বোনাফাইড পুলিশ পদোন্নতি কোর্স

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বোনাফাইড পুলিশ পদোন্নতি কোর্স

বোনাফাইড পুলিশ পদোন্নতি কোর্স পুলিশ পদোন্নতি MCQ / Written পরীক্ষার অনলাইন কোর্স

বিষয় : অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়েরের পদ্ধতি এবং বিচার পদ্ধতি। #আর্থিক প্রতিষ্ঠান অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে।  #যু...
25/03/2026

বিষয় : অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়েরের পদ্ধতি এবং বিচার পদ্ধতি।

#আর্থিক প্রতিষ্ঠান অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে।

#যুগ্ম জেলা জজ নিয়ে গঠিত অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করা যায় আরজি দাখিলের মাধ্যমে।

#আরজির সাথে দালিলিক প্রমাণাদি ফিরিস্তি আকারে জমা দিতে হবে।

#আরজির বক্তব্য ও দালিলিক প্রমাণাদির সত্যতা প্রতিপাদনের জন্য
হলফনামা (affidavit) দিতে হবে।

#মূল্য আনুপাতিক (ad volorem) কোর্ট ফি প্রদান করতে হবে।

#অর্থঋণ আদালতে যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যায় :
(i)মূল ঋণগ্রহীতা (Principal debtor)
(ii)তৃতীয় পক্ষ বন্ধকদাতা (Third party Mortgagor)
(iii)তৃতীয় পক্ষ জামিনদার(Third party Guarantor)

#মামলা দায়েরের পর বিবাদী বা বিবাদীগণের প্রতি সমন জারি করতে হয়।

#সমন যতাযথভাবে জারি হলে বিবাদী বা বিবাদীগণ আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব পেশ করবে।

#লিখিত জবাবের সাথে দালিলিক প্রমাণাদি ফিরিস্তি আকারে জমা দিতে হবে।

#লিখিত জবাবের বক্তব্য ও দালিলিক প্রমাণাদির সত্যতার জন্য হলফনামা (affidavit) দিতে হবে।

#আরজি ও লিখিত জবাবের বক্তব্য, দালিলিক প্রমাণাদি, হলফনামাসহ প্রদান করায় তা মৌলিক সাক্ষ্য (Substantive evidence) হিসেবে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ এগুলোর সাক্ষ্যগত মূল্য থাকবে।

#লিখিত জবাব দাখিলের পর বাদী চাইলে অতিরিক্ত জবাব বা বিবরণ দাখিল করতে পারবে।

#যদি দোতরফাসূত্রে মামলা নিষ্পত্তি হয় অর্থাৎ বিবাদী যদি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করে তাহলে অবশ্যই মধ্যস্থতার উদ্যেগ নিতে হবে।

#মধ্যস্থতা সফল হলে সেটার ভিত্তিতে আদালত সিদ্ধান্ত প্রদান করবে। আর যদি মধ্যস্থতা ব্যর্থ হয় তাহলে আদালত মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

#তবে পক্ষদ্বয় চাইলে মামলার যে কোনো র্পযায়ে আপোষ মীমাংসা করতে পারবে।

#মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে আদালত বির্চায বিষয় গঠন করে সাক্ষ্য গ্রহণ কনবেন।

#সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে পক্ষদ্বয় লিখিত যুক্তির্তক পেশ করবে।

#তারপর আদালত রায় ঘোষনা করবে।

শায়েক আল হাসান জনি এন্ড এসোসিয়েট
০১৭৭১৫০৮১৫৪

25/03/2026

পুলিশ পদোন্নতি লিখিত পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল ক্লাস।

বিষয় :- সাক্ষ্য, সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা, স্বীকৃতি, দোষ স্বীকারোক্তি ও মৃত্যুকালীন ঘোষণা।

পুলিশ পদোন্নতি Written পরীক্ষার্থীদের জন্য Video Recording Premium Course ।

➡️প্রতিটা ক্লাসের Video HD Quality হবে।
➡️প্রত্যেকটি ক্লাস সময় নিয়ে সহজ ও সাবলীল ভাষায় ব্যাখ্যা ও উদাহরণসহ বোঝানো হয়েছে।
➡️টোটাল ক্লাস থাকবে - ৩৫ টি।
➡️রিটেন পরীক্ষায় যতগুলো আইন থেকে প্রশ্ন আসে সবগুলোই পড়ানো হয়েছে।
➡️ক্লাসগুলো রেকর্ড হওয়ায় আপনারা যখন খুশি তখন এবং যতবার খুশি ততবারই দেখতে পারবেন।

