মহাপুরুষ হওয়ার পথে

মহাপুরুষ হওয়ার পথে

Share

"তুমি নিজেকে যা ভাবো, তুমি তা'ই" আপনার স্বরচিত লেখা/অনুগল্প/অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন আমাদের ওয়ালে।

01/06/2025

জীবনের পথে চলতে হলে…
চারপাশে অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হবে, অনেক রকম কথা কানে আসবে, কখনো কখনো আপনাকে ভিড় ঠেলে এগোতেও হবে। এমন সময় আপনি যা করবেন তা হলো—ইগনোর। কারণ জীবনে কিছু মানুষ থাকবে, যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো আবর্জনা ছড়ানো, অন্যের জীবনে বিষ ঢালা।
লাইফ আপনার—চয়েস ও ডিসিশনও আপনার।
নেগেটিভিটি যেখানেই দেখবেন, সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবেন। এটা দুর্বলতা নয়, বরং নিজের মানসিক শান্তির প্রতি দায়িত্বশীল থাকা।
খারাপ লাগলেও এটা সত্যি—আপনি যাদের বন্ধু ভাবেন, তাদের অনেকেই আপনার পতন দেখতে চায়। সহানুভূতির মুখোশ পরে তারা সুযোগ খুঁজে বেড়ায় আপনাকে আঘাত করার।
তাদের সেই সুযোগটা দেবেন না। অপ্রয়োজনীয় তর্কে যাবেন না, কারো কিছু বোঝাতে যাবেন না। কেউ যদি আপনাকে মূর্খ বলে, হেসে বেরিয়ে আসুন। এতে আপনি সময়, এনার্জি আর মানসিক শান্তি—সবই বাঁচাবেন।
আপনার রেসপন্সই আপনার শক্তি।
যারা জীবনটা সত্যি বোঝে, তারা জানে কাকে রেসপন্স দিতে হয় আর কাকে এড়িয়ে যেতে হয়।
সমালোচনার মধ্যে না ডুবে গিয়ে ভালো কিছু করুন—
একটা ভালো বই পড়ুন
প্রিয়জনের সাথে সময় কাটান
ঘর সাজান
রংতুলি দিয়ে ক্যানভাসে মনের কথা ফুটিয়ে তুলুন
সিনেমা দেখুন, গান শুনুন
ছবি তুলুন, ব্যায়াম করুন, গাছ লাগান
কিংবা একটুখানি চুপ করে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সংযোগ গড়ুন
নিজেকে বাঁচান অপ্রয়োজনীয় মানুষের আগ্রাসন থেকে।
আপনার জন্য আসল মানুষগুলোকে চিনে নিন—পরিবার, কাছের কিছু বন্ধুবান্ধব, যাদের সামনে আপনি আয়নার মতো স্বচ্ছ হতে পারেন। তাদের সঙ্গেই আপনার মনের কথাগুলো ভাগ করুন, কারণ তারা আপনার ভালোটা চায়। বাকি দুনিয়াকে জঞ্জাল ভাবুন, এবং দরকার হলে ঝেড়ে ফেলুন।
সবশেষে, মনে রাখবেন—
জীবন অনেক সুন্দর। পৃথিবীও অনেক সুন্দর। পথে চলতে গিয়ে আগাছা আর কাঁটাঝোপ থাকবেই, কিন্তু আপনাকেই বেছে নিতে হবে কোনটা পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাবেন।
সব কথার উত্তর দিতে নেই, সবকিছুর প্রতিক্রিয়াও দিতে নেই।
নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই, শুধু নিজের পথে স্থিরভাবে এগিয়ে যান।

#গুরুত্বপূর্ণ #শিক্ষনীয়

23/04/2025

তোমার সেক্স সমস্যা নেই — তোমার আত্মনিয়ন্ত্রণের সমস্যা আছে।

এটা নারীদের ব্যাপার না… এটা তোমার নিজের মনের ভেতরে চলা যুদ্ধের ব্যাপার।

চলো, এই ব্যাপারটা একেবারে পরিষ্কার করে নেই:

সেক্স তোমার শত্রু না। নারী তোমার পতনের কারণ না।
তোমার আসল সমস্যা হলো — তুমি নিজেকে “না” বলতে পারো না। আর বললেও, সেটা মন থেকে না।

তোমার কামনা সমস্যা নেই।
তোমার প্রেমিকা সমস্যা নেই।
তোমার শৃঙ্খলার অভাব আছে।

এবং এইভাবেই, নীরবে তোমার জীবনকে ধ্বংস করছে এই সমস্যাগুলো — যখন তুমি ভাবছো, “এইসব তো নরমাল আচরণ।”

---

১. তুমি নারীকে তাড়া করো, কিন্তু জীবনের উদ্দেশ্যকে না।
তুমি ওকে অনবরত টেক্সট করতে পারো…
কিন্তু তিন ঘণ্টা টানা নিজের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে পারো না।
মিষ্টি কথা বলার এনার্জি আছে…
কিন্তু আত্মোন্নয়ন, পড়াশোনা বা অর্থ উপার্জনের জন্য এনার্জি নেই।

এটা সেক্স সমস্যা না। এটা আত্মনেতৃত্বের দুর্বলতা।

---

২. তুমি টাকার ক্ষেত্রে আনন্দ দেরিতে নিতে পারো — কিন্তু নারীর বেলায় না।
তুমি মোবাইল কেনার জন্য টাকা জমাও।
তুমি ৩ মাস অপেক্ষা করো একটা স্নিকার্সের জন্য।
কিন্তু শরীর ডাক দিলেই “না” বলতে পারো না।
অর্থনৈতিকভাবে তুমি বুদ্ধিমান… কিন্তু যৌনভাবে বোকা।
এই ভারসাম্যহীনতা তোমার ক্ষমতাকে শেষ করে দিচ্ছে।

---

৩. তুমি জানো এটা ভুল — তবুও করো।
তোমার মনে অপরাধবোধ হয়, যখন তার সাথে ঘুমাও।
হস্তমৈথুনের পর আফসোস করো।
বলো, “আর করবো না”…
কিন্তু দু’দিন পর আবার ফিরে যাও সেই কাজেই।
এটা শুধু অভ্যাস না — এটা নিয়ন্ত্রণের অভাব।

---

৪. তোমার চালক হচ্ছে কাম, উদ্দেশ্য না।
তুমি সকালে ভাবনা নিয়ে জাগো…
কিন্তু দুপুরে আবার তার DM-এ।
তোমার প্ল্যান ছিল…
কিন্তু তার শরীর সব ভুলিয়ে দিলো।
তুমি নিজের ওপর রাজত্ব করতে না পারলে, দুনিয়া শাসন করবে কীভাবে?

