14/12/2020
১৪ ডিসেম্বর -শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।
Here,intensive care is made sure for all the students who have enough potential but have no way to express themselves,,
14/12/2020
১৪ ডিসেম্বর -শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।
27/11/2020
বই : একাত্তরের দিনগুলি
লেখক : জাহানারা ইমাম
"দিলাম তোকে দেশের জন্য কোরবানি করে"
১৯৭১ সালেে ছেলে রুমিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে এভাবেই বিদায় দিয়েছিলেন মা জাহানারা ইমাম। আগস্ট মাসের গেরিলা আক্রমণের পর রুমি গ্রেফতার হন পাক হানাদার বাহিনীর হাতে। তারপর থেকে আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি রুমি'র।
মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়লেও মা জাহানারা ইমাম তাঁর সর্বোচ্চটা দিয়ে মুক্তিবাহিনীকে সাহায্য করে গেছেন। অন্ধ শ্বশুরের দেখভালের পাশাপাশি মা হিসেবে তাঁর দায়িত্বেও অবহেলা করেন নি | মানসিকভাবে নিজেকে প্রতিনিয়ত সবল রেখেছিলেন যেন রুমি, শরীফের মতো লাখো বাঙালির আত্মত্যাগ সফল হয়।
একাত্তরের দিনগুলি বইটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ১৯৭১ সালের ডায়েরির পাতা থেকে নেয়া। এটি কেবল একজন মায়ের ভাষ্য নয়, বইটিতে ফুটে উঠেছে একজন মানুষের সার্বিক সত্তা, যিনি কখনো মা, কখনো স্ত্রী, কখনো মেয়ে, কখনো কেবল একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক, যিনি অবদান রাখার চেষ্টা করেছেন যুদ্ধেও।
24/09/2020
শিক্ষক একদিন ক্লাসে ঢুকে ব্ল্যাকবোর্ডে লম্বা একটি দাগ টেনে সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন '' আচ্ছা তোমাদের মধ্যে কে আছে যে এই দাগটিকে ছোট করতে পারবে? কিন্তু শর্ত হচ্ছে তোমরা একে মুছতে পারবে না! না মুছেই ছোট করতে হবে!'' তারপর, ছাত্ররা সবাই অপারগতা প্রকাশ করল কারন মোছা ছাড়া দাগটিকে ছোট করার আর কোনো পদ্ধতি তাদের মাথায় আসছে না!!
এবার শিক্ষক দাগটির নীচে আরেকটি দাগ টানলেন, যা আগেরটির চেয়ে একটু বড়। ব্যস, আগের দাগটি মোছা ছাড়াই ছোট হয়ে গেলো!
শিক্ষক বললেন ''বুঝতে পারলে তোমরা? কাউকে ছোট করতে বা হারাতে হলে তাকে স্পর্শ না করেও পারা যায়! নিজেকে বড় কর, গড়ে তুলো, তাহলে অন্যের সমালোচনা/ দুর্নাম করে তাকে ছোট করতে হবে না, তুমি বড় হলে এমনিতেই সে ছোট হয়ে যাবে।''
24/05/2020
" ও মন, রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ..."
ঈদ মোবারাক
আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২০ তম জন্মবার্ষিকী:
কাজী নজরুল ইসলাম (জ্যৈষ্ঠ ১১, ১৩০৬ - ভাদ্র ১২, ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) অগ্রণী বাঙালি কবি, বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, সংগীতস্রষ্টা, দার্শনিক, যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গে প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ – দুই বাংলাতেই তাঁর কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত। তাঁর কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাঁকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাঁর কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল মানুষের ওপর মানুষের অত্যাচার এবং সামাজিক অনাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ। বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। একাধারে কবি, সাহিত্যিক, সংগীতজ্ঞ, সাংবাদিক, সম্পাদক, রাজনীতিবিদ এবং সৈনিক হিসেবে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে নজরুল সর্বদাই ছিলেন সোচ্চার। তাঁর কবিতা ও গানে এই মনোভাবই প্রতিফলিত হয়েছে। অগ্নিবীণা হাতে তাঁর প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তাঁর প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে –- কাজেই "বিদ্রোহী কবি", তাঁর জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে উভয় বাংলাতে প্রতি বৎসর উদযাপিত হয়ে থাকে।
ডাক নাম ছিল দুখু মিয়া। প্রথম জীবনে ছিলেন মসজিদের মুয়াজ্জিন, তারপর রুটির দোকানে কাজ করলেন। ব্রিটিশ ভারত আর্মিতে চাকরি করে ব্রিটিশ বিরোধীতা করেই জেল খাটলেন, জেলে বসে লিখলেন "রাজবন্দীর জবানবন্দী", প্রায় চার হাজার নজরুল গীতি লিখে সুর করে ফেললেন অল্প সময়ে। নারী প্রেমিক ছিলেন প্রায় আসক্তির পর্যায়ে, কঠিন কঠিন প্রেমের গজল লিখে ফেলতেন অবলীলায়। মিথ আছে তাঁর এক অন্ধ ভক্ত তাঁকে একবার রবি ঠাকুরের সাথে তুলনা করায় তার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিলেন লাঠি দিয়ে! মাত্র ৪৩ বছর বয়সে দুরারোগ্য ব্যাধিতে গলা আর মানসিক ভারসাম্য দুটোই হারালেন, তারপর বাকি জীবন একা কাটিয়ে দিলেন। এবং সর্বশেষে স্বাধীন দেশের জাতীয় কবি হলেন। এতটা বৈচিত্রময় জীবন মনে হয়না পৃথিবীর আর কোন শিল্পীর ছিল।
কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন একাধারে কবি, গীতিকার, সুরকার, বিদ্রোহী এবং প্রেমিক পুরুষ। আর সবার কাছে যাই হোন না কেন আমার কাছে উনি ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো একজন রকষ্টার।
সম্মানিত অভিভাবক,
সরকার ঘোষিত ছুটি/লকডাউন স্থগিত হলে আমাদের ক্লাস পুনরায় আরম্ভ হবে। সবাই নিরাপদে থাকুন এবং প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।
কাঠবিড়ালি
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি
24/03/2020
20/02/2020
সকল ভাষা শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা
13/02/2019
| Monday | 16:00 - 21:30 |
| Tuesday | 16:00 - 21:30 |
| Wednesday | 16:00 - 21:30 |
| Thursday | 16:00 - 21:30 |
| Saturday | 16:00 - 21:30 |
| Sunday | 16:00 - 21:30 |