কোর্স ফি - ৩০০০ টাকা মাত্র।

কোর্সে ভর্তি হতে বিকাশে ৩০০০ টাকা ০১৭৩৫৫৬৩৭৮৯ নাম্বারে সেন্ড মানি করে নাম, ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার এসএমএস করুন।
আমাদের ঠিকানা- রুম নং-৪/৪, (লিফট এর ৪), ইস্টার্ন ম্যানশন, ৬৭/৯, পাইওনিয়ার রোড, কাকরাইল- রমনা, ঢাকা-১০০০

পুলিশ পদোন্নতি Written পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল হ্যান্ডনোট। নিচে হ্যান্ডনোটের কিছু পৃষ্ঠার নমুনা দেওয়া হলো। যাদের ক্ষ...
02/03/2026

পুলিশ পদোন্নতি Written পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল হ্যান্ডনোট। নিচে হ্যান্ডনোটের কিছু পৃষ্ঠার নমুনা দেওয়া হলো।

যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-

নায়েক হতে এ এস আই (সশস্ত্র) , এ এস আই (সশস্ত্র) হতে এস আই (সশস্ত্র), কনস্টেবল হতে এ টি এস আই, এ টি এস আই হতে টি এস আই , কনস্টেবল/ নায়েক হতে এ এস আই (নিরস্ত্র), এ এস আই হতে এস আই (নিরস্ত্র)

মূল্য - ৬০০ টাকা

ঠিকানা- রুম নং-৪/৪, (লিফট এর ৪), ইস্টার্ন ম্যানশন, ৬৭/৯, পাইওনিয়ার রোড, কাকরাইল- রমনা, ঢাকা-১০০০

হ্যান্ডনোট সংগ্রহ করতে যোগাযোগঃ ০১৭৩৫৫৬৩৭৮৯

এছাড়াও, সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোনো
প্রান্ত থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন সেক্ষেত্রে বিকাশে ৬৫০ টাকা ০১৭৩৫৫৬৩৭৮৯ নাম্বারে সেন্ড মানি করে নাম, ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার এসএমএস করুন।

বিষয় : অর্থ ঋণের মামলায় আপনার বিরেুদ্ধে ডিক্রি হলে আপনি কী করবেন?  #অর্থঋণ আদালত প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো ...
02/03/2026

বিষয় : অর্থ ঋণের মামলায় আপনার বিরেুদ্ধে ডিক্রি হলে আপনি কী করবেন?

#অর্থঋণ আদালত প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো আপিল।

#ডিক্রির টাকার পরিমাণ ৫০ লক্ষ টাকার অধিক হলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে।

#ডিক্রির টাকার পরিমাণ ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বা তার কম হয় তাহলে আপিল দায়ের করতে হবে জেলা জজের নিকট।

#ডিক্রিকৃত টাকার ৫০ শতাংশ জমা দিয়ে আপিল দায়ের করা যাবে।

#ডিক্রি আংশিকভাবে স্বীকার করা হলে ডিক্রিদার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিকট টাকা জমা দিতে হবে।

#ডিক্রি অস্বীকার করা হলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে আপিল করা যাবে।

#বাদী আর্থিক প্রতিষ্ঠান যদি আপিল দায়ের করতে চায় তাহলে তাদের টাকা জমা দিতে হয় কিনা?
-না, বাদী আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে টাকা জমা দিতে হয় না।

#আপিল আদালতের সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে কী করবেন?
-রিভিশন দায়ের করবেন।

#রিভিশন দায়েরের জন্য ডিক্রিকৃত টাকার ৭৫ শতাংশ জমা দিতে হবে।

#ডিক্রি আংশিকভাবে মেনে নিলে বাদী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিকট টাকা জমা দিতে হবে।

#ডিক্রি অস্বীকার করলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিতে হবে।

#৫০ শতাংশ টাকা আপিলের সময় জমা প্রদান করায় রিভিশন দায়েরের সময় ২৫ শতাংশ অর্থাৎ মোট ৭৫ শতাংশ টাকা জমা দিতে হবে।

#বাদী আর্থিক প্রতিষ্ঠান রিভিশন দায়ের করতে চাইলে তাদেরকে জামানত স্বরূপ টাকা জমা প্রদান করতে হয় না।

