As we gear up for the Bangladesh Islamic Finance Summit (BIFS) 2026, here is a quick look back at the incredible insights, impactful discussions, and global connections built during last year's event.
From deep dives into Shariah governance and AAOIFI standards to pioneering conversations on Sukuk and the future of the global Halal economy—BIFS 2025 set a new benchmark for Islamic banking and finance in South Asia.
IFA Consultancy - IFAC
We provide professional training and workshops on Islamic Finance.
IFA Consultancy (IFAC) is a research and training oriented institution, dedicated to human welfare and betterment through spreading the true spirit and beauty of Halal & Islamic Economy and Finance. IFA Consultancy (IFAC) is a research and training-oriented institution, dedicated to human welfare and betterment through spreading the true spirit and beauty of Halal & Islamic Economy and Finance. Ou
কুরবানীর মূল শিক্ষা কী? ইসলাম কুরবানীকে শুধু ইবাদত হিসেবে দেখে, নাকি এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিকও আছে? বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও খামারিদের জীবনে কুরবানীর প্রভাব কতটা?
কুরবানী কীভাবে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক চক্র তৈরি করে— যেমন পশু পালন, পরিবহন, হাট, চামড়া শিল্প ইত্যাদিতে?
কুরবানীর গোশত বণ্টনের মাধ্যমে সমাজের দরিদ্র মানুষের কী উপকার হয়? বর্তমানে কুরবানীতে প্রদর্শনী, অপচয় ও প্রতিযোগিতার প্রবণতা দেখা যায়। ইসলাম এ ব্যাপারে কী শিক্ষা দেয়?
অনেকে বলেন, কুরবানী দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখে। বাস্তবে এটি কতটা সত্য?
বাংলাদেশের চামড়া শিল্প একসময় খুব সম্ভাবনাময় খাত ছিল। বর্তমানে এই শিল্পের বড় সংকট বা পতনের মূল কারণগুলো কী?
এমন অনেকগুলো প্রশ্ন নিয়েই আমাদের আজকের এই লাইভ প্রোগ্রাম।
� New to streaming or looking to level up? Check out StreamYard and get $10 discount! �
25/05/2026
#কুরবানী শুধু একটি ইবাদত নয়; এটি মুসলিম সমাজের ত্যাগ, মানবিকতা ও অর্থনৈতিক ভারসাম্যের এক অনন্য ব্যবস্থা।
প্রতি বছর কুরবানীকে কেন্দ্র করে দেশের অর্থনীতিতে সৃষ্টি হয় বিশাল অর্থনৈতিক প্রবাহ—
-পশু খামার ও কৃষিখাত
-পরিবহন ও বাজার ব্যবস্থা
-গ্রামীণ কর্মসংস্থান
-চামড়া ও সংশ্লিষ্ট শিল্প
-সম্পদের পুনর্বণ্টন ও সামাজিক সহযোগিতা
কিন্তু প্রশ্ন হলো—
এই বিশাল অর্থনৈতিক কার্যক্রম কতটুকু শরয়াহসম্মত ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে?
আমাদের কুরবানী কি কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ, নাকি এটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ ইসলামী অর্থনৈতিক চেতনা তৈরি করছে?
এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ আলোচনা—
“কুরবানী ও অর্থনীতি”
🎙 আলোচকবৃন্দ:
▪ মুফতি লুকমান হাসান হাফি.