---

৫. তুমি যেটা ভালোবাসা বলো — সেটা আসলে লালসার আসক্তি।
তুমি ওকে ভালোবাসো না। তুমি ভালোবাসো, ওর মাধ্যমে তুমি কেমন ফিল করো সেটা।
তুমি ভালোবাসো ইগোর বুস্ট। কল্পনার জগৎ। সাময়িক পালানোর পথ।
আর এই বিচ্ছিন্ন হতে না পারার কারণে,
তুমি আটকে থাকো বিষাক্ত চক্রে — সময় নষ্ট করো, আর উন্নতি থেমে যায়।

---

৬. তুমি সৃষ্টিকর্তার কাছে সাহায্য চাও — কিন্তু প্রলোভনে “না” বলো না।
তুমি প্রার্থনা করো। কাঁদো। রোজা রাখো।
কিন্তু সে যদি বলে “এসো,”
তুমি সব আশীর্বাদ ভুলে যাও।
এটা শুধু প্রার্থনার বিষয় না — এটা নীতির বিষয়।
যতক্ষণ না তুমি তোমার শরীরকে শাসন করো, ততক্ষণ তুমি বারবার একই ফাঁদে পড়বে।

---

৭. তোমার শক্তি নষ্ট হচ্ছে তোমার লালসার মাধ্যমে।
প্রতি বার তুমি সেক্সের পেছনে ছুটো — নিজের লক্ষ্য ছেড়ে —
তুমি দিচ্ছো তোমার শক্তি, সময়, আর মনোযোগ।
এই কারণেই তোমার স্বপ্ন শুকিয়ে যাচ্ছে।
কারণ তুমি নারীদের পানি দিচ্ছো — নিজের লক্ষ্যকে না।

---

৮. তুমি নীরবতায় থাকতে পারো না — শরীর চায় সুখ।
তুমি বোর হলে, সেক্স চাও।
তুমি স্ট্রেসড হলে, সেক্স চাও।
তুমি একা হলে, সেক্স চাও।
তুমি সেক্সকে বানিয়ে ফেলেছো তোমার ওষুধ — আর এখন তুমি আসক্ত।
তোমার আর বেশি সেক্স দরকার নেই। তোমার দরকার জীবনের অর্থ।

---

৯. তুমি তোমার মস্তিষ্ককে শেখাচ্ছো — সহজটাই ঠিক।
প্রতি বার তুমি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ক্লাইম্যাক্সে যাও, তুমি তোমার মস্তিষ্ককে বলো:
“তাৎক্ষণিক আনন্দ, দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের চেয়ে ভালো।”
তুমি থেমে যাও চেষ্টা করা। গঠন থেমে যায়। শর্টকাট খোঁজো।
সবই শুরু হয়েছে এই অভ্যাস থেকে — কঠিন সময়ে ধৈর্য না ধরে, সহজ পথ খোঁজার।

---

১০. তুমি তার আসক্ত না — তুমি নিজের থেকে পালাতে চাও।
সেক্স তোমার সেই রাস্তা — যেখানে তুমি নিজেকে ভুলে থাকতে পারো।
কারণ তুমি জানো, তুমি এখনও যেখানে থাকতে চাও, সেখানে নেই…
তাই তুমি লুকিয়ে পড়ো কারও শরীরে — নিজের পথ ঠিক না করে।

---

ভাই, এটা স্পষ্ট করে শুনো:
তোমার আর নারীর দরকার নেই।
আরও একটা রাতের দরকার নেই।
লেট-নাইট টেক্সট, সাময়িক উত্তেজনা — এসব তোমার দরকার নেই।

তোমার দরকার নিয়ন্ত্রণ। দরকার দক্ষতা। দরকার নীরবতা, নিয়ম, আর মানদণ্ড।

কারণ যে পুরুষ তার কামনাকে “না” বলতে পারে না,
সে জীবনের প্রতিটা বিভ্রান্তিকে “হ্যাঁ” বলে — আর হারিয়ে ফেলে তার ভবিষ্যৎ।

28/09/2017

ছেড়া সময় আর সুপরিচিত শব্দ গুলো চার দিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভদ্রপল্লির সমাজ আবার কথা বলবে আর তোমরা ভদ্র সবাই অশ্লীলতার সৌন্দর্যে মাধুকরীবৃত্তি হবে।

চোখ মুখ বিধ্বস্ত আমায় ফাঁশির মঞ্চে তুলে ঝুলিয়ে দেবে কোন দোষ নাইবা থাক মোর বাহুডোরে, দণ্ডার্হ বেড়ি আজ আমার হস্তে। কোন ক্রোধ, নালিশের কারন, এমনকি ভালবাসাও তোর অভিপ্রায়ে না, কেবল সুহাসিনী হাসি তোর জন্য দোদুল্যমান ।

অপার্থিব সেই আর্টিফিশিয়াল শুন্যস্থানের প্রবর্তক তুইই ম্রিয়মাণ । কাচের দেয়ালে সস্তা আবেগে আক্ষেপের কাটা দাগ গুলো প্রতিদিনই বিচ্ছুরিততায় ঘুর্নায়মান।

