হাদী ভাইয়রে এ টাইমলাইন থেকে হারায়া যাইতে দিয়েন না 🤲❤️💔
Physics Universe
Feel Physics
31/12/2025
Reminder⚠️
MCQ correct করার নিন্জা টেকনিক 💀😱
,
,
,
,
,
,
,
,
,
,
Don't try at exam hall🫢
(this video only for funny purpose)
13/11/2025
কেনো ব্যর্থ হলো Byju's,কিভাবে চুপিসারে সফল হলো PW?
ভারতে প্রথমবারের মতো এক EdTech কোম্পানি আজকে IPO-তে গেল স্টক মার্কেটে। যদি খুব একটা ফলো করে না থাকেন তাহলে হয়ত ভাবতে পারেন, বছর কয়েক আগে ৬০০ কোটি টাকা দিয়ে ভারত ক্রিকেট টিমের স্পন্সর হওয়া Byju’s হয়ত গিয়েছে IPO-তে। অথচ Byju’s গত বছর অক্টোবর থেকে মোটামুটি বন্ধ। আর আজ IPO-তে যাওয়া কোম্পানির নাম Physics Wallah. তারা শেষতক শেয়ার মার্কেটে সফল হতে পারবে কিনা সে অন্য আলাপ; তবে আজকের লেখার অবতারণা হলো কেন ২২ বিলিয়ন ডলার ভ্যালুয়েশনের Byju’s এভাবে ব্যর্থ হল আর চুপিসারে Physics Wallah (PW) কীভাবে ৪ হাজার কোটি টাকার লাভজনক কোম্পানি হয়ে উঠল তা নিয়ে…
প্রথমেই আসি নাম নিয়ে। অনেক উদ্যোক্তা তার ভেঞ্চারের নাম কী হবে বা কীভাবে দিলে অর্থবহ হবে তা ভেবে ভেবে কাহিল হয়ে যান। অথচ দেখেন ২০১৬ সালে কেবল ইউটিউবে ফিজিক্স ভিডিও আপলোড করার জন্য আলাখ পান্ডের শুরু করা এই Physics Wallah নামের প্ল্যাটফর্মেই এখন রাজ্যের সব বিষয় পড়ানো হয়। নামে আসলেই কিছুই আসে যায় না!
কেরালায় ২০০০ সালের দিক থেকে Byju’s শুরু হলেও এখানে ইনভেস্টরদের আনাগোনা ২০১১ সাল থেকে। একসময় সেদেশের EdTech revolution-এর poster child হয়ে গিয়েছিল Byju’s. কিন্তু এই চাকচিক্যের আড়ালে কোম্পানির মূল DNA শিফট হয়ে গিয়েছিল, কোয়ালিটি এডুকেশনের বদলে যেকোনো মূল্যে expansion, আর স্টুডেন্টদের বদলে শেয়ারহোল্ডারদের দিকে সরে যাচ্ছিল ফোকাস।
অথচ ২০১৬ সালে এলাহাবাদের আলাখ পাণ্ডের শুরুর গল্পে এত রোশনাই ছিল না। ইউটিউবেই ফ্রি ভিডিও দিয়ে যেতেন তিনি। সেখানে Flashy animations ছিল না, celebrity endorsements-ও ছিল না। PW- র সহায় ছিল কেবল authentic passion, humor, আর empathy. নীরস ফিজিক্সের জটিল সব কনসেপ্ট সহজ হিন্দিতে বুঝাতে পারতেন। নিত্যদিনের সব উদাহরণ দিয়ে পড়াটা বোঝাতেন যেন মফস্বলের কোনো দরিদ্র ছাত্রও তা আত্মস্থ করতে পারে সহজে। কয়েক বছরের মধ্যে কোনো মার্কেটিং খরচা ছাড়াই ইউটিউবে কয়েক মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার হয়ে যায় Physics Wallah-র।
সেই একই বছর ২০১৬ সালে Byju’s-এ শুরু হয়েছিল aggressive growth phase. নামকরা সব ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি Tiger Global, Sequoia, আর Chan-Zuckerberg Initiative থেকে বিনিয়োগ তোলা হয়েছিল ৫ বিলিয়ন ডলার (৫০ হাজার কোটি টাকা)। Aakash, WhiteHat Jr., Toppr, Great Learning এরকম একের পর এক কোম্পানি acquire করা শুরু করেছিল Byju’s; শুরু করেছিল IPL-এ স্পন্সরশিপ। শাহরুখ খান থেকে লিওনেল মেসি পর্যন্ত এনডোর্সমেন্ট করেছিল Byju’s-কে। অথচ প্ল্যাটফর্মের core product অর্থাৎ quality education হয়ে গিয়েছিল স্থবির। কোর্সের ফি হয়ে যাচ্ছিল মধ্যবিত্তের ধরাছোঁয়ার বাইরে। শিক্ষকরা হয়ে পড়ছিলেন অবহেলিত, আর শিক্ষার্থীরা learner না, কেবল leads হিসেবে treated হচ্ছিল।