#বিবাদী যদি রিভিশন দায়ের করতে চায় তাহলে ৭৫ শতাংশ টাকা জমা দিবে।

#জেলা জজ আপিল আদালত হিসেবে ডিক্রি প্রদান করলে বা ডিক্রি বহাল রাখলে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হয়।

#হাইকোর্ট বিভাগ যখন আপিল আদালত হিসেবে সিদ্দান্ত প্রদান করে তখন রিভিশন দায়ের করার সুযোগ নেই।

#তাহলে হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপনি কী করবেন?
-আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ আপিল দায়েরের জন্য অনুমতি চাইতে হবে। আপিল বিভাগ অনুমতি দিলে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

#আপিল বিভাগ আপিল গ্রহণের জন্য টাকা জমাদানের নির্দেশ দিতে পারে। নির্দেশ প্রদান করা বাধ্যতামূলক না। আপিল বিভাগের জন্য এটা সুবিবেচনামূলক।

#আপিল বা রিভিশন দায়েরের ক্ষেত্রে টাকা জমাদান বাধ্যতামূলক।

অ্যাডভোকেট শায়েক আল হাসান জনি এন্ড এসোসিয়েটস।
মোবাইল - ০১৭৭১৫০৮১৫৪

১০ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ টনিয়া হেইলিকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে দুই শেতাঙ্গ অপরাধী। দুই অপরাধীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ...
28/02/2026

১০ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ টনিয়া হেইলিকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে দুই শেতাঙ্গ অপরাধী। দুই অপরাধীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালত প্রাঙ্গনে দুই অপরাধীকে এম ১৬ রাইফেল দিয়ে হত্যা করে ধর্ষিতার পিতা কার্ল হেইলি। পরবর্তীতে কৃষ্ণাঙ্গ কার্ল হেইলিকে গ্রেফতার করা হয়। দুই শেতাঙ্গকে হত্যার দায়ে কার্ল হেইলির বিচার হবে। শুধু তাই নয় দুই শেতাঙ্গকে গুলি করে হত্যা করার সময় ১টি গুলি ডেপুটি লুনির পায়ে লাগে। ফলশ্রুতিতে লুনির একটা পা কেটে ফেলতে হয়।

কার্ল হেইলির আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত হন জেইক ব্রিগেন্স। শহরের সবচেয়ে আলোচিত হত্যা মামলায় তিনি মাত্র নয়শো ডলার ফি নেন। এই মামলা নিয়ে শেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়। শেতাঙ্গদের সংগঠন কু ক্লাক্স ক্ল্যান কার্ল হেইলির মৃত্যুর দাবিতে সরব হয়। আইনজীবী জেইক ব্রিগেন্স ডিনামাইট হামলার শিকার হয়। শুধু তাই নয় জেইকের সেক্রেটারির স্বামীকে শেতাঙ্গরা খুন করে। এমনকি জেইক এর সহকারী অ্যালেনকে অপহরণ করে জঙ্গলে নিয়ে নির্যাতন করে।

এদিকে কার্ল হেইলির বিচার শুরু হয়। ১২ জন জুরি নির্ধারন করা হয়। বিচারক নুজ ও জুরি বোর্ডের সামনে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষ সাক্ষী হাজির করে। উভয়পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ। সমাপনী বক্তব্য দেওয়ার পালা। জেইক ব্রিগেন্স এর বিদ্ধস্ত অবস্থা। নিরাপত্তার কারণে তার স্ত্রী ও সন্তানদের অন্যত্র সরিয়ে দিয়েছে। তাঁর বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে কু ক্ল্যানরা।

বসে নেই কালো মানুষেরা। তারা তাদের মহানায়ক কার্ল হেইলিকে রক্ষা করার জন্য মাঠে নেমেছে তারা। আট হাজার কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যুষিত কাউন্টির আদালত ভবন ঘিরে রেখেছে কুড়ি হাজার কৃষ্ণাঙ্গ।

বিজ্ঞ বিচারক ও জুরি বোর্ডের সামনে জেইক ব্রিগেন্স সমাপনী বক্তব্য পেশ করে। অসাধারণ পেশ করলেও দুশ্চিন্তা কমে না জেইক ব্রিগেন্স এর। কারণ জুরি বোর্ডের সবাই শেতাঙ্গ। তারাই সিদ্ধান্ত প্রদান করবে।

