Everything about Islam

Everything about Islam

Share

About Islam

16/07/2021

Nafs (نَفْس) is an Arabic word occurring in the Quran, literally meaning "self", and has been translated as "psyche", "ego" or "soul"

21/08/2020

Thus Qalb-e-Saleem is the heart which, due to extreme fear for Allah, is like the heart of a person who has just been bitten by a scorpion. ( Qurtubi). In the words of Abu Bakr ibn-ul-Arabi (R.A.A.) it is a heart that is burnt and stung with fear (for Allah)" [Ahkaam-ul-Quran]

02/07/2020

The plural of 'Wali' is 'Awliya'. It is an Arabic word meaning friend. Awliya Allah, therefore, means Friends of Allah almighty. To become a friend to Allah isn't something you just do. Allah honors certain people; some from birth and others due to their deeds.

30/06/2020

শান্ত হও,, নড়াচড়া করোনা, নীরবতার সংগে সখ্যতা করে নেও,, আরো গভিরে যাও,, তোমার হৃদয়ের গহিনে ডুব দাও,সমস্ত কোলাহল থেকেএকটি দিনের জন্য ছুটি নেও।
মাঃ জালাল উদ্দিন রুমী (রহঃ)

30/06/2020

কড়া নাড়ো, তিনি তোমায় দরজা খুলে দেবেন।
বিলীন হয়ে যাও, তিনি তোমায় সূর্যের মত উজ্জল করবেন।
লুটিয়ে পড়ো, তিনি তোমায় বেহেশতে তুলে নেবেন।
নিজেকে রিক্ত করো, তিনি তোমায় সবকিছু দিয়ে পূর্ণ করবেন।

---হযরত জালালুদ্দিন রুমী (রহঃ)

30/06/2020

ধর্মকে শুধু কিতাব সমুহের মাঝে তালাশ করো না
কিতাব দ্বারা শুধু বিদ্যা অর্জিত হয় দ্বীন বা ধর্ম নয়।
দ্বীন অর্জিত হয় কামেল ব্যাক্তির কৃপা দৃষ্টিতে
যদি কোরআন পড়েই দ্বীন হাসিল হতো তবে আবু লাহাব আবু জাহেল প্রথম স্তরের ঈমানদার হতো, তারা তো অনুবাদ ও জানতো।
কিন্তু তা হয়নি শুধু নবী সাঃ এর অমান্যতার এবং নবী সাঃ থেকে ফায়েজ না পাওয়াই, বরং অভিশপ্ত হয়েছে।

আল্লামা ইকবাল রহঃ।

29/06/2020
28/06/2020

#প্রকৃত_সুন্নি_বনাম_নামধারী_সুন্নিদের_মধ্যে_আক্বীদা_ও_আমলগত_পার্থক্য

আজকের বিষয়: আক্বীদা

রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, “আর নিশ্চয় বনী ইসরাঈল ৭২ দলে বিভক্ত হয়েছিল। আর আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। সব দলই হবে জাহান্নামী, একটি দল ছাড়া। সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন- সেই দলটি কারা? রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম বললেন, “যার উপর আমি এবং আমার সাহাবাগণ রয়েছেন।” (তিরমিযী)

বর্ণিত হাদীসে নাজাতপ্রাপ্ত একমাত্র সেই দলটির অপর নাম “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত”। অর্থাৎ “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত” তারাই, যারা আক্বীদা ও আমলের ক্ষেত্রে সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরে, তার উপর ঐক্যবদ্ধ থাকে এবং অন্য কোন দিকে দৃষ্টি দেয় না। এ কারণেই তাদেরকে আহলে সুন্নাতরূপে নামকরণ করা হয়েছে। কেননা তাঁরা সুন্নাহর ধারক ও বাহক।

৭৩ দলের মধ্যে যে ১টি দল নাজাতপ্রাপ্ত তথা জান্নাতী, সেই দলটি “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত” এর মূলনীতি ও আদর্শের উপর সবসময় দৃঢ় বিশ্বাসী, স্থিতিশীল ও অটল থাকে এবং আমলের ক্ষেত্রে সুন্নাতের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকে। আক্বীদা যাদের বিশুদ্ধ এবং আমল যাদের সুন্নাতের উপর প্রতিষ্ঠিত তাদেরকেই মূলত “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত” হিসাবে নামকরণ করা হয়ে থাকে এবং সংক্ষেপে তাদেরকে বলা হয় সুন্নি। কিন্তু যাদের আক্বীদা ও আমল বিশুদ্ধ নয়, অথচ নিজেদেরকে অযথা সুন্নি হিসেবে জাহির করে তারা মূলত প্রকৃত সুন্নি নয়, বরং নামধারী ভন্ড সুন্নি।

