24/05/2025
বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়াগুলোর এই ধরনের সাংবাদিকতার একটাই কারণ সেটা হচ্ছে বসুন্ধরার মালিকদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া তদন্ত ও তাদের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা। ফলে তারা আর্মি ও জেনারেল ওয়াকারকে তেল দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে সাপোর্ট গেইন করার চেষ্টা করছে। জেনারেল ওয়াকারের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর তারা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে এক দিনে, কয়েক ঘন্টায় ৪ টা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।
একইভাবে দীর্ঘদিন ধরে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ভূয়সী প্রশংসা করে লেখা চাপাচ্ছে। অথচ হাসিনা আমলে হেন কোন মিথ্যাচার নাই যা তারা বিএনপি, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করেনি।
এই মাফিয়া গ্রুপটি আসলে সাংবাদিকতা করেনা। তারা সাংবাদিকদের নিজেদের সম্পত্তির পাহারাদার ও লাঠিয়াল মনে করে।
24/05/2025
আজও অনেক মুসলমান বিশ্বাস করে—নতুন ঘর বানাতে গেলে, দোকান খুলতে গেলে বা নির্মাণ কাজ শুরুর আগে “বলিদান” দিতে হয়! অনেকেই মুরগি জবাই করে, রক্ত ফেলে দেয় জায়গার কোণে কোণে, ভাবে এতে “অমঙ্গল” দূর হবে!
কিন্তু ইসলামে কি এর কোন স্থান আছে? না! বরং এটি সরাসরি শির্কের কাজ!
আল্লাহ বলেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে অংশীদার করা ক্ষমা করেন না। আর তিনি এর নিচের (গুনাহগুলো) যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।"
[সূরা নিসা: ৪৮]
আমাদের আকীদা হওয়া উচিত, উপকার-অপকার একমাত্র আল্লাহর হাতে। কোনো পশু জবাই করে, কোনো শক্তির নামে রক্ত ঢেলে কখনো কল্যাণ আসতে পারে না। এটা শয়তানের ধোঁকা, কুসংস্কার, এবং সরাসরি তাওহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
22/05/2025
আগামীকাল পার্বত্য চিটাগাং শাসনবিধি-১৯০০ রিলেটেড যে সুপ্রিম কোর্ট আপিলের শুনানি হবে সেখানে একটা সিক্রেট গ্রুপ আদালতের বেঞ্চ সদস্যদের উপরে এবং সার্বিক সিস্টেমের উপরে প্রেশার দিচ্ছে যে, যেভাবেই হোক পার্বত্য চিটাগাং শাসনবিধি-১৯০০ বহাল রাখতে হবে। এটা হলে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতিটা হবে তা হলো ওখানে বসবাসরত বাংলাদেশীদের উপরে উপজাতি গোষ্ঠী অধিকতর ক্ষমতাবান হবে। ইনফ্যাক্ট এই এলাকাটি রীতিমতো বাংলাদেশের সংবিধানের বাইরে চলে যাবে, যা দেশের অখন্ডতার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি। এই প্রক্রিয়াতে সন্তু লারমা, দেবাশীষ রায়, প্রসীত খীসা এমনকি মাইকেল চাকমার মতো চিহ্নিত অপরাধী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জড়িত।
এতে করে পার্থক্য চট্টগ্রামের সব জমি যখন উপজাতিদের কাছে চলে যাবে, তখন তারা আমাদের স্থানীয় বাংলাদেশী মানুষের উপর হামলা করবে। আমরা রক্ত রঞ্জিত পাহাড় দেখতে চাই না, বরং শান্তিপূর্ণভাবে সেখানকার উপজাতি অধিবাসীদের অধিকার নিশ্চিতকরণে কাজ করতে চাই।
অতএব, আগামীকালের শুনানিকে কেন্দ্র করে আমাদের সক্রিয় কণ্ঠে আওয়াজ তুলতে হবে, যেন কোনোভাবেই দেশবিরোধী এই কুচক্রীদের অপতৎপরতা সফল না হয়।
#সবার_আগে_বাংলাদেশ 🇧🇩
(মতামত জানান কমেন্টে)
19/05/2025
