25/03/2026
বিষয় : অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়েরের পদ্ধতি এবং বিচার পদ্ধতি।
#আর্থিক প্রতিষ্ঠান অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে।
#যুগ্ম জেলা জজ নিয়ে গঠিত অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করা যায় আরজি দাখিলের মাধ্যমে।
#আরজির সাথে দালিলিক প্রমাণাদি ফিরিস্তি আকারে জমা দিতে হবে।
#আরজির বক্তব্য ও দালিলিক প্রমাণাদির সত্যতা প্রতিপাদনের জন্য
হলফনামা (affidavit) দিতে হবে।
#মূল্য আনুপাতিক (ad volorem) কোর্ট ফি প্রদান করতে হবে।
#অর্থঋণ আদালতে যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যায় :
(i)মূল ঋণগ্রহীতা (Principal debtor)
(ii)তৃতীয় পক্ষ বন্ধকদাতা (Third party Mortgagor)
(iii)তৃতীয় পক্ষ জামিনদার(Third party Guarantor)
#মামলা দায়েরের পর বিবাদী বা বিবাদীগণের প্রতি সমন জারি করতে হয়।
#সমন যতাযথভাবে জারি হলে বিবাদী বা বিবাদীগণ আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব পেশ করবে।
#লিখিত জবাবের সাথে দালিলিক প্রমাণাদি ফিরিস্তি আকারে জমা দিতে হবে।
#লিখিত জবাবের বক্তব্য ও দালিলিক প্রমাণাদির সত্যতার জন্য হলফনামা (affidavit) দিতে হবে।
#আরজি ও লিখিত জবাবের বক্তব্য, দালিলিক প্রমাণাদি, হলফনামাসহ প্রদান করায় তা মৌলিক সাক্ষ্য (Substantive evidence) হিসেবে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ এগুলোর সাক্ষ্যগত মূল্য থাকবে।
#লিখিত জবাব দাখিলের পর বাদী চাইলে অতিরিক্ত জবাব বা বিবরণ দাখিল করতে পারবে।
#যদি দোতরফাসূত্রে মামলা নিষ্পত্তি হয় অর্থাৎ বিবাদী যদি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করে তাহলে অবশ্যই মধ্যস্থতার উদ্যেগ নিতে হবে।
#মধ্যস্থতা সফল হলে সেটার ভিত্তিতে আদালত সিদ্ধান্ত প্রদান করবে। আর যদি মধ্যস্থতা ব্যর্থ হয় তাহলে আদালত মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
#তবে পক্ষদ্বয় চাইলে মামলার যে কোনো র্পযায়ে আপোষ মীমাংসা করতে পারবে।
#মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে আদালত বির্চায বিষয় গঠন করে সাক্ষ্য গ্রহণ কনবেন।
#সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে পক্ষদ্বয় লিখিত যুক্তির্তক পেশ করবে।
#তারপর আদালত রায় ঘোষনা করবে।
শায়েক আল হাসান জনি এন্ড এসোসিয়েট
০১৭৭১৫০৮১৫৪