ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের অন্তর্গত ‘প্রযুক্তি ইউনিট’-এর ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আজ ৩০ নভেম্বর ২০১৮ শুক্রবার সকালে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কার্জন হল ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসময় তাঁর সাথে প্রযুক্তি ইউনিটের সমন্বয়ক এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান এবং নিটারের সম্মানিত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মোট ১৬টি কেন্দ্রে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রযুক্তি ইউনিটে ১০২৫টি আসনের বিপরীতে ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭,৪২৭জন।
--------------------
(মাহমুদ আলম)
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সোর্সঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট
STEC. Faculty Of Engineering And Technology, University Of Dhaka
It is a Institute under faculty of Engineering And Technology ,University of Dhaka.
16/05/2018
আমিরা শোকাহত
03/01/2018
২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য..😊
👚👕👖টেক্সটাইল গাইড লাইন 👚👕👖
#প্রথম ২ বছরে যারা গুছিয়ে নিয়েছ তারা তো ভাল , কনফিডেন্স বেড়ে গিয়েছে । আর যারা গোছাতে পার নাই তারা হতাশ না হয়ে ধৈয্য ধরে নতুন করে শুরূ কর । শেষ ২ টা বছর নিজেকে তৈরির জন্য অনেকটা সময় পাবে ।
#রেজাল্ট যাদের খারাপ চেষ্টা করবা তার থেকে যেন এই ২ বছরে আর খারাপ না হয়।৩.২৫-৩.৫০ এভারেজ রেজাল্ট থাকা ভাল । এই ২ বছরে ম্যাক্সিমাম সাবজেক্ট টেক্সটাইল রিলেটেড।তাই ফাঁকি না দেওয়াই ভাল।এখন ফাঁকি দিলে আর এই জিনিস জানতে পারবে না ।আর নিজে থেকে তোমাদের জানার আগ্রহ কতটুকু তা আমরা জানি ।
#একটা সুন্দর সিভি তৈরি কর । দরকার হলে এক সপ্তাহ এক্সপেরিমেন্ট কর
টিচারদের সাহায্য নেও।বড় ভাইদের কাছ থেকে তাদের সিভি নিয়ে দেখ ।তারপর একটা মাষ্টারপিস সিভি তৈরি কর ।একটা ভাল সিভি সব সময় তোমাকে এগিয়ে রাখবে । এরপর সিভিটার একটা পিডিএফ & একটা মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড কপি পারসোনাল মেইলে রেখে দেও ।
( শুধু সিভি নিয়ে একটা লেখার চেষ্টা করব যদি সময় পায় )
#সিভি তৈরির পর বিডি জবস, জবস বিডি, লিন্ক ইন এ একাউন্ট খুলে ফেলো । এরপর সুন্দর করে সাজাও । সিভিতে তোমার সব ইনফরমেশন আছে ।শুধু কপি পেষ্ট করবে ।এক্ষেত্রে সবাই আলশেমি করে । জবের আগে সিভি তৈরি করতে যেয়ে ঝামেলায় পরে । তারপর ফালতু একটা সিভি বানিয়ে ট্রাই করে । শুধু ভাল একটা সিভির কারনে তুমি শর্টলিষ্ট থেকে বাদ পরতে পার ।
#সব বানানো হয়ে গেলে সপ্তাহে অন্তত একটা দিন ডুকে টেক্সটাইল জব গুলো দেখতে থাক , এতে অন্তত ৫০ টা কোম্পানির নাম মুখস্ত হবে । কোন ধরনের সারকুলার বেশী হয় .? এক্সপেরিয়েন্স কত বছর চায় .? জবের কি কি রিসপনসিবিলিটি চায় তা পড় । তারপর ভেবে দেখো সেগুল জানো কিনা ..! কোনগুল জানো না নোট কর ..! তারপর স্যারের জিজ্ঞেস কর, বড় ভাইদের হেল্প নেও , গ্রুপ স্টাডি কর ।
