Home
>
Bangladesh >
Dhaka >
Kashiani G C Pilot High School,Kashiani,Gopalganj,Bangladesh is my School.
Kashiani G C Pilot High School,Kashiani,Gopalganj,Bangladesh is my School.
Share
Kashiani G C Pilot High School is one of the Best & oldest Schools in Gopalganj District,Bangladesh.Landlord Girish Chandra Sen founded the School in 1902.
Page Creater and Admin : Muhammad Haider Ali Hitlu.SSC1987.পূর্ণাঙ্গ দ্বীন ইসলামের বীর মুজাহিদ ও বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ এবং গবেষক। প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত : Sir Hazi Nazir uddin Sarder থেকে।
কাশিয়ানী গিরীশ চন্দ্র পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় (Kashiani G C Pilot High School)One of the Oldest School of Gopalgonj,Bangladesh Since 1902.
জমিদার হিসেবে খ্যাত সর্বানন্দ সেনের পুত্র শ্রী গিরীশ চন্দ্র সেন৷ পিতা সর্ব
ানন্দ সেন পুত্রকে কলকাতায় রেখে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেন৷ ওকালতি পাশ করে গিরীশ চন্দ্র কলকাতা হাইকোর্টে ওকালতি করা শুরু করেন এবং পিতার অবর্তমানে জমিদারী তদারকী করতেন৷ প্রজাসাধারণের কথা ভেবে নিজের পরিবার পরিজনদের সাথে নিয়ে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন মনের মধ্যে তিনি লালন করতেন ৷ লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেন ১৯০২ সালে৷ প্রতিষ্ঠা করেন কাশিয়ানী গিরীশ চন্দ্র পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৷বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর ফুকরা গ্রামের বাবু রাজ বিহারী সেন গুপ্ত ,উলপুর গ্রামের বাবু রমনী মোহন সেন গুপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে ১৯১৯ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয় পরিচালনা করেন। ফুকরা গ্রামের মৌলভী আজহার উদ্দীন সাহেব প্রতিষ্ঠাতার সহযোগী হিসেবে কাজ করেন এবং তিনি ১৯৫৮ সালে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯১৯ সালে স্কুলটি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি লাভ করে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(Head Master)বৃন্দের নাম : বাবু রাজ বিহারী সেন গুপ্ত ,বাবু রমনী মোহন সেন গুপ্ত,বাবু ভূপেন্দ্র সেন গুপ্ত,বাবু অনুকুল চন্দ্র সাহা,মরহুম ইয়াকুব হোসেন সরদার(প্রথম মুসলিম প্রধান শিক্ষক),একেএম ইমদাদুল হক ইমু (ভারপ্রাপ্ত),বাবু কমলেশ পোদ্দার(ভারপ্রাপ্ত), মরহুম এবিএম সোলায়মান সিকদার(ভারপ্রাপ্ত), একেএম ওয়ালিয়ার রহমান,মনিরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত),সম হেমায়েতুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত),মো: খলিলুর রহমান থান্দার,বাবু বিভূতি বিকাশ ঘোষ,নূর আলম তালুকদার প্রমূখ। বর্তমানে বিদ্যালয়টি কাশিয়ানী জি.সি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়(Kashiani G C Pilot High School) নামে সমধিক খ্যাত৷ পদ্মার শাখা নদী মধুমতি; যা এককালে পদ্মার মতই প্রমত্তা ছিল৷ সে মধুমতি হতে চন্দনা- বারাশিয়া নামের এক শীর্ণকায় ছোট নদীর উত্পত্তি৷ কাশয়ানী গিরীশ চন্দ্র পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শোভা বর্ধনে নদীটির ভূমিকা ছিল অবর্ণনীয়৷ নদীবক্ষে বিরহ-মিলনের ভাটিয়ালী সুর আর ছোট ছোট তরঙ্গ দোলায় ভেসে আসা হিমেল হাওয়ায় প্রাণ জুড়িয়েছে তীরস্থ এই প্রতিষ্ঠানটি৷ কালের স্রোতধারায় প্রতিষ্ঠানটি হয়ে ওঠে কাশিয়ানীবাসীর মধ্যমনি৷ প্রতিষ্ঠা লগ্নে ই- প্যাটার্ণের টিনের ঘরটি আর নেই। সরকারী ও স্থানীয় অনুদানে তখন পূর্ণতা পেলেও দীর্ঘদিন এটি কালের সাক্ষী হিসেবে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। বিভিন্ন সময়ে নতুন ভবন নির্মাণসহ সংস্কার হয়েছে এবং প্রসার লাভ করেছে আরও একাধিক পাকা ভবন৷। কাশিয়ানী সদর ইউনিয়নের সফল চেয়ারম্যান শিকদার মোহাম্মদ আলীর তত্বাবধানে স্কুলের উত্তর পাশের ভবন সংস্কারসহ অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। আধুনিক শিক্ষার নব্য চেতনায় বলীয়ান এ প্রতিষ্ঠান ৷ জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে সদা ব্রত নিয়ে কাজ করে চলেছেন শিক্ষকেরা ৷ সাধারণ শিক্ষার পাশপাশি কারিগরী শিক্ষারও শিক্ষাদান চলছে৷ নয়শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণোচ্ছ্বল এই প্রতিষ্ঠানে মোট শিক্ষক প্রায় ৩০(ত্রিশ) জন ৷ বিশ্বায়নের স্রোতধারায় সমান তালে এগিয়ে চলেছে প্রতিষ্ঠানটির কৃতিত্ব৷ শিক্ষকদের সুনিপুন কর্মদক্ষতা ও প্রচেষ্টা শিক্ষার্থীদের বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গী গঠনে প্রেরণা যুগিয়েছে সর্বক্ষণ ৷ স্কুলের প্রয়াত শিক্ষকবৃন্দের নাম:শুধাংশ শেখর ভট্রাচার্য,মনীন্দ্র চন্দ্র সেন,হেম চন্দ্র সেন,মো:আজহার উদ্দিন আহমেদ,মৌলভী সৈয়দ গোলাম মূর্তজা,বাবু প্যারীলাল চক্রবর্তী,আশুতোষ ভট্রাচার্য,ভূবন মোহন সেন,সচ্চিদানন্দ কাঞ্জিলাল,অন্নদা শংকর পোদ্দার,প্রমথ নাথ,আ: ওয়াদুদ ফকির,বিরুপক্ষ সাহা(শ্যামলাল),অমূল্য কুমার ভট্রাচার্য,যোগেন্দ্র নাথ পাল,গোবিন্দ্র ভট্রাচার্য,ক্ষীরোদ চন্দ্র সাহা,আবুল কালাম আজাদ,পরিমল চক্রবর্তী পানু,তারিনী চন্দ্র কর,উৎপল চন্দ্র সাহা,মৌলভী আলহাজ্ব আ: মাজেদ খান,আ: রউফ মিয়া, আলহাজ্ব নজির উদ্দিন সরদার,আ: মান্নান মিয়া,এম এ ওহাব মিয়া,আ: রশিদ মিয়া,একেএম ওয়ালিয়ার রহমান,সম হেমায়েতুল ইসলাম,মোহিত মোহন ঘোষ,সৈয়দ আমীর আলী,জগবন্ধু রায়,
এফ এম ইনামুল হক,আ: ওহাব মিয়া প্রমূখ। স্কুলের জীবিত প্রাক্তন শিক্ষকবৃন্দের নাম:আলী আহমেদ সিকদার,মোমরেজ মিয়া,সৈয়দ এনামুল হক,ওমর হোসেন,সুশান্ত বিশ্বাস,তজিবর রহমান, জীতেন্দ্র নাথ বিশ্বাস,রেবতী মোহন আচার্য্য, সিদ্বেশ্বর ঘোষ,কমলেশ পোদ্দার,প্রভাস চন্দ্র বিশ্বাস,খলিলুর রহমান থান্দার,চিত্ত রঞ্জন কুন্ডু,বিভূতি বিকাশ ঘোষ,মনিরুল ইসলাম,মৌ: আবদুর রকীব,মূন্সী জাকির হোসেন প্রমূখ। স্কুলের সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক হলেন শিক্ষক কূলের শিরোমনি স্যার হাজী নজির উদ্দিন সরদার(Sir Hazi Naziruddin Sarder) যিনি এক নাগারে ৪৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন,তিনি স্কুলেরও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ছিলেন সর্বাধিক ২১ বছর। স্যার হাজী নজির উদ্দিন সরদারের পিতা মরহুম খাদেম আলী সরদার(ভাটিয়াপাড়া) বহু বছর স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ছিলেন। কালের স্বাক্ষী স্যার হাজী নজিরউদ্দিন সরদার অত্যন্ত ধার্মিক ছিলেন। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মেই তিনি ২০০৭ সালের ১৩ আগস্ট ঢাকার পিজি হাসপাতালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন,পড়ে আছে তার আদর্শ গাথা,পড়ে আছে স্মৃতি। যুগে যুগে তিনি অত্র এলাকার মানুষের কাছে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল হয়ে। আর তারই ফল হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানের আলোয় আলোকিত জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে অবস্থান করছেন অনেক খ্যাতিমান গুণীজন৷ সামাজিক কর্মকান্ডে রয়েছে তাঁদের অনস্বীকার্য অবদান৷ উল্লেখ করা যেতে পারে- সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া,ভাইস চ্যান্সেল অধ্যাপক ডাঃ শরফুদ্দীন আহম্মদ,ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো লুত্ফর রহমান,অবসরপ্রাপ্ত সচিব মোঃ ইদ্রিস মিয়া,অতিরিক্ত সচিব সরদার মিজানুর রহমান,
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো সাদেক,যুগ্ম সচিব ও জেলা দায়রা জজ মহিউদ্দিন আহমেদ,বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনের সচিব জি.সি বিশ্বাস,যুগ্ম সচিব সাহেব আলী মৃধা,অগ্রণী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক(অবঃ) শাহ মোঃ আব্দুল হাই (হাসান),অধ্যাপক ডাঃ এ এস এম এ রায়হান, অতিরিক্ত আইজিপি শেখ হিমায়েত হোসেন, এসপি আনিসুর রহমান,অধ্যাপক ডা: শেখ গোলাম মোস্তফা,জুলফিকার আলী জুয়েল, লে:কর্ণেল মাহবুবউল্ল্যাহ,আবুল কালাম আজাদ,ডা: শেখ সোলায়মান,ডা: গুরুদাস কর্মকার,ডা:মো কামাল, ডা: আলীমুজ্জামান,অধ্যাপক অচিন্ত্য ভৌমিক, ইঞ্জি মুহসীন তালুকদার,যুগ্ম সচিব রবিউল ইসলাম,অধ্যাপক সাধন কুমার ঘোষ,মেজর সরংআর আকরাম হোসেন,মেজর এস এম মুহিত,ক্যাপ্টেন লুৎফর রহমান,এম এ মতিন, প্রিন্সিপাল অধ্যাপক সৈয়দ আবু জাফর,উপ- পরিচালক কৃষিবিদ আবু জাফর,প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক সেকেন্দার আলী,ফজলুর রহমান কুটি মিয়া,নজরুল ইসলাম চাদ মিয়া,প্রফেসর মাসুদ ইবনে রহমান,বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক এবং পূর্ণাঙ্গ দ্বীন ইসলামের বীর মুজাহিদ এস এম হায়দার আলী হিটলু,জেলা প্রশাসক মোস্তাফা কামাল মুরাদ,উপ সচিব সৈয়দ ফারুক,ডঃএ এফ এম আমীর খসরু পিএইচডি,সরদার মোহাম্মদ আলী মিন্টু,ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এডভোকেট এম এ কামরুল হাসান খান আসলাম,অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট জাহিদ সরদার,অধ্যক্ষ কাজী নেয়ামুল হক শাহীন, উপ সচিব এস এম সাদী,দেব রঞ্জন ঘোষ,ডা: মানব রঞ্জন ঘোষ,সোহরাব হোসেন খান,এএসপি আলী হায়দার মিয়া,চেয়ারম্যান শিকদার মোহাম্মদ আলী খোকন,আম্মার হোসেন বিসিএস প্রমূখের নাম৷
শ্রদ্ধায় আজও স্নাত আলোকবর্তিকার সেই মহীয়ান পুরুষ শ্রী গিরীশ চন্দ্র সেন৷ গৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে তাঁর লালিত স্বপ্নের পুরাকীর্তি কাশিয়ানী গিরীশ চন্দ্র পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়,Kashiani G C Pilot High School.
>>>Muhammad Haider Ali Hitlu(1987).
পূর্ণাঙ্গ দ্বীন ইসলামের বীর মুজাহিদ ও বিশিষ্ট ইসলামী ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক।
30/05/2026
মানুষ মারা যায়-জানাজাতে অধিক মুসলমানদের সমারোহ ঘটে। মুসলমানদের অধিকাংশ ই মনে করে জানাজাতে অধিক মানুষ হলেই জান্নাত নিশ্চিত। নাউজুবিল্লাহ। এমন ধারণা কেহ করবেননা।
আল্লাহতা'আলার কাছে প্রিয় হলো তাওবাহ পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ দ্বীন ইসলামের মধ্যে দাখিল থেকে আল্লাহর বিধি-বিধান পালন করা,সিফাতী মুসলমান-কামেল মুমিন-মুত্তাকী হওয়া।
মৃত্যুর আগে প্রত্যেক মুসলমানের তাওবা করতে হয়। সেই তাওবার ইলেম অর্জন করতঃ খালেস তাওবা করতে হয়। মৌখিক বা যবানী তাওবা কিন্ত খালেস তাওবা নয়।
মহান রব্বের কাছে জবাবদিহিতার যে মূল ঈমানী কমিটমেন্টে উত্তীর্ণ হতে হবে,মহান রব্বের নিকট পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করতে হবে। এর বাইরে থাকলে আল্লাহর করুনা দয়া পাওয়া অসম্ভব।
মুসলমানদের খালেস তাওবার ইলেম না জানা,পূর্ণাঙ্গ দ্বীন ইসলামের মধ্যে দাখিল না হবার দায়ভার রয়েছে ইসলামিক দাঈদের। কারণ তারা দ্বীন ইসলাম থেকে দুনিয়ার বিষয়ে অগ্রাধিকার দেন।
আফসোস। বাংলাদেশে রাজনীতিক মিত্রদের সাথে শুধু বস্তুবাদী সম্পর্ক কায়েম করে। যার কেন্দ্রবিন্দু থাকে ক্ষমতার রাজনীতি আর অবৈধ লোভ লালসা।
আমরা পূর্ণাঙ্গ দ্বীন ইসলামের দাওয়াতের সম্পর্ককে কখনোই অগ্রাধিকার দিই না।
অধিকাংশ ইসলামিক নেতারা তাদের সেক্যুলার মিত্রদের সাথে কৌশলগত সম্পর্ক কায়েম করে থাকে, অথচ দ্বীন ইসলাম সেখানে প্রাসঙ্গিক থাকেনা মৌলিকভাবে।
অনেকে ইসলামপন্থীদের বিশাল স্পেস দেন।কিন্ত ইসলামপন্থীরা দাওয়াতি মোটিভেশান করেননা।
যারা মারা গেছেন,তারা কবরে চলে গেছেন। আমাদের-আপনাদেরও মনজিল ওখানেই।
আসুন! আগে তওবা করি,পূর্ণাঙ্গ দ্বীন ইসলাম আকাইদ তাছাওউফ ফিকাহ এর মধ্যে দাখিল হয়ে দুনিয়ার কাজ করি। আর রাজনীতি তো দুনিয়ার অপশন তার স্থান অনেক পরে।
মনে রাখতে হবে-
আল্লাহর দ্বীন ইসলামের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য ছাড়া কোনো মুসলমানের রাজনীতিই হতে পারেনা!
মহান আল্লাহ সকলকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমিন।
-----‐-‐---------------
Muhammad Haider Ali Al-Hanafi. Talebe ilm,Islamic peacher and islamic motivation speaker.
30/05/2026
28/05/2026
My memories with regard to late Alhaj Naziruddin Sarder, Asstt. teacher GC Pilot High School Kasiani Gopalganj.
Nazir sir was my favourite school teacher(class 4-8). So his appearance flashes on my mind's eye every now and then and as such this writing of mine is dedicated for him. Nazir sir was a remarkable personality in the history of kasiani GC Pilot High School. He started his career here as a teacher in 1951 at a very tender age.Then the teachers who served Kasiani GC Pilot High School, were almost well versed in education. Of them, Nazir sir was the best one, no doubt, from different stand points. He was not only an efficient teacher, but also possessed the quality of a good man. He took proper care of the students like a guardian and taught them with great efficiency. All students' informations were at his finger's end. So the students were always afraid of him and showed him due respect. He also loved them. while he had been in the class, no hue and cry was heard. All students were attentive to their lessons with curious motive. During his teaching period, there was no way to deceive him. It was because of his strong personality and technique of class teaching. Nazir sir himself was a brilliant student of Kasiani GC Pilot High School. So he was a good teacher indeed. Nazir sir, generally taught students Bangla literature. Besides this, he had command over other subjects as well. As a teacher of Bangla , it may be pointed out, he was a conspicuous example. His mode of expression, style of language and technique of teaching- all were praise worthy. He was an eloquent orator and could deliver speech hours together with suitable accent. People present listened to him with due attention. He had good relation with all kinds of people irrespective of caste and creed. People also respected him because of his amiable disposition. Sir possessed the quality of leadership and as such, he was elected Teachers' Representative times and again in the school managing committee. His rendering services to Kasiani GC pilot High School mark the highest period (near about 50 years) because of his fitness in all respects. This is why he is called "kaler sakhi Nazir sir". As a teacher he is success and as a father he is lucky one. All his issues (5+5) are tall in figure and nice looking. They all especially his sons are highly educated holding good position in the society. His son Haider Ali Hitlu Sarder, Din Islam Trainee, publishing various articles on different topics, holds meetings with his fellow mates here and there in Bangladesh.
In fine, I am ending my writing here wishing Nazir Sir's eternal peace.
==Zaidur Rahman,Formar Head Master,Bhatiapar High School,Kashiani,Gopalgonj.
27/05/2026
No Star,5 Star,4Star,3 Star সব একাকার।
হজ্জ এক কঠিন সফর। মক্কা,কাবা,মিনা,আরাফা, মূজদালিফা,সাফা মারওয়ায় ঘুরাফিরা করলেই হজ্জ হয়না। হজরত জোনাইদ বোগদাদী রহ: এবং সদ্য ফেরত এক হাজী সাহেব কথোপকথন থেকে শিক্ষা নিন।
Muhammad Haider Ali Hitlu Al-Hanafi.
26/05/2026
✨ ঈদ মোবারক।কাশীয়ানি ইউনিয়ন এর সর্বস্তরের জনগণকে জানাই পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ☪️
কাশিয়ানীবাসীর হৃদয়ের স্পন্দন অত্যাচারিত নিপীড়িত সাধারণ মানুষের কষ্টস্বর মোহাম্মদ আলী খোকন সিকদার আছেন সকলের সাথে---
21/05/2026
৪৩ বছরেও ভুলিনি স্যার আপনাকে। ৪৩ বছর আগে ডাকাতের বোমা হামলায় নিহতের ঘটনা আমার সেই কচি হৃদয়ের গভীর ক্ষত এখনও আছে।
আবুল কালাম আজাদ,কালাম স্যার। চুল একটু বড় রাখতেন একজন তরুন শিক্ষক,কাশিয়ানী জি সি পাইলট হাই স্কুল।
আমার ক্লাস টিচার ছিলেন। আমি তখন চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র। ০২ নভেম্বর ১৯৮০, সেদিন তিনি আমাদের বাংলা বই থেকে কবিতা নিজে নিজে অনেকবার সুর ছন্দ করে হাত উঠা নামা করে আবৃত্তি করছিলেন।
ঐ পড়ানোর স্টাইলটা আমার মনে ধরেছিলো। আয় বৃষ্টি ঝেপে,ধান দিবো মেপে,যা বৃষ্টি চলে যা,নেবুর পাতায় করমচা---। মনে হচ্ছিল বৃষ্টি ঝপাঝপ পড়ছে,আবার চলেও গেলো,টকফল করমচার কথা শুনে জিভে সত্যই পানি এসেছিলো।
আমাকে একবার পড়তে বললেন, আরো বললেন তুমি উস্তাদ নজির স্যারের ছেলে,স্যার আমাদের এইভাবে শিখিয়েছেন। পড়া দিয়ে গেলেন আয় বৃষ্টি ঝেপে,ধান দিবো মেপে,যা বৃষ্টি চলে যা,নেবুর পাতায় করমচা-----পরদিন শুনি কালাম স্যারকে মেরে ফেলেছে,তখনকার কচি মনের হৃদয়ের ক্ষত এখনও শুকায়নি।
আমি স্যারকে ভুলিনি,স্যারের আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করি।
মুহাম্মাদ হায়দার আলী হিটলু,ইসলামিক গবেষক ও চিন্তাবিদ।
21/05/2026
মরহুম খাদেম আলী সরদার। কাশিয়ানী গিরিশ চন্দ্র পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩০ বছর ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। বাড়ী বরাশুর,ভাটিয়াপাড়া।তিনি শিক্ষক মরহুম নজির উদ্দিন সরদার সাহেবের পিতা।
এই স্কূলের উন্নয়ন,শিক্ষার মানোন্নয়নে তার ভূমিকা অপরিসীম,তিনিই তার বড় সন্তান নজির উদ্দিন সরদারকে ১৯৫১ সালে তৎকালীন পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমির লং কোর্স এ সেনাবাহিনীতে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট কমিশনে চান্স পাবার পর বাড়ী থেকে বিদায় নিতে এসে কৌশলে কাশিয়ানী গিরিশ চন্দ্র পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এনে একটি ক্লাস নিতে বলেন, সেখানে ধাত্রীপান্না নামক কবিতার ক্লাস নিয়ে মুগ্ধ করলে শিক্ষাগুরু হেমচন্দ্র সেন,অনুকুল চন্দ্র সাহার অনুরোধে সরকারী চাকুরীতে না গিয়ে এই স্কূলের শিক্ষকতার পেশা বেছে নেন।
জনাব মরহুম খাদেম আলী সরদার যদি তার সন্তানকে স্কুলে শিক্ষকতা করার কৌশল অবলম্বন না করতেন তাহলে এলাকাবাসী এই গুনী শিক্ষক থেকে বঞ্চিত হতেন।
সকলে মরহুম খাদেম আলী সরদারের আত্মার মাগফেরাতের জন্য দোয়া করবেন।
Muhammad Haider Ali Hitlu Al-Hanafi. Islamic peacher and Islamic motivation speaker.