04/11/2022
ihope
ihope is an English medium school with Arabic lesson. Also we have special course on Art & Craft, Hand writing, Arabic, kids programming
Its a Digital Knowledge Hub, using digital labs to learn Arabic to English to Bangla language and Quaran, Hadith.
04/11/2022
আলহামদুলিল্লাহ! ছোট বাচ্চার মুখে কুরআন! ♥️♥️
26/06/2021
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: طلب العلم فريضة على كل مسلم ومسلمة. অর্থাৎ দ্বীনি ইলম শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর উপর ফরজ।
উপরোক্ত হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে দ্বীনি ইলম শিক্ষা করা কতটা জরুরি আর আমরা অনেকেই মুসলমান হয়েও কুরআন হাদীস জানা অপশনাল হিসেবে নিচ্ছি এটা কতটা মারাত্মক ভুল সিদ্ধান্ত সেটা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না।
তাই করোনা শার্টডাউন এর ভিতরে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ সময়টা কাজে লাগিয়ে আমরা কুরআন শরীফ শিক্ষা গ্রহণ করি।
আমি হাফেজ মোঃ সাইফুল ইসলাম
কামিল অধ্যায়নরত আপনারা যারা শিখতে আগ্রহী তারা আমার সাথে যোগাযোগ করুন।
ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস নেওয়া হবে অতি শীঘ্রই যোগাযোগ করে সময় ঠিক করে নেন।
মোবাইল:01775366278
রাসুল(সাঃ)এর যে সকল হাদিস আমরা অনেকেই জানিনাঃ
১। মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে ভিজা। (সহীহ মুসলিম- ৮৯৮)
২। বৃষ্টি আসলে দোয়া করা।(সহীহ বুখারী- ১০৩২)
৩। রাতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে নির্জনে হাঁটা। (বুখারী- ৫২১১)
৪। স্ত্রীর রান্না করা হালাল খাবারের দোষ না ধরা।
খেতে মন না চাইলে চুপ থাকা। (মুসলিম- ২০৬৪)
৫। কোনো কিছু জানা না থাকলে স্বীকার করা যে, আমি জানি না।
(বায়হাকী- ১৭৫৯৫)
৬। মাঝে মাঝে বিপদে আকাশের দিকে মাথা তোলা।
আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো আল্লাহকে বলা।
(মুসলিম- ২৫৩১)
৭। খুব খুশি হলে সিজদায় লুটিয়ে পড়া। (মুখতাসার যাদুল মা' আদ- ১/২৭)
৮। ধোঁয়া ওঠা গরম খাবার ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত না খাওয়া।
(বায়হাকি-৪২৮)
৯। নফল ও সুন্নাহ সালাতগুলো নিজের ঘরে পড়া।(বুখারী- ৭৩১)
১০। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এবং বাসা ফিরে দুই রাকাআত সালাত আদায় করা। (মুসনাদে বাযযার- ৮৫৬৭)
১১। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জুতা না পরা। বিশেষ করে শু জুতা (আবু দাউদ- ৪১৩৫)
১২। যতই ভালো খাবার হোক ভরা পেটে না খাওয়া। (তিরমিযী- ২৪৭৮)
১৩। ফজরের সালাতের পর সালাতের স্থানে বসে তসবি পড়া।
অতঃপর সূর্য উঠার পর দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।
(আরশিফু মুলতাকা- ৪৫৬৯)
১৪। দ্বীনের দাওয়াত সহজ করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি ভাষা শিখা। (মুসনাদে আহমাদ- ২১৬১৮)
১৫। বাড়িতে অজু করে রুমাল দিয়ে হাতপা মুছে মসজিদে জামায়াতে যাওয়া।
(তাবরানী- ৬১৩৯)
১৬। মানুষের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে দেয়া।(মুসনাদে আহমাদ- ২৭৫০৮)
১৭। রাতে অজু অবস্থায় ঘুমানো।(ফাতহুল বারি- ১১/১১০)
১৮। মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা। (আবু দাউদ- ৪১৬০)
১৯।যদি কারো উপর কোনো কষ্ট আসে, আল্লাহ তাআলা এর কারণে তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন; যেমনভাবে গাছ থেকে পাতা ঝরে পড়ে। (বুখারি, হাদিস নং: ৫৬৮৪)
২০।যে মানুষের উপকার করে, সেই সবচেয়ে ভালো মানুষ। (সুনানে দারাকুতনি)
২১।রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বলেনঃ আমি হেলান দেওয়া অবস্থায় কোনো কিছু ভক্ষণ করি না। (বুখারি, হাদিস নং: ৫১৯০, তিরমিজি, হাদিস নং: ১৯৮৬)
আমরা হাদিস গুলো নিজে জানব এবং অন্যদের কেও জানাব
ইন শা আল্লাহ।
M***i Rashedul islam
১ম রোজার তারাবীহ
