decoding.us

decoding.us

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from decoding.us, Educational Research Center, ঢাকা, বাংলাদেশ, Dhaka.

আমাদের সমাজের বিভিন্ন সামাজিক বিষয়গুলোকে একটা যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে আলোচনা শুরু করার জন্যেই মূলত এই পেইজ কারণ আলোচনা নতুন প্রশ্ন তৈরি করে এবং প্রশ্ন চিন্তা করতে সাহায্য করে।

22/10/2024

আওয়ামীলীগ আসলে কিভাবে স্বৈরাচার হয়ে উঠলো? যেকোনো দেশের সংস্কৃতির ন্যারেটিভ যদি কোন একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে চলে যায় এবং তারাই যদি ঠিক করে কি ধরনের সংস্কৃতি চর্চা হবে তাহলে সেই জনপদে স্বৈরাচার তৈরি হতে বাধ্য।

আওয়ামীলীগ, বিএনপি অথবা জামায়েত স্বাধীনতার পরে সেই কাজটাই করার চেষ্টা করেছে বিভিন্নভাবে। তবে সেইটা ছিলো সংস্কৃতিতে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা কিন্তু সেইটার ন্যারেটিভ তৈরিতে নিজেদের দখল নেয়ার চেষ্টায় সেইভাবে পেরে উঠেনি বা ভাবতেই পারে নাই।

আওয়ামীলীগ তার শাসনকালে গত ১৫ বছরে সেইটা ভালোভাবেই পেরেছে এবং এই পারার পিছনে বিএনপি ও জামায়েতেরও পরোক্ষভাবে হাত আছে। আওয়ামীলীগ সেই সুযোগটা খুব ভালোভাবেই নিয়েছে। উদাহরণ দিলে হয়ত বিষয়টা আরো পরিষ্কার করতে পারবো।

৯০ দশকে আওয়ামীলীগ, বিএনপি এবং জামায়েত ছাড়াও প্রায় প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দল খুবই শক্তশালি ছিলো সংস্কৃতি চর্চায়। এইবার এই সংস্কৃতিতে নাচ, গান, কবিতা, কার্টুন যাই বলেন না কেন তারা সবকিছুতেই সরব ছিলো। সাংস্কৃতিক ডিপার্টমেন্ট ছাড়া কোন দলই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করার চিন্তা করতে পারতো না।

যেমনঃ বিএনপি "নতুন কুড়ি" নামের অনুষ্ঠান পুরো বাংলাদেশে নতুনদের সংস্কৃতি চর্চায় একটা মাইলফলক তৈরি করেছিলো। বিটিভির এই অনুষ্ঠান সবাই কম বেশি সময় করে দেখতো এবং যারাই এইখানে ভালো স্থান নিয়েছে তারাই পরবর্তী সময়ে জাতীয় শিল্পী হিসাবে কাজ করেছে।

জামায়েতের মত কট্টর ধর্মভিত্তিক দলের ছিলো কিশোর কণ্ঠের মত চমৎকার পাবলিকেশন। সেখানে ড্রাকুলার মত গল্প থেকে শুরু করে ছবি আঁকা, ধর্মের গল্প থেকে শুরু করে সব ধরনের বিষয়কেই প্রাধান্য দিতো। খালেদা, হাসিনার হিজাব নিয়ে ভোটের আগে পোস্টার ছাপালেও তাদের নিজস্ব টেলিভিশন চ্যানেল থেকে শুরু করে এলাকাভিত্তিক ছিলো খুবই শক্তিশালী সাংস্কৃতিক জোট। মূলত এইরকম সাংস্কৃতিক জোট করেই তারা লিবারেল শিক্ষিত একটা গ্রুপকে নিজেদের দলে নিয়ে আসতো।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে আওয়ামীলীগ কিভাবে পুরো বাংলাদেশের সংস্কৃতির ন্যারেটিভ নিজেদের কব্জায় নিয়ে আসলো? প্রথমত কাজ করেছে ইন্টারনেট প্রযুক্তির এই সময়। যেখানে মানুষ অন্যদেশে কি হয় তা খুব সহজেই জানা শুরু করেছে। এর ফলে কট্টর দলগুলো ইহুদি বিধর্মীদের সংস্কৃতির চর্চাকে দেখা শুরু করেছে নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে। তারা ভুলেই গেছে সংস্কৃতি চর্চা মানুষের মত প্রকাশের অন্যতম হাতিয়ার এইটা কারো বাপ, ধর্ম বা জাতির একান্ত ব্যক্তিগত সম্পত্তি না।