এখন শুধুই প্রতিক্ষা যার অপেক্ষা শুধুই সেই শেষ কিছু ঝাপসা স্মৃতি বিস্বর্জনের জন্য। অন্তিম আধারে আমি মুগ্ধ হব সমাপ্তির সৌন্দর্যের লীলায়।।।

Rnaa

Photos 17/07/2017

বাংলায় প্ল্যানচেট করার ধারাটা এগিয়ে চলে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির উৎসাহে৷ কিন্তু সেখানেও অকালমৃত্যু এসে সব তছনছ করে দেয়৷ জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত 'ভারতী' পত্রিকার আশ্বিন, ১৩০১ সংখ্যায়, প্ল্যানচেট করার জন্য এক আশ্চর্যজনক ভৌতিক যন্ত্রের বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছিল— ‘নির্মাতা শরৎচন্দ্র ভট্টাচার্য্য, ১০৮, আপার চিৎপুর রোড, গরাণহাটা,কলিকাতা, মূল্য আড়াই টাকা, প্যাকিং ও ডাকমাশুল বারো আনা’৷ রবীন্দ্রনাথ যন্ত্রটির বাংলা নামকরণ করেছিলেন— ‘প্রেতবাণীবহ চক্রযান’৷

রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, এই যন্ত্রের সাহায্যে প্ল্যানচেট করে কবির সঙ্গে মাইকেল মধুসূদনের প্রথম আলাপ হয়েছিল। মধুসূদনের মৃত্যুর সময়ে রবীন্দ্রনাথের বয়স বারো বছর, সুতরাং সেই আলাপচারিতা তাঁর কৈশোরের অভিজ্ঞতা বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে কারণ সেই সময়ে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে নিয়মিত প্রেতচক্র বসতো এবং কিশোর কবিরও সেই চক্রে বসার স্বাধীনতা ছিল৷ কুড়ি-একুশ বছর বয়সেও তিনি প্ল্যানচেট করতেন, তার লিখিত প্রমাণ রয়েছে৷ কিন্তু সেই চক্রের আয়ুও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারেনি। কারণ, অন্যতম উদ্যোক্তা হেমেন্দ্রনাথের আকস্মিক মৃত্যু৷

অনেক বছর পরে, তখন তাঁর বয়স আটষট্টি বছর, রবীন্দ্রনাথ আবার পূর্ণ মনঃসংযোগ করে পরিণত প্রজ্ঞার আলোকে পরলোকচর্চায় প্রবৃত্ত হয়েছিলেন৷ ১৯২৯ সালের অক্টোবরের শেষে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে পরিচয হয় প্রেতচর্চায় অলোকসামান্য ক্ষমতার অধিকারিণী এক তরুণীর৷ সে বছর পুজো দেরিতে পড়েছিল, শরতের শেষ, আশ্রম জনশূন্য, রবীন্দ্রনাথ একাই ছিলেন উত্তরায়ণ ভবনে৷ তাঁর অতিথি হয়ে শান্তিনিকেতনে পৌঁছলেন রবীন্দ্রনাথের পুরোনো বন্ধু ও তাঁর বহু কাব্যগ্রন্থের প্রকাশক মোহিতচন্দ্র সেনের মেয়ে উমা দেবী৷ কয়েক দিনের মধ্যেই কবির কানে খবর গেল, উমা একাধারে কবি এবং ভাল মিডিয়াম৷ রবীন্দ্রনাথ উপনিষদ থেকে পেয়েছিলেন একটি তথ্য— এক ধরণের অতি-সংবেদনশীল মানুষ থাকেন, যাঁরা মৃত আত্মাদের আকর্ষণ করতে পারেন এবং তাদের সঙ্গে মরজগতের একটা যোগসূত্র স্থাপন করতে পারেন৷ আধুনিক প্রেততত্ত্বের ভাষায় এঁদের বলা হয় 'মিডিয়াম'৷

উমাদেবীর ভাল মিডিয়াম হওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে জানতে পেরে কবি খুবই আগ্রহী হয়ে নিয়মিত চক্রের আয়োজন করেন৷ তিনি প্রেতলোকের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সরাসরি মিডিয়ামের সাহায্য নিয়ে শুরু করলেন প্ল্যানচেট৷ প্রেতচক্রের যাবতীয় নিয়ম ভঙ্গ করে রবীন্দ্রনাথ উমার মুখোমুখি বসে তাঁকে প্রশ্ন করতেন৷ মিডিয়ামের হাতে কাগজ পেন্সিল থাকতো, তিনি উত্তর শুনে দ্রুত কথাগুলি লিখে কবিকে দেখাতেন৷ তাঁকে লিখতে সাহায্য করেছিলেন অমিয় চক্রবর্তী আর মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়৷ ঘরে আরও অনেকে উপস্থিত থাকতেন, কিন্তু প্রশ্ন শুধু কবিই করতেন৷ এই ভাবে আটটি ফুলস্কেপ কাগজের মোটামোটা খাতা ক’দিনে ভরে উঠেছিল৷

অক্টোবরের প্রারম্ভিক অধিবেশনগুলির কোন বিবরণ নেই, কিন্তু নভেম্বরে পর পর বেশ কয় দিন এবং ডিসেম্বরেও যে ক’দিন উমাদেবী শান্তিনিকেতনে ছিলেন, তাঁকে কেন্দ্র করে পুরোদস্তুর প্রেতচক্র বসেছিল, যার বিবরণী শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রভবনে পরম যত্নে সংগ্রহীত রয়েছে৷ কবির ডাকে সাড়া দিয়ে এসেছিলেন তাঁর প্রায় সমস্ত প্রয়াত আত্মীয় ও বান্ধবকুল৷ এসেছিলেন মেজদা সত্যেন্দ্রনাথ, নতুনদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ, পত্নী মৃণালিনী, বড় মেয়ে মাধুরীলতা, ছোট ছেলে শমীন্দ্রনাথ, প্রিয় ভাইপো বলেন্দ্রনাথ আর হিতেন্দ্রনাথ এবং তাঁর কাছের মানুষ সুকুমার রায়, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়, অজিত চক্রবর্তী, সন্তোষ মজুমদার, সতীশ রায় প্রমুখ ভক্তবৃন্দ৷

