01/10/2025
আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজা
============================
( অক্টোবর, ২০২৫ ইং মাসের আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজার সেহরীর শেষ সময়, ঢাকা) (*চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল )
=======================================
রোজা আল্লাহর প্রিয় ইবাদত। রোজা আল্লাহ তাআলার জন্য রাখা হয়। আর রোজার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দিবেন বা রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজেই বলে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন।
প্রতি চন্দ্র মাসে তিনটি রোজা রাখা মুস্তাহাব। দিনগুলো হলো আইয়ামুল বিজ তথা প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫তম দিন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো এ রোজাগুলো ছাড়তেন না। তিনি সব সময় আইয়ামে বিজের রোজা রাখতেন। এমনকি সফরেও। তবে রোজাগুলো ফজিলতপূর্ণ হলেও তিনি উম্মতের জন্য এ রোজাকে বাধ্যতামূলক করেননি।
হাদিসে পাকে এসেছে- ‘তুমি যদি (প্রতি) মাসে তিনটি রোজা রাখতে চাও, তাহলে তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরোতম দিনে রোজা রাখবে।’ (তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান, মুসনাদে আহমাদ)
হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখল; সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল।’
প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার দিন নফল রোযা রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব। কারণ, তা ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের আমল। আর এই দুই দিন আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। মা আয়ি’শাহ (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখাকে প্রাধান্য দিতেন।’ (তিরমিযী : ১০২৭)।
রাসূল (সা.) বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, রোযা থাকা অবস্থায় যেন আমার আমলনামা (আল্লাহর) কাছে পেশ করা হয়। (তিরমিযী : ৭৪৭)।
30/08/2025
আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজা
============================
( সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ইং মাসের আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজার সেহরীর শেষ সময়, ঢাকা) (*চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল )
=======================================
রোজা আল্লাহর প্রিয় ইবাদত। রোজা আল্লাহ তাআলার জন্য রাখা হয়। আর রোজার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দিবেন বা রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজেই বলে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন।
প্রতি চন্দ্র মাসে তিনটি রোজা রাখা মুস্তাহাব। দিনগুলো হলো আইয়ামুল বিজ তথা প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫তম দিন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো এ রোজাগুলো ছাড়তেন না। তিনি সব সময় আইয়ামে বিজের রোজা রাখতেন। এমনকি সফরেও। তবে রোজাগুলো ফজিলতপূর্ণ হলেও তিনি উম্মতের জন্য এ রোজাকে বাধ্যতামূলক করেননি।
হাদিসে পাকে এসেছে- ‘তুমি যদি (প্রতি) মাসে তিনটি রোজা রাখতে চাও, তাহলে তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরোতম দিনে রোজা রাখবে।’ (তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান, মুসনাদে আহমাদ)
হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখল; সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল।’
প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার দিন নফল রোযা রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব। কারণ, তা ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের আমল। আর এই দুই দিন আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। মা আয়ি’শাহ (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখাকে প্রাধান্য দিতেন।’ (তিরমিযী : ১০২৭)।
রাসূল (সা.) বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, রোযা থাকা অবস্থায় যেন আমার আমলনামা (আল্লাহর) কাছে পেশ করা হয়। (তিরমিযী : ৭৪৭)।
04/08/2025
আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজা
=====================================
( আগস্ট, ২০২৫ ইং মাসের আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজার সেহরীর শেষ সময়, ঢাকা)
(*চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল )
========================================
রোজা আল্লাহর প্রিয় ইবাদত। রোজা আল্লাহ তাআলার জন্য রাখা হয়। আর রোজার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দিবেন বা রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজেই বলে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন।
প্রতি চন্দ্র মাসে তিনটি রোজা রাখা মুস্তাহাব। দিনগুলো হলো আইয়ামুল বিজ তথা প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫তম দিন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো এ রোজাগুলো ছাড়তেন না। তিনি সব সময় আইয়ামে বিজের রোজা রাখতেন। এমনকি সফরেও। তবে রোজাগুলো ফজিলতপূর্ণ হলেও তিনি উম্মতের জন্য এ রোজাকে বাধ্যতামূলক করেননি।
হাদিসে পাকে এসেছে- ‘তুমি যদি (প্রতি) মাসে তিনটি রোজা রাখতে চাও, তাহলে তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরোতম দিনে রোজা রাখবে।’ (তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান, মুসনাদে আহমাদ)
হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখল; সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল।’
প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার দিন নফল রোযা রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব। কারণ, তা ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের আমল। আর এই দুই দিন আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। মা আয়ি’শাহ (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখাকে প্রাধান্য দিতেন।’ (তিরমিযী : ১০২৭)।
রাসূল (সা.) বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, রোযা থাকা অবস্থায় যেন আমার আমলনামা (আল্লাহর) কাছে পেশ করা হয়। (তিরমিযী : ৭৪৭)।
03/07/2025
আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজা
=====================================
( জুলাই, ২০২৫ ইং মাসের আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজার সেহরীর শেষ সময়, ঢাকা)
(*চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল )
========================================
রোজা আল্লাহর প্রিয় ইবাদত। রোজা আল্লাহ তাআলার জন্য রাখা হয়। আর রোজার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দিবেন বা রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজেই বলে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন।
প্রতি চন্দ্র মাসে তিনটি রোজা রাখা মুস্তাহাব। দিনগুলো হলো আইয়ামুল বিজ তথা প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫তম দিন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো এ রোজাগুলো ছাড়তেন না। তিনি সব সময় আইয়ামে বিজের রোজা রাখতেন। এমনকি সফরেও। তবে রোজাগুলো ফজিলতপূর্ণ হলেও তিনি উম্মতের জন্য এ রোজাকে বাধ্যতামূলক করেননি।
হাদিসে পাকে এসেছে- ‘তুমি যদি (প্রতি) মাসে তিনটি রোজা রাখতে চাও, তাহলে তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরোতম দিনে রোজা রাখবে।’ (তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান, মুসনাদে আহমাদ)
হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখল; সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল।’
প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার দিন নফল রোযা রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব। কারণ, তা ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের আমল। আর এই দুই দিন আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। মা আয়ি’শাহ (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখাকে প্রাধান্য দিতেন।’ (তিরমিযী : ১০২৭)।
রাসূল (সা.) বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, রোযা থাকা অবস্থায় যেন আমার আমলনামা (আল্লাহর) কাছে পেশ করা হয়। (তিরমিযী : ৭৪৭)।
01/06/2025
আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজা
=====================================
( জুন, ২০২৫ ইং মাসের আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজার সেহরীর শেষ সময়, ঢাকা)
(*চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল )
========================================
রোজা আল্লাহর প্রিয় ইবাদত। রোজা আল্লাহ তাআলার জন্য রাখা হয়। আর রোজার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দিবেন বা রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজেই বলে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন।
প্রতি চন্দ্র মাসে তিনটি রোজা রাখা মুস্তাহাব। দিনগুলো হলো আইয়ামুল বিজ তথা প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫তম দিন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো এ রোজাগুলো ছাড়তেন না। তিনি সব সময় আইয়ামে বিজের রোজা রাখতেন। এমনকি সফরেও। তবে রোজাগুলো ফজিলতপূর্ণ হলেও তিনি উম্মতের জন্য এ রোজাকে বাধ্যতামূলক করেননি।
