03/10/2020
যাত্রাবাড়ী হযরত বেফাকের সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ৷
Know About Islam
03/10/2020
যাত্রাবাড়ী হযরত বেফাকের সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ৷
13/12/2019
একটি এলার্ন.......
বিবাহের যোগ্য দ্বীনদার পাত্রী প্রয়োজন। যদি কেউ কেউ থেকে থাকেন কিংবা কারো জানাশোনা থেকে থাকে বিস্তারিত জানার জন্য ইনবক্স অথবা কমেন্টস করুন। ধন্যবাদ
পরিপূর্ণ পর্দা বা হিজাব এমন ভাবে করতে হবে যেন
১।পুরো শরীর ঢেকে থাকে ,
২। কাপড়টা পাতলা বা এমন হবেনা যে ভিতরে দেখা যা্য়,
৩। ঢিলাঢালা হবে, শরীরের শেইপ বোঝা যাবে না,
৪। আকর্ষণীয় হতে পারবে না, দৃষ্টি কেড়ে নেয় এমন হবে না,
৫। সুবাস থাকবে না,
৬।পুরুষের পোশাকের সদৃশ হবে না,
৭। বিধর্মী নারীর অনুকরণ করা হবে না,
৮। প্রাণীর ছবি থাকবে না।
অবিবাহিত বেকারদের জন্য:
সৃষ্টিকর্তা নিজেই যখন 'বেকার যুবকদের' - বিবাহের জন্যে উৎসাহ দিয়েছেন, এমনকি আল্লাহ্ প্রতিজ্ঞাও করেছেন...
“বিয়ে করলেই তোমাদের ধনী করে দিবো।” তবুও মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় কেবলই চাকুরীজীবী ছেলে খোঁজাটা মূলত আল্লাহ্’র উপর অনির্ভরশীলতার ইঙ্গিত। আমি তো মনে করি, “একটা ভালো চাকুরী’র পূর্বশর্তই হচ্ছে “বিয়ে”। কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন। পড়ুন সেই মহাপবিত্র আয়াতে কারীমা… . ” ﻭﺃﻧﻜﺤﻮﺍ ﺍﻻﻳﺎﻣﻲ ﻣﻨﻜﻢ ﻭ ﺍﻟﺼﺎﻟﺤﻴﻦ ﻣﻦ ﻋﺒﺎﺩﻛﻢ ﻭ ﺇﻣﺎﺋﻜﻢ ﺇﻥ ﻳﻜﻮﻧﻮﺍ ﻓﻘﺮﺍﺀ ﻳﻐﻨﻬﻢ ﺍﻟﻠﻪ “ . "তোমাদের মধ্য হতে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ দিয়ে দাও এবং দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরকেও। তারা যদি নিঃস্বও হয়ে থাকেন তবে স্বয়ং আল্লাহ্ তাকে ধনী বানিয়ে দেবেন।" (সূরাহ আন-নুর, আয়াত : ৩২) . অবশ্য উক্ত আয়াতে বিবাহহীনদের অবিভাবকদেরকেই আল্লাহ্ এ আদেশ করেছেন। কেননা আল্লাহ্ জানেন, অবিভাবকেরা কি সব চিন্তা করেন। অবস্থা এমন দাড়িয়েছে কেউ বিয়ে করতে চাওয়া সামাজিকভাবে খারাপ চোখে দেখা হয়। আপনার আরেকটা মেয়ে থাকলে তাকে খাওয়াতেন না? তাহলে মেয়েকে বিয়ে করিয়ে, মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি মনে করে খাওয়াতে অসুবিধা কোথায়? প্রতিষ্ঠিত ছেলের সাথে বিয়ে দিতে হবে এই চিন্তা বাদ দিন। আপনার মেয়ে ও সমাজে অসংখ্য ছেলেকে চারিত্রিক শুদ্ধতা নিয়ে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করুন। নিশ্চই এখন যে ছেলেটা বেকার সেই কয়দিন পর প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করবে। তখন কিন্তু তার চাহিদাও বেড়ে যাবে। প্রতিষ্ঠিত হয়েই যখন বিয়ে করতে হল, তখন ভাল দেখেই বিয়ে করি। তখন দেখা যায় এসকল আপুদের আর বিয়ে হয় না। আবার কোন কোন অবিভাবক লেখাপড়া শেষ করার আগে বিয়ে দিতে চায়না, ফলে মেয়ের বয়স বেড়ে যায় সাথে চেহারার লাবন্নতা নষ্ট হয়। বয়স্ক মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চায়না আরো যদি লাবন্নতা হ্রাস পায়, তাহলেতো কথায় নাই। তাই দেখা যায় অনেক আপুদের বিয়ে হচ্ছেনা বলে অবিভাবকদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কয়েক বছর আগেও যে সকল প্রস্তাব নাকোচ করে দিয়েছি, এখন তাদের হয় বিয়ে হয়েছে তা নাহলে এখন আর আগ্রহী নয়। তো আসুন সবাই বিয়েকে তথা হালালকে সহজ করি এবং প্রেম তথা হারামকে কঠিন করি। ছেলে-মেয়েকে বিয়ে দিন সাবালক হলেই। আপনি যদি বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার কলুষিত দিকগুলো দেখেন তার অধিকাংশের কারণ মূলত বিয়েতে দেরি করা। তা আপনি বুঝুন আর না-ই বুঝুন! পিতা-মাতা তথা অভিভাবকদের জন্য দুটি দিকে খুবই দায়িত্ববান হওয়া দরকার। সন্তান লালন-পালনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তানকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই বিয়ে দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘যারা কোন সন্তান জন্ম লাভ করে সে যেন তার সুন্দর নাম রাখে এবং তাকে উত্তম আদব-কায়দা শিক্ষা দেয়। যখন সে বালেগ হয় তখন যেন তার বিবাহ দেয়। যদি সে বালেগ হয় এবং তার বিবাহ না দেয় তাহলে সে কোনো পাপ করলে, সে পাপ তার পিতার উপর বর্তাবে।’ (বায়হাকী, মিশকাত হা/৩১৩৮)। অর্থনৈতিক গ্যারান্টির জন্য যদি মেয়ের অবিভাবকরা চাকুরিজীবী পাত্র খোঁজেন, তাহলে পাত্রের মৃর্ত্যুর গ্যারান্টি কে দেবে?
22/08/2019
Assalamulaikom
ফানুস আর বাজি নয়। আসুন দুই রাকাত তাহাজ্জুদ সালাত দিয়ে শুরু করি নতুন বছর।
" হে নারী......! "
কানাডায় প্রতি সপ্তাহে একদম উলঙ্গ হয়ে একজন
নারী হাজারো পুরুষের সামনে দীর্ঘ সময়
দাঁড়িয়ে থাকে।
আর
পুরুষরা তার যৌবনের
প্রশংসা করে ।
এতে সে অনেক ডলার
আয় করে ।
দাড়ি শেইভ করার ক্রিমের বিজ্ঞাপনেও এখন
নারীকে ব্যবহার করা হয় ।
যে কোন প্রোগ্রামের
উদ্বোধনীতেও অশ্লিল ভঙ্গিমায় কিছু ভাড়াটে
নারী তাদের যৌনতা দেখায় ।
এবার আপনি বলুন !
এগুলোতে কি নারীর
সম্মান বৃদ্ধি পাচ্ছে??
আইয়ামে জাহিলিয়্যাতে নারীদের দুই পা'কে দুটি
ঘোড়ায় বেঁধে দুইদিকে ছেড়ে দেয়া হতো ।
আর নারীর দেহটি দ্বিখন্ডিত হয়ে যেত মুহুর্তেই
।
কোন কণ্যা সন্তান জন্ম
নিলে তাকে জীবন্ত কবর দেয়া হতো ।
ইহুদী ধর্মঃ- নারীদের
গুণের চেয়ে পুরুষদের
দোষও ভাল ।
খ্রিষ্ট ধর্মঃ- নারীরা নরকের
দ্বার ।
বৌদ্ধ ধর্মঃ- সকল পাপের মূলে নারী ।
হিন্দু ধর্মঃ- নারীদের কোন উত্তরাধিকার নেই ।
গ্রিস ধর্মঃ- নারীরা শয়তানের প্রতিভূ ।
ইসলাম ধর্মঃ- মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের
জান্নাত ।
গর্ত থেকে তুলে মা , মেয়ে , স্ত্রীর মর্যাদা
ইসলাম
দিয়েছে তোমাদের ।
সম্পদে বা অন্য কোন
ক্ষেত্রে নারীদের বিন্দুমাত্র অধিকার ছিলনা ।
কিন্তু রাসূল ( সা: ) তাদের
পদতলে জান্নাতের টিকেট দিয়েছেন ।
বিবাহের জন্য মোহর
বাধ্যতামূলক করেছেন ।
পিতার চেয়ে মাতার অধিকার তিন গুণ বাড়িয়েছেন ।
সম্পদে তাদের ভাগ
দিয়েছেন ।
এখনো হিন্দু ধর্মে নারীদের কোন সম্পদের
অধিকার
নেই ।
তবুও ইসলামে নাকি নারীদের অধিকার নেই ।
হে নারী! তুমি তোমার
অধিকার জেনে নাও ।
জেনে রাখ ! পর্দাতেই
তোমার সম্মান ও মর্যাদা রয়েছে ;
অশ্লীল দেহ প্রদর্শনীতে নয় ।
তোমার ইজ্জাত - আভ্রুর হেফাজত করার দায়িত্ব
তোমারই ।
16/11/2017