আপনারা যদি নামধারী ভন্ড সুন্নিদের অবস্থার প্রতি দৃষ্টিপাত করেন, তবে দেখতে পাবেন যে, তারা আক্বীদা ও আমলের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। তাদের এ অবস্থা এটাই প্রমাণ করে যে, তারা ইসলামের মূলধারা “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত” এর মূলনীতি ও আদর্শ থেকে খারিজ হয়ে গেছে এবং দলে দলে জনে জনে বিভিন্ন মসলক ও ফেরকাবন্ধী হয়ে পড়েছে। যারা ইসলামের মূলধারা “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত” এর উপর সুপ্রতিষ্ঠিত তারা অন্য কোন মসলক বা ফেরকায় বন্দী হয়ে পড়েনা এবং তারা আক্বীদা ও আমলের ক্ষেত্রে সুন্নাতের উপর সুদৃঢ় থাকে।

বর্তমান যুগে সুন্নিদের বড় একটি অংশ ইসলামের মূলধারা “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত” এর মূলনীতি ও আদর্শ থেকে খারিজ হয়ে গেছে এবং আক্বীদা ও আমলের ক্ষেত্রে “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত” থেকে মারাত্মক বিচ্ছূতি ঘটেছে। প্রকৃত সুন্নি বনাম ভন্ড নামধারী সুন্নিদের মধ্যে আক্বীদা ও আমলগত পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করলে বিষয়টা পাঠকদের কাছে আরও পরিস্কার হয়ে যাবে। আজকের পর্বে প্রথমে দেখি প্রকৃত সুন্নি এবং ভন্ড সুন্নিদের মধ্যে আক্বীদাগত কি কি পার্থক্য রয়েছে।

# প্রকৃত সুন্নি বনাম ভন্ড সুন্নিদের মধ্যে আক্বীদাগত পার্থক্য:

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: ওহাবীদের গালি দেওয়া আল্লাহর সুন্নাত।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: অন্যকে গালি দেওয়া খারাপ কাজ এবং ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ হারাম। আর খারাপের নিসবত আল্লাহর দিকে করাটাও হারাম৷ যেসব কথা ও কর্ম দ্বারা কিংবা যে সকল বিষয়ের নিসবত দ্বারা আল্লাহর শান-মানের অবমাননা করা হয় তা কুফরী।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর নূর মোবারক আল্লাহর সৃষ্টি নূর নয়, বরং আল্লাহর জাতি নূরের অংশ।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর নূর মোবারক আল্লাহর সৃষ্টি নূর, আল্লাহর জাতি নূরের অংশ নয়।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর রুহ মোবারক নূরের তৈরী; কিন্তু দেহ মোবারক মাটির তৈরী।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর রুহ এবং দেহ মোবারক উভয়ই নূরের তৈরী।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: সম্মানিত নবীগণের সামান্য ভুল-ত্রুটি হয়ে যায়।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: নবী-রাসূলগণ সকলেই মাসুম বা নিষ্পাপ।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মর্যাদা ও মর্তবা যেমন, তেমনি হযরত আমীরে মুয়াবিয়া (রা:) এর মর্যাদা ও মর্তবাও তেমন। তাই হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মর্যাদা ও মর্তবা নিয়ে আলোচনা করলে সাথেসাথে হযরত আমীরে মুয়াবিয়া (রা:) এর মর্যাদা ও মর্তবা নিয়েও আলোচনা করতে হবে।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হচ্ছেন আহ‌লে বায়ত, শা‌হেনশা‌হে বেলায়ত, প্রিয় নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাই‌হে ওয়াসাল্লাম এর স্নেহের জামাতা, জান্নাতী নারী‌দের সর্দার মা ফা‌তেমাতুয যাহরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার প্রাণ‌প্রিয় স্বামী, জান্নাতী যুবক‌দের সর্দার হযরত ইমাম হাসান ও হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম এর শ্রদ্ধেয় পিতা; উনার সাথে হযরত আমীরে মুয়াবিয়া (রা:) এর তুলনা করা নিছক মূর্খতা, বাতুলতা ও “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত” এর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: মাগরিবের নামাজে হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু ইমামতি করতে গেলে মদ্যপানের কারণে তিনি সূরা ভুল পড়েছেন।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হারাম হওয়ার পূর্বে কিংবা পরে কখনও মদপান করেন নি।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: হযরত ইমাম হাসান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু অধিক বিবাহকারী ব্যক্তি ছিলেন। তিনি প্রায় একশজন নারীকে বিয়ে করেছেন এবং তালাকও দিয়েছেন। অধিকাংশ স্ত্রীকে এক/দুই রাতের পরে তিনি তালাক দিতেন। এ সম্পর্কে আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী মুরতাজা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, এটি ইমাম হাসানের আদত বা অভ্যাস যে, তিনি তালাক প্রদান করতেন। কোন স্ত্রী তার সাথে জুড়ে থাকতেন না।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: হযরত ইমাম হাসান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বেহেশতের যুবকদের সম্রাট এবং রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর সাথে চাদরের নিচে অবস্থানকারী আহলে বায়াতের পাঁচজনের অন্যতম, আর আহলে বায়াত হচ্ছেন পুতপবিত্র।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু খেলাফতের জন্য পূর্ণ উপযোগী ছিলেন না। তাই হযরত আমীরে মু’আবিয়া (রা:) ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে খলিফা না বানিয়ে এজিদকে খলিফা বানিয়েছিলেন।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু খেলাফতের জন্য পূর্ণ উপযোগী ছিলেন। বরং এজিদের অনৈসলামিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও শরীয়ত পরিপন্থী কার্যকলাপের প্রতিবাদ করাতেই ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর উপর নেমে আসে ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বরোচিত হৃদয়বিদারক ঘটনা।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: হযরত আদম (আ:) এর তওবা কবুল হয়েছিল হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) এর উছিলায়; হযরত ইব্রাহীম (আ:) এর অগ্নিকুন্ডের মধ্যে আগে হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) পড়েছিলেন, আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) অগ্নিকুন্ডতে গিয়ে এটাকে জান্নাতে পরিবর্তন করার পরে হযরত ইব্রাহীম (আ:)-কে আহ্বান করা হয়েছিল; হযরত নূহ (আ:) এর জাহাজ পানির ওপর ভেসেছিল হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) এর কারণে।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: হযরত আদম (আ:), হযরত নূহ (আ:), হযরত ইব্রাহীম (আ:) হচ্ছেন জলিলুল কদর নবী-রাসূল। আর গাউছে পাক আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) হচ্ছেন অলী। নবী-রাসূলের মর্যাদা সবার ঊর্ধ্বে। নবী-রাসূলের পর সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা সবার ঊর্ধ্বে। সাহাবায়ে কেরামদের মধ্যে খোলাফায়ে রাশেদীন এর মর্যাদা সবার ঊর্ধ্বে। এরপর আশরায়ে মুবাশশারা, আহলে বদর, আহলে উহুদ, আহলে কারবালা, আহলে বায়াত ইত্যাদির মর্যাদাও অনেক ঊর্ধ্বে। অলীদের মধ্যে গাউছ, কুতুব, আবদাল, আওতাদ, নোজবা, নোকাবা ইত্যাদি বিভিন্ন স্তরের অলী রয়েছেন; একেক অলীর মর্যাদা একেক রকম। কিন্তু কোন অলীর উছিলায় জলিলুল কদর নবী-রাসূলের দোয়া কবুল হয়, অলীর উছিলায় জলিলুল কদর নবী-রাসূল বিপদ থেকে রক্ষা পায়- তা “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত” এর আক্বীদার সম্পূর্ণ পরিপন্থি ও গাউছে পাককে অপমান করার শামিল।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মতের যত অলী ছি‌লেন, বতর্মা‌নে যত অলী আছেন এবং কিয়ামত পর্যন্ত যত অলী পৃ‌থিবী‌তে আসবেন সবার কাঁধের উপর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) এর কদম।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) এর যুগের যত অলী ছিলেন তাদের কাঁধের উপর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) এর কদম।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: গাউছিয়্যত হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) এর জাতে খতম হইয়া গেছে, তাই হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) ছাড়া কিয়ামত পর্যন্ত দ্বিতীয় আর কাউকে গাউছিয়্যত দেওয়া হবেনা।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: গাউছিয়্যত হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) এর জাতে খতম হয়নি। হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) এর পূর্বেও গাউছিয়্যত ছিল এবং কিয়ামত পর্যন্ত গাউছিয়্যতের ধারা অব্যাহত থাকবে।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: আহমদ রেযা খান বেরলভীকে এক পাল্লায় রেখে আরেক পাল্লায় দেওয়ার মত কোন উম্মত রাসূলের উম্মতের মধ্যে নাই। সেই কারণে বনাম দিয়ে আলা হযরতকে তুলনা করা যাবেনা। কারণ আলা হযরত তুলনাহীন আলা হযরত; যার সাথে মিসাল দেওয়ার মত, উপমা দেওয়ার মত সেকেন্ড পজিশনে আর কেউ নাই।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হলেন হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, এরপর হযরত উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, এরপর হযরত উসমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, এরপর হযরত আলি রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর উম্মতের মধ্যে হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে মিসাল দেওয়ার মত, উপমা দেওয়ার মত সেকেন্ড পজিশনে আর কেউ নাই।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: “আলা হযরত” এর মসলকের অনুসারী না হলে সুন্নি হওয়া যাবে না।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত” এর মসলকের অনুসারী না হলে সুন্নি হওয়া যাবে না।

ভন্ড সুন্নিদের আক্বীদা: আহমদ রেযা খান বেরলভী (রাহ.) তাঁর কিতাবে যা লিখেছেন এবং যখন যে ফতোয়া দিয়েছেন তা ১০০% মানতে হবে।

প্রকৃত সুন্নিদের আক্বীদা: কুরআন এবং সুন্নাহ ১০০% মানতে হবে।

ভন্ড সু‌ন্নি‌দের আক্বীদা: লবন দি‌য়ে মদ খাওয়া জা‌য়েজ।

প্রকৃত সু‌ন্নি‌দের আক্বীদা: মদ খাওয়া সর্বাবস্থায় হারাম। সম্ভবত আপনারা লবন দি‌য়ে মদ খে‌য়ে ফ‌তোয়া দেন তাই আপনা‌দের আজ এই অবস্থা।

ভন্ড সু‌ন্নি‌দের আক্বীদা: শুধুমাত্র আমা‌দের মাদরাসা জিন্দা মাদরাসা; বাংলা‌দে‌শের আর সমস্ত মাদরাসা মরা মাদরাসা।

প্রকৃত সু‌ন্নি‌দের আক্বীদা: বাংলা‌দে‌শে অ‌নেক সু‌ন্নি মাদরাসা আ‌ছে, অ‌নেক জিন্দা মাদরাসা আ‌ছে; বরং আপনা‌দের মাদরাসা বর্তমা‌নে ফেরকাবা‌জি‌, ধান্ধাবা‌জি ও ফিতনাবা‌জির কার‌ণে প্রায় মরা মাদরাসায় প‌রিণত হ‌য়ে‌ছে তা সু‌ন্নি মুসলমানরা সবাই জা‌নে।

ভন্ড সু‌ন্নি‌দের আক্বীদা: শুধুমাত্র আমা‌দের পীর সা‌হেব আওলা‌দে রাসূল (দরুদ), বাংলা‌দে‌শে আর কো‌নো আওলা‌দে রাসূল (দরুদ) নাই।

প্রকৃত সু‌ন্নি‌দের আক্বীদা: বাংলা‌দে‌শে অ‌নেক আওলা‌দে রাসূল (দরুদ) আ‌ছেন; বরং আপনা‌দের পীর সা‌হেব জাল শজরায় স্ব‌ঘো‌ষিত ভুয়া আওলা‌দে রাসূল (দরুদ) তা সু‌ন্নি মুসলমানরা সবাই জা‌নে।

ভন্ড সু‌ন্নি‌দের আক্বীদা: শুধুমাত্র আমরাই হলাম খা‌টি সু‌ন্নি; বাংলা‌দে‌শে আমরা ছাড়া আর কো‌নো খা‌টি সু‌ন্নি নাই।

প্রকৃত সু‌ন্নি‌দের আক্বীদা: বাংলা‌দে‌শে অসংখ্য খা‌টি সু‌ন্নি আ‌ছে; বরং বর্তমা‌নে বাংলা‌দে‌শে আপনারাই হ‌চ্ছেন সব‌চে‌য়ে উচুঁ দরজার ভন্ড সু‌ন্নি।

27/06/2020

Qalb-e-Saleem is the heart which, due to extreme fear for Allah, is like the heart of a person who has just been bitten by a scorpion. ( Qurtubi). In the words of Abu Bakr ibn-ul-Arabi (R.A.A.) it is a heart that is burnt and stung with fear (for Allah)" [Ahkaam-ul-Quran]

25/06/2020

Qalb. ... In Islamic philosophy, the qalb (Arabic: قلب‎), or heart, is the origin of intentional activities, the cause behind all of humans intuitive deeds. While the brain handles the physical impressions, qalb (the heart) is responsible for apprehending.

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Dhaka
4000