ভারতের মিনিস্ট্রি অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি কতৃক বাংলাদেশ থেকে মোট সাত ধরনের পণ্য আমদানি রেস্ট্রিক্টেড করা হয়েছে, যা আপনারা ইতিমধ্যেই জানেন। সাদা চোখে এটাকে জাস্ট বাংলাদেশের ইকোনমির বিরুদ্ধে ভারতের ডিপ্লোম্যাটিক চ্যানেলের একটি স্টেপ বলেই মনে হতে পারে, এবং বিষয়টা সত্যিই কিছুটা এরকম তবে পুরোটা নয়।
প্রথমত, আপনি যদি খেয়াল করেন তাহলে দেখতে পাবেন, ভারত বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের মাঝে যে কয়টি পণ্যের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তার মাঝে ফুড আইটেম বেশি। যেমন: ফ্রুটস ফ্লেভার এন্ড কার্বনেটেড ড্রিংকস, প্রসেসড ফুড অর্থাৎ প্যাকেটজাত পণ্য। এছাড়াও প্লাস্টিক দ্রব্যাদি এবং রেডিমেড গার্মেন্টস পণ্যের উপরও তারা আমদানি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
যদি প্রশ্ন করা হয়, বাংলাদেশের ঠিক কয়টা কম্পানি এই ধরনের কার্বনেটেড ড্রিংকস বা প্রসেসড ফুড, প্লাস্টিক প্রোডাক্ট বা গার্মেন্টস প্রোডাক্ট ভারতে এক্সপোর্ট করে.? আপনি হাজার খুঁজেও একটি কোম্পানি ব্যতীত অন্য কোনো কোম্পানির নাম পাবেন না। আমিও পাইনি। সেটা হলো: ‛প্রাণ আরএফএল’ কোম্পানি। অর্থাৎ ভারত নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না করলেও মূলত প্রাণ কোম্পানির প্রোডাক্টকেই লিমিট করেছে।
কিন্তু কেনো করেছে.?
পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, প্রাণ আরএফএল'ই একমাত্র বাংলাদেশি কোম্পানি যারা 1997 সাল থেকে ভারতে নিজেদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। ২০০৮ সালে প্রাণ ভারতের স্যাভেন সিস্টার্সের একটি রাজ্য ত্রিপুরায় তাদের প্রথম ফ্যাক্টরি স্থাপন করে। সেসময় প্রাণ আরএফএল কোম্পানির সিনিয়র ম্যানেজার পরমুদ্দিন হোসেইন (এক্সপোর্ট) বলেছিলেন “ত্রিপুরা বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে র ম্যাটেরিয়ালস ত্রিপুরায় পাঠানো সহজ হবে”। বর্তমানে ভারতের কলকাতা, গোহাটি, শিলং, আগরতলা এবং ত্রিপুরা― এই পাঁচটি স্ট্রং পজিশনে প্রাণের ফ্যাক্টরি রয়েছে। এছাড়া ভারতের স্যাভেন সিস্টার্সের মিজোরাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং আসামে রয়েছে প্রানের বেশ কয়েকটি অস্থায়ী ডিপো।
পশ্চিমবঙ্গ এবং স্যাভেন সিস্টার্সের রাজ্যগুলোতে প্রানের তৈরি বিভিন্ন প্রসেসড স্ন্যাক্স আইটেম যেমন: কেক, বিস্কিট, নুডলস, রামেন, প্রাণ স্পাইসি ঝাল চানাচুর এবং ড্রিংকসের মধ্যে প্রাণ লিচি সবচেয়ে জনপ্রিয়। পণ্যের গুনগত মান ভাল হওয়ায় ভারতজুড়েই প্রানের পণ্যের বেশ কদর। তবে ঝামেলার শুরু হয় 2019 সালের দিক থেকে।
2019 সালে কলকাতায় “ক্রাইম ইন্টিলিজেন্স ব্যুরো”―সিআইডি দুইজন ব্যক্তিকে এরেস্ট করে নর্থ ইস্টের রাজ্য গুলো নিয়ে গোয়েন্দা তৎপরতার অভিযোগে। ওই দুইজনের নাম: রাজেশ ঘোষ এবং বিধান কিরতানিয়া। সিআইডি জানায়, তারা দুজনেই প্রাণ কোম্পানির এমপ্লয়ী।
অফিসিয়ালি খুব একটা না হলেও আনঅফিসিয়ালি ভারত বেশ কয়েকবার প্রাণ কোম্পানির এমপ্লয়ীদের এরেস্ট করেছে এবং মিডিয়া উইংয়ের মাধ্যমে নিউজ করিয়েছে 2019 পরবর্তী সময় থেকে।
ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয়ের মত সেনসিটিভ জায়গা গুলোতে প্রানের ফ্যাক্টরি এবং ডিপো থাকায় সেখানে চাকরি করা ভারতীয়দের যাতায়াত খুবই স্বাভাবিক। আর এদের মাধ্যমেই নানা রকম ভিআইপি কিংবা আর্মড মুভমেন্টের ইনফরমেশন বেরিয়ে আসে বলে ধারণা ভারতীয় ইন্টিলিজেন্সের।
