15/08/2024
সিঙ্গাপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সিঙ্গাপুরের প্রাচীনতম এবং সর্ববৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রায় ১.৫ বর্গ কিলোমিটার (০.৬ বর্গ মাইল) এলাকা জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস অবস্থিত।
১৯০৫ সালে সূচনা হওয়ার পর থেকে, NUS-এর সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ার অনেক বিশিষ্ট প্রাক্তন ছাত্র রয়েছে, যার মধ্যে দুই সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী এবং চারজন সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপতি, দুইজন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী এবং অনেক রাজনীতিবিদ, বিচার বিভাগ, ব্যবসায়িক নির্বাহী, শিক্ষাবিদ এবং স্থানীয় সেলিব্রিটি ছিলেন।সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান/সরকারের প্রধান আব্দুল রাজাক হুসেন , বেঞ্জামিন শিয়ারস , গোহ চোক টং , মাহাথির মোহাম্মদ এবং এসআর নাথান । সিঙ্গাপুরের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কিছুক্ষণ আগে রাফেলস কলেজে পড়াশোনা করেছিলেন ।
11/08/2024
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ জানা না গেলেও অনুমান করা হয় এর প্রতিষ্ঠা সাল ১০৯৬ ইং। তবে ১১৬৭ সালে রাজা ২য় হেনরি ইংরেজ ছাত্রদের প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। প্রথমদিকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মতত্ত্ব, আইন, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও দর্শন বিভাগ ছিল। প্রথমদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের কোন ভবন ছিলনা, ভাড়া করা হল অথবা চার্চে ক্লাস নেওয়া হত। ১৩৫৫ সালে রাজার এক আদেশবলে বিশ্ববিদ্যালয়কে অক্সফোর্ড শহরে স্থান দেওয়া হয়।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ৩৯টি কলেজ এবং ৫ টি Permanent Private Halls (PPHs) এর সমন্বয়ে গঠিত। এদের প্রতিটি স্বতন্ত্রভাবে পরিচালিত হয়। সকল ছাত্রকে এদের যেকোন একটির সাথে যুক্ত থাকতে হয়। আবাসিক সুবিধা ছাড়াও কলেজগুলোতে ছাত্রদের ক্লাস নেয়া হয়। তবে পরীক্ষা, গবেষণাগার এবং কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরিচালনা করে। প্রতিটি কলেজে সাধারণত একটি ডাইনিং হল, প্রার্থনা কেন্দ্র, লাইব্রেরি, তিনটি কমন রুম এবং ২০০-৪০০ ছাত্রের থাকার স্থান থাকে। কলেজগুলোর ভর্তি প্রক্রিয়া আলাদা হলেও একটি গ্রহণযোগ্য মান ধরে রাখা হয়।বর্তমান এতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৩,১৯৫ এবং শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ ১৭৯৩ জন।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের অক্সনিয়ান বলা হয়। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বহু বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব শিক্ষা লাভ করেছেন। এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৪ জন ইংরেজ রাজা, ৮ জন বিদেশী রাজা, ৪৭ জন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, ২৫ জন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ২৮ জন বিদেশী প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে রয়েছেন - জন ওয়েজলি, অস্কার ওয়াইল্ড, সেসিল রোডস, এডমান্ড হ্যালি, স্টিফেন হকিং, টিম বার্নার্স-লি, হিউ গ্রান্ট, রুপার্ট মার্ডক, মার্গারেট থ্যাচার প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ।
কলেজগুলো হলো:
ইউনিভার্সিটি কলেজ (১২৪৯)
ব্যাল্লিওল কলেজ (১২৬৩)
মার্টন কলেজ (১২৬৪)
হার্টফোর্ড কলেজ (১২৮২)
এক্সটার কলেজ (১৩১৪)
লিঙ্কন কলেজ (১৪২৭)
অল সোলস্ কলেজ ( ১৪৩৮)
ম্যাগদালেন কলেজ (১৪৫৮)
ব্র্যাসনোজ কলেজ (১৫০৯)
কর্পাস ক্রিস্টি কলেজ (১৫১৭)
ক্রাইস্ট চার্চ (১৫৪৬)
ট্রিনিটি কলেজ (১৫৫৪)
সেন্ট জনস্ কলেজ (১৫৫৫)
জিসাস কলেজ (১৫৭১)
ওয়াডহ্যাম কলেজ (১৬১০)
পেমব্রোক কলেজ (১৬২৪)
অরিয়েল কলেজ (১৩২৬)
দ্য ক্যুইনস্ কলেজ (১৩৪১)
নিউ কলেজ (১৩৭৯)
ওরচেষ্টার কলেজ (১৭১৪)
কেবেল কলেজ (১৮৭০)
লেডি মার্গারেট হল (১৮৭৮)
সেন্ট অ্যানস্ কলেজ (১৮৭৮)
সমারভিল কলেজ (১৮৭৯)
ম্যান্সফিল্ড কলেজ (১৮৮৬)
সেন্ট হিউজেস কলেজ (১৮৮৬)
হ্যারিস ম্যানচেস্টার কলেজ (১৮৮৯)
সেন্ট হিল্ডাস কলেজ (১৮৯৩)
সেন্ট পিটার্স কলেজ (১৯২৯)
সেন্ট এন্টনিজ কলেজ (১৯৫৩)
সেন্ট এডমান্ড হল (১৯৫৭)
নাফিল্ড কলেজ (১৯৫৮)
লিনাক্রে কলেজ (১৯৬২)
সেন্ট ক্যাথরিনস্ কলেজ (১৯৬৩)
সেন্ট ক্রস কলেজ (১৯৬৫)
ওল্ফসন কলেজ (১৯৬৬)
কেলগ কলেজ (১৯৯০)
গ্রীণ টেম্পেলটন কলেজ (২০০৮)
তথ্যসূত্র:
১. অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট।
২.উইকিপিডিয়া।