অবশ্যই ওয়েস্ট এবং উন্নত সমাজের ১০০ টাকা আয়ের প্রায় ১৫ টাকা যায় সংস্কৃতি চর্চায়। ফলে তাদের ইনভেস্ট দেখে মনে হতেই পারে এইটা তাদের বাপ দাদার সম্পত্তি। যেহেতু আওয়ামীলীগ খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছে সংস্কৃতি চর্চার পাওয়ার। তাই তারা মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা দিয়ে একটা পকেট তৈরি করেছে এবং তারা জানতো শুধুমাত্র এইটা দিয়ে পুরো জাতিকে কভার করা সম্ভব নয়। তাই আরো অনেক অনেক ছোট ছোট পকেট খুলে দিয়েছিলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে যাতে শিক্ষিত সচেতন অন্যদেশের সংস্কৃতির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। যেমনঃ তামিল হিন্দি সিনেমা, বিটিএস, নেটফ্লিক্স থেকে শুরু করে আরো সব উইন্ডো কিন্তু মূল লক্ষ্য ছিলো জামায়েত বিএনপির মতো অঙ্গসংগঠন যাতে নিজেদের ন্যারেটিভ সংস্কৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করতে না পারে।

জামায়েত বিএনপি যেহেতু বাঙালির এবং বাঙালি ক্ষমতাবান মানেই ঘাড় তেড়া। কাজেই তারা আওয়ামীলীগকে সংস্কৃতির সাথে মিশিয়ে আওয়ামীলীগকে বর্জন না করে সংস্কৃতি চর্চাকে বর্জন করেছে।

লেখা বড় হয়ে যাচ্ছে। তাই শেষ একটা উদাহরণ দিয়ে শেষ করবো। সংস্কৃতির চর্চার একটা বড় উদাহরণ হচ্ছে জুলাইয়ের গণ আন্দোলন যা পুরোটাই ছিলো স্লোগানের ছন্দ, কবিতা, লেখা, ভিডিও, গান আর ছবি আঁকা। পার্থক্যটা ছিলো আওয়ামীলীগের সংস্কৃতির চর্চার ন্যারেটিভ থেকে বেড় হয়ে মানুষ নিজেদের মত প্রকাশ শুরু করে।

এতসব বলার একটাই কারন সংস্কৃতি চর্চা যদি ঠিকভাবে করতে দেয়া না হয় তাহলে আবারো স্বৈরাচার যেমন আসবে এবং মানুষও শ্রমিক চামচা হিসাবে জীবন ধারণ করবে। সৌদি সরকার সেইটা বুঝতে পেরেছে বলেই আস্তে আস্তে দুবাইকে ফলো করার চেষ্টা করছে। অন্যতম শিক্ষিত এবং চিন্তাশীল ইরানী সমাজের আজকের অবস্থার জন্যে দায়ী নিজ দেশের সংস্কৃতি রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে কব্জা করেছে। তবে বাংলাদেশ এখনো সেইটা বোঝার ধারণা সার্বিকভাবে অর্জন করে নাই।

07/08/2024

তরুণদের খেয়াল রাখতে হবে ডক্টর ইউনুসও যাতে জবাবদিহিতার মধ্যে থাকে এবং জনগণের মতামতের জরিপ নিয়ে জাতীয় সিদ্ধান্ত নেয়।

