18/02/2026
Ramadan mode will active soon...Ing Sha Allah.
انما الاعمال بالنيات
18/02/2026
Ramadan mode will active soon...Ing Sha Allah.
Ramadan Mubarak 🌙🌙🌙
ঈমান ভঙ্গের কারন দশ টি কারন ।
১/আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা
(সুরা মায়েদা: ৭২)
২/মুশরিক-কাফেরদের কাফের মনে না করা।সুরা নিসা: ১৪)
৩/নবীজি (স.)-এর ফায়সালার তুলনায় অন্য কারও ফয়সালাকে উত্তম মনে করা।(সুরা নিসা: ৬০)
৪/মুহাম্মদ (স.)-এর আনিত কোনো বিধানকে অপছন্দ করা।(সুরা নিসা: ৬৫)
৫/দীনের কোনো বিধান নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা।
(সুরা তওবা: ৬৫-৬৬)
৬/জাদু করা ।
(সুরা বাকারা: ১০২)
৭/মুসলিমদের বিরুদ্ধে মুশরিকদের সমর্থন ও সহযোগিতা করা।
(সুরা তাওবা: ২৩)
৮/কাউকে দীন-শরিয়তের ঊর্ধ্বে মনে করা।(সুরা মায়েদা: ৩)
৯/দীন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।
(সুরা সাজদাহ: ২২)
১০/নিজের ও আল্লাহর মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নির্ধারণ করা
‘তারা আল্লাহকে ছাড়া যার ইবাদত করে তা তাদের ক্ষতিও করতে পারে না, উপকারও করতে পারে না। তারা বলে, এরা আল্লাহর নিকট আমাদের সুপারিশকারী। বলুন, তোমরা কি আল্লাহকে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর এমন কিছুর সংবাদ দিচ্ছ, যা তিনি জানেন না? তিনি মহান, পবিত্র এবং তারা যাকে শরিক করে তা হতে তিনি ঊর্ধ্বে।’ (সুরা ইউনুস: ১৮)
‘জেনে রাখ, অবিমিশ্র আনুগত্য আল্লাহরই প্রাপ্য। যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা বলে, “আমরা তো এদের পূজা এজন্যই করি যে, এরা আমাদেরকে আল্লাহর সান্নিধ্যে নিয়ে যাবে।” তারা যে বিষয়ে নিজেদের মধ্যে মতভেদ করছে আল্লাহ তার ফয়সালা করে দেবেন। যে মিথ্যাবাদী ও কাফের আল্লাহ তাকে সৎপথে পরিচালিত করেন না।’ (সুরা জুমার: ৩)
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
ফরজ নামাজের পর (নফল নামাজের মধ্যে) শ্রেষ্ঠতম নামাজ হচ্ছে গভীর রাতের নামাজ, আর রমজান মাসের রোজার পর (নফল রোজাগুলোর মধ্যে) সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ রোজা হচ্ছে মুহাররম মাসের রোজা।
[মুসলিম শরীফ, হাদীস নং ২৮১৩]
আশুরার রোজা কবে রাখব?
সহীহ বুখারী শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ফাতহুল বারী-তে হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রহ. লিখেছেন : আশুরার রোজা তিন স্তরের। সর্বনিম্ন স্তর হলো মুহাররমের ১০ তারিখ একদিন রোজা রাখা, এর উপরের স্তর দশ তারিখের আগে নয় তারিখেও রোজা রাখা, এর উপরের স্তর হলো নয়-দশ-এগার এ তিন দিন রোজা রাখা। [বাবু সিয়ামি ইয়াওমি আশুরা]
সে হিসাবে এ বছরের রোজার তারিখগুলো হচ্ছে:
৯ মুহাররম - ৫ জুলাই
১০ মুহাররম - ৬ জুলাই
১১ মুহাররম - ৭ জুলাই
আশুরার রোজার ফজিলত:
আশুরার রোজা বিগত এক বছরের সগিরা গুনাহ মাফ করে দেয়।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বর্ণনা করেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসের ফরজ রোজা ছাড়া অন্য যেসব দিনে রোজা রাখতেন, সেসব রোজার কোনোটিকেই আশুরার রোজার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে তাঁকে আমি দেখি নি। [বুখারী শরীফ, হাদীস নং ২০০৬]
মক্কায় থাকাকালীন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরাইশদের সাথে সাথে আশুরার রোজা রেখেছেন, তবে তিনি তখন কাউকে এ রোজা রাখতে আদেশ করেন নি। পরে যখন মদীনায় আসলেন, তখন নিজে রাখার পাশাপাশি অন্যদেরকেও রোজাটি রাখতে আদেশ করলেন।
