Saifan Sheikh Sahir-SSS

Saifan Sheikh Sahir-SSS I'm Saifan Sheikh Sahir-SSS. I'm a student. I'm 07 years old. My parents are doctor. I've one little sister who is only 1 year and 2 months old.

Her name is 'Sarina'. My maternal grand parents are teacher. Both they are retired.

05/07/2025
14/06/2025
"নাপিত ও ভুত"সাইফান শেখ সাহিরছাত্র, ২য় শ্রেণি, শাখা - মল্লিকা, রোল - ৩৮,  উদয়ন উচ্চ মা. বিদ্যালয় বয়স - ৭+ বাসা - ৩০, বি....
19/03/2025

"নাপিত ও ভুত"
সাইফান শেখ সাহির

ছাত্র, ২য় শ্রেণি, শাখা - মল্লিকা, রোল - ৩৮, উদয়ন উচ্চ মা. বিদ্যালয় বয়স - ৭+ বাসা - ৩০, বি.কে. গাঙ্গুলী রোড, লিফটের ০৩ তলা, কায়েতটুলী, ঢাকা - ১০০০,

এক ছিল নাপিত, তার নাম পাছো। গ্রামে গ্রামে চুল কেটে তার জীবন কোনো রকমে চলতো। একদিন হলো কি চুল কাটার জন্য বলতে বলতে যাচ্ছিল >>> চুল কাটালে এক আনা >> দাড়ি কাটালে দুই আনা। একসাথে দুইটা করলে মালিশ বিনামূল্যে। এটি বলতে বলতে যেতে যেতে এক লোক ওকে ডাকে। তারপর ও ডাকের জবাব দিয়ে বলে যে > কি করাতে হবে? ও বলে আমার টিকিটা না কেটে আমার চুলটা একটু ন্যাড়া করে দাও তো। নাপিত বলে ঠিক আছে। তো যেই বলা, সেই কাজ।

নাপিত যখন চুল ন্যাড়া করছিল তখন একটা ছোট্ট মাছি ওকে বিরক্ত করছিল। মাছিকে তাড়ানোর দিকে মনোযোগ পড়লে ও তার টিকিটা কেটে ফেলল। এখন হলো সর্বনাশ। ওই লোক নাপিতকে তাড়া করল। নাপিত কোনরকমে একটা লম্বা তাল গাছে উঠে গেল। লোকটা অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে। আর অপেক্ষা করতে না পেরে তাল গাছের মধ্যে পা দিয়ে দুইটা লাথি মারলো। তারপর লোকটি চলে গেল ওর বাসায়।

ইতোমধ্যে নাপিত তাল গাছ থেকে নেমে চলে গেল অন্য জায়গায়। এইবার যাওয়ার পথে ওকে একটা মন্ত্রী ডাকলো। বলল আমার দাড়িটা একটু কেটে দাও তো। নাপিত বলে যেমন বলেন হুজুর। তারপর নাপিত শুরু করে দিল দাড়ি কামানো। দাড়ি কামাতে কামাতে ভুল করে ওর দাঁড়ির দুইপাশটাও কেটে ফেলল। এখন শুরু হয়েছে আরও একটি গন্ডগোল। এখনই মন্ত্রী নাপিত কে আবারও তাড়া করেছে। ভাগ্য ভালো দেখে মন্ত্রীটি একটি পাথরের সাথে উসটা খে পড়ে যায় এবং নাপিত চলে যায়। যেতে যেতে একজন লোক তাকে বলে আরে তুমি ভূষণ্ডির জঙ্গলের দিকে কেন যাচ্ছ? তোমার কি প্রাণের মায়া নেই?

নাপিত বলে আর কি প্রাণের মায়া জীবনে দুমুঠো খেতে পারি না তাও আবার প্রাণ। যাও ভূষণডের জঙ্গলে আর গিয়ে ভূতেদের চুল কাটো বললো ঐ লোকটি। এখন নাপিত জবাব দেয় দেখি ভূষণডের জঙ্গলে গিয়ে কি পাই। যেতে যেতে বলে প্রাণের মায়া! জীবনে দু মুঠো যদি আমি খেতেই না পারি এ নিয়ে মায়ার কি সম্পর্ক? এর চেয়ে ভালো ভূসুন্ডি জঙ্গলে গিয়ে বসে থাকি।

কপালে যা ভুত আছে আমাকে ধরুক তাতে আমার কি। ওদিক দিয়ে ভূষণ্ডির জঙ্গলের মধ্যে একটি বটগাছের ডালের মধ্যে বিটু নামে একটি ভূত মানুষ খাবার অপেক্ষায় বসেছিল। পাছোকে দেখে মন অনেক আনন্দে ভরে যায় ভূতের। কারণ আজকেও মানুষের হালুয়া খাবে। কিন্তু যখন পাচু নাপিত বটগাছের নিচে বসে তখন বিটু ওর সামনে আসে।

নাপিত ভূতকে দেখে ভয় পুরা শেষ হয়ে গেছে। তখন ভূত বলে কতদিন ধরে মানুষের হালুয়া খাই না, আজকে তোকেই খাবো। তখন নাপিতের মাথায় একটা বুদ্ধি আসে। ও তার ঝোলা থেকে তার আয়নাটি বের করে। ভূত ভাবে যে, এই আয়নার মধ্যে ভূত বন্দি করে রাখে। এবার নাপিতের বদলে ভূত ভয়ে শেষ।