ওদিকে ২০২০ সালে, মহামারির সময়, আলাখ শুরু করেছিলেন Physics Wallah অ্যাপ; ৩০০০ রূপি দিয়ে দিচ্ছিলেন চমৎকার সব কোর্স। শুধু affordability না, কমিউনিটি বিল্ডআপ করার দিকেও বেশ মনোযোগী ছিলেন তিনি। সব বয়সের স্টুডেন্টদের কাছে তিনি ছিলেন “আলাখ স্যার”; একটা পার্সোনাল কানেকশান অনুভব করত সবাই এই প্ল্যাটফর্মে এসে। ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্মের কাছে তখনই না গিয়ে Physics Wallah নিজের প্রফিটই আবার reinvest করল এখানে। কনটেন্ট কোয়ালিটি আরও উন্নত করল, আরও passionate টিচারদের এই প্ল্যাটফর্মে আনল। ২০২২ সালে ১০০ মিলিয়ন ডলার (১১০০ কোটি টাকা) বিনিয়োগ পেলেও কোম্পানির কালচারে ঐ humility আর purpose-ই থাকল। বিজ্ঞাপনের ঝাঁ চকচক দুনিয়ায় হারাতে চাইল না PW.
Byju’s যেখানে EMI দিয়ে ৪০ হাজার থেকে লাখ রূপির কোর্স বিক্রি করতে থাকল, PW কিন্তু সবসময় affordable থাকতে চাইল আমজনতার কাছে। ফলে ভারতের গ্রাম-মফস্বলের ছাত্ররাও structured coaching afford করতে শুরু করল PW থেকে। আলাখ পান্ডে এক সাক্ষাৎকারে বলছিলেন, “If we can teach 10 lakh students at ₹3,000 each, why chase 10,000 students at ₹30,000 each?” এ থেকেই হয়তো বুঝতে পারছেন দুই কোম্পানির তফাতটুকু।
Byju’s দিনে দিনে কর্পোরেট কোম্পানি হতে থাকল। Management hierarchy, ইনভেস্টরদের চাপ, sales-first mindset সব মিলিয়ে শুরু হতে থাকল toxic work culture. কর্মীদেরও মূল্যায়ন হতে থাকল Revenue নাম্বার দিয়ে, student satisfaction দিয়ে না। একটা এডুকেশন কোম্পানির মূল essence-টাই মিলিয়ে যেতে শুরু করল। অন্যদিকে PW-র গ্রোথ হবার পরেও তা থাকল teacher-driven. টিচারদের কনটেন্ট প্রডিউসার বা কনটেন্ট ক্রিয়েটর না, বরং মেন্টর হিসেবে ট্রিট করা হত এখানে। আলাখ নিজে বিভিন্ন ক্লাসে আসতেন, স্টুডেন্টদের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা বোঝার চেষ্টা করতেন।
করোনারও হয়ত কিছুটা দায় আছে। লকডাউনের সময়কালে EduTech ইন্ডাস্ট্রির যে বাড়বাড়ন্ত ছিল, সবাই ভেবেছিল এই exponential হারেই হয়ত অনলাইন এডুকেশনের growth চলবে আরও কিছু বছর। অথচ মহামারি শেষে সবাই আবার অফলাইন ক্লাসরুমে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করল। তাই ভারতসহ বাংলাদেশেও সেসময় EduTech ইন্ডাস্ট্রি ধাক্কা খেয়েছে নিশ্চিতভাবে। তবে PW সম্ভাব্য বিপদ আঁচ করতে পেরে অফলাইন সেন্টার খুলে তখন ‘হাইব্রিড ইকোসিস্টেম’ মডেলে চলে যায়। প্রথমে অনলাইনে ফ্রি কনটেন্ট দিয়ে স্টুডেন্টদের সাথে কানেকশান বিল্ডআপ করে তারা, এরপর অফলাইন সেন্টারে বা হাইব্রিড ক্লাসরুমে পুশ করে ফানেলের মাধ্যমে।
একসময় ২০২২ সালে Byju’s ২২ বিলিয়ন ডলার ভ্যালুয়েশনের কোম্পানি হয়ে দাঁড়াল ভারতের সবচেয়ে বড় স্টার্টআপ হিসেবে। অথচ অনেকটাই ছিল আসলে শুভঙ্করের ফাঁকি। দেনা বাড়ছিল কোম্পানির। রেভিনিউ দেখানো হত বাড়িয়ে। অডিট সময়মত হচ্ছিল না। দিনে দিনে ভ্যালুয়েশন কমতে থাকল। সব মিলিয়ে ২০২৩-২৪ সালের দিকে Byju’s-এর ‘বাইরে ফিটফাট ভেতরে সদরঘাট’ অবস্থা প্রকাশ হতে থাকল মিডিয়ায়। Layoffs আর Lawsuits-এ জেবরার হয়ে গেল কোম্পানি। অন্যদিকে Physics Wallah শুরু থেকেই ছিল প্রফিটেবল। ২০২৩ সালের দিকে যখন কোম্পানি ১৫০০ কোটি টাকা রেভিনিউ পার করল, তখনও zero debt ছিল কোম্পানির, সাথে strong margins.
