ILM Taqwa - ইলম তাকওয়া

ILM Taqwa - ইলম তাকওয়া

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ILM Taqwa - ইলম তাকওয়া, Education Website, Dhaka.

07/07/2024

♥️আসসালামুয়ালাইকুম,♥️
সম্মানিত দ্বীনি ভাই ও বোনেরা।
⚠️আমাদের সকলের উপর দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করা ফরজ।এই লক্ষে আমরা ১০০% ফ্রি এবং এড মুক্ত একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাতে থাকাবে আল্লাহর ৯৯ নামসমূহ,নূরানী কায়দা, হাদীস সমূহ, আমপারা, পবিত্র গ্রন্থ "কুরআন" সহ আরো অনেক ইসলামিক ফিচার। যা মানুষের দ্বীন শিক্ষাকে সহজ এবং সমৃদ্ধ করবে। এছাড়া পরবর্তীতে আমাদের জনসেবামূলক আরো অনেক কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।🌱আমাদের এই প্রোজেক্টি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন আপনাদের সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা। 😊 আমাদের এই প্রজেক্টটি সফল করতে এবং সদকায়ে জারিয়ার অংশ হতে , সকলে সাধ্যমত দান করবেন। ইনশাআল্লাহ ফান্ডের জোগান হলে খুব শীঘ্রই আমরা আমাদের কার্যক্রম শুরু করব।

এটি একটি সাদকায়ে জারিয়াহমূলক প্রকল্প, যার সাওয়াব মৃত্যুর পরও আমলনামায় যুক্ত হতে থাকবে ইন-শা-আল্লাহ।

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি একটি সাধারণ দান, যা শুধুমাত্র আমাদের প্রজেক্টি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে। কোন রূপ যাকাত, মানত কিংবা এতিমকে দেওয়ার অর্থ এখানে প্রেরণ করবেন না]

04/07/2024

😓লুমাযাহ কারা? (সুরা হুমাযাহ)
************************
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, "আমি উচিৎ কথা বলতে কাউকে ছাড়ি না!
আমি উচিৎ কথা মুখের উপর বলে দেই"!
আপনি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড!
যা মনে আসে তাই বলেন!
গালাগাল সহ সরাসরি মুখের উপর সব বলে দেন!
সব মহলে ঠোটকাটা স্বভাবের হিসেবে আপনি পরিচিত!
সবাইকে একদম সামনেই ধুয়ে দেন এবং এটা নিয়ে আপনি বেশ গর্বও করেন!

ইসলাম ধর্মে এটাকেই "লুমাযাহ" বলা হয় ।
◾যে ব্যক্তি:-
★ সরাসরি কাউকে লাঞ্চিত ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে।
★ কাউকে তাচ্ছিল্য ভরে কোনকিছু নির্দেশ করে (আঙুল,চোখ, মাথা বা ভ্রু দ্বারা) ।
★ কারও অবস্থান বা পদবি নিয়ে তাকে ব্যাঙ্গ করে।
★ কারো বংশের নিন্দা করে বা বংশ নিয়ে কথা বলে।
★ কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করে কথা বলে, অপমান করে।
★ কারও মুখের উপর তার সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করে।
★ সরাসরি বাজে কথা দিয়ে কাউকে আঘাত করে।
★ কাউকে এমন কোনো কথা বললো যাতে আরেকজন কষ্ট পাবে।
★ অসন্মান করে কথা বললো।

উপরোক্ত ব্যক্তিরাই মূলতঃ "লুমাযাহ" এর অন্তর্ভুক্ত।

আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এই মানুষদেরকে পরিবর্তন হতে বলেছেন। নয়তো তাদের জন্য অনিবার্য ধ্বংসের সতর্ক বাণী দিয়েছেন।
আল্লাহ তাদের প্রতি কঠোর লানত করেছেন।

নবী করিম রঊফুর রহীম ﷺ বলেছেন, "যার ভিতরে নম্রতা নেই, সে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত"।

আসুন, আমরা একটু নরম হই, একটু সহনশীল হই, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করি।
মনে রাখবেন- আল্লাহ যাকে নম্রতা দিয়েছেন, তিনি দুনিয়ার সেরা নিয়ামাহ পেয়ে গেছেন।

আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন।
আমীন🌹

04/07/2024

⚠️আজ থেকে ২০০ বছর পর আমার বাড়িতে, আমার ঘরে যারা বসবাস করবে, যারা আমার জায়গা জমি ভোগ করবে আমি তাদের চিনিনা।
তারাও আমাকে চিনবেনা।
কারন তাদের জন্মের অনেক আগেই আমি কবরবাসি হয়ে যাব।
আর ততদিন মুছে যাবে আমার নাম নিশানা।
কবরটাও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
আমার সন্তানরা যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন তারা হয়ত মনে পড়লে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলবে!