প্রাণ আরএফএল এবিষয়ে কখনও স্বীকারোক্তি দেয়নি আবার ভারতও অফিসিয়ালি প্রানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনতে পারেনি। তবে নর্থ ইস্টে বাংলাদেশি কোম্পানির ফুটপ্রিন্ট গত পনেরো বছরে থ্রেট না হলেও এই মুহূর্তে তাদের জন্য বেশ থ্রেটের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার প্রমান আজ আমরা পেলাম, বাংলাদেশি প্রোডাক্টে ইমপোর্ট রেস্ট্রিকশনের মাধ্যমে।
দ্বিতীয়ত- ভারতের মিনিস্ট্রি অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির অফিসিয়াল স্টেটমেন্টটা যদি আপনি ভালভাবে দেখেন, তাহলে একদম ক্লিয়ার হতে পারবেন তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে।
সেখানে তারা স্পষ্টভাবে বলেছে- বাংলাদেশি প্রোডাক্ট ইম্পোর্টের ক্ষেত্রে তারা কোনো ল্যান্ড পোর্ট ব্যবহার করতে দেবে না। বরং কলকাতা পোর্ট ব্যবহার করতে হবে।
এখানে একটা প্রশ্ন ওঠে। ভারত যদি সত্যিই বাংলাদেশি প্রোডাক্টের উপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা দিতে চায় তাহলে সী-পোর্টের অপশন খোলা রেখেছে কেনো.? নিশ্চয়ই সেটা বন্ধ করে দেওয়ার কথা। কিন্তু এই কাজ না করার কারন- তারাও আমাদের উপর নির্ভরশীল। এজন্য ল্যান্ড পোর্ট বন্ধ রেখে সী পোর্টের দুয়ার খোলা রেখেছে।
এতদিন যাবৎ বাংলাদেশের আখাউড়া, বুড়িমারী, ভোমরা, সুতারকান্দি ল্যান্ড পোর্ট হয়ে ভারতের নর্থ ইস্ট এবং পশ্চিমবঙ্গে মালামাল যেত। এরপর 2021 সাল থেকে নদীপথেও ভারতের কলকাতা পোর্ট ব্যবহার করে মালামাল পরিবহন করা হয়। সেক্ষেত্রে নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা হয়ে কলকাতা পৌঁছাত জাহাজগুলো।
প্রথম চালানে ২৫,০০০ কার্টুন প্রাণ লিচি ড্রিংকস পাঠানো হয়েছিল। প্রাণ আরএফএল এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আহসান খান চৌধুরী তখন জানিয়েছিলেন “স্থলপথে পণ্য পরিবহন করতে যে খরচ, তার চেয়ে ৩০% কম খরচে নৌপথে পণ্য পরিবহন করা সম্ভব”, এবং তখন থেকে ল্যান্ড এবং সী- দুটি মাধ্যমেই ভারতে পণ্য রপ্তানি করে আসছে প্রাণ কম্পানি।
কিন্তু আজ হটাৎ ল্যান্ড পোর্ট রেস্ট্রিক্টেড করার কারণ তারা যেটাই দেখাক, আসল কারন হলো ল্যান্ড ইউজ করলে সবকিছু ফিল্টার করা সম্ভব হয়না। বিভিন্ন রকম আনএক্সপেক্টেড এক্টিভিটিস, ইনফিলট্রেশন হয়েই যায়। কিন্তু সী পোর্টে এটা সম্ভব নয়। তবে এটাই যে একমাত্র রিজন তাই নয়, মাল্টিপল রিজন থাকতে পারে।
কিছুদিন আগে মিজোরামে দুজন বাংলাদেশি বংশদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এরেস্ট হয়েছিল। তারা কারা, তাদের থেকে কি তথ্য জানা গেছে-এসব কিছুই ভারত প্রকাশ করেনি। এর আগে মনিপুরে ফরেইন এক্টিভিটিসের কারনে তারা ‛প্রটেক্টেড এরিয়া পারমিট’ আইন চালু করে। এর ফলে কোনো বিদেশি মনিপুরে ঢোকার সুযোগ পাবেনা।
সামগ্রিকভাবে স্যাভেন সিস্টার্সের পরিপূর্ন নিরাপত্তা এবং তাদের রাষ্ট্রীয় বাহিনী গুলোর আর্মড মুভমেন্টকে গোপন রাখতেই বিভিন্ন পদক্ষেপ তারা নিচ্ছে।
বাংলাদেশি প্রোডাক্ট-এ ইমপোর্ট রেস্ট্রিকশন ভারতের “ম্যাক্সিমাইজেশন অফ রিটার্ন এন্ড মিনিমাইজ অফ রিস্ক” নীতির অনুসরণ বলেই আমি মনে করি। কারন বাংলাদেশি কোম্পানির ম্যাসিভ একটিভিটি তাদের নর্থ ইস্টে। একদিকে ল্যান্ড পোর্ট ক্লোজ করে তারা রিস্ক মিনিমাইজ করলো অন্যদিকে সী পোর্টের অপশন খোলা রেখে বাণিজ্য অব্যাহত রাখার সুযোগকে জিইয়ে রেখেছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কি করতে পারে.?
