ইস্ট ওয়েস্টে ‘রাজনীতি’ অযুহাতের বলির পাঠা – দায় কার ?
দায় খোজার আগে আসুন কিছুটা ফিরে তাকাই ।
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনি, মহাখালি ক্যাম্পাস। একমাত্র রিসার্চ বিল্ডিং বাদে আর বাকি ৪ টা বিল্ডিং এর ৯ টা লিফট কোন দিন অচল ছিলো , তা কেউ মনেও করতে পারবেনা । প্রায় প্রতিটা বিল্ডিং এ সেমিনার / রিডিং রুমের ফ্যাসিলিটি ছিলো । ভাড়া ক্যাম্পাস হলেও আমাদের ছিলো এডমিন বিল্ডিং ১০ তলার অডিটোরিয়াম এর অবাধ ব্যবহার । আর এসি ? কোন দিন ও এসি ছাড়া ক্লাস করেছি বলে মনে পড়েনা । ছিলো না শুধু কি ? ... নিজেদের ক্যাম্পাস ... চললো দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষা ... কবে আসবে নিজেদের সেই আরাধ্য ক্যাম্পাস ।
অবশেষে বহু কাউন্টডাউন এর পর এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষন ...
তাই কি ? নাকি নতুন স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা ... আসুন খুজে ফিরি সে কারন ...
নতুন ক্যাম্পাসের শুরু হলো ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ... বেশিরভাগ ফ্যাসিলীটি চালু ছাড়াই শুরু হলো ক্যাম্পাস , কোন রকম উৎসব মুখর শুরু ছাড়াই !!! লিফট , লাইব্রেরী , স্টাডি রুম , ল্যাব, প্রিন্টার, ক্যাফেটেরিয়া , ইনডোর গেমস, অডিটোরিয়াম , সেমিনার ... কিচ্ছু নাই ! ক্লাস রুমে কম্পিউটার , এসি ... নাই !! হিসাব করতাম আচ্ছা , নিজের ক্যাম্পাস ই তো !! হাজার হলেও এই হাজার শিক্ষার্থীর পিতা-মাতার শ্রমের একটা ফসল ই তো এই ক্যাম্পাস ! কিছুদিন মানিয়ে নেই !!
শুরু হলো মানিয়ে নেয়া ... সামারে শুরু হলো ক্লাস , গরমে অসহ্য হয়েও সয়ে যেতাম – আমরা আমরা ই তো !! প্রথম বছর ২০১২ কাটলো এই করেই ! ১৩ সালের সামারে এক বছর কেটে যাবার আবার হিসাব করলাম , সেমিস্টার ফী বাড়লো নতুন দের জন্য ... ফ্যাসিলিটি কি বাড়লো !! লাইব্রেরী বাধ্যতামূলক চালু করতে হয়েছে , তখনো ল্যাব চালু হয়নি ! আর বাকি গুলোর কোন খবর ই নাই !! বছর পার হবার পর যখন বাতাসের অভাবে শিক্ষার্থীরা অচেতন হওয়া শুরু করলো , তখন এডমিনের কাছে আবেদন করা হলো – ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ... ( আবেদন করা লাগবে কিজন্য ? কোন মনিটরিং সিস্টেম নাই , কিছু নাই , আবেদন করে ফ্যাসিলিটি নেয়া লাগবে !! সেমিস্টার ফি দিতে তো কোন আবেদন করা লাগেনা , তার বিনিময়ে প্রাপ্য ফ্যাসিলিটির জন্য আবেদন করা লাগে? )
আচ্ছা যাক , আবেদন এর ফল কি ? শূন্য !! কোন ফল না দেখে আবারো সাইনিং এর মাধ্যমে আবেদন করা হলো ... ফলাফল একই । কখনো কখনো বলা হয়েছে , তৃতীয় পক্ষের দূর্নীতির কথা ... ধৈর্য ধরে সহ্য করতে বলা হয়েছে ! কিন্তু সেমিস্টারের টাকা নেবার বেলায় এডমিনের ধৈর্য ধরার ইচ্ছা একদম ই নাই !! এই সকল আচরনের অর্থ ই হচ্ছে , জোর করে আন্দোলন করানো ... ইয়েস ! , আমাদের বাধ্য করা হয়েছে গ্রাউন্ডে নামাতে ! গ্রাউন্ডে আন্দোলনে নামলো শিক্ষার্থীরা ... এই আন্দোলনের দাবির সাথে একাত্ম হয়ে নিরুপায় ভিসি স্যার তক্ষনি ফ্যান কিনলেন প্রচুর ... যার ফলে পরবর্তীতে তাকে এডমিনের চক্ষুশূল হতে হয়েছে !! এমন কি ততকালীন প্রক্টর স্যার ও আমাদের সাথে দাবীর সাথে একাত্ম হলেন ... ভার্সিটি ১০ দিনের ছুটি দিলেন ভিসি স্যার ... পরিস্থতি থিতু হয়ে গেলো ...