কিন্তু তাদের মৃত্যুর পর তাদের সন্তানরা তাদের যতটুকু মিস করবে আমাকে ততটুকু মিস করবে না।
হয়ত বাবার কবর জিয়ারত করে দোয়া করার সময় দাদার জন্যও একটু করবে।
কিন্তু তার পরের প্রজন্ম আর মনে রাখবেনা।

প্রায় ২০০ বছর আগে মারা গেছে আমার দাদার দাদা।
যিনি আমার পূর্ব পুরুষদের জন্য ঘর বাড়ি, জায়গা জমি রেখে গেছেন। একই বাড়ি, একই জায়গা জমি আমরা এখন ভোগ করছি।
কিন্তু উনার কবরটা কোথায় সেটা আমরা জানিনা।
হয়ত আমার দাদার পিতা জানতেন।
কিন্তু দাদার পিতা তো বেঁচে নেই, দাদাও বেঁচে নেই।

তবে সাত পাঁচ করে যে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সেটা কবরে নিয়ে যেতে পারবেননা।
আর যাদের জন্য রেখে যাচ্ছেন তারা ও আপনাকে মনে রাখবেনা এটা নিশ্চিত!

অন্যের সম্পত্তি জবর দখল করে ভাবছেন আপনি জিতে গেছেন?
সুদ, ঘুষ, কমিশন বাণিজ্য করে সম্পদের পাহাড় গড়ে ভাবছেন আপনি জিতে গেছেন?
তাহলে আপনি আস্ত একটা বোকা !
এই শব্দটা ব্যবহার করার জন্য স্যরি!
ক্ষমা করবেন।
আমাদের সময় খুব কম! তাই এই সুদ, ঘুষ ,দুর্নীতি ক্ষমতার অপব্যবহার , সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ ইত্যাদি । কোন লাভ নেই ভাইজান ।। সময় থাকা কালীন ভালো হয়ে কবরের খোরাক সংগ্রহ করুন ঐটাই বুদ্ধিমানের কাজ।। আসুন নিজেকে সৎ মানুষ হিসেবে তৈরি করি পরকালের জন্য পূর্ণতা সন্ধান করি।। ঐটাই আপনার জন্য প্রকৃত সম্পদ।।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দাও
আমিন।

03/07/2024

😌♥️ ...

29/06/2024

🌱সদকায়ে জারিয়া কী? কাকে বলে সদকায়ে জারিয়া? অনেক মানুষ সদকা সম্পর্কে এবং সদকায়ে জারিয়া সম্পর্কে বেশ শুনলেও হয়ত সুস্পষ্টভাবে জানেন না যে, সদকায়ে জারিয়া মূলত কাকে বলে কিংবা কী। তাদের জেনে রাখার সুবিধার্থে সদকায়ে জারিয়া সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিসরে আলোচনা করা হলো।

‘সদকায়ে জারিয়া’ বা ‘সাদাকাতুন জারিয়াহ্’ আরবি শব্দ। সদকা শব্দের অর্থ দান করা। আর জারিয়া শব্দের অর্থ প্রবহমান, সদাস্থায়ী প্রভৃতি। সদকায়ে জারিয়া হলো- এমন দান যার কার্যকারিতা কখনো শেষ হবে না এবং তা কিয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। অর্থাৎ এই পৃথিবী যত দিন থাকবে, তত দিন পর্যন্ত কবরে শুয়ে শুয়ে সদকাকারী ব্যক্তি এর সওয়াব পেতেই থাকবে। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত সদকায়ে জারিয়ার আমলের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখা। তবে দান কাউকে দেখানোর উদ্দেশ্যে নয় বরং শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের নিয়তে করতে হবে।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘যখন মানুষ মারা যায় তখন তার আমল স্থগিত হয়ে যায়, কেবল তিনটি আমল ছাড়া; সদাকায়ে জারিয়া, কিংবা এমন জ্ঞান— যা থেকে মানুষ উপকৃত হয় কিংবা এমন সন্তান— যে তার জন্য দোয়া করে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৬৩১)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka