06/07/2025
বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এমন এক সত্তার সন্ধান পেয়েছেন যা আমাদের চেনা জীবন আর জড়তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে। নাম Sukunaarchaeum mirabile। নামকরণ করা হয়েছে জাপানি পুরাণের এক ক্ষুদ্র দেবতার নামে।
এই সত্তাটির বৈশিষ্ট্য কিছুটা ভাইরাসের মতো। কিছু জৈবিক কার্যকলাপ হোস্টের ওপর ছেড়ে দেয়। তবে Sukunaarchaeum নিজের রাইবোসোম ও মেসেঞ্জার RNA তৈরির ক্ষমতা রাখে—যা ভাইরাসে দেখা যায় না। এবং পার্থক্যটা এখানেই।
এই অদ্ভুত সত্তার জিনোম মাত্র ২৩৮,০০০ বেস পেয়ার—যা এখন পর্যন্ত এই গ্রুপের (আর্কিয়া) মধ্যে সবচেয়ে ছোট। তুলনামূলকভাবে আর্কিয়া গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যদের জিনোম প্রায় দ্বিগুণ বা তার চেয়েও বড়।
এত কম জিনগত উপাদান থাকা সত্ত্বেও Sukunaarchaeum নিজে DNA রিপ্লিকেশন, ট্রান্সক্রিপশন ও ট্রান্সলেশন করতে পারে। তবে বিপাক প্রক্রিয়া বা মেটাবলিজম সম্পূর্ণরূপে অনুপস্থিত, ফলে এটি হোস্টের ওপর নির্ভরশীল।
এই অদ্ভুত সত্তার খোঁজ পাওয়া গেছে সমুদ্রের একধরনের প্ল্যাঙ্কটনের জিন বিশ্লেষণ করতে গিয়ে। গবেষকরা নিশ্চিত করেন এটি Archaea নামের এক প্রাচীন জীবগোষ্ঠীর সদস্য। এই গোষ্ঠী থেকেই একসময় উদ্ভব হয়েছিল ইউক্যারিওটিক কোষ।
এই সত্তার আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের বাধ্য করছে জীবন সম্পর্কে আমাদের প্রচলিত ধারণাকে নতুন করে ভাবতে। এ থেকে বোঝা যায় ভাইরাস ও কোষীয় জীবনের মধ্যকার সীমারেখা আসলে অনেক বেশি জটিল।
গবেষকদের মতে এমন symbiotic system বা পারস্পরিক নির্ভরশীল সম্পর্ক নিয়ে আরও গবেষণা চললে আমরা আরও অদ্ভুত সত্তার দেখা পেতে পারি। যারা হয়তো কোষীয় বিবর্তনের ইতিহাস ও আজকের জীবনের সংজ্ঞাকেই বদলে দেবে। (বিজ্ঞান্বেষী)
সূত্র: bioRxiv , Science | AAAs
31/05/2025
গুরুত্বপূর্ণ, তাই শেয়ার করলাম 👍
20/08/2016
বাংলাদেশের টাকা
# বর্তমানে বাংলাদেশে কাগজের নোট ০৯টি এবং এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের নোট ০৬টি।
# বাংলাদেশে প্রচলিত টাকার ব্যাংক নোট নয় - এক, দুই ও পাঁচ টাকার নোট।
# বর্তমানে সরকারি নোট বলা হয়- ১, ২ ও ৫ টাকার নোটকে।
# বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর কাগুজে মুদ্রা - বাংলাদেশের ২ টাকার নোট।
# বাংলাদেশে টাকা ছাপার জন্য বিশেষ কাগজ আমদানি করা হয় - সুইজারল্যান্ড থেকে।
# বাংলাদেশে চালু পলিমার মুদ্রা মুদ্রিত হয় - অস্ট্রেলিয়ায়।
# ১ ও ৫ টাকার ধাতব মুদ্রা তৈরি করা হয় - কানাডায়।
# ৫০০ টাকার নোট কোন দেশে ছাপা হয় - জার্মানিতে ৷
# ১ মার্কিন ডলার তৈরী করতে বাংলাদেশী ২১ টাকা খরচ হয়।
# বাংলাদেশে ১ম নোট চালু হয় ৪ মার্চ ১৯৭২ সালে ১০ টাকার নোট সর্বপ্রথম ছাপানো হয়।
# বর্তমানে বাংলাদেশ বাংকের শাখা ১০টি এবং সর্বশেষ শাখা ময়মনসিংহে।
# দেশে বর্তমানে তফসিলি ব্যাংক ৫৭টি এবং সর্বশেষ তফসিলি ব্যাংক হলো সিমান্ত ব্যাংক৷
29/09/2014
নদী (পার্ট - ০১)
দানিয়ুব নদী
“আন্তর্জাতিক নদী বলা হয় কোন নদীকে ?” এ প্রশ্নটির উত্তর আমাদের অনেকের জানা। দানিয়ুব নদীকে আন্তর্জাতিক নদী বলা হয়। এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্যতম প্রধান নদী। নদীটি ইউরোপ মহাদেশের অন্যতম প্রধান পরিবহন পথও। জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট বা "কৃষ্ণবন" অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে রুমানিয়ার উপকূলে কৃষ্ণ সাগরে নদীটি পতিত হয়েছে। আজ এ নদীটি নিয়ে কিছু তথ্য সকলের জন্য তুলে ধরা হলোঃ
# দানিয়ুব ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। ভলগা নদীর পরেই এর স্থান।
# ইউরোপের প্রধান নদীগুলির মধ্যে কেবল দানিয়ুবই পূর্ব-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়।
# মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের ১০টি দেশের ওপর দিয়ে নদীটি বয়ে গেছে। দেশগুলো হলো জার্মানি, অস্ট্রিয়া, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, স্লোভেনিয়া, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া ও ইউক্রেনে।
# দানিয়ুবের প্রায় ৩০০-র মত উপনদী আছে। এদের মধ্যে মাত্র ৬০টি নৌপরিবহনের উপযোগী।
# নদীটির প্রবাহমান প্রায় ২৮৫০ কিমি পথের মধ্যে প্রায় ২৬০০ কিমি নৌপরিবহনের জন্য অনুকূল।
# দানিয়ুব নদীর উপত্যকার আয়তন প্রায় ৭৭৭,০০০ বর্গ কিমি। মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের বিখ্যাত বহু শহর এ উপত্যকায় অবস্থিত।
24/09/2014
নীল তিমিঃ
নীল তিমি- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রাণী। এ যাবৎকাল পর্যন্ত যত প্রাণী পৃথিবীতে ছিল বা আছে, তার মধ্যে নীল তিমিই সবচেয়ে বড় প্রানী। এদের ওজন সাধারনত প্রায় ১৫০ টন এবং এদের দৈর্ঘ্যে ২৫ থেকে ৩২ মিটার (৮২ থেকে ১০৫ ফুট) পর্যন্ত হয়ে থাকে। এরা সাধানত ৭০ থেকে ৯০ বৎসর পর্যন্ত বেঁচে থাকে। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Balaenoptera musculus । আজ এ সর্ববৃহৎ প্রাণীটি নিয়ে কিছু তথ্য তুলে ধরলামঃ
# পুরুষ নীল তিমির চেয়ে স্ত্রী নীল তিমি কিছুটা লম্বা হয়।
# নীল তিমি সাধারনত ঘন্টায় ৫ মাইলের বেশী বেগে সাতার কাটতে পারে। অনেক সময়ে ২০ মাইল বেগেও সাতার কাটে।
# গভীর সাগরের নীচে আলোর স্বল্পতার কারনে এদের কান দিক নির্নয় করে সাতার কাটতে সহায়তা করে।
# নীল তিমি সাগরের উপরে নিঃশ্বাস নিয়ে পানির নিচে প্রায় ৩০ মিনিট একটানা থাকতে পারে।
# নিঃশ্বাস ছাড়ার সময় মাথার উপর দু’টি ছিদ্র দিয়ে এরা প্রায় ৯ মিটার (৩০ ফুট) উচু পর্যন্ত পানি ছুড়ে ফেলতে পারে।
# এদের গলার চামড়ায় আনুমানিক ৮৮ টি ভাজ থাকে। যা খাদ্যগ্রহনের সময় ছেড়ে দিয়ে বিশাল এক বেলুনের মত গহ্বর সৃষ্টি করে।
# একটি নীল তিমি দিনে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ক্রীল খেতে পারে।
# একটি নীল তিমির জন্মের সময় বাচ্চাটি প্রায় ৭ মিটার (২২ ফুট) লম্বা হয়।
# একটি নীল তিমির বাচ্চা দিনে প্রায় ৬০০ লিটার দুধ পান করে।
23/09/2014
সুইফট (SWIFT) হচ্ছে সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশন। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জড়িত সকল ব্যক্তিই সুইফট সম্পর্কে অবগত। আজ সংগ্রহে থাকা এই সুইফট সম্পর্কে কিছু তথ্য সকলের জন্য তুলে ধরলামঃ
# সুইফট একটি বেলজিয়াম ভিত্তিক কোম্পানী। এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের লা হল্পে ।
# ১৯৭৩ সালে সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতায় দ্রুততা, সঠিকত্ব এবং গোপনীয়তার সাথে আর্থিক বার্তা আদান প্রদানের জন্য সুইফট নামক প্রতিষ্ঠানটি আত্মপ্রকাশ করে।
# বর্তমানে বিশ্বের ২১৫ টি দেশে সুইফট এর মাধ্যমে মানসম্মত আর্থিক বার্তা আদান প্রদান করা হচ্ছে।
# বর্তমানে বিশ্বের ১০,৫০০ আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং কর্পোরেশন সুইফট – এর সদস্য।
# প্রতিদিন সুইফট লেনদেন সংক্রান্ত ২১ মিলিয়নের বেশি বার্তা বহন করে।
# ১৯৯৪ সালে সুইফট বাংলাদেশে আর্থিক সেবা ও যোগাযোগ বিষয়ক কার্যক্রম শুরু করে।
# ২০০২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক সুইফট এর সাথে সম্পৃক্ত হয় ।
# সর্বপ্রথম ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশে আরব বাংলাদেশ ব্যাংক সুইফট-এর সাথে সম্পৃক্ত হয়।
# বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৬টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান সুইফট নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত।
# ২০১৩ সালে কুয়ালালামপুরে প্রতিষ্ঠানটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছে।
23/09/2014
চিতা বাঘঃ
স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে দৌড়াতে সক্ষম চিতা বাঘ- এক কথা বলা যায় আমরা সকলেই জানি। সাধারনত বর্তমানে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অঞ্চলে এদের দেখা যায়। বন-জঙ্গলের হ্রাস, খাদ্যাভাব ও বিচরণক্ষেত্র হ্রাসসহ বিভিন্ন কারণে চিতার সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। আজ বিলুপ্ত প্রাপ্ত এই দ্রুতগতি সম্পন্ন প্রাণীটি সর্ম্পকে সংগ্রহে থাকা কিছু তথ্য সকলের জন্য তুলে ধরলামঃ
# সংস্কৃত শব্দ 'চিত্রাকায়াহ' থেকে চিতা শব্দটি এসেছে যার অর্থ রঙের ভিন্নতা।
# চিতা বাঘ ঘণ্টায় ১১২ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিবেগে ছুটতে সক্ষম।
# একটি চিতা সেকেন্ডে প্রায় ১০ মিটার গতি তুলতে পারে।
# মাত্র ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই চিতা গতিবেগ শূন্য থেকে প্রতি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার নিয়ে যেতে পারে।
# প্রথম তিন লাফে চিতার গতি উঠে যায় ঘন্টায় ৬০ কিলোমিটার এর বেশি।
# সর্বোচ্চ গতিতে এ প্রাণীটি মাত্র প্রায় ৩০ সেকেন্ড এর মত দৌড়াতে পারে।
# দ্রুত গতিতে দৌড়ানোর সময় দিক নিয়ন্ত্রন এবং ওজনের ভারসাম্য রক্ষা করে চিতার লম্বা লেজটি ।
# চিতা সাধারণত ৪০ কেজির কম ওজনের স্তন্যপায়ীদের খেতেই পছন্দ করে।
# সাধারণত চিতা শিকারের জন্য চোখে দেখা শিকারীকেই বেছে নেয়।
# শিকারের পেছনে ছুটে চিতার সফলতার হার ৫০ শতাংশ।
# জন্মের পর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ৯০ শতাংশ চিতা বাঘের বাচ্চাকে সিংহ, হায়েনা বা বন্য কুকুরের খাদ্যে পরিণত হতে হয়।
23/09/2014
আলুটিলা গুহাঃ
আমাদের দেশের পর্যটকদের একটি পরিচিত পর্যটন স্পট হলো আলুটিলা গুহা। গুহাটি খাগড়াছড়ি জেলা শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে মাটিরাঙা উপজেলার আলুটিলা পাহাড়ে অবস্থিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় খাগড়াছড়ি অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে এলাকার মানুষ এই পাহাড় থেকে বুনো আলু সংগ্রহ করে খেয়ে জীবন রক্ষা করেছিল বলে পাহাড়টি আলুটিলা নামে পরিচিতি লাভ করে। আজ আলুটিলা গুহা নিয়ে কিছু তথ্য তুলে ধরা হলোঃ
# আলুটিয়ার পূর্ব নাম ছিল আড়বাড়ি পর্বত।
# আলুটিলার খাগড়াছড়ি জেলার সর্বোচ্চ পর্বত। এর উচ্চতা সমুদ্র সমতল হতে ৩০০০ ফুট।
# স্থানীয়রা গুহাটিকে বলে মাতাই হাকড় বা দেবতার গুহা।
# গুহাটি একটি পাথুরে গুহা।
# গুহাটি দেখতে অনেকটা ভূ-গর্ভস্থ টানেলের মত। এর একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮২ ফুট।
# গুহাটির এপাশ দিয়ে ঢুকে ওপাশ দিয়ে বের হতে সময় লাগে ১০-১৫ মিনিট।
# সূর্যের আলো প্রবেশ করে না বলে গুহাটি খুবই অন্ধকার এবং শীতল। তাই মশাল নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে হয়।
আলুটিলা গুহাঃ
আমাদের দেশের পর্যটকদের একটি পরিচিত পর্যটন স্পট হলো আলুটিলা গুহা। গুহাটি খাগড়াছড়ি জেলা শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে মাটিরাঙা উপজেলার আলুটিলা পাহারে অবস্থিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় খাগড়াছড়ি অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে এলাকার মানুষ এই পাহাড় থেকে বুনো আলু সংগ্রহ করে খেয়ে জীবন রক্ষা করেছিল বলে পাহাড়টি আলুটিলা নামে পরিচিতি লাভ করে। আজ আলুটিলা গুহা নিয়ে কিছু তথ্য তুলে ধরা হলোঃ
# আলুটিয়ার পূর্ব নাম ছিল আড়বাড়ি পর্বত।
# আলুটিলার খাগড়াছড়ি জেলার সর্বোচ্চ পর্বত। এর উচ্চতা সমুদ্র সমতল হতে ৩০০০ ফুট।
# স্থানীয়রা গুহাটিকে বলে মাতাই হাকড় বা দেবতার গুহা।
# গুহাটি একটি পাথুরে গুহা।
# গুহাটি দেখতে অনেকটা ভূ-গর্ভস্থ টানেলের মত। এর একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮২ ফুট।
# গুহাটির এপাশ দিয়ে ঢুকে ওপাশ দিয়ে বের হতে সময় লাগে ১০-১৫ মিনিট।
# সূর্যের আলো প্রবেশ করে না বলে গুহাটি খুবই অন্ধকার এবং শীতল। তাই মশাল নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে হয়।
22/09/2014
ইনকা সভ্যতাঃ
পৃথিবীর দীর্ঘতম দক্ষিণ আমেরিকা আন্দিজ পর্বতমলার বর্তমান পেরুর কোস্কো এলাকায় সুপ্রাচীন ইনকা সভ্যতার সূচনা হয়েছিল। আজ এ ইনকা সভ্যতা সম্পর্কে কিছু তথ্য সকলের জন্য তুলে ধরা হলো-
# ইনকা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতার নাম - মানকো কাপাক।
# ইনকারা তাদের রাজ্যকে বলত- তাহুয়ানতিনসুইউ মানে চতুস্কোন ভূমি।
# ইনকাদের বলা হয়: "সূর্যের সন্তান।"
# সর্বপ্রথম ইনকারাই জলসেচের পদ্ধতি আবিস্কার করেছিলেন।
# ইনকারা তাদের বিশাল সাম্রাজ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতে নির্মান করেছিল ‘ইনকা ট্রেইল’ নামে বিস্ময়কর সড়ক।
# ইনকা সভ্যতায় সম্রাটকে বলা হতো- সাপা ইনকা।
# মানবসভ্যতায় ইনকাদের অনবদ্য অবদান হলো- আলু। তাদের প্রধান খাদ্যই ছিল আলু ও ভূট্টা।
# ভিরাকোকা ছিলেন প্রধান দেবতা। তিনিই ছিলেন ইনকাদের স্রষ্টা।
# ১৫৩৩ সালে স্প্যানিশ লুটেরা ফ্রানসিসকো পিজারো কর্তৃক ইনকা সভ্যতা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
# ১৯১১ সাল হিরাম বিংহ্যাম নামে একজন মার্কিন ঐতিহাসিক ইনকা সভ্যতার মাচু পিকচু আবিস্কার করেন।
ইনকা সভ্যতাঃ
পৃথিবীর দীর্ঘতম দক্ষিণ আমেরিকা আন্দিজ পর্বতমলার বর্তমান পেরুর কোস্কো এলাকায় সুপ্রাচীন ইনকা সভ্যতার সূচনা হয়েছিল। আজ এ ইনকা সভ্যতা সম্পর্কে কিছু তথ্য সকলের জন্য তুলে ধরা হলো-
# ইনকা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতার নাম - মানকো কাপাক।
# ইনকারা তাদের রাজ্যকে বলত- তাহুয়ানতিনসুইউ মানে চতুস্কোন ভূমি।
# ইনকাদের বলা হয়: "সূর্যের সন্তান।"
# সর্বপ্রথম ইনকারাই জলসেচের পদ্ধতি আবিস্কার করেছিলেন।
# ইনকারা তাদের বিশাল সাম্রাজ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতে নির্মান করেছিল ‘ইনকা ট্রেইল’ নামে বিস্ময়কর সড়ক।
# ইনকা সভ্যতায় সম্রাটকে বলা হতো- সাপা ইনকা।
# মানবসভ্যতায় ইনকাদের অনবদ্য অবদান হলো- আলু। তাদের প্রধান খাদ্যই ছিল আলু ও ভূট্টা।
# ভিরাকোকা ছিলেন প্রধান দেবতা। তিনিই ছিলেন ইনকাদের স্রষ্টা।
# ১৫৩৩ সালে স্প্যানিশ লুটেরা ফ্রানসিসকো পিজারো কর্তৃক ইনকা সভ্যতা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
# ১৯১১ সাল হিরাম বিংহ্যাম নামে একজন মার্কিন ঐতিহাসিক ইনকা সভ্যতার মাচু পিকচু আবিস্কার করেন।
21/09/2014
Computer বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সকলের জন্য তুলে ধরা হলো ।
01/08/2014
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ :
বিশ্বের গভীরতম স্থান কোনটি?- প্রশ্ন করা হলে উত্তর অনেকেই দিবেন- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ। মারিয়ানা ট্রেঞ্চ সম্পর্কে পুরোটা জানা সম্ভব না হওয়ায় পৃথিবীর মানুষের কাছে আজও এটি একটি আকর্ষণীয় ও বিস্ময়কর স্থান ।
প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম অংশে রয়েছে মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ। সেই দ্বীপপুঞ্জের নামেই রাখা হয়েছে মারিয়ানা ট্রেঞ্চের নাম। মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের পূর্ব দিকে অবস্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চের। এর দৈর্ঘ্য ২,৫৫০ কিলোমিটার (১৫৮০ মাইল) ও প্রস্থ ৬৯ কিলোমিটার (৪৩ মাইল)। আসুন আজ পৃথিবীর এই গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্জ সম্পর্কে কিছু জেনে নিই-
# মারিয়ানা ট্রেঞ্চের সবচেয়ে গভীর অংশটির নাম চ্যালেঞ্জার ডিপ।
# মারিয়ানা ট্রেঞ্চের চ্যালেঞ্জার ডিপে পানির চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১০০০ গুণ বেশি। এ কারণেই এখানে স্বাভাবিকের চেয়ে পানির ঘনত্বও প্রায় ৫ শতাংশ বেশি।
# বিজ্ঞানীদের ধারনা, সাগর তলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার স্থান এই মারিয়ানা ট্রেঞ্চের চ্যালেঞ্জার ডিপ ।
# ১৯৪৮ সালে পৃথিবীর এই গভীরতম বিন্দু আবিষ্কার করেন এইচএমএস চ্যালেঞ্জার-২ নামক একটি জাহাজের নাবিকেরা ।
# টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংঘর্ষে উৎপন্ন “হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট” এর কারনে এর আশেপাশের জলীয় পরিবেশের তাপমাত্রা ৩০০ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে । তবে পানি বাষ্প হয় না চারিদিকে ছড়িয়ে থাকা বিপুল হিমশীতল পানির জন্যে ।
# সাধারণত মৃত প্রাণীর কঙ্কাল, খোলস জমা পড়ায় মারিয়ানার ট্রেঞ্জের তলের পানির রং খানিকটা হলুদ।
# চ্যালেঞ্জার ডিপের গভীরতম বিন্দুতে এখন পর্যন্ত মানুষ অবতরণ করেছে- মাত্র ০৪ বার ।
# ১৯৬০ সালে ইউএস নেভির লেফটেন্যান্ট ডন ওয়ালশ ও জ্যাকুস পিকার্ড সর্বপ্রথম মারিয়ানা ট্রেঞ্চের তলায় অবতরণ করেন।
# সর্বশেষ ২০১২ সালে সর্বশেষ মারিয়ানা ট্রেঞ্চের তলায় অবতরণ করেন কানাডার চলচ্চিত্র পরিচালক জেমস ক্যামেরন।