খুব ছোট্ট একটা কাজ করা যেতে হবে।
বাংলাদেশে লাস্ট পনেরো বছরে প্রায় দুই লক্ষ ভারতীয়কে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। এরা বিভিন্ন ব্যবসা, চিকিৎসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে কাজ করছে। তবে বেশিরভাগ হলো দোকানদার। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই দোকানগুলিকে বলে ‛কোনার দোকান’। আমরা অনেকেই যেগুলিকে মুদির দোকান বা টঙের দোকান বলে জানি।
যশোর-চৌমুহনি রোড, সিলেট হবিগঞ্জ হাইওয়ে, চিটাগং কক্সবাজারের বেশ কয়েকটা রুটে এমন প্রচুর কোনার দোকান দেখা যায়। এসব দোকানদারদের ৮০% জন্মগত বাংলাদেশি না।
৯০ থেকে ৯৫' এর মাঝে কোনো একটা সময়ে চিটাগং ইউনিভার্সিটির কেন্দ্রীয় মসজিদের খাদেম অথবা মুয়াজ্জিনকে এরেস্ট করেছিল ডিজিএফআই। মসজিদে কাজ করা বাদে তার একটা মুদির দোকান ছিল। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার কাছ থেকে একটি মিলিটারি গ্রেড ওয়্যারলেস জব্দ করা হয় এবং তার সাথে ইন্ডিয়ান ইন্টিলিজেন্স এর যোগসূত্র পাওয়া যায়।
তো এই কোনার দোকানগুলো সবসময়ই হান্ড্রেড পার্সেন্ট সন্দেহের তালিকায় থাকে। এদের কাজই হলো কোনো মিলিটারি বা ভিআইপি মুভমেন্ট হলে সেই তথ্য পাচার করা।
যদি কোনোভাবে এই জায়গাটা পরিষ্কার করা যায়, তাহলে সেটা ভারতের বিরুদ্ধে একটি ভাল পদক্ষেপ হবে।
© Shafin Rahman
Send a message to learn more
19/05/2025
ভারতের মিডিয়ার দাবি অনুযায়ী, তারা বাংলাদেশের গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে কঠোর হচ্ছে। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত থেকে এই পোশাক সামগ্রী ঢুকতে পারবে না। এতে তারা দাবি করেছে, এটা নাকি চরম কঠিন পদক্ষেপ এবং বাংলাদেশ ভুগবে। কিন্তু আসলেই কি তাই? তারা তো শুধুমাত্র আংশিক রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে, কিন্তু সম্পূর্ণ গার্মেন্টস সেক্টরকেও যদি নিষেধাজ্ঞায় নিয়ে আসে, তাহলেও কি খুব বড় ক্ষতি হবে বাংলাদেশের? চলুন দেখি পরিসংখ্যানের খেরোখাতায়...
২০২৩-২৪ সালের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশ মোট আন্তর্জাতিক পণ্য বাণিজ্য করেছে প্রায় ১১১.১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার মধ্যে ৪৪.২৩৭বিলিয়ন ডলার রপ্তানি এবং ৬৬.৮৬৩ বিলিয়ন ডলার আমদানি। এই বাণিজ্যিক সম্পর্কের মধ্যে ভারতের সঙ্গে মোট বাণিজ্য হয়েছে ১৩.২৯ বিলিয়ন ডলার, যা মোট আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আনুমানিক ১১.৯৬%। এখন, যদি এই ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যের গার্মেন্টস অংশ তথা ১.৪৫% বাতিল বা বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে সরাসরি ক্ষতি হবে আনুমানিক ১৯২.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.২৯ বিলিয়নের ১.৪৫%)। এই পরিমাণ টাকা সরাসরি বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং আমদানি-নির্ভর পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর খুব সামান্য সময়ের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যেহেতু বাংলাদেশ একটি উচ্চ আমদানি-নির্ভর অর্থনীতি এবং ডলারের ওপর নির্ভরশীল, এই পরিমাণ লেনদেন স্থগিত হলে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহে সাময়িক কিছুটা ঘাটতি দেখা দেবে, যার ফলে বাংলাদেশের বৈদেশিক রিজার্ভ সরাসরি কমে যেতে পারে প্রায় ১৯৩ মিলিয়ন ডলার, যদি