Allahuakbar
Mishmash
সম্পদ মৃত্যু পর্যন্ত !😢
👉পরিবার কবর পর্যন্ত ۔۔😢
👉আর নেক আমল জান্নাত পর্যন্ত ❤💞🌸
রা|ফা|হ আর নেই। পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে রা|ফা|হ।
অল্প সময়ের মধ্যে গা.জাও নিঃশব্দে মিলিয়ে যাচ্ছে দুনিয়ার মানচিত্র থেকে।
একটি একটি করে আলো নিভে যাচ্ছে, একটি একটি করে নিঃশ্বাস থেমে যাচ্ছে।
আমরা বাঁচার আর্তনাদ পাঠালেও — পৃথিবী কানে দেয়নি।
"আপনারা আমাদের কেবল জান্নাতে খুঁজে পাবেন।
বিদায়! হে ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর উম্মত..."
— গা.জা থেকে ফেসবুকে সালেহ আল জাফরীর শেষ চিঠি।😭😭
19/08/2024
নিচের ছবিটি মেজর বজলুল হুদার, যাকে শেখ হাসিনা নিজ হাতে জবাই করেছিলেন। আই রিপিট এগেইন, মেজর বজলুল হুদাকে শেখ হাসিনা নিজ হাতে জবাই করে হত্যা করেছিলেন।
মেজর বজলুল হুদাকে চিনে নাও প্রজন্ম, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পাকিস্থান বন্দি শিবির থেকে যে কয়জন অফিসার পালিয়ে এসে বাংলাদেশে যুদ্ধ করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম এই মহান বীর মেজর বজলুল হুদা।
মেজর বজলুল হুদার আরো একটি পরিচয় হল, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট একদল বীর সেনানী জাতিকে দিয়েছিলো এক ‘ডিভাইন জাস্টিস’। জাতিকে মুক্ত করেছিলো এক রাহুগ্রাস থেকে। মেজর বজলুল হুদা তাদের মধ্যে অন্যতম।
মানব থেকে দানবে পরিনত শেখ মুজিবকে হত্যার অপরাধে
২৮শে জানুয়ারী ২০১০ এ মেজর (অব.) বজলুল হুদা সহ মোট ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। রাত ১১টায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্র সচিব আব্দুস সোবহান শিকদার, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশরাফুল ইসলাম খান, ঢাকার জেলা প্রশাসক জিল্লার রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অমিতাভ সরকার, ডিএমপি কমিশনার এ কে এম শহীদুল হক, ঢাকার সিভিল সার্জন ডা. মুশফিকুর রহমানসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, রযাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ১১টা ২০ মিনিটে পাঁচটি কফিন বক্স কারাগারের ভেতরে ঢোকানো হয়।
রাত ১১:৪০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের আশেপাশের ও কারাগারের অভ্যন্তরের সব বিদ্যুৎ একসাথে চলে যায় (কয়েকটা পত্রিকায় এটা এসেছিলো তখন)। ঠিক তখন দুইটা কালো টিল্টেড গ্লাসের পাজেরো জীপ ঢূকে কারা অভ্যন্তরে। এর একটা পাজেরোতে ছিলো শেখ হাসিনা স্বয়ং। হাসিনা নিজে সেদিন ফাঁসির মঞ্চের সামনে উপস্থিত ছিলো ৪ জনের ফাঁসি নিজ চোখে দেখার জন্য। শুনে অবাক লাগছে? অনেক পত্রিকায় আসছিলো যে দুইটা ফাঁসির মঞ্চে দু’জন করে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিলো। এবং এও এসেছিলো যে মেজর বজলুল হুদাকে প্রথম ফাঁসি দেওয়া হয়েছিলো!
আসলে মেজর বজলুল হুদাকে ফাঁসির মঞ্চেই নেওয়া হয়নি। মেজর হুদাকে প্রশাসনিক ভবনের একটি রুমে রাখা হয়েছিলো। দু’জন করে চার জনের ফাঁসির কাজ সমাপ্তির পর হাসিনা যায় মেজর বজলুল হুদার সেই রুমে। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলো কাশিমপুর থেকে আনা এক হিন্দু জল্লাদ। যেভাবে কোরবানির গরু জবাই করা হয় ঠিক একই ভাবে চারজন মেজর হুদার শরীর চেপে ধরেছিলো আর হাসিনা মেজর হুদার বুকের উপর এক পা দিয়ে চেপে রেখেছিলো আর সেই হিন্দু জল্লাদ জবাই করেছিলো। প্রত্যক্ষ দর্শীর বর্ণনা থেকে জানতে পারি জবাইয়ের সময় কিছু রক্ত ফিনকি দিয়ে হাসিনার শাড়ির বেশকিছু অংশ ভিজে যায়।
হুদার লাশ পরেরদিন ১০টায় আলমডাঙ্গার হাটবোয়ালিয়া গ্রামে তার নিজ বাড়িতে নেওয়ার আগে কয়েক হাজার পুলিশ, বিডিআর ও রযাব অবস্থান নিয়েছিলো। লাশ নেওয়ার সাথে সাথে রযাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ৫ মিনিটের মধ্যে লাশ দাফনের জন্য চাপ দিতে থাকে তার পরিবারের সদস্যেদের। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা ও কয়েক লক্ষ উপস্থিত মানুষের চাপের মুখে রযাব কর্তারা পিছু হটে। কফিন খোলার পর দেখা যায় লাশ অর্ধেক ডুবে আছে রক্তের মধ্যে। আবার গোসল করানোর জন্য লাশ নামানোর পর দেখা যায় মেজর হুদার গলা কাটা যা জাল বোনার মোটা সুতা দিয়ে সেলাই করা।
ফাসিতে ঝুলিয়ে মৃত ব্যক্তির গলায় শেলাইয়ের কোন প্রয়োজন হয়না, মেজর হুদার হাত পা ও ঘাড়ের রগও কাটা ছিলো না, এই তথ্য জানা যায় যিনি মেজর হুদার শেষ গোসল করিয়েছিলেন তার মুখ থেকে।
প্রজন্ম, জানোনা এই শেখ পরিবার কতটা ভয়ংকর ছিলো। আজ যারা শেখের নামে শিন্নি খায় তারা জানেনা কত হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছিলো শেখের হুকুমে। আজ যারা শেখের জন্য মায়াকান্না করে তারা জানেনা শেখের তৈরি রক্ষীবাহিনীর অত্যাচার সম্পর্কে। তারা কেহই জানেনা শেখ মুজিব দাম্ভিকতা ও ক্ষমতার লোভে মানব থেকে দানবে পরিনত হয়েছিলো। একদল চৌকস সেনা অফিসার তখন মানুষ শেখের হিংস্র থাবা থেকে রক্ষ্যা করে তাকে হত্যার মাধ্যমে।
প্রজন্ম আরও জেনে নাও, শেখ মুজিব নামের দানবকে হত্যার অপরাধে এক দল নিরপরাধ মুক্তিযোদ্ধা ও সাহসী সৈনিকদের হত্যা করা হয়। বেশ কয়েকজনকে দেশান্তরী করা হয়, যারা আর কোনদিন দেশে ফিরতে পারেন নি।
হে প্রজন্ম, মুজিব নামক সেই দানবের শুক্রাণু থেকেই জন্ম নিয়েছে হাসিনা নামের আরেক দানব, যাকে তোমরা সদ্যই দেশ থেকে বিতাড়িত করেছো হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে। স্বাধীন করেছো দেশটাকে আরো একবার। তবে এই স্বাধীনতা তখনই সফল হবে যখন তোমরা খুনি হাসিনাকে তার অপকর্মের উপযুক্ত শাস্তি দিবে।
collected
এটাই সত্যি যে
এটা পরিবার তন্ত্রের কুফল
Pakistani People
পাকিস্তানের ছাত্ররা সর্বাত্মক সেনা বিরোধী আন্দোলনের ডাক দিয়েছে..
তারা বলেছে সেনা ক্ষমতায়ন যদি বাদ না দেওয়া হয়! ৩০শে আগস্ট এই আন্দোলন বাংলাদেশের চাইতে ভয়াবহ হবে 🇵🇰
07/08/2024
যারা ইউনুস কে জানেন না তারা নানা কথা বলেন। ড ইউনুস এতটাই নীতিতে অটল যে উনি তার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানের ১ টি টাকা লাভ নেননি। যে গ্রামীন ব্যাংকের বাজার মূল্য ৯৩০০০০ কোটি টাকা!! তাহলে উনি সুদ খোর হলেন কিভাবে? উনি তার জীবন নির্বাহের জন্য সামান্য বেতনভুক্ত কর্মচারী ছিলেন মাত্র! গ্রামীণ ব্যাংকের সবটাকার মালিক দরিদ্র নারীরা। এমনকি ওনার ব্যক্তিগত কোনো সম্পত্তি নাই। উনি ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিশ্বাস করেন না। বহু অর্থ লাভের সুযোগ পেয়েও উনার জীবনযাপন অতি সাধারণ। যারা দুনিয়ায় ধন সম্পত্তির উর্ধ্বে তাকে আপনি সুদখোর বলছেন?
