আশরাফ আলী থানভী রাহিমাহুল্লাহ উত্তরাধিকার সূত্রে অনেক সম্পদ লাভ করেন। কিন্তু, তাঁর মনে সন্দেহ দেখা দিলো যে, বাবার পুরো উপার্জন হালাল কিনা।
এমন না যে তাঁর বাবা হারাম উপার্জন করতেন। তিনি বৈধ উপার্জনই করতেন। তবুও কোনো কারণে থানভী রাহিমাহুল্লাহর মনে সন্দেহ দেখা দিলো। সম্পদ গ্রহণ করলে তাঁর মনে সন্দেহ কাজ করবে। সম্পদ গ্রহণ না করলে পরবর্তীতে আফসোস কাজ করতে পারে।
তিনি চিঠি লিখলেন রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী রাহিমাহুল্লাহর কাছে। জানতে চাইলে এখন পিতারে সম্পদের ভাগ নিবেন কিনা।
রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী রাহিমাহুল্লাহ চিঠির জবাবে জানালেন যে,
• সম্পদে নিজের অংশ গ্রহণ করা তাঁর জন্য জায়েজ
• সম্পদ গ্রহণ না করা তাকওয়া
• সম্পদ গ্রহণ না করলে তাঁর মধ্যে আফসোস কাজ করবে না, ইনশা আল্লাহ।
চিঠির জবাব পেয়ে আশরাফ আলী থানভী রাহিমাহুল্লাহ সিদ্ধান্ত নিলেন যে, তিনি তাকওয়ার ওপর আমল করবেন।
যার কারণে তিনি বাবার সম্পত্তিতে নিজের উত্তরাধিকারের অংশ ছেড়ে দেন।
রাহিমাহুল্লাহ।
তথ্যসূত্র: আকাবিরদের জ্ঞানসাধনার গল্প, দারুত তিবইয়ান, পৃষ্ঠা ৬৪-৬৫।
~আরিফুল ইসলাম
#আমাদের_আকাবির
NEED - Course Offer & Promocode
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from NEED - Course Offer & Promocode, Education Website, Dhaka.
সুলাইমান আলাইহিস সালামের জীবদ্দশায় অথবা ইন্তেকালের পরে শয়তানেরা দাবি করতে শুরু করল যে তারা সুলাইমানের গোপনীয়তা উদ্ধার করতে পেরেছে।
তা কী? যে সুলাইমান আলাইহিস সালাম মূলত কালোজাদুর মাধ্যমে জিনকে নিয়ন্ত্রণ করেন। তাই এই আয়াতে আল্লাহ কঠোরভাবে বলে দিয়েছেন যে সুলাইমান আলাইহিস সালাম কুফরি করেননি। অর্থাৎ, জাদুটোনা কিংবা সিহরের আশ্রয় যারা নেয়, তারা নিশ্চিতভাবে কুফরি করছে।
ইজরায়েলি এক বর্ণনামতে, জিনেরা ছয় মাসের মতো সময়ের জন্য সুলাইমান আলাইহিস সালামের নিয়ন্ত্রণ থেকে নিজেদের মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছিল। সেসময় তারা তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার, অপবাদ আরোপ করে যেন মানুষ তার প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলে। সুলাইমান আলাইহিস সালাম জাদুর চর্চা করেন, এটি সেরকমই একটি অপবাদ ছিল। কিন্তু আল্লাহ এখানে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, বিষয়টি মোটেও তেমন না। আর যারা জাদুর চর্চা কিংবা এতে বিশ্বাস স্থাপন করে, তারা কুফরির মাঝে লিপ্ত।
উপরিউক্ত আয়াতে আল্লাহ এ দুনিয়ায় জাদুটোনার আগমন কীভাবে ঘটে সে সম্বন্ধে ধারণা দিয়েছেন। আল্লাহ পরীক্ষাস্বরূপ প্রাচীন ব্যাবিলনীয় সভ্যতার কালে দুজন ফেরেশতা এ দুনিয়ায় প্রেরণ করেছিলেন যারা প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে মানুষকে জাদুবিদ্যা সম্পর্কে জানিয়েছিল। তারা একইসাথে সবাইকে এটিও বলেছিল যে, এসব নিছক ফেতনা, আখেরাতে এসব কোনো কাজে আসবে না। তবু মানুষ দলে দলে ছুটে যেত তা শিখতে। এভাবেই সিহরের প্রচলন ছড়িয়ে পড়ে।