ইনশাআল্লাহ আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এশার নামাজের পর ১ম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআনের সম্পুর্ন ১নং পারা এবং ২নং পারার প্রথম অর্ধেকাংশ নিয়ে পবিত্র কোরআন থেকে সর্বমোট দেড় পারা তেলাওয়াত করা হবে।
এই দেড় পারা (সুরা বাকারার ১নং আয়াত থেকে ২০৩ নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-
•এই সেই কিতাব (কোরআন) যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য, যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে। [ সুরা বাকারা-২,৩]
•আর তারা যখন ঈমানদারদের সাথে মিশে, তখন বলে, আমরা ঈমান এনেছি। আবার যখন তাদের শয়তানদের সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করে, তখন বলে, আমরা তোমাদের সাথে রয়েছি। আমরা তো (মুসলমানদের সাথে) উপহাস করি মাত্র। [ সুরা বাকারা-১৪ ]
•হে নবী, যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজসমূহ করেছে, আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার হিসেবে কোন ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য শুদ্ধা সহধর্মিনীগন থাকবে। আর সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে। [ সুরা বাকারা-২৫ ]
•সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বে সত্যকে গোপন করো না। [ সুরা বাকারা-৪২ ]
•নামায কায়েম কর, যাকাত আদায় কর এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে, যারা অবনত হয়। [ সুরা বাকারা-৪৩ ]
•ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব। [ সুরা বাকারা-৪৫ ]
•সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোন সুপারিশও কবুল হবে না; কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেয়া হবে না এবং তারা কোন রকম সাহায্যও পাবে না। [ সুরা বাকারা-৪৮ ]
•আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন। [ সুরা বাকারা-৭৪ ]
•যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তারাই জান্নাতের অধিবাসী। তারা সেখানেই চিরকাল থাকবে। [ সুরা বাকারা-৮২ ]
•এরাই পরকালের বিনিময়ে পার্থিব জীবন ক্রয় করেছে। অতএব এদের শাস্তি লঘু হবে না এবং এরা সাহায্যও পাবে না। [ সুরা বাকারা-৮৬ ]
•আপনি তাদেরকে জীবনের প্রতি সবার চাইতে, এমনকি মুশরিকদের চাইতেও, অধিক লোভী দেখবেন। তাদের প্রত্যেকে কামনা করে, যেন তারা হাজার বছর আয়ু পায়। অথচ এরূপ আয়ু প্রাপ্তি তাদেরকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহ দেখেন যা কিছু তারা করে। [ সুরা বাকারা-৯৬ ]
•আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বিশেষ ভাবে স্বীয় অনুগ্রহ দান করেন। আল্লাহ মহান অনুগ্রহদাতা। [ সুরা বাকারা-১০৫ ]
•আল্লাহর কাছেই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আধিপত্য। আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধু ও সাহায্যকারী নেই। [ সুরা বাকারা-১০৭ ]
•যে কেউ ঈমানের পরিবর্তে কুফর গ্রহন করে, সে সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়। [ সুরা বাকারা-১০৮ ]
•নামায প্রতিষ্ঠা কর ও যাকাত আদায় কর। তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরণ করবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা প্রত্যক্ষ করেন। [ সুরা বাকারা-১১০ ]
•যে ব্যাক্তি আল্লাহর মসজিদসমূহে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে বাধা দেয়, এবং সেগুলোকে উজাড় করতে চেষ্টা করে, তার চাইতে বড় যালেম আর কে? এদের পক্ষে মসজিদসমূহে প্রবেশ করা বিধেয় নয়, অবশ্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায়। ওদের জন্য ইহকালে লাঞ্ছনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে। [ সুরা বাকারা-১১৪ ]
•পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। অতএব, তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ। [ সুরা বাকারা-১১৫ ]
•তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উদ্ভাবক। যখন তিনি কোন কার্য সম্পাদনের সিন্ধান্ত নেন, তখন সেটিকে একথাই বলেন, `হয়ে যাও' তৎক্ষণাৎ তা হয়ে যায়। [ সুরা বাকারা-১১৭ ]
•নিশ্চয়ই আমি আপনাকে (রাসুলুল্লাহ) সত্যধর্মসহ সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে পাঠিয়েছি। [ সুরা বাকারা-১১৯ ]
•তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত হবে না, কারও কাছ থেকে বিনিময় গৃহীত হবে না, কারও সুপারিশ ফলপ্রদ হবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্তও হবে না। [ সুরা বাকারা-১২৩ ]
•আমরা আল্লাহর রং গ্রহণ করেছি। আল্লাহর রং এর চাইতে উত্তম রং আর কার হতে পারে? আমরা তাঁরই এবাদত করি। [সুরা বাকারা-১৩৮ ]
•তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না। [ সুরা বাকারা-১৫২ ]
•হে মুমিন গন! তোমরা ধৈর্য্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চিয়ই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে রয়েছেন। [ সুরা বাকারা-১৫৩ ]
•যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদের মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত, কিন্তু তোমরা তা বুঝ না। [ সুরা বাকারা-১৫৪ ]
•অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। [ সুরা বাকারা-১৫৫ ]
•নিশ্চয়ই যারা কুফরী করে এবং কাফের অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করে, সে সমস্ত লোকের প্রতি আল্লাহর ফেরেশতাগনের এবং সমগ্র মানুষের লা'নত। [ সুরা বাকারা-১৬১ ]
•পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তু-সামগ্রী ভক্ষন কর। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। সে নিঃসন্দেহে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। [ সুরা বাকারা-১৬৮ ]
•তিনি তোমাদের উপর হারাম করেছেন, মৃত জীব, রক্ত, শুকর মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যাতীত অপর কারো নামে উৎসর্গ করা হয়। [ সুরা বাকারা-১৭৩ ]
•সৎকর্ম শুধু এই নয় যে, পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখ করবে। বরং বড় সৎকাজ হল এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহর উপর, কিয়ামত দিবসের উপর, ফেরেশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রসূলগণের উপর; আর সম্পদ ব্যয় করবে তাঁরই মহব্বতে আত্নীয়-স্বজন, এতীম-মিসকীন , মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে। আর যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত আদায় করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং অভাবে, রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্য ধারণকারী- তারাই হল সত্যাশ্রয়ী, আর তারাই পরহেযগার। [ সুরা বাকারা-১৭৭ ]
•হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। [ সুরা বাকারা-১৮৩ ]
•রমযান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন; যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ, আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ কিংবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না, যাতে তোমরা গণনা পূরণ কর এবং তোমাদের হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ তা'আলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর; যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর। [ সুরা বাকারা-১৮৫ ]
•রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। আল্লাহ অবগত রয়েছেন যে, তোমরা আত্নপ্রতারণা করছিলে, সুতরাং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন এবং তোমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন। অতঃপর তোমরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর, এবং যা কিছু তোমাদের জন্য আল্লাহ দান করেছেন, তা আহরন কর। আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা। অতএব, এর কাছেও যেও না। আল্লাহ এমনিভাবে বর্ণনা করেন নিজের আয়াত সমূহ মানুষের জন্য, যাতে তারা বাঁচতে পারে। [ সুরা বাকারা-১৮৭ ]
29/08/2020
♻♻♻ শুক্রবারের 🤲 ৩টি প্রশ্ন 🤔♻♻♻
প্রশ্ন ১: দুনিয়ায় যা হয় তার নাকি সবই
আল্লাহর নির্দেশে হয়? তাহলে আবার তিনি পাপের শাস্তি দিবেন কেন ? পাপ ও তো তার নির্দেশেই হয় ?
প্রশ্ন ২: আল্লাহ জ্বিন জাতিকে ও জাহান্নামে শাস্তি দিবেন কিন্তু জ্বিন জাতিতো আগুনের সৃষ্টি; তো আগুন কে আগুন দ্বারা কিভাবে শাস্তি দিবেন ?
প্রশ্ন ৩: আল্লাহ কোথায় আছে আর আমাকে দেখান ?
এই তিন প্রশ্ন শোনার পর জ্ঞানী লোকটা কিছুই বললেন না ,
🤫 বরং শক্ত মাটির একটা টুকরা নিয়ে প্রশ্নকারীর কপালে ঢিল মারলেন।😇
🤯এতে করে লোকটি আঘাত পেয়ে কাজী সাহেবের নিকট গিয়ে বিচার চাইলো যে , আমি তাকে প্রশ্ন করায় সে আমাকে আঘাত করেছেন এতে আমি অনেক ব্যাথা
পেয়েছি ।
কাজী তখন জ্ঞানী লোকটাকে ডেকে পাঠালেন এবং অভিযোগের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন ।
জ্ঞানী ব্যক্তি বললেনঃ
❓ তার ১ম প্রশ্ন ছিল , সব কিছু যদি আল্লাহর নির্দেশে হয় তাহলে আল্লাহ আমাদের জন্য বিচার আর শাস্তির ব্যবস্থা করবেন কেন ?
👉তাহলে তার ঢিল এ আঘাত পাওয়াটাও নিশ্চয় আল্লাহর নির্দেশে হয়েছে; কিন্তু সে এখন আপনার দরবারে বিচার দায়ের করল কেন ?
❓তার ২য় প্রশ্ন ছিল , আগুনের জাতিকে আল্লাহ আগুন দিয়ে কিভাবে শাস্তি দিবেন ?
👉 তো সে মাটির সৃষ্টি হয়ে মাটির আঘাতে ব্যাথা পেল কিভাবে ?
❓তার ৩য় প্রশ্ন ছিল, আল্লাহ কোথায় ? আল্লাহকে দেখান ?
👉তো তাকে আমার প্রশ্ন হল , তার ব্যাথা কোথায় ? ব্যাথা আমাকে দেখাক ?
🗣💤 💞💤
14/08/2020
নীচের উচ্চারণ বিষয়ের উপর কারো মতামত থাকলে দয়া করে জানাবেন।।
"আস্তাগফিরুল্লাহ" যার অর্থঃ- "হে_আল্লাহ_আমি_ক্ষমা_চাই" কিন্তু আমাদের অনেকে অজ্ঞতাবশত শব্দটি কে "আস্তাকফিরুল্লাহ" উচ্চারণ করে থাকি।হয়তো এটা আপনার নজরে সামান্য একটা ভুল কিন্তু এই ভুলের কারণে অর্থ বিকৃতি হয়ে এমন একটি অর্থ দাঁড়ায় যা শুনলে আপনি আঁৎকে উঠবেন।
#আস্তাগফিরুল্লাহ শব্দটার মধ্য আরবি "গাইন" হরফের জায়গায় যদি "কাফ" উচ্চারণ করেন তবে এর অর্থ দাঁড়ায়ঃ
"হে আল্লাহ আমি কাফির হতে চাই"
নাউজুবিল্লাহ, নাউজুবিল্লাহ, নাউজুবিল্লাহ।
আস্তাগফিরুল্লাহ শব্দটি আমরা প্রতিদিন পরি আর পড়ার কথা নবী কারিম(সাঃ) তাগিদও দিয়েছেন আর তিঁনি নিজেও দিনে ৭০ বারের বেশি পড়তেন।
[জুম্মা মোবারক ]
10/06/2020
আলহামদুলিল্লাহ! সূরা ইখলাস আমরা প্রতিদিনিই কোন না কোন সালাতে তিলাওয়াত করি। অনেকেই শেষ আয়াতে একটা ভুল করে থাকেন
শব্দটি হচ্ছে كفوا, এখানে 'و' (ওয়াও) এর উপরের তানউইন আছে তাই শুদ্ধ উচ্চারণ হচ্ছে 'কুফুওয়ান'। কিন্তু অধিকাংশই পড়ি 'কুফুয়ান'। 'و' এর উচ্চারণ করতে হয় ঠোট দুটো গোল করে। আর 'و' এর উপর তানউইন (দুই যবর) থাকার কারণে 'ওয়ান' হবে সঠিক উচ্চারণ।
এমনিভাবে ১ম আয়াতেও "ক্বুল হুওয়াল্লাহু "হবে। "ক্বুলহুয়াল্লাহু " নয়।
