30/12/2025
SPSS and Stata Project Assistant
What!!! You are facing problem in SPSS and STATA project?? Just give us a knock. We will provide you all sort of support in your project.
We have experience in Medical thesis,Research Firm projects, University Research Project.
30/12/2025
02/08/2025
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের পণ্যের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক ১৫% কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের জারি করা নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, এই নতুন শুল্ক হার ৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।
প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সুস্পষ্ট কূটনৈতিক সাফল্য বলে উল্লেখ করছেন।
Trade of Bangladesh-এর পক্ষ থেকে মাননীয় বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন স্যারকে আন্তরিক অভিনন্দন।
সাথে থাকছে বাণিজ্য সচিব জনাব মাহবুবুর রহমান স্যারকে উষ্ণ শুভেচ্ছা।
ডব্লিউটিও অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী ম্যাডামকে জানাই শুভেচ্ছা।
02/08/2025
ব্যস্ত শহরের কোণে অবস্থিত একটি ছোট্ট দুই শোবার ঘরের অ্যাপার্টমেন্টে, হাসান এবং রিমা থাকত - এমন এক দম্পতি যারা একসময় তারার নীচে ভ্রমণ, ক্যারিয়ার এবং উদ্বেগহীন সকালের স্বপ্ন নিয়ে বাঁচত। কিন্তু এখন, তাদের পৃথিবী আবর্তিত হয় তাহসান নামে একটি ০৪ বছর বয়সী ছেলেকে ঘিরে - একটি ছেলে যার কোমল কোঁকড়া, দুষ্টু চোখ, এবং এমন একটি রোগ যার জন্য ক্রমাগত যত্ন এবং নিদ্রাহীন রাত প্রয়োজন।
তাহসান প্রিমেচিয়ুর বেবি ছিল। ডাক্তাররা বলেছিল যে সে হয়তো কখনও হাঁটতে পারবে না, এবং যদি হাঁটে, তবুও তা ধীর এবং অনিশ্চিত হবে। সেই রাতে, হাসান প্রথমবারের মতো হাসপাতালের পার্কিং লটে অনেক কেঁদেছিল। রিমা কাঁদেনি। সে কেবল তার বাচ্চাকে জড়িয়ে ধরে ফিসফিসিয়ে বলেছিল, "আমরা এর সাথে লড়াই করব। একসাথে।"
এবং তারা তাই করেছিল।
রিমা তার চাকরি ছেড়ে দিল। হাসান অতিরিক্ত শিফটে কাজ শুরু করল। রাতগুলো কেটে গেল তাহসানের পা ম্যাসাজ করতে করতে, আর দিনগুলো কেটে গেল থেরাপি, হাসপাতালের অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং অন্তহীন কাগজপত্রে ভরে গেল। তারা ক্লান্তির মধ্যেও হাসতে শিখেছে, বিশৃঙ্খলার সময় হাসতে শিখেছে এবং ছোট ছোট মাইলফলক উদযাপন করতে শিখেছে - একটি আঙুল, একটি পদক্ষেপ, সপ্তাহের নীরবতার পরে বলা একটি শব্দ।
তারা যোদ্ধা হয়ে উঠেছে।
তরবারি এবং বর্মধারী যোদ্ধা নয়, বরং ভিন্ন ধরণের যোদ্ধা - যারা বন্ধ দরজার পিছনে নীরবে লড়াই করে, যারা ঘুম, আরাম এমনকি তাদের নিজস্ব স্বপ্নও ত্যাগ করে যাতে তাদের সন্তান একটি স্বপ্ন পেতে পারে।