জুরি বোর্ড এর সদস্যরা দ্বিধান্বিত। বার বার আলাপ আলোচনা করে তারা। পক্ষে বিপক্ষে নানা ধরনের যুক্তি তুলে ধরে। তারপর সবাই বিচারকের নিকট তাদের সিদ্ধান্ত প্রদান করে। বিচারক নুজ জুরি বোর্ডের রায় ঘোষণা করতে বললো। ভাঁজ করা কাগজটা চোখের সামনে মেলে ধরলো গিলেস্পি, তারপর পড়তে লাগলো, ‘প্রতিটি অভিযোগ আমলে নিয়ে আমরা, জুরিরা এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, ইনস্যানিটির ভিত্তিতে আসামি নির্দোষ।’ রায় শুনে পুরো আদালত কক্ষে খুশির বন্যা বয়ে গেল। দীর্ঘ ও কঠিন লড়াইয়ের পর কার্ল লি ন্যায় বিচার পেলো। আর আইনজীবী জেইক ব্রিগেন্স হিরো হয়ে গেলো। আদালতের বাইরে কৃষ্ণাঙ্গেরা সমস্বরে চিৎকার করলো নট গিল্টি! নট গিল্টি!

এ টাইম টু কিল উপন্যাসটি মূলত এক অসহায় কৃষ্ণাঙ্গ পিতার প্রতিশোধ ও আইনি লড়াইয়ের গল্প। যে গল্পে জেইক ব্রিগেন্স নামক আইনজীবীর বীরত্বগাঁথা লিখা হয়েছে। যেখানে জেইক ব্রিগেন্সকে অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, যার মধ্যে অন্যতম হলো বার কাউন্সিল থেকে বহিষ্কৃত এক আইনজীবী আর এক ডিভোর্স ল’ইয়ার। আরও একজন হাত বাড়িয়েছে সাহায্যের; রহস্যময় এক চরিত্র মিকি মাউস।

আইনের সাথে সম্পর্কিত প্রত্যেক ব্যক্তির এই উপন্যাসটি পড়া উচিত।

বুক রিভিউ - এ টাইম টু কিল
লেখক - জন গ্রিশাম

বুক রিভিউএ টাইম টু কিললেখক - জন গ্রিশামকোনটা বেশি ভয়ঙ্কর - খুন নাকি ধর্ষণ? এই প্রশ্নের উত্তর এককজনের কাছে একেকটা। অনেকেই...
27/02/2026

বুক রিভিউ
এ টাইম টু কিল
লেখক - জন গ্রিশাম

কোনটা বেশি ভয়ঙ্কর - খুন নাকি ধর্ষণ? এই প্রশ্নের উত্তর এককজনের কাছে একেকটা। অনেকেই মনে করেন ধর্ষণের ঘটনা বেশি ভয়ঙ্কর।

একটা ধর্ষণের ঘটনা কেন খুনের চাইতেও ভয়ঙ্কর? খুন হলে ভিক্টমিকে আর সেটা নিয়ে কোনো জটিলতায় পড়তে হয় না। কারণ ভিকটিম তখন সকল জটিলতার উর্ধ্বে। কিন্তু ধর্ষণের ব্যপারটা আরও বেশি মারাত্মক। ভিকটিমকে সারাজীবন এই দুঃসহ স্মৃতির বোঝা বয়ে বেড়াতে হয়। হাজারটা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। সবচেয়ে জঘন্য সম্ভবত শিশু ধর্ষণ। প্রাপ্ত বয়স্ক নারী অন্তত এটুকু জানে যে কেন সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। কিন্তু একটা শিশু জানেও না কেন সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

১০ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ টনিয়া হেইলি গণধর্ষণের শিকার হয়। ধর্ষক দুইজন শ্বেতাঙ্গ। ধর্ষিতার পিতা ভিয়েতনাম যোদ্ধা কার্ল হেইলি আদালত প্রাঙ্গণে এম ১৬ রাইফেল দিয়ে দুই ধর্ষককে হত্যা করে। এই হত্যার বিচার নিয়েই মূলত এ টাইম টু কিল উপন্যাস লেখা হয়েছে। জুরি বোর্ড গঠন, শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন, কার্ল হেইলির আইনজীবী ও তার সহকারীদের সাথে ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা, সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা, অসাধারণ সমাপনী বক্তব্য আর জুরিদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাহিনি নিয়ে এই উপন্যাসটি লেখা হয়েছে। আইনের ছাত্রদের কাছে উপন্যাসটি সুখপাঠ্য হবে বলে আমি মনে করি।

বিষয়ঃ ভূমির দখল বা মালিকানা নিয়ে বিরোধ হলে আপনি কী পদক্ষেপ নিবেন? #জমির দখল বা জমির সীমানা নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকল...
26/02/2026

বিষয়ঃ ভূমির দখল বা মালিকানা নিয়ে বিরোধ হলে আপনি কী পদক্ষেপ নিবেন?