#কম্পিউটারের এক্সেল, ওয়ার্ড , পাওয়ার পয়েন্ট খুব ভাল করে শিখে নেও । এক্সেলে ভাল হলে ৭০% জব হওয়ার চান্স থাকে । একটা স্যুট , ফরমাল প্যান্ট-শার্ট বানিয়ে নেও । প্রত্যেকটা প্রেজেনটেশনে ব্যাবহার কর ।এতে ফরমালের সাথে এডজাস্ট হয়ে যাবে । জব ইন্টারভউতে জিন্স, গ্যাবাডি, লোফার না ব্যাবহার করাই ভাল । জব হয়ে গেলে তারপর ব্যাবহার কর ।
#বড় ভাইদের সাথে দেখা কর । আবার বলছি দেখা কর । তাদের অত সময় নাই ফেসবুকে চ্যাট করার । আর ফ্রাইডে তে তাদের একটু ঘুম, পারসোনাল কাজ থাকতে পারে । তোমার তো প্রতিদিন ক্লাস থাকে না । নারায়নগন্জ, ভালুকা, সাভার, মানিকগঞ্জ , গাজিপুর যেখানেই হক না কেন , ২ টা বন্ধু মিলে ঘুরে আস । এক কাপ চা খাও ভাইদের সাথে । একটু আড্ডা দেও । ভয় নেই তোমাদের বিল দিতে হবে না । আমাদের ভাইয়ারা অনেক উদার। এতে ভাইদের কাজের ফাকে রিফ্রেশমেন্ট আসবে আর তোমার ফেস ও পরিচিত হবে ।কোন কোন ভাই হয়ত সুযোগ থাকলে ফ্যাক্টরিটাও ঘুরিয়ে দেখাতে পারে । আর কোন ফ্রেন্ড যেতে চায় না এই অজুহাত দিও না ।পেট তোমার, ক্ষুধাও তোমার , খাবারের ব্যাবস্থা তোমাকেই করতে হবে ।
#ম্যাক্সিমাম বড় ভাইদের কেউ চিনে না । এমন কিছু বড় ভাই খুঁজে বের কর যারা ভাল পজিশনে কিন্তু লোক চক্ষুর আরালে থাকে। তাদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারলে আর তোমার টেনশন থাকবে না । নাম বলব না, আজ আমার এই অবস্থান এমন এক বড় ভাইয়ের কষ্টের ফসল ।অন্য এক জন ভাই আমার এক ব্যাচমেটকে অনেক স্ট্রাগল করে প্রাই জোর করে জয়েন্ট করিয়েছে । এক ব্যাচমেটকে একই ফ্যাক্টারিতে ৪ বার ইন্টারভিও দেওয়াইছে । ফ্রেন্ডের ব্যাড লাকের জন্য জব হয় নাই । এগুল খুব কাছ থেকে দেখা ।
#সেমিনার, ওয়ার্কশপ, টেক্সটাইল ফেয়ার এটেন্ড কর ।কখোনো বন্ধুর ভরসায় থাকবে না । তুমি তোমার বন্ধুকে জোর করে নিয়ে যাবে । না হলে একা যাও । বাট পিছিয়ে থেকো না । ফোন নাম্বার একটা নিদৃষ্ট করে ফেল । না সুযোগ আসলেও পিছলিয়ে যাবে ।
#১১ শেমিষ্টারে ওঠা মাত্রই অন লাইনে জব এপ্লাই করতে থাকবা । বড় ভাইদের মেইল আইডি নিয়ে এক কপি সিভি দিয়ে রাখ । জব প্রিপারেশন শুরূ কর । ব্যাসিক নলেজের উপর জোর দেও । এটা তোমার ইন্টারনি, ইউনিভার্সিটি ভাইভাতেও হেল্প করবে ।কপাল ভাল থাকলে ইন্টারনির আগেই জব পেয়ে যেতে পার । এটা কল্পনা নয়, বাস্তব ।
#ইন্টার্নিতে অনেক শেখার সুযোগ আছে । ম্যাক্সিমামরা রেগুলার ফ্যাক্টারিতে যায় না । এমন ও তো হতে পারে তোমার ইন্টার্নির পারফরমেন্স দেখে ওরা তোমাকে জব অফার করল । কোন কিছুই অসম্ভব না । কিন্তু এখানে ফাঁকি দিলে আর কবে শিখবে ? রেগুলার ফ্যাক্টারিতে ২ মাস গেলে তোমার একটা অফিসিয়াল চেন্জ আসবে । এটা জবের জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ ।
#এত কিছুর পরেও হয়ত অনেকের জব হতে একটু দেশি হয় । টেনশন করার কিছু নেই । জব তোমার হবেই । ম্যাক্সিমামরা চেষ্টা করে শেষের দিকে । আর তখন ই ধরা খায় । একটু আগে থেকে সচেতন হলে তোমার ক্যারিয়ার শুরূ করতে বেশী সময় লাগবে না ।
#মোটকথা এই ২ বছরে আলশেমির কোন সুযোগ নেই, নিজেকে পিছিয়ে ফেলতে চাইলে সেটা তোমার ব্যাক্তিগত ব্যাপার । নিজের ক্যারিয়ার নিজেই গড়তে হয় ।নিজেকে এমন ভাবে প্রস্তুত কর যেন একটা ইনটারভিউ যথেষ্ট তোমার চাকরির জন্য । প্রস্তুতি খারাপ থাকলে ১০ টা ইনটারভিউ দিলেও কাজ হয় না ।