এমন আরও কিছু সহিহ উচ্চারণ শেখানো হবে ইনশাআল্লাহ আমাদের এরাবিক কোর্সে।
ولن يؤخر الله نفسا إذا جاء أجلها ! অর্থাৎ যখন কোন প্রাণ হরণের সময় হয়ে যাবে তথা তার হায়াত শেষ হয়ে যাবে তখন আল্লাহ তায়ালা কিছুতেই এক মুহুর্তও বিলম্ব করবেন না আর সকল প্রাণিকেই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে যার জন্ম হয়েছে তার মৃত্যু অবধারিত এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন كل نفس ذاءقة الموت অপর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন أينما تكونوا يدركم الموت ولو كنتم في بروج مشيدة অর্থাৎ তোমরা যেখানেই থাকো না কেনো মৃত্যু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই যদিও তোমরা সুরক্ষিত দুর্গে অবস্থান করো সুতরাং মৃত্যু থেকে আমরা যতই পলায়ন করিনা কেন কেউই আমরা মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাবো না আর করোনায় আক্রান্ত হলেই মৃত্যু বরণ করবো বিষয়টি এমন নয় বরং করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সচেতনতা ও সঠিক পরিচর্যা গ্রহণ করলে সহজেই সেরে উঠা সম্ভব পৃথিবীতে এ পর্যন্ত ৩৫ লাখেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে আর বাংলাদেশে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ১৫ হাজারের অধিক অতএব করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেই মৃত্যু অনিবার্য এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত একমাত্র হায়াত শেষ হলেই আমার মৃত্যু সুনিশ্চিত হবে তবে করোনা একটা উপলক্ষ মাত্র হতে পারে করোনা দিয়েই আল্লাহ তায়ালা আমাদের হায়াতের ইতি ঘটাবেন
30/05/2020
আলহামদুলিল্লাহ! যারা কভিড১৯ এর কারনে বাসায় বাচ্চাদের কায়দা আমপারা কুরআন মাজীদ শিখাতে পারছেন না। তাদের জন্য অনলাইনে চমৎকার উপস্থাপনায় নুরানি পদ্ধতিতে স্বল্প খরচে কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের দুটি ব্যাচ শুরু হবে। একটি বড়দের জন্য আরেকটি ছোটদের। ইনশাআল্লাহ দেশের বিখ্যাত ক্বারী এবং হাফেজরা ক্লাস নিবেন ইনশাআল্লাহ। আমাদের ক্লাস শুরু ১৫ইজুন থেকে অতিদ্রুত যোগাযোগ করুন প্রতি ব্যাচে বিশজনের বেশি নেয়া হবে না। আপনাদের নাম ঠিকানা মোবাইল নাম্বার দিতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
106/B Malibagh
Dhaka
1217
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 13:00 |
| 15:00 - 19:00 | |
| Tuesday | 09:00 - 19:00 |
| Wednesday | 09:00 - 19:00 |
| Thursday | 09:00 - 19:00 |
| Friday | 08:00 - 11:00 |
| 16:00 - 20:00 | |
| Saturday | 09:00 - 19:00 |
| Sunday | 09:00 - 19:00 |