27/07/2024

একটা সমাজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যখন মানুষদের সমাজের জন্যে তৈরি না করে পরিবার, ব্যবসা, শিক্ষা হাতে তুলে দেয় তখন সেইগুলা চরমভাবে ফেইল করলে শেষমেশ শুধু দেশটা থাকে লুটে খাওয়ার। এই সমাজে এখন দেশটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কোম্পানি আর জনগণ রোল প্লে করছে শ্রমিকের।

26/07/2024

বাংলাদেশের সব থেকে বড় দুর্নীতি হচ্ছে বিসিএস পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় মাওলানা হয়েও কাজ করতে পারে সিনেমা বা বিটিভিতে আর নর্তকী বা অভিনেতা হয়ে কাজ করতে পারে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে। কারো কোন চিন্তার শিক্ষার প্রয়োজন হয় না বরং যার যে পদ ইচ্ছা সেইটাই বগল দাবা করতে পারে মুখস্থ বিদ্যার মাধ্যমে।

এইরকম চাকরি ব্যবস্থা থাকলে সেই দেশে ফেরেশতা ক্ষমতায় বসে সরকার হলেও স্বৈরাচার হতে বাধ্য কারণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে যারা উপর মহলে কাজ করছে তাদের কোন ধারনাই নাই তারা কি করছে? ফলে তাদের কোন কন্ট্রিবিউশন ছাড়া বেতন নেয়া সরকারকে মনের অজান্তেই প্রভু মনে হবে।

দ্বিতীয়ত, যেহেতু তাদের কাজের ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা এবং চিন্তা নাই, কাজেই তারা জনগণকে সবসময় অন্ধকারে রাখবে কারণ তাদের সবসময়ই ভয় থাকে এই মনে হয় জনগণ বুঝে গেলো তারা ভুয়া। এইজন্যেই তাদের এতো কোট টাই গাড়ি হাঁকিয়ে চকোর বকর।

আমাদের দেশে এইজন্যেই কোন দলই চায় না যোগ্য শিক্ষার লোক যোগ্য স্থানে বসুক কারণ তখন তারা জ্ঞানের কাছে হেরে গিয়ে স্বজনপ্রীতি আবোল তাবোল সিদ্ধান্ত আর নিতে পারবে না। এই দেশের জনগণের প্রথম আবদার হওয়া উচিত ছিলো শিক্ষা অনুযায়ী চাকরি নিশ্চিত করা কিন্তু সবই আছে এর ওরটা মেরে খাওয়ার তালে।

মাঝখান দিয়ে ধরা খাচ্ছে সাধারণ জনগণ। তাদের অর্থ খরচ করে একদল যুবক শিখছে কিন্তু তারা যা শিখে নাই সেইখানে কাজের নামে দ্বিতীয়বার বেতনের নামে জনগণের অর্থ পকেটে ঢোকাচ্ছে। যার খেসারত জনগণকে ঘুষ দিয়ে দিতে হচ্ছে।

24/06/2024

ছাগল ব্যবসায়ীর ছাগল দুদক এবং বড় প্রতিষ্ঠানের বড় অফিসারদের থেকে শক্তিশালী।

24/06/2024

আমাদের দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের বাসায় যদি লাইভ ক্যামেরা লাগিয়ে ব্রডকাস্ট করা যায়। আমি ১০০ ভাগ সিউর এই প্রোগ্রাম বিগ বসের মত প্রোগ্রামকে হাস্যকর বানিয়ে ফেলবে। সাবটাইল থাকলে নেটফ্লিক্স থেকে শুরু করে পৃথিবীর নামকরা টেলিভিশনগুলো মিলিয়ন ডলার দিয়ে এইগুলা প্রচার করবে।

