28/12/2023
মনসুরিয়া মাদ্রাসার প্রাক্তন-বর্তমান ছাত্র-ছাত্রী বৃন্দ
স্বপ্ন কে জাগাতে চাই নতুন করে।চুপি-চু?
28/12/2023
03/03/2023
অভিনন্দন
কানাইঘাট মনসুরিয়া কামিল মাদরাসা, সিলেট।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল হজরত মাও :খলিলুর রহমান
কানাইঘাট মনসুরিয়া কামিল মদ্রাসার এখন থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জনাব মাওলানা খলিলুর রহমান। অভিনন্দন জানাচ্ছি জনাব মাওলানা খলিলুর রহমান সাহেকে। আমরা আশাকরি তাঁর সততা,দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কে কাজে লাগিয়ে তাঁরই গতিশীল নেতৃত্বে আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।এই প্রত্যাশা আমাদের সকলের তথা এলাকাবাসীর।।
আলহামদুলিল্লাহ আজ সকাল ১১টা থেকে মরহুম হাফিজ ওলিউল্লাহ সাহেব এর ইছালে সওয়াব উপলক্ষে আয়োজিত খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অতঃপর উনার পরিবার কে সহযোগিতা করার জন্য একটি উপদেষ্টা কমিটি ৫ সদস্য বিশিষ্ট, ৩ সদস্য বিশিষ্ট একাউন্ট পরিচালনা কমিটি ও ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের নাম---
১) জনাব প্রিন্সিপাল মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী।
২) জনাব মাওলানা হুদুর রহমান,ডালাইচরী।
৩) জনাব হাফিজ মাওলানা আনোয়ার হুসাইন খাঁন।
৪) জনাব মাওলানা আতাউর রহমান। প্রিন্সিপাল।
৫) জনাব মাওলানা সাইয়েদ ফয়জুল্লাহ বাহার।
একাউন্ট কমিটি-----
১) জনাব মাওলানা ইলিয়াস সাহেব দূর্লভপুরী হুজুর।
২) জনাব মাওলানা খলিলুর রহমান ভাইস প্রিন্সিপাল।
৩)জনাব মাওলানা সাইফুল আলম,আরবী প্রভাষক।
কার্যকরী কমিটি---------১৩ জন।
১) জনাব মাওলানা আব্দুল করিম।
২) জনাব মাওলানা ফয়সল আহমদ।
৩) জনাব মাওলানা হাফিজ আব্দুশ শাকুর।
৪) জনাব মাওলানা জামাল উদ্দিন।
৫) জনাব মাওলানা মিসবাহ।
৬) জনাব মাষ্টার এনামুল হক।
৭) জনাব এ কে এম ওয়ালী উল্লাহ।
৮) জনাব মাওলানা মামুন রশিদ।
৯) জনাব মাওলানা জোবায়ের আহমেদ ইউসুফ।
১০) জনাব নাদিম আহমদ।
একাউন্ট এর ৩ জন।
২/৪ দিনের মধ্যে একাউন্ট নাম্বার দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
মহান আল্লাহ আমাদের এই উদ্যোগ কে ক্ববূল করুন।আমীন।
একটি ছোট ছেলে অনাথ আশ্রমে বেড়ে উঠছিলো। তার স্বপ্ন ছিলো সে একদিন পাখির মতো উড়তে পারবে। সে বুঝতে পারতো না যে কেন সে উড়তে পারে না। চিড়িয়াখানায় তার চেয়ে বড় বড় পাখিদেরকেও সে খাঁচার ভেতর উড়তে দেখেছে। সে মনে মনে ভাবতো আমি কেন পারি না? আমার কি তাহলে কোনো সমস্যা আছে?
আরেকটি ছোট ছেলে ছিলো, যে পায়ের সমস্যার জন্যে ঠিক মতো হাঁটতে পারতো না। সে স্বপ্ন দেখতো তার বয়সের অন্য ছেলে-মেয়েদের মতো সে হাঁটতে পারছে। দৌঁড়ে বেড়াচ্ছে। সে ভাবতো, আমি কেন ওদের মতো নই?
একদিন সেই অনাথ ছেলেটি, যে পাখি হতে চাইতো, সে হাঁটতে হাঁটতে সমুদ্র সৈকতে এসে পড়লো। সেখানে সে দেখলো যে পঙ্গু ছেলেটি বালিতে বসে খেলছে। বালি দিয়ে বাড়ি-ঘর বানাচ্ছে। পাখি বানাচ্ছে।
তাকে পাখি বানাতে দেখে সে তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
-তুমিও কি পাখির মত আকাশে উড়ার স্বপ্ন দেখো?
-না। কিন্তু আমি আর সবার মতো হাঁটতে পারার স্বপ্ন দেখি, দৌঁড়ে গিয়ে বাবার কোলে ওঠার স্বপ্ন দেখি।
তার কথা শুনে ছেলেটি খুব কষ্ট পেল। সে বললো,
-আমরা কি বন্ধু হতে পারি?