পরে ছুটির পর ভার্সিটি শুরু হলো ... ফ্যান এর শব্দে কান ঝালাপালা- লেকচার কিছুই কানে আসেনা ... কিচ্ছু করার নাই !! সহ্য করতে হবে ... সিএসই’র জন্য ল্যাব চালু হলেও বাকি সব এখনো সুদূর পরাহত ... হেল্লো নামের নিম্নমানের কোম্পানি কে একচ্ছত্র ব্যবসার সুবিধা দেয়ায় তাঁরা নিম্নমানের খাবার কিন্তু উচ্চহারে দাম বসিয়ে ছাত্র নির্যাতন শুরু করলো ... খাবারে তেলাপোকা পাওয়া যায় , সেটাও নাকি খেয়ে ফেলতে হবে – ধৈর্য ধরা লাগবে !! এতদিনে আমরা শিখে গেছি আবেদন করতে আমরা খুব ই পারদর্শী হয়ে উঠেছি ! ... চলছে আবেদন --- ফলাফল কিন্তু সেই একই !! জড়ো হলো শিক্ষার্থীরা , বন্ধ হলো হেল্লো – নামক অত্যাচার ... শিক্ষার্থিদের বাধ্য করলো কারা তাহলে আন্দোলনে নামতে ?? যথাযথ মনিটরিং সিস্টেম না থাকাই কি এর কারন নয় ?
১৪ সাল এলো , বিশ্ববিদ্যালয় ২ বছর পেরিয়ে তৃতীয় বছরে পা দিলো ... এসি , লিফট নষ্ট!! অডিটরিয়াম , স্টাডি রুম , সেমিনার – এখনো নাই !! আমাদের স্কুলে ও যে অডিটরিয়াম , স্টাডি রুম ছিলো – ইস্ট ওয়েস্ট এ তা বসানোর ও জায়গা নাই , তা ও নাহয় মানলাম , কিন্তু তার অস্তিত্ত্বই বা কই !!! আবেদনের পর আবেদন চলছে – ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়েছে - ক্লাস বিকল হচ্ছে , এডমিনের কোন পদক্ষেপ নাই ! এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলনে নামবে সেটা এডমিন জানতো ই !! কিন্তু কোন পদক্ষেপ নাই কেনো !! উত্তর নাই ! গ্রাউন্ডে আবারো নামলো শিক্ষার্থীরা ।
এবার তাঁরা অসহ্য । প্রত্যেক বছর বছর এই আন্দোলন করে অধিকার আদায় তাদের পক্ষে সম্ভবপর নয় ... তাদের কেনো সাধারন শিক্ষার্থী হয়ে পড়াশোনা ছেড়ে আন্দোলন করে স্টাডি রুম আদায় করতে হবে !!! এসি লিফট এর দাবীর সাথে যুক্ত হলো – আরেকটি ন্যায্য দাবী – ছাত্র প্রতিনিধি ঠিক করে দিতে হবে যারা প্রতি বছর এই সব সমস্যা গুলো যথাযথ ভাবে চিহ্নিত করে এডমিন কে জানাবে । কোন নির্বাচন করে এই ছাত্র প্রতিনিধির দরকার নাই ! এডমিন নির্বাচন করে দিলেই চলবে ... ভিসি স্যার রাজী হলেন – যার প্রমান লিঙ্কে দেয়া আছে – শর্ত দিলেন সিজিপিএ সহ আরো কিছুর... উনার এই শর্ত প্রদান প্রমান করে আমাদের আন্দোলনের যথার্থতা , প্রমান করে যে সত্যি ই এই খানে যথাযথ মনিটরিং নাই , প্রমান করে ক্লাব কমিটি মেমবার দের পঙ্গুত্ব , যারা ছাত্রদের দাবী নিয়ে কথা বলতে কখনো ই এগোয়না !! এডমিন নিজেও বলতে পারবেন না কোন দিন যে , কোন ক্লাব প্রেসিডেন্ট এসে ভার্সিটির অবকাঠামোগত সমস্যা তুলে ধরে তার সমাধানের আবেদন জানিয়েছে – যেরকম টা হতো মহাখালি ক্যাম্পাসে নুসরাত স্যার দের সময় ...
যাহোক , এবার ও শিক্ষার্থীরা এই অসহ্য গরমে অসহায় হয়ে ক্লাস বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয় ... খেয়াল করুন , ক্যাম্পাস চালুর আড়াই বছরের মাথায় এসে ক্লাস বয়কট ... এমন লক্ষি শিক্ষার্থী সারা বাংলাদেশ ঘুরেও কোন ভিসি মহোদয় খুজে পাবেন না ... যাহোক – ক্লাস বয়কট শুরু হলো , সকাল ৮ টা থেকে শিক্ষার্থীরা গেইটের সামনে দাবী কাগজে লিখে নিয়ে জড়ো হলো ... নেমে এলেন এডমিন ... হুমকির মুখে সাধারন শিক্ষার্থীরা ক্লাসে প্রবেশ করে ... যেটার সাক্ষী হাজারো শিক্ষার্থী ...
এবার আসি মূল প্রসঙ্গে , এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ ? নাকি শুধু ছাত্র রাজনীতি ?? কারন এখানে এডমিন দের মাঝে রাজনীতি দেখা যায় , শিক্ষকদের মাঝেও রাজনীতি দেখা যায়, দলাদলি – মিটিং সব ই দেখা যায় , ছাত্র দের নিয়ে সব মহলেই চলে রাজনীতির খেলা ... সব হালাল, শুধু মাত্র হালাল নয় ছাত্রদের দাবী আদায়ের মুখ ... মুখ খুলতে গেলেই চিৎকার করে জানিয়ে দেয়া হয় – এইটা হারাম – কারন ইহার নাম ‘ছাত্র রাজনীতি ‘ !!!
সত্যি সেলুকাস !!
ক্লাস বয়কটের পর শুরু হলো আসল কুটনীতি, শুরুতে জানানো হলো – তেমন কিছুনা , শুধু ওয়ার্নিং দিয়ে ছেড়ে দেয়া হবে মূল দাবী তোলা কঠস্বর গুলোকে – যদিও তাঁরা কোন অপরাধ করেনি ! পাশাপাশি সাধারন শিক্ষার্থীদের ঠান্ডা করা হলো – এবার সত্যি প্রায় ঠিক করা হলো এসি – লিফট ! শুরু হলো ছয়জন ‘দাগী আসামীর’ বিচার । তিন জন শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে বাকি তিন জন কে বলির পাঠা বানানোর সিদ্ধান্ত হলো – এরা নাকি প্রায় ই ‘ডিস্টার্ব ‘ করে !! একেকজনের বিরুদ্ধে একেক চার্জ মন মত সাজিয়ে কোন সাক্ষী প্রমান ছাড়াই ডিসিপ্লিনারি মিটিং এ এক কথায় এদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আনা হলো – নাম মাত্র হিয়ারিং এ ‘শোনা’ হলো না কিছুই , চরম রাজনীতির বলি হলো – একেবারে সাধারন তিন শিক্ষার্থী ।
ফেসবুকে এর বিরুদ্ধে কথা বলায় ইস্ট ওয়েস্টের ভেরিফাইড পেইজ স্বীকৃতি প্রাপ্ত পেইজের সাইন তুলে দেয়া হলো এডমিন থেকে ফেসবুকে অথরাইজেশন দেখিয়ে রিপোর্ট করে ... !! আর কখনো ইস্ট ওয়েস্ট এই স্বীকৃতি নাও পেতে পারে !
এবার আপনি বিচার করুন – আসলে রাজনীতি করলো কারা, আসলে রাজনীতি চেয়েছিলো কি সাধারন শিক্ষার্থী রা ? কেনো তাদের কপালে একদম সাধারন অবকাঠামোগত সুবিধা জোটেনা ? ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের কথা বলতে গিয়ে ‘রাজনীতি করার ট্যাগ লাগিয়ে এডমিন নামের রাজনীতি বিদ রা কুটিনীতির চাল চেলে নিজ স্বার্থ হাসিলের খেলা খেলে যাচ্ছেন , আর এর সমর্থনে কিছু নগন্য শিক্ষক যোগ দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে চলেছেন ...
নিজের বিবেক কে জিজ্ঞেস করে দেখুন , ‘হেইট পলিটিক্স’ আদর্শের সাধারন শিক্ষার্থীরা যখন দাবী আদায়ে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয় , তখন আসলে রাজনীতি কারা করতে চায় ?
আমরা ক্যাম্পাসে রাজনীতি চাই না ,
চাই শুধু নিজেদের পাওনা অধিকার টুকু ...
আমাদের অধিকার নিশ্চিত করুন ...
শুধু এতটুকু চাওয়াতে ই তিন শিক্ষার্থীর অন্যায় বহিষ্কারাদেশ !
অবিলম্বে প্রত্যাহার করুন ...
East West University Old Campus (Mohakhali)
Rented old campus of East West University at Mohakhali. It was being operational from 1997 to Spring of 2012.
In the Summer-2012 East West University shifts it's campus to Aftabnagar, to it's permanent campus.We 'll miss our memorable old campus at Mohakhali.
Eid Mubarak to all EWUians!
24/07/2014
আন্দোলন করায় ইস্টওয়েস্টের ৩ ছাত্র বহিষ্কার! অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানের দাবিতে আন্দোলন করায় ৩ ছাত্রকে বহিষ্কার করেছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইস্টওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি’।লিফট, এয়ার কন্ডিশন এবং স্টাডি রুমের সংষ্কারের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিল বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্ররা।
08/05/2014
After a nail-biting battle for votes at the top of the table, voting for is officially closed. Congratulations to the Top 7 universities from contest!
We will be reaching out to the university authorities soon, stay tuned for details of the concerts. Thanks again to all the universities for an amazing contest, Shunno cannot wait to rock your campuses!
Amra abar pechone pore jachhi. Sobai vote korun. Public status din.
Keep voting till 12 am.
Although voting time is over, Robi is still taking votes for ! Isn't it rediculous?
BTW is the winner according to their rules (till 2nd May). But robi is not making an announcement.
Currently EWU is in the 1st position! Update your status with & hash tags till 2nd May. & don't forget to keep status available to public.
To vote for EWU simply update your Facebook status with and . Your status must be PUBLIC.
22/04/2014
‘ফ্ল্যাশ মব’ এর বিজয়ী ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনির্ভাসিটি এপ্রিলে শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে উৎসবমুখর ছিলো গোটা দেশ। সমান তালে মেতেছিলেন বিশ্ববাসীও। সঙ্গে ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘থিম সং’।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
43 Mohakhali C/A
Dhaka
1212