Learn Quran Online With Salma

Learn Quran Online With Salma

Share

Online Quran Teacher.

11/06/2026

✨ The Power of Du'a 💚 ✨

Du'a is one of the greatest blessings Allah has given us. It is our direct connection with Him, a way to seek His help, guidance, mercy, and forgiveness at all times.
Never stop making du'a. Allah hears every prayer and responds in the best way. Sometimes He grants what we ask for immediately, sometimes He delays it for a better time, and sometimes He replaces it with something far better than what we wanted.
Stay connected to Allah through your daily prayers, fulfill your obligations to Him, and keep turning to Him in every situation. A heart attached to Allah finds peace in this world and success in the Hereafter.
No prayer is ever wasted, and no sincere call to Allah goes unheard.
May Allah accept our du'as, strengthen our faith, and grant us goodness in this life and the next. Ameen. 🤲✨

10/06/2026

কিছুদিন আগে রাতে বসে কোরআন পড়তেছিলাম।
একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় তিরিশ পারার একদম শেষের দিকের একটা ছোট সূরা, সূরা তাকাসুরে এসে।
প্রথম দুইটা আয়াত পড়েই আমি রীতিমতো ভ্যাবাচেকা খাইছি!

আল্লাহ বলতেছেন,
"অধিক পাওয়ার প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে (গাফলতির মধ্যে ফেলে রেখেছে)।"
"যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপস্থিত হও।" (সূরা তাকাসুর: ১-২)

আয়াত দুইটা পড়ে আমার মাথা কিছুক্ষণের জন্য পুরা ব্ল্যাংক হয়ে গেছিলো।
আমি আয়াতটার আরবি শব্দগুলো আবার দেখলাম- "হাত্তা যুরতুমুল মাক্বাবির"।
এখানে আল্লাহ 'যুরতুম' শব্দটা ব্যবহার করেছেন।
'যুরতুম' মানে হলো জিয়ারত করা, ভিজিট করা বা বেড়াতে যাওয়া।

আমার মাইন্ড ব্লো হয়ে গেছে ঠিক এই জায়গাটাতেই!
আমি পুরা জিনিসটা আবার রিয়েলাইজ করার চেষ্টা করলাম।
আল্লাহ বলতে চাইতেছেন কি?!
মানুষ মারা গেলে কবরে যায়, সেখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়।
কিন্তু আল্লাহ বলছেন, তোমরা কবরে "ভিজিট" করতে যাও!
ভিজিট তো মানুষ কিছুক্ষণের জন্য করে, পার্মানেন্টলি থাকার জন্য তো কেউ ভিজিট করতে যায় না!!!

আমি সাথে সাথে তাফসির সার্চ দিলাম। তাফসিরে ইবনে কাসির আর অন্যান্য কয়েকটা গ্রন্থ পড়লাম। তারপর আমার রিয়েলাইজেশনে যা আসলো, তা হলো:
কবর মানুষের শেষ গন্তব্য না!
কবর হচ্ছে জাস্ট একটা "ওয়েটিং রুম" বা ট্রানজিট লাউঞ্জ।
যেমন এয়ারপোর্টে মানুষ কিছুক্ষণ ওয়েট করে আসল ফ্লাইটে ওঠার জন্য, কবরটাও ঠিক তেমন।
আর আমরা বোকা মানুষরা দুনিয়াতে ভাবি, এই বুঝি সব শেষ!

এরপর আমি প্রথম আয়াতের "তাকাসুর" (التكاثر) শব্দটার তাফসির পড়লাম। আল্লাহ এখানে বলেন নাই যে "টাকা" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। আল্লাহ বলছেন "তাকাসুর" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। তাকাসুর মানে কী?
তাকাসুর মানে হলো- "ওর চেয়ে আমার বেশি লাগবে।"
এইটা কোনো বস্তুর নাম না, এইটা একটা মেন্টালিটি। একটা অসুস্থ মানসিক প্রতিযোগিতা।

আমার একটা ফোন আছে, কিন্তু ফ্রেন্ডের আইফোন প্রো ম্যাক্স দেখলে আমারও ওটা লাগবে।
আমার একটা ডিগ্রি আছে, কিন্তু অন্যের আরেকটা ভালো ডিগ্রি দেখলে আমারও সেটা লাগবে। ব্যাংকে টাকা আছে, কিন্তু আরেকজনের বেশি থাকলে আমার আরো লাগবে।
ক্যারিয়ার, স্ট্যাটাস, স্যালারি- এই "আরো চাই, আরো চাই" করতে করতে আমাদের জীবনের আসল ফোকাসটাই আমরা হারিয়ে ফেলি।

এই সূরা শুরুই হইছে একটা সাইকোলজিক্যাল ওয়ার্নিং দিয়ে।
আল্লাহ মানুষকে বলতেছে, দেখো, একটা পশু শুধু ততটুকুই খায় যতটুকু তার ক্ষুধা মেটায়।
কিন্তু তুমি মানুষ, তোমার পেট ভরার পরও তুমি জমা করো, কারণ তুমি অন্যের চেয়ে নিজেকে বড় দেখাতে চাও।
এইটা কোনো সাধারণ কথা না, এইটা আমাদের অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় crisis।

তাফসিরে বলা হয়েছে, "আলহাকুম" মানে এমন কোনো খেলা বা বিনোদন যা তোমাকে তোমার আসল ইমার্জেন্সি কাজ ভুলিয়ে দেয়।
ধরেন, আপনার কালকে ফাইনাল এক্সাম বা বিশাল কোনো প্রেজেন্টেশন, আর আপনি আজকে রাতে বসে নেটফ্লিক্সে সিরিজ দেখতেছেন।
এই সিরিজ দেখাটা হলো "আলহাকুম"।
আল্লাহ বলছেন, এই দুনিয়ার ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স, আর সেটেল হওয়ার টেনশন তোমাদেরকে আখেরাতের ফাইনাল এক্সামের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে!

সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত আসে এরপর:
"কক্ষনো নয়, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।... সেদিন তোমাদেরকে অবশ্যই নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।" (সূরা তাকাসুর: ৩, ৮)
এখানে আল্লাহ আমাদের অভিযুক্ত করতেছেন না, আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা দেখাচ্ছেন।
আমরা ভাবি আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমাদের টাকা নাই, আমাদের ভালো জব নাই, আমাদের অমুক জিনিসটা নাই।
কিন্তু সবচেয়ে গভীর Realisation, এই আয়াত আসলে বলতেছে: তোমার সবচেয়ে বড় সমস্যা তোমার অভাব না। তোমার সমস্যা হচ্ছে তুমি এক অলীক প্রতিযোগিতায় দৌড়াচ্ছো।
তুমি এমন একটা গন্তব্যের জন্য জিনিসপত্র প্যাকিং করতেছো, যেখানে তুমি থাকবাই না!

ফ্লো টা দেখেন:
১. মানুষ "আরো লাগবে" প্রতিযোগিতায় অন্ধ হয়ে দৌড়াচ্ছে।
২. সে আসল উদ্দেশ্য ভুলে গেছে।
৩. দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ একদিন সে কবরে গিয়ে ব্রেক কষে (ভিজিট করে)।
৪. কবরে যাওয়ার পর তার ঘোর কাটে, কিন্তু তখন আর ফিরে আসার সময় থাকে না।
৫. শেষমেশ তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয় হিসাব দেওয়ার জন্য।

আমরা কেন রবকে ভুলে যাই?
কারণ আমাদের মস্তিষ্ক already occupied।
আমরা সারাদিন হিসাব করি কীভাবে আরো দুই টাকা বেশি কামানো যায়, কীভাবে সিভিটা আরো ভারি করা যায়, কীভাবে অন্যের চেয়ে একটু বেটার লাইফ লিড করা যায়।
এই ইঁদুর দৌড়ে আমরা আমাদের যৌবন শেষ করি, পরিবারকে সময় দিই না, নিজের আত্মার যত্ন নিই না।
সমস্যা এই না যে মানুষ পরিশ্রম করে।
ইসলাম তো পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করে।
সমস্যা হইতেছে, মানুষ ভুল ট্র্যাকে দৌড়ায়।
আপনি একটা ট্রেনের টিকিট কেটেছেন চিটাগাং যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনি ভুলে উঠেছেন সিলেটের ট্রেনে।
এখন সেই ট্রেনের এসি বগিতে বসে আপনি যতই কমফোর্ট ফিল করেন না কেন, আপনি তো আপনার আসল গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন না!

