ঈমানী জাগরণ (Revolution of Imaan )

ঈমানী জাগরণ (Revolution of Imaan ) এই পেজের সদস্য হওয়ার পর পেজটি শেয়ার করুন এবং মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন।

ইসলাম এক ঐশী জীবন বিধান আর মুসলিম উম্মাহ হল সে জীবন বিধানের ধারক, বাহক । কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, মুসলিম জনসাধারণ ই শুধু নয় বরং ওলামা ও মাশায়েখগন পর্যন্ত অবহেলা উদাসীনতায় এ মহান সত্য সম্পূর্ণ বিস্মৃত হয়ে পরেছেন । ফলে মুসলমানরা ও আজ পৃথিবীর অন্য জনগোষ্ঠীর মত নিজেদের কে নিছক একটি জাতি রূপে ধারনা করে থাকে।
একদল তাদের জাতিসত্তার সৌধ নির্মাণ করেছে রাষ্ট্রীয় সিমারেখার উপর অন্যদল ভাষা,বর্ণ বা রক্ত বৈশিষ্টের উপর। মুসলিম সমাজে যাদের কিছুটা বোধ ও বুদ্ধি আছে তারা খুব বেশি হলে এই মনেকরেন যে মুসলমানদের জাতিসত্তা অঞ্চল ও ভাষা ভিত্তিক নয় বরং এক ধর্ম ভিত্তিক। অথচ প্রকৃত সত্য তাদের ও চিন্তা রেখার বহু উপরে । আর তা এই যে , মুসলমান হল পৃথিবীর বুকে আল্লাহর পক্ষ হতে এক বিশেষ পয়গাম ( বানী) বহন কারি দল , যাদের একমাত্র জীবন কর্তব্য হল এ পয়গাম কে রক্ষা করা এবং সার্বজনীন প্রচারের মাধ্যমে এর প্রসার ঘটান ।এ পরগাম ও জিবনবিধান গ্রহণকারীরা ভাষা বর্ণ ও রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো এর অনেক উপরে সুনির্দিষ্ট দায়দায়িত্ব সম্পন্ন এক বৃহৎ পরিবার। এ পরিবার বন্ধন ই হল তাদের জাতীয়তা এবং এখানেই মুসলিম জাতীয় সত্ত্বার স্বাতন্ত্র্য ও বৈশিষ্ট্য।
এ পরম সত্য অনুধাবনের পর মুসলিম জাতীয় উম্মাহর সর্বপ্রধান কর্তব্য হল পূর্ণ জ্ঞান অর্জন পূর্বক এই ঐশী পয়গাম অনুসরন করা এবং তালীম ও দাওয়াতের মাধ্যমে এর প্রচার প্রসারে আত্ম নিয়োগ করা ।
কিন্তু পরিতাপের বিষয় যে, মাত্র এক শতাব্দির ব্যবধানে ই মুসলিম উম্মাহ তাদের এই জাতীয় দায়িত্ব একদম ই ভুলে গিয়েছিল। আমাদের শাসকবর্গ দেশ জয় ও দেশ শাসনে তুষ্ট ছিলেন এবং রাজস্ব সম্পদের স্রোতে গা ভাসান এবং বিলাস ভোগ করাকেই জীবনের সার্থকতা ভেবে বসেছিলেন । আলীম ওলামা ও জ্ঞান সেবীরা পঠন পাঠন ও অধ্যয়নেই পরিতৃপ্ত ছিলেন । অন্যদিকে মাশায়েখ ও সুফিগন দরবেশগন খানকার ভাবগম্ভির পরিবেশেই আত্ম সমাহিত ছিলেন । জীবনের কোলাহল ও জিন্দেগির তুফান থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য ।
ফল এই দাঁড়াল যে নেতৃত্ব ও পথ নির্দেশনাহীন মুসলিম উম্মাহ তার নিজস্ব অবস্থা ও অবস্থান সম্পর্কে গাফেল ও বেখবর হয়ে গেলো এবং উম্মাহর সকল শ্রেণীর দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হারিয়ে গেলো ।
তাই এই মুহূর্তে দরকার এক জাগরনের .............. সকল মুসলমানের ভিতরে যেই ঈমান আছে তার জেগে উঠা প্রয়োজন .........তাই আমাদের সাথেই থাকুন......ঈমানী জাগরনে...............।জাজাকাল্লাহ

লিঙ্কঃhttp://www.facebook.com/jagoron.imaan

12/08/2021

ধর্মীয় শিক্ষা মানুষকে উন্নত মূল্যবোধ শেখায় অধর্ম শেখায় অনাচার।সেটা যেকোন ধর্মই হোক।ব্যক্তিগত চরিত্রহীণতা বা অনাচারী জীবন যাপনে ধর্ম একটা প্রতিবন্ধকতা বটে।সেক্ষেত্রে এর পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্হান নেয়া তার জীবনবোধকে পরিচয় করিয়ে দেয়।
মধু ছিটিয়ে দিলে মৌমাছি আর মাছি দুটোই আসে কিন্তু পচা বিষ্ঠা ছিটিয়ে দিলে শুধু মাছি আসে।অতএব সমাজে পচা বিষ্ঠার পরিমান বেড়ে গেলে মাছি রুপে অনেক বিষ্ঠাখোরের আসল রুপ বেড়িয়ে পড়ে।
বর্তমানে মুক্তমনা পরিবেশ আমাদের একটা উপকার করছে বটে। কোনটা মাছি কোনটা মৌমাছি সেটা নিজেই সামনে হাজিরা দিচ্ছে।বর্ষার আহবানে ব্যাঙ নাকি না ডেকে থাকতে পারেনা, এটা তাদের সহজাত।

25/03/2021

মুক্তি পেয়েছে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী

10/07/2020
05/07/2020

মোটিভেশানের গুরু কেই আজ মটিভেট করা লাগতেছে.... তিনি আজ পাব্লিক রিয়েক্ট দেখে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে! আমরা কি এমন মোটিভেশনাল গুরু চেয়েছিলাম ???

29/06/2019

যদি আপনি একজন পুরুষকে শিক্ষিত করেন তবে আপনি 'একজন' মানুষকে শিক্ষিত করলেন,
যদি আপনি একজন মহিলাকে শিক্ষিত করেন তবে আপনি শিক্ষিত করলেন একটি পরিবারকে অবশ্যই তা হতে হবে ইসলাম শিক্ষা

12/08/2018

Assalamualaikum

11/01/2016

আসসালামুআলাইকুম

17/03/2015

আসসালামুআলাইকুম . শুভ দুপুর...

29/11/2014

০১। জাহেলী যুগে কন্যা সন্তানদের
জীবন্ত কবর দেওয়া হত -> বর্তমান
যুগে কন্যা সন্তানদের জীবন্ত কবর
দেওয়া লাগে না অপমানের
গ্লানি নিয়ে তারাই আত্নহত্যা করে।
০২। জাহেলী যুগে নারীদের পন্যের মত
বিক্রী করা হত -> বর্তমান
যুগে নারী বিজ্ঞাপনের মডেল
বানিয়ে পন্যের সাথে বিক্রী করা হয়।
০৩। জাহেলী যুগে স্বামী ও পিতার
সম্পত্তিতে নারীর কোন উত্তরাধীকার
ছিল না, ইসলাম এসে দিয়েছে সেই
অধিকার-> বর্তমান যুগে ইসলামের
বিধান কে চ্যালেঞ্জ
করে নারীরা সমঅধিকারের আন্দোলন
করছে, কারন সম্ভবত ইসলামের
বিধানে নারীদের ঠকানো হয়েছে।
০৪। শ্রদ্ধা ও সম্মান এবং এ জাতীয় বিষয়
নিয়ে নারীরা চিন্তাও করত না।
তাদের ক্ষেত্রে এগুলো ছিল
কল্পনা বিলাস -> বর্তমান
যুগে নারীদের সম্মানের
অবস্থা তো আমাদের চোখের সামনে,
(নারীদের শরীরে আছে এলার্জি, তাই
তারা শরীরে কাপড় রাখতে পারে না,
এটা তো আমাদের পুরুষদের বুঝতে হবে)
০৫।
জাহেলী যুগে নারীদেরকে দ্রুতগামী উঠের
পিছনে বেধে দেওয়া হত এবং উত্তপ্ত
বালুর মধ্যে হেচড়ানো হত, অসহায়
নারীটি পিছনে যত বেশী চিতকার করত
পুরুষরা তত বেশী মজা পেত -> বর্তমান
যুগে নারীদেকে চলন্ত বাসে ধর্ষন
করা হয়।

17/04/2014

আদিকাল থেকে মানুষের অনুমানপূর্ব ধারনা করত যে, পৃথিবীর আকার হচ্ছে চ্যাপ্টা বা সমতল। হাজার বছর ধরে হাস্যকরভাবে মানুষ বেশি দূর পযর্ন্ত ভ্রমন করত না পৃথিবীর কিনারা থেকে ছিটকে পড়ে যাবার ভয়ে ।
১৫৯৭ সালে ফ্রান্সিস ড্রেক প্রথম পৃথিবীর চারদিকে নৌ-ভ্রমন করে প্রমান করেছিলেন যে, পৃথিবী গোলাকার। দিনরাত্রির পরিবর্তন সম্পর্কে আল কোরআনের নিচের আয়াতটির দিকে দৃষ্টিপাত করা যাক-
“তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন? তিনি চন্দ্র ও সূর্যকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই নির্দিষ্টকাল পযর্ন্ত পরিভ্রমণ করে। তুমি কি আরও দেখ না যে, তোমরা যা কর, আল্লাহ তার খবর রাখেন?”
[সুরা লুকমান-৩১:২৯]
লক্ষনীয় যে এখানে বলা হচ্ছে, রাত ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ দিনে রূপান্তরিত হয়, অনুরূপভাবে দিনও ধীরে ধীরে রাতে রূপান্তরিত হয়। এ ঘটনা কেবল পৃথিবী গোলাকার হলেই ঘটতে পারে।
পৃথিবী যদি চ্যাপ্টা বা সমতলভূমি হত, তাহলে রাত্রি থেকে দিনে এবং দিন থেকে রাত্রিতে একটা আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে যেত। অর্থাৎ সেকেন্ডের মধ্যে দিন হতো আবার সেকেন্ডের মধ্যেই কিছু বুঝে উঠার আগেই রাতের প্রবেশ ঘটতো।
পৃথিবী বলের মত পুরপুরি গোলাকার নয় বরং কমলা বা ডিমের মত, নিচের আয়াতে পৃথিবীর আকারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে-
“আর আল্লাহ্‌ পৃথিবীকে উহার পর ডিম্বাকৃতি করে তৈরি করেছেন” [৭৯:৩০]
এখানে ডিমের জন্য ব্যাবহৃত আরবি শব্দ হচ্ছে “دَحَاهَا” , যার অর্থ হচ্ছে উট পাখির ডিম, এবং উট পাখির ডিমের আকৃতি হল পৃথিবীর মত।
স্যাটেলাইট হতে প্রাপ্ত ছবি ও বিভিন্ন জটিল যন্ত্রপাতির মাধ্যমে পরীক্ষা- নীরীক্ষার দ্বারা সুনিশ্চিত হওয়া গেছে আমাদের এ পৃথিবী Exactly উট পাখির ডিমের ন্যায়।
এইভাবে কোরআনে ১৪০০ বছর আগে পৃথিবীর আকৃতির বর্ণনা সঠিক দেয়া হয়েছে, যদিও পৃথিবী চ্যাপ্টা হবার ধারনাটাই তখন প্রচলিত ছিল।
collected

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঈমানী জাগরণ (Revolution of Imaan ) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category