▪ মুফতি মনজুরুল হাসান চৌধুরী
📅 ২৬ মে, মঙ্গলবার
🕢 সন্ধ্যা ৭:৩০ – ৮:১৫
আসুন, কুরবানীকে শুধুমাত্র পশু জবাইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে—
এর ইবাদত, সমাজ ও অর্থনৈতিক প্রজ্ঞাকে বুঝে আমল করি।
📍 আয়োজনে: IFA Consultancy
🌐 ifacbd.com
শাকীক বলখি (মৃ : ১৯৪হি.), ইসলামী ইতিহাসের একজন খ্যাতিমান ওলি। একবার তিনি ব্যবসায়িক সফরে বের হন। যাওয়ার আগে ঘনিষ্ট বন্ধু ওলিকুল শিরোমণি ইবরাহিম ইবনে আদহামের (মৃ : ১৬২) কাছ থেকে বিদায় নেন। বন্ধু বন্ধুকে বিদায় জানান আবার দেখা হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে।
কিন্তু সেই ‘আবার’ এত দ্রুত এসে যাবে ইবরাহিম ভাবেননি। তিনি একদিন মসজিদে গিয়ে দেখেন শাকীক বসে আছে। অথচ স্বাভাবিক নিয়মে তার সফর থেকে ফিরতে আরও অনেক দিন লাগার কথা। ইবরাহিম বিষ্ময় গোপন করতে না পেরে জিজ্ঞেস করে বসেন, এত তাড়াতাড়ি ফিরে এলে যে? ঘটনা কী?
শাকীক বলেন, সফরে এক তাজ্জব ঘটনা দেখলাম। সেই ঘটনা দেখেই ফিরে এসেছি।
: কী তাজ্জব ঘটনা?
শাকীক বলেন, আমি একবার ক্লান্ত হয়ে এক বিরান ঘরে আশ্রয় নিই। ভেতরে গিয়ে দেখি ডানাভাঙা একটি পাখি অচল হয়ে পড়ে আছে। পাখিটির চোখও অন্ধ। আমি ভাবতে লাগলাম, এই জনমানবহীন প্রান্তরে, যেখানে দূর দূর পর্যন্ত কোনো প্রাণের চিহ্ন পাওয়া যায় না—এই পাখিটি কীভাবে বাঁচবে? কে যুগাবে তার খাদ্যচাহিদা?
আমি বসে বসে এসব ভাবছিলাম, হঠাৎ দেখি অন্য একটি পাখি ঠোঁটে করে খাবার নিয়ে সেখানে আসল। পাখিটিকে মুখে তুলে খাইয়ে দিয়ে আবার উড়ে চলে গেল। এভাবে দিনের মধ্যে কয়েকবার এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে।
দৃশ্যটি দেখে আমার মনে ভাবান্তর হলো, যে আল্লাহ এই নির্জন প্রান্তরে একটি ডানাভাঙা পাখির জীবিকার ব্যবস্থা করতে পারেন, তিনি তো আমারও জীবিকার ব্যবস্থা করতে সক্ষম। তাই আমি চলে এসেছি!
ইবরাহিম বালখি শুনে বলেন, লা হাউলা ওয়ালা কুওয়াতা...। তুমি নিজেকে সেই ডানাভাঙা পাখিটির মতো মনে করছ! কিন্তু তোমার ডানা তো ভাঙা না। তোমার হাত-পা সবই সচল আছে। তবু কেন তুমি পরনির্ভর জীবন কামনা করছ? তোমার বরং সেই সুস্থ পাখিটিকে দেখে শিক্ষা নেওয়া উচিত ছিল, যে নিজের এবং এই আহত পাখি উভয়ের জীবিকার সন্ধান করছে। তাছাড়া রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—
“নিচের হাত থেকে উপরের হাত উত্তম!”