জনগণের তো আর কিছুই করার নাই তাই অন্তত এইসব করে যদি কিছুটা আর্থিক ক্ষতি ব্যালেন্স করলে মন্দের ভালো।

31/05/2024

হাবিব নাতালিয়া এবং আমরা কি বাংলাদেশের পথশিশুদের সাহায্য করতে চাই নাকি এদের নিয়ে আমরা আসলে নিজের অজান্তেই নাটক করি?
ইউ*টিউব লিঙ্ক কমেন্টে।

**Disclaimer:**
This video is made for educational and commentary purposes. Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational, or personal use tips the balance in favor of fair use.

In this video, I critique Facebook's habibnatallia page. The content used in this video (including images, video clips, and other media) is utilized under the fair use doctrine. All rights to the original content are owned by their respective copyright holders.

Photos from decoding.us's post 29/04/2024

বাংলাদেশে কিভাবে আসলে মিল্টন সমাদ্দারা তৈরি হয় এই ভিদিওটা দেখলে পরিষ্কার বোঝা যায়। চারিদিকে চাপাবাজ শিক্ষকরা একটা অশিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরি করেছে যেখানে আবেগ ছাড়া আর কিছুই নাই। মিল্টনদের আসলে কোন দোষ নেই। চোরা অশিক্ষিত এবং টাউট সমাজে সবাই সাহায্য করে লোক দেখাতে চায় কারন আমরা জানি আমাদের ব্যবসা দুই নম্বর। ফলে, গরিব দুস্থ আমাদের জন্যে আশীর্বাদ। এইসব লোকদের সাহায্য করে আসলে আমাদের দুর্নীতির ব্যলেন্স করি।

যদি তাই না হতো তাহলে রাষ্ট্রে যেসব প্রতিষ্ঠানকে এইসব মানুষদের দায়িত্ব নেয়ার কথা তাদের জবাবদিহিতার ভিতর আনতাম। নতুনদের বলবো একটা হোন্ডা, ক্যামেরা, ৫০০ টাকার কিছু নোট আর বিকাশ বা নগদ নাম্বার নিয়ে বেড়িয়ে এই লোকের মত ভিডিও করে ভাইরাল করে বলো আপনার সন্তানরা কোথায়, তারা আপনাকে দেখে না? দেখবে অনেকে ওর সন্তান থেকে ভালো সাজার আবেগ নিয়ে সাহায্য সহযোগিতা করবে যার হিসাব তোমাকে দিতে হবে না।

আরে মূর্খ তোদের এই অশিক্ষিতদের সমাজে ওর সন্তানরাও যে ভালো নেই।

এইভাবে যদি করতে পারো আমরা মনে হয় না আর কোন চাকরি বা ব্যবসা করার দরকার আছে। কোন শিক্ষিত সমাজে সামাজিক শিক্ষা এবং সোশ্যাল ওয়ার্কের শিক্ষা ছাড়া টাকা চাওয়া তো দূরের কথা এইরকম ভিডিও করে হাতেম তাই হওয়া সম্ভব না। পাবলিক থেকে টাকা নিলে তার অডিটসহ পাই পাই হিসাব সরকার বুঝে নিয়ে জনগণকে বুঝিয়ে দিবে।

এইজন্যেই এই বাংলায় গরিব ভাইরাল হয় কিন্তু তাদের ভাগ্য পরিবর্তন হয় না। ধর্ম, চিকিৎসার পরে বাংলায় এখন গরিব নিয়ে ব্যবসা তুঙ্গে। নতুনরা এইসব করো কাজে দিবে। যে দেশে যেমন ভাও।