হাদিসে পাকে এসেছে- ‘তুমি যদি (প্রতি) মাসে তিনটি রোজা রাখতে চাও, তাহলে তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরোতম দিনে রোজা রাখবে।’ (তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান, মুসনাদে আহমাদ)
হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখল; সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল।’
প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার দিন নফল রোযা রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব। কারণ, তা ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের আমল। আর এই দুই দিন আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। মা আয়ি’শাহ (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখাকে প্রাধান্য দিতেন।’ (তিরমিযী : ১০২৭)।
রাসূল (সা.) বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, রোযা থাকা অবস্থায় যেন আমার আমলনামা (আল্লাহর) কাছে পেশ করা হয়। (তিরমিযী : ৭৪৭)।
30/05/2025
জিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ দিন শ্রেষ্ঠতম দিন
===========================
হিজরি ক্যালেন্ডারের সর্বশেষ মাস জিলহজ্ব। এ মাসের প্রথম দশ দিন গুরুত্বপূর্ণ সময়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ জিলহজ্ব মাসের দশ রাতের শপথ করেছেন। আল্লাহ বলেন,
وَ الۡفَجۡرِوَ لَیَالٍ عَشۡرٍ وَّ الشَّفۡعِ وَ الۡوَتۡرِ
শপথ ভোরবেলার, শপথ দশ রাতের, শপথ জোড় ও বেজোড়ের। (সুরা ফাজর: ১-৩)
জাবের (রা.) আনহু বৰ্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, এ আয়াতে দশ হচ্ছে জিলহজ মাসের দশদিন, বেজোড় হচ্ছে আরাফার দিন আর জোড় হচ্ছে কোরবানির দিন। (মুসনাদে আহমদ: ৩/৩২৭)
অন্যদিকে হাদিসে এ মাসের প্রথম ১০ দিনকে শ্রেষ্ঠতম দিন বলা হয়েছে। যেমন হজরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘এমন কোনো দিন নেই যার আমল জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল থেকে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় হবে।’ প্রশ্ন করা হলো, ‘হে আল্লাহর রাসূল সা.! আল্লাহর পথে যুদ্ধ করা থেকেও কি অধিক প্রিয়?’ রাসূল সা. বললেন, ‘হ্যাঁ, যুদ্ধ করা থেকেও অধিক প্রিয়। তবে যদি এমন হয় যে ব্যক্তি তার জানমাল নিয়ে আল্লাহর পথে বের হলো এবং এর কোনো কিছুই ফেরত নিয়ে এলো না।’ (বুখারি ও তিরমিজি)
বছরে যতগুলো মর্যাদাপূর্ণ দিন আছে তার মধ্যে এ দশ দিনের প্রতিটি দিন হল সর্বোত্তম। যেমন এ দশ দিনের অন্তর্গত কোন জুমা’র দিন অন্য সময়ের জুমা’র দিন থেকে উত্তম বলে বিবেচিত হবে।
এ দশ দিন যে কোনো নফল আমলেরই সওয়াব বেড়ে যায়। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, অন্যান্য যে কোনো সময়ের তুলনায় জিলহজের প্রথম দশ দিনের নেক কাজ আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়। (সহিহ বুখারি: ৯৬৯)
রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, জিলহজ্ব মাসের প্রথম দশকে ইবাদত বন্দেগী করা আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়। এর প্রতিটি রোযা এক বৎসর রোযা রাখার সমান সওয়াব রাখে। আর প্রতি রাতের ইবাদত শবে কদরের ইবাদতের সমান সওয়াব রাখে। (তিরমিজি- ৭৫৮)
আরাফা তথা জিলহজের নয় তারিখের রোজা। এই দিনে রোজা রাখার সর্বাধিক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। যেমন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন- আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহ পাকের কাছে আশাবাদী যে, তিনি এর দ্বারা এক বছর আগের এবং এক বছর পরের অর্থাৎ দুই বৎসরের গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।(তিরমিজি: ৭৪৯)
কোরবানি সবার উপর ওয়াজিব হয় না। যাদের উপর যাকাত ওয়াজিব হয়, তাদের উপর কোরবানিও ওয়াজিব হয়। সুতরাং যারা কোরবানি দেওয়ার উপযুক্ত নয়। সামর্থ্যবান না থাকার কারণে, তারা আল্লাহ তাআলার নৈকট্য কিংবা সওয়াব অর্জন থেকে বঞ্চিত হওয়া স্বাভাবিক। তাই সামর্থ্যহীন যেন এত বড় সওয়ার থেকে বঞ্চিত না হয়, এইজন্য জিলহজের প্রথম দশকে আল্লাহ তাআলা এমন কিছু আমল নির্ধারণ করে দিয়েছেন যা সঠিকভাবে আদায় করলে পূর্ণ কোরবানির সওয়াব পাওয়া যায়।
আমলগুলো হলো জিলহজের চাঁদ উদিত হওয়ার পর থেকে নিয়ে কোরবানির পশু জবেহ করা পর্যন্ত নিজের নখ, কোন প্রকার চুল এবং গোঁফ ছোট করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা। এ আমল করলে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে একটি পূর্ণ কোরবানির সওয়াব দান করবেন। সুতরাং সামর্থবানরা কোরবানি করার পাশাপাশি এই আমলটি করলে সে দুই কোরবানির সওয়াব পাবে।