সবচেয়ে বড় ভয় হইতেছে এইটাই যে, জীবনের এই পুরো সময়টা আমরা যে স্ট্যাটাস, যে টাকা, যে ক্যারিয়ারের জন্য দৌড়ালাম, কবরের ওই ওয়েটিং রুমে ঢোকার সাথে সাথেই সেই সবকিছুর ভ্যালু জিরো হয়ে যাবে।
জিরো!
সেদিন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন, "আমি তোমাকে যেই সময়, যেই এনার্জি আর যেই নেয়ামত দিয়েছিলাম, সেটার শুকরিয়া কোথায়?"
আমরা সারা জীবন "সেটেল" হওয়ার স্বপ্ন দেখি।
কিন্তু সূরা তাকাসুর আমাদের একটা ভয়ংকর সত্য মনে করিয়ে দেয় - দুনিয়াতে কেউ কখনো সেটেল হতে পারে না, যতক্ষণ না সে কবরের ওই ট্রানজিট লাউঞ্জে গিয়ে পৌঁছায়। :

~ Towhidul Mansur

07/06/2026

"Always be grateful to Allah. 🧡

No matter what you're going through, never stop thanking Allah. Every blessing, every lesson, and every moment of ease or hardship carries wisdom from Him. A grateful heart finds peace, and gratitude increases blessings.

06/06/2026

Alhamdulillah 🌟
My new student, Safreen Marnia from Dhanmondi,Bangladesh has joined the "Basic Quran Learning" course. 📖✨

I wish her continued success in her journey of learning the full Quran and practicing its teachings in her daily life, Ing Sha Allah. 🌿 May Allah guide and bless her always. 🤲

05/06/2026

"Trust Allah for everything. No matter how difficult life becomes, remember that Allah's plan is always better than your plan. What is meant for you will never miss you, and what misses you was never meant for you. Put your trust in Allah and have patience; He will make a way where you see no way."

05/06/2026

জুম্মার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ সময় রয়েছে এবং হাদিস অনুসারে এমন একটি মুহূর্ত আছে যখন মুসলিম বান্দার দোয়া আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না (কবুল করেন)। সাধারণত আসরের পর থেকে মাগরিবের আগ পর্যন্ত (বিশেষ করে আসরের শেষ সময়) এবং জুমার খুতবা শুরু থেকে নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত এই সময়গুলো উল্লেখযোগ্য।

জুম্মার দিনে বেশি বেশি দরুদ শরীফ পড়া, সূরা কাহফ তিলাওয়াত এবং নিচের দোয়াগুলো পড়া উত্তম। এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দোয়া আরবি, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ দেওয়া হলো (প্রধানত কুরআন ও হাদিসভিত্তিক):

১. দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের দোয়া (সুরা বাকারা: ২০১)

আরবি:
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণ:
রাব্বানা আতিনা ফিদ্‌দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়া কিনা আযাবান্নার।

অর্থ:
হে আমাদের পালনকর্তা! দুনিয়াতে আমাদের কল্যাণ দাও, আখেরাতেও কল্যাণ দাও এবং জাহান্নামের আযাব থেকে আমাদের রক্ষা করো।

২. হেদায়েত, তাকওয়া, পবিত্রতা ও সচ্ছলতার দোয়া (হাদিস)

আরবি:
اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنَى
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল হুদা ওয়াত তুকা ওয়াল আফাফা ওয়াল গিনা।

অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হেদায়েত (সঠিক পথ), তাকওয়া (আল্লাহভীতি), পবিত্রতা (নৈতিক সতীত্ব) এবং সচ্ছলতা (হালাল সম্পদ) কামনা করি।

৩. মা-বাবা ও সকল মুমিনের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা (সুরা ইবরাহিম: ৪১)

আরবি:
رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ
উচ্চারণ:
রাব্বানাগফির লি ওয়া লিওয়ালিদাইয়্যা ওয়া লিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াকুমুল হিসাব।

অর্থ:
হে আমাদের পালনকর্তা! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সকল মুমিনকে সেই দিন ক্ষমা করে দিন যেদিন হিসাব কায়েম হবে।

৪. অন্তরের স্থিরতা ও রহমতের দোয়া (সুরা আলে ইমরান: ৮)

আরবি:
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ
উচ্চারণ:
রাব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা‘দা ইয হাদাইতানা ওয়া হাব লানা মিল লাদুনকা রাহমাতান ইন্নাকা আনতাল ওয়াহহাব।

অর্থ:
হে আমাদের রব! হেদায়েত দেওয়ার পর আমাদের অন্তরগুলোকে বক্র করো না এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের রহমত দান করো। নিশ্চয় তুমি মহাদাতা।

৫. গুনাহ ক্ষমা ও নেককারদের সাথে মৃত্যুর দোয়া (সুরা আলে ইমরান: ১৯৩)