সকলের জন্য শুভ কামনা রইল।
01/11/2017
টেক্সটাইল ক্যারিয়ার প্লানিং করার আগে বিষয় গুলি জেনে রাখা খুবিই দরকার,,,
টেক্সটাইল সেক্টর এর সেলারি ও ইনক্রিমন্ট ফ্যাসিলিটি ,সুবিধা, অসুবিধা বিষয়ে যদি অগ্রিম ধারনা থাকলে বিষয় গুলি Carrier সম্পর্কে প্লান কারে আগাতে ভালো ভুমিকা পালন করে কারন একটি ভুল সিদ্ধত আপনার ক্যারিয়ার কে নস্ট করে দিতে পারে।
জেনে নেয়া যাক কিছু বাস্তব কিছু বিষয় যা আমাদের সেক্টরে বাস্তবে ঘটছেঃ
১. একমাত্র Foreign Buyeing House and Multi National Company EPZ তারা ভাল জব এর সুযোগ সুবিধা দেয়, এদের পরিবেশ কর্পোরেট জব গুলির মতো
যেমন :
1. Fastival Bonous
2. Profit Bonous
3.Overtime for stuff
4.Lunch
5. Translation
6.Dormitory
7. All Govt Holydays
8. 2 days weekend
9. 8 hr duty
10. provident fund
২. Third party Testing House টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার দের জন্য ভাল ( Interteck, Buru Varitas, TUB Sud, SGS ), এখানে জবের জন্য আছে আসাধারন কর্ম পরিবেশ। তবে ইনিশিয়াল স্যালারি মোটামোটি কম।
৩. ভালো কম্পানির বেতন সব সময় কম হয়, তবে অন্য কথাও গেলে তার সঠিক মুল্য পাওয়া যায় । তাই যে কোন ভালো কম্পানিতে নুনতম ২-৪ বছর থাকা উচিত, বের হলে পোস্ট নিয়ে বের হতে হবে ।
৪. নতুন চাকুরি পেয়ে পুরাতান চাকুরি ছাড়া উচিৎ, একটা চাকুরী কনফার্ম না করে অন্যটা ছাড়া যাবে না ।
৫. যারা মানুষিক চাপ নিতে পারবা না তারা টেক্সটাইল ফেকাল্টি জব গুলি বেস্ট চয়েস ।
৬. টেক্সটাইল সেক্টরে কাজের মুল্যায়ন হয় দুই তিন বছর পর থেকে, তাই জব এ ঢুকা মাত্র ভাল সেলারি আশা করা নিরবুদ্ধিতার পরিচয় আর কোম্পানি গুলি দেয় ও না ।
৭. সেলারি আশা করার আগে ভাবতে হবে আমি Company কে কি দিচ্ছি Company আমার জন্য কতটুকু Benifited বারে বারে ট্রেক সুইচ করা যাবে না .
৮. Personal Refarance এ কখনো ভাল বেতন পাওয়া যায় , Interview দিয়ে পাওয়া জব এর সেলারি বেশি না ।
৯. যত ভাল কম্পানি হোক না কেনো Starting Salary 7000 -8000-10000-12000 BSc Diploma 6000, তাও এটা দেয়া হয় ইন্সটিটিউশন বেছে বেছে সরকারি গুলি এক রকম আর বেসরকারী গুলি আরেক রকম ফিক্সড স্টেন্ডার্ড এখনো হয়নি।
১০. প্রতি বছর Increment বা সেলারি বাড়ার হার ১৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা। Manager post এর জন্য ১০০০০ থেকে ১৫০০০ হাজার টাকা।
১১. স্টাফ বা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রথম সেলারি পেতে ৪৫ দিন লাগে এটা কমন বিষয় এটা মেনে কাজ করতে হবে ।
১২. মাঝে মাঝে ব্যাংক গুলুতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নেয় এই গুলিতে আ্যপ্লাই কারা উচিৎ।
১৩. বেশিরভাগ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার কে দেখা যায় একটি জব পেয়ে তা কস্টের কারনে ছেড়ে দিচ্ছে এটা মোটে ঠিক না কারন কস্ট, বকা, রাগারাগি ছাড়া কোন জব টেক্সটাইল জব নেই বল্লেই চলে । এমনকি জি ম GM হলেও মালিক এর হাতে বকা খাওয়া Must.
১৪. টেক্সটাইল এ জব করতে লজ্জা ও আত্ত স্মমান কিছু টা কম থাকতে হয়, আর তা থকলে জব করা যাবে না, করন এখানে কথায় কথায় স্লেজইং হয় ।
১৫. কারও কথায় রাগ হলে আমার মনে হয় টেক্সটাইল এ অই ইঞ্জিনিয়ার জীবনে জব করতে পারবে না।
১৬. Technical Knowledge এর পাশা পাশী কিছু গুন জব করতে উপকার দেবে.... বকা দেয়া, রাগ কারা, উচ্চ কন্ঠস্বর,মানুষ পরিচালনা ।
১৭. টেক্সটাইল সেক্টর এ Straight
Forward কথা বলা লোকের দাম বেশি, বিড়াল এর ন্যায় মেউ মেউ করলে আপনি অনেক দুর্ভোগে পড়বেন ।
১৮. টেক্সটাইল এ আনেক খারাপ লোক থাকবে তাদের সাথে Clash এ না গিয়ে তাদের সাথে মিল দিয়ে থাকলে তারা আপনাকে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করবে ভালো লোক তা করবে না, এটা আমাদের প্রডাকশন জব এর কালচার ।
১৯. বিপদ দেখলে ভাগবেন না কারন টেক্সটাইলে যারা ভাল করেছে তারা বিপদে বুদ্ধি মানের মত ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করে যা কোম্পানি চায়।
২০. সুসম্পর্ক রাখা টেক্সটাইল সেক্টর এর জন্য খুব দারকারি, কারন সবাই তার বিশ্বস্ত লোক নেয়া কাজ করতে চায়, কারন প্রডাকশন জব টিম ওয়ার্ক এখনে বিশ্বস্ত লোক না হলে পদে পদে সমস্যায় পড়বেন ।
২১. কেও আপনাকে রাগ করছে কাজের জন্য আপনি ভাবছেন আপনাকে উনি পচ্ছন্দ কারেন না আর বাস্তবতা হচ্ছে উনি আপনাকে কাজ শেখাতে চাইচে আর বকা দিলে আপনি দ্রুত কাজ শিখবেন আর দ্রুত প্রডাকশনে সাপোট দিতে পারবেন ।
২২. সব সময় আপনার সিনিয়র এ প্রাধান্য দিবেন আর যা বলবে তা শুনবেন উনি যদি বোঝে আপনি বিশ্বস্ত এবং লয়াল তবেই আপনাকে কাজ শেখাবে ইউনিভার্সিটি আর ইউনিভার্সিটির সিনিয়র খুঁজতে যাবেন না ভুলেও সবাই ভাই মিলে মিশে কাজের মানূষিকতা তৈরি করতে হবে।
২৩. টেক্সটাইল জব করে ফিউচারে বিজনেস করতে চাইলে আগে মার্কেটিং, মার্চেন্ডাজিং, ডাইংয়ে জব করুন।
২৪. টেক্সটাইলে জব করে গাড়ি আর এসি অফিস, বিদেশে ভ্রমন করতে চাইলে মার্কেটিং, মার্চেন্ডাজিং জবে ঢোকেন কারন প্রডাকশনে এই ফ্যাসিলিটি পাবেন না।
২৬. ফরেইনার বায়ার এর লিয়াজু অফিসে জব পেলে জব করবেন কিন্তু একান্ত সমস্যা না হলে লোকাল বাইং হাউসে ভুলেও জয়েন করবেন না কারন এতে জব সিকিউরিটি নাই ।
২৯. শিফটিং ৮,১২ ঘন্টার ৮ ঘন্টার শিফটিং এর জব করুন, জব কে এনজয় করতে পারবেন ।
৩০. জব প্রয়োজন হলে কন্ডিশন, সার্টিফিকেট জমা রাখার কথা ভাববেন না।
৩১. টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার রা এখন BCS, নন ক্যাডার গভমেন্ট জব, ব্যাংক গুলিতে অহরহ ঢুকছে, টেক্সটাইল এর স্যালারি, প্ররিশ্রম, জব সিকিউরিটি, পরিবেশ এর কারনে এখন মেক্সিমাম ট্রেক চেইঞ্জ করছে ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
14/26, Shahjahan Road, Town Hall(Near Kacha Bazar), Mohammadpur
Dhaka
1207
Opening Hours
| Monday | 08:00 - 17:00 |
| Tuesday | 08:00 - 17:00 |
| Wednesday | 08:00 - 17:00 |
| Thursday | 08:00 - 17:00 |
| Saturday | 08:00 - 17:00 |
| Sunday | 08:00 - 17:00 |