নোবেল লরিয়েট প্রফেসর ইউনুসের একটা পরিচয়, সব না। পৃথিবীর সবচেয়ে সম্মানজনক তিনটা পুরস্কার হল:
১। নোবেল।
২। অ্যামেরিকার প্রসিডেন্সিয়াল এওয়ার্ড।
৩। মার্কিন কংগ্রেশনাল এওয়ার্ড।
ইতিহাসে এই তিনটা পুরস্কারই পেয়েছেন এমন মানুষ মাত্র ১২ জন। তার মধ্যে প্রফেসর ইউনুস একজন।
মেসি হলেন বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় তারকার একজন, আক্ষরিক ভাবেই মেসি লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন প্রফেসর ইউনুসের সাথে ছবি তুলতে।
বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হল আলিম্পক গেমস। ধনী দেশগুলো হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে অলিম্পিকের হোস্ট হতে। আলিম্পক গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সবচেয়ে সম্মানিত মেহমান হলেন (প্রধান অতিথি) আলিম্পক মশাল বাহক। ২০২০ সালের জাপান আলিম্পকের মশাল বাহক ছিলেন প্রফেসর ইউনুস। ভাবা যায়!? পৃথিবীর ইতিহাসে Olympic Laurel দেয়া হয়েছে মাত্র দুই জন কে তার মধ্যে ড. ইউনূস একজন।
২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের মূল থিম করা হয়েছে প্রফেসর ইউনুসের সামাজিক ব্যবসা তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে। ফ্রেঞ্চদের মত নাকউঁচু জাতির গর্বের অলিম্পিক গেমসের ওয়েবসাইটের টাইটেল পেজে একজন ব্রাউন মুসলমান ড. ইউনুসের ছবি!! ফ্রেঞ্চদের সম্পর্কে যারা টুকটাক খবর রাখেন তারা বুঝবেন ব্যাপারটা কতটা আনইউজুয়াল।
প্রফেসর ইউনুসের ব্রেইন চাইল্ড ক্ষুদ্র ঋন, সামাজিক ব্যবসা, এবং থ্রি জিরো, এই তিনটি তত্ত্বই গ্লোবাল কমিউনিটি গ্রহন করেছে। এই তিনটা তত্ত্বের তিনটাই যে খুব ভাল, আমি এমনটা মনে করি না। যেকোন সুদ ভিত্তিক পদ্ধতি ভাল হতে পারে না। তবে পয়েন্ট হল সারাবিশ্ব এটাকে গ্রহন করেছে। সামাজিক ব্যবসা এবং থ্রি জিরো— এই দুইটা খুবই জনহিতকর তত্ত্ব, এটা নিয়ে বিতর্ক নেই।
বর্তমানে জীবিত লিডিং ইন্টালেকচুয়ালের যেকোন তালিকাতে প্রফেসর ইউনুস টপ ৫ এর মধ্যে🇧🇩
06/08/2024
এমন কোন আইটি প্রজেক্ট নেই, যেখান থেকে পলক সাহেব ৩০% পর্জন্ত খান নাই ।
আগে উনার শেয়ার রেখে তার পর প্রোজেক্ট করতে হইত ।
দুনিয়ার এক মাত্র দেশ, যে দেশের "আইটি পার্ক " এ মাউসের দোকান আর কমিউনিটি সেন্টার আছে ।
আইটি পার্ক মানে মাউস কি বোর্ড এর দোকান, এটা দুনিয়াকে শিখিয়েছেন পলক সাহেব ।
আইটি পার্ক ঠিক ঠাক চলছে, সেটা প্রমান করার জন্য,
বিল্ডিং বানিয়ে, সেখানে কোম্পানি গুলাকে শো রুম বানাইতে বাধ্য করা হইত ।
ব্রাঞ্চ রাখতেই হবে । কারন দেখাইতে হবে আইটি পার্ক হেব্বি চলতেসে ।
৮০ হাজার ফ্রিলান্সার বানানোর প্রোজেক্ট,
লার্নিং এন্ড আর্নিং প্রোজেক্ট, অমুক এপ, তমুক অয়েব সাইট,
৫ লাখের অয়েব সাইটের সরকারী বিল ৫ কোটি, কিন্তু পলক সাহেব এর
% ৩০%, না দিলে প্রোজেক্ট নাই ।
আইটি সেক্টরের লোকেরা যদি মুখ খুলে, জানতে পারবেন এই লোক
কত কোটি টাকা খেয়েছেন ।
সব হিসাব নেয়া হোক,
এবং প্রতিদিন উনি কয়েক লাখ টাকার বুস্ট করতেন উনার পেইজ,
পার ইয়ার তিন কোটি টাকার বেশি খরচ শুধু মাত্র পেইজ এর কন্টেণ্ট বুস্টে ।
এই টাকা গুলা কার?
এগুলার হিসাব চাই পলক সাহেব ।
লাস্টে, ডেটা সেন্টার পুড়ে গেলে কিভাবে নেট চলে যায়, এই প্রশ্নের ও আন্সার চাই ।
collected
বাংলাদেশ এয়ারপোর্টে ভিআইপি গাড়ির বহর। কারা চলে যাচ্ছে বুঝতে পারতেছি না। আপনারা জানলে একটু বলেন
আদর্শ বাবার আদর্শে গড়ে ওঠা সন্তান 🫡🔥
পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর রাস্তা
ইদ মুবারক
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dhanmondi 32
Dhaka
1205