Byju’s দুর্দান্ত বিজ্ঞাপন বানাতে পারত, সুপারস্টারদের দিয়ে প্রমোশন করাত, slick animations থাকত কনটেন্টে। কিন্তু দিনে দিনে দূরত্ব বাড়ছিল স্টুডেন্টদের সাথে। অন্যদিকে Physics Wallah-র ব্র্যান্ডভ্যালু বিলবোর্ডে তৈরি হয়নি, তৈরি হয়েছিল স্টুডেন্ট স্টোরিতে। ছাত্রদের inspire করার জন্য Byju’s-এর লাগত সেলিব্রেটি; আর PW স্টুডেন্টদেরই সেলিব্রেটি বানাত।
২০১৯ সালে যদি আপনি কাউকে জিজ্ঞেস করতেন ২০২৫ সালে এসে কোন EdTech কোম্পানির সবার আগে IPO-তে যাওয়া সম্ভব, ১০০ জনের মধ্যে হয়ত ৯৯ জনই নাম নিত Byju’s-এর। কিন্তু Byju’s পরিণত হয়েছিল কর্পোরেশনে, PW থেকে গিয়েছিল ক্লাসরুম হিসেবে। Byju’s হতে চেয়েছিল ব্র্যান্ড, আর Physics Wallah থাকতে চেয়েছিল Teacher হিসেবেই। এখানেই গড়ে উঠেছিল মূল পার্থক্য।
এই যে Byju’s আর Physics Wallah-র গল্প, এখান থেকে অনেক কিছুই শেখার আছে উদ্যোক্তাদের। Byju’s কেবল valuation chase করে গিয়েছে, cash burn করে গিয়েছে; আর অন্যদিকে PW chase করে গিয়েছে স্টুডেন্টদের validation; সাথে তৈরি করেছে Trust factor. তাই Rapid Growth-এর বদলে Sustainable Growth নিয়ে ভাবা দরকার যেকোনো কোম্পানির।
আর AI, Tech, VR, Animation এগুলো কেবল enabler, কিন্তু EdTech-এর soul না। এরকম বেশকিছু কোম্পানি দেখেছি, আগে Tech নিয়ে জোর দেয় বেশি, কিন্তু কনটেন্ট স্ট্রং না বা student validation নেই। অথচ ভাল কনটেন্ট থাকলে দুর্বল Tech দিয়েও প্রফিট করা সম্ভব। এরপর সে প্রফিট দিয়ে শক্তিশালী Tech structure ডেভেলপ করা যেতে পারে। কারণ মনে রাখতে হবে, শেষ অব্দি এটা teacher-driven business.
তবে স্টুডেন্টরা কোনো প্ল্যাটফর্মে কনটেন্টের জন্য আসলেও শেষতক সম্পর্কের জন্য থেকে যায়। আর দিনশেষে Authenticity জিতে যায় Long Run-এ। স্টুডেন্টরাও এই sincerity আঁচ করতে পারে। একজন genuine teacher-এর voice যেকোনো মার্কেটিং ক্যাম্পেইনকে যেকোনোদিন হারিয়ে দিতে পারে।
তাই বাংলাদেশ বলুন, কিংবা ভারত, সব দেশেই EdTech-এর পরবর্তী যুগ define করবে কে সবচেয়ে ভাল পড়াতে পারে তা দিয়ে, কে বেশি টাকা raise করল তা দিয়ে না।
© Priyom Mozumdar
ডিব্বারা যখন ফিজিক্স পড়ায়,,,,নতুন সূত্র তো আবিষ্কার হবেই🫢😂
25/10/2025
পরীক্ষায় যারা ফেল করবে তাদের জন্য পিএইচডি করা বাধ্যতামূলক ...😵
ঘুমাও😴😴
এত পড়ে কি করবা 🥲
আকাশভর্তি উল্কাবৃষ্টি দেখতে জেগে থাকুন আজ রাতে! দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকেও ...😵
20/10/2025
Tumi ki amr Cl hobe??😌🤭
Seiiiii kintu class ta 🫠😌
Tumi to vlo jinis bujhba na....
,
,
,
(Ager record kora vid, yt theke download kore up dilam)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka