Bangladesh Khelafat Chatro Andolon

Bangladesh Khelafat Chatro Andolon

Share

This is the official page of Bangladesh Khelafat Chatro Andolon

Photos 29/01/2017

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ২০১৭-২০১৮ মেয়াদের নবগঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে আমেলা (কার্য নির্বাহী পরিষদ) এর পরিচিতি সভা আগামী ৩০ জানুয়ারি রোজ সোমবার বিকাল ৩টায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সিটিটিউট, কাকরাইল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।

খেলাফত আন্দোলন প্রধান, আমীরে শরীয়ত মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর খেলাফত আন্দোলনের সকল নেতা-কর্মী ও হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. এর ভক্তবৃন্দকে উক্ত পরিচিতি সভায় উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।

Photos 25/01/2017

খেলাফত ছাত্র আন্দোলনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মাওলানা আতাউল্লাহ
রাষ্ট্রপতির কাছে নিরপেক্ষ সার্চ কমিটি চায় জনগণ
-------------------------------------
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন প্রধান, আমীরে শরীয়ত মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর বলেছেন, দেশের জনগণ ও সকল রাজনৈতিক দলগুলো এখন নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য নিরপেক্ষ সার্চ কমিটির অপেক্ষায়। নিরপেক্ষ সার্চ কমিটি গঠন আমাদের রাষ্ট্রপতির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। তিনি যদি নিরপেক্ষ একটি সার্চ কমিটি জাতিকে উপহার দিতে পারেন তাহলে জনগণের মনে আগামীতে সুষ্ঠু নির্বাচনের আশার সঞ্চার হবে অন্যথায় দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করা যায় না।

আজ বুধবার বিকাল ৩ টায় লালবাগ কিল্লার মোড়ে খেলাফত মিলনায়োতনে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত খেলাফত আন্দোলনের নবগঠিত কমিটির পুনঃনির্বাচিত আমীরে শরীয়ত মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুরকে ও নবনির্বাচিত মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছাত্রনেতা হাফেজ আল-আমিন। বক্তব্য রাখেন, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লা মিয়াজী, মাওলানা নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, যুগ্ন মহাসচিব রোকনুজ্জামান রোকন, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, প্রচার সম্পাদক মাওলানা সুলতান মহিউদ্দীন, ছাত্রনেতা হাফেজ ইহসান, ইসহাক মাহমুদ, আরাফাত হোসাঈন, নাজিবুল্লাহ আশ্রাফ, আশিক যোবায়ের, বেলাল হোসাঈন, প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

মাওলানা আতাউল্লাহ আরো বলেন, দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম দেশে সুপ্রীম কোর্টের সামনে গ্রীক দেবীর মুর্তি স্থাপন করে এদেশের মুসলমানদের সাথে তামাশা করা হচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং দ্রæত তা অপসারনের দাবি করছি। ছাত্র সমাজকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা সর্বদা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাবেন। আপনাদের দিকে জাতি তাকিয়ে আছে। এদেশে খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আপনাদেরকেই সঠিক ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, একদিন এদেশের আকাশে ইসলামের বিজয়ী পতাকা উড়বেই। আর আমরা আশাবাদী সে বিজয় হাফেজ্জী হুজুরের সৈনিকদের হাত ধরেই আসবে ইনশাআল্লাহ।

বিশেষ অতিথির ভাষণে নবনির্বাচিত মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেন, হাফেজ্জী হুজুর রহ: আমাদেরকে আদর্শ ও তাওবার রাজনীতি শিখিয়েছেন। তাই আমাদের একটাই উদ্দেশ্য আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত করা। চাই যত বাধাই আমাদের সামনে আসুক।

সভাপতির ভাষণে ছাত্রনেতা হাফেজ আল-আমিন বলেন, এদেশে ইসলামী রাজনীতির কর্ণধার হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহঃ। তাই এদেশে যদি শান্তি আনতে হলে হাফেজ্জী হুজুরের নীতি আদর্শ মেনে চলতে হবে। ছাত্র রাজনীতির নামে নোংরা খেলা বন্ধ করতে হবে। চাদাবাজী, সন্ত্রাসী বন্ধ করতে হবে।