বারে বারে ডাকা সত্ত্বেও কখনোই আসেননি পিতা দেবেন্দ্রনাথ, মাতা সারদা দেবী, বড়দা দ্বিজেন্দ্রনাথ ও মেজ মেয়ে রেণুকা৷ যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা খোলাখুলি কবির প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এমনকী, ব্যক্তিগত ইচ্ছার কথাও বলেছেন৷ যেমন, সুকুমার রায় তাঁর একমাত্র পুত্রকে আশ্রমে রাখার অনুরোধ জানিয়েছিলেন৷ রবীন্দ্রনাথ নিজে স্ত্রী মৃণালিনীর সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন রথীন্দ্রনাথের সঙ্গে বালবিধবা প্রতিমাদেবীর বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে৷ আত্মপরিচয় না দিয়েও একজন বার বার এসে পড়েছেন, তিনি নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী৷ এই মহামিলনচক্রের কথোপোকথন সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের মনে কোন সন্দেহ ছিল না যে, তাঁর প্রিয় মানুষেরাই তাঁর সঙ্গে মিলিত হতে এসেছিলেন, যদিও তাঁর জীবিত নিকটজনেরা অনেকেই মৃত আত্মাদের চক্রে আসা সম্পর্কে ততটা নিঃসন্দিগ্ধ হতে পারেননি৷

এঁদেরই একজনকে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন— "পৃথিবীতে কত কিছু তুমি জানো না, তাই বলে সে সব নেই? কতটুকু জানো? জানাটা এতটুকু, না জানাটাই অসীম৷ সেই এতটুকুর ওপর নির্ভর করে চোখ বন্ধ করে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া চলে না....যে বিষয় প্রমাণও করা যায় না, অপ্রমাণও করা যায় না, সে সম্বন্ধে মন খোলা রাখাই উচিত ৷ যে কোন একদিকে ঝুঁকে পড়াটাই গোঁড়ামি৷"

কিন্তু ভূতেদের ষড়যন্ত্র থেকে বিশ্বকবিও রেহাই পাননি৷

সূত্রঃ ইন্টারনেট।

Shaikh Hafizur Rahman Rnaa

08/07/2017

রুপাঃ তুমি কি জানো,আমি তোমার কথা খুব
ভাবি?
হিমুঃ আমি জানি
রুপাঃ সত্যি জানো?
হিমুঃ হ্যাঁ জানি
রুপাঃ কি করে জানো?
হিমুঃ ভালোবাসা টের পাওয়া যায়।
রুপাঃ কেন জানি তোমার কথা সব সময়
মনে হয়, এর নাম কি ভালোবাসা?
হিমুঃ আমার জানা নেই রুপা
রুপাঃ তুমি কি আসবে আমাদের বাসায়?
হিমুঃ আসব
রুপাঃ কখন আসবে?
হিমুঃ এক্ষুনি আসছি
রুপাঃ এত রাতে এলে বাবা হইচই করবেন,
তুমি কি সকালে আসতে পার না?
হিমুঃ না রুপা, আমাকে এক্ষুনি আসতে হবে
রুপাঃ আচ্ছা বেশ আস
হিমুঃ তুমি নীল রঙের শাড়ি পরে আছ?
রুপাঃ কেন বলো তো?
হিমুঃ যদি থাকে তাহলে নীল রঙের
শাড়ি পরে গেটের কাছে থাকো। আমি এলেই
গেট খুলে দেবে।
রুপাঃ আচ্ছা
..আমি গেলাম না। আবারো মাসখানেক এর
জন্য ডুব দিলাম।কারন ভালোবাসার
মানুষদের খুব কাছে কখনও যেতে নেই।
(ময়ূরাক্ষী)

04/07/2017

তুমি ধর্মের নামে অধর্মকে সত্য বানাও, তুমি স্বতীত্বের দাবি নিয়ে সীতাকে চিতায় চড়াও।

19/06/2017

★★★ সবুজ বাতি ★★★
বছর দুয়েক আগের কথা,,।
ব্যাচেলর লাইফ,,ছোটো খাটো একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরী,, মা বাবা আর ছোটো বোনকে নিয়ে ছোটো সুখের সংসার,।
বাবা একটা জুটমিলে রিটায়ার করে প্রবিডেন্ট ফান্ডের সামান্য টাকায় দুকামরার একটা বারিও করেছে,,সামান্য কিছু দেনাও হয়েছে,,।
ভবিষ্যৎএর স্বপ্ন দেখছি আমার গার্লফ্রেন্ড প্রীয়াকে নিয়ে,,। আমাকে খুবই ভালবাসে প্রীয়া। আমরা ঠিক করেছি,, বাবার দেনাটা শোধ করেই বিয়েটা সেরে নেবো,,। রাতে আমাদের কথাও হয় ফেসবুকে,,। কম খরচে অনেক কথা,, মন চাইলে সারারাত,,। আমার ফ্রেন্ডলিষ্টে প্রায় কম বেশি করে একশো সদশ্য। সকলের সাথে না হলেও অনেকেরই সাথে নিওমিত কথা হয়,,। এমনি অল্প কথা বলা একজন ছিলো,, বিথী শর্মা,,। অবাঙালী হলেও পরিস্কার বাংলা বলতে পারতো,,। আমি পাঁচটা sms করলে একটার উত্তর দিত,,। কখনো সুধুই লাইক দিয়ে ছেরে দিত,,।
প্রফাইলের ছবিটাও খুব সুন্দর,, এককথায় সুন্দরী বলা চলে,, বড় বড় চোখ মুখে মৃদু হাঁসি সত্তিই সুন্দর,,।
কোম্পানিতে লেবারদের দাবিদাবা আর ইউনিয়ান বাজিতে বন্ধই হয়ে গেল কোম্পানি,,। একেবারেই কর্মহীন হয়েগেলাম,,। ভাবলাম একটা কাজ ঠিকি জুটিয়ে নেব,,। এমন ভাবনা আমার মিথ্যে হয়ে গেল,,। এইভাবে কএক মাস কেটে গেল,,একে একে মায়ের গয়না দোকানে বাঁধা পড়লো,,।
সংসার বাঁচাতে রাজমিস্ত্রির জোগারের কাজের জন্য কথা বললাম,,সেখানেও নিলোনা,, কারন কাজের কোনো অভিজ্ঞতাই নেই,,। সাফ জানিয়ে দিল তোমার দ্বারায় একাজ হবেনা,,।
অবস্থা বুঝে মুদিওয়ালাও ধার দেওয়া বন্ধ করে দিল।
ছোটো বোনটা ক্লাস টেনে পড়ে,,। সেও দেখি খিদে নেই বলে, কিছু না খেয়েই স্কুলে চলে গেল,,।
মা বাবার মুখের দিকে তাকাতেই পারছিনা,,।
গত রাতে প্রীয়াও বলে দিল,,অন্য জায়গায় নাকি বিয়ের ঠিক হয়ে গেছে,,। আর যেন কখনোই ডিস্টার্ব না করে,,। যাকে এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়জন,, সবার আগে সেই পালিয়ে গেল,,।
বন্ধুরাও প্রায় সবাই বেকার,,।কিন্তু ওদের কেউ না কেউ আছে সংসার চালানোর মত,,। তবুও ওরা অনেক সাহায্য করেছে,,।
অভাব যে এত ভয়ঙ্কর তা আগে যানাছিলনা,,।
মায়ের মুখঝামটা,, বাবার শুকনো মুখের কটাক্ষ দৃষ্টি,,যে বোনটার সারাটা দিন টুকটাক করে মুখ চলতো - সে আজ খালি পেটে বইয়ে মুখ গূঁজে পরে রয়েছে,,।
আর পারছিনা,, এভাবে বাঁচার কনো মানেই হয়না,,। আজেবাজে উল্টোপাল্টা চিন্তা মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে,,। অনেক রাতে বারি ফিরেছিলাম,,বন্ধুর খাওয়ানো চা বিস্কুট অনেক আগেই হজম হয়ে গেছে,,। এবার বিষ খেতে ইচ্ছা করছে,,, হাঁ এটাই একমাত্র পথ,, অসহ্য যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তির উপায় এটাই,,। হাঁ সুইসাইড,, মাথার মধ্যে ফিক্সড হয়ে গেল,, এছাড়া আর কিছুই মাথায় আসছেনা,,।
পকেট থেকে মোবাইলটা বের করে ফেসবুক খুললাম,,ফ্রেন্ড লিষ্টের বন্ধুরা যারা অন লাইন ছিলো,, তাদের মধ্যে প্রীয়া ছিলো এক নাম্বারে,,তাই ওকেই প্রথমে লিখলাম গূড বাই প্রীয়া, চললাম,,,,,
হুঁহঃ,,,,,নো রিপ্লাই,,হয়তো ব্যাস্ত আছে অন্য কারোর সাথে,,,।
তারপর পরপর প্রত্যেককেই একই কথা লিখে ফরোয়ার্ড করলাম,,"গুড বাই বন্ধু চললাম ",,,।তার মধ্যে অনেকে অনেক রকম রিপ্লাই করলো,, কেউ - ভাল থাকিস,,,। কেউ - কোথাও বেড়াতে যাচ্ছো নাকি,,? কেউ - কনো কাজের জন্যে দেশ ছাড়ছো নাকি,,?
কিন্তু একমাত্র বিথীই ব্যাপারটা ঠিকি আন্দাজ করেছিলো,,। যে কিনা অনেক কথা বলার পর তবে একটা রিপ্লাই দেয়,,। সে পরস্পর প্রশ্ন বাণে আমাকে ঘায়েল করে ফেলল,,।
একের পর এক প্রশ্ন - এই তুমি কোথায় যাচ্ছো,,?
তোমার গুড বাই বলার ধরনটা একটু অন্য রকম,,।
জীবন থেকে পালিয়ে যাচ্ছোনা তো,,?
কি হয়েছে তোমার,,?
প্রেমীকা ধোকা দিয়েছে,,?
সুইসাইড করার কথা ভাবছোনা তো,,?
আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম, আগে যেটুকু কথা হয়েছে,, -হায়,,হ্যালো,,কেমন আছো,, ভালো আছি ব্যাস এইটুকুই,,। এর পরের কথার কখনই উত্তর পাইনি,,আর আজ,,! সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে কখন যে হুঁ লিখে সেন্ড করে ফেলেছি,,,,,
আবার শুরু হয়ে গেল,,-
এ মা তুমি কি বোকা,,।
এই সামান্য কারনে কেউ সুইসাইড করে নাকি,,?
বছরের ঋতু পরিবর্তনের মতই প্রেমীক প্রেমীকারা আসে আর যায়,, ছাড়ো ওসব কথা,, তুমি চাইলে আমাকে ভালোবাসতে পারো,। আমাকে দেখতেও খুব খারাপ নয়,,। কথা দিচ্ছি মৃত্যুর আগে পর্যন্ত বেইমানি করবোনা,,।
এবার আমি একটু ঝেরে কাশলাম,,। সংক্ষেপে আমার সব সমস্যা গুলো বললাম,,।
সব শুনে যে কথা গুলো বলল, -
তুমি একজন বীর যোদ্ধা,, তোমার লড়াইয়ের উপরে আরো তিন তিনটি প্রাণীর বাঁচা মরা নির্ভর করছে,,। তুমি নিশ্চিত যানবে,, তোমার জীবনে যখন ঘনো অন্ধকার,, ঠিক তার পরেই ভগবান তোমার জন্য একটি সুন্দর সকাল রচনা করে রেখেছেন,,।
আরে বোকা ভগবান এভাবেই পরিক্ষা নেন,, তোমাকে যে উত্তির্ন হতেই হবে,,।
কথা শেষ হতেই বিথীর একটা সেলফি ভেসে উঠলো মবাইলের স্ক্রিনে,,। আমাকে ছুঁয়ে কথা দাও এ লড়াইটা তুমি লড়বে,,। আমার ভালবাসার দিব্বি, এ লড়াই তোমাকে জিততেই হবে,,।
বিছানার উপর মোবাইলটা রাখা,,পর পর লেখাগুলো ফুটে উঠছে,,মনে মনে লেখাগুলো আউরে যাচ্ছি,,। কি উত্তর দেব কিছু ভেবে পাচ্ছিনা,,। হাতের আঙুল গুল যেন অসার হয়ে গেছে,,
আবার - কিহল কিছু তো বল,,।
অনেক কষ্টে টাইপ করলাম,, আমি তোমার সঙ্গে দেখা করতে চাই,,
বিথী - হাঁ নিশ্চই,, বল কবে কোথায় দেখা করতে চাও,,?
বললাম - কাল বিকেল পাঁচটায় বাবুঘাটে নদীর ধারের পার্কে,,।
বিথী - তুমি ঠিক আসবে তো,,? তোমার নংটা দাও যদি তোমার আসতে দেরি হয়,,। আমি কিন্তু অপেক্ষা করবো,,।
বললাম - হাঁ ঠিক আসবো,, সঙ্গে ফোননং টাও টাইপ করে দিলাম,,।
বিথী - তাহলে এখন ভালছেলের মত ফোন রেখে ঘুমিয়ে পরো,,কাল তাহলে আমাদের দেখা হচ্ছে,,।
Good night Sweet dreams..বলে অফলাইন হয়েগেল,,। আমিও ফোন বন্ধ করলাম,,।
ভাবতে লাগলাম,, কে এই বিথী,,?
তা সে যেই হোক,, ওর কয়েকটা কথায় জীবনের সিদ্ধান্তটাই পাল্টে গেল,,।
থেমে যাওয়া গাড়ি যেন নতুন করে আবার গতি ফিরে পেলো,,।
আর প্রীয়া সেও তো একটা মেয়ে,, কত তফাৎ দুজনের মধ্যে,,। কখন যেন ঘুমিয়ে পড়লাম,,।
সকালে দরজা ধাক্কায় ঘুমটা ভেঙে গেল,,খুলে দেখি আমার এক বন্ধু সুব্রত,,। বলল আমার দাদা আমার জন্য একটা কাজ দেখেছে,, কিন্তু আমি চাই কাজটা তুই কর,, এই মুহুর্তে কাজটা তোর খুবই দরকার,,
কলকাতায় এক চায়ের গোডাউনে লেবার দেখাশুনার কাজ,,মাইনে সাত হাজার দেবে,, এক তারিখে জয়েন্ট,, পাঁচ দিন বাকি,,।
বললাম - কি বলে যে ধন্যবাদ দেবো,,।
সুব্রত - ওসব পরে হবে,, আমি দাদাকে ব্যাবস্থা করতে বলছি,,। চলে গেল সুব্রত,,।
বিথীর কথা যে এত তারাতারি ফলে যাবে তা স্বপ্নেও ভাবিনি,,। আজ বিকেলে বিথীর সাথে দেখা করতেই হবে,,।
যথারীতি পাঁচটার আগেই যথাস্থানে পৌঁছে গেলাম,,চোখ পরেগেল বিথী আমারো আগে পৌঁছে আমার জন্য অপেক্ষা করছে,,। তাকিয়ে আছে আমারই দিকে,,।যেন প্রয়জনটা ওরই,,।
একটা হালকা হাঁসি দিয়ে বলল - এইতো ঠিক সময়ের মধ্যেই এসেগেছে আমার যোদ্ধা,, ঠিক এইভাবেই সময়ের মূল্য দিও,,।
ওর কথায় বুকটা ভরেগেল,,। ওর চোখের দৃষ্টি এতোটাই তিক্ষ্ণ যে, আমার চোখের দরজা দিয়ে ঢুকে মনের ভেতরটাও দেখতে পাচ্ছে,,।
দুজনেই একটা বেঞ্চে গিয়ে বসলাম নদীর দিকে মুখ করে,,। সুর্য্য ডুবছে,, লাল আবিরের রঙে আকাশটা রাঙিয়ে দিয়েছে,,। আগে কখনো এভাবে আকাশকে দেখিনি,,।
হঠাৎই বিথী বলে উঠলো,, ও যোদ্ধা বলো কি যেন বলবে বলে ডেকেছিলে,,।
বললাম - আমার মনেহয়,, যেটা বলতে চাই তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা,, তুমি আগে থেকেই সব যেনে গেছো,,।
বিথী - হাঁ যানি,,
বললাম - কি যানো,,?
বিথী - এইযে সামনেই ফুচকাওয়ালা,, ঝালমুড়ি ওয়ালারা দোকান দিয়েছে,,। তোমার খুব ইচ্ছে করছে আমাকে মন ভরে খাওয়াতে,,। কিন্তু তোমার পকেট একেবারে গড়েরমাঠ,, খাওয়াতে পারছোনা তাই মনে মনে কষ্ট পাচ্ছ,,।
আমি এক লাফে উঠে ডাঁড়িয়ে পরলাম,,আর মুখের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি - আর ভাবছি,, আরে সত্তি সত্তিই তো আমি এটাই ভাবছিলাম,,।
কৌতুহল আর চাপতে পারালাম না,, বলেই ফেললাম,, এই তুমি কে বলতো,,?
খুব সহজ ভাবেই উত্তর দিল - তোমার প্রেমীকা,,।
হাতটা ধরে এক ঝটকায় আবার পাসে বসিয়ে দিল,,।
আর বলল - যা বলি মন দিয়ে শোনো,,
প্রশ্ন করলো - যানো আমাদের প্রেমের মেয়াদ কতদিনের,,?
আমি - না যানিনা,,
বিথী - মাত্র এক দিনের,,।
তুমি কি যানো আমার প্রেমীকের সংখা কত,,?
আমি - না যানিনা,,
বিথী - তোমাকে নিয়ে 210 জন,,
তুমি কি যানো,, কেন আমি এক দিনের বেশি সম্পর্ক রাখিনা,,?
আমি - না,,
বিথী - কারন, একটা যোদ্ধা তৈরী করতে আমার কাছে এক দিনই যথেষ্ট,,। এবার বল আমার বীর যোদ্ধা,, তুমি কি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত,,?
কথাগুলো শুনে আমার যেন দম আটকে গিয়েছিলো,, যেন অন্য কনো জগৎএ বিচরণ করছিলাম,,।আমার কাঁধ দুটো ধরে ঝাঁকিয়ে দিয়ে বলল,,- শুনছো আমার কথা ? তুমি কি প্রস্তুত,,?
আমি - হাঁ আমি অনেক আগেই প্রস্তুত,,।
দুহাতে আমার গাল দুটো ধরে বলল চোখ বন্ধকরো,, করলাম - ঠোঁটে চুম্বনের পরশ পেলাম,,।
সারা শরির মনে এক ঐশ্বরিক অনুভুতির স্বাদ পেলাম,, সেটা ভাষায় বর্ণনা করতে পারবোনা,,।
তখন সন্ধ্যা হয়ে এসেছে,,। বিথী আমার দিকে দুহাত বারিয়ে বলল,, - তুমি চাইলে আমাকে আলিঙ্গন দিতে পারো,,। আমি আশে পাশে দেখলাম,, অনেক মানুষের ভীড়,।
বিথী - আমি কাউকে তোয়াক্কা করিনা,,
আমি মাথা নেরে না বলে দিলাম,,।
এবার আরো কাছে ঘেঁসে বসলো,, শরিরের আধখানা অংশ আমাকে ছুঁয়ে আছে,,। শান্ত গলায় -
আবার প্রশ্ন - যানো যোদ্ধা আমার আয়ু আর কত দিন,,?
এবার আমি ভালকরে মুখের দিকে তাকালাম,,
নিয়ন আলোয় চোখের কোনে জল চিকচিক করছে,, আর মাত্র 119 দিন,, আমি ক্যান্সারে আক্রান্ত,,। যোদ্ধা আমি মরতে চাই না,, আমি বাঁচতে চাই,,
আমার দিন একটা একটা ফুরিয়ে আসছে,,
আমার ভেতরটা আমার অজান্তেই কেঁদে উঠলো,, চোখের জলকে আর আটকে রাখতে পারালাম না,,।
বিথী - কি হল যোদ্ধা,,? তোমার চোখে জল,,? তুমি না আমার বীর যোদ্ধা,, আর বীরের চোখে জল শোভা পায়না,,।
আমি বললাম - নিজের জন্য নয়,, তোমার কথা ভেবেই কাঁদছি,, তোমার যে মহৎ উদ্দেশ্য, তার কথা ভেবে কাঁদছি,, এখন আমি বুঝতে পারছি তোমার এই একদিনের ভালবাসায় একটা মানুষ একশো বছর পর্যন্ত বাঁচার শক্তি ফিরে পাবে,,। তোমার অবর্ত্তমানে যারা তোমার এই ভালবাসা থেকে বঞ্চিত হবে,, তাদের কথা ভেবে কাঁদছি,,।
এবার বিথীও কেঁদে ফেলল,,
বলল - বাহঃ আমার যোদ্ধা এবার পুরো পুরি তৈরী,, যোদ্ধা কয়েকটা জরুরী কথা,,- আমি আর কোনোদিন তোমার সঙ্গে দেখা করবোনা,,প্রয়জনে আমি তোমাকে ডেকে নেব,,।
ফেসবুকে আমার উপস্থিতি দেখেও কখনো sms করবেনা,,
আমার নামের পাশে ঐ সবুজ বাতিটা যতদিন দেখতে পাবে,,যানবে ততদিন আমিও আছি,,
তোমার সাথেই আছি,,
কখনো যদি আমার জন্য মনটা কেঁদে ওঠে,, এই সময়,, এইখানে,, এইই বেঞ্চে এসে বসো,,। আর আবিরে রাঙানো ডুবে যাওয়া ঐ সুর্য্যটাকে দেখো,,।
একটা দির্ঘশ্বাস ছেরে বলল,,যোদ্ধা এবার আমাকে উঠতে হবে,,আমার অনেক কাজ আর হাতে সময় খুবই কম, তুমি অনুমতি দাও,,,,,,,,
আমি বললাম - তোমায় বেঁধে রাখার কনো ক্ষমতাই আমার নেই,,। তুমি যাও আবার নতুন কনো যোদ্ধার খোঁজে,,।
আমার কাঁধটা আলতোভাবে ঝাঁকিয়ে চলেগেল,,।
বিথী হারিয়ে গেল মানুষের ভীড়ে,,
আমি বিথীতে মহিত হয়ে গেলাম,, আমি যেন আর আমার মধ্যে নেই,,সম্পুর্ন এক অন্য মানুষ,,।
পরেরদিন সকালে একটা ম্যাসেজ পেলাম - কোলকাতার এক অনামী পাখা কারখানায় প্রডাকশন ম্যানেজারের পদের চাকরীর জন্য,,
আর, চাকরীটা পেতে কনো অসুবিধে হয়নি,,।
ছোট্ট কারখানা,, মালিকের অবর্ত্তমানে আমাকেই সব কিছু দেখতে হয়,,। জীবনটা আগের মতই আবার স্বাভাবিক হয়ে গেল,,।
রোজ রাতে ফেসবুক খুলে বিথীর উপস্থিতি লক্ষ করি,,জ্বলজ্বল করছে সবুজ আলোটা,, বিথী এখনো অনলাইন আছে,,। অনেক ম্যাসেজ আসে,, কনো ম্যাসেজই আর পরতে ইচ্ছা করেনা,, অনেক ম্যাসেজের ভীড়ে প্রীয়ারও ম্যাসেজ আসে,,আর দেখিনা,,সুধু সবুজ আলো ছাড়া,,।
যানি এটাও একদিন হঠাৎই নিভে যাবে,, আর জ্বলবেনা,,।
এমনি একদিন তাকিয়ে আছি সবুজ আলোটার দিকে,,হঠাৎই ম্যাসেজ এলো বিথী শর্মার প্রোফাইল থেকে,, বুকটা ছ্যাঁত করে ঊঠলো,, তাতে লেখা,,,-
যোদ্ধা,, যদি শেষ দেখাটা দেখতে চাও, তারাতারি চলে এসো,, সময় খুবই কম,,।
নিচে পাটনা'র একটা ঠিকানা দেওয়া,,।
তখন অনেক রাত - ভোর হতেই বেরিয়ে পরলাম একরাশ উৎকন্ঠা নিয়ে,,।
ঠিকানায় পৌঁছতে কনো অসুবিধে হয়নি,,।
কলকাতায় বড়বাজারে মামার কাছে থাকতো,, এটা নিজের বারি,, অনেক পুরানো আমলের বারি,, চারিদিক ঘেরা,, মাঝে বিশাল বড় দালান,, বাইরে ভিতরে প্রচুর মানুষের ভীর,, সবার চোখেই জল,,
কোথায় বিথী,, মনটা উৎকন্ঠায় ছটফট করছে,,
ভীড় ঠেলে ভিতরের দিকে যাচ্ছি,, হঠাৎ কেউ আমার হাতটা ধরে ফেললো,, দেখি জল ভরা চোখে আমার মালিক,,
ভীড় কাটিয়ে আমাকে নিয়ে গেল বিথীর কাছে,,
দালানের একপ্রান্তে পালঙ্কের উপরে রানীর মত সুয়ে আছে বিথী,, বড় বড় চোখের কোনে কালি,, শুকনো মুখ,,বিছানার সঙ্গে প্রায় মিশেই গেছে,,
কিন্তু ঠোঁটের কোনে সেই অম্লান হাঁসি এখনো বর্ত্তমান,,
বিথী বলল - আমার পাসে বসো,,
আমি বসলাম,, আমার হাতটা নিয়ে একটা চুমু দিয়ে বলল,, যানো যোদ্ধা আমি তোমায় রোজ দেখতাম তুমি তাকিয়ে আছো আমার প্রফাইলের ঐ সবুজ বাতিটার দিকে,, আজ থেকে ওটা আর জ্বলবেনা,,
আমি কথা দিয়েছিলাম বেইমানী করবোনা,,, দেখো -
আমার শেষ দিনেও তোমাকে আমার ভালবাসা দিতে পেরেছি,, আমি আবার আসবো তোমাদের মাঝে,, আবার আমি যোদ্ধা রুপে তোমাদের পাসে পাবো,,।
আর এইযে এখানে এতো মানুষ দেখছো,, এদের মধ্যে অনেকেই তোমার মত বীর যোদ্ধা,,
আজ আমার একটুও কান্না পেলনা,, কারন -
বিথী কথা দিয়েছে আবার আসবে,,
বিথী বলল এবার তুমি যাও,,আর এক যোদ্ধা এসেছে শেষ দেখা করতে,,
আমি আর পেছন ফিরে তাকাইনি,, আমি চলে যাওয়া সইতে পারিনা,,।
এখনো আমি প্রতি রাতে একবার করে দেখি -
বিথীর প্রোফাইলটা
যদি একবার জ্বলে ওঠে সবুজ বাতিটা,,