এমন দিন ছিল যখন তারা তর্ক করেছিল। এমন দিন ছিল যখন তারা ভেঙে পড়েছিল। এমন রাত ছিল যখন হাসান কেবল শ্বাস নেওয়ার জন্য দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল, এবং এমন রাত ছিল যখন রিমা ছাদের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করেছিল, "আমরা কেন?" কিন্তু সকাল হলে, তারা সবসময় আবার জেগে ওঠে - একজন অন্যজনকে ধরে রাখত, এবং তারা এগিয়ে যেত। তাহসানের জন্য। যে পরিবারটি তারা ভালোবাসা দিয়ে গড়ে তুলছিল, পরিপূর্ণতা দিয়ে নয়।
এক বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায়, বছরের পর বছর ধরে থেরাপি এবং অধ্যবসায়ের পর, তাহসান নিজে নিজেই তিনটি ছোট, টলমল পদক্ষেপ নিল — বসার ঘরের গালিচা থেকে রিমার প্রসারিত বাহু পর্যন্ত।
রিমা তাকে বুকে নিয়ে কাঁদতে শুরু করল। হাসানও বুঝতে পারল না যে সেও কাঁদছে। বাইরের পৃথিবী টের পায়নি, কিন্তু সেই ছোট্ট অ্যাপার্টমেন্টে, একটি যুদ্ধের বিজয়ী ঘোষণা হয়েছে।
সেই রাতে, যখন তাহসান তাদের মাঝখানে ঘুমাচ্ছিল, হাসান ফিসফিসিয়ে বলল, "আমরা কেবল বাবা-মা নই... আমরা যোদ্ধা।"
রিমা হাসল এবং তাহসানের দিকে তাকাল, রিমার চোখ এখনও ভেজা।
-আসল যোদ্ধা।
#জীবনের_শিক্ষা
#অনুপ্রেরণার_গল্প
#পরিশ্রমের_মূল্য
#জীবন_বদলের_গল্প
#শিক্ষণীয়_গল্প
#বাংলার_গল্প
#নেতৃত্বের_পাঠ
#ঘামঝরা_সফলতা
#শিক্ষা_নিয়ে_গল্প
#নিজের_ভাগ্য_নিজেই_গড়ো
02/08/2025
এক দেশে ছিল এক বিশাল সাম্রাজ্যের রাজা—রাজা বিক্রম। তাঁর ছিল অপার ধন-সম্পদ, অগণিত সৈন্য-সামন্ত, আর জনসাধারণের ভালোবাসা। তাঁর একমাত্র পুত্র, রাজকুমার অর্জুন, রাজপ্রাসাদে বিলাসিতা ও আরামেই বড় হতে লাগল। রাজ্যের প্রজারা ভাবত, অর্জুনের তো কিছুই করতে হবে না, সে তো জন্মেই রাজা।
কিন্তু রাজা বিক্রম জানতেন, সম্পদের উত্তরাধিকার পাওয়ার মানে এই নয় যে সে যোগ্য উত্তরাধিকারী। তাই একদিন তিনি রাজকুমার অর্জুনকে ডেকে বললেন:
— "তুমি আগামী এক বছর রাজপ্রাসাদ ছেড়ে, তোমার পরিচয় গোপন রেখে, প্রজাদের মতো জীবন যাপন করবে। যদি সত্যিকারের রাজা হতে চাও"
প্রথমে অর্জুন খুব কষ্ট পেল, কিন্তু বাবার আদেশ তো মানতেই হয়। সে রাজপোশাক খুলে সাধারণ কৃষকের পোশাকে বেরিয়ে পড়ল। এক গ্রামে গিয়ে সে ক্ষেতমজুরের কাজ পেল। প্রথম দিনেই বুঝে গেল, রাজ্যের বাইরে জীবন কত কঠিন।
সে শিখল কিভাবে হাল চাষ করতে হয়, কিভাবে জল টানতে হয়, কিভাবে ঘাম ঝরিয়ে রুটি উপার্জন করতে হয়। দিনে রোদে পুড়ে কাজ, রাতে খড়ের বিছানায় ঘুম। মাস শেষে যখন সে প্রথমবার নিজ হাতে উপার্জিত কয়েকটা মুদ্রা পেল, তার চোখে জল চলে এলো—এই তো প্রকৃত সম্মান!