Photos from Bangladesh Khelafat Chatro Andolon's post 31/12/2016

মিয়ানমারে মুসলিম গণহত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র আন্দোলন নেত্রকোণা জেলা শাখার বিক্ষোভ সমাবেশ
-----------------------------------------------
মিয়ানমারের মুসলিম অধ্যুষিত আরাকান রাজ্যে সেনাবাহিনীর হাতে অসহায় শিশুসহ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে নেত্রকোনায় মিয়ামারের জাতীয় পতাকায় অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।

শুক্রবার বাদ জুমা শহরের বড় বাজার জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র আন্দোলন নেত্রকোনা জেলা শাখার উদ্যোগে তৌহিদি ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ সমাবেশে মিয়ানমারের পতাকায় অগ্নিসংযোগ করা হয়।

জেলা ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা হুসাইন আহমদের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা খেলাফত আন্দোলনের নেতা মাওলানা মোস্তাফা জিহাদি, খেলাফত যুব আন্দোলনের জেলা শাখার সভাপতি আবদুর রহিম, উবায়দুর রহমান পলাশ, হাফেজ মারজান আহম্মেদ খান হিমেল, খায়রুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বিভিন্ন দেশের দাবি সত্ত্বেও মিয়ানমার সরকার কর্ণপাত করছে না। তারা এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দাবি করেন।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে জেলার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া মিফতা হুল উলুম মাদরাসা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

24/12/2016

স্বাধীনতা যুদ্ধে হাফেজ্জী হুজুরের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়
- কামরাঙ্গীরচর মাদরাসার মাহফিলে খাদ্যমন্ত্রী
----------------------------
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী এ্যাড: কামরুল ইসলাম বলেছেন- কুরআন-হাদীসের আলোকে জীবন গঠন হলেই সফলতা অর্জন সম্ভব। কুরআনের অনুসরণেই প্রকৃত মানুষ হওয়া যায়। এদেশের মানুষ ইসলামপ্রিয়। তারা ওলামায়ে কেরামকে মুহব্বত করে। বর্তমান সরকার ওলামায়ে কেরামের পক্ষ্যে।

যুগশ্রেষ্ঠ ওলি হযরত হাফেজ্জী হুজুর এক প্রকৃত আল্লাহর ওলি ছিলেন। বাতিলের বিরুদ্ধে তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। কিছু লোক মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে একটি কাগজে দস্তখত করতে আবেদন করলে তা প্রত্যাখ্যান করে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে হাফেজ্জী হুজুর নিজের অবস্থান প্রকাশ করেছেন। ইসলাম শান্তির ধর্ম।

গত ২২-২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কামরাঙ্গীরচর জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়ায় অনুষ্ঠিত দুইদিন ব্যাপী মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামিয়ার মহাপরিচালক মাওলানা শাহ আতাউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে অন্যান্যদের মাঝে বয়ান করেন- শায়খুল হাদীস আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী, মুফতি জাফর আহামাদ (ঢালকানগর), ড. মাওলানা আ ফ ম খালিদ হোসেন, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা আবুল কাশেম আশরাফী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা রফিকুল ইসলাম আল মাদানী, মাওলা খুরশীদ আলম কাসেমী, মাওলানা মূসা প্রমুখ।

সভাপতির ভাষণে মাওলানা আতাউল্লাহ বলেন, এদেশের কওমী মাদরাসাগুলো দ্বীন রক্ষার দূর্গ” হাফেজ্জী হুজুর রহ. এর এই অমীয় বাণী আজ বাস্তবেও প্রতিফলিত হচ্ছে। কওমী ওলামাগণই বাতিলের বিরুদ্ধে সর্বদা বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে চলছেন।

অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, একটি কুচক্রী মহল সব সময় আলেম-ওলামা, মসজিদ-মাদরসার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের ব্যপারে সজাগ থাকতে হবে। দল-মত নির্বিশেষে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।

বিশেষ অতিথির বয়ানে মাওলানা মামুনুল হক বলেন- হাফেজ্জী হুজুর এদেশের সকল মানুসের শ্রদ্ধার পাত্র। ওলামায়ে কেরামের প্রেরণার উৎস। হাফেজ্জী হুজুরকে নিয়ে কোন ষড়যন্ত্র হলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। তিনি নাস্তিকদের গডফাদার শাহরিয়ার কবির ও মুনতাসির মামুন গংদের গ্রেফতার করে শাস্তির দাবী জানান।

মাহফিলে উপস্থিত ওলামায়ে কেরামের মধ্যে ছিলেন- মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, শায়খুল হাদীস সোলায়মান নো’মানী, মাওলানা ইসমাঈল বরিশালী, মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, মাওলানা মুজীবুর রহমান হামিদী, মাওলানা সাজেদুর রহমান ফয়েজী।

মাহফিল পরিচালনা করেন- মাওলানা ইলিয়াছ মাদারীপুরী, মাওলানা মুজীবুর রহমান, মাওলানা সুলতান মহিউদ্দীন, মাওলানা আ ফ ম আকরাম হুসাইন। মাহফিলে দেশ-জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

19/12/2016

মুসলিম সেনাপতি কুতাইবা ইবনে মুসলিম হঠাৎ সমরকন্দ আক্রমণ করে তা পদানত করে ফেললেন। সমরকন্দ শহর বিজিত হয়ে গেলে শহরবাসীরা জানতে পারল যে, ইসলাম নগরবাসীকে তিনটি প্রস্তাবের যে কোন একটি গ্রহণের সুযোগ প্রদান করে। হয় ইসলাম গ্রহণ করতে হবে, না হয় জিযিয়া (সামরিক কর) দিয়ে থাকতে হবে, অন্যথায় যুদ্ধই ভাগ্যের ফয়সালা করবে। কিন্তু তাদেরকে এ তিনটির একটিরও সুযোগ দেয়া হয়নি। অতর্কিত আক্রমণ করে তাদের পরাভূত করা হয়েছে। তখন তারা খলীফা উমর উবনে আব্দুল আযীয (রহঃ)-এর নিকট দূত পাঠালেন।

খলীফা সমরকন্দবাসীর বক্তব্য শুনে সেই বাহিনীর একজন সাধারণ সৈনিক জুমাই বাজীকে এ মামলার বিচারক নির্ধারণ করলেন। খলীফার পক্ষ হতে জুমাই বাজী উভয় পক্ষের লোকদের ডাকলেন। মুসলিম সেনাপতি কুতাইবা ইবনে মুসলিম এলেন এবং মুজাহিদ বাহিনীর বড় বড় অফিসারগণ এলেন, আর সমরকন্দের নেতৃত্বাস্থানীয় ব্যক্তিগণও এলেন, তিনি উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনলেন। তারপর জুমাই বাজী ফয়সালা করলেন যে, মুসলিম বাহিনী সমরকন্দ শহর ত্যাগ করে চলে যাবে।

সুবহানাল্লাহ! কী চমৎকার ফয়সালা! ঐতিহাসিক বিচার! ফয়সালার পর যখন বিজয়ী মুসলিম বাহিনী সমরকন্দ শহর ছেড়ে চলে যেতে লাগল, তখন শহরবাসীর চৈতন্য ফিরে এল। সাথে সাথে তারা কালিমা পাঠ করে মুসলমান হয়ে গেল।

Photos 30/11/2016

*** উৎযাপিত হল বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ৩৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ***

গতকাল ২৯ নভেম্বর অনাড়ম্বর ও সাদামাটা পরিবেশে আল্লাহর ওলী হযরত মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর রহ. কতৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ৩৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপিত হয়েছে।