15/06/2017

একজন বাদাম বিক্রেতা ঠায় দাঁড়িয়ে র‍্যাংস শোরুমের কাচের গ্লাসের সামনে, এই রিক্সা যাবেন? সুন্দরী ললনার কথার জবাবে রিক্সাওয়ালা চাচার নির্লিপ্ত উত্তর না, এক হিপ হপ ছোট ভাই তার ব্র‍্যান্ড নিউ জিক্সার ২০১৭ ভার্শন থামাতেই কিছুটা জটলার তৈরি, এগুলো কেনো হচ্ছে জানেন? আজ চ্যাম্পিয়নস ট্রপফির সেমিফাইনাল আর আজ বাংলাদেশের খেলা। যেখানে আমরা ধনি গরিব ভেদাভেদ ভুলে সবাই সমান, আসুন চিৎকার করে গলা ফাটাই বাংলাদেশ....... বাংলাদেশ.... বাংলাদেশ.... জিতিহারি বাংলাদেশ 😎

Shaikh Hafizur Rahman Rnaa

14/06/2017

We are awaiting for your attention you guyes are not being active on our page.

08/06/2017

Reflections: Stay away from anger. It will only hurt U! If you are right then there is no need to get angry. Patience with FAMILY is LOVE. Patience with OTHERS is RESPECT. Patience with SELF is CONFIDENCE and patience with GOD is FAITH. Never think hard about the past, it brings tears. Don't think about the future, it brings fear. Live the MOMENT with a SMILE, it brings CHEERS. Good afternoon everyone!! :)

05/06/2017

একটি শিশু জন্মাবে, সে এতো আয়োজন, এতো প্রতিক্ষা কিন্তু সে এই যন্ত্রনার কিছুই জানছে না।

অন্ধকার মাত্রিগর্ভের কোনো স্মৃতি কারো মনে থাকে না, যদি মনে থাকতো তবে কেমন হতো কে জানে? জন্মের সে সমস্ত ব্যাপারটাই বড় নোংরা

25/05/2017

Live as if you were to die tomorrow. Learn as if you were to live forever.

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


পথে পথে
Dhaka