#জমির দখল বা জমির সীমানা নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে তখন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট আবেদন করতে হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা মোতাবেক পিটিশন কেস দাখিল করা যায়।

#পিটিশন কেস এর ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার ভূমি বা A.C. Land কে জমির দখল সংক্রান্ত প্রতিবেদন পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শান্তিরক্ষার আদের্শ প্রদান করেন। দখল সংক্রান্ত বিষয়েও সিদ্ধান্ত প্রদান করতে পারেন।

#নিষেধাজ্ঞা: আপনার জমিতে কেউ প্রবেশ করার চেষ্টা করলে বা চাষাবাদ করার চেষ্টা করলে আপনি তাকে বাধা দেওয়ার জন্য নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারেন। ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী আপনি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাও চাইতে পারেন।

#দখল পুনরুদ্ধার: আপনার সম্পত্তি দখল করে নিলে ২ ধরনের প্রতিকার আছে। আপনি চাইলে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০১৩ এর ৮ ধারা অনুযায়ী দখল পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরেজমিনে তদন্তপূর্বক, সাক্ষ্য গ্রহণপূর্বক মাত্র ৩ মাস সময়ের মধ্যে আপনার দখল ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। যদিও বাস্তবিক অর্থে আরও বেশি সময় প্রয়োজন হয়।

#দখলের সাথে মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা থাকলে দেওয়ানি আদালতে যেতে হবে। দেওয়ানি আদালতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ বা ৯ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে। এই মোকদ্দমা নিষ্পত্তি হতে বেশ সময় লাগে।

#এই দুটো অপশনের মধ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন করা উত্তম। কারণ এক্ষেত্রে দ্রুত প্রতিকার পাওয়া সম্ভব।

#একই বিষয় নিয়ে দেওয়ানি আদালতে ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা দায়ের করা যাবে না। অর্থাৎ দখল পুনরুদ্ধারের জন্য দেওয়ানি আদালত অথবা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যে কোনো এক জায়গায় মামলা করা যাবে।

#ভূমির দখল বা মালিকানা নিয়ে সংঘাত হলে এবং আপনি আঘাতপ্রাপ্ত হলে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে পারবেন। থানা অথবা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা দায়ের করা যাবে। এক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট আবেদন করা যাবে না। অপরাধ সংঘটিত হলে সে বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোনো সিদ্ধান্ত প্রদান করতে পারেন না। কারণ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার নেই।

#আপনাকে আঘাত করা হলে এবং জমি থেকে বেদখল করলে তখন ২ ধরনের প্রতিকার আছে।
১) দেওয়ানি বা আধা দেওয়ানি প্রতিকার
২) ফৌজদারি প্রতিকার

দখল পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন আর আঘাতের বিচারের জন্য থানা বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা দায়ের করা যাবে।

অ্যাডভোকেট শায়েক আল হাসান জনি এন্ড এসোসিয়েটস।
মোবাইল - ০১৭৭১৫০৮১৫৪

পুলিশ পদোন্নতি Written পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল হ্যান্ডনোট। নিচে হ্যান্ডনোটের কিছু পৃষ্ঠার নমুনা দেওয়া হলো। যাদের ক্ষ...
23/02/2026

পুলিশ পদোন্নতি Written পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল হ্যান্ডনোট। নিচে হ্যান্ডনোটের কিছু পৃষ্ঠার নমুনা দেওয়া হলো।

যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
নায়েক হতে এ এস আই (সশস্ত্র) , এ এস আই (সশস্ত্র) হতে এস আই (সশস্ত্র), কনস্টেবল হতে এ টি এস আই, এ টি এস আই হতে টি এস আই , কনস্টেবল/ নায়েক হতে এ এস আই (নিরস্ত্র), এ এস আই হতে এস আই (নিরস্ত্র)

মূল্য - ৬০০ টাকা

ঠিকানা- রুম নং-৪/৪, (লিফট এর ৪), ইস্টার্ন ম্যানশন, ৬৭/৯, পাইওনিয়ার রোড, কাকরাইল- রমনা, ঢাকা-১০০০