✅ 'জাদুর বাস্তবতা' বইটি থেকে। শুধুমাত্র কোর্সে রেজিস্ট্রেশনকারীরা বইটি ফ্রিতে পাবেন।
একজন আলেমের জন্য বাড়ি থেকে প্রতিদিন টিফিন যেতো। তিনি তাঁর টিফিনের খাবারকে ৫ ভাগে ভাগ করতেন।
তিনি ছিলেন স্বল্প আহারী। খাবার খেতেন খুবই কম। টিফিনের কিছু অংশ নিজে খেতেন।
কিছু অংশ মহল্লার বাচ্চাদেরকে ডেকে এনে বিতরণ করতেন।
মাংসের অবশিষ্ট অংশ বিড়ালের জন্য দেয়ালের ওপর একটি জায়গায় রেখে দিতেন।
রুটি টুকরো করে পাখিদের জন্য রাখতেন।
দস্তরখানের খাবারের ঝোল, টুকরোগুলো ঝাড়তেন এমন এক জায়গায় নিয়ে, যেখানে পিঁপড়া আছে।
একজন মানুষেরই খাবার। অথচ সেখান থেকে কতো মানুষ, কতো প্রাণী উপকৃত হতো!
সেই আলেমের নাম আসগার হুসাইন রাহিমাহুল্লাহ। তিনি দেওবন্দে ‘মিয়াঁ সাহেব’ নামে পরিচিত ছিলেন।
তথ্যসূত্র:
আল্লামা তাকি উসমানী, স্মৃতি আয়নায় আকাবিরে দেওবন্দ, পৃষ্ঠা ৯২।
~আরিফুল ইসলাম
মুমিনের দেশ হলো তিনটি।
শারীরিক দেশ হলো- যেখানে সে জন্মগ্রহণ করে, বসবাস করে।
ঈমানী দেশ হলো- মদীনা; যেখানে সে ঈমানের নুর লাভ করেছে।
আর আধ্যাত্মিক দেশ হলো- জান্নাত; রূহজগতে যার নিবাস ছিলো, ঘুরেফিরে সেখানেই সে ফিরে যাবে।
- আল্লামা শাব্বির আহমদ উসমানী (রাহিমাহুল্লাহ)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সপ্তম হিজরীতে যখন মক্কাতে উমরা করতে যান তখন আব্দুল্লাহ ইবনু আমিরকে তাঁর সামনে আনা হলো। তারপর রাসূলুল্লাহ তার তাহনিক (খেজুর চিবিয়ে সেটার চর্বিত অংশ শিশুর মুখে দেয়া) করেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মুখে থুথু ছিটিয়ে দেন। শিশু আব্দুল্লাহ সেউ থুথু চাটতে লাগলেন। এটা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এই শিশু পরিতৃপ্তকারী হবে।”
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দু’আর বরকতে দেখা যায় যে, তিনি যেখানেই খনন করতেন সেখান থেকেই পানি বের হয়ে আসতো।
এই আব্দুল্লাহ ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন এক সাহসী সাহাবি। ২৯ হিজরীতে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর শাসনামলে তিনি বসরা শহরের গভর্নর ছিলেন। এরপর থেকে তার হাতে একে একে রাজ্য জয় হতে লাগলো। বসরার আশেপাশের দেশ ইরান এর আশেপাশের রাজ্যগুলো তথা ইসতাখির, জওর, তারপর একে একেকারবান, মাইশজান, কারমান সবগুলো জয় করে দখল নিয়ে ইসলামি শাসন প্রতিষ্টা করেন।
এরপর ৩০ হিজরীতে তিনি খোরাসান বর্তমান আফগানিস্তান বিজয় করেন এবং সিজিখিস্তান জয় করে সন্ধি করতে বাধ্য করেন সাথে সাথে নিশাপুর ও জয় করে নেন। তারপর মরু, তুস, বলখ ও কাবুল (বর্তমান আফগানিস্তানের রাজধানী) বিজয় করেন। এ ছাড়া ও তিনি সারা আরবে বিশেষ করে কুরাইশদের মধ্যে দানশীল ব্যক্তি হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন।
তথ্যসূত্র:
১। ড. আলি মুহাম্মদ সাল্লাবী, উসমান ইবনে আফফান, পৃষ্ঠা ৪৩০
২। ইমাম আয-যাহাবী, সিয়ারু আলামিন নুবালা: ৩/৯১
৩। ইমাম ইবনুল আসীর, উসুদুল গাবা: ১/১৯১, ফুতুহুল বুলদান: ৪১০
~আরিফুল ইসলাম
🎯 নিজের চিকিৎসা নিজেই করুন!