সুতরাং, সামর্থ্যহীনরাও এই আমলের মাধ্যমে কোরবানির সওয়াব অর্জন করতে পারবে, ইনশাআল্লাহ।
01/05/2025
আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজা
=====================================
( মে, ২০২৫ ইং মাসের আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজার সেহরীর শেষ সময়, ঢাকা)
(*চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল )
========================================
রোজা আল্লাহর প্রিয় ইবাদত। রোজা আল্লাহ তাআলার জন্য রাখা হয়। আর রোজার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দিবেন বা রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজেই বলে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন।
প্রতি চন্দ্র মাসে তিনটি রোজা রাখা মুস্তাহাব। দিনগুলো হলো আইয়ামুল বিজ তথা প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫তম দিন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো এ রোজাগুলো ছাড়তেন না। তিনি সব সময় আইয়ামে বিজের রোজা রাখতেন। এমনকি সফরেও। তবে রোজাগুলো ফজিলতপূর্ণ হলেও তিনি উম্মতের জন্য এ রোজাকে বাধ্যতামূলক করেননি।
হাদিসে পাকে এসেছে- ‘তুমি যদি (প্রতি) মাসে তিনটি রোজা রাখতে চাও, তাহলে তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরোতম দিনে রোজা রাখবে।’ (তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান, মুসনাদে আহমাদ)
হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখল; সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল।’
প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার দিন নফল রোযা রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব। কারণ, তা ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের আমল। আর এই দুই দিন আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। মা আয়ি’শাহ (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখাকে প্রাধান্য দিতেন।’ (তিরমিযী : ১০২৭)।
রাসূল (সা.) বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, রোযা থাকা অবস্থায় যেন আমার আমলনামা (আল্লাহর) কাছে পেশ করা হয়। (তিরমিযী : ৭৪৭)।
07/04/2025
আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজা
=====================================
( এপ্রিল, ২০২৫ ইং মাসের আইয়ামুল বিজ* ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজার সেহরীর শেষ সময়, ঢাকা)
(*চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল )
========================================
রোজা আল্লাহর প্রিয় ইবাদত। রোজা আল্লাহ তাআলার জন্য রাখা হয়। আর রোজার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দিবেন বা রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজেই বলে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন।
প্রতি চন্দ্র মাসে তিনটি রোজা রাখা মুস্তাহাব। দিনগুলো হলো আইয়ামুল বিজ তথা প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫তম দিন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো এ রোজাগুলো ছাড়তেন না। তিনি সব সময় আইয়ামে বিজের রোজা রাখতেন। এমনকি সফরেও। তবে রোজাগুলো ফজিলতপূর্ণ হলেও তিনি উম্মতের জন্য এ রোজাকে বাধ্যতামূলক করেননি।
হাদিসে পাকে এসেছে- ‘তুমি যদি (প্রতি) মাসে তিনটি রোজা রাখতে চাও, তাহলে তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরোতম দিনে রোজা রাখবে।’ (তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান, মুসনাদে আহমাদ)
হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখল; সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল।’
প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার দিন নফল রোযা রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব। কারণ, তা ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের আমল। আর এই দুই দিন আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। মা আয়ি’শাহ (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখাকে প্রাধান্য দিতেন।’ (তিরমিযী : ১০২৭)।
রাসূল (সা.) বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, রোযা থাকা অবস্থায় যেন আমার আমলনামা (আল্লাহর) কাছে পেশ করা হয়। (তিরমিযী : ৭৪৭)।
01/02/2025
আইয়ামুল বিজ ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজা
=====================================
( ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ইং মাসের আইয়ামুল বিজ ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজার সেহরীর শেষ সময়, ঢাকা) - (*চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল )
========================================
রোজা আল্লাহর প্রিয় ইবাদত। রোজা আল্লাহ তাআলার জন্য রাখা হয়। আর রোজার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দিবেন বা রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজেই বলে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন।
প্রতি চন্দ্র মাসে তিনটি রোজা রাখা মুস্তাহাব। দিনগুলো হলো আইয়ামুল বিজ তথা প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫তম দিন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো এ রোজাগুলো ছাড়তেন না। তিনি সব সময় আইয়ামে বিজের রোজা রাখতেন। এমনকি সফরেও। তবে রোজাগুলো ফজিলতপূর্ণ হলেও তিনি উম্মতের জন্য এ রোজাকে বাধ্যতামূলক করেননি।
হাদিসে পাকে এসেছে- ‘তুমি যদি (প্রতি) মাসে তিনটি রোজা রাখতে চাও, তাহলে তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরোতম দিনে রোজা রাখবে।’ (তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান, মুসনাদে আহমাদ)
হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখল; সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল।’
প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার দিন নফল রোযা রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব। কারণ, তা ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের আমল। আর এই দুই দিন আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। মা আয়ি’শাহ (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখাকে প্রাধান্য দিতেন।’ (তিরমিযী : ১০২৭)।
রাসূল (সা.) বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, রোযা থাকা অবস্থায় যেন আমার আমলনামা (আল্লাহর) কাছে পেশ করা হয়। (তিরমিযী : ৭৪৭)।
02/01/2025
আইয়ামুল বিজ ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজা
========================================
(জানুয়ারী, ২০২৫ ইং মাসের আইয়ামুল বিজ ও সোম-বৃহস্পতিবারের রোজার সেহরীর শেষ সময়, ঢাকা) - (*চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল )
========================================
রোজা আল্লাহর প্রিয় ইবাদত। রোজা আল্লাহ তাআলার জন্য রাখা হয়। আর রোজার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দিবেন বা রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজেই বলে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন।
প্রতি চন্দ্র মাসে তিনটি রোজা রাখা মুস্তাহাব। দিনগুলো হলো আইয়ামুল বিজ তথা প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫তম দিন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো এ রোজাগুলো ছাড়তেন না। তিনি সব সময় আইয়ামে বিজের রোজা রাখতেন। এমনকি সফরেও। তবে রোজাগুলো ফজিলতপূর্ণ হলেও তিনি উম্মতের জন্য এ রোজাকে বাধ্যতামূলক করেননি।
হাদিসে পাকে এসেছে- ‘তুমি যদি (প্রতি) মাসে তিনটি রোজা রাখতে চাও, তাহলে তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরোতম দিনে রোজা রাখবে।’ (তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান, মুসনাদে আহমাদ)
হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখল; সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল।’
প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার দিন নফল রোযা রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব। কারণ, তা ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের আমল। আর এই দুই দিন আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। মা আয়ি’শাহ (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখাকে প্রাধান্য দিতেন।’ (তিরমিযী : ১০২৭)।
রাসূল (সা.) বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, রোযা থাকা অবস্থায় যেন আমার আমলনামা (আল্লাহর) কাছে পেশ করা হয়। (তিরমিযী : ৭৪৭)।
15/12/2024
কোরআনের দোয়া
-------------------------
সুরা বাকারাহ্ আয়াত-২০১
-------------------------
আবদুল্লাহ ইবনে সায়েব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কাবার দুই রুকনের মাঝখানে এ দোআ বলতে শুনেছি। [আবু দাউদ: ১৮৯২] আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রায়ই এ দো'আ করতেন। [বুখারী ৪৫২২, মুসলিম: ২৬৯০]
নবী করীম (সাঃ) খুব বেশী বেশী এই দু’আ পড়তেন। তাওয়াফের সময় রুকনে ইয়ামানী এবং হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে ‘রাব্বানা আ-তিনা ফিদ্দুনয়া হাসানাহ--- পড়া সুন্নত।
, , ,