তা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কোনো উৎস থেকে পূরণ না হয়। যদিও এইটা মোট রিজার্ভের তুলনায় খুবই নগণ্য, (বাংলাদেশের রিজার্ভ বর্তমানে আনুমানিক ১৮-২০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে), তবে দেশের অর্থনীতিতে মনস্তাত্ত্বিক ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত নেতিবাচক ইফেক্ট করতে পারে, যা বাজারে চাপ সৃষ্টি করবে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, এই ধরনের বাণিজ্য ঘাটতি একটি সুশৃঙ্খল রপ্তানি-বিকল্প কৌশলের মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলা অতি সহজ। যেমন ধরুন বাংলাদেশ যদি ভারত থেকে কিছু নির্দিষ্ট পণ্য, যেমন: তুলা, কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য বা যন্ত্রাংশ, যা মূলত একমুখী উৎসনির্ভর, তা পরিবর্তে চীন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া বা ভিয়েতনাম থেকে আমদানির পথ খোঁজে, তাহলে ধীরে ধীরে বিকল্প উৎস গড়ে তোলা সম্ভব। একইভাবে, যেসব পণ্য ভারত বাংলাদেশ থেকে আমদানি করে, তা যেমন পাট, গার্মেন্টস বা খাদ্যপণ্য; সে পণ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মধ্যপ্রাচ্য কিংবা আফ্রিকার নতুন বাজারেও রপ্তানির কৌশল সাজানো যায়। তবে এর জন্য প্রয়োজন হবে কূটনৈতিক কৌশল, আমদানি-রপ্তানির চুক্তি পুনর্বিন্যাস এবং দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক পরিকল্পনা। সার্বিকভাবে বললে, ভারতের সঙ্গে ১.৪৫% বাণিজ্য কমে যাওয়া বাংলাদেশের অর্থনীতিকে কোনোভাবেই বিপর্যস্ত করবে না, তবে সেটা বাণিজ্যিক কাঠামোর সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং সেই সমস্যা কাটাতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী উপস্থিতি জানান দিতে বিকল্প বাজার অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৈচিত্র্যায়ন অপরিহার্য হয়ে পড়ে।
(আপনাদের মতামত জানাতে পারেন কমেন্টে)
Send a message to learn more
19/05/2025
হি ন্দুদের স্পর্ধা দেখুন। ঘটনাটা কিন্তু রেন্ডিয়ার না বরং বাংলাদেশের চাঁদপুরে। নামাজ আদায় করতে মসজিদে যাওয়াটাই ছিল অপরাধ, যার কারণে উ,গ্র স-ন্ত্রা-সী হি,ন্দু প্রধান শিক্ষক বেধড়ক মারধর করেছে একজন মুসলিম কর্মচারীকে।
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার বলশিদ হাজী আকুব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মুসলিম কর্মচারী নেয়ামত উল্লাহ যোহরের নামাজ আদায় করে ফিরে আসলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র দেবনাথ তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়ার অপরাধে তাকে মারধর শুরু করে, এক পর্যায়ে অফিসে থাকা অন্যান্য কর্মচারীরা তাকে উদ্ধার করে। এসময় নেয়ামত উল্লাহর মুখমণ্ডল রক্তে ভিজে যায়। তিনি দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা জন্য ছুটে আসেন।
নেয়ামত উল্লাহ জানান, তিনি নামাজ আদায় করে অফিসে আসলে তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়ার অভিযোগ তুলে তার মুখে এলোপাথাড়ি কিল ঘুসি মারতে থাকে।
হেদুরা ধর্মীয় ইবাদতের কারণে মুসলিমদের মারতে পারে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু রাজনৈতিক কারণেও যদি কোন হেদুর উপর বিরোধী দল হাত তুলে তাহলে সেটা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। - কপিড