আমাদের দেশে একটি কথা প্রচলিত আছে- "কেউ কারো ভালো চায় না!"
🟥 আপনি পড়ালেখা, ব্যবসায় ভালো করছেন, আপনি দাম্পত্য জীবনে অনেক সুখী। কিন্তু, আপনার এই সুখ অনেকেই সহ্য করতে পারে না। শত্রুরা যেমন পারে না, তেমনি কাছের মানুষও চায় না আপনি সফল হন, সুখী হন।
ফলে, তারা আপনাকে টেনে নামানোর জন্য উঠেপড়ে লাগে। এমনকি যাদু পর্যন্ত করে।
আমাদের দেশে অনেক মা ছেলের বিয়ের পর মনে করেন ছেলে পর হয়ে গেছে। ছেলে বউয়ের কথা শুনে। এজন্য মা আপন ছেলে বা পুত্রবধূর ওপর যাদু করেন যাতে স্ত্রীর প্রতি ছেলের ভালোবাসা কমে যায়!
যাদু কতো ভয়ংকর অনেকেই বুঝতে পারেন না।
অনেকের শারীরিক সমস্যা, মানসিক সমস্যা, আর্থিক সমস্যার কারণ হলো এই যাদু!
🔴 সাহাবী থেকে শুরু করে মুসলিম ইতিহাসের অনেক নেককার মানুষের ওপর যুগে যুগে যাদু করা হয়েছে।
🟩 জিন, যাদু, বদনজর এসব থেকে বাঁচার চিকিৎসা আছে। অনেকেই কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সেই চিকিৎসা না জেনে যাদুকরের কাছে গিয়ে কুফরি তাবিজ ব্যবহার করেন!
🟥 অথচ এই ব্যাপারে জানলে জানলে আপনি নিজেই নিজের চিকিৎসা করতে পারতেন।
Need আয়োজিত 'জিন, যাদু, বদনজরের চিকিৎসা' কোর্সে রেজিস্ট্রেশন করলে পাবেন:
✅ ৬ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের মোট ৫টি ক্লাস
✅ প্রায় ৫০০ পৃষ্ঠার মোট চারটি পিডিএফ
PDF গুলো হলো:
১. জিনের বাস্তবতা
২. যাদুর বাস্তবতা
৩. মুসলিম ইতিহাসে জিন, যাদু ও বদনজরের গল্প
৪. জিন, যাদু ও বদনজর থেকে আত্মরক্ষার উপায়
🟧 কোর্সটির রেজিস্ট্রেশন ফি ৮০০ টাকা।
🕙 সীমিত সময়ের অফারে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন মাত্র ১৯০ টাকায়।
📎 রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক ও কোর্সের ডিটেইলস বিস্তারিত কমেন্ট 👇
বাংলা: কিছু মনে করবেন না, আপনার ফোন নাম্বারটা দেয়া যাবে?
আরবি: লাও সামাহতা, উরিদু রাক্বমা জাওয়ালাতিকা
বাংলা: ভাড়া কত?
আরবি: কামিল উজরাতু?
বাংলা: খেজুরের কেজি কতো?
আরবি: কাম সি'রু কিলুত তামর?
বাংলা: দাম কিছুটা কম রাখা যায় না?
আরবি: আ লা ইউমকিনু তাখফিদুস সি'র ক্বালিলান?
বাংলা: জায়নামাজ আছে?
আরবি: হাল ইউজাদু সাজ্জাদাতুস সালাত?
বাংলা: আতর কিনতে চাচ্ছি
আরবি: উরিদু শিরা_আ ইতরিন।
~নিড-Need
৫টি জিনিস সাফল্যের লক্ষণ
১) স্বামী-স্ত্রীর মন-মানসিকতা এক হওয়া
২) সন্তানসন্ততি নেককার হওয়া
৩) ভাই-বন্ধু নেককার হওয়া
৪) প্রতিবেশী সৎকর্মশীল হওয়া
৫) নিজ শহরেই রোজগারের ব্যবস্থা হয়ে যাওয়া
~আলি (রাদ্বি.)
মদীনার বাজারে এক সাহাবী খেজুর বিক্রি করছেন। অসম্ভব রূপবতী এক মহিলা তাঁর কাছে খেজুর কিনতে আসলেন। মহিলা বললেন, "আমাকে ভালো কিছু খেজুর দিন?"
- এখানে যা আছে, সেগুলো ভালো খেজুর। তবে এরচেয়ে ভালো খেজুর আমার ঘরে আছে।
- তাই? ঘরের খেজুরই আমাকে দিন।
- তাহলে তো আপনাকে আমার সাথে ঘরে যেতে হবে।
- আচ্ছা, চলুন।
রূপবতী মহিলা ভালো খেজুর কেনার জন্য সাহাবীর ঘরে গেলেন। কিন্তু, সাহাবীর মনে অন্য চিন্তা ছিলো। মহিলা ঘরে ঢুকলেন। He hugged her and kissed her!
কাজটি করার পর সাহাবীর সংবিৎ ফিরলো। 'এ আমি কী করলাম? একজন মহিলার সাথে আমি এ কী আচরণ করলাম?' মুহূর্তের মধ্যে তিনি অনুতপ্ত হলেন, কী করবেন ভেবে পাচ্ছেন না। এত্তো বড়ো পাপের মাশুল কিভাবে দিবেন?
তিনি গেলেন আল্লাহর বিধানের বেলায় সবচেয়ে কঠোর উমরের (রাদিআল্লাহু আনহু) কাছে। উমর (রা:) তাঁকে শাস্তি না দিয়ে বললেন আবু বকরের (রাদিআল্লাহু আনহু) কাছে যাও। আবু বকরও (রা:) তাঁকে শাস্তি দিলেন না, বললেন নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে যাও।
এতো বড়ো পাপ তিনি করলেন, পাপমোচন কিভাবে করবেন? এই পাপের জন্য তিনি অনুতাপে দগ্ধ। তাঁর মনের মধ্যে অস্থিরতা কাজ করছে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তাঁর বান্দার মনের অস্থিরতা দূর করলেন। তিনি কুরআনের একটি আয়াত নাযিল করলেন।
"নিশ্চয়ই ভালো কাজ মন্দ কাজকে মিটিয়ে দেয়।" [সূরা হূদ- ১১:১১৪]
সাহবী নবিজীকে জিজ্ঞেস করলেন, "আয়াতটি কি শুধু আমার জন্য?" নবিজী বললেন, "না, আমার সমস্ত উম্মতের জন্য।" [সহীহ বুখারী: ৪৬৮৭, মুসনাদে আহমাদ: ২/২৪৫]
..
সাহাবীরা উম্মতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। তাঁরা এই কারণে সর্বশ্রেষ্ঠ নন যে, তারা পাপ করেননি, নিষ্পাপ ছিলেন। তাঁরাও পাপ করেছেন, কিন্তু পাপকে আঁকড়ে ধরেননি, অনুতপ্ত হয়েছেন, তাওবা করে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করেছেন।
আমরাও পাপ করি, তাঁরাও পাপ করতেন। আমরা পাপ করে পাপকে আঁকড়ে ধরে থাকি, অনুতপ্ত হই না, প্রত্যাবর্তন করতে লজ্জা পাই। আর তাঁরা কোনো পাপ করলে সাথে সাথে টেনশনে পড়ে যেতেন, কিভাবে পাপমোচন করা যায় সেই চিন্তায় অস্থির থাকতেন।
..
আমরা পাপের সাগরে ডুবে আছি। শয়তান আমাদেরকে বুঝাচ্ছে- 'ডুব যখন দিয়েছো, আরো ডুব দাও, সাগর থেকে উঠলে তো ভেজা থাকবে।' অর্থাৎ, ভালো কাজ করে কী করবে? তুমি তো অনেক পাপ করছো।
কিন্তু, আল্লাহ ঐ আয়াতে আমাদেরকে যেনো মোটিভেশন দিচ্ছেন- পাপ করছো? তাওবা করো। পূণ্য করো, পাপ তো আমি মুছেই দেবো।
..
নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: "পাপের পরপরই পূণ্য করো, এতে করে পাপমোচন হবে।" [জামে আত-তিরমিজি: ১৯৮৭]
..
বুঝলাম, পাপ করেছি, পাপমোচনের জন্য পূণ্য করবো। কিন্তু কোন আমলটা করবো? নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটাও শিখিয়ে দিয়েছেন।
"যে ব্যক্তি আমার মতো অজু করে দুই রাকআত নামাজ পড়বে (যাতে দুনিয়াবি চিন্তা থাকবে না), তার পূর্বের সমস্ত পাপ ক্ষমা করা হবে।" [সহীহ বুখারী: ১৫৯]
..
জুমু'আ উপলক্ষে তো আজ শারিরীক গোসল করলাম, শরীরের ময়লামোচন করলাম। আসুন না, একটু অন্তরের ময়লামোচন করি, পাপমোচনের জন্য একটু চেষ্টা করি।
---
|| পাপমোচন ||
- আরিফুল ইসলাম
আজ থেকে শুরু হিজরি নববর্ষ।
আপনি কি জানেন হিজরী ক্যালেন্ডার কীভাবে চালু হয়?
ইসলাম-পূর্ব আরবের নিজস্ব কোনো ক্যালেন্ডার ছিলো না। কিন্তু, তারা দিন-মাসের হিশাব রাখতো। দিন-মাসের হিশাব ছিলো চাঁদের সাথে সম্পর্কিত। তারা বছরের হিশাব করতো কোনো গুরুত্বপূর্ণ একটি বছরের ঘটনার মাধ্যমে।
যেমন, আমাদের বাপ-দাদাদের অনেকের কাছে কারো জন্মসাল জিজ্ঞেস করলে তারা কিন্তু ১৯৬০/১৯৭৩ এরকম কিছু বলেন না। তারা বলেন এভাবে- “সংগ্রামের বছর তার জন্ম/সংগ্রামের ২ বছর পর তার জন্ম/মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার বয়স ২ বছর ছিলো’’ ইত্যাদি।
অর্থাৎ, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে ধরে তারা সাল গণনা করেন, যে ঘটনা মোটামুটি কমন।
আরবরাও এমনটি করতো। তারা কোনো বড়ো একটি ঘটনাকে ধরে সাধারণত বছর গণনা করতো। যে কারণে সীরাতগ্রন্থে দেখতে পাবেন যে, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্মের বছর বলতে বলা হয় ‘হাতির বছর’। অর্থাৎ, যে বছর আবরাহা হাতি নিয়ে কাবা ঘর আক্রমণ করতে এসেছিলো।
রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময়ও আরব তথা মুসলিমদের স্বতন্ত্র কোনো ক্যালেন্ডার ছিলো না। তখন সাল বুঝানো হতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মাধ্যমে। যেমন: নবুওয়্যাতের দ্বিতীয় বছর, নবুওয়্যাতের দশম বছর ইত্যাদি; তবে মাসের গণনা ছিলো।
আরবের কাছে চারটি মাস ছিলো ‘হারাম মাস’। এই চার মাসে যুদ্ধ করা ঐতিহ্যগতভাবে ‘হারাম’ ছিলো। পবিত্র কুরআনে এই সম্পর্কে বলা আছে:
“তারা তোমাকে হারাম মাস সম্পর্কে, তাতে লড়াই করা বিষয়ে জিজ্ঞেস করে...।” [সূরা বাকারা ২:২১৭]
উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তখন মুসলিম বিশ্বের খলিফা। তাঁর কাছে একটি ডকুমেন্ট আসে, যে ডকুমেন্টে মাস লিখা ছিলো শাবান মাস। উমর (রাদি:) জানতে চাইলেন, এটা কোন শাবান মাস? গতো বছরের? এই বছরের? নাকি আগামী বছরের?