বুখারী ও মুসলিম শরীফের কোনো কোনো হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী—রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ রোজাটির উপর এতই জোর দিতেন যে, একবার তিনি আশুরার দিনে মদীনার ঘরে ঘরে সংবাদ পাঠালেন যে আজ সকাল থেকে কিছু খায় নি কিংবা পান করে নি, সে যেন আজকের রোজা রাখে, আর যদি কেউ কিছু খেয়েও থাকে, তবু যেন অবশিষ্ট সময়টুকু সে না খেয়েই কাটায়। এ থেকে কেউ কেউ বলেন, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার পূর্বে আশুরার রোজাই ফরজ ছিল। পরে যখন রমজান মাসের রোজাই ফরজ হয়ে গেল, তখন আশুরার রোজাটি ঐচ্ছিক হয়ে যায়—কেউ চাইলে রাখে, কেউ রাখে না।
তাই আসুন, আমরা প্রত্যেকেই আশুরার রোজাটি রাখি। পরিবারের ছোট সন্তানদেরকেও এই রোজাটি রাখতে উৎসাহিত করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফিক দান করুন।
24/06/2025
একবার মুফতি তাকি উসমানী কে জিজ্ঞাসা করা হল, জীবনের সারকথা কী?
তিনি উত্তরে ২০টি সুক্ষ্ম বিষয়ের কথা তুলে ধরেন:
১. সর্বদা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় কর।
২. চেষ্টা কর সারা জীবনে কেউ যেন তোমার অভিযোগ অন্য কারো কাছে না করে। আল্লাহর কাছে কখনই না।
৩. বংশীয় লোকদের সাথে কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করো না। ক্ষতি হলে মেনে নিও, তবে বিরোধিতা করো না। পরে ভালো ফল পাবে।
৪. কোথাও এ কথা বলো না যে, আমি আলেম। আমার সাথে অনুগ্রহ করেন। এটি কখনই কাম্য নয়। চেষ্টা কর দ্বীনদারী হয়ে চলার।
৫. সর্বোত্তম দস্তরখান হল নিজ ঘরের দস্তরখান। যে রিজিক পাবে তাই রাজার হালে খাবে।
৬. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো থেকে আশা করো না।
৭. প্রত্যেক আগামী দিনে পরিশ্রম বৃদ্ধি কর।
৮. বিত্তশালী ও অহংকারী ব্যক্তি থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।
৯. প্রতিদিন সকালে কিছু দান খয়রাত কর। আর সন্ধ্যায় এস্তেগফার পাঠ করার অভ্যাস কর।
১০. নিজের কথার মাঝে মিষ্টতা তৈরি কর।
১১. উচ্চস্বরে কথা বলো না। এমনকি ছোট বাচ্চাদের সাথেও নয়।
১২. যে জায়গা থেকে তোমার রিজিকের ব্যবস্থা হচ্ছে সে জায়গাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসো। যেমন সম্মান করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।
১৩. চেষ্টা কর সারা জীবনে সফল মানুষদের সাথে ওঠাবসা করবে। একদিন তুমিও তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
১৪. প্রত্যেক সেক্টরের যোগ্য ব্যক্তিদের সম্মান কর। তার সামনে আদবের সাথে আসা উচিত। হোক সে যে কোন ময়দানের।
১৫. পিতা মাতা, শিক্ষক ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে যেমন উত্তম আচরণ করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।
১৬. সব কাজে মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর।
১৭. জন সাধারণের সাথে সম্পর্ক রেখ। তাদের থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।
১৮. একজনের অভিযোগ অন্যের কাছে না করা। অভিযোগকারীকে আমাদের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপছন্দ করতেন।
১৯. সব কথা ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন কর। এর দ্বারা অনেক সমস্যার সমাধান হয়।
২০. বড়দের বৈঠকে চুপ থেক।
সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা,,,
"তাকব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম" ঈদ মুবারক 🌺
01/06/2025
25/05/2025
২৭ মে এর আগে ই প্রস্তুত হয়ে যান।
আগামী ২৪০ ঘন্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ!
23/05/2025
জুমার দিনে
18/05/2025
তারা আমাদের শিখাই সমতা/সম অধিকার।
আর ইসলাম আমাদের শিখায় ইনসাফ।❤️🩹
আলহামদুলিল্লাহ।