এক বছর পর রাজপ্রাসাদে ফিরে এলো রাজকুমার অর্জুন—কিন্তু এইবার সে কেবল রাজা বিক্রমের ছেলে নয়, সে নিজেই একজন যোগ্য পুরুষ। রাজা বিক্রম তাকে সিংহাসনে বসিয়ে বললেন:
— "বাবার যতই সম্পত্তি থাকুক বা সে যদি রাজাও হয়, নিজের ভাগের পরিশ্রম নিজেরই করা লাগে। আজ তুমি সেটা প্রমাণ করেছো।"
#জীবনের_শিক্ষা
#অনুপ্রেরণার_গল্প
#পরিশ্রমের_মূল্য
#জীবন_বদলের_গল্প
#শিক্ষণীয়_গল্প
#বাংলার_গল্প
#নেতৃত্বের_পাঠ
#ঘামঝরা_সফলতা
#শিক্ষা_নিয়ে_গল্প
#নিজের_ভাগ্য_নিজেই_গড়ো
02/08/2025
চট্টগ্রামের এক পাহাড়ঘেরা ছোট্ট গ্রামে থাকতেন একজন সাধারণ মানুষ—নাম তার আবু তালেব। বয়স পঞ্চাশ ছুঁইছুঁই, মুখে ধূসর দাড়ি, চোখে ক্লান্তি, কিন্তু হৃদয়ে অটুট ভালোবাসা—তাঁর একমাত্র মেয়ে আয়েশাকে ঘিরে।
আয়েশা ছিল তার জীবনের আলো। ছোট থেকেই পড়াশোনায় মেধাবী, স্বভাবে শান্ত, আর স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে ডাক্তার হবে। আবু তালেব দিনমজুর, প্রতিদিন ভোরে উঠে পাহাড়ে মাটি কাটতে যেতেন। কাজ শেষে যখন ফিরে আসতেন, মেয়েকে পড়তে দেখেই যেন সব কষ্ট উড়ে যেতো।
একদিন মেয়েটা বলল,
— "আব্বা, মেডিক্যালে চান্স পাইলাম!"
তালেব চোখের কোণে পানি লুকিয়ে বলল,
— "তোরে কইছিলাম, তুই পারবি মা…"
কিন্তু ভর্তি হতে অনেক টাকা লাগবে। জমি নাই, ব্যাংক ব্যালেন্স নাই। যা ছিল—তার বউয়ের গহনা, সেটাও এক cyclone এ বাড়ি হারানোর সময় বেচে দিছে। কিন্তু তালেব হাল ছাড়ল না। শুরু করল আরও কষ্টের কাজ—দিনে মাটি কাটা, রাতে বস্তিতে পাহারা দেওয়া।
মেয়ে ভর্তি হলো। দূরের শহরে চলে গেল পড়তে। মাঝে মাঝে ফোনে কথা হতো।
একদিন আয়েশা কল করল, গলা কাঁপা কাঁপা—
— "আব্বা, একটা মেডিকেল ক্যাম্পে গেছিলাম… এক রোগী আইছিল… তুমি যেই ওষুধ দিয়া আমায় পড়াইছো, সেইটাই আমি তারে দিছি।"
তালেব চুপ করে ছিল। শুধু বলল,
— "তুই ডাক্তার হইছিস মা। এখন আমার কষ্ট ফুরাইছে।"
কয়েক বছর পর গ্রামে আয়োজিত হলো ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প। আয়েশা সাদা অ্যাপ্রোন পরে গ্রামের মানুষ দেখে।
হঠাৎ মাইক বাজে—
— "আমাদের গ্রামের গর্ব, আয়েশা ডাক্তারের পিছে যেই মানুষটার সবচেয়ে বড় অবদান, উনি আজ এখানে… তালেব ভাই, সামনে আসেন…"
তালেব সামনে আসে। মেয়ের চোখে পানি, বাবার চোখে গর্ব।
মেয়ে বলল,
— "এই মানুষটাই আমার পৃথিবী। আমার চামড়া দিয়ে তাকে জুতা বানিয়ে দিলে এ ঋণ শোধ হবে না।"
তালেব তখনো কিছু বলে না। শুধু মাথা নিচু করে বলে,
— "আমার আয়েশা আমারে মানুষ বানাইছে…"
________________________________________
শেষে:
চোখে পানি আসছে? এই গল্প চট্টগ্রামের হলেও, এ গল্প যে কোনো বাবার।
আর কোনো মেয়ের...