সাহাবীদেরকে নিয়ে তিনি মিটিং-এ বসলেন। একটি ক্যালেন্ডার নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলেন। কিন্তু, কোন ক্যালেন্ডারের অনুসরণ করবেন? তখনকার সময়ের প্রস্তাবিত ক্যালেন্ডার ছিলো দুটো:
👉 রোমান ক্যালেন্ডার
👉 পারসিয়ান ক্যালেন্ডার
এই দুটো ক্যালেন্ডারের কিছু সমস্যা ছিলো। রোমান ক্যালেন্ডার অনেক বিস্তৃত, সেই জুলকারনাইন থেকে যার সাল গণনা শুরু। আর পারসিয়ান ক্যালেন্ডারটি সম্রাট পরিবর্তনের সাথে সাথে বদলে যায়। সাহাবীরা তখন একটি স্বতন্ত্র ক্যালেন্ডার প্রণয়নের চিন্তা করলেন। [১]
এখন প্রশ্ন হলো কোন বছরকে ‘প্রাইম’ ধরা হবে? সাহাবীগণ উমরকে (রাদি:) চারটি পরামর্শ দেন।
👉 যে বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্মগ্রহণ করেছেন।
👉 যে বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়্যাত পেয়েছেন।
👉 যে বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরত করেছেন।
👉 যে বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তেকাল করেছেন।
সাহাবীরা দেখলেন যে, কোন বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্মগ্রহণ করেছেন, আর কোন বছর তিনি নবুওয়্যাত লাভ করছেন সেটাকে ‘প্রাইম’ ধরে হিশাব করাটা সহজসাধ্য হবে না (সেই ইভেন্টগুলো ছিলো অনেক দূরের)। অন্যদিকে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তেকালের বছরটি বিষাদের বছর। এরকম বিষাদের বছরকে ধরে ক্যালেন্ডার বানানোর ক্ষেত্রে সবাই একমত নন। থেকে গেলো শুধু রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরতের বছর।
সাহল ইবনু সা’দ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন:
“লোকেরা বছর গণনায় নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়্যাত প্রাপ্তির দিন থেকে করেনি, তাঁর ইন্তেকালের দিন থেকেও করেনি; বরং তাঁর মদীনায় হিজরত হতে বছর গণনা শুরু করে।” [সহীহ বুখারী: ৩৯৩৪]
রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরতের বছর থেকেই যে সাল গণনা শুরু হবে, এই প্রস্তাবটি দেন আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)। উমর (রাদি:) আলীর (রাদি:) প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন। তাঁর খিলাফতের দ্বিতীয় বছরেই এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়। [২]
ইসলাম-পূর্ব এবং ইসলাম-পরবর্তী মাসের নাম একই ছিলো। অর্থাৎ, উমর (রাদি:) যখন হিজরী সাল প্রবর্তন করেন, তখন মাসের নাম আগেরগুলোই ছিলো। এই মতটি আল-বিরুনী এবং আল-মাস’উদীর। [৩]
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরত করেন সফর-রবিউল আউয়াল মাসে। তবে, ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস হিশেবে রাখা হয় মহররম মাসকে। মহররমকে ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস রাখার প্রস্তাব দেন উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু)।
রবিউল আউয়ালকে বছরের প্রথম মাস না রেখে মহররমকে কেনো রাখা হলো? ইবনে হাজার আসক্বালানী (রাহিমাহুল্লাহ) সেটার একটি ব্যাখ্যা দেন।
হিজরতের রাস্তা উন্মুক্ত করে আকাবার দ্বিতীয় শপথ। সেটি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো যিলহজ্জ্ব মাসে। যিলহজ্জ্ব মাসের পরবর্তী মাস, অর্থাৎ নতুন মাস হলো মহররম মাস। সেজন্য মহররম মাসকে ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস হিশেবে নেওয়া হয়। [৪]
রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যালেন্ডারের গণনা করা হয়েছিলো বলে ক্যালেন্ডারটি ‘হিজরী ক্যালেন্ডার’/’হিজরী সাল’ নামে পরিচিত। বর্তমান (২০২২) হিজরী সাল হলো ১৪৪৪।
রেফারেন্স:
১। Mahd as-Sawab: 1/316.
২। Tareekh Al-Islam, Ad-Dhahabi, page 163.
৩। F.C. De Blois, "TA’RĪKH": I.1.iv. "Pre-Islamic and agricultural calendars of the Arabian peninsula", The Encyclopaedia of Islam, 2nd edition, X:260.