ভুত এখন নাপিতকে বললে যে আমাকে আটকাবেন না। আপনি যা চাইবেন আমি আপনাকে তাই করে দিব। নাপিত বলে আমাকে এক বস্তা মোহর এনে দে। তখন ভূত বলে যো আজ্ঞা হুজুর আপনি মোহর চেয়েছেন এখনি মোহর এনে দিচ্ছি। তারপর ওকে এক বস্তা মোহর এনে দেয় ভূত।

তারপর নাপিত বলে মোহর এনে দিয়েছিস, এখন আমাকে ঘরে নিয়ে যা। তখন বলল হুজুর আপনি আমার কাঁধে উঠুন এক্ষুনি নিয়ে যাচ্ছি। তখন ভূত ওকে বাসায় পৌঁছে দেয়। তারপর বলে কালকের মধ্যে এখানে একটি পাকা বাড়ি এবং একটি ধানের গোলা করে দিবি। তখন ভূত বলে যো আজ্ঞা, হুজুর । কালকে দুইটাই হয়ে যায়। পাকা বাড়ি ও ধানের গোলা।

একদিন বিটু তার চাচাকে সব কথা বলে। তখন চাচা ওকে অনেক বকা দেয়। ওরা কাল রাতে দুইজনেই নাপিতের বাসায় যায়। তারপর নাপিত সব জানালা থেকে দেখে ফেলে। নাপিত তার আয়নাটাকে নিয়ে আসে। তারপর ও বিটুর চাচাকে বলে এই দেখ, আয়না। এখন আমি তোকে বন্দি করব। তখন চাচা বলে আমাকে মাফ করে দিন। আমি আপনাকে আরো একটা ধানের গোলা বানিয়ে দিব। তারপর থেকে ও তার স্ত্রী এবং তার দুইটি ধানের গোলা এবং পাকা বাড়ি নিয়ে এবং তার মোহর নিয়ে সুখে শান্তিতে ঘর সংসার করতে লাগে।

আমার গল্প এখানেই শেষ।

"তিন বোকা লোকের গল্প"  সাইফান শেখ সাহির ছাত্র, ২য় শ্রেণি, শাখা - মল্লিকা, রোল - ৩৮,  উদয়ন উচ্চ মা. বিদ্যালয় বয়স - ৭+ বাস...
19/03/2025

"তিন বোকা লোকের গল্প"
সাইফান শেখ সাহির

ছাত্র, ২য় শ্রেণি, শাখা - মল্লিকা, রোল - ৩৮, উদয়ন উচ্চ মা. বিদ্যালয় বয়স - ৭+ বাসা - ৩০, বি.কে. গাঙ্গুলী রোড, লিফটের ০৩ তলা, কায়েতটুলী, ঢাকা - ১০০০,

গল্প শুরু :

একদিন এক জায়গায় দুইজন লোক একত্রিত হলো। দুইজন দুইজনকে দেখে শুরু করে দিল মরণের গল্প। কথা বলতে বলতে হঠাৎ ওদের মধ্যে ঝগড়া লেগে যায়। ঝগড়াটিতে একজন বলে আমি মরলে আমি জান্নাতে যাব, তুমি জাহান্নামে যাবে।

একজনের নাম ছিল লাল্লু। আরেকজন বললেন না এটা হবে না আমি জান্নাতে যাব তুমি জাহান্নামে যাবে আর ওর নাম ছিল বল্টু। এদের ঝগড়ার ভিতর কখন যেন আরও একটা লোক চলে আসে। এখন শুরু হয়েছে সবচেয়ে বড় ঝগড়া।

তৃতীয় লোকটা বলে আরে তোমরা তো জাহান্নামে যাবে, আমি তো জান্নাতে যাবো। তিন লোকের ঝগড়া বাড়তে বাড়তে হঠাৎ একজনের মাথায় একটা বুদ্ধি আসে। তখন ও বলে চলো আমরা একটা কাজ করি আমরা নিজেরাই আত্মহত্যা করে মারা যাই। তারপর গিয়ে দেখি আমাদের ভাগ্যে কি আছে।

আসলে ওরা তিন জনই ছিল বোকার বোকা। এখন হতে যাচ্ছে সবচেয়ে বড় সর্বনাশ। এখন ওরা তিনজনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওরা আত্মহত্যা করবেই করবে। আয় হায়! এখন ওরা তিন জনেই মারা গেল।

আমার গল্প এখানেই শেষ।

08/03/2025

বন্ধুরা আমি ইতোমধ্যে কয়েকটি বন্দুক উপহার পেয়েছে। সেগুলো আপনাদেরকে না দেখালে কেমন হয়। মনটা খুব আনচান করছিলো। ইতোমধ্যে নানা ভাই বাসায় এসে পড়ল। তাই নানা ভাইকে অনুরোধ করে একটা ভিডিও করলাম। আমার নানাভাইকে কিন্তু আপনারা চেনেন। প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলমের কথা বলছি। চেষ্টা করে দেখুন আমার ভিডিওটি আপনাদের ভালো লাগতেও পারে। সবাইকে অজস্র ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

Address

5 No Road
Dhaka
1230

Telephone

+8801670045381

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saifan Sheikh Sahir-SSS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Saifan Sheikh Sahir-SSS:

Shortcuts

Share