আরবি:
رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الْأَبْرَارِ
উচ্চারণ:
রাব্বানা ফাগফির লানা যুনুবানা ওয়া কাফফির আন্না সাইয়্যিআতিনা ওয়া তাওয়াফফানা মা‘আল আবরার।

অর্থ:
হে আমাদের রব! আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করো, আমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি মুছে দাও এবং আমাদেরকে নেককারদের সাথে মৃত্যু দাও।

🌿 অতিরিক্ত পরামর্শ

▪️দরুদ শরীফ: জুম্মার দিনে সবচেয়ে বেশি দরুদ পড়ুন (যেমন দরুদে ইব্রাহিম)। এটি খুব ফজিলতপূর্ণ।

▪️আপনার নিজের ভাষায়ও আল্লাহর কাছে চাইতে পারেন — অন্তর থেকে সত্যিকারের দোয়া।

▪️জুম্মার দিন গোসল, সুগন্ধি ব্যবহার, উত্তম পোশাক এবং মসজিদে আগে যাওয়া সুন্নাহ।

আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবার দোয়া কবুল করুন এবং
জুম্মার বরকতে আমাদেরকে হেদায়েত দান করুন। আমিন।

Collected

01/06/2026

Collected

সিজদা হলো বান্দার জন্য আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হওয়ার মাধ্যম। এই অবস্থায় ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) পাঠ করার ফজিলত অত্যন্ত গভীর। নিচে হাদিসের আলোকে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

​১. আল্লাহর সর্বাধিক নৈকট্য লাভ
​রাসূলুল্লাহ (সা.) সিজদাবস্থায় দুআ ও ইস্তিগফারের গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে বলেছেন যে, এটিই আল্লাহর কাছে চাওয়ার শ্রেষ্ঠ সময়।

​হাদিস: আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"বান্দা যখন সিজদারত থাকে, তখন সে তার রবের (প্রতিপালকের) সবচেয়ে কাছে থাকে। সুতরাং তোমরা তখন বেশি বেশি দুআ করো।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ৪৮২)

​২. রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিজস্ব আমল
​রাসূল (সা.) নিজে সিজদায় গিয়ে ব্যাপক ও গভীর অর্থবহ ইস্তিগফার পাঠ করতেন। তিনি ছোট-বড় সকল গুনাহ থেকে পানাহ চাইতেন।

​রাসূল (সা.)-এর সিজদাহর ইস্তিগফার:
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ دِقَّهُ وَجِلَّهُ وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ وَعَلَانِيَتَهُ وَسِرَّهُ
(আল্লাহুম্মাগফিরলী জাম্বী কুল্লাহু, দিক্কাহু ওয়া জিল্লাহু, ওয়া আউয়ালাহু ওয়া আখিরাহু, ওয়া আলানিয়াতাহু ওয়া সিররাহু)

​অনুবাদ: "হে আল্লাহ! আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন—ছোট গুনাহ, বড় গুনাহ, পূর্বের গুনাহ, পরের গুনাহ, প্রকাশ্যে করা গুনাহ এবং গোপনে করা গুনাহ।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ৪৮৩)

​৩. দুআ কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়
​ইস্তিগফার নিজেই একটি দুআ। সিজদায় দুআ করলে তা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।

​সহিহ মুসলিমের অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে: রাসূল (সা.) বলেছেন, "সিজদায় তোমরা দুআ করার জন্য খুব বেশি চেষ্টা করো, কারণ সিজদাবস্থায় তোমাদের দুআ কবুল হওয়ার উপযোগী।"

​৪. গুনাহ মোচনের মাধ্যম
​সিজদাহ্ হচ্ছে বিনয়ের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। একজন মুমিন যখন ধুলোয় মাথা ঠেকিয়ে নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয় এবং ইস্তিগফার করে, তখন আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং গুনাহ মিটিয়ে দেন।

​হাদিস: "তুমি আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি সিজদাও করবে না এমন, যার বিনিময়ে আল্লাহ তোমার মর্যাদা এক ধাপ বাড়িয়ে দেবেন না এবং তোমার একটি গুনাহ ক্ষমা করবেন না।" (সহিহ মুসলিম)

​৫. সিজদায় ইস্তিগফারের বিশেষ তাৎপর্য
​সিজদাহ হলো মানুষের অহংকার বিসর্জন দেওয়ার চূড়ান্ত মুহূর্ত। শরীরের সবচেয়ে সম্মানিত অঙ্গ 'কপাল' যখন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে, তখন মানুষের হৃদয় বিনয়ে পূর্ণ থাকে। এই বিনয়াবনত অবস্থায় যখন কেউ বলে "হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করো", তখন আল্লাহর রহমত দরিয়ায় জোয়ার আসে।