৪। Fath al-Bari: 7/268.
~ নিড- Need
ছোটবেলায় বাবা-মায়ের হাতে দুই-চারটা পিটান খাওয়াটা নরমালি নেন, নিজের পোলাপানকে দেন।
কারো কাছে হালকা-পাতলা মাইর খেলে রিএক্ট কম করেন। বড়রা যেন কিছুটা শাসন করতে পারে সে স্পেইস রাখেন।
উস্তাদের কাছে দুই-চারটা বাড়ি খাওয়া নরমালি নেন, পোলাপান অভিযোগ করলে এমনভাবে বলেন যেন বোঝে 'আচ্ছা, এইটা তাইলে হইতেই পারে'।
বাচ্চা যা চায়, সব দিয়ে তারে অসহনশীল বানায়েন না। দশটা চাওয়ার মধ্যে ৬টা পূরণ করেন, ৪টা বাদ দেন। সামর্থ্য থাকলেও বাদ দেন। সে বুঝুক, 'সব না পাওয়া নরমাল।' সে যেন চাওয়ার আগে কনফিউশনে থাকে, দিতেও পারে, নাও দিতে পারে। এরপর যখন আপনি না করবেন, সে তেমন ধাক্কা খাবে না। কারণ, সে আগ থেকেই আধামাধা প্রস্তুত 'না' শোনার জন্য।
কিছু অর্জন করতে চাইলে তারে নিজেরে করে নিতে বলেন। অসংখ্য সাহায্যকারী থাকলেও তাদেরকে সরিয়ে রাখেন। নিজেরটা নিজে করুক। নিজের উপর নির্ভরশীল হোক। যেন বোঝে 'আমি একাই টিকে থাকতে পারবো ইন শা আল্লাহ'
শুধু খোঁটা দিয়েন না, বদদোয়া দিয়েন না, প্রতিহিংসাসুলভ আচরণ কইরেন না। খোঁটা আর বদদোয়া শক্ত করে না, দুর্বল করে দেয়। জিদ কমায় না, মন্দ দিকে ঝোঁক তুলে দেয়। যখন সে অন্য কোন দিক থেকে ভেঙ্গে আসে - সেটা বন্ধুত্ব হোক বা পড়াশোনা বা অন্যকিছু - সেই সময়ে তারে কোমল আশ্রয় দেন। তখন যেন সে বোঝে, যতই তার প্রতি আপনি কঠিন হোন না কেন, আপনিই তার আপন।
সুইসাইডের প্রবণতা অসম্ভব আকারে বেড়েছে, সন্তান সেইদিকে ঝোঁকার আগে তারে এতটা শক্ত বানান যেন সবকিছুকে স্বাভাবিকভাবে নিতে শেখে। কঠিন দুনিয়ায় পা রাখার আগে তার পা যেন টিকে থাকার মত শক্ত হয়।
আল্লাহ তাওফীক দেন।
~farseem
03/07/2024
🔴 আপনি কি সত্যিই আপনার পরিবারকে ভালোবাসেন?
প্রশ্নটি শুনে একটু ঘাবড়ে যেতে পারেন। এ কেমন কথা? কিন্তু, পুরো লেখাটি পড়লে বুঝতে পারবেন এটা শুধু আপনিই না, বেশিরভাগই এই ব্যাপারে সচেতন না।
আমরা নিজেদের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখার জন্য বাড়ি নির্মাণ করি বা ভালো জায়গায় বাসা নিই। সেখানে যেন কেউ ঢুকতে না পারে এজন্য গেইট নির্মাণ করি, তালা দিই। এসবের পরও আমরা মূল দরজা রাখি, দরজা বন্ধ করে রাখি। নিজেদের বেডরুমেও দরজা বন্ধ করে ঘুমাই।
দৃশ্যমান শত্রু (চোর, ডাকাত) থেকে বাঁচার জন্য আমরা অনেককিছু করি। কিন্তু, অদৃশ্য শত্রু থেকে নিজে বাঁচতে, পরিবারকে বাঁচাতে আমরা তেমন কোনো ব্যবস্থাই নিই না। সবাই এই ব্যাপারে গাফেল!