-অবশ্যই আমরা বন্ধু হতে পারি।
এরপর তারা দুইজন মিলে প্রায় ঘন্টাখানেক খেললো । তারা মাটির প্রাসাদ বানালো, পাখি বানালো, দুজন মিলে অদ্ভুত অদ্ভুত শব্দ করলো। এক সময় পঙ্গু ছেলেটির বাবা হুইল চেয়ার নিয়ে ছেলেটিকে নিতে এলো। যে ছেলেটি পাখির মত উড়তে চাইতো সে পঙ্গু ছেলেটির বাবার কানে কানে কিছু একটা বললো। উত্তরে তিনি বললেন
-ঠিক আছে। আমার কোনো আপত্তি নেই।
ছেলেটি তখন তার পঙ্গু বন্ধুকে বললো,
-তুমি আমার একমাত্র বন্ধু। আমি যদি কিছু করতে পারতাম যাতে তুমি আর সবার মতো হাঁটতে আর দৌড়াতে পারতে তাহলে আমি খুব খুশি হতাম। কিন্তু আমি তো তা পারি না। কিন্তু আমি কিছু একটা করতে চাই।
এই বলে সে ঘুরে দাড়ালো এবং তার বন্ধুকে বললো তার পিঠে উঠে বসতে। সে উঠে বসলে ছেলেটি বালুর উপর দিয়ে ধীরে ধীরে দৌঁড়াতে শুরু করলো। দৌঁড়াতেই থাকলো। দৌঁড়ের গতি বাড়লে তাদের দুজনের মুখে সমুদ্রের বাতাস এসে ধাক্কা দিতে লাগলো।
দূর থেকে এই দৃশ্য দেখে তার বাবা চোখের পানি আটকে রাখতে পারলো না। পঙ্গু ছেলেটি খুশিতে তার দু হাত দুদিকে মেলে ঠিক একটি পাখির মতো উপরে নিচে করতে লাগলো এবং চিৎকার করে বলতে লাগলো, ''আমি উড়ছি, বাবা, আমি উড়ছি!''
অন্যের স্বপ্ন পূরণ করুন, আপনার স্বপ্ন নিজে নিজেই সত্যি হয়ে যাবে।
রেলগাড়িতে একজন অর্থনীতিবিদের সামনে বসে ছিল এক যুবক। যুবকের মুখে দুশ্চিন্তার ভাব ফুটে আছে। কিছুক্ষণের মধ্যে দু’জনের পরিচয় হল।
এক পর্যায়ে যুবকটি অর্থনীতিবিদকে বলল, ‘সাত বছর আগে আমি বিয়ে করেছি। আমার একটি ৫ বছরের মেয়ে আছে। আমার স্ত্রী আর আমি একই ক্লাশে পড়াশোনা করতাম। সে ভালো মানুষ। কর্মক্ষেত্রে আমিও যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছি। কিন্তু এক বছর আগে একটি সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে এবং আমি তাকে ভালবাসি।’
‘এ- পরিস্থিতিতে তুমি কী করবে বলে ঠিক করেছো?’ অর্থনীতিবিদ যুবককে জিঙ্গেস করলেন।
‘আমি আমার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাই। কিন্তু এখনো এ- ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। তাই ভয়ানক দুশ্চিন্তায় আছি।’
‘দুটোর মধ্যে একটি বাছাই করা সত্যিই সহজ কাজ নয়। এ- নিয়ে তোমার মনে যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাজ করছে তা খুবই স্বাভাবিক।’ এ- কথা বলে অর্থনীতিবিদ কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন; তারপর বললেন, ‘কিন্তু অর্থনীতির তত্ত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করলে তোমার সমস্যার সমাধান করা যায়। ধরা যাক, তুমি তোমার বসের হয়ে একটি বড় কাজ করলে। এখন তিনি তোমাকে পুরষ্কৃত করতে চান। তিনি তোমাকে দুটো পুরষ্কারের একটি বেছে নিতে বললেন। পুরষ্কার দুটি হচ্ছে: তোমাকে নগদ দুই লাখ টাকা দেয়া হবে; অথবা তিন বছর পর তোমাকে তিন লাখ টাকা দেয়া হবে। তুমি কোনটি নেবে?’
‘অবশ্যই আমি নগদ পুরষ্কারই নেবো’, যুবক কোনোকিছু না ভেবেই উত্তর দিল।
‘কেন?’ অর্থনীতিবিদ জিজ্ঞেস করলেন।
‘কারণ, ভবিষ্যত অনিশ্চিত। কে জানে কয়েক বছর পর কী ঘটবে? তিন বছর পর আমার বস না-ও থাকতে পারেন। অথবা তিন বছর পর টাকার মূল্যমানও হ্রাস পেতে পারে।’ যুবক বিজ্ঞের মতো জবাব দিল।
অর্থনীতিবিদ হেসে বললেন, ‘তুমি ঠিকই বলেছ। ভবিষ্যতের টাকার চাইতে বতর্মান টাকার মূল্য অনেক বেশী। ঠিক তেমনি, ভবিষ্যতের সুখের চাইতে বতর্মান সুখের মূল্য বেশী। কেননা, ভবিষ্যত সবসময় অনিশ্চিত। কে জানে ভবিষ্যতে হয়তো সেই সুন্দরী মেয়ে আর তোমাকে ভালোবাসবে না; তোমাদের দু’জনের সুসম্পর্ক তখন না-ও থাকতে পারে। তোমার বর্তমান স্ত্রী সম্পর্কে তুমি জানো;
সে তোমাকে ভালোবাসে এবং সে ভালো মানুষ। তাই তোমার উচিত বর্তমানের ওপর ভরসা করা, বর্তমান সুখকে আঁকড়ে ধরা; ভবিষ্যতের সুখের আশায় বর্তমান সুখকে ত্যাগ না করা।’
অর্থনীতিবিদের কথা শুনে যুবকের মনের সকল দ্বিধাদ্বন্দ্ব একমুহূর্তে দূর হয়ে গেল। সে বলল, ‘আমি পরের ষ্টেশনে নামবো। আমি আমার মেয়েবন্ধুর কাছে যাবো না, যাবো আমার স্ত্রীর কাছে। গোটা বিষয়টি এখন আমার কাছে দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে। আমাকে ভালো পরামর্শ দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।’
22/02/2016
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
DHAKA