​কুরআন ও সুন্নাহর সমন্বয়:
​কুরআনে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন, "তুমি তোমার রবের প্রশংসাসহ তাসবিহ পাঠ করো এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা (ইস্তিগফার) করো।" (সূরা আন-নাসর: ৩)। রাসূল (সা.) এই আয়াতের আমল সবচেয়ে বেশি সিজদাতেই করতেন।

​৬. সিজদায় পড়ার জন্য আরও কিছু মাসনুন দোয়া
​আপনি যদি সিজদায় ইস্তিগফার করতে চান, তবে সুন্নাহ সমর্থিত এই ছোট কিন্তু শক্তিশালী দোয়াগুলো পড়তে পারেন:

▪️​সহজ ও ছোট দোয়া:
​سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
(সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা, আল্লাহুম্মাগফিরলী)

অর্থ: "হে আমাদের রব আল্লাহ! আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি আপনার প্রশংসাসহ। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।" (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)

ফজিলত: মা আয়েশা (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) রুকু ও সিজদায় এই দোয়াটি প্রচুর পরিমাণে পাঠ করতেন।

▪️​গুনাহ মাপের গভীর আবেদন:
​رَبِّ اغْفِرْ لِي مَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ
(রাব্বিগফিরলী মা আসরারতু ওয়া মা আ’লানতু)

অর্থ: "হে আমার রব! আমার গোপন ও প্রকাশ্য সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন।" (নাসায়ি)

​৭. কেন সিজদাহ ইস্তিগফারের জন্য সেরা সময়?
​হাদিস বিশারদগণ সিজদায় ইস্তিগফারের তিনটি প্রধান কারণ উল্লেখ করেছেন:

▪️​পর্দা উঠে যায়: বান্দা ও আল্লাহর মাঝখানে সিজদাবস্থায় কোনো আড়াল থাকে না।

▪️​শয়তানের পরাজয়: মানুষ যখন সিজদা করে, তখন শয়তান দূরে গিয়ে কাঁদে এবং বলে, "আফসোস! আদম সন্তান সিজদার নির্দেশ পেয়ে সিজদা করল এবং জান্নাত লাভ করল, আর আমি আদেশ অমান্য করে জাহান্নামী হলাম।" এমতাবস্থায় ইস্তিগফার করলে তা দ্রুত কবুল হয়।

▪️​বিনয়ের পরাকাষ্ঠা: শরীরের নিম্নতম অবস্থানে থেকে মহান আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা (সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা) করার পর ক্ষমা চাইলে আল্লাহ তা ফিরিয়ে দেন না।

​৮. নফল নামাজে দীর্ঘ সিজদার ফজিলত
​বিশেষ করে তাহাজ্জুদ, সালাতুত তাসবিহ বা নফল নামাজে দীর্ঘ সিজদাহ করে কান্নাকাটি করা এবং ইস্তিগফার করা পূর্ববর্তী নেককার বান্দাদের (সালাফে সালেহীন) নিয়মিত অভ্যাস ছিল। অনেক সাহাবী সিজদাবস্থায় এত বেশি ইস্তিগফার করতেন যে, আশপাশের মানুষ মনে করত তারা হয়তো দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন।

✅ ​কিছু জরুরি মাসয়ালা:

▪️​নফল বা সুন্নাত নামাজে: নফল ও তাহাজ্জুদ নামাজে সিজদাহ্ দীর্ঘ করে রাসূল (সা.)-এর শেখানো উপরের ইস্তিগফারটি পাঠ করা অনেক সওয়াব ও বরকতের কাজ।

​সিজদাবস্থায় নিজের ভাষায় বা মাসনুন দুআর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া একজন মুমিনের জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি হতে পারে।

26/05/2026
24/05/2026

Labbaik Allahumma Labbaik,
Labbaika laa shareeka laka Labbaik,
Innal hamda wan-ni‘mata laka wal-mulk,
Laa shareeka lak.

23/05/2026

৬২০ খ্রিস্টাব্দে—
🕊️ “ইয়া খাদিজা, আমাকে কে বিশ্বাস করবে?”

হযরত খাদিজা (রাঃ) শান্ত কণ্ঠে বললেন...
“আমি বিশ্বাস করব। একদিন আরব বিশ্বাস করবে, আর একদিন পুরো জাহান তোমাকে বিশ্বাস করবে।”

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Mirpur
Dhaka
1216