যার স্বপ্নের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকেন একজন নিরবে যুদ্ধ করে যাওয়া বাবা।
#জীবনের_শিক্ষা
#অনুপ্রেরণার_গল্প
#পরিশ্রমের_মূল্য
#জীবন_বদলের_গল্প
#শিক্ষণীয়_গল্প
#বাংলার_গল্প
#নেতৃত্বের_পাঠ
#ঘামঝরা_সফলতা
#শিক্ষা_নিয়ে_গল্প
#নিজের_ভাগ্য_নিজেই_গড়ো
#চট্টগ্রামেরগল্প
#বাবারভালোবাসা
#মেয়েরসফলতা
02/08/2025
তোমার বাচ্চা এত শুকনা কেন?
সাবিনা এক জন মমতাময়ী মা। ঢাকা শহরের এক প্রান্তে ছোট্ট ঘরে তার ৩ বছর বয়সী ছেলে রায়ানকে নিয়ে তাঁর পৃথিবী। রায়ান একটু দুর্বল গড়নের হলেও দারুণ চঞ্চল আর বুদ্ধিমান। কিন্তু প্রতিবার যখন সাবিনা কোথাও রায়ানকে নিয়ে যায়, সবাই একটা প্রশ্ন করেই—
“এত শুকনা কেন তোমার বাচ্চা? খাওয়াও না বুঝি?”
সেই প্রশ্নগুলো যেন বুক চিরে যায় সাবিনার।
তিনি তো প্রতিদিন সকালে রায়ানের জন্য ডিম ভাজেন, চোকোস বানান, তার পছন্দের খিচুড়ি রান্না করেন। কখনো নিজের ভাগের খাবারটাও ওকে দিয়ে দেন।
তবুও, ওর হাড়গুলো কেন দেখা যায় একটু, কেন ওর গাল ভরে না—এসব প্রশ্ন যেন সমাজের চোখে মায়ের ব্যর্থতা।
একদিন মার্কেট থেকে ফেরার পথে এক মহিলা বলল,
“তোমার বাচ্চাটা তো দেখছি আরেকটু হলেই উড়ে যাবে! কী খাওয়াও?”
সাবিনার চোখ ভিজে আসে। সে মাথা নিচু করে হেঁটে যায়। কিন্তু মনে মনে ফুঁসে ওঠে—
“তোমরা জানো না, আমি কী লড়াই করি প্রতিদিন! রায়ানের প্রতিটি হাসি, প্রতিটি পদক্ষেপ আমার যত্নের ফল। তোমাদের কাছে ও শুকনা, কিন্তু আমার কাছে ও আমার সমস্ত পৃথিবী।”
সেই রাতে সাবিনা রায়ানের পাশে বসে ওর ছোট্ট গালটা ছুঁয়ে বলে,
“তুই যেমন আছিস, তুই আমার জন্য যথেষ্ট। তোকে নিয়ে আমি গর্বিত।”
02/08/2025
রাত তখন ২টা। অফিস থেকে ফিরতে ফিরতে শরীরটা ক্লান্ত, মাথা ভার। দরজা খুলতেই ছেলে মেয়ের কাঁচা ঘুমের মুখটা চোখে পড়ে... পাশে স্ত্রী ঘুমিয়ে, মুখে ক্লান্তির রেখা, হয়তো সারা দিন ছেলে মেয়েকে সামলাতে সামলাতে সে-ও ক্লান্ত।
ফ্রিজ খুলে দেখি মা এর রান্না করে রাখা ভুনা খাসি
স্টিকি নোটে লেখা—
“তুই রাতে আসবি জানি, খেয়ে নিস – মা”
হঠাৎ এক অনুভূতি এল। একটুও নাড়াতে পারলাম না নিজেকে।
এতো দৌড়, এতো ছুটোছুটি, এতো ক্যারিয়ার, প্রমোশন, বিলাসিতা – সব কিসের জন্য?