উল্লেখ্য, অখিল চন্দ্র দেবনাথ বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করায় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে তিনি বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে যেতে পারেননি। তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে তিনি পুনরায় স্বপদে বহাল হন।
https://www.dailyamardesh.com/bangladesh/chattogram/amdjhmitlqmz0
19/05/2025
মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘অপারেশন রাফ রাইডার’ হুথিদের দমন করতে ব্যর্থ হয়েছে, কিন্তু ইতিমধ্যে ব্যয় হয়েছে।
🔴 প্রায় ২,০০০ বোমা ও মিসাইল ফেলা হয়েছে, যার খরচ হয়েছে ৭৭৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে কয়েক শত ২,০০০ পাউন্ড ওজনের বোমা ছিল, প্রতিটির মূল্য ৮৫,০০০ ডলার।
🔴 ৭৫টির বেশি টমাহক মিসাইল ছোড়া হয়েছে, প্রতিটির খরচ ১.৯ মিলিয়ন ডলার।
🔴 ২০টির বেশি AGM-158 এয়ার-লঞ্চড ক্রুজ মিসাইল ব্যবহৃত হয়েছে, প্রতিটির মূল্য আনুমানিক ১.৫ মিলিয়ন ডলার।
🔴 ২টি প্যাট্রিয়ট সিস্টেম সমুদ্রপথে পাঠাতে খরচ হয়েছে ১০ মিলিয়ন ডলার।
🔴 মাত্র একটি প্যাট্রিয়ট সিস্টেম স্থানান্তরের জন্য ৭৩টি C-17 বিমান ফ্লাইট ব্যবহার করা হয়েছে; প্রতিটি ফ্লাইটের ঘণ্টাপ্রতি খরচ ২৭,০০০ ডলার।
-এনবিসি নিউজ
লাস্টে আরেকটা লাইন বলতে হচ্ছে যদিও ইচ্ছা ছিল না। তা হচ্ছে যত লোকসান করাতে পেরেছিল হুতীরা তার চেয়ে বহু গুণ টাকা সুদে আসলে সমস্ত শরীর চেটে পুষিয়ে দিয়েছে কাতার, সৌদি আর আমিরাতের তিন -----
শূন্যস্থান আপনিই পূরণ করুন। - পাটোয়ারী ভাই
17/05/2025
🌸কিছু সময় কিছু দুয়া কবুল না হওয়াই কল্যাণকর:
কোন কিছু ক্রমাগত চাইবার পরেও না পেলে, আল্লাহ এর ফায়সালার উপর সন্তুষ্ট থাকা মুমিনের ফিতরাত হওয়া উচিত।
এমন অনেক অভিজ্ঞতা আছে, দেখেছি - মানুষ যা পাবার জন্য দুয়া করে, দুয়া কবুল না হওয়ায় অস্থির হয়ে যায়, অথচ পেয়ে গেলে তা স্বেচ্ছায় হারাতে চায়। যখন বুঝতে পারে এই প্রাপ্তি তার জন্য কল্যানকর নয়।
তাই চাইতে হবে। তিনি দিলে দিবেন। না দিলেও এতেই কল্যাণ। তিনি পরে দিবেন। বা অন্য কিছু দিবেন। বা আখেরাতে দিবেন। এটুকু কনফার্ম তিনি না দেওয়া করবেন না।
প্রয়োজন ধৈর্য্য। অসীম ধৈর্য্য। ধৈর্য্যের থেকে উত্তম আমাদের কিছু দেওয়া হয়নি।
/
জীবনে কোন এক ইস্যুতে একবার প্রচন্ড কষ্ট পেয়ে আফসোস করে যে মানুষকে বলতে শুনেছি
"কী পাপ করেছিলাম যে আমার সাথে এমন হলো? আমি কী এতই অপ্রিয় তোমার কাছে আল্লাহ? আমিই কেন? "
বিশ্বাস করুন, এর বছর খানেক পরে ঐ একই ইস্যুর ব্যাপারে বলতে শুনেছিলাম,
"কী এমন পূন্য করেছিলাম যে আমার সাথে এমনটা হয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ! আমার কোন আমলে খুশি হয়ে আমার এত বড় কল্যান করেছিলে তুমি হে আল্লাহ? এত বান্দা থাকতেও আমার মত অধমকে নিয়ে এতটা ভাবো তুমি ! "
__
জীবনের বিষয় গুলো এমনই। যা আপনার কাছে দুঃখের কারণ মনে হচ্ছে তাই সুখের কারণ হয়ে যাবে, যিনি রাত কে দিন করতে পারে তাঁর কাছে এটা খুবই সহজ যে তিনি আপনার জীবনের রাত গুলোকেও দিন করে দিবেন।
আমাদের রব যা যা করেন সব কিছুই আমাদের কল্যানের জন্যই হয়। হয়ত কল্যাণ টা সব সময় আমাদের জানা থাকেনা এই যা।
আমাদের অপছন্দনীয় কিছু যদি ঘটেও তবুও নির্দ্বিধায় বিশ্বাস রাখতেই হবে এতেই কল্যাণ।
আল্লাহ তায়ালা যেমন বলেন,
"...... অনেক সময় কিছু বিষয় অথচ তোমাদের কাছে অপছন্দনীয় কিন্তু হতেও পারে আমি তাতে তোমাদের জন্য কল্যান রেখেছি আর হতেও পারে কোন বিষয় তোমরা পছন্দ করছ অথচ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। বস্তুত তোমরা জানোনা, আল্লাহ জানেন।"