🟥 মানুষের অদৃশ্য শত্রু হলো জিন। এই জিনের সাহায্যে মানুষকে যাদু করা হয়!
আপনার ঘরের তালা ভেঙ্গে চোর ঢুকার সাহস করবে না। কিন্তু, যতোই তালা ব্যবহার করুন না কেনো, এগুলোর মাধ্যমে আপনি জিন-শয়তানকে আটকাতে পারবেন না!
আপনি বাসা পরিবর্তন করে নতুন বাসা নেবার পর কখনো কি জিন থেকে প্রতিরক্ষার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়েছেন?
কয়েকদিন গ্রামের বাড়ি বা ট্যুর দেবার পর বাসায় ফিরে কি জিন থেকে আশ্রয়ের জন্য দুআ করেন? আপনার একা বাসায় এই কয়দিন তারা বসবাস করেনি এটা আপনি কীভাবে নিশ্চিত হবেন?
🔴 জিনরা সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করে নবজাতকের ওপর এবং গর্ভের সন্তানের ওপর!
অবুঝ সন্তান আপনাকে কিছুই বলতে পারে না। আপনি তার জন্য হয়তো ডায়পার কিনেন, আঘাত যেন না পায় এজন্য সচেতন থাকেন, সবসময় ডাক্তারের পরামর্শ নেন। কিন্তু, বাবা/মা হিসেবে আপনি কি সন্তানকে জিন, যাদু, বদনজর থেকে সুরক্ষিত রাখার ব্যাপারে চিন্তা করেছেন?
জিন, যাদু, বদনজরের ফলে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া-বিচ্ছেদ হয়, পারিবারিক অশান্তি তৈরি হয়, এমনকি বদনজরের কারণে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হয়!
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, "নিশ্চয়ই বদনজর মানুষকে কবরে প্রবিষ্ট করিয়ে দেয়!" (মুসনাদুশ শিহাব আল-কুযায়ি: ১০৫৭)
বদনজরের কারণে অনেক মানুষ মারা যায়।
ভুলবশত জিনকে ডিস্টার্ব করলে তারা আপনার ওপর, পরিবারের ওপর আক্রমণ করতে পারে। এরকম আক্রমণের শিকার হয়ে অনেকেই মারা গেছেন! এমনকি রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কয়েকজন সাহাবীকেও জিনরা হত্যা করে!
✅ এসব থেকে প্রতিরক্ষার জন্য কুরআন-হাদীসের আলোকে চিকিৎসা আছে, প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা আছে।
মানুষ এগুলো জানে না বলেই ভণ্ড কবিরাজের কাছে যায়, যারা শিরক-কুফরের মাধ্যমে চিকিৎসার নামে অপ-চিকিৎসা করে। এর ফলে আপনার শুধু টাকা অপচয়ই হবে না, একইসাথে আপনার ঈমান-আকিদারও সমস্যা হবে তাদের কথা বিশ্বাস করলে।
অথচ এসব বিষয়ে আপনার জানাশোনা থাকলে আপনি নিজের, নিজের পরিবারে সুরক্ষার জন্য কী কী করতে হয় সেটার আলোকে আমল করতে পারবেন।
আমরা শারীরিক সমস্যার First Aid সম্পর্কে সচেতন। গ্যাস্ট্রিক হলে কী ওষুধ খেতে হয়, সর্দি, কাশি হলে কী খেতে হয়, ব্লাড প্রেশার হাই-লো হলে কী করতে হয়।
🟣 কিন্তু, অদৃশ্য জগতের অনিষ্টতা থেকে রক্ষা পাবার জন্য আমরা সচেতন না।
অথচ এটা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, কুরআনের শেষ দুটো সূরাই (সূরা নাস-ফালাক) হলো এই বিষয়ে।
✅ কীভাবে জিন, যাদু, বদনজর থেকে বেঁচে থাকবেন, কীভাবে নিজের চিকিৎসা-প্রতিরক্ষা নিজেই করবেন এই নিয়ে নিড একটি কোর্সের আয়োজন করেছে।
🟩 ৮০০ টাকার কোর্সটি আমাদের রেফারেন্সে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন মাত্র ১৯০ টাকায়!
📍 রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক ও কোর্সের ডিটেইলস বিস্তারিত কমেন্ট 👇
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Address
Dhaka