সকাল ১০ টায় শুরু হওয়া উৎযাপনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল মারকাজুল খেলাফত জামিয়া নূরিয়ার মাঠে নেতাকর্মীদের সারিবদ্ধ অবস্থান গ্রহণ, কুরআন তিলাওয়াত, তারানা, কালেমা, দেশ ও আন্দোলনের পতাকা উত্তোলন, আন্দোলন প্রধান মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুরের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য এবং দুআর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি।

হাফেজ মাওলানা ক্বারী সিদ্দিকুর রহমানের সুললিত কণ্ঠে সূরা তওবার ‘ইয়া আইয়্যুহাল্লাযিনা আমানু মা লাকুম ইযা ক্বিলা লাকুমুন ফিরু ফি সাবিলিল্লাহি ……… ’ এই আয়াত থেকে তেলাওয়াত শুরুর মাধ্যমে আরম্ভ হয় অনুষ্ঠানের কর্মসূচি। ‘ওয়া কালিমাতুল্লাহি হিয়াল উলইয়া পর্যন্ত তিলাওয়াত হওয়ার সাথে সাথে শুরু হয় পতাকা উত্তোলন।

কালেমার পতাকা উত্তোলন করেন মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন খেলাফত আন্দোলনের সাবেক মহাসচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খান আর খেলাফত আন্দোলনের পতাকা উত্তোলন করেন মাওলানা মাহবুবুর রহমান। পতাকা উত্তোলনের সময় তারানা পেশ করেন খেলাফত নেতা মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা সূলতান মহিউদ্দীন।

পতাকা উত্তোলন শেষে মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে হাফেজ্জী হুজুর রহ. যে উদ্দেশ্য নিয়ে খেলাফত আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সে উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হওয়া পর্যন্ত ইস্তেকামাতের সাথে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। হাফেজ্জী হুজুর রহ. এর বাণী ‘আমার এই কাফেলার কর্মীরা ইমাম মাহদীর বাহিনীর সাথে গিয়ে মিশবে ইনশাআল্লাহ’ –এই কথার তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। তাঁর বক্তব্য উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দীপ্ত করে এবং উপস্থিত সবার দ্বীনি জজবাকে শাণিত করে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, সাবেক আমীরে শরীয়ত, রাজপথের পরীক্ষিত ও লড়াকু সিপাহসালার মাওলানা শাহ আহমাদউল্লাহ আশরাফ। প্রায় দুই বছর ধরে তিনি শয্যাশায়ী হলেও কিছুটা সুস্থ বোধ করায় হুইল চেয়ারে করে তিনি হাজির হন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে। তাঁর উপস্থিতি কর্মীদের উৎসাহ-উদ্দীপনাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

উত্তোলিত পতাকাসমূহের উচ্চতার পার্থক্যও ছিল বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। সবার উপরে কালেমার পতাকা দ্বারা এটা স্পষ্ট করা হয়েছে যে, আমাদের বিশ্বাস, ঈমান তথা আল্লাহ প্রদত্ত জীবন ব্যবস্থা আমাদের নিকট সবকিছুর উর্ধ্বে। একমাত্র কালেমার দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সারা পৃথিবীতে শান্তি আসতে পারে। দেশের পতাকার সামান্য নিচে উড্ডীন সংগঠনের পতাকা নির্দেশ করছিল দলীয় সংকীর্ণ স্বার্থের তুলনায় জাতীয় স্বার্থ অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

সবশেষে মাওলানা আতাউল্লাহ সাহেব দামাত বারাকাতুহুম দোআ পরিচালনা করেন। আল্লাহর জমীনে আল্লাহর খেলাফত প্রতিষ্ঠার কাজে সফলতার জন্য রব্বে কারীমের কাছে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করেন তিনি। আমীন আমীন ধ্বনিতে সঙ্গ দেন উপস্থিত নেতা-কর্মীবৃন্দ। সকল মুসলমান বিশেষ করে আরাকানের মজলুম মুসলমানদের জন্য তিনি বিশেষভাবে দুআ করেন। তাদের উপর আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে গায়েবি মদদ প্রার্থনা করেন তিনি।

ভিডিও: facebook.com/AllDhakarHalchal/videos/830710120365301
facebook.com/hmsofikul.islam/videos/1809739929293781

দৈনিক সংগ্রাম: https://goo.gl/W4kGdP

দৈনিক ইনকিলাব: https://goo.gl/A9VT3A

Photos 23/11/2016

মিয়ানমারের আরাকানে স্থানীয় বৌদ্ধ সন্ত্রাসী ও সেনাবাহিনী কতৃক রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যার প্রতিবাদে আজ বুধবার বাদ আসর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের উত্তর গেটে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

Photos from Bangladesh Khelafat Chatro Andolon's post 30/08/2016
28/03/2016

আলহামদুলিল্লাহ। আদালতের মাধ্যমে আল্লাহর দ্বীনের নাম-নিশানা সংবিধান থেকে মুছে দেয়ার ষড়যন্ত্র আপাতত বন্ধ হয়েছে। আদালত রাষ্টধর্ম ইসলামকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আজ দুপুরে খারিজ করে দিয়েছেন।

হেফাজতে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সহ সকল ইসলামী রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের আহবানে মিছিল, বিক্ষোভ সমাবেশ, বক্তৃতা-বিবৃতি এবং তৌহিদি জনতার স্বত:স্ফুর্ত অংশগ্রহণ ইত্যাদির জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে মোবারকবাদ এবং আল্লাহ তাআলার নিকট উত্তম বিনিময়ের জন্য দুআ।

সেইসাথে অনলাইনে যেসব তরুণ-যুবক ভাইরা ইভেন্ট, প্রোফাইল পিকচার চেঞ্জ, প্রত্যেকটা সমাবেশ-মিছিলে তাৎক্ষণিক আপডেট দিয়ে হলুদ মিডিয়ার উপেক্ষা সত্ত্বেও সর্বসাধারণের কাছে ইসলামবিরোধী এই ষড়যন্ত্র প্রতিরোধের ডাক পৌঁছে দিয়েছেন এবং দাবি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন তাদেরকেও মোবারকবাদ।
এবারের আন্দোলনে আমরা যেভাবে দল-মত-পথ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছি ঠিক তেমনিভাবে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েমেও আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামার তাওফিক দান করুন।

https://www.facebook.com/bka.org/posts/1065657506805758

Photos 24/03/2016

সরকারের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে নাস্তিকরা ইসলাম বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: খেলাফত আন্দোলন
-----------------------------------------------------------------------------------
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীরে শরীয়ত হাফেজ মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়ার চক্রান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশকে স্পেনের মত বিধর্মী রাষ্ট্রে পরিণত করতে একটি মহল দীর্ঘদিন যাবৎ ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে ঐ ষড়যন্ত্রকারী মহলটি সংবিধান থেকে আল্লাহর নাম মুছে দেয়া, রাসূলুল্লাহ সা. এর অবমাননা, কোরআন বিরোধী নারী নীতিমালাসহ একের পর এক জঘন্য ষড়যন্ত্রে তারা সক্রিয়। এখন বাকিটুকু যা রয়েছে তাও বাদ দিতে তারা উঠে পরে লেগেছে। এদেশে কার্যত রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম না থাকলেও ইসলাম শব্দটুকুও তারা সহ্য করতে পারছে না। যারা ইসলাম, মুসলমান, মসজিদ, মাদরাসা সহ্য করতে পারে না, শত করা ৯২% মুসলিম দেশে তাদের থাকার কোন অধিকার নেই। তিনি দলমত নির্বিশেষে সকল মুসলমান, আলেম-উলামাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলামের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান।