[ সূরা বাকারাঃ ২১৬]
তাই কোন কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটে গেলে হুট করেই এর মানে বের করতে যাবেন না। কারণ উত্তর বা মানে খুজে না পেলে হতাশা চলে আসবে। ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করুন, সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চান, সময় মত উত্তর পেয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ। সব স্পষ্ট হয়ে যাবে আপনার সামনে ।
অবশ্যই ধৈর্য্যও এত সহজ নয় আর এভাবে সাহায্য চাইতেও সবাই পারেনা । আল্লাহ তায়ালা যেমন বলেন,
"আর তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয় তা বিনয়ী ছাড়া অন্যদের জন্য কঠিন।"[সূরা বাকারাঃ ৪৫]
এবং ১৫৩ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, যারা বিশ্বাসী তারা এভাবে সাহায্য চাইলে তিনি পাশে থাকার, সাহায্যের ওয়াদা দিচ্ছেন।
আল্লাহ তায়ালাই প্রথমে বলে দিয়েছেন বিনয়ী না হলে আপনার জন্য এভাবে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া কঠিন, তবে আপনি বিনয়ের সাথে তা পারলে, ব্যাস। আল্লাহ তায়ালার সাহায্য আসবেই।
যখন আপনার অপছন্দনীয় কিছু ঘটেই যায়, তখন এই ভেবে খুশি হউন যে আপনার ইচ্ছে বাস্তবায়িত হয়নি, আপনার রবের ইচ্ছে বাস্তবায়িত হয়েছে।
তার মানে আপনার জীবনের ব্যাপারে আপনার পরিকল্পনা তাঁর পছন্দ হয়নি। তিনি অন্যরকম পরিকল্পনা করে রেখেছেন।
অবস্থা দৃষ্টে ঘটনা একরকম মনে হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঘটে তার উল্টোটা। নবী রাসূলগণের উদাহরনই দেখি না!
//
মুসাকে (আ) নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার জন্যে তাঁর মাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল; ইউসুফকে (আ) মেরে ফেলার জন্যে কূপে নিক্ষেপ করা হয়েছিল; ঈসা (আ) এর মা মারইয়াম কোন পুরুষের স্পর্শ ছাড়াই অলৌকিকভাবে সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন; আয়েশাকে (রা) মিথ্যা কলঙ্কে অভিযুক্ত করা হয়েছিল; ইউনুসকে (আ) তিমি মাছ গিলে ফেলেছিল; ইব্রাহীমকে (আ) আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল; মুহাম্মাদ (সা) এর প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজার (রা) মৃত্যু বরণ করা; সালামাহ্ (রা) ভেবেছিলেন যে, আবু সালামাহ্ (রা) থেকে উত্তম আর কেউ হতে পারবে না; একবার ভেবে দেখুন তো, এই ঘটনাগুলো ঘটার সময় লোকেরা কী ভেবেছিল আর পরবর্তীতে ঘটনাগুলো কোন দিকে মোড় নিয়েছিল !!
//
আমার আপনার জীবনও আল্লাহ তায়ালার পরিকল্পনার বাইরে নয়।
আমরা তা-ই চাই, যা আমরা পছন্দ করি। কিন্তু আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন তা-ই ঘটান যা তিনি ইচ্ছা করেন।
এবং আল্লাহ তায়ালার পরিকল্পনা সর্বশ্রেষ্ঠ। [সুরা আলে ইমরানঃ ৫৪]
এবং
...শীঘ্রই আপনার রব আপনাকে এত প্রতিদান দিবেন যে আপনি খুশি হয়ে যাবেন। [সুরা দোহাঃ ৯৩]
__
এগুলো স্বান্তনা মনে করবেন না। এগুলো রবের বাণী, বিশ্বজগতের একক ক্ষমতাধর মহান প্রতিপালক রাব্বুল আলামীন এর বাণী।
আর রবের বাণী তাঁর স্বত্তার মতই চিরন্তন সত্য। কোন সন্দেহ নেই রবের বাণীই বিশ্বাসী দের জন্য পথ প্রদর্শক ও হিদায়াত।
"এই সেই কিতাব, যাতে কোন সন্দেহ নেই, মুত্তাকীদের জন্য হিদায়াত।" - আল কুরআন
- শাহ মুহাম্মদ তন্ময়
⚠️ফিলি- স্তিন*বাসীর জন্য দুআ করব, পরিস্থিতি ভালো নয়...