26/04/2024

মিল্টন সামাদ্দার যদি দানের টাকা চুরি করে মেরে দেয় আমি এইসব বিষয়কে স্যালুট জানাই। মূর্খ একটা জনগোষ্ঠী ১৮ কোটি মানুষের দায়িত্বকে রাষ্ট্র না দিয়ে বা রাষ্ট্রকে প্রশ্নের ভিতরে না এনে যখন আরেক মূর্খ সাধারণ এক নাগরিকের হাতে সপে দিয়ে মাদার তেরেসা হওয়ার স্বপ্ন দেখে তখন তাদের কপালে এইসবই হবে।

26/04/2024

আমাদের দেশে নতুনদের জন্যে সবচেয়ে বড় ট্রমা হচ্ছে স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত করা অথবা মানদণ্ড তৈরিই করতে পারে নাই যেইখানে সত্য বলে স্বীকৃতির চর্চা করা যায়। ঠিক এই বিষয়টাই ব্যবহার করছে বাংলার দালাল সমিতিরা আর সমালোচক যে কয়জন আছে তারা নতুনদের কাছে শত্রু হিসাবে পরিচিত হচ্ছে।

উদাহরণ দিচ্ছি, একজন ছেলে বা মেয়ে তারা কখনই শুধুমাত্র তাদের শিক্ষা দিয়ে কাজ বা মূল্যায়ন পায় না। তাদের আমরা এতোটাই ক্ষুধার্ত করে গড়ে তুলি যে একজন মূর্খ যখন তাদের মিথ্যা প্রশংসা করে তখন তারা বাধ্য হয় সেইটা বিশ্বাস করতে। এইজন্যে নতুনদের কোনভাবেই দোষ দেয়া যাবে না। বাস্তব সমাজ এতোটাই টক্সিক যে ঐ মিথ্যা আশ্বাসই নতুনদের জন্যে এই রিয়েলিটি থেকে বের হওয়ার একমাত্র অবলম্বন।

এখন কেউ যদি সঠিক উপায় বলে সেইটা স্বাভাবিকভাবে মনে হবে আরো ভয়ংকর এবং সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অবশ্যই নতুনদের কাছে শত্রু হিসাবে দেখা দিবে।

ফলে, দালালরা হয় কোটিপতি। মানুষ দালালদের কাছে ভিড় জমায় আশ্বাসের জন্যে। নতুনদের বলছি ব্যবসা চাকরি যাই হোক না কেন। মিথ্যা আশ্বাস দেন দেখবেন সহজেই কোটিপতি বা সফল হতে পারবেন।

বিশ্বাস না হলে বিগত বছরগুলোতে প্রতারক কোটিপতি এবং সফল ব্যক্তিদের মূল উৎস খোঁজার চেষ্টা করুন...চোখ বন্ধ করে বলে দিচ্ছি চারিদিকে দেখবেন আশ্বাস আর মোটিভেশন।

26/04/2024

যেই দেশের মানুষের মনে ঢুকে গেছে দালালরা শিক্ষিত মানুষের থেকে বেশি বিশ্বাসী সেই দেশ নিয়া আসলে কিছুই বলার নাই। আমি ইউরোপে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ানোর খাতিরে বিভিন্ন সময়ে বাঙ্গালি ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে দেখা হয় এবং এরা প্রায় সবাইই দালালদের পূজা করে ভগবানের মতো করে অথচ নিজে একটা ইমেইল করে বিশ্ববিদ্যালয় অথবা এম্বাসিতে খোঁজ নিবে না।

এর থেকে বোঝা যায় আমাদের নতুন প্রজন্মকে আমরা বোঝাতে সক্ষম হয়েছি সত্য বলতে আসলে কিছু নাই। যোগাযোগ আর চামচামি করে নেটওয়ার্ক ছাড়া আর কোন উপায় নাই। নতুনদের এই আত্মবিশ্বাস ভেঙ্গে দেয়াই অন্যতম একটা লক্ষণ হয় স্বৈরাচার রাষ্ট্র ব্যবস্থা তৈরি হওয়ার ফুয়েল বা জ্বালানি।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


ঢাকা, বাংলাদেশ
Dhaka
1205