আজ বুধবার বিকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়ার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের উদ্যোগে এক বিােভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের নায়েবে আমীর আলহাজ্ব আনিছুর রহমান জিন্নাহ, মাওলানা আবু জাফর কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জামিয়া নূরিয়ার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী ও মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ আশরাফ, আলহাজ্ব আজম খান, মুফতি ফখরুল ইসলাম, মুফতি সুলতান মহিউদ্দীন, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা আবুল কাসেম কাসেমী, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হান্নান আল হাদী, হাফেজ মাওলানা আব্দুল মান্নান, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, মাওলানা ইলিয়াস মাদারীপুর, মাওলানা ফরিদুল ইসলাম ও ছাত্রনেতা আল আমিন প্রমূখ।

মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সাংবিধানিক, এর বিরোধীতা বাংলাদেশের সংবিধান পরিপন্থি ও রাষ্ট্রদ্রোহীতার শামিল। যারা রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংবিধান থেকে বাদ দিতে চায়, তারাই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী, বাংলাদেশের দুশমন, প্রকৃত স্বাধীনতা বিরোধী, ইসলাম ও ৯২% মুসলমানদের দুশমন। এদেশের মুসলমানরা প্রয়োজনে বুকের তাজা রক্ত দিবে, শহীদ হবে কিন্তু সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল হতে দেবে না।

মাওলানা আবু জাফর কাসেমী বলেন, দেশে কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন পাশ হবেনা বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বর্তমান সরকার মতায় এসেছে। এ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব।

মুফতি ফখরুল ইসলাম বলেন, যারা ইসলাম ও মুসলমানদের নিয়ে বার বার বিষোদগার করে মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশে ফেতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা না নিলে আন্দোলনের দাবানল সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে।

মুফতি সুলতান মহিউদ্দীন বলেন, বিশ্বের ৪৩টি দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। যারা রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সহ্য করতে পারে না তারা যাদের অনুসারী তাদের দেশেও নিজস্ব ধর্মই রাষ্ট্রধর্ম। মুসলিম জনতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া হলে সরকারকে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে।

বক্তারা আগামী ২৭ই মার্চ এর পূর্বে সুপ্রিম কোর্ট থেকে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সম্পর্কে নাস্তিকদের করা রিটটি খারিজ করে দিয়ে শুভবুদ্ধির পরিচয় দেয়ার আহবান জানান। অন্যথায় ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য সরকারই দায়ী হবে।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোফ মিছিল বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে বের হয়ে পুরানা পল্টন হয়ে দৈনিক বাংলা মোড় ঘুরে পুনরায় বায়তুল মোকাররমে এসে শেষ হয়।

18/11/2015

যখন দুনিয়ার ছোট ছোট শাসকদের থেকেও তোমরা চাও এবং আশা করে থাকো যে, তারা ইনসাফ করবে, অপরাধীদেরকে শাস্তি দেবে এবং ভালো কাজ যারা করবে তাদেরকে পুরস্কৃত করবে তখন আল্লাহর ব্যাপারে তোমরা কি মনে করো? তিনি কি সব শাসকের বড় শাসক নন? যদি তোমরা তাঁকে সবচেয়ে বড় শাসক বলে স্বীকার করে থাকো তাহলে কি তাঁর সম্পর্কে তোমরা ধারণা করো যে, তিনি ইনসাফ করবেন না? তাঁর সম্পর্কে কি তোমরা এই ধারণা পোষণ করো যে, তিনি মন্দ ও ভালোকে একই পর্যায়ে ফেলবেন? তোমরা কি মনে করো তাঁর দুনিয়ায় যারা সবচেয়ে খারাপ কাজ করবে আর যারা সবচেয়ে ভালো কাজ করবে তারা সবাই মরে মাটির সাথে মিশে যাবে। কাউকে তার খারাপ কাজের শাস্তি দেয়া হবে না এবং কাউকে তার ভালো কাজের পুরস্কারও দেয়া হবে না?
----মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহঃ)

Untitled album 16/11/2015
Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


314/2 J. N. Shaha Road, Kellar Morr, Lalbagh, DHAKA.
Dhaka
1211