দাদুমনি যখন গল্পটা বলছিলেন, তখন সবার মনে উত্তেজনা বাড়ছিল। ঘরের মোমের আলো, বাইরে বৃষ্টির আওয়াজ, আর মাঝে মাঝে বাজ পড়ার শব্দ যেন আমাদের চারপাশে একটা রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করে রেখেছিল।
দাদুমনি থেমে গিয়ে এক মুহূর্তের জন্য আমাদের দিকে তাকালেন, যেন আমাদের প্রতিক্রিয়া পরখ করছেন। তারপর তিনি ধীরে ধীরে আবার বলার শুরু করলেন...
"তখনই আমি সেই বাড়ির দিকে তাকালাম, আর মনে হলো যেন বাড়িটা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। চোখ সরাতে পারছিলাম না। বাড়িটার জানালায় যেন কারও একটা সাদা ছায়া দেখতে পেলাম। আমি প্রথমে ভাবলাম হয়তো এটা আমার কল্পনা, কিন্তু বারবার তাকিয়ে দেখলাম, সেটা কল্পনা ছিল না। সে সময় মনের মধ্যে একটা ভয় ঢুকে গেল, কিন্তু একই সাথে একটা কৌতূহলও কাজ করছিল।
আমি কলেজে গিয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারছিলাম না। সেই বাড়ির ছায়াটা আমার মাথায় ঘুরছিল। ছুটি হওয়ার পর আমি আর অপেক্ষা করলাম না। সোজা সেই বাড়ির দিকে হাঁটতে লাগলাম। বাড়িটার সামনে পৌঁছে গিয়ে দেখলাম দরজাটা হালকা খোলা। সাহস করে দরজাটা ঠেলে ভেতরে ঢুকে গেলাম।
---
"যখন দরজাটা ঠেলে ভেতরে ঢুকলাম, তখন একটা ঠান্ডা বাতাস আমার মুখে আছড়ে পড়ল। ভেতরের পরিবেশ ছিল অস্বাভাবিক শান্ত, যেন সময় থমকে গেছে। চারপাশে তাকিয়ে দেখি, ধুলো জমে আছে, এবং দেয়ালের উপর ফাটল ধরেছে। হঠাৎ করেই, আমার পেছনে কিছু একটা নড়াচড়ার শব্দ হলো। আমি ভয়ে পিছনে ঘুরে তাকালাম, কিন্তু কিছুই দেখতে পেলাম না।
তবে এই অনুভূতি ছিল খুবই অদ্ভুত—যেন কেউ আমার ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে। আমি কাঁপতে কাঁপতে আয়নার সামনে পৌঁছালাম। আয়নার উপর জমে থাকা ধুলো পরিষ্কার করে যখন নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে চাইলাম, তখন দেখি সেখানে আমার জায়গায় অন্য কারও মুখ! সেই মুখটা ছিল সাদা, চোখের চারপাশে কালো দাগ, আর মুখটা ছিল অস্বাভাবিকভাবে বিকৃত।
আমার মনে হলো, মুখটা যেন আমাকে কিছু বলতে চাচ্ছে, কিন্তু তার মুখ দিয়ে কোনো শব্দ বের হচ্ছিল না। হঠাৎ করেই সেই মুখটা ভয়ানকভাবে চিৎকার করল, আর আমি আর কিছু বুঝে ওঠার আগেই অন্ধকারে তলিয়ে গেলাম।
যখন আমার জ্ঞান ফিরল, তখন আমি দেখলাম আমি বাড়ির বাইরে শুয়ে আছি। আমার বন্ধুরা আমাকে খুঁজতে এসে দেখেছে, আর আমাকে বাইরে নিয়ে এসেছে। আমি তখন বুঝতে পারলাম, সেই বাড়িটা কেবল একটা পুরানো বাড়ি নয়—ওখানে কোনো এক অশুভ আত্মা বাস করে, যা কারও অপেক্ষায় ছিল। তারপর থেকে আমি কখনোই সেই বাড়ির দিকে আর ফিরে তাকাইনি।"
তারপর থেকে আমার মনে হয়েছে, কিছু জায়গা অশুভ।"
দাদুমনির গল্প শুনে আমরা সবাই নীরব হয়ে গেলাম। ঝড়ের শব্দ যেন আরও জোরালো হয়ে উঠল, আর মোমের আলোতে আমাদের নিজেদের প্রতিচ্ছবি যেন একটু ভীতিকর মনে হচ্ছিল। গল্পের মধ্যে হারিয়ে গিয়ে আমরা একে অপরের দিকে তাকালাম। ভয়ের অনুভূতিটা ধীরে ধীরে আমাদের মনে ছেয়ে গেল, এবং সেই রাতে আর কেউ ভূতের গল্প করার সাহস করল না।
ভূত
আমাদের চারপাশের ভূত দের নানা বিচিত্র কার্যক্রম নিয়ে আমাদের এই পেজ
বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভূত বিষয়ক যত গল্প প্রচলিত আছে , সেগুলো সব আমরা সংগ্রহ করব । সংগ্রহ করে সেগুলো বিশ্লেষন করব । ভূত থেকে বাচার উপায় খোজার চেষ্টা করব । আর ভূতের গল্পগুলো যদি বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিসিদ্ধ না হয় তাহলে ধরে নিব ভূতের গল্পগুলো মিথ্যা
?
21/02/2021
সত্য ঘটনা অবলম্বনে .....
বেশ কিছুদিন আগের কথা। আফ্রিকা
মহাদেশের কোনো এক জায়গায় ঘটনাটা
ঘটেছিল।
একটা বাস ভর্তি মানুষ এক দেশ থেকে
আরেক দেশে যাচ্ছিল। রোডের দুইপাশে
প্রচুর গাছ। যাত্রার মাঝপথে শুরু হল
প্রচণ্ড বৃষ্টি আর মুহুর্মুহু বাজ! একটার
পর একটা বাজ পড়া শুরু করল বাসের
আশেপাশে, বাসটা প্রতিবারই অল্পের জন্য
বেঁচে যাচ্ছিল। পুরো বাসের সব মানুষ তখন
ভয়ে কাঁপাকাঁপি অবস্থা!
বাস ড্রাইভার দ্রুত বাসটাকে একটা খোলা
জায়গায় নিয়ে গেল, গাছপালা থেকে দূরে।
সেখানে বাস থামিয়ে সব যাত্রীদেরকে বলল
"আমাদের মাঝে কারও একজনের আজ মৃত্যু
নিশ্চিত। তাকে পেতেই মৃত্যুদূত আমাদের
উপর বাজ ফেলছে। সেই একজনের জন্য
আজ আমাদের সবাইকে মরতে হতে পারে।
তাই চলুন আমরা এক কাজ করি, বাস থেকে
একজন একজন করে নেমে ওই গাছগুলো
ছুঁয়ে আবারো বাসে ব্যাক করি। যার জন্য
মৃত্যুদূত ওঁত পেতে আছে তাকে নিয়ে যাক
বাকিরা বেঁচে থাকুক।"
কথাটা সবার মনে ধরল। ভয় পেলেও এক
এক করে সবাই গাছগুলো ছুঁয়ে আসা শুরু
করল। প্রত্যেকেই গাছ ছুঁয়ে এসে হাঁফ ছেড়ে
বাসে এসে বসল, তখন কেবল বাসের শেষ
যাত্রীটার যাওয়া বাকি।
বাসের সব যাত্রীরা বুঝল এই শেষ যাত্রীর
জন্যই আজ তাদের দুর্দশা। তাই তারা
জোর করে টেনে-হিঁচড়ে শেষ যাত্রীকে বাস
থেকে নামিয়ে দিল। মানুষটা কাঁদতে কাঁদতে
গাছগুলোর দিকে আগানো শুরু করা মাত্র
বাসের ড্রাইভার বাস চালু করে দিল!!
হঠাৎ আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে বাজ পড়ল!
বিচ্ছুরিত আলোয় চারিদিক ঝলসে উঠল।
অবাক বিস্ময়ে সেই শেষ যাত্রী চোখ খুলে
দেখল তাকে ছেড়ে যাওয়া বাসটা আগুনে
পুড়ছে!! বাসের ভেতরে থাকা একটা যাত্রীও
বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাববেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই!!
এতক্ষন সে ভেতরে ছিল বলে মৃত্যুদূত
কাউকে ছুঁতে পারছিল না!
------------------------------
এই রাতে কে কে মোবাইল হাতে আছো
প্রশ্ন:- যদি কোন জ্বীন কোন মেয়েকে
আছর করে তাহলে জ্বীন কি তার সাথে
শারীরিক
সম্পর্ক করতে পারে? যদি শারীরিক সম্পর্ক
করে
তাহলে বুঝবো কি করে?
উত্তর:- হ্যাঁ, জ্বীন মেয়েদের উপর আছরই
করে মূলত শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য,,এই আছর
করে মেয়েদের প্রথম হায়েযের সময়
বেশিরভাগ,,যখন তারা নাপাকি অবস্থায়
থাকে এবং আল্লাহ
তায়ালার জিকির থেকে গাফেল থাকে,,
প্রথম
হায়েযের সময় যেসব মেয়েদের উপর আছর
করে তাদের জ্বীন ছুটানো কঠিন, ক্ষেত্র
বিশেষ অসম্ভব,, একদম ফর্শা মেয়েদের উপরে
বেশি আছর করে,, তবে বিয়ের পরে যাদের
উপর
আছর করে তাদের থেকে ছাড়ানো সহজ,, প্রথম
হায়েযের সময়ে যেসব মেয়ে বেশি একাকী
থাকে, হায়েযের কাপড় এখানে সেখানে
ফালায়,,মাথায় কাপড় দেয় না, একাকী
অন্ধকারে ঘুমায়,
বন জঙ্গল দিয়ে চলাচল করে তাদের উপরে
বেশি
আছর করে,,সাধারণত নামাযের নিষিদ্ধ সময়ে
আছর
করে,,তাই এই সময়ে সতর্ক থাকা জরুরী,,নারীরা
বেশি আত্রান্ত হয়:- কারন, অপবিত্রতার
দিনগুলিতে যিকির
আযকার না করা, আর বাথরুমে প্রবেশের দুআ
না পড়া,,
শরীর ও মাথা ভালো করে না ঢেকে এবং দুআ
না
পড়ে বাথরুমে প্রবেশ করার ফলে ছেলে
জ্বীন তাদের নগ্ন অবস্থা দেখে আকৃষ্ট হয় আর
ভর করে,,
শারীরিক সম্পর্ক করলে বুঝার উপায় হলো,
১)ঘুমের মধ্যে (মানে স্বপ্নদোষের সময়- তখন
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হয়),,
২) জেগে থাকা অবস্থায় (রোগি শুয়ে থাকে
কিন্তু
সাময়িকের জন্য অবশ হয়ে যায় হাত-পা,,,আর
জ্বীন
তার সংগে মিলন করে যা রোগি বুঝতে পারে)
,,
জেগে থাকা অবস্থায় মিলনের সময় জ্বীনকে
রোগি দেখতেও পারে, নাও দেখতে
পারে,,এমনও শুনেছি, নিজের স্বামীর রুপ ধরে
এসে মিলন করে গেছে,,,
৩) কোন জ্বীন যদি কোন মেয়ের সাথে
শারীরিক সম্পর্ক করার উদ্দ্যেশেই আছড় করে
তাহলে মেয়ের গায়ের বিভিন্ন জায়গায় দাগ
থাকে,,
এই দাগ মাঝে মাঝেই মেয়ের গায়ে দেখা
যায়,,,
শারীরিক সম্পর্ক না হলেও এরকম দাগ দেখা
যাবে,,
লাল দাগ,, খামচি বা কামড়ের দাগ,, বিশেষ
করে গলার
নিচের দিকে,, নিয়মিত মাসনুন দোয়াগুলো
পড়ে
ঘুমালে এগুলো করতে পারে না,,
৪) কোন জ্বীন যদি কোন মেয়েকে পছন্দ
করে তখন ওই জ্বীন সবসময় মেয়ের
আশেপাশে থাকে,, যখন ঘুমায় তখন আসে, ঘুমের
মধ্যেই শারীরিক সম্পর্ক করে,, মেয়ে তখন
বাস্তবতা অনুভব করতে পারে কিন্তু কাউকে
দেখে
না,, যদি দোয়া পড়ে ঘুমায় তাহলে আর কাছে
আসতে পারে না,,
৫) জেগে থাকা অবস্থায়( হস্তমৈথুনের
মাধ্যমে)
,,এসময় জ্বীন রোগির হাত,মস্তিষ্ক পজেস করে
ইন্দ্রিয়তৃপ্তি লাভ করে,,এটা তখনই বোঝা
যাবে যখন
কেউ আগে থেকেই গুপ্ত অভ্যাসে লিপ্ত ছিল
কিন্তু তা অল্প পরিমানে,হঠাৎ করে যদি
মাত্রাতিরিক্ত
ভাবে যৌন চাহিদা বেড়ে যায় তাহলে বুঝতে
হবে
আশিক জ্বীনের কাজ এটা,,আর আসক্তকারি
যাদুর
লক্ষন হচ্ছে, স্ত্রী বা স্বামীর সংগে
সহবাসের
ঘন ঘন ইচ্ছা জাগা, কিন্তু যারা অবিবাহিত
তারা যদি আশিক
জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে তাদের যৌন
উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয় আশিক জ্বীন,,ফলে
যুবক
যুবতীরা হারামে লিপ্ত হয়,,আর অভিজ্ঞতা
থেকে
পাওয়া যায়:- জ্বীন মানুষের সংগে মিলনের
সময়
যৌনাঙ্গে গরম বাতাসের মত অনুভূত
হয়,,জ্বীনরা
দীর্ঘক্ষণ সঙ্গম করে,,তাই এই সঙ্গমের পরে
মেয়েরা দুর্বল হয়ে যায় খুব,শুকিয়ে যায় অনেক
ধীরে ধীরে,, শরীরে ব্যথা অনুভব করে
অনেক,,এসব লক্ষণ নারী পুরুষ সকলের,,
৬) অবিবাহিত মেয়ের উপর আছর করলে আর
তার
সাথে জ্বীন শারীরিক সম্পর্ক করলে অই মেয়ে
বিয়ে বসতে চায় না,,আর বিবাহিত মেয়ের
সাথে
এরকম কিছু হলে অই মেয়ে স্বামীর সাথে
মিলনের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে অনেক সময়,,,
জ্বীন,যাদু,বদনজর,ওয়াসওয়াসা,গুনাহের কাজ
ইত্যাদি
থেকে বাঁচতে পারে না মানুষ প্রধানত তিন
কারণে:-
সবগুলোই বাবা মার ভুলের কারনে,,
১) সহবাসের সময় দুআ না পড়লে সেই সন্তানের
মধ্যে গুনাহ করার প্রবনতা বেশি থাকে,,জ্বীন
বা যাদু
তাকেই লেগে যায়,,
২) সন্তানকে দুধ খাওয়াতে জানে না
আজকালকার
মায়েরা,,কারণ, অনেকেই বিসমিল্লাহ না বলে
স্তন
বাচ্চার মুখে দেয় আর বাচ্চারসাথে সাথে
থাকে
শয়তান খেয়ে মোটাতাজা হয়ে বাচ্চার উপর
আধিপাত্য
বিস্তার করে,,,
(সেদিন একজনের লেখায় পড়লাম:- খুলনায় এক
মায়ের ৫ ছেলে আলিম,৩ মেয়ে আলিমা,,সেই
মাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি
আমার
বাচ্চাদের ওজু ছাড়া দুধ পান করাই নাই,,এই
আমলের
কারণে আমার ছেলে মেয়েরা আলিম,,অল্লহু
আ'লাম,,,
৩) জন্মের পর ঠিক সময়ে আকিকা না দেয়া,
আকিকা না
দিলে ঐ সন্তান শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে
বাঁচতে
পারে না,,,
(আল্লাহ তায়ালাই ভাল জানেন)
সবাই কেমন আছেন
কে কে জেগে আছো।
১ টা গল্প দিবো বড় গল্প
কে কে এখন সজাগ আছো
সারা দাও
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dhaka