিষয়ে রসুলের (সাঃ) আদর্শ বাদ দিয়ে নিজের পছন্দনীয় ব্যক্তিকে আদর্শ হিসেবে মেনে নেয়। তার দ্বীন প্রতিষ্ঠায় প্রচার, প্রচেষ্টা চালায়। রসুলুল্লাহর (সাঃ) আদর্শের চেয়ে উত্তম আদর্শ কি হতে পারে!?
আল্লাহ তা’আলা বলেছেন:
“অবশ্যই তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ তাদের জন্য যারা আল্লাহ ও পরকাল প্রত্যাশা করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে।”
সূরা আল-আহযাব: ২১
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেছেন:
“তোমরা আমার সুন্নত ও আমার পরে হিদায়েতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নতের অনুসরণ করো, এগুলো শক্ত করে আঁকড়ে ধরো।” (আবুদাউদ -৪৬০৭)
আবার বর্তমানে অনেক আলেম কুরআন, হাদীসের অনেক বক্তব্য, তথ্য, কেয়ামতের আলামত রসুল (সাঃ), সাহাবীদের মেতাবেক অনুধাবন না করে নিজের মনমতো ব্যাখা করে চলছে। তাদের যুক্তিতে মিললে না হাদীস মানবে নাহলে হাদীসের অর্থ পরিবর্তন করে নিজেদের মনমতো ব্যাখার প্রচেষ্টা চালায়।
অথচ –