হ্যান্ডনোট সংগ্রহ করতে যোগাযোগঃ ০১৭৩৫৫৬৩৭৮৯

এছাড়াও, সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোনো
প্রান্ত থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন সেক্ষেত্রে বিকাশে ৬৫০ টাকা ০১৭৩৫৫৬৩৭৮৯ নাম্বারে সেন্ড মানি করে নাম, ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার এসএমএস করুন।

বিষয়: জোর করে জমি দখল করলে মাত্র ৩ মাসেই সেই জমির দখল পুনরুদ্ধার করুন।আপনার জমি যদি কেউ জোরপূর্বক দখল করে তাহলে আপনি মাত...
23/02/2026

বিষয়: জোর করে জমি দখল করলে মাত্র ৩ মাসেই সেই জমির দখল পুনরুদ্ধার করুন।

আপনার জমি যদি কেউ জোরপূর্বক দখল করে তাহলে আপনি মাত্র ৩ মাসের মধ্যে সেই জমির দখল ফিরে পাবেন। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে? কিন্তু এটা বর্তমানে সম্ভব। এটাকে সম্ভব করতে চাইলে আপনাকে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৮ ধারা অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রথমে আপনাকে সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে হবে। আবেদনে জমির মালিকানা সংক্রান্ত তথ্য ও আনুষঙ্গিক তথ্য প্রদান করতে হবে। আবেদনের সাথে প্রয়োজনীয় দলিলাদি ও দাবির সমর্থনে অন্য কোনো তথ্য-উপাত্ত, স্থিরচিত্র, ভিডিও ইত্যাদি থাকলে তা প্রদান করতে হবে। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবেদন গ্রহণ করলে প্রতিপক্ষকে ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের মধ্যে হাজির হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর জন্য নোটিশ প্রদান করবেন এবং উপযুক্ত তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সরেজমিনে তদন্ত করে ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদেশ প্রদান করবেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা সরেজমিন তদন্তপূর্বক পক্ষগণের বক্তব্য ও দলিলাদি পর্যালোচনা করে তদন্ত প্রতিবেদন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর প্রেরণ করবেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক দাখিলকৃত প্রতিবেদনে কোনো পক্ষ সংক্ষুব্ধ হলে তিনি উক্ত বিষয়ে পুনরায় তদন্তের জন্য এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত বিষয়ে স্বয়ং তদন্ত করতে পারবেন।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে শুনানির জন্য অগ্রসর হবেন এবং আবেদনকারী, প্রতিপক্ষ ব্যক্তি ও চৌহদ্দির দখলদারগন ও অন্য কোনো স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সাক্ষ্য এবং পক্ষগণের শুনানি গ্রহণ করবেন।
শুনানি গ্রহণ শেষে যদি দেখা যায় আবেদনকারীকে আইনানুগ প্রক্রিয়া ব্যতীত উচ্ছেদ বা দখলমুত করা হয়েছে তাহলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে উক্ত ভূমির দখলে পুনর্বহাল করার জন্য দখল হস্তান্তর বা পুনরুদ্ধাদের আদেশ প্রদান করবেন।
নালিশি ভূমির দখল হস্তান্তর করার জন্য প্রতিপক্ষ বরাবর প্রদত্ত আদেশ প্রাপ্তির ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে, প্রতিপক্ষ দখল হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনকারীকে দখলে পুনর্বহাল করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তার জন্য আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

অবৈধভাবে ভূমি দখলকারী ব্যক্তি দখল পুনরুদ্ধারে বাধা প্রদান করলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তার বিরুদ্ধে অপরাধ বিচারার্থে উপযুক্ত ফৌজদারি আদালতে প্রেরণ করবেন বা মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। কোনো আবেদন প্রাপ্তির পর হতে ৩ (তিন) মাসের মধ্যে উক্ত আবেদন নিষ্পত্তি বা দখল পুনরুদ্ধার করতে হবে।

সুতরাং মাত্র ৩ মাসের মধ্যে বেদখলকৃত সম্পত্তির দখল ফেরত পাওয়া সম্ভব।

অ্যাডভোকেট শায়েক আল হাসান জনি এন্ড এসোসিয়েটস।
মোবাইল - ০১৭৩৫৫৬৩৭৮৯

Address

Eastern Mansion, 67/9 Pioneer Road, Kakrail, Dhaka -1000
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বোনাফাইড পুলিশ পদোন্নতি কোর্স posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share