Send a message to learn more
16/05/2025
বাংলাদেশে ঘে-দের যে গ্রুপটা আছে তারা ২০০০ সালের আগে কার্যক্রম শুরু করে 'এইডস প্রতিরোধ' ও 'যৌন স্বাস্থ্যসেবা' ব্যানারে।
২০০৬-০৭ সালে তারা 'যৌন সংখ্যালঘু' ব্যানারে সামনে আসার চেষ্টা করে এবং 'যৌন অধিকার' এর আলাপ মেইনস্ট্রিমিং করে।
২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তারা প্রকাশ্যে অনেক কর্মকাণ্ড চালায়। ম্যাগাজিন, ফেস্টিভাল, সেমিনার, ফ্যাশন শো, র্যালি ইত্যাদির মাধ্যমে তারা জনপরিসরে নিজেদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম জোরদার করে 'এলজিবিটিকিউ' ব্যানারে।
জুলহাজ মান্নানের হত্যার পর ২০১৬-১৮ তাদের কার্যক্রম স্তিমিত থাকে। এরপর ২০১৯ সাল থেকে তারা 'ট্রান্সজেন্ডার' ব্যানারে তাদের কার্যক্রম ব্যানারে তাদের কার্যক্রম পুনর্জীবিত করে।
২০২৩-২০২৪ থেকে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জোড়ালো হতে থাকে। 'ট্রান্স' ব্যানারের আড়ালে তাদের পরিচয় ও কার্যক্রমগুলো ব্যাপকভাবে এক্সপোজড হয়ে যায়। তাই ২০২৫ এ এবার তারা 'নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রা' ব্যানারে সামনে আসলো।
এই একই লোকগুলোই বহুবছর ধরে এই বিকৃত কার্যক্রমগুলোর সাথে জড়িত। একেক সময়ে একেক স্লোগানে, ব্যানারে, দাবি নিয়ে হাজির হয়।
এরা মূলত ঘে। দ্যাটস ইট, আর কিচ্ছু না। এরা চায় বিকৃতচর্চার স্বীকৃতি ও সমাজে স্বাভাবিকীকরণ।
এদেরকে পেছনে আছে বিভিন্ন এনজিও, এমব্যাসিগুলো, ইউএসএইড। বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার, ব্র্যাক, আইসিডিডিআরবি এরা এদের পেছনে মূল অ্যাক্টর। এদের মিডিয়া কাভারেজ দিয়ে যাচ্ছে দিল্লীর আলো, দিল্লীর স্টার, বিবিসি বাংলা সহ অনেকে। এদের আইডিওলজিক্যাল জাস্টিফিকেশান দিচ্ছে সামিনা লুৎফা গং। এদের সেলিব্রেটি ফিগার হচ্ছে হোচিমিন ওরফে রোকন, তাসনুভা ওরফে কামাল এরা। এদের পলিটিকাল কাভার দেওয়ার চেষ্টা করেছে/করবে নবগঠিত রাজনৈতিক দল এনসিপি।
আজকের মৈত্রী যাত্রায় কয়েকটা ছাপড়ি দেখে ভাববেন না এরাই সব। এদের পেছনে বিরাট বড় সাপোর্ট এবং ফান্ডিং নেটওয়ার্ক আছে।
সম্ভবত এদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের পথে হাঁটতে হবে।
হাঁটতে হলে আমরা দৌড়াবো।
ইনশা আল্লাহ। - জিম তানভির
16/05/2025
ভারতের ইস্টার্ন কমান্ডের অধীন ‘৩৩ কোর’, লেফটেন্যান্ট জেনারেল যুবিন মিনওয়ালার নেতৃত্বে সম্প্রতি ‘এক্সারসাইজ তিস্তা প্রহর’ নামক একটি যৌথ সামরিক মহড়া সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এটি অনুষ্ঠিত হয় তিস্তা ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে, যা বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলা থেকে প্রায় ৬৪ কিলোমিটার দূরে।
মহড়াটিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পদাতিক, সাঁজোয়া, গোলন্দাজ, বিমানবাহিনী ও বিশেষ বাহিনীসহ সব শাখা অংশ নেয়। নদীমাতৃক কাদা-ভেজা ভূখণ্ডে সমন্বিত সামরিক অভিযানের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই মহড়ায় অত্যাধুনিক T-90 ট্যাঙ্ক ব্যবহৃত হয়।
‘৩৩ কোর’-এর আওতায় থাকা শিলিগুড়ি করিডোর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, বিশেষ করে পঞ্চগড়ের সন্নিকটে অবস্থিত। ভবিষ্যতে ওই অঞ্চল থেকে কোনো ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি হলে, এই কোরকেই প্রথম প্রতিরোধের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এ ধরনের সামরিক তৎপরতা বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগজনক। সীমান্তের এত কাছাকাছি বিশাল পরিসরের মহড়া নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একইসঙ্গে, যদি ভারত এই অঞ্চলকে সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করে, তা হলে তা আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতি একপ্রকার নিঃশব্দ হুমকি।