যে মানুষগুলো আমাকে ভালবেসে আজও অপেক্ষা করে থাকে, আমি কি তাদের সময় দিতে পারি?
মা-বাবা একদিন হয়ত থাকবে না।
ছেলে মেয়ে একদিন বড় হয়ে যাবে, তাদের নিজের জগৎ হবে।
স্ত্রী একদিন আর মুখ গোমড়া করে বসে থাকবে না, অভ্যস্ত হয়ে যাবে—একাই সব সামলাতে।
তাই এখনো সময় আছে—
-মাকে জড়িয়ে ধরো
-বাবার পাশে বসে একটু গল্প করো
-স্ত্রীর সাথে একটু চা খাও
-বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সন্তানকে চুমু খাও
একদিন টাকা থাকবে কিন্তু এগুলো করার পরিস্থিতি থাকবে না।
কারণ একদিন, এই সময়গুলোই হবে সবচেয়ে দামী স্মৃতি...।
সময় কারো জন্য থামে না..
02/08/2025
29/07/2025
Motivating Story
এক দেশে ছিল এক বিশাল সাম্রাজ্যের রাজা—রাজা বিক্রম। তাঁর ছিল অপার ধন-সম্পদ, অগণিত সৈন্য-সামন্ত, আর জনসাধারণের ভালোবাসা। তাঁর একমাত্র পুত্র, রাজকুমার অর্জুন, রাজপ্রাসাদে বিলাসিতা ও আরামেই বড় হতে লাগল। রাজ্যের প্রজারা ভাবত, অর্জুনের তো কিছুই করতে হবে না, সে তো জন্মেই রাজা।
কিন্তু রাজা বিক্রম জানতেন, সম্পদের উত্তরাধিকার পাওয়ার মানে এই নয় যে সে যোগ্য উত্তরাধিকারী। তাই একদিন তিনি রাজকুমার অর্জুনকে ডেকে বললেন:
— "তুমি আগামী এক বছর রাজপ্রাসাদ ছেড়ে, তোমার পরিচয় গোপন রেখে, প্রজাদের মতো জীবন যাপন করবে। যদি সত্যিকারের রাজা হতে চাও"
প্রথমে অর্জুন খুব কষ্ট পেল, কিন্তু বাবার আদেশ তো মানতেই হয়। সে রাজপোশাক খুলে সাধারণ কৃষকের পোশাকে বেরিয়ে পড়ল। এক গ্রামে গিয়ে সে ক্ষেতমজুরের কাজ পেল। প্রথম দিনেই বুঝে গেল, রাজ্যের বাইরে জীবন কত কঠিন।
সে শিখল কিভাবে হাল চাষ করতে হয়, কিভাবে জল টানতে হয়, কিভাবে ঘাম ঝরিয়ে রুটি উপার্জন করতে হয়। দিনে রোদে পুড়ে কাজ, রাতে খড়ের বিছানায় ঘুম। মাস শেষে যখন সে প্রথমবার নিজ হাতে উপার্জিত কয়েকটা মুদ্রা পেল, তার চোখে জল চলে এলো—এই তো প্রকৃত সম্মান!
এক বছর পর রাজপ্রাসাদে ফিরে এলো রাজকুমার অর্জুন—কিন্তু এইবার সে কেবল রাজা বিক্রমের ছেলে নয়, সে নিজেই একজন যোগ্য পুরুষ। রাজা বিক্রম তাকে সিংহাসনে বসিয়ে বললেন:
— "বাবার যতই সম্পত্তি থাকুক বা সে যদি রাজাও হয়, নিজের ভাগের পরিশ্রম নিজেরই করা লাগে। আজ তুমি সেটা প্রমাণ করেছো।"
#জীবনের_শিক্ষা
#অনুপ্রেরণার_গল্প
#পরিশ্রমের_মূল্য
#জীবন_বদলের_গল্প
#শিক্ষণীয়_গল্প
#বাংলার_গল্প
#নেতৃত্বের_পাঠ
#ঘামঝরা_সফলতা
#শিক্ষা_নিয়ে_গল্প
#নিজের_ভাগ্য_নিজেই_গড়ো
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1229
02/08/2025