একথা শুনে শাকীক ইবরাহিম ইবনে আদহামের হাতে ধরে চুমু খেয়ে বলেন—আপনি আমাদের শিক্ষক। এরপর তিনি নিজের ব্যবসায় ফিরে যান।
এটিই ইসলামের শিক্ষা। অলস বসে না থেকে উপার্জনে চেষ্টা করো। কাজে নেমে আল্লাহর উপর ভরসা করো; ঘরে বসে থেকে নয়। অন্যের উপর বোঝা হয়ো না, বরং সম্ভব হলে অন্যের বোঝা হালকা করার চেষ্টা করো।
তথ্যসূত্র:
মুশকিলাতুল ফাকর, ড, ইউসুফ কারযাবী পৃ : ৪৪-৪৫
#সালাফের সান্যিধ্যে
20/05/2026
#গ্রন্থ পরিচিতি:
ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
পশ্চিমাবিশ্বের নেতৃত্বে বিগত তিনশ বছরে অর্থনীতি নিয়ে নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। কখনও পুঁজিবাদ, কখনও সমাজতন্ত্র কিংবা কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের নামে। সবগুলো মতবাদই মৌলিকভাবে একই ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত যে, মানুষের অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ধর্ম ও নৈতিকতা প্রাসঙ্গিক নয়; বরং অর্থনৈতিক বিষয় অর্থনৈতিক আচরণের সূত্র দিয়েই সমাধান করা হবে। পুঁজিবাদ তার সৌধ নির্মাণ করেছিল বল্গাহীন ব্যক্তি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, মুনাফার অভিপ্রায় ও বাজারব্যবস্থার নীতির উপর। সমাজতন্ত্র সুখ-সমৃদ্ধি খুঁজেছিল রাষ্ট্রীয় মালিকানা, সামাজিক প্রণোদনা ও কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতিতে। কল্যাণমূলক পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের কিছু বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মিশ্র অর্থনীতি। কয়েকটি বিশেষ ক্ষেত্রে কিছু উল্লেখযোগ্য সাফল্য পরিলক্ষিত হলেও মতবাদগুলো মানবজাতির প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে ক্রমাগত ব্যর্থ হয়েছে।
৯০ এর দশকে সমাজতন্ত্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হলে স্বভাবতই প্রশ্ন তৈরি হয়, এটি কি পাশ্চাত্যের পুঁজিবাদি অর্থনীতির বিজয়? সমাজতন্ত্র যদি তার নিজস্ব অসংগতি ও অসমতার ভারে ধ্বংস হয়ে থাকে তাহলে পুঁজিবাদ কি তার ঐতিহাসিক অসংগতি, অবিচার ও ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে পেরেছে? আবার পুঁজিবাদের কতিপয় নির্দিষ্ট ব্যর্থতার জন্য আংশিকভাবে হলেও যদি সমাজতন্ত্রের উত্থান ঘটে থাকে তাহলে তা-ই-বা ব্যর্থ হলো কেন?
এই সকল প্রশ্নেরই জবাব খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে ড. উমর চাপরা রচিত Islam and Economic Challange বা “ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ” বইটিতে। এতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যথার্থ উত্তর খুঁজে পেতে পাশ্চাত্যের অভিজ্ঞতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে অন্যান্য ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলেও অনুসন্ধান চালাতে হবে। যদি কেউ অনুসন্ধিৎসু মন নিয়ে আন্তরিকতা ও বস্তুনিষ্ঠতার সাথে সেসব মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের বক্তব্যকে পরীক্ষা করে দেখেন, যারা ইসলামী আদর্শের আলোকে এ যুগের অর্থনীতি-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিয়েছেন, তাহলে মানবজাতির সামনে এক বৈপ্লবিক সুযোগ উন্মোচিত হতে পারে।
বইটিতে লেখক পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের অন্তর্নিহিত নানাবিধ অসঙ্গতি আলোচনার পাশাপাশি কল্যান রাষ্ট্র, উন্নয়ন অর্থনীতি ইত্যাদি প্রপঞ্চসমূহের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করেছেন। এরপর ইসলামী বিশ্বদর্শন ও কর্মকৌশলের আলোকে মানব সম্পদের উজ্জীবন ও উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কাঠামোর পুনর্গঠন, সম্পদের বিকেন্দ্রীকারণ, কৌশলগত নীতি প্রণয়ন ইত্যাদির উপর বিস্তারিত আলোকপাত করেছেন।
ড. চাপরা পেশাজীবী অর্থনীতিবিদ। লেখাপড়া করেছেন করাচী ও মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিকস ও সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ, পাকিস্তান এর মতো বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ছিলেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন, প্লাটভাইল ও কেনটাকি, লেক্সিনটন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। সৌদি অ্যারাবিয়ান মনিটারি এজেন্সির সিনিয়র অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন ২৬ বছর। তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতারই ফসল এই Islam and Economic Challange বইটি।
বইটিতে নিখাদ অর্থনীতির বিদ্যা দিয়ে পূঁজিবাদী অর্থব্যবস্থাকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর সাথে যদি ইসলামের অর্থনীতির শ্বাসত নীতিমালা কুরআন-সুন্নাহকেও যুক্ত করা যেতো, তাহলে তা আরও উপকারী হতো।
বইটির বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করেছে একাডেমিয়া পাবলিশিং হাউজ লিমিটেড। অনুবাদ সাবলীল ও মানসম্মত হয়নি বলে অনেক বিজ্ঞ পাঠকের মত। তবু বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য বইটি থেকে উপকৃত হতে পারেন। পাশাপাশি এর মানসম্মত সাবলীল অনুবাদ প্রকাশিত হোক, আমরা প্রত্যাশা করি।
19/05/2026
এ সপ্তাহের প্রশ্ন:
পাওনাদারকে ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার শরঈ অভিযোজন কী?
ক। করজ
খ। কাফালাহ
গ। হাওয়ালা
ঘ। উপরের একটিও নয়
গত সপ্তাহের প্রশ্ন ছিল: কাউকে বাড়িতে দাওয়াত করে এনে খাওয়ানোর শরঈ অভিযোজন কী?
অপশন ছিল: ক। হেবা খ। ইবাহাত গ। সাদাকা ঘ। হাদিয়া
সঠিক উত্তর: খ। ইবাহাত
গত সপ্তাহের বিজয়ী: Hossainul Alam
এখন প্রতি সপ্তাহে কুইজ বিজয়ীদের জন্য থাকছে আইএফএ কনসালটেন্সির পক্ষ থেকে পুরষ্কারের ব্যবস্থা। কোনো প্রশ্নে একাধিক ব্যক্তি সঠিক উত্তর দিলে লটারির মাধ্যমে একজনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। আইএফএ কনসালটেন্সির সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
জানাজা উপস্থিত। সাহাবায়ে কেরাম নামাজের অপেক্ষা করছেন। হঠাৎ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবিদের দিকে তাকিয়ে বলে উঠলেন, লোকটি কি কোনো ধন-সম্পদ রেখে গেছে?
সবাই জানালেন, না, কিছুই রেখে যায়নি।
রাসুল আবার জিজ্ঞেস করলেন, সে কি ঋণগ্রস্ত ছিল?
এবার তারা হ্যাঁসূচক জবাব দিলেন। তার উপর তিন দিনার ঋণ ছিল। পরিশোধ করার আগেই পরকালের ডাক এসে গেছে।
এরপর রাসুল যা বললেন তার জন্য উপস্থিত কেউ প্রস্তুত ছিলেন না। বললেন, তাহলে তোমরা তোমাদের এই ভাইয়ের জানাজা পড়ে নাও।
সাহাবি আবু কাতাদাহ দাঁড়িয়ে ছিলেন সবার সঙ্গে। মৃত মানুষটির জন্য তার বেশ দয়া হলো। মাত্র তিন দিরহাম ঋণের জন্য তিনি রাসুলের ইমামতিতে জানাজা থেকে বঞ্চিত হবেন। তিনি আদবের সঙ্গে বলে উঠলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি তার তিন দিনার পরিশোধের দায়িত্ব নিচ্ছি। আপনি তার জানাজা পড়ান। এরপর রাসুল জানাজা পড়ালেন। (সহিহ বুখারী, হাদিস নং: ২২৮৯)
এই হাদিসে ঋণ পরিশোধে গড়িমসির ভয়াবহতা প্রকাশের পাশাপাশি ইসলামী ফিন্যান্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানও জানা হয়ে যায়। যার পারিভাষিক নাম: কাফালাহ! কাফালাহ শব্দের শাব্দিক অর্থ প্রতিশ্রুত প্রদান, দায়িত্ব গ্রহণ ইত্যাদি। পরিভাষায় এর সারমর্ম হলো, পাওনাদার ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির পাশাপাশি কাফালাহ গ্রহণকারীর কাছেও পাওনা দাবি করতে পারবে। অবশ্য এটি শুধু ঋণের সঙ্গে বিশেষায়িত নয়, বরং কোনো বস্তু বা ব্যক্তির ক্ষেত্রেও হতে পারে।
এটি একটি স্বেচ্ছামূলক বিনিময়হীন চুক্তি। এর বিপরীতে যেমন কোনো অর্থের লেনদেন হয় না, তেমনি কাফালাহগ্রহীতার জন্য এটি অনিবার্যও হয়ে যায় না। পাওনাদার চাইলে তাকে বাদ দিয়ে মূল ঋণগ্রহীতার কাছেও টাকা চাইতে পারবে। তেমনি সে চাইলে দায়িত্ব থেকে ফিরেও আসতে পারবে।
#নলেজ শেয়ার
আলাপ করছেন হাদিস ও ফিকহের প্রসিদ্ধ ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল এবং তার প্রিয় শিষ্য আবু বকর মারওয়াযি। তাদের মজলিসে একটু ঢু মেরে আসা যাক। শিক্ষণীয় ব্যাপার আছে।
মারওয়াযি বললেন, কাতিআহ বাজার আমার জন্য অন্য বাজারগুলোর তুলনায় বেশি সুবিধাজনক। তবে এ বাজারটির ব্যাপারে আমার মনে কিছু সংশয় রয়েছে।
ইমাম বললেন, তাহলে তো ব্যাপারটা আর নিষ্কলুষ থাকল না।
মারওয়াযি বলেন, আপনি কি সেখানে কাজ করাকে অপছন্দ করছেন?
ইমাম বলেন, যদি তোমার মনে কোনো রকম সংশয় না থাকে তাহলে করতে পারো।
মারওয়াযি: সংশয় তো কিছুটা রয়েছে।
ইমাম: ইবনে মাসউদ রা. বলেছেন, মনের খুঁতখুতানি হলো গোনাহ।
মারওয়াযি: এটি কি আপনার পরামর্শ?
ইমাম: তোমার মন কী বলে?
মারওয়াযি: আমার মন দ্বিধাদ্বন্দে ভুগছে।
ইমাম আহমদ: মনের দ্বন্দ্বই হলো গোনাহ।
ইমাম আহমদ এখানে মূলত একটি হাদিসের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। রাসুল বলেন, গোনাহ হলো, যার ব্যাপারে তোমার মনে দ্বিধা সৃষ্টি হয়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ২৫৫৩)
সুতরাং মন যে কাজে সায় দেয় না, যার বৈধতার ব্যাপারে মনে সংশয় থাকে তা থেকে বিরত থাকা উচিত।
-জামিউল উলুম ওয়াল হিকাম, ২/১০৩
#সালাফের সান্যিধ্যে
𝐁𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐝𝐞𝐬𝐡 𝐈𝐬𝐥𝐚𝐦𝐢𝐜 𝐅𝐢𝐧𝐚𝐧𝐜𝐞 𝐒𝐮𝐦𝐦𝐢𝐭 & 𝐀𝐀𝐎𝐈𝐅𝐈 𝐂𝐚𝐩𝐚𝐜𝐢𝐭𝐲 𝐁𝐮𝐢𝐥𝐝𝐢𝐧𝐠 𝐖𝐞𝐞𝐤 𝟐𝟎𝟐𝟓 | 𝗣𝗔𝗡𝗘𝗟 𝗗𝗜𝗦𝗖𝗨𝗦𝗦𝗜𝗢𝗡-3 | 𝗣𝗔𝗥𝗧-3
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Kha, 215/2 JS Tower, Merul Badda
Dhaka
1212
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |